Sajjad..09

Sajjad..09 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sajjad..09, Takoyaki Restaurant, Dhaka.

যে মা-বাবা না খেয়ে ১০ সন্তানকে মানুষ করলেন, বড় হয়ে সেই ১০ সন্তানের বাড়িতেই তাঁদের জায়গা হলো না। সবাই পাঁচ তলা বিল্ডিংয়ে ...
06/09/2026

যে মা-বাবা না খেয়ে ১০ সন্তানকে মানুষ করলেন, বড় হয়ে সেই ১০ সন্তানের বাড়িতেই তাঁদের জায়গা হলো না। সবাই পাঁচ তলা বিল্ডিংয়ে থাকেন, কিন্তু মা-বাবার থাকার জায়গা নেই সেই বাড়িতে। যে বাবা কষ্টের কেনা জমির ওপর ঘর দিয়ে আছেন, তবুও বাবা-মায়ের জায়গা হয় না সেখানে।

অসহায় ও হতভাগা বাবা-মায়ের ঠাঁয় হয়েছে গাছতলায়। মা চলাফেরা করতে পারেন না, হয়তো আর কিছুদিন বাঁচবেন, আর সেই শেষ বয়সে এসে তাঁরা সন্তানদের কাছে বোঝা হয়ে গেছেন। ১০ সন্তানের মনে কি একটু মায়া-দয়া হয় না?

বরগুনার তালতলী উপজেলার বড় ভাইজোড়া গ্রামের অসহায় বাবা-মায়ের কষ্ট বাংলাদেশের সকল মানুষের মনে কান্নার সৃষ্টি করেছে। নিজের সন্তান না হয়েও অনেকে এই অসহায় বাবা-মায়ের দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন, কিন্তু নিজের ১০ সন্তানের কেউ তাঁদের ঘরে তুললেন না।

পাঁচ তলার সিঁড়ির নিচে জায়গা দিলেও তো অসহায় বাবা-মা থাকতে পারতেন, বাড়ির পচা-বাসি ভাত দিলেও খেয়ে বেঁচে থাকতে পারতেন। কিন্তু ১০ সন্তানের কেউ তা দিলেন না!

#অসহায়_বাবা_মা #মানবতার_আহ্বান #বৃদ্ধ_বাবা_মায়ের_কষ্ট #সন্তানের_অবহেলা #গাছতলায়_আশ্রয় #মানবিক_সাহায্য #বাবা_মায়ের_অধিকার ্তান #হৃদয়বিদারক_ঘটনা #বরগুনা #তালতলী #মানবতা_বাঁচুক #অসহায়ের_পাশে_দাঁড়ান #মানবিকতা #শেয়ার_করে_ছড়িয়ে_দিন

ছোট এই মানুষটির একটি পা নেই। তারপরও সুন্দর একটি জীবনের আশায় এভাবেই এক পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে তাকে স্কুলে যেতে হয়। কারণ সে হয়...
06/09/2026

ছোট এই মানুষটির একটি পা নেই। তারপরও সুন্দর একটি জীবনের আশায় এভাবেই এক পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে তাকে স্কুলে যেতে হয়। কারণ সে হয়তো জানে, এই পৃথিবীতে একটি অচল শরীর নিয়ে পড়াশোনা না করলে আর যাই হোক, দুবেলা ভাত কেউ খেতে দেবে না।

অন্যান্য শিশুদের জন্য ৪০০ মিটার পথ কয়েক মিনিটের হাঁটা হলেও, উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার দিঘিদা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী রাগিনির জন্য এই পথ প্রতিদিনের এক কঠিন যুদ্ধ। ছোট রাগিনি হয়তো বুঝে গেছে, এই কঠিন পৃথিবীতে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার আলো জ্বালাতেই হবে।

