Joya jibon joya 1

Joya jibon joya 1 blogger

06/09/2026

ভারতের মতলব কি? এরা কি জিয়া ও খালেদার মতো তারেককেও শেষ করে দিতে চায় নাকি? তারেক জিয়া ভারতের ব্যাপারে আরও সাবধান হয়ে যান! ভারত কখনও জিয়া পরিবারের পক্ষে ছিল না!

25/08/2026
12/08/2026

নীলফামারীর শান্ত সবুজ মাঠ আর তিস্তা নদীর তীরের মানুষরা একসময় শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করত। কিন্তু সেই শান্তি স্থায়ী হয়নি, প্রায় দুই দশক ধরে ভাঙচুরের শিকার হয় আওয়ামী লীগের ‘কসাই’ খ্যাত সংসদ সদস্য (এমপি) আসাদুজ্জামান নূরের সময়ে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ১৯৯৬ সাল থেকে জেলা রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতা অসহিষ্ণু ও প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির মাধ্যমে পুরো এলাকাকে অস্থির করে তুলেছিলেন।

নীলফামারী-২ (সদর) আসনের এমপি হিসেবে ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তার সময়কালকে স্থানীয়রা বলেন, ‘ভয়ঙ্কর যুগ’। শুধু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নয়, সাধারণ মানুষও তখন রাতের আঁধারে নিজের বাড়িতে নিরাপদে ঘুমাতে পারত না। এমনকি কয়েকটি মসজিদে নামাজও বন্ধ হয়ে যায়।

২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বরে নীলফামারীর সদর উপজেলার লক্ষীচাপ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিশাল গাড়িবহর নিয়ে মহড়া দেন তৎকালীন এমপি আসাদুজ্জামান নূর। বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়ি অতিক্রম করার সময় পরিকল্পিতভাতে করা হয় হামলা। স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে শুরু হয় সংঘর্ষ।

পুলিশ ১৪১ রাউন্ড শটগান ও ৩৭ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। সে ঘটনায় নিহত হন পাঁচজন, আহত হন অর্ধশতাধিক মানুষ। তখনকার প্রশাসন ও পুলিশের উপস্থিতিতেই আওয়ামী কর্মীরা ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। খবর ছড়িয়ে পড়ে রামগঞ্জ বাজারে। রাতে জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টুর দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মোটরসাইকেল শো-রুম, ওষুধের দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
রামগঞ্জ বাজারের সংঘর্ষে দুটি মামলা হয়। একটিতে থানার তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা বাবুল আকতার বাদী হয়ে আসামি করেন ১৪ জনকে, অজ্ঞাত প্রায় দেড় হাজার। আরেক মামলায় বাদী নিহত কৃষক লীগ নেতা খোরশেদ আলম চৌধুরীর আত্মীয় রাশেদ চৌধুরী নামোল্লেখ আসামি করেন ৮৬ জনকে, অজ্ঞাত আরও দেড় হাজার। দুটি মামলার আসামিই বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মী।
এসব মামলা পুঁজি করে পুলিশ গ্রেফতার অভিযানের নামে রীতিমতো ‘বাণিজ্য’ শুরু করে, অর্থ আদায় হয় লাখে লাখে। ফলে পুরো এলাকা ভয়ে নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে। রামগঞ্জ, জলঢাকা, টুপামারী, লক্ষীচাপসহ নীলফামারীর বিভিন্ন এলাকায় তখন রাত মানেই আতঙ্ক। মসজিদ, মাদ্রাসা, বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব কিছু প্রায় অচল। স্থানীয়রা আশ্রয় নেন পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে। পুলিশি অভিযানে শিক্ষক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক সবাই হয়রানির শিকার হন।

জামায়াত ও বিএনপির আটজন চাকরিজীবী বরখাস্ত হন। তৎকালীন সময়ের বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি মোজ্জাফর হোসেন ও তার ছেলে এনটিভির জেলা প্রতিনিধি ইয়াসিন মোহম্মাদ সিথুনসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের নামে মামলা হয়, হতে হয় কারাবন্দি।

