Al modina foundaction

Al modina foundaction Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al modina foundaction, Indian Restaurant, portarlington, Dublin.

24/11/2017

*জুমার দিনের করনীয়*
عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ ، قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " لا يَغْتَسِلُ رَجُلٌ يَوْمَ الْجُمُعَةِ ، وَيَتَطَهَّرُ مَا اسْتَطَاعَ مِنْ طُهْرٍ ، وَيَدَّهِنُ مِنْ دُهْنِهِ ، أَوْ يَمَسُّ مِنْ طِيبِ بَيْتِهِ ، ثُمَّ يَخْرُجُ ، فَلا يُفَرِّقُ بَيْنَ اثْنَيْنِ ، ثُمَّ يُصَلِّي مَا كُتِبَ لَهُ ، ثُمَّ يُنْصِتُ إِذَا تَكَلَّمَ الإِمَامُ ، إِلا غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ ، وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الأُخْرَى " .
( بخاري 1048)

সালমান আল-ফারেসি রাযি হতে বর্ণিত, তিনি বনেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : কোন ব্যক্তি জুমার দিনে ভালো ভাবে গোসল করে চুল পরিপাটি ( মাথায় তেল ব্যবহার করে) অথবা তার বাডির সুগন্ধি ব্যবহার করে মসজদের উদ্দেশ্যে বের হয় এবং দু'ব্যক্তির মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করেনা ( দু' জনের মাঝে বসে পড়েনা, বরং যেখানে খালি জায়গা পায় সেখানে বসে পড়ে) অতঃপর তার ইচ্ছানুযায়ী সালাত আদায় করে সে ব্যক্তির দু'জুমার মধ্যবর্তি সময়ের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।

(বুখারি 1048)

*জুমার দিনে বিশেষ মুহূর্ত*

عَنْ أبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قالَ: قالَ أبُو القَاسِمِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ فِي الجُمُعَةِ لَسَاعَةً، لا يُوَافِقُهَا مُسْلِمٌ قَائِمٌ يُصَلِّي، يَسْألُ اللهَ خَيْراً، إِلا أعْطَاهُ إِيَّاهُ». وَقَالَ بِيَدِهِ يُقَلِّلُهَا، يُزَهِّدُهَا. متفق عليه.
আবূ হুরাইরা (রাযি)হতে বর্ণিত তিনি বলেন,আবুল ক্বাসেম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন :
জুমার দিনে এমন একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে, কোন মুসলিম সে সময় সালাত রত অবস্থায়( সালাতের অপেক্ষায়) থাকে এবং আল্লাহ তা'আলার কাছে কল্যাণ প্রার্থনা করে, আল্লাহ তা'আলা তাকে তা প্রদান করেন।

(বুখারি মুসলিম)

03/11/2017

পশ্চিমা বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আয়ারল্যান্ডেও রয়েছে মুসলিম অধিবাসী। পশ্চিমের অন্যান্য দেশের চেয়ে এখানে কম বয়সের মুসলমানের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। ২০০৬ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী দেশটিতে মুসলমানের সংখ্যা ৩৩ হাজার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেকের মতে, প্রকৃত মুসলিম অধিবাসী ৪০ হাজারের বেশি বলে জানা গেছে। এক তথ্য মতে, ২০০২ ও ২০০৬ সালের মধ্যবর্তী সময় আয়ারল্যান্ডে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে ৭০ শতাংশেরও বেশি। এই হিসাবে দেশটির সবচেয়ে ক্রমবর্ধমান ধর্ম হলো ইসলাম।

08/10/2017

Motiur rahaman madani দ্বীন হচ্ছে শুধু তাওহীদ, নামায, রোজা, যাকাত ইত্যাদি। এর সাথে রাজনীত তথা রাষ্ট্রব্যবস্থার কোন সম্পর্ক নেই। তাই রাজনীতি বা রাষ্ট্রব্যবস্থার সাথে ইকামাতে দ্বীনের কোন সম্পর্ক নেই। যারা রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তারা ইকামাতে দ্বীনের অর্থ বুঝেনি। তারা গোমরাহ। কোন নবী রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলো না। এমনি মুসা (আ.) ও না। লোহিত সাগরে ফেরাউন সলীল সমাধিস্থ হওয়ার পর তার পরিত্যক্ত শূন্য সিংহাসনের মুসা একদিনের জন্যও বসেন নি।
এই হচ্ছে ইকামাতে দ্বীনের ব্যাপারে মতিউর রহমান সাহেবের বক্তব্যের মূলকথা।
কুরআন-হাদীস ও বাস্তবতার আলোকে তাঁর এ বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। ইসলামের পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে যার নুন্যতম জ্ঞান আছে, এমন কোন ব্যক্তি এ রকম কথা বলতে পারে না। এট স্পষ্টত ধৃষ্টতা ও বিভ্রান্তি ছাড়া কিছুই নয়।
কারণ:
তার এ বক্তব্য কুরআন-সুন্নাহ ও বাস্তবতা পরিপন্থী। যেমন:

