Zahidur rahman

মাত্র দেড় কোটি জনসংখ্যার একটি গোষ্ঠীর কাছে পৃথিবীর ৫৬ টি দেশ ও ১৯০ কোটির উপরে মানুষ বিদ্রোহ করেও টিকতে পারছেনা শুধু জ্ঞ...
17/06/2024

মাত্র দেড় কোটি জনসংখ্যার একটি গোষ্ঠীর কাছে পৃথিবীর ৫৬ টি দেশ ও ১৯০ কোটির উপরে মানুষ বিদ্রোহ করেও টিকতে পারছেনা শুধু জ্ঞানের কারণে।
দ্বীপ রাষ্ট্র নাউরুর ও সম্পদ ছিল, পৃথিবীর ২য় ধনী রাষ্ট্র ও হইছিলো কিন্তু এখন আর নাই।আরব বিশ্বের সম্পদও চিরকাল থাকবেনা। কিন্তু ওই দেড় কোটি মানুষের জ্ঞানের ধারা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম রক্তের মাধ্যমে বইতে থাকবে।

কোকাকোলা বয়কট করেন তাতে কোন আপত্তি নাই। কিন্তু লিস্ট শুধু কোক না লিস্টটা অনেক লম্বা।পড়তে পড়তে আপনার দাঁত ভেঙ্গে যেতে পারে।শুরুটা ইনটেল , মাইক্রোসফট , উইকিপিডিয়া , গুগল ও ফেসবুক দিয়ে শুরু করা যাক।আপনি যে কম্পিউটার ব্যবহার করছেন তার প্রসেসরটা ইহুদীদের তৈরী।একটা ১৪ ইনটেল প্রসেসরের দাম প্রায় ৬৯০০০ টাকা।ওটা নিশ্চয়ই আপনার দুই লিটার কোকের দাম নয় যে চাইলেই ফেলে দিবেন।এতবড় আত্মা এখনো এই দেশে কম্পিউটার ব্যাবহারকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের হয় নাই।ডেল, লেনোবা যাই ব্যাবহার করুন ওদের কাছে আপনি না চাইলেও খত দিতে হবে।সবার ঘরে ঘরে তো আর কম্পিউটার নাই!! আপনার হাতের যে মোবাইলটা তার বিভিন্ন সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার এই ইহুদিদের তৈরী। ফেসবুক , গুগল , ইউটিউব এসব ব্যাবহার করতে করতে যারা হাতের আঙ্গুল ব্যাথা করে ফেলছেন তারা বড়জোর নির্লজ্জের মত ফেসবুক ভিউ পেতে পোস্ট করেই শেষ। আমাদের দেশের বিভিন্ন বুলডোজার ইহুদিদের তৈরি। ওদের তৈরি Dell, GE , HP এগুলো আপনারা ছাড়বেন না তাতো বহু আগে থেকেই জানা।
আরব বিশ্বে ইহুদীদের ম্যাকডোনাল্ড এর সংখ্যা কেন দিন দিন বাড়তেছে সেই প্রশ্ন কখনো নিজেকে করছেন?
ম্যাকডোনাল্ড, কেএফসি এসব দেখলেই যাদের জিহ্বা লিকলিক করে তারা শুধু ফেসবুকে বয়কট লিখেই জিহ্বা চাটতে চাটতে বাসায় ফিরে যাচ্ছেন সেটাও আমি জানি।যে নোকিয়া মোবাইল দিয়ে আপনার মোবাইল ব্যাবহার শুরু করেছিলেন সেটাও তাদের প্রতিনিধিত্ব করে। বিশ্ববিখ্যাত মোটোরোলাও তাদের।
আপনি হয়তো ভাবছেন আজ থেকে পাকিস্তানি মোবাইল ব্যাবহার শুরু করবেন কিন্তু সেই মোবাইলের ভেতরের যন্ত্রাংশ ও তাদের। আপনাদের শুধু আছে মুখ আর মুখোশ।

মাত্র ৬০ লক্ষ জনসংখ্যার একটি দেশ আপনাদের পুতুলের মত নাচাচ্ছে আর আপনারা নেচে নেচে তাদেরই ফেসবুকে এসে পোস্ট দিচ্ছেন ' বয়কট!!
আপনার এই পোস্টেও লাভ তাদেরই হচ্ছে । ইসরাইলের পণ্য জানার জন্য গুগলে সার্চ করছেন এতেও লাভ তাদের হচ্ছে।আপনারা যত বেশি নাচানাচি করবেন তাদের লাভ ততবেশি।।

আপনি খাইলেও তাদের লাভ।না খেয়ে সিএনএন, বিবিসি,ডিজনি ও খেলার চ্যানেল সহ ডিসকভারি দেখলেও তাদের লাভ।ভলবো বাসে করে আপনি ঘুরতে গেলেও তাদেরই লাভ।

ব্রান্ড স্টার কফিতে চুমুক দিয়ে উদাসী হবেন এতেও তাদের লাভ।বিশ্বকে জানতে নামিদামি পত্রিকা পড়বেন তাতেও তাদের লাভ। আপনি খালি পায়ে থাকলেও তাদের লাভ আবার ফ্যাশন করে দামী জুতা পরলেও তাদের লাভ।

আরেকটা কথা ম্যাগি, বাটা, আটা, ময়দা ও সুজি এসব কোনটাই তাদের পণ্য নয়।তারা আটা, ময়দা ও সুজি বিক্রি করে রাষ্ট্র চালায়না। তাদের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৯০ ভাগ আপনাদের ছাড়াই হয়। লরিয়াল, প্রেসিডেন্ট এসব আপনি কিনলেও তাদের লাভ আর না কিনলেও তাদের লাভ । আমেরিকা ও ইউরোপের মত দেশ যাদের কাছ থেকে বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার রপ্তানি করে সেখানে আপনি আমি চোখ খুললেও কিছু যায় আসেনা।আর চোখ বন্ধ করে তেল মেখে ফেসবুক গুতালেও তাদের কিছু যায় আসেনা।।