কিন্তু এই যন্ত্রণাদায়ক পথচলা আর কতদিন? শেষ পর্যন্ত নিজের অসহায়ত্ব ও কষ্টের কথা জানিয়ে সরাসরি জেলা প্রশাসনের কাছে হৃদয়স্পর্শী আকুতি জানায় রাগিনি। কোনো করুণা বা দান নয়, আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচতে জেলা প্রশাসকের কাছে তার সহজ-সরল আবেদন—‘জেলা প্রশাসক কাকু, দয়া করে আমাকে একটি ট্রাইসাইকেল এনে দিন, আমি রোজ স্কুলে যাব।’

মাত্র কয়েকটি শব্দ, অথচ এর ভেতরে লুকিয়ে থাকা আকুলতা নাড়া দিয়ে যায় গোটা নেটপাড়াকে। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই দেশজুড়ে শুরু হয় তোলপাড় ও ক্ষোভের ঝড়। একটি ছোট শিশুর মৌলিক অধিকারের জন্য কেন এত সংগ্রাম করতে হবে?

নেটিজেনদের তীব্র প্রতিক্রিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সেই বার্তা পৌঁছে যায় ভারতীয় প্রশাসনের দরবারে। নড়েচড়ে বসেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অবশেষে আসে সেই বহু প্রতীক্ষিত সুসংবাদ। রাগিনির করুণ সংগ্রামের খবর পেয়ে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং তার হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি উন্নত মানের হুইলচেয়ার।

ছোট রাগিনির চোখ-মুখে তখন এক চিলতে স্বস্তির হাসি। প্রতিদিন এক পায়ে লাফিয়ে চলার কষ্টের অবসান ঘটে এক মুহূর্তেই। আজ আর রাগিনিকে এক পায়ে ভর দিয়ে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে না। চাকার ওপর ভর করে তার শিক্ষার স্বপ্ন এখন ডানা মেলেছে।

কিন্তু রাগিনির এই ঘটনা আমাদের সমাজ ও ব্যবস্থার সামনে একটি বিরাট প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়ে গেল। এই দৃশ্য আমাদের আরও একবার স্মরণ করিয়ে দেয়—কেবল রক্ত-মাংসের দেহ থাকলেই মানুষ হওয়া যায় না; অন্যের বেদনায় সাড়া দেওয়ার মতো মানবিকতা না থাকলে সেই মনুষ্যত্ব একেবারেই অর্থহীন।

চারজন অসুস্থ, একাই লড়ছেন তিথি—টিউশনি করে পরিবার বাঁচানোর এই মেয়েটির পাশে দাঁড়াবেন কি?একটি পরিবারের পাঁচ সদস্য—কিন্তু চার...
05/09/2026

চারজন অসুস্থ, একাই লড়ছেন তিথি—টিউশনি করে পরিবার বাঁচানোর এই মেয়েটির পাশে দাঁড়াবেন কি?

একটি পরিবারের পাঁচ সদস্য—কিন্তু চারজনই নানা জটিল রোগে আক্রান্ত। আর তাদের চিকিৎসা, ওষুধ ও সংসারের পুরো দায়িত্ব এসে পড়েছে পরিবারের ছোট মেয়ে তিথির কাঁধে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি টিউশনি করে সামান্য যে আয় হয়, তা দিয়েই তিনি চেষ্টা করছেন অসুস্থ বাবা-মা, ভাই-বোনের চিকিৎসা ও সংসারের খরচ চালাতে।

একসময় পরিবারটিতে স্বচ্ছলতা ছিল। তিথির বাবা পোশাক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু করোনা মহামারির পর ব্যবসায় ধস নামে। আয় কমে যাওয়ার মধ্যেই বাবার কিডনি রোগ ধরা পড়ে। উপার্জনের পথ বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে চিকিৎসার খরচ।