১. আল্লাহর বাণী:
لَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلَنَا بِالْبَيِّنَاتِ وَأَنزَلْنَا مَعَهُمُ الْكِتَابَ وَالْمِيزَانَ لِيَقُومَ النَّاسُ بِالْقِسْطِ ۖ وَأَنزَلْنَا الْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌ شَدِيدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ....(25)
“আমরা আমাদের রাসূলগণকে প্রেরণ করেছি সুস্পষ্ট প্রমাণসহ এবং তাদের সাথে নাযিল করেছি কিতাব ও মিযান (দাড়িপাল্লা), যাতে লোকেরা ন্যায় বিচার করতে পারে। আমি লৌহ নাযিল করেছি, যাতে রয়েছে প্রচন্ড শক্তি ও মানুষের জন্য বহুবিধ কল্যাণ” (সূরা আল-হাদীদ, আয়াত: ২৫)।
এ আয়াতে দাড়িপাল্লার মাধ্যমে যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে, তা কি রাষ্ট্রব্যবস্থা ব্যতীত সম্ভব? এই প্রসঙ্গের সাথে লৌহের কি সম্পর্ক? তাও বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথা নয়। এখানে লৌহ মানে রাষ্ট্রক্ষমতা/লৌহদন্ড। যার সাথে ন্যায়বিচারের সম্পর্ক রয়েছে।
২. আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা‘আলা সূরা আল-মায়িদার ৪৪, ৪৫, ৪৭ নং আয়াতে, যারা তাঁর নাযিলকৃত বিধান দিয়ে হুকুম/শাসন করে না, তাদেরকে কাফির, যালিম, ফাসিক বলে আখ্যায়িত করেছেন।
৩. সূরা আল-মায়িদার ৪৮ নং আয়াতে আল্লাহ বলছেন:
فَاحْكُم بَيْنَهُم بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ ۖ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَاءَهُمْ عَمَّا جَاءَكَ مِنَ الْحَقِّ
হে রাসূল, অাপনি আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তা দিয়ে বিচার-ফয়সালা/ শাসন করুন। আপনার কাছে যে সত্য এসেছে সে ব্যাপারে ওদের মনগড়া কথাবার্তার অনুসরণ করবেন না”।
৪. সূরা আল-মায়িদার ৪৯ নাং আয়াতেও বলা হয়েছে:
وَأَنِ احْكُم بَيْنَهُم بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَاءَهُمْ وَاحْذَرْهُمْ أَن يَفْتِنُوكَ عَن بَعْضِ مَا أَنزَلَ اللَّهُ إِلَيْكَ ۖ“
“হে রাসূল, অাপনি আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তা দিয়ে বিচার-ফয়সালা/ শাসন করুন। আপনার কাছে যে সত্য এসেছে সে ব্যাপারে ওদের মনগড়া কথাবার্তার অনুসরণ করবেন না। আল্লাহ আপনার উপর নাযিল করেছেন, তার কোন বিষয়ে যেন তারা আপনাকে ফিতনায় ফেলতে না পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকুন”।
৫. সূরা আননিসার ১০৫ নং আয়াতে আল্লাহ তাঁর নবীকে লক্ষ্য করে বলেন:
إِنَّا أَنزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ لِتَحْكُمَ بَيْنَ النَّاسِ بِمَا أَرَاكَ اللَّهُ ۚ وَلَا تَكُن لِّلْخَائِنِينَ خَصِيمًا (105)
“নিশ্চয়ই আমি তোমার উপর সত্যতার সাথে কিতাব নাযিল করেছি। যাতে করে তুমি আল্লাহ দেখিয়ে দেয়া বিধান দিয়ে লোকদের মধ্যে বিচার ফয়সালা করতে পার। আর তুমি বিশ্বাস ঘাতকদের পক্ষে ওকালতি করবে না”।
এসব আয়াত থেকে প্রমাণিত হয়ে যে, শাসনব্যবস্থায় ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা বা ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করা একটি ফরয ইবাদাত। দ্বীনের অলঙ্ঘনীয় শিক্ষা। অতএব, তা বাদ দিয়ে ইকামাতে দ্বীন পরিপূর্ণ হতে পারে না।
উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্রব্যবস্থায় ইসলাম প্রতিষ্ঠা করাই একমাত্র ইকামাতে দ্বীন, বিষয়টি এ রকম নয়। এ রকম কথা আমার জানা মতে, কেউ বলে নি। বরং এটা ইকামাতে দ্বীনের একটি অংশ তথা ইকামাতে দ্বীনের চূড়ান্ত রূপ ও পরিপূর্ণ বিকাশ।

৬. আল্লাহ মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন তাঁর খলীফা হিসেবে। যেমন আল্লাহ বলছেন:
إِنِّي جَاعِلٌ فِي الْأَرْضِ خَلِيفَةً
“নিশ্চয়েই পৃথিবীত আমি আমার খলীফা পাঠাবো” (আল-বাকারাহ:৩০)।
وَهُوَ الَّذِي جَعَلَكُمْ خَلَائِفَ الْأَرْضِ ـ الأنعام: 165
“তিনি তোমাদেরকে পৃথিবীতে খলীফা বানিয়েছেন”। (অাল-আন‘আম: ১৬৫)।
আর এই খিলাফাতর দাবী হলো, ধর্মভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। এজন্যই আল্লাহ দাউদ (আ.) কে বলেছিলেন:
يَا دَاوُودُ إِنَّا جَعَلْنَاكَ خَلِيفَةً فِي الْأَرْضِ فَاحْكُم بَيْنَ النَّاسِ بِالْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ الْهَوَىٰ
“হে দাউদ, আমি তোমাকে পৃথিবীতে খলীফা বানিয়েছি। অতএব, তুমি মানুষের মধ্যে সত্যতার সাথে বিচার-ফয়সালা কর। প্রবৃত্তির অনুসরণ করো ন “। (সূরা সদ: ২৬)।
৭. নবীগণ (স.) দ্বীন ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে ইকামাতে দ্বীন করেছেন। দাউদ (আ.) কথাতো একটু আগেই দেখলাম। রাসূল (স.) ইরশাদ করেন:
كانت بنو إسرائيل تسوسهم الأنبياء كلما هلك نبي خلفه نبي وإنه لا نبي بعدي

