Shimla Dutta

Shimla Dutta নববিধা (ভক্তি) মধ্যে শ্রেষ্ঠ নাম সংকীর্তন!!
নিরপরাধে লইলে নাম পাই প্রেম ধন!! (শ্রী চৈতন্য চরিতাম

জয় শ্রী কৃষ্ণ🌿🥰🙏🏻
05/09/2024

জয় শ্রী কৃষ্ণ🌿🥰🙏🏻

শ্ৰীকৃষ্ণের বয়স যখন কেবল সাত বছর তখন তিনি গোবর্ধন পর্বতকে উৎপাটিত করে এক হাতে সাতদিন ব্যাঙের ছাতার মতো ধারণ করেছিলেন । ...
30/08/2024

শ্ৰীকৃষ্ণের বয়স যখন কেবল সাত বছর তখন তিনি গোবর্ধন পর্বতকে উৎপাটিত করে এক হাতে সাতদিন ব্যাঙের ছাতার মতো ধারণ করেছিলেন । তিনি তা করেছিলেন ইন্দ্রের উদ্দেশ্যে যজ্ঞ না করার কোপ থেকে বৃন্দাবনের পশু এবং অধিবাসীদের রক্ষা করার জন্য ।
প্রকৃতপক্ষে , যারা পরমেশ্বর ভগবানের সেবায় যুক্ত তাদের দেবতাদের উদ্দেশ্যে যজ্ঞ করার কোন আবশ্যকতা থাকে না । বৈদিক শাস্ত্ৰে দেবতাদের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য যে যজ্ঞ করার নিৰ্দেশ দেওয়া হয়েছে তার উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষদের উচ্চতর অধিকারীদের অস্তিত্ব স্বীকার করতে অনুপ্রাণিত করা । দেবতারা হচ্ছেন জড় জগতের বিভিন্ন বিভাগ নিয়ন্ত্ৰণ করার ব্যাপারে ভগবান কতৃক নিযুক্ত অধিকারী।

শ্ৰীমদ্ভগবদগীতায় ভগবান বলেছেন যে দেবতাদের পূজা করা পরোক্ষভাবে পরমেশ্বর ভগবানের পূজা করার পন্থা যা অবিধি পুর্বক । কিন্তু কেউ যখন সরাসরিভাবে ভগবানের সেবায় নিযুক্ত হন , তখন তার দেবতাদের পূজা করার অথবা তাদের উদ্দেশ্যে যজ্ঞ অনুষ্ঠান করার আর কোন প্রয়োজন থাকে না। তাই শ্ৰীকৃষ্ণ ব্ৰজভূমির অধিবাসীদের উপদেশ দিয়েছিলেন দেবরাজ ইন্দ্রের উদ্দেশ্যে যজ্ঞ না করতে।

কিন্তু ব্ৰজের শ্ৰীকৃষ্ণের প্রকৃত পরিচয় না জেনে ইন্দ্ৰ ব্ৰজবাসীদের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়ে সেই অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার আয়োজন করেন । কিন্তু সর্বশক্তিমান ভগবান তার স্বীয় শক্তির প্রভাবে ব্ৰজবাসীদের এবং ব্ৰজপশুদের রক্ষা করে প্রমাণ করেন যে যারা ভক্তরুপে তার সেবায় যুক্ত তাদের দেবদেবীর সন্তুষ্টি বিধানের কোন প্ৰয়োজন থাকে না , এমন কি ব্ৰহ্মা অথবা শিবের মতো শক্তিশালী দেবতাদেরও নয় । এইভাবে নিঃসন্দেহে প্ৰমাণিত হয় যে শ্ৰীকৃষ্ণ হচ্ছেন পরমেশ্বর ভগবান।। হরেকৃষ্ণ।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।। জয় সনাতন ধর্ম।।

জগতের নাথ হলেন জগন্নাথ আজ আমি আপনাদের জগন্নাথ সম্পর্কে কিছু কথা বলব। আপনি কী জানেন কৃষ্ণের শরীর থেকেই জগন্নাথ দেবের মূর্...
06/07/2024

