Thakur Barir Heshel

Thakur Barir Heshel Thakur Barir Heshel – সাবেকি স্বাদের ঠিকানা �
ঘরোয়া রান্নার আসল স্বাদ, ভালোবাসা দিয়ে তৈরি প্রতিটি পদ

শব্দের মাঝে যিনি আজও অমর…শুভ জন্মজয়ন্তী Rabindranath Tagore 🌼
09/05/2026

শব্দের মাঝে যিনি আজও অমর…
শুভ জন্মজয়ন্তী Rabindranath Tagore 🌼



জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহলে মিষ্টান্নের আলাদা ঐতিহ্য ছিল, আর তার মধ্যেই অন্যতম ছিল "নারকেল পায়েশ"। এই পায়েশের সঠ...
25/04/2026

জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহলে মিষ্টান্নের আলাদা ঐতিহ্য ছিল, আর তার মধ্যেই অন্যতম ছিল "নারকেল পায়েশ"। এই পায়েশের সঠিক উদ্ভাবকের নাম ইতিহাস স্পষ্ট করে না বললেও, ধারণা করা হয় ঠাকুরবাড়ির গৃহিণীদের হাত ধরেই এটি বিশেষ জনপ্রিয়তা পায়। বিশেষ করে প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী তাঁর "আমিষ ও নিরামিষ আহার" গ্রন্থে ঠাকুরবাড়ির নানা রান্নার সঙ্গে নারকেল-ভিত্তিক মিষ্টির উল্লেখ করেছেন।

এই পায়েশ সাধারণত তৈরি হতো পৌষ পার্বণ, লক্ষ্মীপুজো, নববর্ষ, জন্মদিন কিংবা বাড়িতে বিশেষ অতিথি এলে।নতুন খেজুর গুড়ের সময় হলে দুধ, গোবিন্দভোগ চাল ও কোরানো নারকেল দিয়ে ধীরে ধীরে তৈরি হতো এই অপূর্ব পদ। পিতলের হাঁড়িতে দুধ জ্বাল দেওয়া হতো, আর তার সঙ্গে নারকেলের সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ত গোটা বাড়িজুড়ে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর কাছে এই নারকেল পায়েশ ছিল শুধুই একটি মিষ্টি নয়—এ ছিল তাঁর শৈশবের আবেগ। জোড়াসাঁকোর অন্দরমহলের সেই রান্নাঘর, পরিবারের মহিলাদের ব্যস্ততা, উৎসবের আনন্দ—সবকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে ছিল এই পায়েশের স্মৃতি।

ভাবুন তো—
শীতের এক দুপুর, বাড়ির উঠোনে রোদ পড়েছে, রান্নাঘরে দুধ ফুটছে, কেউ নারকেল কুরছেন, নতুন গুড়ের গন্ধে ভরে গেছে চারপাশ… আর ছোট্ট রবি ঠাকুর অপেক্ষা করছে, কখন তার হাতে তুলে দেওয়া হবে এক বাটি গরম নারকেল পায়েশ।

সেই এক বাটি পায়েশে ছিল—
ঠাকুরবাড়ির ঐতিহ্য, বাংলার স্বাদ আর রবিঠাকুরের শৈশবের নরম স্মৃতি।

ঠাকুর বাড়ির হেঁশেল
সাবেকি স্বাদের ঠিকানা



ফিশ কবিরাজির জনপ্রিয় ইতিহাস**ফিশ কবিরাজি শুধু একটা কাটলেট নয়, এটা Kolkata-র পুরনো কেবিন সংস্কৃতি আর গল্পে মোড়া এক ঐতি...
23/04/2026

ফিশ কবিরাজির জনপ্রিয় ইতিহাস**

ফিশ কবিরাজি শুধু একটা কাটলেট নয়, এটা Kolkata-র পুরনো কেবিন সংস্কৃতি আর গল্পে মোড়া এক ঐতিহ্য। এই নামের পিছনে জনপ্রিয় কাহিনি শোনা যায়—

কবিগুরুর দাঁতে ব্যথা থাকায় শক্ত কাটলেট খেতে অসুবিধা হতো। তখন Jorasanko Thakur Bari-র রাঁধুনি মাছের কাটলেটের বাইরে নরম ডিমের জালের আবরণ তৈরি করেন, যাতে খেতে সহজ হয়। সেই পদ খেয়ে কবিগুরু নাকি খুব খুশি হয়ে “রাজি” হন। অনেকের মতে, “কবি” + “রাজি” থেকেই “কবিরাজি” নামের উৎপত্তি।



ঠাকুরবাড়ির ব্যস্ত হেঁসেলঘরে একদিন বিকেলে বসে আছেন প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী। চারদিকে আমের গন্ধ, রোদে শুকোনো আমসত্ত তুলে আনা হ...
22/04/2026

ঠাকুরবাড়ির ব্যস্ত হেঁসেলঘরে একদিন বিকেলে বসে আছেন প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী। চারদিকে আমের গন্ধ, রোদে শুকোনো আমসত্ত তুলে আনা হয়েছে, আর পাশে রাখা টক দইয়ের হাঁড়ি।

হালকা হেসে তিনি বললেন, “শুধু মিষ্টি বা শুধু টক নয়—স্বাদটা হতে হবে মিশ্র, মনে থাকবে এমন।”
রাঁধুনিরা তার কথামতো আমসত্ত কেটে টক দইয়ে মাখতে লাগল। কড়াইয়ে সরষে ফোড়ন পড়তেই উঠল এক অন্যরকম গন্ধ।