“বনী ইসরাইলদেরকে নবীরা শাসন করতেন। একজন নবী যখন মারা যেতেন, তারপরে আরেকজন নবী আসতেন। তবে আমার পরে আর কোন নবী আসবে না”। (বুখারী ও মুসলিম)।
এই হাদীসে উল্লিখিত تسوس শব্দটি سياسة সিয়াসাহ থেকে উদ্গত। যার অর্থই হলো, রাজনীতি।
মুসা (আ.) এর ব্যাপারে মতিউর সাহেব বলছেন, তিনি মিশরে যান নি; মিশরের রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনা করেন নি। এ কথাটাও সর্বজন স্বীকৃত নয়।
বরং কুরআনের একাধিক আয়াত থেকে বুঝা যায়, মুসা আ. তাঁর কওম বনী ইসরাইলকে নিয়ে মিশর গিয়েছিলেন এবং মিশরের শাসনক্ষমতা পরিচালনা করেছিলেন। যেমন:
সূরা আশ-শু‘আরাতে (আয়াত: ৫৭-৫৯) আল্লাহ বলছেন:
فَأَخْرَجْنَاهُم مِّن جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ (57) وَكُنُوزٍ وَمَقَامٍ كَرِيمٍ (58) كَذَٰلِكَ وَأَوْرَثْنَاهَا بَنِي إِسْرَائِيلَ
“তাদেরকে (ফেরাউন ও তার গোষ্ঠীকে) আমি বহিষ্কার করে দিলাম উদ্যানরাজি এবং প্রস্রবণ থেকে। তাদের ধনভান্ডার ও সুরম্য সৌধমালা থেকে। এ রকমই হয়েছিলো এবং বনী ইসরাইলকে এগুলোর উত্তরসূরী/অধিকারী বানিয়েছিলাম”।
সূরা আদ-দুখানে বলা হয়েছে (আয়াত: ২৫-২৮):
كَمْ تَرَكُوا مِن جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ (25) وَزُرُوعٍ وَمَقَامٍ كَرِيمٍ (26) وَنَعْمَةٍ كَانُوا فِيهَا فَاكِهِينَ (27) كَذَٰلِكَ ۖ وَأَوْرَثْنَاهَا قَوْمًا آخَرِينَ
“তারা তাদের পশ্চাতে রেখে গেল কত উদ্যান ও প্রস্রবন! কত শষ্য খেত ও সুরম্য প্রাসাদসমূহ। কত বিলাস উপকরণ যা তাদেরকে আনন্দিত করত। এ রকমই হয়েছিল এবং আমি অন্য একটি জাতিকে এগুলোর অধিকারী বানিয়ে দিলাম”।
যেহেতু, কুরআন কুরআনের ব্যাখ্যা। তাই এখানে অন্য একটি জাতি বলতে বনী ইসরাইলকে যে বোঝানো হয়েছে, তা সূরা সুআরা থেকেই প্রমাণিত হয়। এ দ্বারা সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, বনী ইসরাইল মুসা (আ. ) এর নেতৃত্বে অবার মিশরে গিয়েছিল । এটিই প্রখ্যাত মুফাসসির হাসানের অভিমত।
তবে কাতাদাহর মত হচ্ছে, বনী ইসরাইল নয়। এটি অন্য একটি জাতি। তবে প্রথম মতটিই যে আয়াতগুলোর কাছাকাছি, তা সহজে বুঝা যায়।
আল্লামা আলুসী (র.) তার তাফসীর এদুটো মতের সাথে আরো একটি মত উল্লেখ করেছেন। তাহলো:
“আল্লাহ তাদেরকে ওগুলোর ওয়ারিস/উত্তরাধিকারী/অধিকারী বানিয়েছেন, এর অর্থ হলো, তাদেরকে ওগুলোর উপর ক্ষমতা অর্পন করেছিলেন। সে জন্য যে, তাদেরকে মিশরে যেতে হবে এমন কোন কথা নেই। বরং মিশরকে তাদের ক্ষমতাধীন করে দিয়েছিলেন।
ইমাম কুরতুবী (র.) এর অভিমতে: বনী ইসরাইলগণ মিশরে ফিরে গিয়েছিলেন এবং ফেরাউন ও তার লোকদের সমস্ত ধনসম্পদের মালিক হয়েছিলেন। (দেুখন, সুরা দুখান ও শুআরার ব্যাখ্যায় তাফসীর কুরতুবী এবং আলুসী)।
প্রখ্যাত গবেষক ড. মুহাম্মাদ হিযাযী আসসাকা বলছেন: ফেরাউন সলীল সমাধিস্থ হওয়ার পর মুসা আর মিশরে গিয়েছিলেন এবং ১৩ বছর শাসন করেছিলেন। একাধিক উপাস্যের ধারনা বিলুপ্ত করেছিলেন, মসজিদ নির্মান করেছিলেন। অতঃপর একজন গভর্ণর নিযুক্ত করে তিনি সিনাই মরুতে চলে যান। সেখান থেকে তাওরাত কিতাব লাভ করে এর একটি কপি ঐ গভর্ণরকে পাঠিয়ে দিন। তিন সূরা ইউনুসের ৮৭ নং আয়াত দ্বারা এ মর্মে প্রমাণ পেশ করেন:
وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ وَأَخِيهِ أَن تَبَوَّآ لِقَوْمِكُمَا بِمِصْرَ بُيُوتًا وَاجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ قِبْلَةً وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ ۗ وَبَشِّرِ الْمُؤْمِنِينَ (87)
“আমি মুসা ও তার ভাইকে এই মর্মে নির্দেশ দিলাম যে, তোমরা তোমাদের কওমের জন্য মিশরে আবাসস্থান বহাল রাখো। তোমাদের ঘরগুলোকে কিবলাহ তথা নামাযের জায়গা বানাও। আর নামায কায়িম কর। এবং মুমিনেদেরকে সুসংবাদ দাও।
তাছাড়া, সূরা ‘আরাফের ১৩৭ নং আয়াত দিয়েও অনেকে প্রমাণ দিয়েছেন।
وَأَوْرَثْنَا الْقَوْمَ الَّذِينَ كَانُوا يُسْتَضْعَفُونَ مَشَارِقَ الْأَرْضِ وَمَغَارِبَهَا الَّتِي بَارَكْنَا فِيهَا ۖ وَتَمَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ الْحُسْنَىٰ عَلَىٰ بَنِي إِسْرَائِيلَ بِمَا صَبَرُوا ۖ وَدَمَّرْنَا مَا كَانَ يَصْنَعُ فِرْعَوْنُ وَقَوْمُهُ وَمَا كَانُوا يَعْرِشُونَ (137)
৮. ইমাম আহমাদ ও বাযযার কর্তৃক বর্নিত নিম্নোক্ত হাদীস থেকেও প্রমাণিত হয় যে, রাষ্ট্রব্যবস্থায় ইসলাম প্রতিষ্ঠা ইকামাতে দ্বীনেরই অংশ।
عن جابر: أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال لكعب بن عجزة: "أعاذك الله من إمارة السفهاء يا كعب. قال: وما إمارة السفهاء؟ قال: أمراء يكونون بعدي، لا يهدون بهديي، ولا يستنون بسنتي، فمن صدقهم بكذبهم، وأعانهم على ظلمهم، فأولئك ليسوا مني، ولست منهم، ولا يردون على حوضي، ومن لم يصدقهم بكذبهم، ولم يعنهم على ظلمهم، فأولئك مني، وأنا منهم، وسيردون على حوضي". (أحمد، البزار).
“হযরত যাবির )রা.( থেকে বর্ণিত। রাসূলে কারীম স. কা’ব বিন আজুযাহকে বললেন: হে কা’ব আল্লাহ তায়ালা তোমাকে নির্বোধ লোকদের শাসন থেকে হেফাজাত করুন। তিনি আরজ করলেন, নির্বোধদের শাসন কি? রাসূলে কারীম স. বললেন: আমার পরে এমন কিছু শাসক আসবে, যারা আমার পথনির্দেশনা বা হিদায়াতকে গ্রহণ করবে না। আমার সুন্নাতের অনুকরণ করবে না। অতএব, যারা তাদের মিথ্যাচারকে বিশ্বাস করবে, জুলুম-অত্যাচার চালাতে তাদেরকে সাহায্য করবে, তাদের সাথে আমার, আমার সাথে তাদের কোন সম্পর্ক নেই। তারা আমার হাওজের কাছে আসতে পারবে না। আর যারা তাদের মিথ্যাচারকে প্রত্যাখ্যান করবে এবং তাদেরকে জুলুমের ব্যাপারে সাহায্য করবে না, তারা আমার, আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত। তারা পরকালে আমার হাওজের কাছে স্থান পাবে”- (আহমাদ, বাজ্জার)।

