Porishor

Porishor বাংলাদেশি বিশুদ্ধ এবং খাঁটি পণ্য মান?

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা পালন করুন প্রিয়জনদের সাথে ঘরে বসে। আপনার পছন্দের প্রাণী কুরবানি দিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে।ঈদ মোবারক।
31/07/2020

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা পালন করুন প্রিয়জনদের সাথে ঘরে বসে।
আপনার পছন্দের প্রাণী কুরবানি দিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে।

ঈদ মোবারক।

🇧🇩 হাজারী গুড় 🇧🇩মানিকগঞ্জের বিখ্যাত হাজারী গুড় আজ বিলীন হওয়ার পথে। :(সারা দেশে এক নামেই পরিচিতি আছে বিশেষ এই খেজুর গুড়ের...
14/07/2020

🇧🇩 হাজারী গুড় 🇧🇩

মানিকগঞ্জের বিখ্যাত হাজারী গুড় আজ বিলীন হওয়ার পথে। :(

সারা দেশে এক নামেই পরিচিতি আছে বিশেষ এই খেজুর গুড়ের। অতুলনীয় স্বাদ আর মনমাতানো সুগন্ধের হাজারী গুড়ের চাহিদা আছে দেশের বাইরেও। :o

ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথকেও এ গুড় উপহার দেয়া হয়েছিল। গুণেমানে, স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয় এই গুড়ের সুনাম দেশ ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে বিশ্বের অন্তত ২০টি রাষ্ট্রে। তাই শীত মৌসুম এলেই হাজারী গুড়ের কারণে মানিকগঞ্জ হয়ে উঠে একটা শিল্প এলাকায়। ইতিহাসখ্যাত হাজারী গুড়ের ঐতিহ্য প্রায় ২০০ বছরের। 💯

হাজারী গুড়ের সুনাম আজো টিকিয়ে রেখেছে দেশের একমাত্র হাজারী গুড় উৎপাদনকারী জেলা মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের ঐতিহ্যবাহী হাজারী পরিবারসহ শতাধিক গাছি পরিবার। তবে এক শ্রেণীর অসাধু গুড় তৈরিকারক সাদা রঙয়ের গুড়ের ওপর হাজারী গুড়ের নাম খোদাই করে বাজারজাত করে সাধারণ ক্রেতাদের ধোঁকা দিচ্ছে। 👎

ভোজন রসিকরা এর মান নিয়ে নানা প্রশ্ন তুললেও স্বাদে-গন্ধে ঝিটকার হাজারী গুড় এখনো সারা বাংলায় তুলনাবিহীন এবং এর চাহিদা ব্যাপক। 😋

❄️ শীত মৌসুমে খেঁজুর গাছ হাজারী গুড়ের বদৌলতে এখানে অর্থনৈতিক চাঙ্গা ভাব বিরাজ করে। রস থেকে গুড় উৎপাদন ও ভোক্তাদের হাতে পৌঁছে দিতে পেশাদার গাছি, কুমার, কামার, জ্বালানি ব্যবসায়ী, পরিবহনের শ্রমিক, ট্রাক মালিক- চালক, ভ্যানচালক, আড়তদারসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সংযুক্ত হন। পৌষের মাঝামাঝি থেকে মাঘ মাস পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই এই হাজারী গুড় দেশ-বিদেশে চলে যায়। ✈️

নানা প্রতিকূলতায় হাজারী গুড় প্রায় বিলীন হতে চলেছে। প্রতিবছর হাজার হাজার গাছ কেটে ইট ভাটায় লাকড়ি হিসেবে পোড়ানো হচ্ছে। এ ছাড়াও নকল গুড় উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়ায় দিন দিন জৌলুস ও নাম-ডাক নষ্ট হচ্ছে হাজারী গুড়ের। 💔

🇧🇩 পাবনার প্যারা, দেশের সেরা 🇧🇩অতিথিপরায়ণ এবং ভোজনরসিক হিসেবে বাংলাদেশি মানুষদের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। খাওয়া-দাওয়ার শেষে ম...
13/07/2020

🇧🇩 পাবনার প্যারা, দেশের সেরা 🇧🇩

অতিথিপরায়ণ এবং ভোজনরসিক হিসেবে বাংলাদেশি মানুষদের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। খাওয়া-দাওয়ার শেষে মিস্টি জাতীয় জিনিস খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষের সংখ্যা কম। তাই তো বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে বিভিন্ন রকম সুস্বাদু মিস্টি। এসব মিস্টি শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বেও বিখ্যাত। 💯

যারা মিস্টি পছন্দ করেন, তারা হয়ত এটা শুনেছেন যে ‘পাবনার প্যারা, দেশের সেরা’।
সত্যিকারেই পাবনার প্যারা সন্দেশ দেশসেরা। গুড়ের সন্দেশ, চিনির সন্দেশ আমরা সচরাচর খেয়ে থাকি। কিন্তু প্যারা সন্দেশ স্বাদ এবং মানের দিক দিয়ে সব সন্দেশকেই ছাড়িয়ে যায়। 😋

শুধু প্যারা সন্দেশ নয়, পাবনাতে আরো অনেক বিখ্যাত এবং মজাদার মিস্টি পাওয়া যায়।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল -
♠ ছানার জিলাপি
♠ ল্যাংচা
♠ ইলিশ পেটি
♠ পানতোয়া
♠ ইরানীভোগ
♠ কাটারিভোগ
♠ রাজভোগ ইত্যাদি।

🍯 মধু 🍯বিশুদ্ধ এবং প্রাকৃতিক মধু স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। মধুর উপকারিতা নিয়ে কোন দ্বিমত নেই। 😁বাংলাদেশ সরকারের ক...
12/07/2020

🍯 মধু 🍯

বিশুদ্ধ এবং প্রাকৃতিক মধু স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। মধুর উপকারিতা নিয়ে কোন দ্বিমত নেই। 😁
বাংলাদেশ সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিসের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গেলেও মধুর উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। এর মধ্যে কিছু নিম্নে উল্লেখ করা হল –

♠ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ওজন কমাতে সহায়ক।
♠ হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
♠ অনিদ্রা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পাকস্থলির পীড়া নিরাময়ে সহায়ক।
♠ দাঁত শক্তিশালী করে। দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে।
♠ মাথাব্যথা, বাতের ব্যথা, শারীরিক দুর্বলতা দূরীকরণে সহায়ক।

💎 মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ নামক দুই ধরনের সুগার থাকে। অবশ্য সুক্রোজ ও মালটোজও খুব অল্প পরিমাণে আছে।

💎 মধু নির্ভেজাল খাদ্য। এর শর্করার ঘনত্ব এত বেশি যে, এর মধ্যে কোনো জীবাণু ১ ঘণ্টার বেশি সময় বাঁচতে পারে না। 🐝

💎 এতে ভিটামিন এ, বি, সি প্রচুর পরিমাণ বিদ্যমান। অনেক প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানও আছে। যেমন- এনজাইম বা উৎসেচক, খনিজ পদার্থ (যথা পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ)।

💎 এছাড়াও মধুতে প্রোটিন আছে। মধুতে কোনো কোলস্টেরল নেই। 🧡

💎 সুস্থ অসুস্থ যে কেউ মধু খেতে পারেন। সুস্থ মানুষ দিনে দু’চা-চামচ মধু অনায়াসে খেতে পারেন। 😋

💎 পোড়া, ক্ষত ও সংক্রমণের জায়গায় মধু লাগালে দ্রুত সেরে যায়।

🇧🇩 বগুড়ার দই 🇧🇩আমরা সবাই বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন উৎসবে দই খেয়ে থাকি। দই শুধু মজাদার নয়, স্বাস্থ্যকরও বটে। দই এর কথা শুনলে ...
11/07/2020

🇧🇩 বগুড়ার দই 🇧🇩

আমরা সবাই বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন উৎসবে দই খেয়ে থাকি। দই শুধু মজাদার নয়, স্বাস্থ্যকরও বটে। দই এর কথা শুনলে আমাদের মনে সবার প্রথম বগুড়ার নাম আসে। কিন্তু কেন? 🤔

সারা বাংলাদেশে দই পাওয়া গেলেও স্বাদে ও গুণে অতুলনীয় হওয়ায় বগুড়ার দই দেশ ও দেশের বাইরে খুব জনপ্রিয়। এর খ্যাতি মূলত ব্রিটিশ আমল থেকে সর্বত্র ছড়িয়ে পরে।
ষাটের দশকের প্রথম ভাগে বৃটেনের রানী এলিজাবেথ থেকে শুরু করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও গিয়েছে বগুড়ার দই। পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ব্রিটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্তাদের সহানুভূতি পেতে পাঠিয়েছিলেন এই দই। 😲

বগুড়ার দইয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পরপরই বগুড়ারই শেরপুর উপজেলা থেকে। স্থানীয়দের মতে সনাতন ঘোষ সম্প্রদায় দই তৈরি করে বগুড়াকে দেশের সর্বত্র পরিচিত করে তুলেছিল। তবে সেই ঘোষদের হাতে এখন আর দইয়ের বাজার নেই। :/

দই যেমন খেতে সুস্বাদু এবং মজাদার, সেই সাথে এর বিভিন্ন পুষ্টিগুণও রয়েছে।

♠ দই হজমে সহায়ক। হাড় মজবুত করে।
♠ দই রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের জন্য উপকারী।
♠ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
♠ ওজন কমাতে সহায়ক।
♠ দেহের ছত্রাক প্রতিরোধ করে।

সুস্বাদু খাবারের যদি এত পুষ্টি গুণাগুণ থাকে তাহলে চিন্তার আর কোন কারণ নেই।

✅ ঢাকাবাসীদের জন্য সুখবর হল বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী পুষ্টিকর দই এখন ঘরে বসেই উপভোগ করতে পারবেন।

🇧🇩 মাতৃ ভাণ্ডারের রসমালাই 🇧🇩বাস ভ্রমণ করে কুমিল্লার পথ দিয়ে যাচ্ছেন। যত মিস্টির দোকান নজরে পড়ছে, প্রায় সবগুলোর নামের মধ্...
11/07/2020

🇧🇩 মাতৃ ভাণ্ডারের রসমালাই 🇧🇩

বাস ভ্রমণ করে কুমিল্লার পথ দিয়ে যাচ্ছেন। যত মিস্টির দোকান নজরে পড়ছে, প্রায় সবগুলোর নামের মধ্যেই দুটি শব্দ দেখতে পাচ্ছেন। শব্দ দুটি হল ‘মাতৃ ভাণ্ডার’।

কুমিল্লার মাতৃ ভাণ্ডারের রসমালাই দেশব্যাপী বিখ্যাত। এর অতুলনীয় স্বাদের কারণে সবার পছন্দের কাতারে সহজেই স্থান গড়ে নিয়েছে।🙋‍♂️
এবং এর খ্যাতির কারণেই একই নামে গড়ে উঠেছে শত শত দোকান। প্রকৃত মাতৃ ভাণ্ডারের দোকানটি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। স্থানীয় বা পরিচিত ছাড়া যে কেউই ভুল দোকানে চলে যেতে পারে। এবং প্রকৃত দোকানটি থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি ক্রয় করা সম্ভব নয়। :|

বিখ্যাত এই রসমালাই উপভোগ করেছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন রাস্ট্রপ্রধান, বিখ্যাত মন্ত্রী-এমপি ও অন্যান্য বিখ্যাত মানুষজন। 💯

বিখ্যাত এই মাতৃ ভাণ্ডারের সূচনা হয় ১৯৩০ সালে খনিন্দ্র সেন ও মণিন্দ্র সেন নামে দুই ভাইয়ের হাত ধরে। শুরুতে এর নাম ছিল ক্ষীরভোগ। পরবর্তীতে এর নাম হয় রসমালাই।

বিখ্যাত এই মাতৃ ভাণ্ডার এর দোকানে সবসময় ভিড় লেগেই থাকে। ক্রেতাদের মধ্যে অস্থিরতা দেখা গেলেও, বিক্রেতাদের মধ্যে কোন অস্থিরতা দেখা যায় না। এবং কোন শাখা খোলার অভিপ্রায়ও তাদের নেই। দুই-তিন কেজির বেশি তারা একজনকে বিক্রি করেন না। দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় পর পাওয়া যায় না রসমালাই।

✅ এতসব বাধাবিপত্তি পেরিয়েও ঢাকাবাসীর জন্য কুমিল্লার মাতৃ ভাণ্ডার রসমালাই নিয়ে এসেছে পরিসর।