জগতের নাথ হলেন জগন্নাথ আজ আমি আপনাদের জগন্নাথ সম্পর্কে কিছু কথা বলব। আপনি কী জানেন কৃষ্ণের শরীর থেকেই জগন্নাথ দেবের মূর্তি নির্মিত হয়েছে। অনেকেই হয়তো জানেন না সেই ঘটনায় আজকে বলবো।
জগন্নাথ দেব সম্পর্কে বলা হয় যে- “স্বরথেতে জগন্নাথ যে করে দর্শন/পুনঃ ভবে নাই তার জনমগ্রহণ।” অর্থাৎ যিনি জগন্নাথ কে রথে অবস্থানরত অবস্থায় দর্শন করেন তার আর পুনর্জন্ম হয় না। বিষ্ণুভক্ত ইন্দ্রদুম্নের পুজো গ্রহণ করতে নারায়ণ জগন্নাথদেব রূপে অবতীর্ণ হন।
ভক্তরা আকুল কন্ঠে শুদ্ধমনে তাকে ডাকলে তিনি পরিত্রান করে থাকেন।

প্রভাস খন্ড ছাড়াও নানা রকম শাস্ত্র পুরানাদিতে বলা হয়েছে যে- শ্রীকৃষ্ণ দেহ রাখলে তার দেহ দাহ করার ব্যবস্থা করা হয় কিন্তু ছয়দিন পরে ও আগুনে ভগবানের শরীর এতটুকু ও পোড়েনি তখন দৈববাণী হয় “এই পবিত্র দেহ সমুদ্রে বিসর্জন দাও”এইদেহ শতবছর ভাসতে ভাসতে কাঠে পরিণত হলে তা থেকেই জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার বিগ্রহ তৈরি হয়।হিন্দুদের চারধামের মধ্যে একধাম পুরী।আর পুরীতেই জগন্নাথের প্রধান মন্দির।যিনি সমাজের হাল ধরেন যিনি স্বভাবতই ভক্তবত্সল দীন হীন কে রক্ষা করেন তিনি জগন্নাথ। আপনি যদি শুদ্ধ চিত্তে তাকে ডাকেন তিনি অবশ্যই সাড়া দেন।
হরিবোল।।

সাধুসঙ্গে এত আনন্দ সত্যি ধন্য জীবন  কারো অনেক টাকা ছিল--কারো সুন্দর চেয়ারা।।শরীরটা মাটি হয়ে যাবার পর এগুলো কেউ মনে রাখবে...
02/05/2024

সাধুসঙ্গে এত আনন্দ সত্যি ধন্য জীবন

কারো অনেক টাকা ছিল--কারো সুন্দর চেয়ারা।।

শরীরটা মাটি হয়ে যাবার পর এগুলো কেউ মনে রাখবে না।।

মনে রাখবে আপনার কর্ম--আপনি কি করে গেছেন সেটা।।

চেয়ারা বা সম্পদ আজ আছে তো কাল নেই--কিন্তু কর্ম থেকে যাবে আপনার অনন্তকাল।।

আপনার উপার্জিত একটা টাকাও আপনি সাথে নিয়ে যেতে পারবেননা।।

একমাত্র সাথে যাবে মধুমাখা হরি নাম।

তাই দেহটা মাটি হবার আগে মধুমাখা কৃষ্ণ নামটি স্মরণ করুন।।
হরে কৃষ্ণ

একটা কারাগারে সবাই আসামী হয়ে আসে ব্যাপারটা ঠিক এরকম নয়। তেমনি এই জড়জগতের কারাগারে সবাই যে পাপকর্ম কিংবা শাস্তিভোগ করতে এ...
20/03/2024

একটা কারাগারে সবাই আসামী হয়ে আসে ব্যাপারটা ঠিক এরকম নয়। তেমনি এই জড়জগতের কারাগারে সবাই যে পাপকর্ম কিংবা শাস্তিভোগ করতে এসেছে সেটাও কিন্তু ঠিক নয়। বিষয়টা আরো ক্লিয়ার করে বলতে গেলে, কারাগারের সবাই কী কয়েদী? কখনোই নয়! সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীরা থাকেন, কেউবা আবার দেহরক্ষী হিসেবে আছেন (যারা আসামীদের গার্ড করছেন), অনেকেই আবার কারাগারে পরিষ্কার করতে আসেন, অনেকেই আসেন রান্না করতে!

