Savar News

Savar News The Savar News is a Bengali Online news published from Dhaka, Bangladesh.

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আগামীকাল ৩ মে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬। এবারের সম্মেল...
02/05/2026

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আগামীকাল ৩ মে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬। এবারের সম্মেলনে মোট ৩৪টি কার্য অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

তথ্য অধিদপ্তরের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোল্লা আহমদ কুতুবুদ-দ্বীন জানান, ডিসি সম্মেলনের সার্বিক বিষয় নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে আজ শনিবার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে।

২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মা-মলায় কারাবন্দি থাকা আট সাবেক বিডিআর সদস্য জামিনে...
02/05/2026

২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মা-মলায় কারাবন্দি থাকা আট সাবেক বিডিআর সদস্য জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার (১ মে) গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তারা মুক্তি পান। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি ইউনিট থেকে একজন এবং কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে সাতজনকে মুক্তি দেওয়া হয়।

এতদিন তার পরিচয় ছিলো মোট তিনটি। প্রথমেই তিনি একজন কমেডি অভিনেতা। নব্বই দশকের প্রত‍্যেকের শৈশবের একজন প্রিয় কমেডি তারকা, ...
02/05/2026

এতদিন তার পরিচয় ছিলো মোট তিনটি। প্রথমেই তিনি একজন কমেডি অভিনেতা। নব্বই দশকের প্রত‍্যেকের শৈশবের একজন প্রিয় কমেডি তারকা, হাউজফুল সহ ছবিয়ালের নাটকগুলোয় যার দুর্দান্ত অভিনয়ে সবাই হেসেছেন।

দ্বিতীয়ত তিনি আবাসিক হোটেলের মডেল তারকা মারিয়া মিমের সাবেক স্বামী।

তৃতীয়ত তিনি আওয়ামীলীগের একজন এমপি পদপ্রার্থী। জুলাইয় আন্দোলনের পর তাকে রাজধানীর হাবিবুল্লাহ বাহার ইউনিভার্সিটি কলেজ এলাকা থেকে গণধো*লাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

আজকে তিনি নতুন পরিচয়ে প্রকাশ‍্যে এসেছেন। এখন থেকে তিনি একজন মৌলবি। নিজেকে সম্পূর্ণ পাল্টে ফেলেছেন অভিনেতা সিদ্দিক। তার সাবেক স্ত্রীর যেখানে এ পরিমাণ অধপতন হয়েছে, সেখানে সিদ্দিক নিজেকে আলোর পথে ফিরিয়ে এনে এক চরম দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। এখন শুধু এনসিপির মাধ‍্যমে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়া বাকি।

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে সফররত জাপানের কৃষিমন্ত্রী ও বিশ...
29/04/2026

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে সফররত জাপানের কৃষিমন্ত্রী ও বিশেষ দূত সুজুকি নরিকাজু’র নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।

আজ ২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে সিগারেট খাতে নতুন করে শুল্ক বা কর বৃদ্ধি না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়...
28/04/2026

আগামী অর্থবছরের বাজেটে সিগারেট খাতে নতুন করে শুল্ক বা কর বৃদ্ধি না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। তিনি জানান, বর্তমানে এই খাতে মোট করের হার ইতোমধ্যে প্রায় ৮৩ শতাংশের কাছাকাছি, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে একটি উচ্চ স্তর হিসেবে বিবেচিত।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনামূলক মূল্য বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে, তবে অতিরিক্ত কর বৃদ্ধির সুযোগ সীমিত।

এদিকে বৈঠকে শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা অবৈধ সিগারেট বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং ভ্যাট কাঠামো সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। কেউ কেউ অবৈধ পণ্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান, আবার কেউ কেউ কর কাঠামো স্থিতিশীল রাখার পক্ষে মত দেন।

টেলিকম খাতের প্রতিনিধিরাও বিভিন্ন সেবায় ভ্যাট কাঠামো সহজীকরণের দাবি জানান। এনবিআর চেয়ারম্যান এসব বিষয় পর্যালোচনার আশ্বাস দেন এবং অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দেশের আবহাওয়ায় হঠাৎ পরিবর্তনের মধ্যে চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গ...
28/04/2026

দেশের আবহাওয়ায় হঠাৎ পরিবর্তনের মধ্যে চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে ঢাকাসহ ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, সঞ্চারণশীল গভীর মেঘমালা ও বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং কোথাও কোথাও তা ভারী বর্ষণে রূপ নিতে পারে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে, কারণ আবহাওয়ার এই অস্থিরতা নৌ চলাচল ও উপকূলীয় এলাকায় প্রভাব ফেলতে পারে।

