13/06/2026
মতামত চাই? আজকে আমি ঢাকা থেকে বগুড়ায় ফিরছিলাম ।বাড়ির কাছে চলে আসার জন্য তেমন কিছু খাই না । শরীরটা খুব চড়া লাগছিল। তাই একটা জলের বোতল নিলাম সামনে মিষ্টি দেখে মনে হলো একটা মিষ্টি খেয়ে জল খাই। দাম জিজ্ঞাসা করলাম ওখানে লেখা ছিল ৬০০ টাকা কেজি। বরাবর রেস্টুরেন্টে গেলে আসলে দামাদামি কোন ব্যাপার থাকে না। তারা যেমন চায় সেটাই দিতে হয় জানি এবং মানি। আজকে একটা বিষয় একটু খারাপ লাগলো । যদি মনে করা হয় এক কেজিতে ১৭ টা পিছ হয়। তাহলে একটা মিষ্টির দাম ৩৫ টাকা হয়, কিন্তু তারা একটা মিষ্টির দাম বলল ষাট টাকা। আমি নিয়ে খেয়ে ফেলি পরে হিসেব করে দেখি একটা মিষ্টির দাম তো ৩৫ টাকা হয় এখানে না হয় ৪০ টাকা নিতে পারতো। তাই বলে ডবল দামে বিক্রি। আমার কাছে বিষয়টা খারাপ লাগলো । আমি দোকানে গিয়ে বললাম আপনাদের একটা মিষ্টি ৩৫ টাকা পিচ পরে সেখানে আপনারা ৬০ টাকা নিচ্ছেন? এটা কি ঠিক হচ্ছে? উনি বললেন আমাদের মেমো করা আছে, দেখেন আমরা এভাবে বিক্রি করি। আমার কিছু বলার ছিল না খালি মনে হল আমরা ছোট উদ্যোক্তারা দশ টাকা লাভ করতে হলেও কাস্টমারের কাছে জবাবদিহিতার সঙ্গে মোকাবেলা করি। আমাদের সবসময়ই প্রাধান্য থাকে প্রোডাক্টের মান ভালো রেখে শুধু আমাদের পরিশ্রমের দামটা নির্ধারণ করা। তাহলে এত বিভেদ কেন? আমাদের দেশের মানুষের চিন্তা ধারা বদলাবে কবে।অন্যকে ঠকিয়ে নিজে ভালো থাকা য়ায়?