মানে সবাই যে কারাগারের আসামী সেটা বলা একদম মূর্খামী। যিনি সেখানে রান্না করতে আসছে তাঁকে কী বন্দি করে রাখা হয়েছে? যে আসামীদের পাহাড়া দিচ্ছে সে কী কারারুদ্ধ? যে কারাগারে জব করছে সে কী কষ্ট ভোগ করছে? এককথায় সবগুলোরই সিম্পল উত্তর- না!

ঠিক তেমনি সদ্গুরুদেবরা, উন্নত ভক্ত, আচার্যরা - তাঁরা প্রত্যেকজন এই শ্রেণীর, যারা আসামীদের পাহাড়া দিচ্ছে! তাঁদের সংরক্ষণ এবং দেখাশোনা করছেন। আবার দেখুন, উনারা কিন্তু সেখানে শাস্তিভোগ করছে না এমনকী তাঁরা নিজে থেকেই এখানে আসেননি কিন্তু, তাঁদেরকে ভগবান স্বয়ং পাঠিয়েছেন আসামীদের দেখাশোনা করার জন্য, তাঁদেরকে এখান থেকে কীভাবে মুক্ত করা যায় সেই পন্থাটি দেওয়ার জন্য।

কারাগারের দেহরক্ষীরা কী এমনিতেই কাজ করতে পারে? অবশ্যই না! সরকার স্বয়ং তাঁদেরকে নিয়োগ দেন একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। অন্যদিকে দেখুন, আসামীদের কিন্তু নিয়োগ দিয়ে জেলে ঢুকায় না! তাঁরা তাদের পাপকার্যের জন্য জেলে ঢুকে এবং তাঁদেরকে কিন্তু শাস্তি দেওয়া হয়, যা নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সেটা কখনোই করা হয় না।

তাই আমরা হচ্ছি কারাগারের আসামী, আর গুরুদেব হচ্ছেন সেটার দ্বাররক্ষী, তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণ-কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত এবং একটা সময় তাঁকে আবার ভগবানের আদেশেই এখান থেকে অবসর নিয়ে গোলক বৃন্দাবনে প্রত্যাবর্তন করবেন, এটাই হচ্ছে পন্থা! কিন্তু আসামীদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সেরকম নয়, তাঁরা যদি কেবলমাত্র যথাযথ নিয়ম মেইনটেইন করে চলে, তবেই সে এখান থেকে ছাড়া পেতে পারে।

তাই এ জগতে আমরা সবাই একসাথে আছি বলেই, সবাই একই উদ্দ্যশ্যের কারণে এখানে এসেছি ব্যাপারটা তা নয়। যদিও সবাই একই কারাগারের ভিতরে আছেন, তথাপি গুরুদেব, আচার্যরা হচ্ছেন সেই কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী। তাঁরা আমাদের শিখান এবং অবগত করেন যে, কীভাবে আমরা এখান থেকে মুক্তিলাভ করতে পারি।

তাই আমরা যদি প্রকৃত বুদ্ধিমান হয়েই থাকি, তবে অক্ষরে অক্ষরে যেন গুরুদেবের কথা মান্য করি। আর তাহলেই খুব শীঘ্রই আমরা এই দুঃখালয় জগত থেকে বিদায় নিয়ে অন্তিমে ভগবানের চিন্ময়ধাম গোলক বৃন্দাবনে প্রবেশ করবো।

🙏🙏জয় শ্রী কৃষ্ণ🙏🙏

🔴আমাদের জীবনের প্রধান চারটি সমস্যা ও সমাধানঃ-⚫১.  #জন্মঃ- যদি জন্মই না হয় তাহলে আর অন্য দূঃখ কিভাবে হবে? তাই এটাই প্রধা...
24/02/2024

🔴আমাদের জীবনের প্রধান চারটি সমস্যা ও সমাধানঃ-
⚫১. #জন্মঃ- যদি জন্মই না হয় তাহলে আর অন্য দূঃখ কিভাবে হবে? তাই এটাই প্রধান সমস্যা।

🔴২. #মৃত্যুঃ- আমরা মরতে চাই না, তবুও মৃত্যু আসে।

⚫৩. #জরাঃ- আর বৃদ্ধ হতে কেউই চাই না। সারা জীবন যুবক-যুবতী থাকবো। তা কি হয়?