গত এক সপ্তাহের তীব্র তাপপ্রবাহের পর এই বৃষ্টিপাত কিছুটা স্বস্তি আনলেও অতিভারী বর্ষণের কারণে জলাবদ্ধতা ও দুর্ভোগের আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহী জামে মসজিদের সামনে কোমর সমান পানি।
28/04/2026

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহী জামে মসজিদের সামনে কোমর সমান পানি।

মঙ্গলবার সকালের ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিত্র...               ゚viralシ  ゚    #ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
28/04/2026

মঙ্গলবার সকালের ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিত্র...
゚viralシ ゚ #ব্রাহ্মণবাড়িয়ার

জামায়াত-এনসিপি জোটে আলোচনায় মমতাজ, মুন্নী, মনিরা, মিতুরাআগামী ১২ মে ভোটগ্রহণ হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আস...
13/04/2026

জামায়াত-এনসিপি জোটে আলোচনায় মমতাজ, মুন্নী, মনিরা, মিতুরা

আগামী ১২ মে ভোটগ্রহণ হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে। ইতিমধ্যে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নারী আসনে জামায়াত-এনসিপি কাদের মনোনয়ন দেবে সে বিষয়ে চলছে আলোচনা। কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই শতাধিক আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। বিরোধী দলে আছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। জোটগুলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে সংরক্ষিত নারী আসন পাবে।

বিএনপি ও তাদের মিত্ররা পাবে ৩৬টি আসন।

এই জোটে রয়েছে গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস পাবে ১৩টি আসন।
জামায়াতসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন নিয়ে দলীয় প্রস্তুতি শুরু হয়। জামায়াতের মহিলা বিভাগ থেকে ১২ জনের একটি তালিকা পাঠানো হয়েছে।

সেই তালিকায় শিক্ষক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশার প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নেসা সিদ্দীকা, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক মারদিয়া মমতাজ, আইনজীবী সাবিকুন্নাহার মুন্নী।

নিয়ম অনুযায়ী, জামায়াত ১২টি ও এনসিপি ১টি আসন পেতে যাচ্ছে। তবে এনসিপি আরো একটি আসন চায় জামায়াতের কাছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি জোট।

এনসিপি সূত্র বলছে, সংরক্ষিত নারী আসনের বিষয়ে সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতের সঙ্গে কিছুটা আলোচনা হয়েছিল। এনসিপি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও যুগ্ম সদস্যসচিব মাহমুদা আলমকে সংসদে দেখতে চায়।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল এবং ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করা হবে। পরে ২৬ এপ্রিল বাতিল হওয়া মনোনয়নের বিষয়ে আপিল শুরু, নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। ২৯ এপ্রিল মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের জোর তৎপরতা চলছে। আজ মনোনয়ন বিক্রি শেষ করেছে দলটি।

শুক্রবার মনোনয়ন ফরম বিক্রি উদ্বোধনের সময় দলের যুগ্ম মহাসচিব, প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আওয়ামী লীগের শাসনামলে যারা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের মধ্য থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী বেছে নেওয়া হবে।’

মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে বলেও জানান রিজভী। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জাতীয় সংসদে কার্যকরভাবে কথা বলার সক্ষমতা।

বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের সিংহভাগ সময়, মেধা এবং শক্তি ব্যয় হয় অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, ক্ষমতায় টিকে থাকা বা ক্ষম...
13/04/2026

বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের সিংহভাগ সময়, মেধা এবং শক্তি ব্যয় হয় অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, ক্ষমতায় টিকে থাকা বা ক্ষমতায় যাওয়ার লড়াইয়ে। দেশের ভেতরে একে অপরের পতন ঘটাতে তারা যতটা তৎপর, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান শক্ত করার বিষয়ে তাদের ততটা মনোযোগ বা সময় থাকে না। বৈশ্বিক রাজনীতি অনেকটা দাবা খেলার মতো, যেখানে দশ-বিশ বছর পরের চাল আগে থেকে হিসাব করতে হয়। কিন্তু আমাদের দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অত্যন্ত তাৎক্ষণিক লাভ-ক্ষতির ওপর নির্ভরশীল।

