GAANG Restaurant

GAANG Restaurant We are serving Bengali, Chinese and indian some item. Our Food quality is excellent. Our food parcel delivery is fast with food panda.
(386)

We are arranged lots of party and program.

আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে ....মন ভালো হওয়ার জন্য ধোয়া ওঠা বিফ খিচুড়ি/মাটন/হাঁস ভুনা সঙ্গেবৃষ্টিতে কালী গঙ্গার সৌন্দর্য এট...
26/04/2026

আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে ....
মন ভালো হওয়ার জন্য ধোয়া ওঠা বিফ খিচুড়ি/মাটন/হাঁস ভুনা সঙ্গে
বৃষ্টিতে কালী গঙ্গার সৌন্দর্য এটাই যথেষ্ট।

বৈশাখের প্রথম দিন কাটুক গাঙের সাথেসকলকে জানাই বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।
13/04/2026

বৈশাখের প্রথম দিন কাটুক গাঙের সাথে
সকলকে জানাই বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।

একপাশে শুধুই পাখির গানআর এক পাশে চলছে মহা আয়োজন।
12/04/2026

একপাশে শুধুই পাখির গান
আর এক পাশে চলছে মহা আয়োজন।

গাঙ রেস্টুরেন্টের প্রতিদিনের মেনু। এছাড়াও পার্টি এবং বিশেষ দিবসের জন্য ভোক্তার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো খাবার পরিবেশন করতে...
08/04/2026

গাঙ রেস্টুরেন্টের প্রতিদিনের মেনু।
এছাড়াও পার্টি এবং বিশেষ দিবসের জন্য ভোক্তার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো খাবার পরিবেশন করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

29/03/2026

দেশীয় খাবারের আয়োজনে গাঙের জুড়ি মেলা ভার।
২৭ শে মার্চের আয়োজনে ছিল টাকি মাছের ভর্তা, করল্লা চিংড়ি, মুরগির মাংস, ডাল, ও বিকেলে পাটিসাপটা পিঠা এবং দুধ চা।
অতিথি আপ্যায়নেই আমাদের তৃপ্তি।

26/02/2026

থেমে যাওয়া মানেই হারিয়ে যাওয়া নয়।
পুরনো সকল ব্যর্থতাকে মুছে ফেলে
শুরু হচ্ছে নতুন উদ্যমে।

New menu
07/04/2024

New menu

পিঠা কাহিনীর সাত কাহন:  ডাক্তার জেরজিনা রহমান  (ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন মিরপুর ঢাকা)শীত এসেছে,  কেউ পিঠা খাওয়ালো না এবা...
23/12/2023

পিঠা কাহিনীর সাত কাহন: ডাক্তার জেরজিনা রহমান (ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন মিরপুর ঢাকা)

শীত এসেছে, কেউ পিঠা খাওয়ালো না এবার। কি দুঃখের কথা। কি আর করা, ভাবলাম নিজেই একটা পিঠা উৎসবের আয়োজন করে ফেলি, আত্মীয় বন্ধুদের নিয়ে। শুধুমাত্র প্রয়োজনেই নয়, অপ্র‍য়োজনেও যে আনন্দের মুহুর্ত গড়ে তোলা যায়, সেটা দেখতে ইচ্ছে করল।
আমার আত্মীয় পরিমন্ডল একদম ছোট নয়, তার উপর আছে বেড়াইন্ন্যা গ্রুপ। তবে তারমধ্যেও কেউ অসুস্থতার কারণে যেতে রাজি হলেননা, কেউ ঢাকায় নেই বলে, কেউ ঢাকার বাইরে যাচ্ছেন বলে, কেউ শীতের সকালে ঘুম ভেঙে উঠতে কষ্ট হবে ইত্যাদি কারণে যেতে রাজি হলেন না।তারপরেও নেই নেই করে পিতৃকূল মাতৃকূলের এবং বেড়াইন্ন্যা গ্রুপ সব মিলিয়ে জনা চল্লিশেক হইচই করে শুক্রবারের সকালে বাচ্চাকাচ্চা সমেত মিটিং পয়েন্টে আসতে রাজি হয়ে গেলেন।
আর ড্রাইভার সমেত প্রায় পঞ্চাশ জনের জন্য এই সাতসকালে যারা চার পাঁচ রকমের পিঠা বানাতে এককথায় রাজি হয়ে গেলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা না জানালে অন্যায় হয়ে যাবে।
আমি খুঁজছিলাম এমন একটা জায়গা যেখানে একটু গ্রামীন পরিবেশ থাকবে, আবার শহর থেকে বেশি দূরেও থাকবে না, খাদ্যমান নির্ভেজাল পাবো, আবার স্বাদেও হবে চমৎকার।
সবগুলি ক্রাইটেরিয়া ফুলফিল করতে এগিয়ে এলো মানিকগঞ্জের বেউথা মোড়ের ব্রিজের পারে অবস্থিত গাঙ রেস্টুরেন্ট। ধন্যবাদ গাঙের সবাইকে, যারা আগের দিন থেকে খেটেপিটে তৈরি করেছেন এতগুলো দুধ চিতই, পাটিসাপটা, আবার সকাল হতেই গরম গরম ভাপা পিঠা বানাতে একদল ব্যস্ত হয়ে গেলেন।
আমরা গিয়ে পৌঁছেছি অনেক দেরিতে, তাও তারা হাসিমুখে আমাদেরকে বসার জায়গা দেখিয়ে খাবার সার্ভের প্রস্তুতি নিলেন।
গাঙ রেস্টুরেন্টটি আমার বেশ ভালো লাগে, কালীগঙ্গা নদীর ধারে, ছোট ছোট ওপেন কটেজে বসার ব্যবস্থা, এক একটি কটেজের এক এক নাম। ভিতরে আঙ্গিনা, নানারকম গাছের শ্যামল ছায়ায় ঘেরা।নদীর ধারের বারান্দাটি উন্মুক্ত, চেয়ার পেতে বসলে দূরে বেউথা ব্রিজ দেখা যায়, নদীতে সব সময় আসা যাওয়া করছে ছোট ছোট ডিঙি নৌকা ছাড়াও বড় বড় ট্রলার, বালি ভরা বার্জ। শীতেও এই নদীতে নাব্যতা ভালোই, বর্ষায় তো ভরভরতি থাকে পানিতে।
তো, ৪০/৪২ জনের দল টি খাবার আসার আগে পর্যন্ত, ছবি তুলল বারান্দায় দাঁড়িয়ে, ইয়ং গ্রুপ ব্যাডমিন্টন খেলল, পিচ্চিগুলা দৌড়াদৌড়ি করল, বাকিরা নির্ভেজাল আড্ডা দিল। তারপর প্লেট ভরে ভরে চলে এল ধোঁয়া ওঠা ভাপা পিঠা, নরম পাটিসাপটা, সদ্য ভাজা ঝাল পুলি, আর তারপর দুধ চিতই।মানিকগঞ্জের খেজুরের গুড়ের অনেক সুনাম, আর গরুর খাঁটি দুধের ক্ষীর দেওয়া পাটি সাপটা। সবাই খুবই মজা করে খেয়ে ফেলল।
আমার কর্তা একটু পরে এলেন, আমরা দুজন তাই সবশেষেই খেলাম। ছবি তোলার দায়িত্বপ্রাপ্ত দুইজন সমানে ছবি তুলতে লাগলো।ফটোসেশন আর শেষ হয়না। আঙ্গিনায় বারবিকিউ করার ব্যবস্থা দেখে ইয়ং গ্রুপটা তো প্ল্যান করে ফেলল এখানে আবার আসবে, নিজেরা বারবিকিউ করে খাবে। অবশেষে দুপুর গড়িয়ে আসছে দেখে সবাই ছুটলাম বাড়ির পানে।সুন্দর একটা দিন কাটালাম।
ধন্যবাদ গাঙ রেস্টুরেন্ট।