🔴৪. #ব্যাধিঃ- রোগাক্রান্ত হতে কেউ চাই না, কিন্তু হয়।


আপনি যতদিন না জন্ম-মৃত্যু চক্র থেকে উদ্ধার পাচ্ছেন, ততদিন রোগ, শোক, জড়া, ব্যাধি এগুলো আসবে - যাবে। পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলে গেছেন-

🌿🌼"দূঃখালয়ম্ অশ্বাশ্বতম"

এই পৃথিবীটা দূঃখের জায়গা ও কিছু সময়ের জন্য যাওয়া আসা মাত্র। তাহলে এগুলো থাকবে না কোথায়?

আমরা সারাজীবন যা কর্ম করছি, তার পূণ্যের ফলে স্বর্গলাভ এবং পাপ কর্মের যাতনা ভোগের জন্য নরকবাস করার পরে আবার এই পৃথিবীতে ৮৪ লক্ষ জীবের কোন একরূপে জন্ম নিতে হবে। এই জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি পেয়ে যেখানে গেলে আর জন্ম নিতে হবে না সেই কৃষ্ণলোক বা গোলক বৃন্দাবনে যাওয়ার জন্যেই ভক্তিপথ। আমাদের পাপ ও পূণ্য উভয় থেকে মুক্তি পেতে হবে, তবেই আমরা মুক্তিলাভ করে ভগবদ্ধামে প্রত্যাবর্তন করতে পারব।

🌼 হরে কৃষ্ণ 🌼 হরে কৃষ্ণ 🌼 কৃষ্ণ কৃষ্ণ 🌼 হরে হরে 🌼
🌼 হরে রাম 🌼 হরে রাম 🌼 রাম রাম 🌼 হরে হরে 🌼

এই মহামন্ত্র জপ করলে আমরা পাপ ও পূণ্য উভয় থেকে মুক্তি পেয়ে জন্ম ও মৃত্যু থেকে অব্যাহতি পেয়ে চিন্ময় ধামে প্রত্যাবর্তন করতে পারব।

______________হরে কৃষ্ণ🌼🌿

🌸 আমরা সংসারের  ত্রিতাপ জ্বালায় কেনো দগ্ধ হই?* সনাতন গোস্বামী একবার মহাপ্রভু কে প্রশ্ন করেছিলেন,,প্রভু?-কে আমি, কেনো মোর...
21/02/2024

🌸 আমরা সংসারের ত্রিতাপ জ্বালায় কেনো দগ্ধ হই?

* সনাতন গোস্বামী একবার মহাপ্রভু কে প্রশ্ন করেছিলেন,,
প্রভু?-
কে আমি, কেনো মোরে,
যারে তাপত্রয়।
ইহা নাহি জানি প্রভু
কৈছে হিত হয়?

অর্থাৎ সনাতন গোস্বামী জিগ্যেস করলেন, প্রভু আমি কে?
আর কেনোই আমাকে ত্রিতাপ জ্বালায় জ্বালানো হচ্ছে?
আর আমার হিত ই বা হবে কিসে?

🌸তখন মহাপ্রভু উত্তর দিলেন,,

"জীব নিত্য কৃষ্ণ দাস
ইহা ভুলি গেলা।
তে কারণে মায়া পিশাচি
গলায় বান্ধিলা।
ধরিতে ধরিতে
যদি সাধু বৈদ্য পায়
কৃষ্ণ নাম মন্ত্রে, মায়া পিশাচি পালায়।

🙏হরে কৃষ্ণ 🙏

মানুষ নিজের চেষ্টায় ঈশ্বরকে লাভ করতে পারে না, ভগবানের শুদ্ধ ভক্তের মাধ্যমেই কেবল তা সম্ভব । তাই বৈষ্ণব আচারের প্রথম কাৰ...
20/02/2024