আগামী নির্বাচনের পর কী হবে, সেটার বাইরে গিয়ে আগামী ৫০ বছরে বিশ্বে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান কী হবে—তা নিয়ে ভাবার মতো রাজনৈতিক দূরদর্শিতার ব্যাপক অভাব রয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে হলে শক্তিশালী অর্থনীতি ও সামরিক সক্ষমতা প্রয়োজন। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানি, রেমিট্যান্স এবং উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বিদেশি ঋণ ও অনুদানের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। এই নির্ভরশীলতার কারণে বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর চোখের দিকে তাকিয়ে সমান্তরালভাবে কথা বলার সাহস বা সুযোগ আমাদের রাজনীতিবিদদের কম থাকে।

উন্নত দেশগুলোতে পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারিত হয় শক্তিশালী 'থিংক-ট্যাংক', বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, সাবেক কূটনীতিক এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সম্মিলিত বিশ্লেষণের মাধ্যমে। সেখানে সরকার পরিবর্তন হলেও রাষ্ট্রের মূল পররাষ্ট্রনীতি খুব একটা বদলায় না। কিন্তু বাংলাদেশে পররাষ্ট্রনীতি অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তিকেন্দ্রিক। প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণার অভাবে বৈশ্বিক সমীকরণগুলো গভীরভাবে বোঝার ক্ষেত্রে ঘাটতি থেকে যায়। বৈশ্বিক রাজনীতি চলে নিরেট স্বার্থ ও বাস্তববাদের ওপর ভিত্তি করে, এখানে আবেগের কোনো স্থান নেই।

কিন্তু আমাদের দেশের রাজনীতিতে অনেক সময় আবেগ, জনতুষ্টিবাদ এবং ঐতিহাসিক সেন্টিমেন্টকে পুঁজি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা আন্তর্জাতিক দরকষাকষিতে আমাদের পিছিয়ে দেয়। বাংলাদেশ এমন একটি ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছে যেখানে ভারত, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো পরাশক্তিগুলোর বহুমুখী স্বার্থ জড়িত। এই বৃহৎ শক্তিগুলোর ভূ-রাজনৈতিক খেলার মাঠে নিজেদের স্বার্থ আদায় করে নেওয়ার মতো যে প্রবল চাতুর্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা প্রয়োজন, সেখানে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রায়শই খেই হারিয়ে ফেলেন। সংক্ষেপে বলতে গেলে, বৈশ্বিক রাজনীতির বিশাল ও জটিল মহাসাগরে টিকে থাকার জন্য যে প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি, গভীর জ্ঞান এবং জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন, তার অভাবেই বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনেক সময় নিষ্প্রভ বা শিশুতোষ মনে হয়।

এই জ্ঞানের অভাবের মূল কারণগুলোর মধ্যে অধ্যয়ন ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার অভাব অন্যতম। বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি, ইতিহাস এবং ভূ-রাজনীতি নিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা বা অধ্যয়নের সংস্কৃতি আমাদের মূলধারার রাজনীতিতে প্রায় অনুপস্থিত। একজন রাজনীতিবিদের পড়ার টেবিলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বা অর্থনীতির গভীর বিশ্লেষণমূলক বইয়ের চেয়ে দলীয় প্রচারণাপত্রই বেশি থাকে। নেতারা অনেক ক্ষেত্রেই জ্ঞানী, গবেষক বা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়ার বদলে নিজেদের চারপাশে এমন মানুষদের পরিবেষ্টিত রাখেন, যারা কেবল তাদের হ্যাঁ-তে হ্যাঁ মেলায়। ফলে তারা সঠিক ও বাস্তবসম্মত তথ্য বা গঠনমূলক সমালোচনা থেকে বঞ্চিত হন। বর্তমান বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, জলবায়ু কূটনীতি এবং জটিল বাণিজ্য চুক্তির মতো বিষয়গুলো নিয়ে এগোচ্ছে। এসব আধুনিক ও যুগান্তকারী বিষয়গুলো সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণার অভাবে আন্তর্জাতিক টেবিলে আমাদের নেতারা প্রায়শই প্রাসঙ্গিক আলোচনা করতে ব্যর্থ হন।