কথায় কথায় বয়কট বয়কট না করে নিজেদের চরিত্র সংশোধন করুন। নিজেদের সর্বজ্ঞানী না ভেবে, আগামী ইউটিউব ও ফেসবুক বিজ্ঞানী না বানিয়ে জ্ঞান অর্জন করার শিক্ষা দিন।নিজ দেশে জ্ঞানী মানুষকে সম্মান দিবেননা আর বলবেন প্রতিবেশীরা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে।বলি নিজের চরকায় তেল দিতে শিখুন।চুরি ও দূর্নীতি, সুদ, ঘুষ, পরনিন্দা এসব ছেড়ে মানুষ ও দেশপ্রেমিক হতে শিখুন। আমাদের মতো হিন্দু, মুসলিম , আস্তিক, নাস্তিক , ধনী ও গরীব এতো ভেদাভেদ ৬০ লক্ষ মানুষের ছোট দেশ ইসরায়েলে নেই।
আপনারাও জাতি ভেদাভেদ ভূলে জ্ঞান ও জ্ঞানীকে সম্মান করতে শিখুন। আইনস্টাইনকে হিংসা না করে নিজের সন্তানকে জ্ঞান অর্জন করার শিক্ষা দিন।
কোকাকোলা যখন শুরু হয় তখন ইসরায়েল নামক দেশটি পৃথিবীতে ছিলোনা। কিন্তু জাতি হিসেবে তারা একতাবদ্ধ বিধায় তারা এর সুফল পেয়েছে। আমাদের মধ্যে শিয়া, সুন্নি, কাদিয়ানি , মাজার পুজারি , হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কত ভাগ।এই দেশ উন্নতি করবে কেমনে?
যে দেশে দূর্নীতিবাজদের গলায় ফুলের মালা দেওয়া হয় , ঘুষখোর ও রাজাকারকে রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া হয় সেই দেশটা ফেসবুক আর ইউটিউব বিজ্ঞানীরাই শেষ করে দিবে এবং দিচ্ছে।ফেসবুক ও ইউটিউব ভিউ ও টাকা কামানোর ধান্দায় এরা দেশটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
যে দেশে সৎ মানুষের সম্মান নাই , জ্ঞানী লোকের সম্মান নাই, দেশ প্রেমিকদের সম্মান নাই সেই দেশের মানুষের মুখে বয়কট শুনলেই হাসি পায়। কাউকে বয়কট করার আগে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করুন , নিজেদের পৃথিবীতে বসবাসের যোগ্য করে গড়ে তুলুন নয়তো আফগানিস্তান ও ইরাকের মত অথবা পাকিস্তানের মত আম ও ছালা দুটোই হারাতে হবে।।লোটা হাতে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২৩ শতাংশ হয়ে বিশ্ব শাসন করা যায়না।এই বিশ্বকে শাসন করতে হলে ধর্মান্ধতা ও উগ্রতা পরিহার করে এবং গাছে ভূত আছে এই জাতীয় কুসংস্কার কবর দিয়ে জ্ঞানে ও বিজ্ঞানে উন্নত জাতি হতে হবে।তাহলে এক ঢাকা শহরের মানুষকে দিয়েই পুরো বিশ্ব শাসন করতে পারবেন।আর লোটা বিজ্ঞান পড়লে দেশ ও জাতি দুটোই ধ্বংস হবে আজ নয়তো কাল।

 #জার্মানিতে বিনামূল্যে ভিসা দিচ্ছে? প্রতিদিন অসংখ্য ফোন মেসেজ আসতেছে তার উত্তর:⭕⭕ সাবধান ⭕⭕যারা এই টাইপ "অর্ধেক বলা বা ...
24/01/2024

#জার্মানিতে বিনামূল্যে ভিসা দিচ্ছে? প্রতিদিন অসংখ্য ফোন মেসেজ আসতেছে তার উত্তর:
⭕⭕ সাবধান ⭕⭕
যারা এই টাইপ "অর্ধেক বলা বা পুরোটা না বলা" নিউজগুলো করে লাখ লাখ ভিউ পাচ্ছেন, তারা যে মানুষের কত্ত বড় ক্ষতি করছে, তারা যদি জানতো!

#কয়েকটা পয়েন্ট শেয়ার করিঃ

❌ জার্মানি ইতালির মত না। এখানে সিজনাল ভিসা নাই বা এজেন্সিরে লাখ লাখ টাকা দিয়ে আসতে পারবেন এমনটাও না।

❌ এখানে জব ছাড়া জব ভিসায় আসা যায়না।

❌ বাংলাদেশ থেকে এখানে জব নিয়ে আসা খুব কঠিন (অসম্ভব না, তবে পিওর টেকনিকাল ব্যাকগ্রাউন্ডের জন্যে সহজ, তবুও জব পেতে হলে ৩/৪ টা রাউন্ড ইন্টারভিউ এর মধ্যে দিয়ে আসতে হয়)।

❌ আইএলটিএস লাগবে না বুঝলাম, খুব ভাল কথা। এখানে যারা আছে তারা-ও জার্মান না জানলে জব পায়না - এটা শেয়ার কেন করেনা? উনাদের নিউজ দেখে মনে হচ্ছে জার্মানরা বাংলায় কথা বলে। 😄

❌ জব-সিকিং ভিসা আছে। সেটাও সবার জন্যে না।

❌ পরিচিত অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা জার্মানিতে মাস্টার্স শেষ করেও কয়েক বছর জব খুঁজেও জব পাচ্ছে না।

🙏🏼 দয়া করে প্রতারিত হয়েন না। কেউ যদি জব অফার দিতে চায় টাকার বিনিময়ে, বি ভেরি কেয়ারফুল.... টাকা এবং সময় দুইটাই হারাবেন। সাবধান। 🙏🏼

#উপদেশ: পরিশ্রম করে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করুন পৃথিবীর যেকোন দেশে যেতে পারবেন।