মানুষ নিজের চেষ্টায় ঈশ্বরকে লাভ করতে পারে না, ভগবানের শুদ্ধ ভক্তের মাধ্যমেই কেবল তা সম্ভব । তাই বৈষ্ণব আচারের প্রথম কাৰ্য হচ্ছে , ভগবানের কোন শুদ্ধ ভক্তকে গুরুরুপে বরণ করে তারপর তার আদেশ উপদেশ পালন করা।

পদ্ম-পুরাণে বৈষ্ণব সেবার মহিমা কীৰ্তন করে একটি সুন্দর ব্যাখা দেওয়া হয়েছে । সেই বৰ্ণনায় দেবাদিদেব মহাদেব পাৰ্বতীকে বলেন, ''হে দেবী! সমস্ত আরাধনার মধ্যে ভগবানের আরাধনা সৰ্বোত্তম । কিন্তু ভগবদ্ভক্তের আরাধনা তার থেকেও বড়''।
শ্ৰীমদ্ভাগবতে ( ৩ / ৭ / ১৯ ) ভাগবত বক্তা বলেছেন যে, “ অমি কেবল ভগবদ্ভক্তের নিষ্কপট দাস হবার আকাংক্ষা করি , কেননা তাদের সেবা করার ফলে ভগবানের চরণারবিন্দে শুদ্ধ ভক্তি অনায়াসে লাভ করা যায় । ভক্তসেবার ফলে সব রকম জড়জাগতিক ক্লেশ বিনষ্ট হয় এবং পরমেশ্বর ভগবানের প্রতি ঐকান্তিক ভক্তি লাভ করা যায়''।
স্কন্দ - পুরাণে বলা হয়েছে , “ যে সমস্ত মানুষ তাদের শরীর তিলকে দ্বারা ভূষিত করেন এবং শঙ্খ , চক্ৰ , গদা ও পদ্মের চিহ্ন ধারণ করেন । মাথায় তুলসীপত্ৰ ধারণ করেন এবং শরীরের দ্বাদশ অঙ্গ গোপীচন্দনের দ্বারা ভুষিত করেন — তাদের একবার মাত্ৰ দৰ্শন করলে সব রকমের পাপ থেকে মুক্ত হওয়া যায়''।
''দর্শনে পবিত্র কর এই তোমার গুন'' নরোত্তম দাস ঠাকুর ভগবদ্ভক্তের মহিমা এইবলে কীর্তন করেছেন।
তাই ভগবদ্ভক্তের দর্শন , তার শ্ৰীপাদপদ্ম স্পর্শন অথবা তাকে বসবার জন্য আসন দান করলে , সব রকমের পাপ থেকে মুক্ত হওয়া যায় , সেই সম্বন্ধে কোন সন্দেহ নেই।
সনাতনধর্ম ও সনাতনপ্রথা অনুযায়ী সর্ব্বশ্রেষ্ঠ ঋষি মুনিগন ও আধ্যাত্মবাদীগন বৈষ্ণব সেবা ও সাধুসঙ্গ করে গেছেন এবং সর্বকালের ভগবৎভক্ত মহান আচাৰ্যরা এই বৈষ্ণব আচার স্বীকার করে গেছেন।। হরেকৃষ্ণ।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।। জয় সনাতন ধর্ম।।

👉🏻পৃথিবী অদ্ভুত একটা জায়গা, বড় বিচিত্রময়। ভালো কর্ম করলে অনেকের সমস্যা। আবার খারাপ করলেও সমস্যা। পৃথিবীর এত রং অথচ সবাই ...
16/02/2024