অন্যদিকে মা দীর্ঘদিন ধরে লিভারের সংক্রমণে ভুগছেন। পরিবারের একমাত্র ছেলে রায়হান কবির জন্মগতভাবে মেরুদণ্ডের সমস্যায় আক্রান্ত। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে লড়াই করে বেড়ে ওঠা রায়হানের আবার সম্প্রতি কিডনি রোগও ধরা পড়েছে। বড় মেয়ে সুরাইয়াও ভুগছেন কিডনি সংক্রমণে।

ফলে একে একে যখন পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া তিথিই হয়ে উঠেছেন পুরো পরিবারের সবচেয়ে বড় ভরসা।

দিনের একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা, অন্যদিকে টিউশনি, তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের দেখাশোনা—সবকিছু সামলে চলতে গিয়ে নিজের শরীরও আজ ভেঙে পড়েছে। তবুও থামার সুযোগ নেই। কারণ তার থেমে যাওয়ার অর্থ হলো পরিবারের চিকিৎসা ও সংসার চালানোর পথও থেমে যাওয়া।

দীর্ঘদিনের চিকিৎসা ও ওষুধের খরচে পরিবারের সঞ্চয়ও প্রায় শেষ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়াই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিথি একা পারবেন না—আমাদের সামান্য সহযোগিতাই হয়তো একটি পরিবারের চিকিৎসার পথ খুলে দিতে পারে।

🙏 সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ান।
🙏 সাহায্য করতে না পারলে অন্তত পোস্টটি শেয়ার করুন।

আপনার একটি শেয়ার হয়তো এই অসহায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে পারে একজন সহৃদয় মানুষের সাহায্য।

#তিথির_পাশে_দাঁড়ান #অসহায়_পরিবার #মানবিক_সহায়তা #সাহায্যের_আবেদন #মানবিকতার_জয়

কোন ছেলে সন্তান নেই এই অসহায় বাবা মায়ের, দুইটা মেয়ে সন্তান থাকলেও তাদের বিয়ে হয়েছে তারাও খোজ নেয় না বাবা মায়ের। ব...
05/09/2026

কোন ছেলে সন্তান নেই এই অসহায় বাবা মায়ের, দুইটা মেয়ে সন্তান থাকলেও তাদের বিয়ে হয়েছে তারাও খোজ নেয় না বাবা মায়ের। বৃদ্ধ বয়েসে তাদের কষ্টের শেষ নাই। প্রতিদিনই তাদের না খেয়ে থাকতে হয়। কারণ পরিবারের একটা মানুষও নাই ইনকাম করবে।

অসহায় মা বাড়ি বাড়ি ভিক্ষা করে কোন মতে বেচে ছিল এতো দিন কিন্তু সেও এখন অসুস্থ। এখন না খেয়ে থাকতে থাকতে মৃত্যুর অপেক্ষা করছেন তারা। ক্ষুধার কষ্টের একটা অসহায় বাবা মা মা*রা যাবে। আজ একটা ছেলে সন্তান থাকলে হয়তো তাদের এইভাবে না খেয়ে মা*রা যেতে হতো না।

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এক হৃদয়বিদারক বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন ৯০ বছরের বৃদ্ধ নামদার আলী ও তাঁর ৮০ বছরের স্ত্রী বুলু বেগম। বয়সের ভারে শরীর যখন পুরোপুরি নুয়ে পড়েছে, তখন পাশে নেই কোনো আপনজন।

সংসারে নেই কোনো ইনকাম করার মানুষ, নেই মাথা গোঁজার মতো নিরাপদ একটি ঘরও। অন্যের জমিতে পাটখুরির বেড়া আর পুরনো টিন দিয়ে তৈরি জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন কাটছে তাদের. পেটে দু মুঠো খাবার জোটে না ঠিকমতো। প্রতিবেশীদের দেওয়া সাদা ভাত আর এক চিমটি লবণেই চলে তাদের কষ্টের দিন. মাছ-মাংস তো দূরের কথা, অসুস্থ শরীরে ওষুধ কেনার সামর্থ্যটুকুও আজ তাদের নেই .