এজাহারে নাম থাকা তিন নেতাকর্মী পরবর্তী সময়ে হত্যার শিকার হন। সদর উপজেলার লক্ষীচাপ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি বিভাগের ছাত্র এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিনোদপুর থানা শাখার সভাপতি মহিদুল ইসলামকে হারাতে হয় জীবন।

গোলাম রব্বানীর স্ত্রী শাহানাজ বেগম বলেন, ‘তাকে আত্মীয়ের বাসা থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়। আজও বিচার হয়নি।’
আতিকুলের বড় ভাই আবদুল ওয়াদুদ জানান, আতিক ঘটনার পর লুকিয়ে ছিল। ১৩ জানুয়ারি রাতে ডিবি পরিচয়ে তাকে টাঙ্গাইল থেকে তুলে নেওয়া হয়। দু-তিন দিন পর লাশ পাওয়া যায়।
নিখোঁজ মহিদুলের ভাই শহিদুল বলেন, মহিদুলের লাশ ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার শিবগঞ্জে অজ্ঞাত হিসেবে দাফন করা হয়। পরে ছবি দেখে নেতাকর্মীরা তাকে শনাক্ত করে।

জেলা জামায়াতের আমির ও নীলফামারী ১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার বলেন, নূর ও তার অনুসারীরা জামায়াতের মেরুদণ্ড ভাঙতে চেয়েছিল। কিন্তু আমাদের নেতাকর্মীরা শেষ পর্যন্ত টিকে ছিলেন। তারাই আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক বলেন, রাজনীতির মূল্যবোধ ধ্বংস করা হয়েছে। ঘর, হাসপাতাল, চাকরি কিছুই নিরাপদ ছিল না।

16/07/2026

এমন কমোড যদি আমার টয়লেটে থাকতো তবে আমি প্রতি ঘন্টায় দশ বার মুততাম😁 !! এরকম একটি টয়লেট তৈরী করতে কত লাগবে ? কেহ কি আমাকে জানাবে ??

