Life's Palette

Life's Palette We are ONE

বেগম খালেদা জিয়া✊
30/12/2025

বেগম খালেদা জিয়া✊

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।১৯৪৫-২০২৫
30/12/2025

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
১৯৪৫-২০২৫

শোনো বন্ধু শোনো, প্রেমহীন এই দোজখের ইতিকথা...  ূর্বর_গল্পলেখাটি এনএসইউ’র ছাত্র অপূর্বকে নিয়ে। সাম্প্রতিক সময়ে সে কোরআন অ...
08/10/2025

শোনো বন্ধু শোনো, প্রেমহীন এই দোজখের ইতিকথা...

ূর্বর_গল্প

লেখাটি এনএসইউ’র ছাত্র অপূর্বকে নিয়ে। সাম্প্রতিক সময়ে সে কোরআন অবমাননার মতো একটি কাজ করেছে এবং ভিডিও করে নিজেই পোস্ট করেছে। বর্তমানে সে পুলিশ হেফাজতে আছে। তার এই কাজ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে, এবং তাকে বিনা বিচারে হত্যার জন্য প্রচারও চলছে। আমার লেখার উদ্দেশ্য কোনো পক্ষ নেওয়া নয়। আমি সমাজবিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে অপূর্ব সম্পর্কে যা জানি, এবং সেই প্রেক্ষিতে কয়েকটি প্রশ্ন তুলতে চাই। প্রশ্ন গুলোর উত্তর যদি আপনি জানেন তবে আমাকে জানাবেন।

অপূর্বর সঙ্গে আমার পরিচয় ২০২২ সালের, সমাজবিজ্ঞান ১০১ ক্লাসে। সমাজবিজ্ঞানের ক্লাসে অনেক বিষয় নিয়ে কথা হয়, যা হয়তো পাবলিক স্পেসে ‘ট্যাবু’ হিসেবে বিবেচিত হয়। অপূর্ব তখন ছিল অপূর্ব পাল — হিন্দু ধর্মাবলম্বী। ধর্ম নিয়ে নানা প্রশ্ন করত। শিক্ষক হিসেবে ক্লাসে যে ছাত্র প্রশ্ন করে, তাকে অনেকেই মনে রাখে। আমারও ওর কথা মনে ছিল। আমার মনে হয়েছিল ছেলেটির জানার আগ্রহ প্রবল, কিন্তু খুব আবেগপ্রবণ; যা বিশ্বাস করে তার বাইরে মতামত শুনতে আগ্রহী নয়।

যাই হোক, সেই সেমিস্টার শেষ হলো। ঠিক মনে নেই, ওকে কী গ্রেড দিয়েছিলাম। তবে রেজাল্ট প্রকাশের পর একদিন বন্ধুদের সঙ্গে আমার অফিসে এসে দেখা করল। বলল, ও সোশ্যাল সায়েন্স বা সাংবাদিকতা পড়তে চায়। এরপর আর খোঁজ নেওয়া হয়নি। প্রায় ছয় মাস পর দেখলাম, ও আমার আরেকটি কোর্সে ভর্তি হয়েছে — সেটি সাংবাদিকতা বিষয়ক।

আমি খুব অবাক হলাম। ও তখন জোব্বা পরে এসেছে, মাথায় পাগড়ি, চোখে সুরমা, টাখনুর উপরে কাপড়। কথার মধ্যে “আলহামদুলিল্লাহ”, “ইনশাআল্লাহ” বলছে। আমি অবাক হলাম, কারণ জানতাম না ও কখন ইসলাম গ্রহণ করেছিল। ধর্ম পরিবর্তন তার ব্যক্তিগত অধিকার, তাই বিষয়টি নিয়ে আমি আলাদা করে আলোচনা করিনি বা প্রশ্ন করিনি। তবে লক্ষ্য করেছিলাম, ইসলাম নিয়ে ওর অবস্থান বেশ কঠোর, একরকম পিউরিটানিকাল। ক্লাসে ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলত। কিন্তু যেহেতু সেই সাংবাদিকতা কোর্সে ধর্ম সংক্রান্ত কোনো বিষয় ছিল না, তাই এ নিয়ে আলোচনার তেমন সুযোগও ছিল না।

