Himalayaitpark

Himalayaitpark IT

13/04/2025

27 seconds · Clipped by SR RASHEL · Original video "পাপী উম্মত কে করিবে পার । রাজু মন্ডল । Papi Ummat Ke Koribe Par I Raju Mondol I Bangla Folk Song" by Baul...

19/10/2024

আমার মনছবি সুস্পষ্ট। প্রতিদিন সেই লক্ষ্যে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি।
সুখী হতে হলে অপ্রয়োজনীয় অনেক কিছু ভুলে যেতে হয়। তাই দিন দিন অপ্রয়োজনীয় বিষয় ভুলে যাচ্ছি ।

কাজুবাদাম খেলে কি উপকার হয়?বর্তমানে মানুষ অনেক স্বাস্থ্য সচেতন। শরীর সুস্থ রাখতে অনেকেই কাজুবাদাম খেতে খুব পছন্দ করেন। ক...
19/10/2024

কাজুবাদাম খেলে কি উপকার হয়?
বর্তমানে মানুষ অনেক স্বাস্থ্য সচেতন। শরীর সুস্থ রাখতে অনেকেই কাজুবাদাম খেতে খুব পছন্দ করেন। কাজুবাদাম খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো- ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ফাইটোকেমিক্যালস, ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ইত্যাদি।

ভিটামিনের মাত্রা বেশি থাকায় কাজুবাদামকে বলা হয় ‘প্রাকৃতিক ভিটামিন ট্যাবলেট’। কাজুবাদামে রয়েছে নানা উপকারিতা।

চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে : উজ্জ¦লতা বাড়ানোর পাশাপাশি চুলের গোড়া শক্ত করতে কপারের বিশেষ ভূমিকা আছে। কাজুবাদামে উপস্থিত এই কপার শরীরের জরুরি এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয় যার কারণে চুলের কালো রং বজায় থাকে।

ক্যানসারের প্রতিরোধে : কাজুবাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ক্যানসার সেলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতেও এটি বেশ সহায়ক।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে : কাজুবাদামে আছে ম্যাগনেশিয়াম। এটি মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মনোযোগ এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে কাজুবাদাম উপকারী।

হাড় মজবুত করতে : কাজুতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেশিয়ামের কারণে হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি পায়।

ব্লাড প্রেশারের নিয়ন্ত্রণ : কাজুতে থাকা ম্যাগনেশিয়ামের কারণে ব্লাড প্রেশারও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে : কাজুতে রয়েছে ওলিসিক নামে এক ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহে বাজে কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে কাজ করে। নিয়মিত এই বাদামটি খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমায় : কাজু খেলে আয়রনের ঘাটতি দূর হয়। ফলে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বেড়ে যায় এবং অ্যানিমিয়ার মতো রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

ননীর পুতুল নয়, সন্তান হোক লৌহ মানবআপনার সন্তানের বয়সের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজগুলো যেমন হতে পারে-বয়স (২-৩)খেলনা ও বই যথাস্থান...
17/10/2024

ননীর পুতুল নয়, সন্তান হোক লৌহ মানব

আপনার সন্তানের বয়সের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজগুলো যেমন হতে পারে-

বয়স (২-৩)
খেলনা ও বই যথাস্থানে গুছিয়ে রাখা
বয়স (৪-৫)
খাবার পরিবেশনের জন্যে ডাইনিং টেবিল প্রস্তুত করা
ভেজা কাপড়গুলো শুকানো হলে বাইরে থেকে ঘরের ভেতরে নিয়ে আসা
ঘরের টুকটাক বাজারে তার সহযোগিতা নেয়া, হালকা জিনিস বহন করতে দেয়া
কাপড় ভাজ করে রাখা
ঘরে ছড়ানো ছিটানো ময়লাগুলো বিনে ফেলা
রান্নার সময় যেমন শাকসবজি ফল খোসা ছাড়ানোর সময় সাহায্য নেয়া (সাবধানতা অবলম্বন করে)
বয়স (৬-৮)
বিছানা গুছিয়ে রাখা
মশারি খাটানো
গাছ লাগানো, গাছে পানি দেয়া
ঘর ঝাড় দেয়া
ফার্নিচার মুছে রাখা
নিজের পড়ার টেবিল, স্কুল ব্যাগ, খেলনা গুছিয়ে রাখা
তাই সন্তানকে নিয়ে আজই কাজ শুরু করুন। কিছু দিন পর এই ছোট মানুষটির কর্মশক্তির স্ফূরণ দেখে প্রথম অবাক হবেন আপনিই।

03/10/2024
27/08/2024

O Allah protect me, from them with like your choose.