03/07/2026

শাওনের সাথে প্রথম ও শেষবার দেখা হয়েছিল ২০১৮ সালের জুলাইতে একটা প্রাইভেট পার্টিতে। সিগারেট শাওনের খুব পছন্দ। ভেন্যুর বাইরে আমি সিগারেট খাচ্ছিলাম একা একা। । শাওন পাশে কেউ একজনের সাথে কথা বলছেন। একটা সিগারেট ধরালেন। বেনসন। কিন্তু ওনার পছন্দ মার্লবোরো এডভান্স। উনি বেনসন খেতে পাছেন না। আমি শুনে একটু দুই কদম এগিয়ে মার্লবোরো প্যাকেট এগিয়ে দিলাম। গুনে গুনে ৪টা সিগারেট নিলো। কিন্তু ধন্যবাদ দিলো না শাওন ।
সিনেমাতে দেখে যতটা ভালো মনে হয়েছিল, ব্যক্তি জীবনে শাওনের ব্যবহার বেশ অশালীন। অশালীন বলতে উনি মোটামুটি গালি দিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে । সিগারেট খেতে খেতে শাওন ওই পুরুষ মানুষটার সাথে মোটামুটি ৭/৮ বার গালি ব্যবহার দিয়েছে (বাল, সা*উয়া ইত্যাদি ...)
যদিও তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে যতটুকু বুঝেছি কোনও এক সরকারি প্রজেক্টের ৬৫ লাখ টাকার বিল পাশের ব্যাপারে কথা বলছেন।
শাওন সেদিন গান গেয়েছিলেন, আহা কী মধু তার গলায়। তবে সেটার আলাদা কারণ আছে। সেটা হলো চোখ লাল। প্রচুর লাল। এক বন্ধুকে জিগেস করলাম কেমনে এতো সুন্দর গলা? বন্ধু বলল, উনি গাঁজা খেয়েছেন। গাঁজা খাওয়া ছাড়া নাকি ওনার গলা দিয়ে তেমন সুর বের হয় না। আমি বিশ্বাস করিনি। তখন সে বলল, বিভিন্ন টিভি প্রোগ্রামে দেখিস, শাওনা ৩/৪ লাইনের বেশি গায় না, আবার তেমন সুরও তখন গলায় থাকে না । তবে উনি যখন প্রাইভেট পার্টিতে গান গায়, তখন গাঁজা খেয়েই গান গায়। এতে ইনজয়ও করে, সুরও ভালো হয়। আমার ওই বন্ধুটা শাওনের খুব কাছের ছোট ভাই, তাই বিশ্বাস করতেই হলো। আর শাওনের অতিরিক্ত হাসাহাসি উচ্ছ্বাস , দেখে কিছুটা সেরকমই লেগেছিল!
মজার ব্যাপার হলো, মোস্তফা সরোয়ার ফারুরীর 'ডুব' সিনেমা রিলিজ এর সময় সেন্সর বোর্ডে অভিযোগ করে সিনেমা আটকে দিয়েছিল এই মেহের আফরোজ সাওন। ফারুকী ভাইয়ের সাথে তখন আমার দুই/চার বাক্য কথা হয়েছিল!
আমি ফারুকী ভাইকে জিগেস করলাম, শাওন যে বলল, এটা হুমায়ূন আহমেদের বায়োকপি, এটা তো সত্য না, আর হলেও এর সমস্যা কী?
ফারুকী ভাই বলল, 'হুমায়ূন আহমেদ শাওনের বাপ লাগে'
সেদিন উনি ওটা ভুল বলেছেন। এটা এই লিখার মাধ্যমে আজ বললাম, হুমায়ূন আহমেদ শাওনের বাপ নয়, বরং শাওনের বান্ধবীর বাপ হচ্ছে হুমায়ূন আহমেদ। মানে শাওন তার বান্ধবীর বাপরে প্রেমের ফাঁদে ফালাইয়া বিয়ে করছে। অবশ্য এতে স্বার্থও আছে। সেটা হল ক্যারিয়ার। হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী হয়ে নাম, জশ খ্যাতি কোন কিছুই বাদ যায়নি শাওনের। টাকা পয়সা সম্পত্তির কথা বলে তো শেষ হবে না।
হুমায়ূন আহমেদ মারা গেছে বহু বছর। ২০১৭ সালে নুহাস হুমায়ূনের সাথে একবার ফোনে কথা হয়েছিল, ৯ মিনিটের কনভারসেশনে আমি শাওনের কথা জিগেস করেছিলাম, উনি এক লাইনে স্কিপ করে গেলেন বা এড়িয়ে গেলেম! শুধু বললেন যে, ''আপনি ওই লোভী মহিলার ব্যাপারে ১ সেকেন্ড কথা বললে সেটাই আপনার লস বা ক্ষতি!''
এই বাক্যে বুঝলাম, দুচোখের কোণায় সহ্য করতে পারেন শাওনকে। শুধু নুহাস নয়, হুমায়ূন পরিবারের কেউই পছন্দ করেন না নামক মহিলাকে । ওনাদের পারিবারিক বন্ধন ধ্বংস করার জন্য নুহাশ ও তার বোনেরা সবাই শাওনকে দায়ী করেন। যদিও শাওন গা ছাড়া ভাব। কারণ ওর তো দরকার সবার পরিচিত মুখ হওয়া, আর হুমায়ূন আহমেদের টাকা আর সম্পত্তি। যেটা তিনি পেয়েছেনও। বিগত ১৭ বছর আওয়ামী সরকারের বিভিন্ন ভগিচগি প্রজেক্ট আর টেন্ডার নিয়ে কাজ করেও বেশ কয়েক কোটি টাকা কামিয়েছে। যেটা ওনার জীবদ্দশায় শেষ হবে না। তবে ,যেটা শেষ হয়ে গেছিল সেটা হচ্ছে পাবলিক এটেনশয়ান। মানুষ শাওনকে ভুলে গেছে। তাই সে জুলাই নিয়ে #জুলাইCDI লিখে পোস্ট করছে। তবে এখন আবার দেখছি হাজার হাজার মানুষ সেটার প্রতিবাদে লিখছে #শাওনCDI , তবে যে যাই বলুক, আমি না, ফ্রিতে দিলেও না।
লেখক :--আতাউর রহমান ( ফ্রীল্যান্সার সাংবাদিক)

Address

Feni
Feni

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Joya jibon joya 1 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category