🇧🇩 কাঁচাগোল্লা! 🇧🇩বাংলাদেশে বসবাস করেন অথচ কাঁচাগোল্লার নাম শুনেন নি এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। নাটোরের কাঁচাগোল্লা খ্যাতি ...
10/07/2020

🇧🇩 কাঁচাগোল্লা! 🇧🇩
বাংলাদেশে বসবাস করেন অথচ কাঁচাগোল্লার নাম শুনেন নি এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর।

নাটোরের কাঁচাগোল্লা খ্যাতি লাভ করে ১৭৫৭ সালে। আড়াইশ বছর পর আজ অবধি এর খ্যাতি কমেনি বিন্দুমাত্র। বরং বৃদ্ধি পেয়েছে।

যারা কাঁচাগোল্লার স্বাদ পেয়েছেন, তারা জানেন কি কারণে এর এত খ্যাতি। যারা এখনও স্বাদ পাননি, তাদের জন্যই পরিসর নিয়ে এসেছে নাটোরের কাঁচাগোল্লা, একদম আপনার দোরগোড়ায়। :D

মজার ব্যাপার হল, নাম কাঁচাগোল্লা হলেও, তা গোলও নয় আবার কাঁচাও নয়। কাঁচাগোল্লা নিয়ে বিভিন্ন কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। জনশ্রুতি আছে যে আছে লালবাজারে মধুসূদন পাল এর প্রসিদ্ধ মিস্টির দোকান ছিল। একবার তার দোকানের কারিগররা না আসায়, তিনি দেড়-দুই মণ পরিমাণ ছানা নষ্টের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য তাতে চিনির রস ঢেলে জ্বাল দেন। পরবর্তীতে দেখা যায়, সেই চিনি মেশানো ছানার স্বাদ অপূর্ব। 😋
রসগোল্লার ছানাকে তেলে ভেজে চিনির রসে ডোবানো হয়। কিন্তু নতুন মিস্টির বেলায় কাঁচা ছানাকেই চিনির রসে ডোবানো হয়। তাই এর নাম হয়ে যায় কাঁচাগোল্লা।
কাঁচাগোল্লার স্বাদ পানতোয়া, রসগোল্লা, সন্দেশকেও হার মানিয়ে দেয়। এর অভুতপূর্ব স্বাদের কারণে দেশ-বিদেশে এর সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। 💯

স্বাদে অতুলনীয় কাঁচাগোল্লার সুখ্যাতি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রচলিত আছে যে, ১৮৪০ সালের দিকে প্রতি সের কাঁচাগোল্লার মূল্য ছিল তিন আনা। বর্তমানে নাটোরে অবস্থিত বিভিন্ন দোকান কাঁচাগোল্লা বিক্রয় করে থাকে।

✅ ঢাকাবাসীদের জন্য সুখবর হল নাটোরের কাঁচাগোল্লা এখন ঘরে বসেই উপভোগ করতে পারবেন।

✅ নাটোরের বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা পরিসর পৌঁছে দিবে আপনার দোরগোড়ায়।

💵 মূল্যঃ প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা মাত্র (কোন ডেলিভারি চার্জ নেই)

💵 আধা কেজি মাত্র ৩৫০ টাকা + ডেলিভারি চার্জ

🛵 ডেলিভারি চার্জঃ ৫০ টাকা মাত্র (ঢাকা সিটির অভ্যন্তরে)

🛒 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন। আপনার সম্পূর্ণ নাম, ঠিকানা, কি পরিমাণ নিতে চান, ফোন নম্বর পাঠিয়ে দিন আমাদের ইনবক্সে।

💎 ১ কেজি বা তার অধিক পরিমাণ অর্ডার করলে ডেলিভারি ফ্রি❗

💎 ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ডেলিভারি দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।

💎 যেহেতু আমরা কোন প্রোডাক্ট স্টক করি না, সেহেতু কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের ডেলিভারি দিতে ৪৮ ঘন্টার বেশি সময় লেগে যেতে পারে।

💎 প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে বা কোন ধরনের সমস্যা হলে সম্পূর্ণ রিপ্লেসমেন্ট করে দেওয়া হয়। নাহয় সম্পূর্ণ ক্যাশব্যাক।

💎 সম্পূর্ণ ফ্রেশ প্রোডাক্ট ডেলিভারি দেওয়া হয়।

🇧🇩 জামতলার মিস্টি 🇧🇩‘যে চেনে, সে কেনে। সাদেকের সৃষ্টি, জামতলার মিস্টি।’এই স্লোগান নিয়ে শুরু হয়েছিল সাদেক মিস্টান্ন ভাণ্ড...
09/07/2020

🇧🇩 জামতলার মিস্টি 🇧🇩

‘যে চেনে, সে কেনে। সাদেকের সৃষ্টি, জামতলার মিস্টি।’

এই স্লোগান নিয়ে শুরু হয়েছিল সাদেক মিস্টান্ন ভাণ্ডারের পথচলা। ১৯৫৫ সাল থেকে আজ অবধি এর ঐতিহ্য বয়ে চলেছে। সাতক্ষীরার জামতলা বাজারের এই মিস্টি আজও জনপ্রিয়তার শীর্ষে। 💯

জামতলার মিস্টির স্রষ্টা শেখ সাদেক আলী চায়ের দোকানদার ছিলেন। প্রতিদিন গোয়ালারা তার দোকানে গরুর দুধ দিয়ে যেত। 🐄
একদিন দুধের পরিমাণ বেশি হলে সাদেক দুধ কিনতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ সময় কুমিল্লা থেকে আসা এক ব্যক্তি সাদেককে জানান, এ দুধের মান খুব ভালো। তুমি দুধ রেখে দাও। আমি রাতে মিষ্টি তৈরি করে দেব। সেই দুধ থেকেই মিষ্টি তৈরি শুরু।

কুমিল্লার সেই ব্যক্তির কাছ থেকে শিখে সাদেক রসগোল্লা তৈরির কাজ শুরু করেন। মিষ্টির স্বাদের জন্য একপর্যায়ে সেই রসগোল্লার নাম হয় সাদেক গোল্লা। সেই ১৯৫৫ থেকে ১৯৯৯ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সাদেক নিজ হাতে মিষ্টি তৈরি করে এর সুনাম অক্ষুন্ন রেখেছেন।
বর্তমানে তার ছেলেরা ব্যবসায়ের হাল ধরেছেন।

জামতলা বাসস্ট্যান্ডের বটতলায় রয়েছে, সাদেক আলীর প্রতিষ্ঠিত আদি ‘সাদেক মিষ্টান্ন ভাণ্ডার’। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এখান থেকেই জামতলার মিষ্টি সরবরাহ করা হয়। 😋

স্বাদে ও মানে অতুলনীয় জামতলার মিস্টি দেশের বেশিরভাগ রাষ্ট্রপ্রধান উপভোগ করেছেন। বিদেশি অতিথিরাও জামতলার মিষ্টি খেয়ে প্রশংসা করেছেন। 😋

✅ ঢাকাবাসীদের জন্য সুখবর হল এই জামতলার মিস্টি এখন ঘরে বসেই উপভোগ করতে পারবেন।

✅ সাদেক আলীর বিখ্যাত জামতলার মিস্টি পরিসর পৌঁছে দিবে আপনার দোরগোড়ায়।

💵 মূল্যঃ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা মাত্র + ডেলিভারি চার্জ

🛵 ডেলিভারি চার্জঃ ৫০ টাকা মাত্র (ঢাকা সিটির অভ্যন্তরে)

🛒 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন। আপনার সম্পূর্ণ নাম, ঠিকানা, কি পরিমাণ নিতে চান, ফোন নম্বর পাঠিয়ে দিন আমাদের ইনবক্সে।

💎 ৬০০ টাকার অধিক পরিমাণ অর্ডার করলে ডেলিভারি ফ্রি❗

💎 ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ডেলিভারি দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।

💎 যেহেতু আমরা কোন প্রোডাক্ট স্টক করি না, সেহেতু কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের ডেলিভারি দিতে ৪৮ ঘন্টার বেশি সময় লেগে যেতে পারে।

💎 প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে বা কোন ধরনের সমস্যা হলে সম্পূর্ণ রিপ্লেসমেন্ট করে দেওয়া হয়। নাহয় সম্পূর্ণ ক্যাশব্যাক।

💎 সম্পূর্ণ ফ্রেশ প্রোডাক্ট ডেলিভারি দেওয়া হয়।

25/04/2014

c: Viva la revolution!

10/04/2014

Welcome to the ANIME Diary!

Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Porishor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Porishor:

Share