মেয়েরা বিয়ে হয়ে নিজেদের সংসারে চলে যাওয়ায় বৃদ্ধ বয়সে এই মা-বাবার খোঁজ নেওয়ার কেউ নেই. ৯০ বছরের অসুস্থ স্বামীকে বিছানা থেকে ওঠানো থেকে শুরু করে খাবার মুখে তুলে দেওয়া—সব দায়িত্ব এখন ৮০ বছরের অসুস্থ বুলু বেগমকেই একা সামলাতে হয়. অথচ এই বয়সে নিজেরই তো অন্যের সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল !

ক্ষুধার জ্বালায় জর্জরিত এই অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির শেষ বয়সের এই করুণ আর্তনাদ সত্যিই পাথর হৃদয়েও রক্তক্ষরণ ঘটায়। সমাজের বিত্তবান ও সহানুভূতিশীল মানুষ একটু বাড়িয়ে দিলে হয়তো জীবনের শেষ দিনগুলোতে দু মুঠো খেয়ে বেঁচে থাকতে পারতেন এই হতভাগ্য বাবা-মা।
#অসহায়

ছেলে হা/ড্ডি-গু/ড্ডি হইলেও খুঁইজ্যা দ্যান”—আড়াই মাস ধরে সন্তানের অপেক্ষায় বাবাএকজন বাবা তাঁর সন্তানের কাছে কিছু চান না।চ...
04/09/2026

ছেলে হা/ড্ডি-গু/ড্ডি হইলেও খুঁইজ্যা দ্যান”—আড়াই মাস ধরে সন্তানের অপেক্ষায় বাবা
একজন বাবা তাঁর সন্তানের কাছে কিছু চান না।
চান না টাকা-পয়সা, চান না কোনো সম্পদ।

শুধু চান—তাঁর ১৩ বছরের ছেলেটাকে খুঁজে দেওয়া হোক।

গত ১৪ জুন বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ফরিদপুরের সালথার ইউসুফদিয়া ভদ্রপাড়া গ্রামের ইমরান খান। বাবার ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ে ধান ভাঙাতে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু সেদিনের পর থেকে ইমরান আর বাড়ি ফেরেনি।

তারপর কেটে গেছে দিনের পর দিন, সপ্তাহের পর সপ্তাহ। আড়াই মাস ধরে ছেলেটির কোনো সন্ধান নেই।

পরিবারের খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাওয়া গেছে ইমরানের ভ্যান। একটি পাটক্ষেত থেকে উদ্ধার হয়েছে তার জুতা ও একটি কোদাল।

ভ্যান আছে, জুতা আছে, কোদাল আছে—শুধু নেই ইমরান।
মা হাজেরা বেগম আজও দরজার দিকে তাকিয়ে থাকেন। হয়তো তাঁর মনে হয়, এই বুঝি ছেলে ফিরে এসে মাকে ডাকবে।

কিন্তু প্রতিদিন সূর্য ডোবে, রাত নামে—ইমরান আর ফিরে আসে না।
মায়ের বুকফাটা কথা—
“গাড়ি পাইছি, ছেলেটারে পাই নাই।”
আর বাবার আকুতি শুনলে যে কারও হৃদয় ভারী হয়ে আসে—

“ছেলে হা/ড্ডি-গু/ড্ডি হইলেও খুঁইজ্যা দ্যান।”
একজন বাবার এর চেয়ে অসহায় আবেদন আর কী হতে পারে?