মিডটার্মের পরে দেখি অপূর্ব আর ক্লাসে আসে না। টানা কয়েকদিন অনুপস্থিত থাকায় আমি ওর বন্ধুদের জিজ্ঞেস করলাম, ও আসে না কেন। এক বন্ধু বলল, “স্যার, অপূর্ব এক মেয়ের প্রেমে পড়েছিল। মেয়েটি মুসলিম, এনএসইউ’র ছাত্রী। সে অপূর্বকে বলেছিল, ওর সঙ্গে প্রেম করতে হলে হিন্দু হিসেবে পারবে না — সমাজ মেনে নেবে না। তাই ধর্মান্তরিত হতে হবে।”

অপূর্ব ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু কিছুদিন পর সেই মেয়েটি সম্পর্ক ভেঙে অন্য এক ছেলের সঙ্গে চলে যায়। ধর্ম পরিবর্তনের কারণে অপূর্বর পরিবারও তাকে ত্যাগ করে। বিষয়টি শুনে আমার খারাপ লাগল। একদিকে প্রেম হারানোর কষ্ট, অন্যদিকে ধর্মান্তরের কারণে পরিবার ও সমাজের প্রত্যাখ্যান— অপূর্বর জীবনে শুরু হলো বিচ্ছিন্নতার এক দুঃসহ অধ্যায়।

এরপর একদিন দেখি, ৮ নম্বর গেটে অপূর্ব গাঁজা খাচ্ছে — সঙ্গে সেই একই বন্ধু। কয়েকদিন পরে ও ক্লাসে ফিরে এলো। পোশাক আগের মতোই, কিন্তু আচরণে অসংলগ্নতা।

আমি ওকে অফিসে ডেকে বললাম, “তোমার অনেকগুলো ক্লাস মিস হয়েছে। এই অবস্থায় আমি তোমাকে পরীক্ষায় বসতে দিতে পারি না। তুমি একটা আবেদনপত্র লেখো।” কিন্তু নিয়মের কথার বাইরে গিয়ে আমি জিজ্ঞেস করলাম, “তুমি কেমন আছ?”

ও খুব অসংলগ্নভাবে কথা বলছিল, হঠাৎ কাঁদতে শুরু করল। আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করলাম না। মনে হলো, ওর বুকফাটা কান্নায় কষ্টে হারিয়ে যাওয়া এক তরুণের আর্তনাদ আছে। আমি চেষ্টা করলাম ওকে পরীক্ষায় বসানোর, যেমন সব ছাত্রের ক্ষেত্রেই করতাম। শেষ পর্যন্ত ও পরীক্ষা দিল, ফল খারাপ হলেও পাস করল।

এরপর আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্বে গেলাম। মাঝেমধ্যে ওর নামে অভিযোগ আসতে শুরু করল — যেমন, মসজিদে গিয়ে সবাইকে “ভুলভাবে ইসলাম পালন করছে” বলে গণ্ডগোল করা, মানুষকে পর্দা করতে বলা, ক্লাসে শিক্ষকদের সঙ্গে অযথা তর্ক করা, বেআদব আচরণ করা।

একদিন ধর্ম নিয়ে মারামারির পর ও আমার রুমে এলো। খুব অস্থির, হাত-পা কাঁপছে, মুখ দিয়ে লালা পড়ছে, চিৎকার করছে। আমার অফিসের অফিসাররা সবাই আমার রুমের বাইরে ভিড় করল, ওরা ভোয় পাচ্ছিল ও হয়তো আমাকে অ্যাটাক করবে। আমি ইশারায় সবাইকে চলে যেতে বললাম। একজন গার্ড ও ইতোমধ্যে এসে দাঁড়িয়েছে। ওঁকে চলে যেতে বললাম। গার্ড বলল, “স্যার, ও কিছু করলে?” আমি বললাম, “ও আমার ছাত্র, আমি দেখছি।”

ওকে বসতে বললাম, টিস্যু দিলাম, পানি দিলাম। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে কথা বলল — সব ধর্ম নিয়ে অভিযোগ, কেন মানুষ ঠিকভাবে ধর্ম পালন করে না। ধীরে ধীরে শান্ত হলে আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কি হয়েছে?” ও বলল, “স্যার, আমি বুঝতে পারছি না, আমার কি হচ্ছে। মাজে মাঝে আমি কি করি আমার কিছু মনে থাকে না। আমার সাথে কেউ কথা বলে না। আমি কি ওদের খারাপ কিছু বলি। আপনি বলেন স্যার।”