#সচেতনতায়

27/10/2023

আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে সময় বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ সময়ের মধ্যে ক্ষমতা থেকে সরে না দাঁড়ালে এর দায়ভার নিতে হবে আওয়ামী লীগ সরকারকেই। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এমন প্রশ্ন করা হয় মার্কিন মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারকে। এসময় তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদত্যাগে কোনো ডেডলাইন বা সময়সীমা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। তিনি আরও বলেন, কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না ওয়াশিংটন।

ছবি টা আজকের ঢাকা শহরেরকোন সভ্য দেশেই যেখানে - সেখানে পশু জবাই করতে দেওয়া হয় না।  ধর্মেও তো তাই বলছে , ইব্রাহিম (আ 🙂 এর ...
29/06/2023

ছবি টা আজকের ঢাকা শহরের
কোন সভ্য দেশেই যেখানে - সেখানে পশু জবাই করতে দেওয়া হয় না। ধর্মেও তো তাই বলছে , ইব্রাহিম (আ 🙂 এর কোরবানি লোকালয় থেকে দূরেই হয়েছিল।

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আমবাগানের যুদ্ধে স্বাধীন বাংলার নবাব ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হয়। ফলে প্রায...
24/06/2023

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আমবাগানের যুদ্ধে স্বাধীন বাংলার নবাব ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হয়। ফলে প্রায় ২০০ বছরের জন্য বাংলা স্বাধীনতা হারায়। প্রতি বছর সে জন্য ২৩ জুন পলাশী দিবস হিসাবে পালিত হয়। ১৭৫৭ সালের এইদিনে নদিয়া জেলার পলাশীর প্রান্তরে রবার্ট ক্লাইভ, মীরজাফর, রায়দুর্লভ, ইয়ার লতিফ চক্র এই কালো দিবসের জন্ম দেয়। এই যুদ্ধটি ইতিহাসের একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ।

প্রাক কথন -
ঘৃণিত কলঙ্কজনক এই প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের অধ্যায় সৃষ্টির পেছনে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল বিশ্বাসঘাতক জগৎ শেঠ, মীরজাফর, মাহতাব চাঁদ, উমিচাঁদ বা আমির চন্দ, মহারাজা স্বরূপচাঁদ, ইয়ার লতিফ, রায়দুর্লভ, ঘসেটি বেগমের ক্ষমতার লোভ। রাজা রাজবল্লভ, মহারাজ নন্দকুমার, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়, রানী ভবানী প্রমুখের কৌশলী চক্রও এর পেছনে প্রচ্ছন্ন ছিল। আজ পলাশী দিবসে ফিরে দেখা সেই ঘটনা - -

যুদ্ধক্ষেত্রে এই স্বার্থান্বেষী ষড়যন্ত্রীদের শিকার ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিপাহসালার নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং তার বিশ্বস্ত সেনাপতি বকসী মীরমদন, প্রধান আমাত্য মোহনলাল কাশ্মিরী ও নবে সিং হাজারী।

বিবরণ -
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজদৌল্লার সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পলাশী নামক স্থানে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
১৭৫৭ সালের ১২ জুন কলকাতার ইংরেজ সৈন্যরা চন্দননগরের সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলিত হয়। সেখানে দুর্গ রক্ষার জন্য অল্প কিছু সৈন্য রেখে তারা ১৩ জন অবশিষ্ট সৈন্য নিয়ে যুদ্ধযাত্রা শুরু করে। কলকাতা থেকে মুর্শিদাবাদের পথে হুগলী, কাটোয়ার দুর্গ, অগ্রদ্বীপ ও পলাশীতে নবাবের সৈন্য থাকা সত্ত্বেও তারা কেউ ইংরেজদের পথ রোধ করে নি। ফলে নবাব সিরাজউদ্দৌলা বুঝতে পারেন, তার সেনাপতিরাও এই ষড়যন্ত্রে শামিল।

বিদ্রোহের আভাস পেয়ে সিরাজ মীর জাফরকে বন্দি করার চিন্তা পরিত্যাগ করেন। তিনি মীর জাফরকে ক্ষমা করে তাকে শপথ নিতে বলেন। মীর জাফর পবিত্র কুরআন স্পর্শ করে অঙ্গীকার করেন যে, তিনি শরীরের একবিন্দু রক্ত থাকতেও বাংলার স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন হতে দেবেন না। গৃহবিবাদের মীমাংসা করে নবাব রায় দুর্লভ, ইয়ার লুৎফ খান, মীর জাফর, মীর মদন, মোহন লাল ও ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রেঁকে সৈন্য চালানোর দায়িত্ব দিয়ে তাদের সঙ্গে যুদ্ধযাত্রা করেন।

২৩ জুন সকাল থেকেই পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজরা মুখোমুখি যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। ১৭৫৭ সালের ২২ জুন মধ্যরাতে রবার্ট ক্লাইভ কলকাতা থেকে তার বাহিনী নিয়ে পলাশী মৌজার লক্ষবাগ নামে আম্রকাননে এসে তাঁবু গাড়েন। বাগানটির উত্তর-পশ্চিম দিকে গঙ্গা নদী। এর উত্তর-পূর্ব দিকে দুই বর্গমাইলব্যাপী আম্রকানন। বেলা আটটার সময় হঠাৎ করেই মীর মদন ইংরেজ বাহিনীকে আক্রমণ করেন। তার প্রবল আক্রমণে টিকতে না পেরে ক্লাইভ তার সেনাবাহিনী নিয়ে আমবাগানে আশ্রয় নেন। ক্লাইভ কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েন। মীর মদন ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছিলেন। কিন্তু মীর জাফর, ইয়ার লুৎফ খান ও রায় দুর্লভ যেখানে সৈন্য সমাবেশ করেছিলেন সেখানেই নিস্পৃহভাবে দাঁড়িয়ে রইলেন। তাদের সামান্য সহায়তা পেলেও হয়ত মীর মদন ইংরেজদের পরাজয় বরণ করতে বাধ্য করতে পারতেন। দুপুরের দিকে হঠাৎ বৃষ্টি নামলে সিরাজউদ্দৌলার গোলাবারুদ ভিজে যায়। তবুও সাহসী মীর মদন এবং অপর সেনাপতি মোহন লাল ইংরেজদের সাথে লড়াই চালিয়ে যেতে লাগলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই গোলার আঘাতে মীর মদন মারাত্মকভাবে আহত হন ও মারা যান। নবে সিং হাজারী ও বাহাদুর খান প্রমুখ গোলন্দাজ বাহিনীর প্রধানও একইসাথে মৃত্যুবরণ করেন।

