19/10/2025
আবু তোহা আদনান ভাই ও তাঁর স্ত্রী সম্পর্কে অনেক কথা-বার্তা হচ্ছে।
মুসলিম শরীফের ৭২৮৪ নম্বর হাদীস অনুযায়ী, ইবলিস সবচেয়ে বেশি খুশি হয় যখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। শয়তান সেই জায়গাতেই আঘাত করেছে। বিশেষ করে তাঁদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এই সমস্ত সম্ভাবনাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে নষ্ট হয়ে যায়, যখন বাবা-মায়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে।
অন্যদিকে, প্রয়োজনে একাধিক বিবাহ যদিও জায়েয, তবে এটা একটা আমল। এরকম আরও শত শত সুন্নত রয়েছে যেগুলো আমরা পালন করি না।
তাছাড়া, রাসূল ﷺ তাঁর প্রথম স্ত্রী খাদিজা (রা.) জীবিত থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় কোনো বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হননি।
আবার রাসূল ﷺ–এর প্রথম বিবাহ ছিল আম্মাজান হযরত খাদিজা (রা.)-এর সঙ্গে, যিনি একজন বিধবা মহিলা ছিলেন। অথচ আমরা কেউ এই সুন্নতের উপর আমল করি না।
আশরাফ আলী থানভী (রহ.)-এর দুই স্ত্রী ছিলেন। তিনি এত ইনসাফ করতেন যে, কেউ একটি তরমুজ আনলেও সেটি সমান দুই ভাগ করে দুই ঘরে পাঠাতেন। এরপর তিনি বলে গেছেন— “সবাই আমার জীবন থেকে চাইলে রাসূল (স.) এর বিভিন্ন আমল গ্রহণ করতে পারো, কিন্তু দুই বিয়ের এই সুন্নত ভুলেও কেউ গ্রহণ করো না। ”
আমাদের হযরত আবু তাহের মেসবাহ (হাফি.) (আদিব) হুজুরকে কিছু সাথী ব্যাক্তিগতভাবে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “দুই বিয়ে সম্পর্কে আপনার মতামত কী?” তিনি ফতোয়া হিসেবে নয়, বরং গুরুত্ব বোঝাতে বলেন, “আমি তো মনে করি, দায়ীদের জন্য দুই বিয়ে করা হারামের মতো।” অর্থাৎ, যাদেরকে শত শত মানুষ অনুসরন করে, তাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ এই কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। যেটা আমরা বিগত বছরগুলোতে দেখেছি।
আমাদের পরিচিত একজন বড় আলেমের একাধিক স্ত্রী রয়েছে। তাঁকে একাধিক বিয়ে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বলেন— “যুদ্ধের ময়দানে না গিয়েও কেউ যদি জিহাদের কষ্ট ও সবরের স্বাদ পেতে চায়, তবে তার জন্য দুই বিবাহই যথেষ্ট।”