এই বাক্যটাই যথেষ্ট ছিল ওর ভেতরের ভাঙন বোঝার জন্য। আমি ওর এক বন্ধুকে ফোন করে ডেকে আনলাম। সে আসতে চাইছিল না। আমি অনুরধ করলাম। সে এসে ওকে নিয়ে গেল। এরপর থেকে ওর সঙ্গে আর দেখা হয়নি।

ততদিনে ওর গল্প বিশ্ববিদ্যালয়ের গসিপে ছড়িয়ে পড়েছে — “পাগল”, “নেশাখোর”, এইসব তকমা ওর নামের সঙ্গে জুড়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শেষ পর্যন্ত ওকে বহিষ্কার করে।

একদিন বিকেলে অপূর্বর মা আমাকে ফোন করলেন। বয়স্ক একজন মানুষ, গলায় অপরাধবোধের কষ্ট। বললেন, “স্যার, আমার ছেলে বিপথে গেছে। আমি জানি, ও দোষী। কিন্তু ও আমার একমাত্র ছেলে।”

জানলাম, তিনি একটি সরকারি ব্যাংকে বড় পদে কাজ করেছেন। বললেন, “অপূর্বর ছোটবেলায় ওর বাবা মারা যান। আমি একাই ওকে মানুষ করেছি। শ্বশুরবাড়ির কেউ পাশে দাঁড়ায়নি। মাসিরাই খোঁজ নিত। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অফিসে থাকতে হত, ব্যাংকের চাকরি বলে কথা। সকাল আটটার সময় ছেলেকে তালা মেরে রেখে যেতাম স্যার, রাত নয়টায় ফিরে এসে দরজা খুলতাম। ও তখন একাই থাকত। আমার অপূর্ব শান্ত ছিল, কিন্তু একা থাকার কারণে পরে মানুষের সঙ্গে মিশতে পারত না। অনেক কষ্টে ওকে পড়াশোনা করিয়েছি। খুব ভয় পেতো স্যার ও একা থাকতে। কি কবর স্যার, ঐ চাকুরী না করলে ওঁকে মানুষ করবো কেমন করে। এখন যদি বিশ্ববিদ্যালয় ওকে বের করে দেয়, ওর জীবন নষ্ট হয়ে যাবে।”

তিনি আরও বললেন, “স্যার, ও ধর্ম পরিবর্তন করেছে — এতে আমার কোনো ক্ষোভ নেই। কিন্তু সমাজ তো ওকে বুঝবে না, ও তো এখন আমাদের সমাজ ছাড়া স্যার। আমি কী করব বলেন?”

আমি তাঁকে পরামর্শ দিলাম, অপূর্বর চিকিৎসার জন্য রিহ্যাবে পাঠাতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ডিন স্যারের সঙ্গে কথা বলতে। শুনেছিলাম, ও রিহ্যাবে গিয়েছিল। বছরখানেক পরে বহিষ্কার উঠে গেলে ও ফিরে আসে, কিন্তু তখন আমি আমেরিকায় চলে এসেছি। আর খোঁজ রাখা হয় নি।

গতকাল অপূর্বর ভিডিও দেখলাম। শিউরে উঠেছি। ওর অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি, বরং আরও উদ্ভ্রান্ত হয়েছে। নিঃসন্দেহে ও ধর্ম অবমাননা করেছে, বহু ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে গভীরভাবে আঘাত দিয়েছে। ওর কাজের কোনো নৈতিক বা আইনি সাফাই নেই। দেশের পেনাল কোড অনুযায়ী ওর শাস্তি হবে, পাশাপাশি চিকিৎসাও প্রয়োজন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো — এই ঘটনার দায় কার?