গোলন্দাজ বাহিনীর প্রধান নিহত হওয়ার পর সিরাজউদ্দৌলা মীর জাফর ও রায় দুর্লভকে তাদের অশ্বারোহী বাহিনী নিয়ে তীব্র বেগে অগ্রসর হতে নির্দেশ দেন। কিন্তু উভয় সেনাপতি তার নির্দেশ অমান্য করেন। তাদের যুক্তি ছিল গোলন্দাজ বাহিনীর সহযোগিতা ছাড়া অগ্রসর হওয়া আত্মঘাতী ব্যাপার। কিন্তু কোম্পানি ও নবাবের বাহিনীর মধ্যে তখন দূরত্ব মাত্র কয়েকশত গজ। বিশ্বস্ত সেনাপতি মোহন লাল নবাবকে পরামর্শ দেন যুদ্ধবিরতি ঘটলে বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী কিন্তু সিরাজ মীর জাফর প্রমুখের পরামর্শে পশ্চাৎপসরণের সিদ্ধান্ত নেন। বিকেল পাঁচটায় সিরাজউদ্দৌলার বাহিনী নির্দেশনার অভাবে এবং ইংরেজ বাহিনীর গোলন্দাজি অগ্রসরতার মুখে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে অর্থাৎ পরাজয় স্বীকার করে। নবাবের ছাউনি ইংরেজদের অধিকারে আসে। ইংরেজদের পক্ষে ৭ জন ইউরোপীয় এবং ১৬ জন দেশীয় সৈন্য নিহত হয়। তখন কোনো উপায় না দেখে সিরাজউদ্দৌলা রাজধানী রক্ষা করার জন্য ২,০০০ সৈন্য নিয়ে মুর্শিদাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কিন্তু রাজধানী রক্ষা করার জন্যেও কেউ তাকে সাহায্য করেনি। সিরাজউদ্দৌলা তার সহধর্মিণী লুৎফুন্নেসা ও ভৃত্য গোলাম হোসেনকে নিয়ে রাজধানী থেকে বের হয়ে স্থলপথে ভগবানগোলায় পৌঁছে যান এবং সেখান থেকে নৌকাযোগে পদ্মা ও মহানন্দার মধ্য দিয়ে উত্তর দিক অভিমুখে যাত্রা করেন। তার আশা ছিল পশ্চিমাঞ্চলে পৌঁছাতে পারলে ফরাসি সেনাপতি মসিয়ে নাস-এর সহায়তায় পাটনা পর্যন্ত গিয়ে রাজা রামনারায়ণের কাছ থেকে সৈন্য সংগ্রহ করে ফরাসি বাহিনীর সহায়তায় বাংলাকে রক্ষা করবেন। কিন্তু তার সে আশা পূর্ণ হয়নি। সিরাজ পথিমধ্যে বন্দি হন ও মিরনের হাতে বন্দি অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

ষড়যন্ত্রকারীদের হাল -
ষড়যন্ত্রকারীরা কেউই সুখে ছিলেন না। ক্লাইভ আত্মহত্যা করলেন, উমিচাঁদ হলেন পাগল, নিদারুণ কুষ্ঠরোগের যন্ত্রণা ভুগে শেষ পর্যন্ত কিরীটেশ্বরীর চরণামৃতপানে একজনের প্রাণ যায়, একজন মারা গেলেন বজ্রাঘাতে। আর শেঠ-ভ্রাতৃদ্বয়কে বুকে পাষাণ চাপা দিয়ে মুঙ্গের দুর্গের চূড়া থেকে গঙ্গায় ফেলে ডুবিয়ে মারা হয়।

তথ্যসূত্র - Wikipedia

টাইটানিক কোথায় ডুবে আছে  জানেনতো? কানাডার নিউ ফাউন্ড ল্যান্ড এর কোস্টাল লাইন থেকে প্রায় চারশো মাইল দূরের সমুদ্রের নীচে! ...
23/06/2023

টাইটানিক কোথায় ডুবে আছে জানেনতো?
কানাডার নিউ ফাউন্ড ল্যান্ড এর কোস্টাল লাইন থেকে প্রায় চারশো মাইল দূরের সমুদ্রের নীচে!

অতলান্তিক ( atlantic এর বাংলা) মহাসমুদ্রের প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার গভীর জলের নীচে!

ওশনগেইট ( oceangate) নামের একটা কোম্পানি আছে, ওরা টাইটানিক ট্যুরিজম করে!

আট দিনের একটা ট্যুর প্যাকেজ।
আপনাকে প্রথমে কানাডা থেকে জাহাজে করে আটলান্টিকের উপর টাইটানিক ডুবার জায়গাটায় নিয়ে যাবে, তারপর আপনাকে নিয়ে একটা ছোট্ট সাবমেরিনে করে, সার্ফেস থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার গভীরে, টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের মুখোমুখি করা হবে!

রীতিমতো ব্রেথ টেকিং এক্সপেরিয়েন্স!

তবে পুরো প্যাকেজটা মারাত্নক এক্সপেন্সিভ।
বাংলাদেশী টাকায় প্রায় আড়াই কোটি টাকার উপরে লাগে !

এই সাবমার্সিবল, মিনি সাবমেরিনটার নাম হচ্ছে টাইটান! খুবই মাইক্রো সাইজের একটা সাবমেরিন। তাতে টেনেটুনে পাইলট সহ মোটে পাঁচ জনের জায়গা হয়!


সমস্যা হচ্ছে,
রবিবার সকাল বেলা, টাইটানে করে চারজনের একটা ট্যুরিস্ট দল, টাইটানিক দেখতে নেমেছিলো!

নামার কিছুক্ষণ পর থেকে, টাইটানের আর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছেনা!

কোন সিগ্নাল নাই। ভিশন নাই। কিচ্ছু নাই!
ভ্যানিশ!

টাইটানে বড় জোর ছিয়ানব্বই ঘন্টার অক্সিজেন সরবরাহ আছে। পানি খাবারও খুব একটা নেই!

এদের রেসক্যু মিশনে এখন আমেরিকা, কানাডার কোস্ট গার্ড নেভি নেমেছে তবু কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছেনা!

সাবমেরিনে, ইংল্যান্ডের তিন জন আছে দেখলাম। একজন বিলিয়নিয়ার হামিশ হার্ডিং, আরেকজন পাকিস্তান বর্ন বিজনেস টাইকুন দাউদ আর তার ছেলে!


টাইটানিক ডুবে যাওয়ার সে অঞ্চলে আরেকটা বিয়োগ গাথা রচিত হচ্ছে?

টাইটানিক ব্যাপারটাই কি মৃত্যু ডেকে আনে?
টাইটান নামটাই কি ভ্যাজালের?

নাকি আসলে একট অতি ক্ষুদ্র কো ইনসিডেন্স?

নাকি শেষ পর্যন্ত কোন একট অলৌকিক উপায়ে টাইটানকে খুজে পাওয়া যাবে!
সময় ফুরিয়ে আসছে দ্রুত!
মোটে কয়েক ঘন্টার অক্সিজেন সাপ্লাই আছে আর!

বাঙালী জাতির মানসিকতা----------------নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে যখন গ্রেফতার করে টেনে হিচঁড়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন অসংখ্য মানু...
15/06/2023

বাঙালী জাতির মানসিকতা
----------------
নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে যখন গ্রেফতার করে টেনে হিচঁড়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন অসংখ্য মানুষ হা করে নিরব দর্শকের মতো সেই দৃশ্য উপভোগ করেছিলো । শুধু তাই নয়, পিঠে ছুরিকাঘাত করার পূর্বে নবাবকে কাটাওয়ালা সিংহাসন ও ছেড়া জুতা দিয়ে যখন অপমান করা হচ্ছিলো, তখন শত শত মানুষ সেই কৌতুকে ব্যাপক বিনোদিত হয়েছিলো ! মাস সাইকোলজিটা একটু খেয়াল করে দেখুন, এই জাতি দুইশো বছরের গোলামী সাদরে গ্রহণ করেছিলো ওভাবেই ।

একটি মজার তথ্য দেই । লর্ড ক্লাইভ তার ব্যক্তিগত ডায়েরীতে লিখেছিল নবাবকে যখন ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল অপমান করতে করতে তখন দাঁড়িয়ে থেকে যারা এসব প্রত্যক্ষ করেছিল তারা যদি একটি করেও ঢিল ছুড়ত তবে ক্লাইভকে করুণ পরাজয় বরণ করতে হতো ।

আরো চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, প্রায় ১০ হাজার অশ্বারোহী, ৩০ হাজার পদাতিক এবং অসংখ্য কামান-গোলাবারুদসহ বিশাল সুসজ্জিত সৈন্যবাহিনী নিয়েই পলাশীর ময়দানে এসেছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা । কিন্তু তার বিপরীতে রবার্ট ক্লাইভের সৈন্যসংখ্যা ছিলো মাত্র ৩ হাজার, যার মধ্যে ৯শ জনই ছিলো হাতে পায়ে ধরে নিয়ে আসা ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর শৌখিন অফিসিয়াল সদস্য যাদের অধিকাংশেরই তলোয়ার ধরার মতো সুপ্রশিক্ষণ ছিলো না, কোন দিন যুদ্ধ করেনি ।

এতো কিছু জেনেও রবার্ট ক্লাইভ যুদ্ধে নেমেছিলো এবং জিতবে জেনেই নেমেছিলো। কারণ, রবার্ট ক্লাইভ খুব ভালো করেই জানতেন একটি হীনমন্য ব্যক্তিস্বার্থলোভী দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে পরাস্ত করতে খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন নেই ; রক্ত-যুদ্ধ এইসব এদের জন্য মশা মারতে কামান দাগার মতো অবস্থা। যাদেরকে সামান্য দাবার চালেই মাত করে দেয়া যায়, তাদের জন্য হাজার হাজার সৈন্যের জীবনের ঝুকি তিনি কেনো নিবেন ? এছাড়াও, মীরজাফরকে যখন নবাবীর টোপ গেলানো হয়, রবার্ট ক্লাইভ তখনো জানতো যে, সিরাজকে পরাজিত করার পর এই বদমাশটিসহ বাকিগুলোর পাছায়ও লাথি দেয়া হবে এবং হয়েছেও তাই।

মীরজাফর, উমিচাঁদ, রায়বল্লভ, ঘষেটি বেগমসহ সবগুলোরই করুণ মৃত্যু হয়েছিলো।

না ভাই, রবার্ট ক্লাইভ মীরজাফরের বেইমানীর উপর ভরসা করে যুদ্ধে আসেনি। সে যুদ্ধে এসেছিলো বাঙালীর মানসিকতা ও ভূত-ভবিষ্যতসহ বহুদূর পর্যন্ত নিখুঁতভাবে আন্দাজ করে। সে জানতো, মীরজাফরকে টোপ দিলে গিলবে এবং কাজ শেষ হলে লাথি দিবে।

সে জানতো, যুদ্ধশেষে জনসম্মুখে নবাবের পাছায় লাথি দিলেও এই জাতি বিনোদনে দাঁত কেলাবে, অথবা হা করে সব চেয়ে চেয়ে দেখবে। বিনা দ্বিধায়ই সার্টিফিকেট দেয়া যায়, বাঙালী জাতির মানসিকতা সবচেয়ে নিখুঁতভাবে মাপতে পারা ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তিটির নাম রবার্ট ক্লাইভ …