৯. আল্লাহর বাণী:
أن أَقِيمُوا الدِّينَ وَلَا تَتَفَرَّقُوا فِيهِ ۚ

“তোমরা দ্বীন কায়িম কর। এ ব্যাপারে মতানৈক্য করো না”। (সূরা আশশুরা, আয়াত: ১৩)।
এখানে দ্বীন বলতে শুধু নামায-রোযা কে বোঝানো হয়নি। পরিপূর্ণভাবে ইসলামকে বোঝানো হয়েছে। এ জন্যই এই আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম আসসাআদী বলছেন:
قال: أن أقيموا الدين أي: أمركم أن تقيموا جميع شرائع الدين أصوله وفروعه، تقيمونه بأنفسكم، وتجتهدون في إقامته على غيركم،
“অর্থাৎ আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ করছেন তোমরা যেন দ্বীনের উছুল (মৌলিক শিক্ষাগুলো) ও ফুরু (শাখা-প্রশাখা) সবকিছুই প্রতিষ্ঠা কর। দ্বীনি কয়িম করবে নিজেদের জীবনে। সর্ব শক্তি দিয়ে চেষ্ট করবে অন্যদের জীবনে বাস্তবায়নে...।”
দ্বীনের ব্যাপকতা সম্পর্কে ড. আব্দুল কারীম যাইদান বলছেন:
ইসলামের গোটা শিক্ষা তিনভাগে বিভক্ত:
ক. আকীদাহ সংক্রান্ত বিধিবিধান।
খ. আখলাক সংক্রান্ত বিধিবিধান।
গ. ব্যবহারিক বিধান বলা হয়।
এই তৃতীয় প্রকার আবার দুই ভাগে বিভক্ত:
ক. ইবাদাত: যে সব বিধিবিধান স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যকার সম্পর্ক বিন্যাস করে।
খ. মু‘আমালাহ: যে সকল বিধান সৃষ্টির /মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক বিন্যাস করে। এ গুলো আবার অনেক প্রকার:
১. পরিবারের সাথে সম্পৃক্ত বিধিবিধান। যেগুলোকে আধুনিক আইনের ভাষায় বলা হয়: পারসোনাল স্টেইটাস ল’/ফেমিলি ল’।
২. অর্থনৈতিক লেনদেন সংক্রান্ত বিধিবিধান। যেগুলোকে বলা হয়: সিভিল ল’।
৩. বিচার ব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্ত বিধিবিধান। যেগুলোকে বলা হয়: ল’ অব প্রসিজিউর।
৪. মুসলিম রাষ্ট্রে বসবাসরত অমুসলিমদের সাথে সম্পর্ক বিন্যাসকারী ল’। যাকে বলা হয় প্রাইভেট ইনটারন্যাশনাল ল’।
৫. অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে ইসলামী রাষ্ট্রের সম্পর্ক বিষয়ক আইন। যাকে বলা হয়: পাবলিক ইনটারন্যাশনাল ল’।
৬. রাষ্ট্র ব্যবস্থা, রাষ্ট্রের ধরন, মূলনীতি, নাগরিক অধিকার, রাষ্ট্র ও জনগণের পারস্পরিক অধিকার ও কর্তব্য সংক্রান্ত আইন। যাকে বলা হয়: কনস্টিটিউশনাল ল’।
৭. অপরাধ ও দন্ডবিধি সংক্রান্ত আইন। যাকে বলা হয় পেনাল কোড/ফৌজদারী আইন।
মোট কথা, জীবনের এমন কোন দিক নেই, যেখানে ইসলামের শাসন, অনুশাসন, বিধি-বিধান ও নির্দেশনা নেই। এই সব কিছু নিয়েই ইসলাম, দ্বীন। তাই ইসলাম মানে শুধু কালেমা, নামায , যাকাত। এর সাথে রাষ্ট্রের কোন সম্পর্ক নেই। এ কথা নাস্তিকদের মুখে শোভা পায়।
৮. রাষ্ট্রব্যবস্থায় ইসলামকে অস্বীকার করা শিরক পর্যায়ের অপরাধ। পবিত্র কুরআনে যখন বলা হলো:
اتَّخَذُوا أَحْبَارَهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَابًا مِّن دُونِ اللَّهِ
“তারা (ইয়াহুদ ও খ্রীস্টানগণ) আল্লাহ কে বাদ দিয়ে তাদের ধর্মযাজক ও পুরোহিতদেরকে রব বানিয়েছে” (সূরা আততাওবাহ: ৩১)।
তখন আদী বিন হাতিম রাসূলকে বলেছিলেন:

إنهم لم يعبدوهم؟ فقال: بلى، إنهم حرموا عليهم الحلال، وأحلوا لهم الحرام، فاتبعوهم، فذلك عبادتهم إياهم. التزمذي 3095
“তারা তো তাদের পুজা করে নি। রাসূল (স.) বললেন: হা। তবে তারা আল্লাহ যা হালাল করিছিলেন, তা হারাম বানিয়েছে। আর আল্লাহ যা হারাম বানিয়েছেন, সেগুলোকে তারা হালাল বানিয়েছে। আর সাধারণ জনগণ তা মেনে নিয়েছে। এটাই হচ্ছে ইয়াহুদ-খ্রীস্টান কর্তৃক পুরোহিত পুজা।”। (তিরমিযয়ী:৩০৯৫)।
যারা আল্লাহর দ্বীন/শরীয়তের বিপরীত আইন করে এবং যারা তা মেনে নেয় তাদের ব্যাপারে আল্লাহ বলছেন:
أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ شَرَعُوا لَهُم مِّنَ الدِّينِ مَا لَمْ يَأْذَن بِهِ اللَّهُ
“তারা কি আল্লাহর সাথে এমন কিছু শরীক বানিয়ে নিয়েছে, যারা তাদের জন্য এমন দ্বীন প্রবর্তন করলো, যে ব্যাপারে আল্লাহর কোন অনুমদোন নেই। (সূরা শুরা, আয়াত: ২১)।
অতএব,, মতিউর রহমানদের দৃষ্টিভঙ্গি মেনে নিলে, যারা সুদ কে হালাল করেছে, যিনার অনুমিত /লাইসেন্স দিয়েছে, তাদেরকে মেনে নিতে হয়। যার পরিণাম হলো, শিরক।
৯. মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ (স.) হচ্ছেন আমাদের আদর্শ। আমরা তার উম্মাত। তাঁর জীবনধারাই হলো বাস্তব ইসলাম। রাসূলের সুন্নাত তথা জীবনধারা অস্বীকারকারীদের দ্বারা ইকামাতে দ্বীনে হবে না। কারণ সেখানেতো দ্বীনই থাকবে না। আর এ কথা স্বতঃসিদ্ধ রাসূল (স. ) দশ বছর একটি রাষ্ট্রের রাষ্প্রপ্রধান ছিলেন। তিনি আল্লাহর কুরআন দিয়ে তা পরিচালনা করেছিলেন। তাহলে কি তিনি ইকামাতে দ্বীন করেন নি?
১০. শরীয়তের নীতি হলো: ما لا يتم الواجب إلا به فهو واجب “ওয়াজিব পালন করতে যা অপরিহার্য, তাও ওয়াজিব। আর আমরা জানি, কুরআনের মধ্য এমন অনেক বিধান রয়েছে, যা একমাত্র রাষ্ট্রই বাস্তবায়ন করতে পারে। যেমন, হুদুদ, কিসাস, বেনামাযির শাস্তি, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা। তাছাড়া, যাকাত ব্যবস্থাপনাও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। ইসলামী আদর্শে অবিশ্বাসীরা অবশ্যেই ‍যিনার হদ্দ, কতলের কিসাস বাস্তবায়ন করবে না।
১১. সিংহাসন, রাষ্ট্রক্ষমতা, মসনদ বসার জন্য নয়; বরং আল-কুরআনকে ক্ষমতায় বসানোর জন্যই ইকামাতে দ্বীন। এর অর্থ: শুধুমাত্র রাজনীতিই ইকামাতে দ্বীন, তা নয়। বরং ব্যক্তি পর্যায়, পারিবারিক পর্যায়, সমাজ পর্যায়, রাষ্ট্র পর্যায় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠাই হচ্ছে ইকামাতে দ্বীন। এভাবেই ইসলামকে চূড়ান্ত বিজয়ী করাই হলো ইকামাতে দ্বীন। আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন:
هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَىٰ وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُشْرِكُونَ (33)
“ তিনিই তাঁর রাসূল কে পাঠিয়েছেন হিদায়াত ও সত্যদ্বীন সহ, যাতে করে তিনি সমস্ত বাতিল দ্বীনের উপর ইসলামকে বিজয়ী করতে পারেন। যদিও তা মুশরিকদের পছন্দ নয়”। (সূরা তাওবাহ: ৩৩)।
পরিশেষে, আমরা শায়খ মতিউর রহমান ও অনুসারীদেরকে বলবো, আপনারা তাওবাহ করুন। সঠিক পথে ফিরে আসুন। যে ব্যাপারে আল্লাহ মতানৈক্য নিষেধ করেছেন, সে ব্যাপারে মতােনৈক্য বর্জন করুন। আল্লাহ মুসা ও হারুন (আ.) কে ফেরাউনের কাছে যেতে বলেছেন কেন? এতটুুকু চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন যে রাষ্টযন্ত্রের ইসলামায়ন ছাড়া কোন ইকামাতে দ্বীন হয় না। আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার তাওফীক দান করুন। আমীন।

