12/17/2020
চিকেন প্যাটিস সমাচার
৭২ বছর বয়সী এক প্রৌড় দেশ-বিদেশ ঘুরেছেন চাকরির সুবাদে। দীর্ঘ্য সময় পরিবার থেকে দূরে থেকেছেন অর্থের সন্ধানে। নিজের আহার নিজেই তৈরি করেছেন-এমনটা খুব কমই হয়েছে সময়ের অভাবে। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হয়েছে বাঁচার তাগিদে। এখন তিনি দেশেই অবস্থান করছেন অবসর গ্রহণের পর। জ্ঞান হওয়ার পর তিনি তাঁর জীবনে এই প্রথম দ্বিতীয়বারের মতো স্বাদ গ্রহণ করলেন এমন এক অসাধারণ খাদ্যের যা তিনি প্রায় ৪০ বছর আগে একবারই স্বাদ গ্রহণ করেছিলেন মতিঝিলে অবস্থিত তারকাখচিত কোন রেস্তোরাঁয়। আর হ্যাঁ, তিনি আমাদের এই The BlissyFeed – এর “চিকেন প্যাটিসের” কথাই বলেছেন অকপটে। তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না সেই অসাধারণ স্বাদের প্যাটিস এখনও কেউ তৈরি করতে পারে! যা কি না মুখে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর রসালোতায় ও মধুরতায় নিজেকেই হারিয়ে ফেলে ভোজনানন্দে।
মধ্যবয়সী এক চাকুরীজীবী বলেই বসলেনঃ “সামর্থ থাকলে একটা দোকান দিতাম ও আপনাদের চিকেন প্যাটিস বিক্রি করতাম দ্বিগুণ দামে।“ “কী খেলাম! কী খেলাম! আহা! Excellent” – অনবরত বলেই চললেন যতক্ষণ ফোনে কথা হচ্ছিল তাঁর সংঙ্গে।
আরেক চাকুরীজীবী নিজের ও তাঁর পরিবারের সকলের অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেন এইভাবেঃ “ভাই, পরিবারের আবালবৃদ্ধবনিতা ফিদা (হিন্দি ভাষা, যার অর্থ প্রচন্ড আকর্ষণ/ভালো লাগা/ভালোবাসা) হয়ে গেছে আপনাদের এই চিকেন প্যাটিসের। কবে, কোথায়, কখন এই স্বাদের প্যাটিস খেয়েছি, মনে পড়ছে না। তবে চিন্তা নেই, আপনাদের সন্ধান তো পেয়েছি!”
জনৈক গৃহিণী অসাধারণ এই প্যাটিসের স্বাদ গ্রহণের নিমিত্তে দ্বিতীয় দফায় কার্যাদেশ পেশ করতঃ প্যাটিস হাতে পান (প্রথম দফায় অন্যান্য কাজের ব্যস্ততায় তাকে দেয়া যায় নি) সরবরাহকারীর মাধ্যমে। প্যাটিসের স্বাদ গ্রহণের পরপরই তিনি বার্তা প্রেরণ করেন, যা এইরূপঃ “চিকেন প্যাটিস অনেক অনেক অন্নেকককক বেশি মজা হয়েছে, পরিবারের সব্বাই অনেক পছন্দ করেছে। ভবিষ্যতে আবার কার্যাদেশ দিয়ে আমাদের ব্যস্ত রাখব ও জ্বালাতন করব (এই জ্বালা ভালোবাসার জ্বালা-পজিটিভ সেন্সে)।“
The BlissyFeed Team সর্বদা চেষ্টা করছে স্বল্পপরিসরে নির্ধারিত প্রতিটি খাদ্যের সঠিক স্বাদ, ওজন ও গুণগত মান ঠিক রেখে প্রত্যেক ভোজনরসিকের কাছে ব্যতিক্রম কিছু খাবার পৌঁছে দিতে। তাই আমাদের মতো আপনিও যদি ব্যতিক্রম ভালোবাসেন, তবে অবশ্যই The BlissyFeed - এর সঙ্গে থাকুন।