11/07/2024

স্ক্রিনে দীর্ঘ সময় কাজ করেও চোখ ভালো রাখবেন যেভাবে
স্ক্রিনের দিকে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকায় চোখের উপর পড়ছে তীব্র চাপ
আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর যুগে সারাদিন বিভিন্ন কাজের জন্য চোখকে রাখতে হয় কম্পিউটার ও মোবাইলের স্ক্রিনে। স্ক্রিনের দিকে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকায় চোখের উপর পড়ছে তীব্র চাপ। চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মতে, কম্পিউটার এবং মোবাইলের স্ক্রিন দিকে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকলে চোখ লাল হয়ে পানি পড়ে, চোখ ব্যথার সঙ্গে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া ভাব থাকে।
এছাড়া মাথা ব্যথা, চোখ ব্যথা, চোখে ক্লান্তি বোধ করা, ঝাপসা দেখা বা মাঝে মধ্যে দুটি দেখা, ফোকাস নষ্ট হওয়ার, কপাল-ঘাড়-পিঠজুড়ে ব্যথা হতে পারে। এই সমস্যার নাম 'সিভিএস' অর্থাৎ কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম। অন্ধকারে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, পিসি বা টিভি ব্যবহার করলে এর নীল আলো সরাসরি চোখের ওপর পড়ে। ফলে রেটিনার কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় ও চোখে শুষ্কতা দেখা দেয়।
এমনকি মিনিটে যত বার শ্বাস চলে ততবার চোখের পলক পড়ার কথা। মিনিতে ১৮ বারের বদলে ৫-৯ বার চোখের পলক পড়ে ফলে চোখ শুকোতে থাকে। যাকে বলে ‘ড্রাই আই সিনড্রোম। তবে মিনিটে ১৮ বার পলক ফেললে কিছু তৈলাক্ত ও জলীয় পদার্থ সমান ভাবে মণির উপর ছড়িয়ে পড়ে যা চোখকে সুস্থ ও সবল রাখতে পারে।

দীর্ঘ সময় কাজ করলে চোখের মণিকে ক্রমাগত স্ক্রিনের চারপাশে ঘোরাতে থাকে ফলে পেশীতে চাপ পড়ে। এতে ক্লান্ত হয় চোখ। যাদের চোখে খুব বেশি মাইনাস পাওয়ার আছে, তাদের বেশি সমস্যা হয়। চশমা না পরে কাজ করলে এই সমস্যা বাড়ে। তাই কম্পিউটার ও মোবাইল প্রতিনিয়ত ব্যবহার করলে অবশ্যই চোখের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি চশমা পড়তে হবে। যে ভাবে চোখের যত্ন নিবেন
যারা কম্পিউটারে কাজ করেন তাদের প্রতিবছর অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
কম্পিউটার স্ক্রিনে পড়ার জন্য খুব ছোট ফন্ট ব্যবহার করবেন না। চোখের কষ্ট হয় এমন ফন্ট বাদ দিয়ে চোখের জন্য আরামদায়ক ফন্ট নির্বাচন করুন।
স্ক্রিনে বেশি সময় তাকালে চোখের পলক ফেলতে ভুলে যাই। কম্পিউটারে কাজের সময় নিয়মিত বিরতিতে চোখের পলক ফেললে চোখে ময়েশ্চার তৈরি হয় যা চোখের শুষ্কতা দূর করে।
চোখ সুরক্ষার জন্য একটি নিয়ম হচ্ছে ২০-২০-২০। অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিট পর পর, ২০ ফুট দূরত্বের কোনো জিনিসের দিকে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকতে হয়। এতে চোখে যথেষ্ট আর্দ্রতা থাকে এবং চোখের ওপর চাপ কমে।
কম্পিউটারের মনিটরের অ্যান্টি গ্লেয়ার স্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন। যা ঘরের আলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে কম্পিউটার মনিটরের আলো কমানো বা বাড়ানো যেতে পারে। তাই কম্পিউটার ও মোবাইলের স্ক্রিন যেন অতিরিক্ত উজ্জ্বল না হয় সেজন্য আলো কমিয়ে রাখুন।
যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য কম্পিউটারের স্ক্রিন বা মোবাইলের সামনে বসে থাকতে হয় তাহলে এমন লেন্স ব্যবহার করা উচিত যা নীল রশ্মি দূর করতে সক্ষম। এর জন্য অ্যান্টি গ্লেয়ার গ্লাস ভালো বিকল্প।
কাজের ফাঁকে কিছু হালকা চোখের ব্যায়াম করতে পারেন। চোখের মণি উপরে নিচে আর পাশে ধীরে ধীরে রোল করার মতো করে ঘোরান। চোখ আরাম পাবে।
মাঝে মাঝে চোখে পানির ঝাপটা দিন। সারাদিনে ১০ থেকে ১৫ বার চোখে পানির ঝাপটা দিন। তাতে চোখ ঠাণ্ডা থাকে। চোখ আর্দ্র হয় ও রক্তসঞ্চালন বাড়ে। তবে একদম ঠাণ্ডা বা মাত্রাতিরিক্ত গরম পানি দেবেন না চোখে।
কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে মোটামুটি ২৫ থেকে ২৬ ইঞ্চি—বা কমপক্ষে এক হাত পরিমাণ দূরত্বে চোখ রাখুন। স্ক্রিন যেন চোখের ঠিক সমান জায়গায় থাকে। স্ক্রিনের রং (কালার-কন্ট্রাস্ট) এবং আলো মাঝারি অবস্থানে রাখুন, যাতে খুব অন্ধকার বা খুব বেশি আলো না হয়। চোখ থেকে দূরে রেখে মোবাইল ব্যবহার করুন।
পিসি বা ল্যাপটপের স্ক্রিনটি নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। কেননা স্ক্রিনে পড়া ধুলা, ময়লা বা অন্য দাগওয়ালা স্ক্রিন দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে 'ক্রনিক হেডেক' দেখা দিতে পারে।
সারাদিনের কাজের পর অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। খেয়াল রাখুন রাতে ঘুমের আধঘণ্টা আগে ফোন বা ল্যাপটপ বন্ধ করে দিন।
চোখ ভালো রাখতে গাজরের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি, বাদাম, কমলালেবু, ছোট মাছ খান। টাটকা শাক-সবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। যা চোখের কর্নিয়া ভালো রাখতে সাহায্য করে।