01/08/2017

১/যৌতুক বিহীন বিয়ের হার কমেছে প্রবাসীদের কারণে।

২/দামী মোবাইল দেখেছিস প্রবাসীদের কারণে।

৩/২২k gold দেখেছিস প্রবাসীদের কারণে।

৪/ অরিজিনাল ফেয়ারএন্ড লাভলী দেখেছিস প্রবাসীদের কারণে।

৫/ নিডু দুধ ও অরিজিনাল ট্যাংগের শরবত দেখেছিস প্রবাসীদের কারণে।

৬/ বছরের পর বছর দামী শাড়ি,গয়না ব্যবহার করতে পারতেছিস প্রবাসীদের কারণে।

৭/মাসের পর মাস নতুন নতুন টাকার বান্ডিল দেখতেছিস প্রবাসীদের কারণে।

৮/প্রবাসীর রক্তঝরা টাকা দিয়ে সব করতেছিস আবার সে প্রবাসীদের নিয়ে আজে বাজে কথা বলতে লজ্জা করেনা তোদের।

৯/ আরে বেয়াদবের বাচ্চা ফাজিলের দল প্রবাসীরা প্রবাসে না থাকলে লাকড়ি দিয়ে ভাত রান্না করতে করতে তোদের সুন্দর রুপ নষ্ট হয়ে যেতো,গ্যাস কিনতে পারতিনা।

১০/ গ্রামে যেখানে ১০০মধ্যে ৯০% কাঁচা ঘর ছিলো সে জায়গায় এখন ১০০মধ্যে ৫০% পাকা ও আদা পাকা ঘর হয়েছে কেন প্রবাসীদের কারণে

১১/তোদের মত অন্য দশজনের সুখের জন্য একটা মানুষ তার জীবন, যৌবন,শখ আহলাদ,আশা ভরসা,আনন্দ,সব ত্যাগ করে শত বেদনা সহ্য করতে করতে তারা তবুও ক্লান্ত শ্রান্ত হয়না

১২/এখন ঘরে ঘরে শিক্ষিত হয়েছে কেন বল প্রবাসীদের কারণে।
13/ টেলিভিশন, বিসি আর, ভিসিডি ডিভিডি দেখেছিস প্রবাসীদের কারিনে,
১৪/ ভাল ব্রান্ডের পোষাক কসমেটিক ফারফিউম দেখেছিস প্রবাসীদের কারনে
১৫/ মন্ত্রীদের দামি গাড়ি আর পেট্রোলের টাকাও প্রবাসী ভাইদের রেমিটেন্সের টাকায় চলছে
১৬/ আজ বিশ্যে যতগুলি দেশে বাংলাদেশের এম্ভাসি
আছে ব্যাবসায়িক সম্পর্ক আছে সব এই পরিস্রমি প্রবাসীদের অবদান,
১৭/সাইকেলের বদলে মোটরবাইক নিয়ে গুরতেছে কার টাকায় প্রবাসীদের টাকায়।
শুধু তোরা না বাংলাদেশ সরকার ও চলে আমরা প্রবাসীদের রক্তঘামে আয় করে পাঠানো রেমিটেন্স ও বৈদেশিক মুদ্রার সাহায্যে ,কিন্তু সে আমরা প্রবাসীরা আজ অবহেলিত সরকারের কাছে,পরিবারের কাছে,সমাজের কাছে,এবং তোদের মত কিছু রাস্তার বেশ্যা মেয়ের চোখেও আজ আমরা ঘৃণার পাত্র হয়ে গেলাম, লিখতে লিখতে চোখের পানি এসে গেছে,এই ভেঁবে যে আমরা কাদের জন্য কি করতেছি।একজনের জীবন নষ্ট করে ১০জনের মুখে হাঁসি আনে কারা জানিস আমরা প্রবাসীরা।আসলে আল্লাহ ছাড়া তাদের বুঝার মত কেউ নাই এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে।

প্রবাসী ভাইয়া প্লিজ পেইজে একটা লাইক দিবেন
আমি salma akter moon
,,,,প্রবাসীর কষ্ট কেউও বুঝবেনা একমাত্র প্রবাসী ছাড়া,,