ইমরান জীবিত থাকলে তাকে খুঁজে বের করে দ্রুত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আর যদি তার সঙ্গে কোনো অঘটন ঘটে থাকে, তাহলে অন্তত সত্যটা তাঁর বাবা-মাকে জানানো হোক।

কারণ একজন সন্তানের জন্য অপেক্ষা করা মা-বাবার কাছে প্রতিটি দিন যেন একেকটি বছর।
এই পরিবারটাকে আর অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখবেন না।

ইমরানের সন্ধান হোক।
সত্য সামনে আসুক।

একজন মা-বাবার দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হোক।

যদি ইমরানকে কোথাও দেখে থাকেন বা তাঁর বিষয়ে কোনো তথ্য জানেন, দয়া করে পরিবারের সঙ্গে অথবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

#ইমরানের_সন্ধান_চাই
#নিখোঁজ_ইমরান
#বাবার_আকুতি
#মায়ের_অপেক্ষা
#মানবতার_ডাকে

বাবার ঋণ মাফ করে দিলেন ছেলে—পুড়িয়ে দিলেন সব দেনার কাগজ! মিশরের এক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আল-সাক্কার মৃ/ত্যু/র পর তাঁর ছেলে এম...
04/09/2026

বাবার ঋণ মাফ করে দিলেন ছেলে—পুড়িয়ে দিলেন সব দেনার কাগজ!

মিশরের এক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আল-সাক্কার মৃ/ত্যু/র পর তাঁর ছেলে এমন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভাইরাল হওয়া পোস্টে দাবি করা হয়েছে, বাবার মৃ/ত্যু/র পর তাঁর ব্যবসার গ্রাহকদের কাছে থাকা বকেয়া ঋণ মাফ করে দিয়েছেন ছেলে। শুধু তাই নয়, তিনি প্রকাশ্যে গ্রাহকদের ঋণের কাগজ ও প্রমিসরি নোট পুড়িয়ে দেন—যাতে সেই দেনা আর কারও ওপর বোঝা হয়ে না থাকে।

ছেলের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ছিল তাঁর বাবার জন্য চলমান সদকায়ে জারিয়া হিসেবে করা একটি কাজ।
ভাবুন তো—
বাবা চলে গেছেন দুনিয়া ছেড়ে, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া সম্পদকে আঁকড়ে না ধরে ছেলে বেছে নিলেন ক্ষমা ও মানুষের উপকারের পথ।
কেউ সম্পদ রেখে যায়, কেউ রেখে যায় মানুষের দোয়া।

আর সবচেয়ে সুন্দর উত্তরাধিকার হয়তো সেটিই—যে সম্পদ দিয়ে মানুষের কষ্ট কমে এবং মৃ/ত্যু/র পরও যার সওয়াবের আশা করা যায়।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে এমনভাবে বাঁচার তৌফিক দিন, যেন আমাদের চলে যাওয়ার পরও মানুষের মুখে আমাদের জন্য দোয়া থাকে।

#সদকায়ে_জারিয়া
#মানবতার_দৃষ্টান্ত
াফ
#ইসলামিক_শিক্ষা
#মানুষের_জন্য_মানুষ

03/09/2026

গাইবান্ধা জেলাই সেরা।

অসহায় এই মায়ের স্বামী পাগল। তাঁর দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। কিন্তু কিছুদিন আগে এক ছেলে মারা গেছে এবং দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছ...
03/09/2026

অসহায় এই মায়ের স্বামী পাগল। তাঁর দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। কিন্তু কিছুদিন আগে এক ছেলে মারা গেছে এবং দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছে। অপর এক ছেলে আছে, যে তার মা-বাবাকে ভাত দেয় না। অসহায় মা ভিক্ষা করে পাগল স্বামীকে নিয়ে কোনোমতো বেঁচে আছেন। কিন্তু বয়সের ভারে তিনি আর বাইরে যেতে পারেন না। দুই দিন ধরে না খেয়ে আছেন; ক্ষুধার কষ্টে পাগল স্বামী বাড়ি থেকে চলে গেছেন। কোথায় আছেন, তা অসহায় মা জানেন না।