এই হীনম্মন্যতা সৃষ্টির পেছনের মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যখন কোনো রাজনৈতিক শক্তি দেশের জনগণের ম্যান্ডেট বা মজবুত সমর্থনের চেয়ে ক্ষমতায় আসা বা টিকে থাকার জন্য বিদেশি রাষ্ট্র বা দূতাবাসের আশীর্বাদের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন স্বাভাবিকভাবেই তাদের সামনে মেরুদণ্ড সোজা করে কথা বলার সাহস হারিয়ে যায়। আমাদের সমাজে এবং রাজনীতিতে এখনও এক ধরনের উপনিবেশিক মানসিকতা কাজ করে, যেখানে ধরে নেওয়া হয় বিদেশিরা বা পরাশক্তিরা যা বলে সেটাই হয়তো সঠিক। নিজেদের মেধা, সক্ষমতা ও যুক্তির ওপর আস্থার অভাব থেকেই এই মানসিকতার সৃষ্টি।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সাবলীলভাবে এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখে নিজস্ব যুক্তি বা দাবি তুলে ধরার মতো দক্ষতায় অনেকেরই ঘাটতি রয়েছে। এই যোগাযোগের দুর্বলতা অনেক সময় তাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়, যা হীনম্মন্যতা হিসেবে প্রকাশ পায়। যে নেতার রাজনৈতিক দর্শন ও আদর্শের ভিত্তি মজবুত, তিনি যেকোনো পরাশক্তির সামনেই অবিচল থাকতে পারেন। কিন্তু রাজনীতি যখন কেবলই ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ ও সম্পদ অর্জনের হাতিয়ারে পরিণত হয়, তখন সেই নেতাদের পক্ষে জাতীয় স্বার্থে বিশ্বমঞ্চে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া সম্ভব হয় না। জ্ঞানের গভীরতা না থাকলে যেমন আত্মবিশ্বাস আসে না, তেমনি আত্মবিশ্বাসের অভাবে বড় পরিসরে ভাবার বা জানার স্পৃহাও তৈরি হয় না—এটি একটি দুষ্টচক্র।

এই দুষ্টচক্র ভাঙতে এবং জাতীয় বিবেকের পাহারাদার হিসেবে অধ্যাপকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দলীয় বা সংকীর্ণ রাজনৈতিক বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে একজন শিক্ষক যখন স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারেন, তখনই তিনি শিক্ষার্থীদের মাঝে সেই মুক্তচিন্তার বীজ বপন করতে সক্ষম হন। সমাজের অন্যায়, অবিচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে শিক্ষকরা যদি সোচ্চার না হন, তবে সাধারণ মানুষের কাছে কোনো আশার আলো থাকে না। তাদের নির্মোহ দৃষ্টিভঙ্গিই প্রকৃত মেধা ও মননশীলতা তৈরিতে কাজ করে।

এক্ষেত্রে শরিফ ওসমান বিন হাদির উদাহরণটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি শুধু একজন আপসহীন রাজনৈতিক ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতাই ছিলেন না, তিনি নিজেও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে এবং পরবর্তীতে দেশের সার্বভৌমত্ব ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তিনি যে অসামান্য সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা স্বাধীন মানসিকতার এক অনন্য উদাহরণ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যু এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ প্রমাণ করে যে, একজন শিক্ষকের যখন নিজের আদর্শের প্রতি অবিচল বিশ্বাস ও ত্যাগের মানসিকতা থাকে, তখন তিনি শুধু শ্রেণিকক্ষেই আবদ্ধ থাকেন না; রাজপথেও জাতির ক্রান্তিলগ্নে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে পিছপা হন না। দেশের অধ্যাপকরা যদি এই ধরনের অকুতোভয় চেতনা, নির্ভেজাল দেশপ্রেম এবং স্বাধীন মানসিকতা ধারণ করে শিক্ষার আলো ছড়াতে পারেন, তবে একটি মেধাভিত্তিক ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র গঠন নিশ্চিতভাবেই সম্ভব।

অন্যদিকে, ভূ-রাজনীতির সাথে আমাদের অর্থনীতির যে নিবিড় সম্পর্ক, তা হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুটের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। এখানে সামান্য উত্তেজনা মানেই আন্তর্জাতিক শিপিং রুটে বিপর্যয়। যখন কোনো দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৃহৎ গন্তব্যে নির্ধারিত সময়ে কার্গো বা মাস্টার কার্টন বোঝাই জাহাজ পাঠাতে হয়, তখন এই রুটের নিরাপত্তা তাদের কাছে জাতীয় নিরাপত্তার মতোই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। লিড টাইম ঠিক রাখা, পারচেজ অর্ডারের শর্ত রক্ষা করা এবং জাহাজ ভাড়া বা ফ্রেইট কস্ট বেড়ে যাওয়ার আতঙ্কেই আমাদের নীতিনির্ধারকদের দিন কাটে। অর্থাৎ, বৈশ্বিক কূটনীতির চেয়ে আমরা বৈশ্বিক লজিস্টিক্স ও সাপ্লাই চেইনের কাছে জিম্মি হয়ে আছি।

এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য পররাষ্ট্রনীতিতে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য। উন্নত দেশগুলোতে দেশের ভেতরের রাজনীতি যতই তিক্ত হোক না কেন, জাতীয় স্বার্থ ও পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্নে সব দল একমত থাকে। আমাদের দেশেও রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত অভ্যন্তরীণ রেষারেষি দেশের সীমানার ভেতরেই রাখা। আন্তর্জাতিক ফোরামে বা বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে একে অপরের নামে নালিশ করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে, জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে একটি অভিন্ন ও সুদৃঢ় পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করা জরুরি। ব্যক্তির আবেগ বা তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক লাভের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার এবং স্বাধীন 'থিংক-ট্যাংক'গুলোকে পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির পরিবর্তনগুলো বুঝতে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিয়মিত ডেটা-ভিত্তিক বিশ্লেষণ করতে হবে।

যে সরকারের দেশের ভেতরে জনগণের মজবুত সমর্থন থাকে এবং যারা সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে, তাদের ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য বিদেশি পরাশক্তির আশীর্বাদের প্রয়োজন হয় না। অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ভিত্তি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হলে আন্তর্জাতিক দরকষাকষিতে রাজনীতিবিদরা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হতে পারেন। যার টাকা আছে, বিশ্বে তার কথাই শোনা হয়—এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি রূঢ় সত্য। তাই বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর নির্ভরশীলতা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে। শুধুমাত্র তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর না করে রপ্তানি বহুমুখীকরণ করতে হবে এবং আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা বা পূর্ব এশিয়ার মতো নতুন নতুন বৈশ্বিক বাজার খুঁজে বের করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে রাজনৈতিক নিয়োগের বদলে দক্ষ, মেধাবী এবং পেশাদার কূটনীতিকদের নিয়োগ দিতে হবে। যারা আন্তর্জাতিক আইন, বাণিজ্য চুক্তি এবং ভূ-রাজনীতি খুব ভালোভাবে বোঝেন, তাদের সামনের সারিতে নিয়ে আসার পাশাপাশি তরুণ রাজনীতিবিদদের এসব বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

বর্তমানে বিশ্বে কোনো ঘটনা ঘটার পর আমরা শুধু প্রতিক্রিয়া দেখাই, কিন্তু এর বদলে আমাদের প্রো-অ্যাকটিভ হতে হবে। আগামী ২০ বা ৫০ বছর পর বিশ্বে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এবং সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান কী হবে—তার একটি সুনির্দিষ্ট মাস্টারপ্ল্যান বা কৌশলপত্র এখন থেকেই তৈরি করে সেই অনুযায়ী এগোতে হবে। সামরিক বা অর্থনৈতিক শক্তির পাশাপাশি বর্তমানে সফট পাওয়ার বা কোমল শক্তির বিকাশ খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ক্রীড়া, দক্ষ প্রবাসী জনশক্তি এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে আমাদের যে ইতিবাচক ভাবমূর্তি আছে, সেটিকে সুকৌশলে বৈশ্বিক রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্রকে সবার আগে স্থান দিতে হবে, যা বিশ্বদরবারে আমাদের শক্ত অবস্থান ও ডাক পাওয়ার পথ তৈরি করতে পারে।

প্রবন্ধ লেখক: নাছির ( কিরণ )
CEO, Nasir Kiron

,

মানবিক ডাক্তার কামরুলের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ৪রাজধানীর শ্যামলীতে অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালে চাঁদা দা...
13/04/2026

মানবিক ডাক্তার কামরুলের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ৪

রাজধানীর শ্যামলীতে অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনের চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আক্কাস আলী।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ফালান মিয়া (৪২), মো. রুবেল (৪২), মো. সুমন (৩৬) ও মো. লিটন মিয়া (৩৮)।

পুলিশ জানায়, শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় মঈন উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করা হয়। ওই ঘটনায় র‍্যাব-২ ও র‍্যাব-৪ যৌথ অভিযানে মঈনের চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে এবং পরে তাদের থানায় হস্তান্তর করে।

এ ঘটনায় মূল আসামি মঈন উদ্দিনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১১ এপ্রিল হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ আবু হানিফ বাদী হয়ে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১০ এপ্রিল সকালে মঈনসহ কয়েকজন শেরেবাংলা নগরের একটি বাসায় গিয়ে টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়। পরে তারা আরও লোকজন জড়ো করে হাসপাতালের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, স্লোগান ও গালাগালির মাধ্যমে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে।
একপর্যায়ে তারা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে, এতে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Address

Savar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Savar News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share