29/08/2024
বাংলাদেশকে যদি আমরা সত্যিকার অর্থেই সংস্কার করতে চাই তাহলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পাশাপাশি পূর্ণ সমর্থন দিয়ে ছাত্রদের কাজ করে করে জিতে হবে। কারন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষে প্রতিটা ছেক্টরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাবে কাজ করা বা খেয়াল রাখা সম্বব না। কুচক্রী মহল যদি সংজ্ঞবদ্য হতে পারে তাদের অপকর্মে তাহলে তাদের আবার দমন করতে হয়তো অনেক ছাত্রদের জীবন দিতে হবে। সুতরাং ছাত্রদের আগেছেকেই সতর্ক হয়ে কুচক্র মহলকে দমনকরে রাখতে হবে যাতে কোনো ভাবে ক্ষতি না করতে পারে। বিশেষ করে কিছু কিছু জায়গা আছে যেখানে খুব করা ভাবে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। যেমনঃ
১) ট্রাফিক পুলিশের সাথে ছাত্র দেড় একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে ( তাতে করে যেমন রাস্তার এলোমেলো ভাবে গাড়ি চালান বন্দো করা যাবে, অন্য দিকে ট্রাফিক পুলিশের গুষ খায়া আটকান যাবে )
২) মেডিকেল গুলিতে ছাত্রদের স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতে হবে (এতে করে যেমন চিকিসা সেবায় উন্নতি হবে তেমন অনেক দুর্নীতি কমানো যাবে)
৩) পাসপোর্ট অফিসে কাজ করতে হবে (এইখানে আমাদের অজাত তরুণ প্রবাসে যাবার আগেই অনেক দুর্নীতির শিকার হয় সেটাকে বন্দকরেট হবে)
এইধরণের সার্বিসের সাথে ছাত্রদের থাকা উচিত। তাতে করে আমার মোতে দেশের ২টি ল্যাব হবে। আগামী ভবিষতে দেশ দক্ষ নাগরিক পায়ে, ছাত্ররা তাদের কোন কাজে আগ্রহ সেটাও খুঁজে পাবে। এবার আসাযাক তারা যদি রাষ্ট্রীয় কাজে এখনই অংশ গ্রহণ করে তাহলে তারা পড়া শুনা কখন করবে? তারজন্যে পতি দিন একটা স্কুলের ২০% ছাত্র ছাত্রী এই সকল কাজে অংশগ্রন করবেন। এখানে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্ররা থাকবে। এবং তাদের নেতৃত্বর ধারাবাহিকতায় ধাপে যাবে থাকবে। আর তাদের মূল নেতৃত্বে থাকবেন জিয়া সার্বিসে যাবেন সেই সার্বিসের সরকারি কর্মকর্তারা। তাদের ম্যানেজমেন্টে আসা জায়াতে থাকবে থানার পুলিশ প্রশাসন।