👉🏻পৃথিবী অদ্ভুত একটা জায়গা, বড় বিচিত্রময়। ভালো কর্ম করলে অনেকের সমস্যা। আবার খারাপ করলেও সমস্যা। পৃথিবীর এত রং অথচ সবাই সবার মতন নয়। কেউ বুদ্ধি-শ্রম দিয়ে তৈরি করে আর অন্য কেউ সেটা উপভোগ করে । তাই সব দায়িত্ব সবার জন্য নয়। তাই পৃথিবীতে সব মানুষের কর্ম আলাদা আলাদা।
কেউ ধাৰ্মিক হলেই জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি লাভ হবে , তা একটি ভুল ধারণা । এ জগতের প্রত্যেকেই প্রতিনিয়ত দুঃখের সমুক্ষীন হয় । যেমন, জনগণের কৰ্মফল স্বরুপ দেশে যেকোনো মুহূর্তে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিতে পারে । যেকোনো মুহূর্তে গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারে। মুনষ্যঘাতী ভাইরাস আক্রমন করতে পারে অথবা প্ৰকৃতির গুণগুলো আমাদের অধৰ্মের পথে চালিত করতে পারে এবং আমরা মৃত্যুর পর নীচকুল স্থাবর, জঙ্গলে জন্মলাভ করতে পারি।
আমরা অনেক বৃক্ষরোপণ করেছি , অনেক পুকুর খনন করেছি, বাড়ী অফিস করেছি তবুও এগুলি পরবর্তী জীবনের উত্তম অবস্থান সুনিশ্চিত করে না । সবই কালের প্রভাবে ভেস্তে যায় ।
কলিযুগ খুব ভয়ংকর সময়। এমনকি কেউ যদি ধৰ্ম আচরণ করে নিজেকে স্বৰ্গ লোকেও উন্নীত করে তবুও তা নিত্য নয়। যিনি স্বৰ্গলাভ সুখভোগ করবেন তাকেও আবার এই জড় জগতে ফিরে আসতে হবে।
তাই প্ৰত্যেকেরই উচিত নিজ কৰ্তব্য হিসেবে কৃষ্ণভাবনামৃত গ্ৰহণ করে জীবনের প্ৰকৃত লক্ষ্যে পোঁছা । বিশেষভাবে গৃহস্থদের নিজ ক্ষমতা, জ্ঞান দিয়ে পরবর্তী জীবনের দায়িত্ব পালন করতে হয়।

বর্তমান সমাজ এতটাই জটিল যে মানুষ এর সাথে সরল সমন্বয় করতে অসমৰ্থ হয় । একজন ভক্তকে জড়জগৎ এবং আধ্যাতিক জগতের সাথে মানিয়ে চলতে হয় । তাকে কৃষ্ণভাবনাময় থাকার পাশাপাশি তার কৰ্তব্য সম্পাদন করতে হয় ।
কলিযুগে হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্ৰ জপ কীর্তন অত্যন্ত সরল ও মাহাত্ম্যপূৰ্ণ । তাই কৃষ্ণভক্ত পাপমুক্ত হয়ে কৃষ্ণপ্ৰেম লাভ করেন।। হরেকৃষ্ণ।।
।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।।
।। জয় সনাতন ধর্ম।।

ঈশ্বর লাভের জন্য যেই গুনাবলীর অতি প্রয়োজনীয়!প্রথমেই ধর্ম নির্বাহ করতে হবে! এবং তার নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে!ধর্ম নির্বাহ ক...
16/02/2024

ঈশ্বর লাভের জন্য যেই গুনাবলীর অতি প্রয়োজনীয়!
প্রথমেই ধর্ম নির্বাহ করতে হবে! এবং তার নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে!
ধর্ম নির্বাহ করার জন্য ধর্মের শক্তি বা আধার গুলো প্রাপ্ত করতে হবে.. ধর্মের আধার গুলো হচ্ছে!!
জ্ঞান⇨প্রেম⇨ন্যায়⇨সর্মপন⇨ধৈর্য
জ্ঞানঃ- জ্ঞান ধর্মের প্রথম ধাপ!! ধর্মকে ধারন করার জন্য ধর্মীয় জ্ঞান প্রাপ্ত করতে হবে. পরমাত্নার সৃষ্টি ও সৃষ্ট ভাল মন্দ উচিত অনুচিত বিচার করা!
প্রেমঃ- প্রেম হচ্ছে ধর্মের মহৎ গুন.. ঈশ্বরের সৃষ্ট সকল জীবের প্রতি ভালবাসা!
জীব বলতে কেবল মানুষ নয় সকল প্রাণির প্রতি বুঝানো হয়েছে.. কিন্তু আমরা কি করি একটা কুকুর বা বিড়াল দেখলে পিটিয়ে তাড়িয়ে দেই.! এটা কি ঠিক করছি? ঈশ্বর মানুষকে সর্বাপেক্ষা অধিক ক্ষমতা দিয়েছে! ধরুণ, আমরা সংসারের সুখ ভোগ করে যাচ্ছি. নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করছি. পুজা প্রার্থনা করছি . কিন্তু এই প্রানিগুলো কিছুই পায় না. মানুষের ধারে পড়ে থাকে কেবল খাবারের জন্য. ঈশ্বর আমাদের ও কুকুর বিড়াল করে পাঠাতে পারত. কিন্তু কর্মফলের জন্য আমরা মানব জীবন পেয়েছি.. তাই এই জীবনকে ধর্মে আবদ্ধ করার জন্য জীবের প্রতি ভালবাসা থাকা আবশ্যক!
ন্যায়ঃ- ন্যায় পরায়নতা ধর্মের আর একটি মহৎ গুন যে সর্বদাই ন্যায়ের পথ অনুধাবন করে.. কোন পরিস্থিতিতে তেই নিজের সাথে আপোষ করে না. ন্যায় বিচারে দৃড় থাকে. এমনকি মৃত্যু সংকটেও পিছপা হয় না. সেই ব্যক্তিই পরমাত্বার প্রিয় হয়ে থাকে..
সর্মপনঃ- সমর্পণের মাধ্যমে-ই ঈশ্বরের সান্নিধ্যে আসা যায়. মানুষ যখন এটা উপলব্ধি করে যে "তার জীবন শুধুই ঈশ্বরের প্রতি সর্মপিত.এবং সে তুচ্ছ বা ক্ষুদ্র এক জীব মাত্র. যা কেবল মাত্র পরমাত্নার ঈশারায় চলে! তার এই নশ্বর দেহ এবং আত্মা কেবলই পরমাত্নার অংশ বিশেষ. তখনই সে নিজেকে ঈশ্বর বা পরমাত্নার প্রতি সমর্পিত করতে সক্ষম হয়..
ধর্য্যঃ- এই একটা গুন যাহা অত্যন্ত আবশ্যক.! এবং এই গুন র্দ্যুলভ, এই গুনটি ধর্মের মুল স্তম্ভ. যাহা জীবনের প্রতিটি ক্ষনে আবশ্যক.! আমাদের মন চঞ্চল. প্রতি ক্ষণেই বিচলিত হয়ে পড়ি আমরা.. ক্ষনিকের আবেগেই দিশা হারিয়ে ফেলি. যাহা আমাদের জীবনকে আরো বিষন্ন করে তুলছে যাহা আমরা টেরও পাই না.
আমাদের সবসময় চিন্তা করতে হবে যে "ঈশ্বর আমাদের পরীক্ষা নিচ্ছে.আর এই পরীক্ষায় আমাকে যে কোন মুল্যে উত্তীর্ণ হতে হবে. বিপদ আসবে কিন্তু কিছুতেই বিচলিত হওয়া চলবে না।।

👉শ্ৰীকৃষ্ণের বয়স যখন কেবল সাত বছর তখন তিনি গোবর্ধন পর্বতকে উৎপাটিত করে এক হাতে সাতদিন ব্যাঙের ছাতার মতো ধারণ করেছিলেন ।...
15/02/2024

👉শ্ৰীকৃষ্ণের বয়স যখন কেবল সাত বছর তখন তিনি গোবর্ধন পর্বতকে উৎপাটিত করে এক হাতে সাতদিন ব্যাঙের ছাতার মতো ধারণ করেছিলেন । তিনি তা করেছিলেন ইন্দ্রের উদ্দেশ্যে যজ্ঞ না করার কোপ থেকে বৃন্দাবনের পশু এবং অধিবাসীদের রক্ষা করার জন্য ।
প্রকৃতপক্ষে , যারা পরমেশ্বর ভগবানের সেবায় যুক্ত তাদের দেবতাদের উদ্দেশ্যে যজ্ঞ করার কোন আবশ্যকতা থাকে না । বৈদিক শাস্ত্ৰে দেবতাদের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য যে যজ্ঞ করার নিৰ্দেশ দেওয়া হয়েছে তার উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষদের উচ্চতর অধিকারীদের অস্তিত্ব স্বীকার করতে অনুপ্রাণিত করা । দেবতারা হচ্ছেন জড় জগতের বিভিন্ন বিভাগ নিয়ন্ত্ৰণ করার ব্যাপারে ভগবান কতৃক নিযুক্ত অধিকারী।

শ্ৰীমদ্ভগবদগীতায় ভগবান বলেছেন যে দেবতাদের পূজা করা পরোক্ষভাবে পরমেশ্বর ভগবানের পূজা করার পন্থা যা অবিধি পুর্বক । কিন্তু কেউ যখন সরাসরিভাবে ভগবানের সেবায় নিযুক্ত হন , তখন তার দেবতাদের পূজা করার অথবা তাদের উদ্দেশ্যে যজ্ঞ অনুষ্ঠান করার আর কোন প্রয়োজন থাকে না। তাই শ্ৰীকৃষ্ণ ব্ৰজভূমির অধিবাসীদের উপদেশ দিয়েছিলেন দেবরাজ ইন্দ্রের উদ্দেশ্যে যজ্ঞ না করতে।

কিন্তু ব্ৰজের শ্ৰীকৃষ্ণের প্রকৃত পরিচয় না জেনে ইন্দ্ৰ ব্ৰজবাসীদের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়ে সেই অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার আয়োজন করেন । কিন্তু সর্বশক্তিমান ভগবান তার স্বীয় শক্তির প্রভাবে ব্ৰজবাসীদের এবং ব্ৰজপশুদের রক্ষা করে প্রমাণ করেন যে যারা ভক্তরুপে তার সেবায় যুক্ত তাদের দেবদেবীর সন্তুষ্টি বিধানের কোন প্ৰয়োজন থাকে না , এমন কি ব্ৰহ্মা অথবা শিবের মতো শক্তিশালী দেবতাদেরও নয় । এইভাবে নিঃসন্দেহে প্ৰমাণিত হয় যে শ্ৰীকৃষ্ণ হচ্ছেন পরমেশ্বর ভগবান।। হরেকৃষ্ণ।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।। জয় সনাতন ধর্ম।।

গীতার কথা!!অর্জুন শ্রীকৃষ্ণ কে জিজ্ঞেস করল, হে কেশব🌷🌷🌷মৃত্যু যখন সকলের নিশ্চিত।তাহলে আমরা সৎসঙ্গ, ভজন, কীর্তন কেন করছি?য...
08/02/2024

গীতার কথা!!

অর্জুন শ্রীকৃষ্ণ কে জিজ্ঞেস করল, হে কেশব🌷🌷🌷
মৃত্যু যখন সকলের নিশ্চিত।
তাহলে আমরা সৎসঙ্গ, ভজন, কীর্তন কেন করছি?
যারা সংসার ভোগ, কামনা বাসনা পুর্ণ
করছে তাদেরও মৃত্যু হবে।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বললেনঃ
হে পার্থ, বিড়াল যখন ইঁদুর ধরে তখন দাঁত দিয়ে
কামড়ে তাকে বধ করে ভোজন করে।
কিন্তু সেই দাঁত দিয়ে যখন নিজের বাচ্চাকে কামড়ে ধরে
তখন বধ করে না। কোমল ভাবে
এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত করে।

দাঁত একই, মুখ ও একই কিন্তু পরিনাম পৃথক পৃথক।
ঠিক তেমনি মৃত্যু সকলের নিশ্চিত
কিন্তু একজন প্রভুর ধামে অপরজন চুরাশি চক্রে।

🙏🙏-----জয় শ্রী গীতা🌷🌷হরে কৃষ্ণ🌷🌷🙏🏻🙏🏻

Address

বাংলাদেশ চিটাগং সীতাকুণ্ড
Nabinagar
BHATERICHAINUMBERWHAT6

Telephone

+96878511371

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shimla Dutta posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shimla Dutta:

Share

Category