এই সময় ঘরের এক কোণে বসে লেখা পড়ায় মগ্ন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটু মুখ তুলে তাকালেন। নতুন কিছু হচ্ছে বুঝে মৃদু হেসে বললেন, “শেষে যদি এমন কিছু পাওয়া যায়, যা মনে সুখ দেয়—তবেই তো ভোজ সম্পূর্ণ।”

প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী নিজে হাতে একটু চাটনি তুলে স্বাদ দেখে বললেন, “এই তো—টক, মিষ্টি, আর ঘরের ভালোবাসা—সব একসাথে।”

সেদিন থেকেই ঠাকুরবাড়ির ভোজের শেষে এই টক দই–আমসত্তের চাটনি হয়ে উঠল এক বিশেষ আকর্ষণ—স্মৃতির মতো মিষ্টি, আর ঐতিহ্যের মতো চিরন্তন।

“ঠাকুর বাড়ির হেঁসেল — সাবেকি স্বাদের ঠিকানা” 🌿



" ঠাকুর বাড়ির শুক্তো-কথা"জোড়াসাঁকোর অন্দরমহল, গুণীজনের মেলা,সেখানেই তো শুরু হতো রান্নাবান্নার খেলা।তেতো দিয়ে শুরু ভোজ—এ ...
20/04/2026

" ঠাকুর বাড়ির শুক্তো-কথা"

জোড়াসাঁকোর অন্দরমহল, গুণীজনের মেলা,
সেখানেই তো শুরু হতো রান্নাবান্নার খেলা।
তেতো দিয়ে শুরু ভোজ—এ যে প্রাচীন রীতি,
ঠাকুর বাড়ির হেঁশেল গাইল শুক্তোরই গীতি।

সারদা দেবী কাটতেন আনাজ নিপুণ হাতের টানে,
স্বাদের জাদু মিশে যেত সাবেকী সব গানে।
মৃণালিনী দেবীর হাতেও জুটত নতুন রূপ,
সাদাটে সেই ঝোল দেখে সব থাকতো ঘরে চুপ।

উচ্ছে ছাড়াই শুক্তো হতো—ভাবা কি যায় ভাই?
ভাজা উচ্ছে শেষে দিত, তিতকুটে ভাব নাই।
রাঁধুনি নয়, ঘরের লক্ষ্মী রাঁধত পরম সুখে,
এমন শুক্তো পড়লে পাতে, হাসি ফুটত মুখে।

দুধ আর ঘিয়ের মেলবন্ধনে অনন্য এক স্বাদ,
অনাড়ম্বর রান্নায় থাকতো না কোনোই বিস্বাদ।
রাঁধুনি-সর্ষে ফোঁড়ন দিয়ে আসত নতুন ঘ্রাণ,
বাঙালিয়ানার ঐতিহ্যে শুক্তো জুড়ায় প্রাণ।

বড়িগুলো ভাসত উপরে, সবজি থাকতো গোটা,
রবীন্দ্রনাথের পাতেও পড়ত সেই শুক্তোরই ফোঁটা।
সেই ইতিহাসের স্বাদ আজও জিভে লেগে রয়,
ঠাকুর বাড়ির শুক্তো মানেই শ্রেষ্ঠত্বের জয়।

ঠাকুর বাড়ির হেঁশেল
সাবেকি স্বাদের ঠিকানা




অক্ষয় হোক আপনাদের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। 🪷 'ঠাকুর বাড়ির হেঁশেল'-এর পক্ষ থেকে শুভ অক্ষয় তৃতীয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা!   ...
19/04/2026

অক্ষয় হোক আপনাদের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। 🪷 'ঠাকুর বাড়ির হেঁশেল'-এর পক্ষ থেকে শুভ অক্ষয় তৃতীয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা!

"ঠাকুরবাড়ির পোস্ত বড়া"হেঁশেল থেকে আসছে ভেসে চমৎকার এক ঘ্রাণ,ঠাকুরবাড়ির রান্না মানেই বাঙালির মাতে প্রাণ।পোস্তার সেরা পোস্...
18/04/2026

"ঠাকুরবাড়ির পোস্ত বড়া"

হেঁশেল থেকে আসছে ভেসে চমৎকার এক ঘ্রাণ,
ঠাকুরবাড়ির রান্না মানেই বাঙালির মাতে প্রাণ।

পোস্তার সেরা পোস্ত, বাটা হবে মিহি করে,
সোনালী তেলে ভাজা বড়া, মনটা যেন ভরে।

কাঁচালঙ্কা কুচি আর সাথে সামান্য একটু নুন,
নারকেল বাটা মিশলে তাতে স্বাদ বাড়ে দুইগুন।

বাইরেটা তার মুচমুচে, আর ভেতরে নরম মন,
কাঁসার থালায় সাজিয়ে দিলে তৃপ্ত পরিজন।

সাদা ভাতে এক চিমটি ঘি, সাথে বড়ার মালা,
ঠাকুরবাড়ির হেঁশেল মানেই স্বাদের রাজকীয় খেলা।




Address

44, Raja Ram Mohan Roy Road
Kolkata
700041

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Thakur Barir Heshel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category