Nawabi khana

Nawabi khana Nawabi khana home Cooked Food delivery service.Maintaining hygiene and taste is our first priority.

Insha Allah we provide healthy yet tasty food.We can also supply corporate office lunch box and personal programs food.24 hours pre-order only in Dhaka.

05/10/2021
অনেকেরই জানার দরকার
05/10/2021

অনেকেরই জানার দরকার

আমাদের সবার জানা উচিত
05/10/2021

আমাদের সবার জানা উচিত

মাঝে মাঝে মুখের রুচি একটু পরিবর্তন করতে হয়
02/10/2021

মাঝে মাঝে মুখের রুচি একটু পরিবর্তন করতে হয়

01/10/2021

লাল চিনি বনাম সাদা চিনি

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যে শর্করা জাতীয় খাবার থাকে, তাতে যে পরিমাণ চিনি থাকে, তা আমাদের দেহে গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়। পরে দেহে তা শক্তি উৎপাদন করে। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি চিনি গ্রহণ করলে দেহের জন্য তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সেক্ষেত্রে ঝকঝকে, ঝরঝরে মিহি দানার চিনির বদলে মোটা দানার বাদামী চিনি গ্রহণ করাই ভালো বলে মত দিয়েছেন স্বাস্থ্য-বিশেষজ্ঞরা। ঝরঝরে মিহি দানার এই চিনি আকর্ষণীয় প্যাকেটে বাজারজাত করার কারণে ক্রেতাদের বেশি টানে।

অন্যদিকে দেশে তৈরি আখের চিনি স্বাস্থ্যকর হলেও এটি দেখতে লালচে, এর আর্দ্রতা বেশি। অনেক সময় ক্রেতারা এই চিনি কিনতে আগ্রহ দেখান না। কিন্তু দেশীয় চিনিকলে উৎপাদিত চিনি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং শিশু খাদ্য হিসেবে উপযোগী।

আখ থেকে উৎপাদিত দেশি চিনিতে ক্যালসিয়ামের মাত্রা ১৬০ দশমিক ৩২, যা পরিশোধিত চিনিতে ১ দশমিক ৫৬ থেকে ২ দশমিক ৬৫ ভাগ। পটাশিয়াম দেশি চিনিতে ১৪২ দশমিক ৯ ভাগ, পরিশোধিত চিনিতে শূন্য দশমিক ৩২ থেকে শূন্য দশমিক ৩৫ ভাগ। ফসফরাস দেশি চিনিতে ২ দশমিক ৫ থেকে ১০ দশমিক ৭৯ ভাগ আর পরিশোধিত চিনিতে ২ দশমিক ৩৫ ভাগ।

আয়রন দেশি চিনিতে শূন্য দশমিক ৪২ থেকে ৬ ভাগ আর পরিশোধিত চিনিতে শূন্য দশমিক ৪৭ ভাগ। ম্যাগনেশিয়াম দেশি চিনিতে শূন্য দশমিক ১৫ থেকে ৩ দশমিক ৮৬ ভাগ আর পরিশোধিত চিনিতে শূন্য দশমিক ৬৬ থেকে ১ দশমিক ২১ ভাগ। সোডিয়াম দেশি চিনিতে শূন্য দশমিক ৬ ভাগ, আর পরিশোধিত চিনিতে শূন্য দশমিক ২ ভাগ।

এসব কারণে বিশেষজ্ঞরা এখন দেশে উৎপাদিত লালচে চিনি খাবার পরামর্শ দিচ্ছেন।স্বাস্থ্যসম্মত লাল চিনির জন্য

01/10/2021

জেনে রাখা ভালো বেশি মাত্রায় চিনি খাওয়ার কারণে শরীরের মারাত্বক ক্ষতি হয়ে থাকে। আসুন কী সেই ক্ষতিগুলো তা জেনে নেওয়া যাক...

১. শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা কমে যায়

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে চিনি শরীরে প্রবেশ করে ফ্রুকটোজে রূপান্তরিত হয়ে যায়, যা লিভারে মেদ জমাতে শুরু করে। সেই সঙ্গে রক্তেও ফ্যাটের পরিমাণ বাড়ে। ফলে একটা সময়ে গিয়ে ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে লিভারের কর্মক্ষমতাও কমতে শুরু করে।

২. ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়

প্লাস ওয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত এক গবেষণা পত্র অনুসারে চিনি শরীরে প্রবেশ করার পর নিমেষে সুগার লেভেলকে অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। আর এমমনটা চলতে থাকলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা যে মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

৩. হার্টের মারাত্মক ক্ষতি হয়

রক্তে চিনির মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদপিন্ডের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যায়। যে কারণে বাড়ে নানাবিধ কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে মাত্রাতিরিক্তি চিনি খাওয়ার কারণে কেউ যদি একবার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে পড়েন, তাহলেও হার্টের কর্মক্ষমতা তো কমেই, সেই সঙ্গে স্ট্রোক এবং হার্ট ফেইলিওরের সম্ভাবনাও প্রায় ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

৪. ব্লাড প্রেসার বাড়তে থাকে

বেশি মাত্রায় চিনি খেলে বাস্তবিকই রক্তচাপ বাড়তে শুরু করে। আসলে দেহে চিনির মাত্রা বাড়তে থাকলে ইনসুলিনের উৎপাদনও বেড়ে যায়, যে কারণে ধমনিতে এক ধরনের দেওয়াল তৈরি হতে শুরু করে। এই কারণেই রক্তচাপ বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্ট্রোকের মতো ভয়ঙ্কর রোগ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

৫. রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়

জার্নাল অব দা আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে চিনি খাওয়ার মাত্রা বাড়তে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই দেহের ওজন বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাও বিপদ সীমা ছাড়িয়ে যায়। শুধু তাই নয়, উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমতে শুরু করে। ফলে হার্টের উপর মারাত্মক চাপ পড়ে।

৬. এনার্জি কমতে শুরু করে

চিনি খাওয়ার মাত্রা বাড়ালে মস্তিষ্কের ভিতরে সেরাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যে কারণে ঘুম আসতে থাকে। ফলে কাজ করার ইচ্ছা একেবারে চলে যায়।

৭. মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে

প্রায় ৯০০০ মানুষের ওপর, পাবলিক হেলথ জার্নালের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি খাওয়া শুরু করলে একটা সময়ের পর ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হওয়ার প্রবনতা 40% বেড়ে যায়।

01/10/2021

জেনে রাখা ভালো সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়ার কী কী উপকার রয়েছে?
সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক কোয়া রসুন ঠান্ডা লাগার প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া রসুনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্ত পরিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করে। একইভাবে রক্তে উপস্থিত শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে রসুন। বিশেষজ্ঞদের মত, টানা এক থেকে দুই সপ্তাহ সকালে খালি পেটে রসুন খেলে ঠান্ডা লাগার ধাঁচ যাঁদের আছে সেই সমস্যা তাঁদের অনেকটা কমে যায়। শরীরকে ডিটক্সিফাই করার কাজে রসুনের জুরি মেলা ভার। পাশপাশি পরিপার ক্রিয়া উন্নত করতে প্রতিদিন এক কোয়া রসুন অত্যন্ত কার্যকর। শুধু এই নয় ভাইরাস ও সংক্রমণজনিত অসুখ প্রতিরোধ করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে রসুন। এমনকী স্নায়বিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে রসুন। যতৃৎ ও মুত্রাশয়ের কাজ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে রসুন। হজমের সমস্যা, ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানির মত সমস্যা রোধে রসুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রেখে হৃপস্পন্দেনর হার নিয়ন্ত্রনে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে রসুনের। তাই সকাল বেলা খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে দূরে থাকতে পারবেন এতগুলো রোগের হাত থেকে।

01/10/2021

হরলিক্স অথবা কমপ্লান খেলে কী বাচ্চারা তাড়াতাড়ি বেড়ে ওঠে ?

বিভিন্ন গবেষণায় ইতোমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে যে হরলিক্স কিংবা কমপ্ল্যান জাতীয় ড্রিংকগুলো খেলে লাভ তো হয় না বরং ক্ষতিও হতে পারে। তর্কের খাতিরে আমি ধরে নিলাম হরলিক্স আর কমপ্ল্যান নিয়ে যেসব গবেষণা হয়েছে সেগুলোর ফলাফল ভুল।

একটু ভিন্নভাবে হরলিক্স এর পুষ্টিগুণ যাচাই করা যাক। এইতো কয়েকদিন হলো টোকিও অলিম্পিক ২০২০ সমাপ্ত হলো। শত শত দেশের হাজারো এথলেট এতে অংশগ্রহণ করেছে। শত শত খেলোয়াড় নিজের দেশের মুখ উজ্জ্বল করে জয় করেছে গোল্ড-সিলভার-ব্রোঞ্জ মেডেল। এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ ই নেই যে অলিম্পিক এর বিভিন্ন ইভেন্ট খেলোয়াড়দের শারীরিক আর মানসিক সক্ষমতার চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়।

এখন আমাকে একটা প্রশ্নের উত্তর দিন তো, ঠিক কতজন খেলোয়াড় (যারা অলিম্পিকে পদক পেয়েছে) হরলিক্স কিংবা কমপ্লেন খেয়েছে? উত্তর হবে শূন্য। কিভাবে বুঝলাম? যদি একজন এথলেট ও হরলিক্স খেয়ে পদক জিততো, আপনার কি মনে হয়না হরলিক্স কোম্পানি সেটা নিয়ে বিজ্ঞাপন বানিয়ে প্রচার করতো? তাই হরলিক্স-কমপ্লেন খাওয়া বন্ধ করুন। ম্যাথ অলিম্পিয়াডে সবচেয়ে বেশি পদক পায় চীন। সেই চীনের মার্কেটেই হরলিক্স-কমপ্লেন ব্যানড। এরপরও কি বলবেন হরলিক্স পুষ্টিকর?

01/10/2021

জেনে রাখা ভালো ডিম খান পুরোটাইঃ

ডিমের হলুদ অংশ শরিরের জন্য ক্ষতি, বর্তমানে বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্করা এই কথাটা শুনে শুনে বেড়ে ওঠেন। ডিম খেলে হার্টের স্টকের ঝুঁকি বাড়ে এবং রক্তে কোলেস্ট্রল বাড়ায় ইত্যাদি, যদিও এই রূপকথাটি বিজ্ঞানিরা বরাবর অস্বীকার করে আসছেন। কারণ ডিম এমন অনেক খাদ্য উৎসাগুলির মধ্যে একটি যা প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি ধারণ করে। আপনাকে পুরো ডিম খেতে হবে, কারণ ভিটামিন ডি থাকে ডিমের কুসুমে। তাই প্রতিদিনের শুধু ডিম ভিটামিন ডি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করার পক্ষে পর্যাপ্ত নয়, তবে আপনার শরিরে স্বাস্থ্যকর প্রোটিন পৌঁছাতে সহায়তা করবে।

01/10/2021

কীভাবে ভেজাল দুধ বোঝা সম্ভব? জেনে রাখা ভালো

১। ভেজাল দুধ হাতে নিয়ে ঘষলে সাবানের মতো অনুভূতি হবে।

২। কিছুটা দুধ নিয়ে তার মধ্যে সালফিউরিক অ্যাসিড মিশিয়ে দেখুন। যদি নীল রং দেখা যায়, বুঝতে হবে ফর্মালিন মেশানো রয়েছে দুধে।

৩। কয়েক ফোঁটা দুধ ঘরের মেঝেতে ঢেলে দিন। মাটির ঢাল অনুযায়ী দুধ গড়িয়ে যাবে। দুধ খাঁটি হলে মেঝেতে সাদা দাগ পড়বে। কিন্তু ভেজাল দুধে কোনও দাগ থাকবে না।

৪। ফাঁকি দেয়ার জন্য অসাধু ব্যবসায়ীরা আটা, গুঁড়া দুধ, ময়দা এমনকি চালের গুঁড়োও দুধের সঙ্গে মেশান। এতে দুধের আপেক্ষিক ঘনত্বের খুব বেশি হেরফের হয় না। দুধে এসব ভেজাল মেশানো আছে কি না, তা বোঝার জন্য দু চামচ দুধ একটি কাপে নিন। এতে দুই ফোঁটা টিংচার আয়োডিন মিশিয়ে দিন। দুধের রং হালকা নীল হলে বুঝবেন, এতে ভেজাল হিসেবে আটা বা ময়দা মেশানো রয়েছে।

৫। অনেক সময় দুধে কার্বোহাইড্রেট মেশানো হয়। আধা কাপ দুধ একটা পাত্রে নিয়ে তার মধ্যে ২ চামচ লবণ দিন। দুধের রং নীল হয়ে যায় বুঝতে এতে কার্বোহাইড্রেট মেশানো হয়েছে।

01/10/2021

পাঙাশ মাছ খেতে নিষেধ করা হয় কেন? পাঙাশ মাছ খেলে কী হয়?
পাঙ্গাস মাছ থেকে সাবধান। পারলে এখনই খাওয়া বন্ধ করুন। তা না হলে অ্যাস্থমা, করোনারি ডিজিজ, হাড় ক্ষয়ের মতো নানা রোগ এমনকি ক্যান্সারের মতো মারণ রোগও অচিরেই বাসা বাঁধতে পারে শরীরে।কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি গবেষণায় পাঙ্গাস সম্পর্কে মারাত্মক তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন। দেখা গিয়েছে, পাঙ্গাস মাছের থাকা উপাদান শরীরকে ধীরে ধীরে শেষ করে। এক কথায়, স্লো পয়জন।কেন পাঙ্গাস বিপজ্জনক? পাঙ্গাস মাছ বড় হয় সাধারণ অবস্থাতেই। কিন্তু চাষ করা হয় ফার্মে। আমরা বাজার থেকে যে পাঙ্গাস কিনি, সেগুলি সবই নির্দিষ্ট কারখানায় চাষ করা হয়। আর এখানেই বিষ হয়ে যায় পাঙ্গাস । ফার্মে পাঙ্গাস স্বাদ বাড়ানোর ও সংখ্যায় বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় নানা রকম রাসায়নিক সার। সঙ্গে বিষাক্ত কীটনাশক। দেখা গিয়েছে, ফার্মে পাঙ্গাস চাষে ব্যবহার করা হয় এমন কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা থেকে ক্যান্সার হয়। তাই চিকিৎ‌সকদের পরামর্শ, সুস্থ ভাবে বাঁচতে অবশ্যই মাছ খান তবে পাঙ্গাস নয়।

29/09/2021

Address

Elephant Road
Dhaka
1100

Telephone

+8801303385558

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nawabi khana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nawabi khana:

Share

Category