12/09/2026
আজকের দিনে দাঁড়িয়ে বাইরের খাবার খাওয়ার আগে আমরা সবাই কি একটু সচেতন হয়েছি? বিশেষ করে ইদানীং বাজারে ফুড সেফটি আর খাবারের কোয়ালিটি নিয়ে যেসব খবর সামনে আসছে—কোথাও অননুমোদিত সস, কোথাও বাসি-পচা উপকরণ তো কোথাও খাবারের গুণমানের তোয়াক্কাই করা হচ্ছে না!
একটা কথা বলি? বাজারে ৬০-৭০ টাকায় দেদার ফিশ ফ্রাই পাওয়া যায়। অনেকেই না বুঝে ভাবেন, এত কম দামে ফিশ ফ্রাই পাওয়া এটা তো দারুণ ব্যাপার! কিন্তু আসল ব্যাপার টা বোঝা যায় তখন যখন খাবারের পেছনের সত্যিটা আপনি জানতে পারেন। অরিজিনাল ভেটকি মাছের ফিলে কেটে, হাইজিন বজায় রেখে যখন একটা খাঁটি ফিশ ফ্রাই তৈরি হয়, তার খরচ আর সস্তার পাঙ্গাস বা অন্য মাছের ফিশ ফ্রাইয়ের তফাৎটা আকাশ আর পাতাল! কোথায় ১৫০০ টাকা কিলো আসল ভেটকির স্বাদ আর কোথায় সস্তার মাছ — তফাৎ তো থাকবেই, তাই না?
বড় বড় নামী-দামী ব্র্যান্ড বা রেস্তোরাঁর রঙিন আলোর পিছনে যেমন অনেকরকম গল্প থাকে, তেমনই কোলকাতার আনাচে-কানাচে অনেক ছোট উদ্যোগ কিংবা খাঁটি খাবার প্রেমীরা আছেন, যাঁরা প্রতিদিন তাজা জিনিস দিয়ে যত্ন করে রান্না করেন। যেখানে খাবারের বিশাল স্টোরেজের সুযোগ নেই, তাই বাসি বা পচা হওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না! দামের ক্ষেত্রেও কোনো অতিরিক্ত সাজানো খরচ থাকে না, থাকে কেবল খাঁটি উপকরণ ও হাইজিনের দাম। কথাই তো আছে— "যেমন গুড়, তেমনই মিষ্টি!"
আজকাল কোলকাতার বুকেও ভালো খাবারের ইতিহাস, সঠিক উপকরণ আর খাঁটি স্বাদের কদর দিন দিন বাড়ছে। আমরাও চাই কোলকাতার ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু খাবারের এই সুন্দর স্বাভাবিক স্বাদটা আপনাদের সামনে সততা আর ভালোবাসার সাথে তুলে ধরতে।
আপনারাও কি খাবার কেনার আগে এমন বাজে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন? কমেন্টে জানান আপনার মতামত!
ট্যাগস: