22/08/2022
কাঁকড়ার মাংসের উপকারিতা:
কাঁকড়ার মাংসে আছে প্রচুর পুষ্টিগুণ পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও এর জুড়ি মেলা কঠিন। আসুন এক নজরে এর পুষ্টিগুন জেনেনেয়া যাক..
হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায় কাঁকড়ার মাংস, রক্ত বৃদ্ধি করে, যৌবন ধরে রাখে কাঁকড়ার মাংস, হাড় শক্ত করে, ভরপুর ওমেগা-৩।
ক্যালোরিতে ভরপুর:
কাঁকড়ার মাংসে আছে প্রচুর ক্যালরি, যা আপনাকে শক্তির জোগান দেবে।এই ক্যালরি আসে প্রোটিন থেকে তাই ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। শরির ঠিক রেখে ওজন কমাতে চাইলে আরামছে খান কাঁকড়ার মাংস।কাঁকড়ার মাংসের উপকারিতা পেতে আজই বাজারে যান কাঁকড়া কিনতে।
হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায় কাঁকড়ার মাংস:
কাঁকড়ার মাংসে আছে দীর্ঘ শিকল ওমেগা-৩ ফ্যাট যা আপনার হার্ট বা হৃদপিন্ড কে রাখবে রোগমুক্ত। হার্ট ব্লোক এবং হার্ট অ্যাটাক এর ঝুকি কমায় কাঁকড়ার মাংস।কাঁকড়ায় যে ওমেগা-৩-ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় তা রান্নার জন্য ব্যবহৃত তেলের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের চেয়ে লম্বা
চেইনের হয়ে থাকে।ফলে কাঁকড়া দিতে পারে তাৎক্ষনিক ওমেগা-৩-ফ্যাটি এসিডের সাপ্লাই।কাঁকড়ার মাংসের উপকারিতা গুলোর মধ্যে এটি শ্রেষ্ঠ।
রক্ত বৃদ্ধি করে:
কাঁকড়ার মাংসে আছে ভিটামিন বি-২ বা রিবোফ্লাভিন এবং বি-১২(সায়ানো কোবালামিন) এটা আপনার রক্তের লোহিত কনিকা বৃদ্ধি করবে এবং রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি উন্নত করবে। মস্তিষ্কেের বিকাশ ও স্মৃতিশক্তি শক্তি বৃদ্ধি করে।স্টেরয়েড উৎপাদনে রিবোফ্লাভিন বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
যৌবন ধরে রাখে কাঁকড়ার মাংস:
কাঁকড়ার মাংসে আছে সেলেনিয়াম মৌল যা আপনার ক্ষতিগ্রস্ত কোষ কে পুনরুজ্জীবিত করে ত্বকের লাবন্যতা বৃদ্ধি করবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৃদ্ধি করে দেহের কর্ম উদ্যম এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
সেলেনিয়াম আমাদের থাইরয়েড হরমোন ঠিক রাখে। পুরুষের যৌন হরমোন বৃদ্ধি করে যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে কাঁকড়ার মাংসের সেলেনিয়াম।কাঁকড়ায় কড লিভার তেলের ৩ গুণ এবং গরুর মাংসের ১২ গুণ বেশি সেলেনিয়াম থাকে। একজন পুরুষ স্বাভাবিক যৌন ক্ষমতা হারিয়ে ফেললে সেলেনিয়াম তা পুনরুদ্ধারে সাহায্যকরে। যৌবন ধরে রাখতে কাঁকড়ার মাংসের উপকারিতা আছে।
হাড় শক্ত করে:
কাঁকড়ার মাংসে আছে ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম যা আপনার হাড় কে মজবুত করবে পাশাপাশি পেশিকে করবে শক্তিশালী।
কাঁকড়ায় যে ওমেগা-৩-ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় তা রান্নার জন্য ব্যবহৃত তেলের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের চেয়ে লম্বা চেইনের হয়ে থাকে। ফলে কাঁকড়া দিতে পারে তাৎক্ষনিক ওমেগা-৩-ফ্যাটি এসিডের সাপ্লাই।
অসংখ্য গবেষণায় দেখা গেছে যে পাচক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কাঁকড়ার উপকারিতা স্পষ্ট। আসল বিষয়টি হ'ল কাঁকড়ার মাংসে পাওয়া প্রোটিন পশুর চেয়ে দ্বিগুণ দ্রুত এবং সহজভাবে হজম হয়।
কাঁকড়া, সমুদ্র তীরের অন্যান্য অনেক বাসিন্দাদের মত, আয়োডিনের মাত্র একটি অবিশ্বাস্য পরিমাণ ধারণ করে, এমন একটি উপাদান যা বেশ দুষ্প্রাপ্য, যা মানব দেহ নিজে নিজে তৈরি করে না। এই ক্ষেত্রে, থাইরয়েড রোগের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতাতে কাঁকড়ার ব্যবহার। পুষ্টিবিদরা বলছেন যে প্রতিদিন মাত্র 20-50 গ্রাম কাঁকড়ার মাংস খেয়ে আয়োডিনের ডোজ পাওয়া যায়।
কোরআন ও সহি হাদিস মতে সামুদ্রিক কাঁকড়া খাওয়া হালাল।
কোরআন শরিফে সুরা মায়েদাহ্ এর আয়াতে আল্লাহ বলেন,
“তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও সুমুদ্রের খাদ্য হালাল করা হয়েছে তোমাদের উপকারার্থে”।
রাসুল সাঃ ইরশাদ করেনঃ
“সমুদ্রের পানি পবিত্র এবং এর মধ্যে মৃতপ্রাণী হালাল।” (তিরমিযি, আবু দাউদ)
কোরআন- হাদিস যেখানে সামুদ্রিক খাবার হারাম করেনি সেখানে কাঁকড়া না খাওয়ার যৌক্তিকতা কি?
বাংলাদেশে কাঁকড়া হারাম হালাল নিয়ে ভয় থাকলেও সৌদিআরব এর রিয়াদ মৎস বাজারে কাঁকড়া দেদারছে বিক্রি হয়।
কাজেই আজই চলে আসুন আমাদের লাভ বার্ডে।