ব্যক্তি অপূর্বর? নাকি সমাজের?
সেই হিন্দু সমাজের, যারা এক বিধবা মায়ের পাশে দাঁড়ায়নি?
সেই শ্বশুরবাড়ির, যারা অপূর্বর বাবার মৃত্যুর পর অপূর্বর বিধবা মাএর কিংবা অপূর্ব কোন খোঁজ নেয়নি?
সেই ব্যাংক এর কর্মসংস্কৃতির, যেখানে ব্যাংকের চাকরিতে একজন মাকে সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত আটকে রাখা হয়, কিন্তু শিশুর জন্য কোনো ডে-কেয়ারের ব্যবস্থা থাকে না?
সেই মুসলমান মেয়েটির, যে বলেছিল ধর্মান্তর না হলে প্রেম সম্ভব নয়, তার পরিবার মানবে না। শেসে অপূর্বকে ধর্মান্তরিত করে আর কথা রাখে নি। কিন্তু সমাজের চোখে বাহাবা পেয়েছে একজনকে জানাতের রাস্তায় আনার জন্য।
না কি দোষ সেই সমাজের, যেখানে ভিন্ন ধর্মের প্রেম এখনো গ্রহণযোগ্য নয়, তাই কাউকে না কাউকে নিজের বিশ্বাস ছাড়তে হয়?
না কি দোষ সেই সেই ড্রাগ বিক্রেতাদের, যারা নর্থ সাউথ বা আইইউবির আশেপাশে ব্যবসা গড়ে তুলেছে, এবং অপূর্বর মতো তরুণদের ধ্বংস করছে?
নাকি দোষ সেই শিক্ষকদের, যারা ওকে “পাগল”, “অ্যাডিক্ট” বলে গসিপ করেছে? মায়ার চোখে দেখে নি। ভয় পেয়েছে, এড়িয়ে গেছে।
না কি দোষ এনএসউ এর সেই ধর্মীয় সার্কেলগুলোর, যারা অপূর্বকে ধর্মান্তরিত করেছিল কিন্তু মানসিক বিপর্যয়ের সময় পাশে ছিল না?
না কি দোষ সেই হিন্দু পরিবারের, যারা ধর্ম পরিবর্তনের কারণে নিজের আত্মীয়কে ত্যাগ করেছিল?
নাকি দোষ সেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের, যারা নিয়ম মেনে শাস্তি দিয়েছে কিন্তু চিকিৎসার জায়গা তৈরি করেনি?
অথবা দোষ সেই সহপাঠীদের, যারা ওর পাশে বসত না, ওকে ঘৃণা করত, “পাগল” বলত? উপহাস করতো?

আমি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানি না। আপনি কি জানেন?

আজ যারা অপূর্বর বিনা বিচারে মৃত্যুর দাবিতে প্রচারণা চালাচ্ছেন, তারা হয়তো গভীরভাবে আহত হয়েছেন তাদের ধর্মীয় অনুভূতি থেকে। আর সেই কারণেই সরবচ্চ শাস্তি চাচ্ছেন। কিন্তু ভেবে দেখেছেন, কোন পরিবেশে এমন এক অপূর্বর জন্ম হয়? কোন সমাজ এমন তরুণ তৈরি করে, যে একসময় নিজের ভেতরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে?

আপনি একজন অপূর্বর জীবন শেষ করতে পারেন, কিন্তু এই সমাজ যে আরও শত শত অপূর্বর তৈরি করবে — তাদের কী করবেন?

আমাদের সমাজ এক নিষ্ঠুর সমাজ। এখানে আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে হিংস্রতার ভেতর বেঁচে আছি। এই হিংস্রতার সরূপ ভয়াবহ। “সারভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট”-এর মতো, এখানে দুর্বলের পরাজয় আর সবলের জয় নিত্যদিনের বাস্তবতা। এই সমাজে দুর্বলের কোনো স্থান নেই। সব কিছু চলে সবলের গায়ের জোরে। সমাজে এমন ঘুণ ধরে গেছে যে এখানে শুধু অপূর্বর জন্ম হয়, আর তার প্রতিপক্ষ — যে আবার অপূর্বর মতো মানুষকে মেরে ফেলতে চায়। একজন আরেকজন কে সমূলে ধ্বংস করতে চায়। এখানে দরদ নেই, সহানুভূতি নেই, আছে শুধু ঘৃণা। তীব্র ঘৃণা।