31/07/2017

লেখাটা একটু দীর্ঘ, কষ্ট করে পড়ুন,নিশ্চয় ভাল লাগবে।

এক মহিলা সাহাবী ছিলেন খুবই
সুন্দরী। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে
আজব
সৌন্দর্য দান করেছিলেন। তাঁর
বিবাহও
হয়েছিল এক বিরাট ধনাঢ্য সাহাবীর সঙ্গে।
স্বামির সংসারে ঐ মহিলা
সাহাবীর
কোনো অভাব ছিল না। স্বামী-
স্ত্রীর মাঝেও
প্রগাঢ় ভালবাসা ও সুসম্পর্ক ছিল তাঁর
জীবন বেশ সুখেই কাটছিল। রূপে-
গুণে
অন্যন্যা হয়েও তিনি মনে-
প্রাণে স্বাম্মীর
সেবা করতেন এবং স্বামীকে সদা খুশি
রাখতেন। সব মিলিয়ে তাদের
দাম্পত্যজীবন ছিল মধুময়। এক
রাতের ঘটনা। তাঁর স্বামী
পানি পান করতে চাইলেন।
তিনি পানি এনে দেখলেন, স্বামী ঘুমিয়ে পড়েছেন। তিনি
স্বামীর শিয়রে
পানির পাত্র হাতে নিয়ে
দাঁড়িয়ে থাকলেন।
স্বামী তাঁর এহেন আন্তরিকতায়
খুবই মুগ্ধ ও প্রীতি হলেন। তিনি উঠে
পানি পান করলেন। স্ত্রীর
ভালবাসায় স্বামী এতটাই
প্রসন্ন হলেন যে, আনন্দিত কণ্ঠে
বললেন,
তুমি আমার জন্য পানি নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে
পতিভক্তির এক অনন্য দৃষ্টান্ত
স্থাপন
করেছ। আমি তোমার প্রতি খুব
খুশী। আজ
তুমি আমার কাছে যা চাইবে, আমি তোমাকে তা-ই দেব।
স্ত্রী বললেন, সত্যিই কী আমি
যা চাইব,
আপনি আমাকে তা-ই দেবেন?
স্বামী জবাবে বললেন, অবশ্যই!
আজ তোমার যে কোনো চাওয়া আমি পূরণ করব। কী
চাও
বলো। স্ত্রী বললেন, আমি শুধু
একটি বিষয়
চাই। আর তা হলো, আপনি আমাকে
তালাক দিয়ে দিন। স্ত্রীর এ কথায় স্বামী
তাজ্জব বনে গেলেন। তাঁর এত
সুন্দরী, গুণী, হিতাকামী ও
আন্তরিক সেবাকারী স্ত্রী তাঁর
কাছে তালাক চাচ্ছে! তিনি
প্রথমত হতভম্ব হয়ে গেলেন। পরে
স্বাভাবিক হয়ে
অপ্রত্যাশিতভাবে তালাক
চাওয়ার কারণ
জানতে চাইলেন।
স্বামীঃ আমি তোমাকে কোনো কষ্ট
দিয়েছি কি?
স্ত্রীঃ মোটে ও না।
স্বামীঃ আমি কী তোমার
মর্যাদা ক্ষুণ্ন
করেছি? স্ত্রীঃ কখনো নয়।
স্বামীঃ তবে কী তোমার আশা
ভঙ্গ করেছি?
স্ত্রীঃ না, তাও করেননি।
স্বামীঃ তবে কি তুমি আমার
প্রতি রুষ্ট। স্ত্রীঃ কখনো নয়।
স্বামীঃ তাহলে তালাক চাচ্ছ
কেন? আমাকে
বুঝি তোমার পছন্দ হয় না?
স্ত্রীঃ ব্যাপারটা আদৌ এমন
নয়। আমি আপনাকে পছন্দ করি। মহব্বত
করি বলেই
তো খেদমত করি। আপনি কথা
দিয়েছিলেন, যা চাইব, তা-ই
দিবেন। এখন দিন, তালাক দিয়ে
আমাকে বিদায় করে দিন। লোকটির বিস্ময় যায় না।
চিন্তা করলেন, কথা দিয়েছি,
এখন কী করব। হঠাৎ বলে
উঠলেন, আচ্ছা! রাতটা পোহাক।
নবীজির দরবারে গিয়ে তাঁকে
সব খুলে বলব। তিনি যে
সিদ্ধান্ত দেন, সে অনুযায়ী কাজ
করব।
স্ত্রী তাঁর এ কথায় সম্মতি দিয়ে
বলল, ঠিক
আছে; তা-ই হবে। তারপর স্বামী স্ত্রী
ঘুমিয়ে পড়লেন।
রাত পোহাল। স্ত্রী বলল চলুন;
নবীজির
কাছে যাই। স্বামী-স্ত্রী
প্রস্তুতি নিয়ে ঘর থেকে বের হলেন। হঠাৎ
স্বামীর
পা কিছু
একটার সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়ায়
তিনি পড়ে
গেলেন। আহত জায়গা থেকে রক্ত বের হতে
লাগল। স্ত্রী তৎক্ষণাৎ উড়না
ছিড়ে
স্বামীর ক্ষতস্থান বেঁধে দিল
এবং স্বামীকে
নিজের শরীরের সঙ্গে ভর দিয়ে রেখে বলল,
চলুন ঘরে ফিরে যাই। আমার আর
তালাকের
প্রয়োজন নেই। স্বামী এতে
অবাক হয়ে
বললেন, তুমি কেনইবা তালাক চাইলে, এখনবা
কেন বলছ, আর তালাক চাই না
কিছুই বুঝলাম
না। ব্যাপারটা খুলে বলো তো!
স্ত্রী বলল, আগে ঘরে চলুন।
সেখানে গিয়ে সব খুলে বলব। তারা ঘরে গিয়ে
বসল। স্বামী
বলল, এবার বলো তোমার ঘটনা
কি? স্ত্রী
বলল, আপনি কিছুদিন পূর্বে
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের একটি
হাদীস আমাকে শুনিয়েছিলেন
যে, আল্লাহ যে
বান্দাকে ভালবাসেন, তাঁর
প্রতি বিভিন্ন বালা-মুসিবত এভাবে ছুটে
আসে, যেমন উপর
থেকে আসা পানির নীচের
দিকে গড়ায়। যখন
থেকে আমি নবীজির এই
হাদীসখানা শুনেছি, তখন থেকে মনে-মনে ভাবি যে,
আমি তো
আপনার সংসারে এসে কোনো
পেরেশানি
দেখি না, কোনো দুঃখ-ভাবনা
দেখি না, বিপদ-মুসিবত দেখি না। এতে
আমার অন্তরে
এই খেয়াল জাগল যে, হয়তবা
আমার স্বামীর
ঈমান দুর্বল, আমার স্বামীর আমল
খারাপ। তাই আমার স্বামীর প্রতি
আল্লাহ নারাজ।
যদি আল্লাহ আমার স্বামীকে
ভাল না বাসেন,
তবে আমি তাঁর খেদমত করতে যাব
কেন? এ কারণে যখন আপনি আমাকে
বলেছেন, আমি
তোমার চাওয়া পূর্ণ করব; বলো
তুমি কী
চাও, তখন আমি বলেছি,
আপনাকে যেহেতু আমার আল্লাহ ভালবাসেন না,
তাই আপনি
আমাকে তালাক দিয়ে দিন।
কিন্তু আজ যখন আমরা নবীজির
খেদমতে
ইলম অর্জন করার জন্য যাত্রা করি,
তখন
ঘটনাক্রমে আপনি পড়ে গেলেন
এবং আপনার
শরীর আহত হয়ে রক্ত বেরোল।
এতে আমি বুঝে ফেলি, আল্লাহর রাস্তায়
আপনি ব্যথা
পেয়েছেন, আপনার উপর বিপদ
এসেছে। যার
দ্বারা প্রমাণিত হয়, আল্লাহ
অবশ্যই আপনাকে ভালোবাসেন। ফলে
এখন আমার
তালাক নেওয়ার আর কোনো
প্রয়োজন
নেই। আজ থেকে আমি আপনার
সারা জীবনের দাসী হয়ে গেলাম।
আমৃত্যু হৃদয়-মন
দিয়ে আমি আপনার সেবা করে
যাবো ইন-শা-আল্লাহ....
salma akter moon

23/03/2017

আমার প্রিয় কিছু আলেম যাদের ইসলামি প্রশ্ন উত্তরগুলো অসাধারন-
১: ড: মন্জুর এলাহী।
২: শায়েখ আব্দুল কাইয়ুম
৩:ড:আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর( র:)
৪:মুফতি কাজী ইব্রাহিম
৫:শায়েখ আব্দুস শহীদ নাসিম
৬:ড:সাইফুল্লাহ
৭: শায়েখ কামাল উদ্দিন জাফরি।
৮:ড: মতিউল ইসলাম
৯: ড: মুসলে উদ্দিন।
১০: ড: আবুল কালাম আজাদ বাসার
১১: শায়েখ শাহ ওয়ালী উল্লাহ।
আপনিও এদের আলোচনা বিশেষ করে প্রশ্ন উত্তরগগুলো শুনুন, হয়তো আপনি পেয়ে যেতে পারেন ইসলামে সঠিক নিশানা

