Nataraj

Directions

Nataraj Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nataraj, Fast food restaurant, H. Road , ANANDAPURI , BARRACKPORE KOLKATA, Barrackpore.

💜💜💜💜🔴 NATARAJ 🔴💜💜💜💜

( SINCE 1981)

🟨 MAA TARA ABASAN 🟨
H.ROAD, ANANDAPURI, BARRACKPORE, NORTH 24 PARGANAS,
KOLKATA 700122 , WEST BENGAL

🌼( TAKE AWAY FAST FOOD CENTRE )🌼

🔴NOW AVAILABLE 🔴       🟩 NATARAJ 🟩" MAA TARA ABASAN "H.ROAD, ANANDAPURI, BARRACKPORE KOLKATA 700122WEST BENGAL
27/07/2026

🔴NOW AVAILABLE 🔴

🟩 NATARAJ 🟩
" MAA TARA ABASAN "
H.ROAD, ANANDAPURI, BARRACKPORE
KOLKATA 700122
WEST BENGAL

"জগন্নাথের রথের চাকা শুধু পথ চলে না, তা ভক্তের মনের অন্ধকার দূর করে আলোর দিকে নিয়ে যায়।"                                ...
16/07/2026

"জগন্নাথের রথের চাকা শুধু পথ চলে না, তা ভক্তের মনের অন্ধকার দূর করে আলোর দিকে নিয়ে যায়।"
⭕❗⭕

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী (৬ জুলাই ১৯০১ – ২৩ জুন ১৯৫৩) ছিলেন ভারতের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, ব্যারিস্টার এবং একজন দূরদর্শী জাত...
06/07/2026

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী (৬ জুলাই ১৯০১ – ২৩ জুন ১৯৫৩) ছিলেন ভারতের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, ব্যারিস্টার এবং একজন দূরদর্শী জাতীয়তাবাদী রাজনীতিবিদ। তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম শিল্প ও সরবরাহ মন্ত্রী ছিলেন। জওহরলাল নেহেরুর সাথে মতবিরোধের জেরে তিনি মন্ত্রীসভা ত্যাগ করেন এবং ১৯৫১ সালে 'ভারতীয় জনসংঘ' প্রতিষ্ঠা করেন, যা আজকের ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-এর পূর্বসূরী।

১৯০১ সালের ৬ জুলাই কলকাতার এক বিশিষ্ট পরিবারে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন বাংলার বাঘ হিসেবে পরিচিত স্যার আশুতোষ মুখার্জী এবং মাতা যোগমায়া দেবী। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতক, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর এবং আইনের ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ১৯২৬ সালে তিনি লন্ডনের লিঙ্কনস ইন থেকে ব্যারিস্টার হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করে দেশে ফিরে আসেন।
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান
পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনি তরুণ বয়সেই শিক্ষাক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রাখেন। মাত্র ৩৩ বছর বয়সে, ১৯৩৪ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ উপাচার্য (Vice-Chancellor) নিযুক্ত হন। তাঁর এই দায়িত্বকাল ছিল ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত।

তিনি ১৯২৯ সালে বঙ্গীয় আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৩৯ সালে তিনি নিখিল ভারত হিন্দু মহাসভায় যোগ দেন এবং ১৯৪০ থেকে ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত এর কার্যনির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
দেশভাগের সময়, অবিভক্ত বাংলায় হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং পশ্চিমবঙ্গকে ভারতে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। স্বাধীনতা অর্জনের পর, ১৯৪৬ সালে তিনি গণপরিষদের সদস্য হন এবং ১৯৫১ সাল পর্যন্ত জওহরলাল নেহেরুর মন্ত্রিসভায় ভারতের প্রথম শিল্প ও সরবরাহ মন্ত্রী হিসেবে কাজ করেন।

১৯৫০ সালে স্বাক্ষরিত 'নেহেরু-লিয়াকত চুক্তি'-র তীব্র বিরোধিতা করে তিনি নেহেরুর মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে ১৯৫১ সালে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সহায়তায় তিনি নতুন রাজনৈতিক দল 'ভারতীয় জনসঙ্ঘ' প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর প্রথম সভাপতি হন।

শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। তিনি কাশ্মীরের জন্য বিশেষ মর্যাদা সম্বলিত 'অনুচ্ছেদ ৩৭০' এর তীব্র বিরোধী ছিলেন। তাঁর স্লোগান ছিল, "এক দেশে দুই প্রধান, দুই বিধান, দুই নিশান চলতে পারে না।" এই দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৫৩ সালে কাশ্মীরে প্রবেশের চেষ্টা করলে ১১ মে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই বছরের ২৩ জুন ১৯৫৩ গ্রেপ্তার অবস্থায় রহস্যজনক পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

তথ্য ঃ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে সংগৃহীত।

ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় (১৮৮২-১৯৬২) ছিলেন ভারতের একজন দূরদর্শী রাজনীতিবিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং দেশের অন্যতম সেরা চিকিৎসক...
01/07/2026

ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় (১৮৮২-১৯৬২) ছিলেন ভারতের একজন দূরদর্শী রাজনীতিবিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং দেশের অন্যতম সেরা চিকিৎসক। ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৬২ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত তিনি পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর ১লা জুলাই তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতে ভারতে
'জাতীয় চিকিৎসক দিবস' (National Doctors' Day) পালিত হয়।

১৮৮২ সালের ১লা জুলাই বিহারের পাটনায় বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম হয়। তাঁর পিতা প্রকাশ চন্দ্র রায় ছিলেন আবগারি বিভাগের একজন কর্মকর্তা। অত্যন্ত মেধাবী বিধানচন্দ্র ১৯০১ সালে পাটনা কলেজ থেকে স্নাতক হন এবং পরবর্তীতে কলকাতা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাবিদ্যা অধ্যয়ন করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান এবং রেকর্ড সময়ের মধ্যে একই সাথে এম.আর.সি.পি (MRCP) ও এফ.আর.সি.এস (FRCS) ডিগ্রি অর্জন করার বিরল কৃতিত্ব দেখান।

চিকিৎসক হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সফল ও জনপ্রিয়। ভারতে চিকিৎসাব্যবস্থার প্রসারে ও আধুনিকীকরণে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
তিনি ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (IMA) এবং মেডিকেল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (MCI) প্রতিষ্ঠা ও সংগঠিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তিনি মেডিকেল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার প্রথম সভাপতি ছিলেন।

মহিলাদের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য তিনি কলকাতায় 'চিত্তরঞ্জন সেবা সদন' প্রতিষ্ঠা করেন।
রাজনৈতিক জীবন ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
১৯২৫ সালে বিধানচন্দ্র রায় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালে স্বাধীন ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারীর অনুরোধে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দেশভাগের পর উদ্বাস্তু সমস্যায় জর্জরিত পশ্চিমবঙ্গকে একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অপরিসীম।
তাঁর সুদক্ষ প্রশাসনিক পরিচালনায় রাজ্যে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
তিনি শিল্পায়নের প্রসারে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলেন।
কলকাতার উপকণ্ঠে সল্টলেক এবং কল্যাণী নামের দুটি পরিকল্পিত আধুনিক শহর তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত।
তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় 'ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট' (IIM) কলকাতা প্রতিষ্ঠিত হয়।

চিকিৎসা ও জনসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য
৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ১৯৬১ সালে তাঁকে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'ভারতরত্ন' (Bharat Ratna) প্রদান করা হয়। সমগ্র জীবন অবিবাহিত থেকে জনসেবায় নিয়োজিত এই মহান ব্যক্তিত্ব ১৯৮০তম জন্মদিনে, অর্থাৎ ১লা জুলাই, ১৯৬২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্য ঃ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে সংগৃহীত ।

🙏জয় জগন্নাথ 🙏আজ স্নানযাত্রা। হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় এই উৎসব। ভক্তদের বিশ্বাস এই ...
29/06/2026

