FRESH FOOD

FRESH FOOD good food good life & food for all Fast Food Restaurant

কাঁচা আমের চাটনি ২ টি ( বড় সাইজের) ‏কাঁচা আম১/২ কাপ ‏গুড়১/২ কাপ ‏সরিষার তেল১/২ চা চামচ ‏আদা বাটা১/২ চা চামচ ‏রসুন বাটা২ ...
25/05/2024

কাঁচা আমের চাটনি

২ টি ( বড় সাইজের) ‏কাঁচা আম
১/২ কাপ ‏গুড়
১/২ কাপ ‏সরিষার তেল
১/২ চা চামচ ‏আদা বাটা
১/২ চা চামচ ‏রসুন বাটা
২ চা চামচ ‏টালা পাঁচ ফোড়নের গুড়া
১ চা চামচ ‏টালা জিরা গুড়া
১ চা চামচ ‏টালা ধনে গুড়া
পরিমান মত ‏লবণ
১ টেবিল চামচ ‏ভিনেগার
১ চা চামচ ‏শুকনো মরিচের গুড়া

আম ছোট টুকরো করে কেটে ধুয়ে ভালভাবে সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার একটি চামচের সাহায্যে একটু ম্যাশ বা ভর্তা করে নিন।
কড়াইতে তেল দিন। তেল গরম হয়ে গেলে রসুন বাটা ও আদা বাটা দিয়ে একটু ভাজুন। এবার এর মধ্যে আম, লবণ, শুকনো মরিচের গুড়া, ভাজা জিরা ও ধনে গুড়া দিয়ে নেড়ে চেড়ে মেশাতে থাকুন। এবার গুড় দিয়ে মিশিয়ে নিন। সব কিছু একসাথে মিশে গেলে ভাজা পাঁচ ফোড়ন গুড়া ও ভিনেগার দিয়ে অনবরত নেড়ে রান্না করুন। নাড়তে নাড়তে এক সময় আম থেকে তেল ছাড়তে শুরু করবে। তখন নামিয়ে ঠান্ডা করে সংরক্ষণ করুন।
সাদা ভাত, পোলাও, খিচুড়ি, বিরিয়ানি- যে কোন কিছুর সাথে খাওয়া যাবে এই চাটনি।
কাচের বয়ামে ভরে রোদে দেওয়ার ঝামেলা ছাড়াই সংরক্ষণ করতে পারবেন ৬ মাস পর্যন্ত।

মিষ্টি আলুর রসবড়াউপকরণ২ টি বড় সাইজের ‏মিষ্টি আলু২ টেবিল চামচ ‏গুড়া দুধ২ টেবিল চামচ ‏সুজি১ চা চামচ ‏ঘি১/৪ চা চামচ ‏বেকিং ...
22/05/2024

মিষ্টি আলুর রসবড়া

উপকরণ
২ টি বড় সাইজের ‏মিষ্টি আলু
২ টেবিল চামচ ‏গুড়া দুধ
২ টেবিল চামচ ‏সুজি
১ চা চামচ ‏ঘি
১/৪ চা চামচ ‏বেকিং সোডা
২ টি ‏এলাচ
১ কাপ ‏গুড়
২ কাপ ‏পানি
ভাজার জন্য ‏তেল

প্রস্তুত-প্রনালী:

পরিমান মত পানিতে মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে নিন। চাইলে ভাপ দিয়েও সেদ্ধ করে নিতে পারেন। বেশি সেদ্ধ করে নরম করা যাবে না। এতে করে মিষ্টির খামির ভালো হবে না।
সেদ্ধ করা আলু হাতের সাহায্য চটকে নিয়ে এতে একে একে সুজি, বেকিং সোডা, ঘি, গুড়া দুধ ও এলাচের গুড়া দিয়ে হাতের তালুতে ঘসে ঘসে মথে নিন ৫-৮ মিনিটের মত। তারপর সমান ভাগে ভাগ করে মিষ্টির মর আকারের করে নিন।
একটি পাত্রে তেল গরম করে একে একে মিষ্টি গুলো দিয়ে দিয়ে অল্প আচে লালচে করে ভেজে নিন। ৭ থেকে ১০ মিনিটের মত সময় লাগতে পারে। ভাজা হয়ে গেলে তুলে রাখুন।
একটি বড় পাত্রে পানি, গুড় ও এলাচের গুড়া দিয়ে জ্বাল করুন। ফুটতে শুরু করলে চুলার জ্বাল বন্ধ করে দিয়ে ভেজে রাখা মিষ্টি গুলো গরম সিরায় দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন।
এভাবেই রেখে নিন কমপক্ষে ২ ঘন্টার মত। পরিবেশন করার আগে হালকা গরম করে নিলে ফ্লেভারটা ভাল পাওয়া যাবে।

21/05/2024

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

শরীর ভালো রাখতে রোজ ফলমূল খান
21/05/2024

শরীর ভালো রাখতে রোজ ফলমূল খান

শরীর ভালো রাখতে রোজ ফলমূল খান।ওজন কমাতেও শর্করা ও স্নেহজাতীয় খাবারের পরিমাণ কমিয়ে ফলমূল খেতে উৎসাহ দেওয়া হয়। নাশতা হিসেব...
21/05/2024

শরীর ভালো রাখতে রোজ ফলমূল খান।

ওজন কমাতেও শর্করা ও স্নেহজাতীয় খাবারের পরিমাণ কমিয়ে ফলমূল খেতে উৎসাহ দেওয়া হয়। নাশতা হিসেবে ফল খাওয়া নিঃসন্দেহে ভালো অভ্যাস। তবে সব ফলই কিন্তু ইচ্ছেমতো খাওয়া যাবে না। তাতেও থাকে ওজন বাড়ার ঝুঁকি।

কলা
ইচ্ছেমতো পাকা কলা খেলে ওজন বাড়বে। সারা দিনে ছোট একটি কলা খেতে পারেন। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে চম্পা কলা খাওয়া ভালো। সাগর কলা এড়িয়ে চলুন।

তরমুজ
তরমুজ খেতে চাইলে পরিমাণটা দেড় শ-দুই শ গ্রামের ভেতরেই সীমাবদ্ধ রাখুন, যদিও এতে পর্যাপ্ত আঁশ এবং পানি আছে।

কাঁঠাল
কাঁঠালও কিন্তু বেশ মিষ্টি ফল। তাই এক দিনে চার-পাঁচ কোয়ার বেশি কাঁঠাল খাবেন না।

মিষ্টি লিচু
মিষ্টি লিচু খেলেও ওজন বাড়ে। তাই সারা দিনে চার-পাঁচটার বেশি লিচু খাওয়া যাবে না। তবে টক লিচু হলে দশটা পর্যন্ত খাওয়া যেতে পারে।

লাল আপেল
লাল আপেল খেতে পারেন সর্বোচ্চ অর্ধেকটা। লাল আপেলের চাইতে সবুজ আপেল খাওয়া ভালো। খেতে একটু টক হলেও এই আপেল একটু বেশি পরিমাণে খাবার সুযোগ আছে।

মিষ্টি, পাকা পেঁপে
অতিরিক্ত পেকে যাওয়া পেঁপে এড়িয়ে চলুন। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে পানসে স্বাদের পেঁপে বেছে নিন।

আতা
আতা দারুণ মিষ্টি ফল। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে আতা না খাওয়াই ভালো। খেতে চাইলেও ছোট আতা বেছে নিন। এক দিনে সেটিও আধখানার বেশি খাবেন না। বড় আতা খেলে ছয় ভাগের এক ভাগ খেতে পারেন।

ড্রাগন ফল
দেশে এখন মিষ্টি ড্রাগন ফলের চাষ হয়। এ ফলেও ওজন বাড়ে। খেতে চাইলে দিনে সর্বোচ্চ আধখানা।

ডাবের শাঁস এবং নারকেল
ডাবের পানি খেলে ক্ষতি নেই। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে ডাবের শাঁসটা খাবেন না। নারকেল এবং নারকেলের তৈরি খাবারও এড়িয়ে চলুন।

স্ট্রবেরি
টক বা পানসে স্ট্রবেরি খেলে ক্ষতি নেই, কিন্তু মিষ্টি স্ট্রবেরি খেতে গেলেই বাড়বে ওজন। মিষ্টি স্ট্রবেরি দৈনিক ৫০ গ্রামের বেশি খাওয়া ঠিক নয়।

মিষ্টি আনারস
মিষ্টি আনারস এড়িয়ে চলুন। খেতে চাইলে টক স্বাদের আনারস বেছে নিন।

খেয়াল রাখুন
ফলের রসে লবণ-চিনি মেশাবেন না

সারা দিনে ১০০ গ্রামের বেশি মিষ্টি ফল খাওয়া উচিত নয়। একাধিক মিষ্টি ফল ১০০ গ্রাম করে খেলেও কিন্তু আপনি বাড়তি ক্যালরি গ্রহণ করছেন। সব ধরনের মিলিয়েই পরিমাণটা ১০০ গ্রামের ভেতর রাখতে চেষ্টা করুন।

মিষ্টি ফলের মধ্যে কেবল তরমুজ একটু বেশি খাবার সুযোগ আছে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পানসে বা টক স্বাদের ফল বেছে নিন। যেমন বাঙ্গি, নাশপাতি, পেয়ারা, সবুজ আপেল, জাম, পানসে পেঁপে বা টক আনারস খেতে পারেন। তবে কোনো ফলের স্বাদ বাড়াতে চিনি যোগ করবেন না । একেবারেই চিনি বাদ দিতে না পারলে সামান্য মধু দিয়ে খেতে পারেন। তবে মধুর পরিমাণও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনুন এবং একসময় সেটিও বাদ দিয়ে দিন।

ফল বা ফলের রসে নিয়মিত লবণ যোগ করে খাওয়াও ঠিক নয়।

কাঁচা আম দিয়ে মাছের ঝোলঊপকরন-কাঁচা আম -১টি ফালি করে কাটা, বড় মাছ -৪ -৬ টুকরাআলু -১টি ফালি করে কাটা, মরিচ গুড়া -১ চা চা...
28/04/2023

কাঁচা আম দিয়ে মাছের ঝোল

ঊপকরন-
কাঁচা আম -১টি ফালি করে কাটা, বড় মাছ -৪ -৬ টুকরা
আলু -১টি ফালি করে কাটা, মরিচ গুড়া -১ চা চামচ
হলুদ গুডা-১চা চামচ, জীরা গুড়া-হাফ চা চামচ
ভাজা মৌরী গুড়া ১/২ চা চামচ, তেল -১টেবিল চামচ
কাঁচামরিচ -২টি আস্ত, পেয়াজ -২ টি কুচি করা
রসুন কুচি ২ কোয়া, লবন - স্বাদ মত
চিনি -১চা চামচ, সরিষা তেল -১ টেবিল চামচ
পানি হাফ কাপ, শুকনা মরিচ -২ টি

প্রনালী:
১.প্রথমে মাছ গুলো ধুয়ে লবন ও হলুদ মাখিয়ে তেলে একটু ভেজে নিতে হবে।
২. এবার ফ্রাইপ্যানে সরিষা তেল গিয়ে আস্ত জীরা ও শুকনা মরিচ দিয়ে পেয়াজ কুচি রসুন কুচি দিতে হবে ।
৩. পেয়াজ কুচি একটু লাল হলে মরিচ গুড়া হলুদ গুড়া দিয়ে দিতে হবে এবার একটু পানি দিয়ে মসলা কষাতে হবে ।
৪.কসানো মসলা তে আলু ও আম গুলো একটু কসিয়ে নিতে হবে ।
৫. এবার পানি দিয়ে মাছ গুলো দিয়ে দিতে হবে এবং লবন দিতে হবে।
৬. এবার ঝোল কমে আসলে ভাজা মৌরীর গুড়া ও কাচা মরিচ আস্ত দিয়ে দিতে হবে।
৭. ঠিক নামানোর আগে একটু চিনি দিতে হবে এর পর একটু চুলায় রেখে নামিয়ে ফেলতে হবে।
হয়ে গেল আমের ঝোল ।
টিপস—
১.আম একটু মোটা করে কাটতে হবে বেশি চিকন করলে বেশি টক লাগতে পারে।
২.কাচা মিঠা আম বা ফজলী কাচা আম দিলে ভাল টক কম লাগবে।
৩.আম বেশি দেয়া যাবেনা তাহলে টক লাগতে পারে আর বেশি জ্বাল দেয়া যাবে না একটু শক্ত থাকতে নামাতে হবে।
৪. কাচা মরিচ আস্ত দিলে গন্ধ ভাল হয়।
৫. মৌরীর গুড়াও শেষে দিলে তরকারী সুঘ্রান ভাল হয়।
৬.আলু না দিলে আম বেশি টক লাগতে পারে ।
তাই আলু দিলে ভাল তবে অনেকে চাইলে নাও দিতে পারেন।
৭.ঝোলের জন্য আপনার পছন্দ মত পানি দিতে পারেন।

পুস্টি মূল্য—
যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি তারা মাছ ও আমের রেসিপি টি খেতে পারেন।
গরমে গা জ্বলা দূর করতে কাঁচা আমের জুড়ি নাই।শরীর শিতল করে টক ঝোলের কারি।
ডায়বেটিস রোগীরা চিনি ছাড়া খেতে পারেন ।
যাদের খাবারে রুচি কম তারা খেতে পারেন।
যারা মাছ কম খান তারাও এই রেসিপি টি খেতে পারেন।

করমচার ঝাল-টক আচারউপকরণঃকাঁচা করমচা আধা কেজি, আদা+রসুন বাটা দেড় চা চামচমরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়ো আধা চা চামচসরিষা...
28/04/2023

করমচার ঝাল-টক আচার

উপকরণঃ
কাঁচা করমচা আধা কেজি, আদা+রসুন বাটা দেড় চা চামচ
মরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়ো আধা চা চামচ
সরিষাবাটা দেড় টে চামচ, সিরকা/ভিনেগার দেড় টেবিল চামচ
শুকনো মরিচ ৪ টি, আস্ত পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ
সর্ষের তেল ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ২ টে চামচ/স্বাদমতো

প্রণালিঃ
করমচা ধুয়ে ফুটন্ত গরম পানিতে দুই মিনিট সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখুন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে শুকনো মরিচ ও আস্ত পাঁচফোড়ন দিন। পাঁচফোড়ন সুগন্ধ ছাড়লে একে একে বাকি সব মসলা দিয়ে কষিয়ে নিয়ে করমচা দিন।করমচা মসলার সাথে ভালভাবে মিশিয়ে নিয়ে সিরকা,লবণ ও চিনি যোগ করে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। আচারের উপরে তেল উঠে আসলে আচার নামিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে পরিষ্কার শুকনো কাঁচের পাত্রে সংরক্ষণ করুন।

করমচার পুষ্টিগুণ -
করমচায় রয়েছে ভিটামিন 'সি'। যা দাঁত, দাঁতের মাড়ি, অকাল বার্ধক্য রোধে ও ফুসফুস ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে আরো রয়েছে প্রোটিন, ফ্যাট, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, মিনারেল, ফসফরাস, আয়রন এবং ভিটামিন এ।

খেজুরের হালুয়াউপকরণ১. খেজুর ২ কাপ২. ঘি আধা কাপ৩. এলাচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ৪. কর্ন ফ্লাওয়ার বা অ্যারারুট ২ টেবিল চামচ ও৫. কা...
20/04/2022

খেজুরের হালুয়া
উপকরণ

১. খেজুর ২ কাপ
২. ঘি আধা কাপ
৩. এলাচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ
৪. কর্ন ফ্লাওয়ার বা অ্যারারুট ২ টেবিল চামচ ও
৫. কাঠবাদাম ও কাজুবাদাম কুচি।

পদ্ধতি

প্রথমে এক কাপ গরম পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। এরপপর ভালো করে ব্লেন্ড করে প্যানে ঢেলে দিন। তারপর ১/৪ কাপ ঘি দিয়ে নাড়তে হবে। এসময় চুলার জ্বাল মাঝারি আঁচে রাখুন। এরপর আরও ২ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে নাড়তে হবে।

এরপর পানিতে কর্ন ফ্লাওয়ার বা অ্যারারুট গুলে মিশিয়ে দিন খেজুরের মিশ্রণে। এ সময় বারবার নাড়তে হবে। আরেকটি চুলায় ২ টেবিল চামচ ঘিতে বাদাম কুচি ভেজে নিন।

খেজুরের মিশ্রণ ঘন হয়ে গেলে ভাজা বাদাম মিশিয়ে দিন। এরপর নামানোর আগে এলাচ গুঁড়া দিয়ে সামান্য নেড়ে নিন।

একটি সমান ট্রেতে হালুয়া ঢেলে দিন। উপরের অংশ সমান করে দিন। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। চাইলে ফ্রিজেও রাখতে পারেন ১০-২০ মিনিট। তারপর পিস করে কেটে পরিবেশন করুন খেজুরের হালুয়া।

রমজানের সেরা ৫ খাবার>> কলা পটাসিয়াম সমৃদ্ধ। যা তৃষ্ণা নিবারণ করে ও দীর্ঘ সময়ের জন্য হাইড্রেটেড রাখে। কলা ফাইবার ও প্রত...
20/04/2022

রমজানের সেরা ৫ খাবার

>> কলা পটাসিয়াম সমৃদ্ধ। যা তৃষ্ণা নিবারণ করে ও দীর্ঘ সময়ের জন্য হাইড্রেটেড রাখে। কলা ফাইবার ও প্রতিরোধী স্টার্চের একটি দুর্দান্ত উত্স। রোজা ভাঙার পর কলা খেলে এর প্রতিরোধী স্টার্চ আপনাকে পূর্ণতা অনুভব করতে সহায়তা করে। ফলে কম খাবার খেয়েও পেট ভরাতে পারবেন আপনি। এটি শরীরও পুষ্টি পাবে।

>> সারাদিন রোজা রাখার কারণে কার্বোহাইড্রেট ও মিষ্টির জন্য সবারই লোভ বেড়ে যায়। এজন্য ইফতারে রাখতে পারেন খেজুর। এটি একটি আদর্শ ডেজার্ট হতে পারে। খেজুরে প্রচুর অ্যানার্জি, ফাইবার ও আয়রন আছে।
খেজুরের প্রাকৃতিক শর্করা থাকায় তা অল্প পরিমাণে খেলেও আপনি দ্রুত অ্যানার্জি পাবেন। ইফতারে দুটি খেজুর প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করতে ও আপনার মিষ্টি তৃষ্ণাকে মেটাতে যথেষ্ট হওয়া উচিত।
>> জোয়ার, বাজরা, ওটস ও রাগির মতো গোটা শস্য প্রোটিন সমৃদ্ধ। যা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ হাইড্রেট রাখে, ক্ষুধা নিবারণ করে ও শক্তি জোগায়। এগুলোতে প্রচুর জটিল কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার থাকে। ফলে এগুলো ধীরে ধীরে হজম হয় ও শরীরও বেশি শক্তি পায়।

>> বাদামে স্বাস্থ্যকর চর্বি যেমন- ওমেগা ৩ ও 6 এর একটি সমৃদ্ধ উৎস। যা আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণতা বোধ করায়। এজন্য ইফতারে রাখতে পারেন শুকনো ফল বা ড্রাই ফ্রুট। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে।

>> রোজা রাখার ফলে খালি পেটে অ্যাসিড তৈরি হওয়ার কারণে শরীর প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে। সেই প্রভাব নিয়ন্ত্রণে ইফতারে টকদই বেছে নিন। এতে থাকে প্রোবায়োটিক। যা হজমে সহায়ক। ইফতারে আপনি টকদই ও বিভিন্ন ফল দিয়ে একটি সুস্বাদু ডেজার্ট তৈরি করতে পারেন।

দীর্ঘ বিরতির পরে ইফতারে অতিরিক্ত খাওয়া ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের লোভ বাড়তে পারে। এজন্য ভালো ও স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা কমে।

রমজানের খারাপ ৫ খাবার

>> অনেকেই ইফতার বা সেহরিতে বিরিয়ানি খান। তবে এটা স্বাস্থ্যকর খাবার নয়। বিরিয়ানি মিহি সাদা চাল দিয়ে তৈরি করা হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে তেল ও খুব কম শাকসবজি থাকে। প্রয়োজনে বাদামি চাল ও শাক সবজি দিয়েও আপনি স্বাস্থ্যকর উপায়ে বিরয়ানি তৈরি করতে পারেন।

>> রুহ আফজার মতো কৃত্রিম শরবতগুলো সবারই এ সময় এড়ানো উচিত। কারণ এতে কৃত্রিম স্বাদ ও প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। এর পরিবর্তে স্কিমড দুধ, তুলসি বা চিয়া বীজ দিয়ে একটি স্বাস্থ্যকর পানীয় তৈরি করুন।

গোলাপি রঙের জন্য বিটরুট যোগ করুন। চিয়া বীজ শরীরে পানি ধরে রাখে। ফলে শরীর হাইড্রেট থাকে। এই বীজে থাকে ফাইবার। এটি হজমে সাহায্য করে ও শক্তি জোগায়।

>> রমজানে ইফতার পার্টিসহ বিভিন্ন আয়োজনে পিৎজাসহ বিভিন্ন ফাস্টফুড খান অনেকেই। জানেন কি, পিৎজা কার্বোহাইড্রেট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট দিয়ে পরিপূর্ণ। সারাদিন রোজা রাখার পর এগুলো শরীরের জন্য হজম করা কঠিন। ফলে শরীর তো পুষ্টি পাবেই না বরং বদহজম ও মুটিয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগবেন।

>> রোজা ভাঙতেই কমবেশি সবাই চিনির শরবত, বুন্দিয়া কিংবা জিলাপি ইত্যাদি খাবার খান। এসব মিষ্টি শরীরের জন্য আদর্শ নয়। বেশিরভাগ মিষ্টিতেই অতিরিক্ত ক্যালোরি থাকে। যা আপনাকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করবে মুহূর্তেই।

>> অনেকের রোজা রাখার পরও অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যায় রমজান মাসে। এর কারণ হলো ভাজাপোড়া ও অস্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খাওয়া। তাই কাবাব, পেঁয়াজু, বেগুনি, চপসহ ডুবো তেলে ভাজা যে কোনো খাবারই পরিহার করুন। কাবাবের বদলে বেকড বা গ্রিলড ও চর্বিহীন মাংস খান।

তরমুজের লাড্ডু উপকরণ১. তরমুজ পরিমাণমতো২. ঘি দেড় টেবিল চামচ৩. সুজি আধা কাপ৪. গুঁড়া দুধ আধা কাপ৫. চিনি আধা কাপ ও৬. শুকনো ন...
20/04/2022

তরমুজের লাড্ডু

উপকরণ

১. তরমুজ পরিমাণমতো
২. ঘি দেড় টেবিল চামচ
৩. সুজি আধা কাপ
৪. গুঁড়া দুধ আধা কাপ
৫. চিনি আধা কাপ ও
৬. শুকনো নারকেল গুঁড়া ১/৪ কাপ।

পদ্ধতি

তরমুজ কেটে টুকরো করে নিন প্রথমে। এরপর চামড়া কেটে নিন। তারপর তরমুজ টুকরো টুকরো করে এর ভেতরের বীজ ফেলে দিন। তারপর ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে তরমুজ। আলাদা করে কোনো পানি মেশাবেন না।
এবার চুলায় প্যান বসিয়ে ঘি গলিয়ে নিন। এর মধ্যে সুজি ঢেলে দিয়ে নাড়তে থাকুন। সুজি ভাজা ভাজা হয়ে হলে নামিয়ে নিন। এরপর প্যান ধুয়ে তরমুজের মিশ্রণ ঢেলে দিন।

কিছুটা গরম হয়ে যাওয়ার পর এতে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে দিন। তারপর মিশিয়ে দিতে হবে চিনি। বারবার নাড়তে থাকুন। কিছুক্ষণ জ্বাল দেওয়ার পর তরমুজের মিশ্রণ ঘন হয়ে এলে এর মধ্যে শুকনো নারকেল মিশিয়ে দিন।

আবারও কিছুক্ষণ জ্বাল করার পর এর মধ্যে দিয়ে দিন ভাজা সুজি। ভালো করে নাড়তে থাকুন। একসময় সুজি হালুয়ার মতো হয়ে যাবে। আরও কিছুক্ষণ নেড়ে নিন।

যখন দেখবেন প্যানের গা ছেড়ে মিশ্রণটি উঠে আসছে তখন সামান্য ঘি ছড়িয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন। ঠান্ডা করে নিন লাড্ডুর মিশ্রণ। এরপর দু’হাতে ঘি মেখে অল্প করে হাতে নিয়ে গোল করে তৈরি করুন লাড্ডু।

এরপর শুকনো নারকেল গুঁড়ায় গড়িয়ে কোট করে নিন লাড্ডু। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল জিভে জল আনা তরমুজের লাড্ডু।

Address

Opposite 4 No Gate, Mirpur Stadium
Dhaka

Opening Hours

Monday 00:00 - 07:00
Tuesday 00:00 - 07:00
Wednesday 00:00 - 19:00
Thursday 00:00 - 19:00
Saturday 00:00 - 19:00
Sunday 00:00 - 19:00

Telephone

+8801720014884

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FRESH FOOD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share