03/11/2016
18/09/2016

★* জেনে রাখা ভালো *★
===================================
*** কোন দেশের তিনটি রাজধানী?
উত্তরঃ দক্ষিণ আফ্রিকা।।
**** দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী তিনটি কি কি?
উত্তরঃ প্রিটোরিয়া, কেপটাউন ও ব্লমফনটেন।
**** সৌর জগত সবৃ প্রথম কে আবিস্কার করেন?
উত্তরঃ কোপারনিকাস(১৫৪০)
**** সর্ব প্রথম এভারেষ্ট কে জয় করেন?
উত্তরঃ হিলারী তেনজিং (১৯৫৩)।
**** সর্ব প্রথম কোন মহিলা এভারেষ্ট জয় করেন?
উত্তরঃ জনাকো তাবেই, ১৯৭৫ সালে।
**** ভারতে গমনের সমুদ্র পথ কে আবিস্কার করেন?
উত্তরঃ ভাস্কো দা গামা।
**** প্রথম চন্দ্র প্রদক্ষিণ করেন কে?
উত্তরঃ ফ্র্রাঙ্ক বরম্যান ও অ্যান্ডারস (১৬৬৮)।
**** ট্যাঙ্গানিকা হ্রদ কে আবিস্কার করেন?
উত্তরঃ ক্যাপ্টেন জন স্পেক (১৮৫৬)
**** উত্তর মেরু কে আবিস্কার করেন?
উত্তরঃ রবার্ট পিয়েরে(১৯০৯)
**** দক্ষিণ মেরু আবিস্কার করেন কে?
উত্তরঃ ব্রমান্ড সেন(১৯১২)
**** আমেরিকা আবিস্কার করেন কে?
উত্তরঃ ইটালীর নাবিক কলম্বাস (১৪৯৮)
** পশ্বিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ কে আবিস্কার করেন?
উত্তরঃ কলম্বাস(১৪৯২)
**** কে সর্ব প্রথম পালের নৌকায় বিশ্ব ভ্রমণ করেন?
উত্তরঃ ম্যাগিলান (১৫১৯)
**** প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরে গমনের
পথ কে আবিস্কার করেন?
উত্তরঃ ম্যাগিলান
**** ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত কে আবিস্কার করেন?
উত্তরঃ ডেভিড লিভিংস্টোন।
**** গ্রীনল্যান্ড কে আবিস্কার করেন?
উত্তরঃ এরিক দি রেড ভাইকিং (৯৮২ সালে)
**** অস্ট্রেলিয়া কে আবিস্কার করেন?
উত্তরঃ উইলিয়াম জ্যাকসন (১৯০৬)
**** আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ কোনটি?
উত্তরঃ রাশিয়া ।
**** হংকং বর্তমানে কোন দেশের সাথে একভূত হয়েছে?
উত্তরঃ চীন।
**** বিশ্বে সবচেয়ে বেশি লোক কথা বলে কোন ভাষায় ?
উত্তরঃ চাইনিজ মান্দারিন ভাষায়।
** বাংলাদেশ ছাড়া আর কোন দেশে পয়সা ক্ষুদ্রতম
মুদ্রা?
উত্তরঃ মায়ানমার।

17/09/2016

জাতীয় সংসদঃ
-
প্রশ্ন: জাতীয় সংসদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর কবে
স্থাপন করা হয়?
উঃ ১৯৬২ সালে।
-
প্রশ্ন: জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
উঃ লুই আই কান।
-
প্রশ্ন: লুই আই কান কোন দেশের নাগরিক?
উঃ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
-
প্রশ্ন: জাতীয় সংসদ ভবনের ছাদ ও দেয়ালের
স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার কে?
উঃ হ্যারি পাম ব্লুম।
-
প্রশ্ন: জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়
কবে?
উঃ ১৯৬৫ সালে।
-
প্রশ্ন: জাতীয় সংসদ ভবনের ভূমির পরিমান কত?
উঃ ২১৫ একর।
-
প্রশ্ন: জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করা হয়?
উঃ ২৮ জানুয়ারী, ১৯৮২।
-
প্রশ্ন: জাতীয় সংসদ ভবন কত তলা বিশিষ্ট?
উঃ ৯ তলা।
-
প্রশ্ন: জাতীয় সংসদ ভবনের উচ্চতা কত?
উঃ ১৫৫ ফুট।
-
প্রশ্ন: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতীক কি?
উঃ শাপলা ফুল।
-
প্রশ্ন: জাতীয় সংসদ ভবন কে উদ্বোধন করেন?
উঃ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার।
-
প্রশ্ন: বর্তমান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন
কবে বসে?
উঃ ১৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮২।
-
প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংসদের মোট আসন সংখ্যা
কতটি?
উঃ ৩৫০ টি।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংসদের সাধারন নির্বাচিত
আসন সংখ্যা কতটি?
উঃ ৩০০ টি।
-
প্রশ্ন: সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন স্যখ্যা
কতটি?
উঃ ৫০ টি।
-
প্রশ্ন: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১ নং আসন
কোনটি?
উঃ পঞ্চগড়-১।
-
প্রশ্ন: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন
কোনটি?
উঃ বান্দরবান।
-
প্রশ্ন: জাতীয় সংসদের কাস্টি ভোট বলা হয়?
উঃ স্পিকারের ভোটকে।
-
প্রশ্ন: সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও
পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠক মধ্যে
ব্যবধান কতদিন?
উঃ ৬০ দিন।
-
প্রশ্ন: সাধারন নির্বাচনের কতদিনের মধ্যে সংসদ
অধিবশন আহবান করতে হবে?
উঃ ৩০ দিন।
-
প্রশ্ন: সংসদ অধিবেশন কে আহবান করেন?
উঃ রাষ্ট্রপতি।
-
প্রশ্ন: সংসদ অধিবেশনের কোরাম পূর্ন হয় কত
জন সংসদ হলে?
উঃ ৬০ জন।
-
প্রশ্ন: সংবিধান সংশোধনের জন্য কত সংসদ
সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়?
উঃ দুই-তৃতীয়াংশ।
-
প্রশ্ন: একাধারে কতদিন সংসদে অনুপস্থিত থাকলে
সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়?
উঃ ৯০ কার্যদিবস।
-
প্রশ্ন: গণ-পরিষদের প্রথম স্পিকার কে?
উঃ শাহ আব্দুল হামিদ।
-
প্রশ্ন: গণ-পরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার কে?
উঃ মোহাম্মদ উল্ল্যাহ।
-
প্রশ্ন: এ দেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাস
কবে থেকে চর্চা শুরু হয়?
উঃ ১৯৩৭ সালে।
-
প্রশ্ন: কোন কোন বিদেশী প্রথম জাতীয়
সংসদে ভাষণ দেন?
উঃ যুগোশ্লেভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল
জোসেফ টিটো-৩১ জানু, ১৯৭৪ এবং ভারতের
প্রেসিডেন্ট ভি.ভি. গিরি-১৮ জুন, ১৯৭৪।
-
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অষ্টম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে
নির্বাচিত একজন সদস্য নিজেই নিজের শপথ বাক্য
পাঠ করিয়েছেন, তিনি কে?
উঃ এডভোকেট আবদুল হামিদ।
Copy