Colleagues fruits party at Next IT Ltd
04/07/2024

Colleagues fruits party at Next IT Ltd

01/07/2024

ভালোবাসা হল একটি গভীর এবং জটিল আবেগ যা বিস্তৃত অনুভূতি, আচরণ এবং মনোভাবকে ধারণ করে। এটি পরিবারের সদস্য, বন্ধু, রোমান্টিক অংশীদার, পোষা প্রাণী বা এমনকি জড় বস্তু সহ বিভিন্ন বস্তু বা মানুষের দিকে পরিচালিত হতে পারে। এখানে ভালোবাসা কিছু মূল দিক রয়েছে:
রোমান্টিক ভালোবাসা : এই ধরনের ভালোবাসার মধ্যে প্রায়ই গভীর মানসিক সংযোগ, শারীরিক আকর্ষণ এবং দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের আকাঙ্ক্ষা জড়িত থাকে। এটি আবেগ, অন্তরঙ্গতা এবং প্রতিশ্রুতি দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।

পারিবারিক ভালবাসা: পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বন্ধন, যেমন পিতামাতা এবং সন্তানদের মধ্যে বা ভাইবোনের মধ্যে ভালবাসা, প্রায়শই গভীর স্নেহ, আনুগত্য এবং কর্তব্য ও দায়িত্ববোধের উপর ভিত্তি করে।

প্লেটোনিক ভালোবাসা: এই ধরনের ভালোবাসা একটি গভীর বন্ধুত্ব এবং কোনো রোমান্টিক বা শারীরিক আকর্ষণ ছাড়াই মানসিক ঘনিষ্ঠতা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। এতে প্রায়ই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমর্থন এবং ভাগ করা স্বার্থ জড়িত থাকে।

স্ব-ভালোবাসা: এর মধ্যে নিজের প্রতি একটি স্বাস্থ্যকর সম্মান থাকা এবং নিজের মূল্যকে স্বীকৃতি দেওয়া জড়িত। এটি মানসিক এবং মানসিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য এবং অন্যদের সাথে সুস্থ সম্পর্ক গঠনের ভিত্তি।

নিঃশর্ত ভালবাসা: বিনিময়ে কিছু আশা না করে এই ধরণের ভালবাসা অবাধে দেওয়া হয়। এটি প্রায়শই তাদের সন্তানদের প্রতি পিতামাতার ভালবাসার সাথে বা অন্যদের জন্য একজনের সহানুভূতি বোধের সাথে জড়িত থাকে।

সঙ্গী ভালোবাসা: এর মধ্যে রয়েছে গভীর স্নেহ এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি, প্রায়ই দীর্ঘমেয়াদী বিবাহ বা বন্ধুত্বে দেখা যায় যেখানে প্রাথমিক আবেগের তীব্রতা আরও স্থিতিশীল, স্থায়ী বন্ধনে রূপান্তরিত হতে পারে।

পরার্থপর ভালোবাসা: এটি অন্যের কল্যাণের দিকে পরিচালিত নিঃস্বার্থ প্রেম। এর মধ্যে উদারতা, দাতব্য এবং সমবেদনা রয়েছে, প্রায়শই বিনিময়ে কিছু আশা না করে।

ভালোবাসা আমাদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে, আমাদের কর্ম, সিদ্ধান্ত এবং সামগ্রিক সুখকে প্রভাবিত করতে পারে। এটি প্রায়শই সাহিত্য, শিল্প, সঙ্গীত এবং প্রকাশের অন্যান্য রূপগুলিতে উদযাপিত হয়, যা মানুষের অভিজ্ঞতায় এর কেন্দ্রীয় ভূমিকাকে তুলে ধরে।

12/06/2024

সুনির্মল বসু রচিত একটি কবিতার কিছু অংশ আজ খুব মনে পড়ছে..................

বিশ্ব-জোড়া পাঠশালা মোর,
সবার আমি ছাত্র,
নানান ভাবের নতুন জিনিস,
শিখছি দিবারাত্র;
এই পৃথিবীর বিরাট খাতায়
পাঠ্য যে-সব পাতায় পাতায়,
শিখছি সে-সব কৌতূহলে
সন্দেহ নাই মাত্র॥

Address

Gazipur

Telephone

+8801923521704

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Himalayaitpark posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Himalayaitpark:

Share