এই শীতে বারবিকিউ করতে চাইলে চলে আসুন গাঙ রেস্টুরেন্টে। পেইজের ফোনের নাম্বারে কল করে উপভোগ করতে পারবেন বারবিকিউ স্বাদ। ফি...
22/12/2023

এই শীতে বারবিকিউ করতে চাইলে চলে আসুন গাঙ রেস্টুরেন্টে। পেইজের ফোনের নাম্বারে কল করে উপভোগ করতে পারবেন বারবিকিউ স্বাদ। ফিস বারবিকিউ অথবা চিকেন বা বিফ যেকোনো বারবিকিউ করার জন্য আমরা প্রস্তুত। আপনি নিজেও হতে পারেন বারবিকিউ সেফ। আমরা সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করেও আপনার হাতে তুলে
দিতে প্রস্তুত। আর আমাদের নিজেদের বারবিকিউ শেফ তো সবসময়ই প্রস্তুত আছে আপনার অপেক্ষায়।

16/12/2023

বিজয়ের সাথে বাংলা আহার।

বিশেষ অফার....................
১ # ভর্তা ৩ ধরনের+ভাত (আনলিমিটেড) ডাল+ ঘি- ৯৯
২ # ভর্তা ২ ধরনের+ ছোট মাছ+ভাত (আনলিমিটেড) ডাল+ঘি -১৫০
আজকের মেনু-
# হাঁসের মাংস
# ছোট মাছ
# ভাজি
# বিভিন্ন ধরনের ভর্তা।

গাঙ রেস্টুরেন্টে ১৬-১২-২৩ থেকে মধ্যাহ্ন ভোজে স্বল্প পরিসরে নানা ধরনের বাংলা খাবারের দুয়ার খুলেছে।
আমরা অত্যন্ত আস্থার সাথে বলতে পারি এই খাবারের স্বাদ গ্রহণ করলে মনে হবে যেন মায়ের হাতের রান্না খাচ্ছি।
যারা নদীর পাড়ের মনোরম পরিবেশে বাংলা খাবারের স্বাদ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক আমরা থাকবো তাদের অপেক্ষায়।
কথা দিচ্ছি হতাশ হবেন না।

13/12/2023

🇧🇩বিজয়ের সাথে বাংলা আহার।

বাংলা খাবারের উৎসব আয়োজনে যা থাকছে -
১৩-১২-২৩ - শীতের সবজি দিয়ে ধোঁয়া ওঠা খিচুড়ি - ২৫ টাকা

১৪-১২ -২৩- মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ছিট রুটি/চিতই পিঠা ও হাঁসের মাংস/মুরগির মাংস- ১৫০ টাকা
৫ ধরনের ভর্তা ও খুদের ভাত- ৮০ টাকা

• গাঙ রেস্টুরেন্ট এবং পাড় রেস্টুরেন্টে একসঙ্গে এই অফার দুপুর বারোটা থেকে চলমান থাকবে।

• আগামী ১৬ই ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের নিয়মিত বাংলা খাবারের আয়োজন।

Address

Andharmanik, Beutha
Manikganj
1800

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Telephone

+8801981003974

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GAANG Restaurant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to GAANG Restaurant:

Share