12/09/2016

বাংলা টাইপিং এ যারা দুর্বল তাদের কাজে লাগবে।
১. ক্ষ = ক+ষ
২. ষ্ণ = ষ+ণ
৩. জ্ঞ = জ+ঞ
৪. ঞ্জ = ঞ+জ
৫. হ্ম = হ+ম
৬. ঞ্চ = ঞ+চ
৭. ঙ্গ = ঙ+গ
৮. ঙ্ক = ঙ+ক
৯. ট্ট = ট + ট
১০. ক্ষ্ম = ক্ষ + ম = ‍ক + ষ + ম
১১. হ্ন = হ + ন
১২. হ্ণ = হ + ণ
১৩. ব্ধ = ব + ধ
১৪. ক্র = ক + ্র (র-ফলা)
১৫. গ্ধ = গ + ধ
১৬. ত্র = ত + ্র (র-ফলা)
১৭. ক্ত = ক + ত
১৮. ক্স = ক + স
১৯. ত্থ = ত + থ (উদাহরন: উত্থান,
উত্থাপন)
২০. ত্ত = ত + ত (উদাহরন: উত্তম, উত্তর,
সত্তর)
২১. ত্ম = ত + ম (উদাহরন: মাহাত্ম্য)
নিচের যুক্তবর্ণের
তালিকাটি বাংলা সঠিকভাবে ল
িখতে সহায়ক হতে পারে।
এখানে বাংলায় ব্যবহৃত
২৮৫টি যুক্তবর্ণ দেওয়া হয়েছে। এর
বাইরে কোন যুক্তবর্ণ সম্ভবত বাংলায়
প্রচলিত নয়।
ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা
ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয়
ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত
ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র
ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ
ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী
ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য
ক্র = ক + র; যেমন- চক্র
ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি
ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ
ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ
ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু
ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী
ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য
ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য
ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স
খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য
খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান
গ্ণ = গ + ণ; যেমন - রুগ্ণ
গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ
গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য
গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী
গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন
গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র,
অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়
গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী
গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম
গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য
গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম
গ্র্য = গ + র + য; যেমন- ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য,
গ্র্যাজুয়েট
গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি
ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন
ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য
ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ
ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক
ঙ্ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্ক্তি
ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য
ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা
ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ
ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ
ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ,
ব্যঙ্গ্যোক্তি
ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ
ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য
ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি
ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়
চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা
চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা
চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস
চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়
চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা
চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী
চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য
জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক
জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল
জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা
জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান
জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর
জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য
জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র
ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল
ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা
ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ
ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা
ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম
ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা
ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল
ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য
ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা
ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান
ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য
ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম
(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্গ
ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য
ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক) (মন্তব্য:
অত্যন্ত বিরল)
ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা
ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ
ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য
ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল
ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য
ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র
ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ
ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ
ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর
ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়
ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য
ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট
ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর
ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব
ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত
ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ
ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন
ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব
ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা
ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য
ত্য = ত + য; যেমন- সত্য
ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ
ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য
ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা
ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব
থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী
থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য
থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three) (মন্তব্য: এই
যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/
বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম
দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন
দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য
দ্দ্ব

10/09/2016

“লাববাইক আল্লাহুম্মা লাববাইক, লাববাইকা লা শারীকা লাকা লাববাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারীকা লাকা।’’

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ

“আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, আমি আপনার কাছে হাজির। আপনার কোন শরীক নেই। আমি আপনার কাছে হাজির। নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা, অনুগ্রহ ও রাজত্ব আপনারই। আপনার কোন শরীক নেই।”

09/09/2016

সুখী জীবনের জন্য ২৫ টি টিপসঃ
১. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷
২. নির্জন কোন স্থানে একাকী অন্তত ১০
মিনিট কাটান ও নিজেকে নিয়ে ভাবুন৷
৩. ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে
থাকার চেষ্টা করুন। সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে মনস্থির করুন।
৪. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে
তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত
খাবার কম খাবেন।
৫. সবুজ চা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৬. প্রতিদিন অন্তত ৩ জনের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করুন।
৭. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা
করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয়
করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয়
করুন।
৮. সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার প্রজার মত এবং রাতের খাবার খাবেন
ভিক্ষুকের মত।
৯. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল
কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন।
১০. অন্যকে ঘৃনা করে সময় নষ্ট করার জন্য
জীবন খুব ছোট, সকলকে ক্ষমা করে দিন সব কিছুর জন্য।
১১. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল
বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন।
১২. সব তর্কে জিততে হবে এমন নয়, তবে
মতামত হিসাবে মেনে নিতে পারেন আবার
নাও মেনে নিতে পারেন। ১৩. আপনার অতীতকে শান্তভাবে চিন্তা করুন,
ভূলগুলো শুধরে নিন। অতীতের জন্য বর্তমানকে
নষ্ট করবেন না।
১৪. অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবন
তুলনা করবেন না।
১৫. কেউ আপনার সুখের দায়িত্ব নিয়ে বসে নেই। আপনার কাজই আপনাকে সুখ এনে দেবে।
১৬. প্রতি ৫ বছরমেয়াদী পরিকল্পনা করুন
এবং ওই সময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করুন।
১৭. গরীবকে সাহায্য করুন। দাতা হোন,
গ্রহীতা নয়।
১৮. অন্য লোকে আপনাকে কি ভাবছে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই বরং অাপনি
অাপনাকে কি ভাবছেন সেটা মুল্যায়ন করুন ও
সঠিক কাজটি করুন।
১৯. কষ্ট পুষে রাখবেন না। কারণ সময়ের
স্রোতে সব কষ্ট ভেসে যায় তাই কষ্টের
ব্যাপারে খোলামেলা অালাপ করুন ও ঘনিষ্টদের সাথে শেয়ার করুন।
২০. মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপ
হোক তা বদলাবেই।
২১. অসুস্থ হলে আপনার ব্যবসা বা চাকুরী অন্য
কেউ দেখভাল করবে না। করবে বন্ধু কিংবা
নিকটাত্মীয়রা, তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।২২. ফেইসবুক অনেক সময় নষ্ট করে।
পোষ্টটি পড়তে পড়তেই অনেক খানি সময় নষ্ট
করেছেন। ফেইসবুকে আপনার সময় নির্দিষ্ট
করুন।কতক্ষণ সময় থাকবেন এখানে।
২৩. প্রতি রাত ঘুমানোর আগে আপনার জীবনের
জন্য বাবা মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিন। ২৪. মনে রাখুন জীবনের কোন কোন ভুলের জন্য
আপনি ক্ষমা পেয়েছেন। সেসব ভুল আর যেন না
হয় তার জন্য সতর্ক থাকুন।
২৫. আপনার বন্ধুদেরও তথ্যগুলো জানান, যেন
তারাও আপনার ভাল দিকগুলো সম্পর্কে জানেন
এবং আপনাকে আপনার মত করে চলতে দেয়। আপনারা লাইক ও শেয়ার না করলে তথ্য
দেয়ার আগ্রহ থাকে না। তাই নিয়মিত লাইক
ও শেয়ার করুন৷ ******************************
******************বিঃদ্রঃ আমাদের
পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে
অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার যদি
লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে
T=Thanks G=Good
V=Very Good
E=Excellent
T, G, V কিংবা E লিখে কমেন্টস করবেন।

Address

Portarlington
Dublin
HERBARTHOUSE.SQUAREMARKET

Telephone

0892277800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al modina foundaction posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al modina foundaction:

Share