উসমানীয় সালতানাতের ঐতিহ্যবাহী গেরিলা বাহিনী 'আকিনজিলারওসমানীয় সালতানাতের সুদীর্ঘ ইতিহাসে ঐতিহাসিক উসমানীয় বাহিনীতে বিভ...
10/06/2023

উসমানীয় সালতানাতের ঐতিহ্যবাহী গেরিলা বাহিনী 'আকিনজিলার

ওসমানীয় সালতানাতের সুদীর্ঘ ইতিহাসে ঐতিহাসিক উসমানীয় বাহিনীতে বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগ লক্ষ্য করা যায়।

সাধারণ সেনা,কমান্ডার, এলিট ফোর্স জেনিসারী ইত্যাদি।তবে ওসমানীয় বাহিনীতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা ছিল গেরিলা শাখা। এই শাখার আবার কয়েকটি ভাগ ছিলো।

যার মধ্যে অন্যতম হলো আকিনজিলার গেরিলা বাহিনী।

তুর্কী ভাষায় বহুবচন বোঝাতে লার শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

আকিনজিদের দলটাকে বোঝাতেও 'আকিনজিলার' ব্যবহার করা হয়।

আকিনজি শব্দটি তুর্কি ভাষার শব্দ ; যার অর্থ আক্রমণকারী। তারা ওসমানীয় বাহিনীর অনিয়মিত ঘোড়সওয়ারী যোদ্ধা ছিলেন। তাদেরকে স্কাউট ডিভিশন ও অ্যাডভান্সড উসমানীয় মিলিটারি বাহিনীতেও দেখা যেতো। উসমানীয়দের যোদ্ধাদের অভাব ছিলো না। গাজীরা সবসময়ে সেনাবাহিনীতে যোগদান করে আমিরের নেতৃত্বে যুদ্ধের সুযোগ খুঁজতেন। তাই একবার এই বিপুল সংখ্যক মানুষগুলোকে কীভাবে সালতানাতের কাজে লাগানো যায় চিন্তা করলেন উসমানীয় সুলতান। এদেরকে নিয়েই গঠিত হয় আকিনজিলার বা আকিনজি বাহিনী। এরা বেতনভুক্ত যোদ্ধা ছিলেন না। এরা উসমানীয় সালতানাতের সীমান্তের আক্রমণকারী বাহিনী ছিলো।
যুদ্ধক্ষেত্রে আকিনজিদের দায়িত্ব ছিলো যুদ্ধের প্রথম কাতারে থেকে শত্রুপক্ষকে আক্রমণ করা। তারা গেরিলা পদ্ধতি ব্যবহার করতেন এবং সামনে অগ্রসররত শত্রুবাহিনীকে হতাশ করে সিদ্ধান্তহীনতায় ফেলে দিতেন, যা শত্রুপক্ষের মধ্যে উসমানীয়দের নিয়ে এক বিরাট আতংক ও হার মানার ভাব নিয়ে আসতো। আকিনজিরা যুদ্ধের ময়দানে এতটাই দুর্ধর্ষ হয়ে যেতো যে শত্রু ভীত এবং তটস্থ হয়ে যেতো।আকিনজিরা তীরন্দাজিতে মাহির ছিলো।দেখা যেতো যুদ্ধের ময়দানে যখন শত্রুরা এদের পিছু করছে তখন তারা চলন্ত ঘোড়া থেকে পেছন ফিরে তীর ছুড়তে পারতো।

আকিনজিদের ঘোড়াগুলোকে আলাদাভাবে ট্রেনিং করানো হতো, যার ফলে তাদের ঘোড়াগুলোও অন্যান্য ঘোড়া থেকে আলাদা ছিল। ঘোড়াগুলোর ক্ষিপ্রতা অনেক বেশী হতো।

আকিনজিরা যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে করতো যুদ্ধ কুড়াল,লোহার ভারী গদা, তলোয়ার, বল্লম, ও ঢাল। আকিনজিদের এতো অস্ত্র বহনের কারণ ছিলো তারা যুদ্ধক্ষেত্রে সবার আগে গিয়ে শত্রুবাহিনীর উপর আক্রমণ করতো।

অনেকসময় দেখা যেতো উসমানীয় সালতানাতের কোন এলাকায় যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে সেখানকার লোকদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে বা সুরক্ষিত কোনো যায়গায় নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হতো। এর জন্য আকিনজিদের ব্যবহার করা হতো। কারণ আকিনজিরা অত্যন্ত সচল ছিলো তারা শত্রুপক্ষের এলাকায় ও ডিফেন্স ব্যবস্থায় খুব ক্ষিপ্রতার সাথে আক্রমণ করতে পারতো। আর এ কাজে তাদের বিভিন্ন মিশনেও পাঠানো হত।

অনেকসময় দেখা যেত শত্রুদের সাপ্লাই ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে হবে।তাই আকিনজিকে পাঠানো হতো। তারা হঠাৎ আক্রমণ করে শত্রুদের সাপ্লাই চেইনের বা অস্ত্র, ঔষধ,খাদ্য সরবরাহ মাটির সাথে মিশিয়ে দিতো। শত্রুদেশের ব্যাণিজ্যিক পথেও আকিনজিরা হামলা চালাতে দক্ষ ছিল।

বিদ‍্যুৎ ছাড়া মানব জীবন দূর্বিষ অবস্হা। লোডশেডিং দেওয়ায় সরকারকে গালি দিচ্ছেন।আজ হতে ১৫ বছর পূর্বে বিদ‍্যুৎ এর অবস্হা কেম...
07/06/2023

বিদ‍্যুৎ ছাড়া মানব জীবন দূর্বিষ অবস্হা। লোডশেডিং দেওয়ায় সরকারকে গালি দিচ্ছেন।আজ হতে ১৫ বছর পূর্বে বিদ‍্যুৎ এর অবস্হা কেমন ছিল ভূলে গেছেন? আসুন হিসাব করি। যদি আপনি মাসে ১০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন।