🙏জয় জগন্নাথ 🙏
আজ স্নানযাত্রা। হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় এই উৎসব। ভক্তদের বিশ্বাস এই দিনতেই আবির্ভূত হয়েছিলেন জগন্নাথ দেব। এ নিয়ে শাস্ত্রে বহু গল্প প্রচলিত রয়েছে।
প্রথম মন্বন্তরে ব্রক্ষার পুত্র শ্রীস্বায়ম্ভুব মনু একবার পৃথিবীতে পরমেশ্বর ভগবানের দর্শনের অভিলাষে একটি মহাযজ্ঞ করেছিলেন, সেই যজ্ঞের প্রভাবেই শ্রী জগন্নাথদেবের আবির্ভাব। সেই দিনটি ছিল জৈষ্ঠ্যমাসের পূর্নিমা তিথি। সেই থেকেই এই বিশেষ দিনটি স্নানযাত্রা হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
স্নানযাত্রার দিন মন্দিরের উত্তর দিকের কূপ থেকে জল এনে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে তার শুদ্ধিকরণ করা হয়। তারপর ১০৮টি কলসে সেই জল নিয়ে জগন্নাথ বলভদ্র ও শুভদ্রার বিগ্রহকে স্নান করানো হয়। পৌরানিক কাহিনী অনুযায়ী স্নানের পর জ্বরে কাবু হয়ে পড়েন তাঁরা। শ্রীজগদীশের আজ্ঞানুসারে এই ১৫ দিন শ্রীমন্দিরের দ্বার রুদ্ধ থাকে। এই সময়ে তাঁদের রাজবৈদ্যের চিকিৎসাধীনে গোপনে একটি সংরক্ষিত কক্ষে রাখা হয়। কথিত আছে, রাজবৈদ্যের আয়ুর্বৈদিক পাঁচনখেয়ে এক পক্ষকাল অর্থাৎ দিন ১৫-র মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেন তাঁরা। সুস্থ হয়ে উঠেই জগন্নাথ,বলরাম ও সুভদ্রা রাজবেশে সজ্জিত হয়ে রথ করে মাসির বাড়ি গমন করেন। দেশজুড়ে রথযাত্রা হিসেবে পালিত হয় যেই দিনটি।
পুরীতে স্নানযাত্রা উপলক্ষ্যে জগন্নাথ, বলভদ্র, সুভদ্রা, সুদর্শন চক্র ও মদনমোহন বিগ্রহকে জগন্নাথ মন্দির থেকে স্নানবেদীতে বের করে আনা হয়। সেখানে তাদের প্রথাগতভাবে স্নান করানো হয় এবং ভক্তদের দর্শনের জন্য সুন্দর বেশভূষায় সজ্জিত করা হয়। শুধু পুরী নয়। জগন্নাথ দেবের সমস্ত মন্দিরেই এই দিনটি জাঁকজমকে পালিত হয়।
স্নানযাত্রার আগের সন্ধ্যায় জগন্নাথ, বলভদ্র, সুভদ্রা, সুদর্শন চক্র ও মদনমোহনের বিগ্রহ একটি বিশাল শোভাযাত্রা সহকারে মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে বার করে স্নানবেদীতে এনে রাখা হয়। ভক্তেরা এই সময় চতুর্ধা বিগ্রহ দর্শন করতে ।
তথ্য - সংগৃহীত

ফ্রাইড রাইস চীনের পূর্ব জিয়াংসু প্রদেশের ইয়াংঝুতে উদ্ভূত হয়েছিল সমম্ভত ৫৮৯ - ৬১৮ খ্রিস্টাব্দে।       সুই রাজবংশের সম্...
28/06/2026

ফ্রাইড রাইস চীনের পূর্ব জিয়াংসু প্রদেশের ইয়াংঝুতে উদ্ভূত হয়েছিল সমম্ভত ৫৮৯ - ৬১৮ খ্রিস্টাব্দে। সুই রাজবংশের সম্রাট ইয়াং এর প্রিয় খাবার ছিল। 🔴তথ্য সূত্র- বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ।

21/06/2026

Address

H. Road , ANANDAPURI , BARRACKPORE KOLKATA
Barrackpore
700122

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nataraj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share