অসহায় মা তাঁর ছেলেকে বলেছেন, "দুই দিন ধরে না খেয়ে আছি, আমাকে খাবার দে।" কিন্তু সন্তান তাঁকে খাবার দেয়নি। যেন সন্তান চাচ্ছে মা মারা যাক। ভাঙা-চুরা ঘরে থাকেন তিনি, ঘরে নেই কিছুই। এই ভাঙাচুরা ঘর তাঁর এক মেয়ে লিখে নিয়েছে। অসহায় মায়ের এখন দেহটা ছাড়া কিছুই নেই।

এখন মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছেন এই অসহায় মা। দুনিয়া ছেড়ে চলে গেলেই হয়তো বেঁচে যাবেন তিনি। বলছিলাম গ্রাম বাহাদুরপুর, থানা ভূয়াপুর, জেলা টাঙ্গাইলের এই অসহায় মায়ের কথা। কোনো মহৎ মানুষ তাঁকে একটু খাবারের ব্যবস্থা করে দিলে খেয়ে-পড়ে বেঁচে থাকতেন। ক্ষুধার কষ্টে মারা গেলে আল্লাহর কাছে আমরা কী জবাব দেবো? সে তো আমাদের প্রতিবেশী, আমাদেরই মা। মানুষ তো মানুষের জন্য, তাহলে আমরা ভালো খাচ্ছি আর এক মা না খেয়ে মারা যাচ্ছেন!

#অসহায়_মা #মানবতার_ডাক #একটু_সহায়তা #ক্ষুধার_কষ্ট #মানুষ_মানুষের_জন্য #টাঙ্গাইল #ভূয়াপুর #অসহায়ের_পাশে_দাঁড়ান

শত শত মানুষ পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে, কিন্তু কারো মনে একটুও দয়া হলো না; কেউ একটি টাকাও বাড়িয়ে দিল না এই অসহায় মায়ের দিকে। আ...
03/09/2026

শত শত মানুষ পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে, কিন্তু কারো মনে একটুও দয়া হলো না; কেউ একটি টাকাও বাড়িয়ে দিল না এই অসহায় মায়ের দিকে। আচ্ছা, তার কি এই বয়সে এসে মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পাতার কথা ছিল? তিনি তো শখ করে বা ইচ্ছা করে ভিক্ষা করছেন না। তার ক্লান্ত শরীরের দিকে তাকালে স্পষ্ট বোঝা যায়, বয়সের ভারে আর বার্ধক্যের যন্ত্রণায় তার হাড়-মাংস আর চলছে না। শুধু দুই মুঠো খেয়ে-না খেয়ে কোনোমতে বেঁচে থাকার জন্যই তো তাকে আজ মানুষের কাছে হাত পাততে হয়।

এই অসহায় মাকে একটু সাহায্য করলে বা সামান্য কিছু টাকা দিলে কি এমন ক্ষতি হয়ে যাবে? সে তো এই ভিক্ষার টাকায় কোনো দিন কোটিপতি হয়ে যাবে না! সে কেবল চায় দু’বেলা দু’মুঠো খেয়ে একটু শান্তিতে বেঁচে থাকতে। রাস্তায় কখনো এমন কোনো অসহায় মানুষের দেখা পেলে দয়া করে খালি হাতে ফিরিয়ে দেবেন না। তারা তো ইচ্ছে করে এই পথ বেছে নেননি; শারীরিক অক্ষমতার কারণে কাজ করতে পারেন না বলেই বাধ্য হয়ে এই কঠিন পেশাকে বেঁচে নিয়েছেন।

বিশ্বাস করুন, এই পেশাটা মোটেও সহজ নয়। কখনো নিজের জীবনে এমন কোনো ঘোর বিপদে পড়ে দেখবেন, যখন মানুষগুলোর কাছে হাত জোড় করে একটু সাহায্যের বা কিছু টাকার ধার চাইতে হয়—তখন বুঝতে পারবেন মানুষের দুয়ারে হাত পাতার যন্ত্রণাটা ঠিক কতটা কষ্টের!

02/09/2026

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sajjad..09 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share