আপনার এনার্জি বিল (ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া ছাড়া) প্রথম ৭৫ ইউনিট
(৭৫×৪.৮৫) = ৩৬৩.৭৫।
পরবর্তী ২৫ ইউনিট
(২৫×৬.৬৩) = ১৬৫.৭৫
মোট বিদ্যুৎ বিল = ৫২৯.৫০।

১০০ ইউনিট বিদ্যুৎ গড় উৎপাদন খরচ ১০০ ইউনিট (১০০×১৬) = ১৬০০ টাকা।

আপনি পরিশোধ করেছেন ৫২৯.৫০ টাকা। উৎপাদন খরচ - বিক্রি বাবদ প্রাপ্ত (১৬০০-৫২৯.৫০) = ১০৭০.৫০ টাকা লোকসান। সরকার মাসে আপনাকে ১০০ ইউনিট বিদ্যুৎ দিতে ১০৭০.৫০ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।

তাহলে আপনার জন্য সরকার বছরে ১২,৮৪৬.০০ টাকা ভর্তুকি দেয়। কারন আপনি এ দেশের নাগরিক। এই ভর্তুকি দিতে গিয়ে কয়লার বিল বাকী পড়ে।

★সরকার লক্ষ লক্ষ সেচ গ্রাহককে বিলের শতকরা ২০ টাকা রেয়াত দেয়। ৫০০০.০০ টাকা বিল হলে ১০০০.০০ টাকা মওকুফ ।

★সরকার যুদ্ধাহত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনা মূল্যে বিদ্যুৎ দেয়।

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ বহুবার চাপ সৃষ্টি করেও বিদ্যুৎ থেকে ভর্তুকি বন্ধ করতে পারে নাই।

ধন্যবাদ বাংলার সফল রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনা।।
প্রচারেঃ জার্মান বার্লিন আওয়ামী লীগ সভাপতি মাসুদুর রহমান

জনস্বার্থে বিজ্ঞাপনটি আবার প্রচার করা হোক।আবুল খায়ের এর এই বিজ্ঞাপনের কথা কারো মনে আছে?—সব গাছ কাইটা ফালাইতাসে। আমি ঔষধ ...
01/05/2023

জনস্বার্থে বিজ্ঞাপনটি আবার প্রচার করা হোক।
আবুল খায়ের এর এই বিজ্ঞাপনের কথা কারো মনে আছে?
—সব গাছ কাইটা ফালাইতাসে। আমি ঔষধ বানামু কি দিয়া?
* কি গো কবিরাজ, কি খোঁজতাসেন?
-- আইচ্চা, এইখানে একটা অর্জুন গাছ আছিলো না?
*আছিলো, কাইট্টা ফালাইছে।
-- এইখানে একটা শিশু গাছ আর ঐ মাথায় একটা হরতকী গাছ?
* আছিলো, কাইট্টা ফালাইছি।
-- আপনের গাছ?
* হ, টেকার দরকার পড়ছে তাই বিক্রি করছি।
-- গাছ লাগাইছিলো কে?
* আমার বাবায়।
-- আপনি কী লাগাইছেন?
-- আমি কী লাগাইছি?
* হ, ভবিষ্যতে আপনার পোলারও টেকার দরকার হইতে পারে...........
আবুল খায়েরের শেষ কথাটি ছিল: "এক একটা গাছ, এক একটা অক্সিজেনের ফ্যাক্টরী।" জনস্বার্থে বিজ্ঞাপনটি আবারো প্রচার করা হোক।

🙏 🌴 👍

১৭৫৭ সালে অপরিনামদর্শী সিরাজউদ্দৌলার পতনের আগ পর্যন্ত সুবা বাংলা ছিল গোটা দুনিয়ার মধ্যে ঐশ্বর্যশালী একটি দেশ। তখনকার অনে...
28/04/2023

১৭৫৭ সালে অপরিনামদর্শী সিরাজউদ্দৌলার পতনের আগ পর্যন্ত সুবা বাংলা ছিল গোটা দুনিয়ার মধ্যে ঐশ্বর্যশালী একটি দেশ। তখনকার অনেক ইউরোপিয়রা বলেছেন, বাংলার মানুষের প্লেটে কম করেও তিন ধরনের পদ বা খাবার থাকত। ঘি, মাখন খাওয়া তাদের জন্য সাধারণ বিষয় ছিল। তাদের গায়ে যে পোষাক ছিল তা ইউরোপিয়ানদের কাছে ভাবনারও অতীত। বাংলার পন্য নিয়ে বাংলার বণিকরা তখন পূর্বদেশ মানে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত পৌছে যেতো।

নবাবের পতনের পর তিন দফা নতুন নবাব প্রতিস্থাপনের পর মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও ওড়িশার খাজনা উঠানোর বিষয়টি মাত্র লাখ দেড়েক রূপিতে কিনে নেন রবার্ট ক্লাইভ। এরপর রবার্ট ক্লাইভ হিসাব করে দেখান, দেড় লাখ রূপি দেবার পরও কোম্পানির প্রায় ১৬ লাখ রূপি। বাস্তবে সেটি কোটি রূপিতে ছাড়িয়ে যায়।

তো, এরপর থেকে ফসলে, পন্য উদ্বৃত্ত একটি জনপদ রাতারাতি শশ্মান হয়ে যায়। সব থেকে বেশি সংকটে পড়ে ঢাকা। একটা বাণিজ্যিক শহর গোরস্তানে পরিণত হয় ব্রিটিশ অত্যাচারে। কোম্পানির হাতে রাজস্ব উত্তোলনের দায়িত্ব থাকায় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাত্রাতিরিক্ত রাজস্ব উত্তোলন শুরু হয়। বাংলা ১১৭৬ সাল আর ১৭৭০ ইংরেজি। সিরাজের পতনের মাত্র ১৩ বছরের মাথায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা যায়। সোনার বাংলা গোরস্থানে পরিণত হয়। এই দুর্ভিক্ষে ১ কোটি লোক মারা যায়। এটা দুনিয়ার নিকৃষ্টতম দুর্ভিক্ষ। দুর্ভিক্ষের কারণ ফসল উৎপাদন কম নয়, দুর্ভিক্ষের কারণ সে বছর মাত্রাতিরিক্ত খাজনা আদায়। যে বছর দুর্ভিক্ষ হলো তার আগের বছর আদায়কৃত রাজস্ব ছিল দেড় কোটি রূপি। আর যে বছর দুর্ভিক্ষ হলো সে বছর আগের বছরের তুলনায় ৫ লাখ ২২ হাজার রূপি বেশি আদায় হয়েছিল।

ঢাকার মসলিনের কদর ছিল আকাশ ছোঁয়া। ব্রিটেন থেকে কোম্পানি কলের তৈরি কাপড় আনলেও সেটা এখানে চলত না। তারপর তারা আমাদের তাঁতীতের হাতের আঙ্গুল পর্যন্ত কেটে দেয় যাতে তারা মসলিন বুনতে না পারে।

গোটা মুঘল আমলে সুবা বাংলা ১৯টি, পরে ৩৪টি ছোট ছোট নবাব ও রাজাদের অধীনে শাসন হয়েছে। সেই শাসনের বেশিরভাগ সময় মুঘল শাসনের বিষয়টি অনেক আলগা ছিল। বাংলা মুঘল শাসনের অধীনে ছিল ২৩০ বছর। এই ২৩০ বছরে বাংলায় দুর্ভিক্ষ হয়নি। ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে মীর কাশিম হেরে যাবার পর দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশার দেওয়ানী কিনে নেয় কোম্পানি। এরপর মাত্র ৬ বছরের মাথায় ১৭৭০ সালে বা বাংলা ১১৭৬ সনে দুর্ভিক্ষ হয় যাতে মারা যায় ১ কোটি মানুষ। এটা নির্মম, ভয়াবহ উপনিবেশিক শোষনের ফল।

কোম্পানির শাসন ও ব্রিটেনের শাসনের মধ্যে কত লোককে তারা জোরপূর্ব দাস বানিয়েছে সেই হিসাব নতুন করে আমাদের নেয়া দরকার।
১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ সময়ের দিকে যে দুর্ভিক্ষ হয় তাতে বাংলার ৩০ লক্ষ লোক না খেয়ে মারা যায়। এই দুর্ভিক্ষ কিন্তু ফসল উৎপাদন কম হয়েছিল সে কারণে না,বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাংলা থেকে সব খাদ্য শস্য ব্রিটেনে নিয়ে মজুদ করা হচ্ছিল। যুদ্ধে যেখানে মাত্র ৪০ হাজার ব্রিটিশ সৈন্য লড়ছিল সেখানে ভারতীয় সৈন্য ছিল প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার। ভারতীয়রা মরেছেও যুদ্ধের ময়দানে অকাতরে।

দুর্ভিক্ষের অশনি সংকেত বেজে উঠার আগে বিষয়টি তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী চার্চিলকে জানানো হয়েছিল, তখন রাজা ছিলেন ষষ্ট জর্জ, মানে দ্বিতীয় এলিজাবেথের বাবা। চার্চিল নিকৃষ্ট উত্তর দিয়েছিল।
একটা সোনার দেশকে মৃতপুরি বানালো যে ব্রিটেন, ব্রিটেন উপনিবেশবাদ, তারই প্রতিকী চিহ্ন বহন করতেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।
দ্বিতীয় এলিজাবেথ মারা গেছেন। পরিণত বয়সেই মারা গেছেন। যে কোনো মৃত্যুই বেদনাদায়ক। কিন্তু রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে পূর্ববঙ্গের মানুষের শোকটা তার রক্তের সাথে বেঈমানি। বাহাদুর শাহ পার্ক নামে ঢাকায় একটা পার্ক আছে। ওখানে ১৮৫৭ সালে ভারতের প্রথম স্বাধীনতাকার্মী বিপ্লবীদের লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।সিরাজউদ্দৌলার লাশ শহরে টেনে হিঁচড়ে নেয়া হয়েছিল।

আমি ইতিহাসের ছাত্র। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ডকুমেন্ট নাড়াচাড়া করলে অপ্রকৃস্থ হয়ে যাই। ব্রিটিশ শোষণ থেকে মুক্তির জন্য অকাতরে জীবন দিয়েছেন তরুন যুব শ্রমিক কৃষক। সেই বিপ্লবীদের বড় অংশ বাংলাদেশের। আমাদের পূর্বপুরুষ তাদের জীবন বাজি রেখে,ভয়াবহ ইন্টারোগেশনের সামনে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছে। আর আমরা আজ সেই ঔপনিবেশিক শোষনের চিহ্নের জন্য কাঁদছি। কী ভয়াবহ! কি বিশ্বাসঘাতকতা।

আন্দামানের জেলগুলোতে থাকা আমাদের বিপ্লবীদের দীর্ঘশ্বাস বাংলাদেশের আকাশে মেঘ হয়ে আসুক।

(সংগৃহীত)

26/11/2022

S.M Convention Hall and party center, A large venue built by modern architecture is now available to be booked for any type of party, marriage ceremony, meetings according to meet your expectations with precision and flexible booking experience.

To book now..

01711324505
01712199751
01711314436
Address: Cumilla Victoria Degree College Road , Dharmapur , Cumilla

Thank you & Stay with us❤️

Adresse

Rechlin, Mecklenburg-Vorpommern
Rechlin
17248

Webseite

Benachrichtigungen

Lassen Sie sich von uns eine E-Mail senden und seien Sie der erste der Neuigkeiten und Aktionen von Zahidur rahman erfährt. Ihre E-Mail-Adresse wird nicht für andere Zwecke verwendet und Sie können sich jederzeit abmelden.

Teilen

Kategorie