একবার নিজের পরিবারের দিকে তাকান। নিজের সন্তানের দিকে তাকান। দেখবেন, হয় সেখানে একজন অপূর্বর তৈরি হচ্ছে, অথবা এমন একজন, যে অপূর্বর মতো কাউকে ধ্বংস করতে চায়। প্রশ্ন হলো — মানুষ তৈরি হচ্ছে কি?'

bin Ali

🌕🌖
07/09/2025

🌕🌖

আমি সেদিন ইন্সটায় একজন শায়েখের ভিডিও দেখসি। দেখিও নাই ঠিক, এটা মানে আল্লাহ আমারে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাইসেন মতো একটা ব্যা...
20/08/2025

আমি সেদিন ইন্সটায় একজন শায়েখের ভিডিও দেখসি। দেখিও নাই ঠিক, এটা মানে আল্লাহ আমারে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাইসেন মতো একটা ব্যাপার ছিলো।।

উনি বলতেসিলেন, "হিজাব শুধু চোখ নিচে নামানো অথবা নিজের সৌন্দর্যকে ঢাকা না। ইয়াতীমের সামনে নিজের বাবার আদর নিয়ে কথা না বলা হিজাব, বিধবার সামনে নিজের স্বামীর প্রশংসায় ভেসে না যাওয়া হিজাব, যার সন্তান হয়নাই তার কাছে গিয়ে সন্তান থাকার উপকারিতা বর্ণনা না করা, যার টাকা নাই তার কাছে বিলাসীতার গল্প না করাও হিজাব।"


এরপর তিনি একটা হাদীস বললেন যেখানে রাসূল (সা:) বসে কিছু বাচ্চাদের খেলা দেখতেসিলেন। এমন সময় বাচ্চাদের মধ্য থেকে একজনের বাবা এসে বললেন, "আমার ছেলেকে নিয়ে যেতে এসেছি।"
তখন রাসূল (সা:) বললেন, তোমার ছেলের নাম কি?

তখন ওই লোক তার সন্তানের নাম বলার পর রাসূল (সা:) বললেন, "তুমি তোমার ছেলেকে আমার ছেলে বলে না ডেকে নাম ধরে ডেকো।" তখন সেই লোক খানিকটা অবাক হয়েই জানতে চাইলেন কেন?
তখন তিনি বললেন, এখানে খেলারত বাচ্চাদের মধ্যে অনেক ইয়াতীম আছে। তুমি তোমার ছেলেকে "আমার ছেলে" বলে যখন ডাকো, তখন ওদের মন খারাপ হয়।
[এই ঘটনাটা আমি মনে আছে যেভাবে সেভাবে লিখলাম। এক্যুরেট রেফারেন্স নাই। দুঃখিত।]

এভাবে আমি কখনো ভাবিনাই আসলে। নিয়ামত নিয়ে আমাদের আচরণের বহিঃপ্রকাশেও বিনয়ী হওয়া উচিৎ।

We must not forget that each of us is actually living someone else's dream life.

জীবন আমাদের যা কিছু দিছে সেখানে আমাদের কোনো ক্রেডিট নাই, যা দেয়নাই সেখানেও আমাদের কোনো দোষ নাই।

তাই যেটা নাই সেটা নিয়ে যেমন হতাশ হওয়া যাবেনা, তেমনি যা আছে সেটা নিয়েও ঔদ্ধত্য দেখানোরও সুযোগ নাই।

©️ শামসুন নাহার প্রিয়া

🌱 জীবনের পাঠজীবন সবসময় আমাদের ইচ্ছে মতো চলে না।কখনও হারিয়ে যাওয়া পথ নতুন গন্তব্যে নিয়ে যায়, কখনও অচেনা মানুষ হয়ে ও...
09/08/2025

🌱 জীবনের পাঠ
জীবন সবসময় আমাদের ইচ্ছে মতো চলে না।
কখনও হারিয়ে যাওয়া পথ নতুন গন্তব্যে নিয়ে যায়, কখনও অচেনা মানুষ হয়ে ওঠে জীবনের বড় শিক্ষক।
তাই ব্যর্থতাকে ভয় পেও না—এটাই আপনাকে অভিজ্ঞ করে তোলে, শক্ত করে তোলে।
যতদিন শেখার ইচ্ছে থাকবে, ততদিন আপনার উন্নতির পথ থামবে না। ✨

আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা কী?

31/07/2025

মাত্রই ভূমিকম্প হলো! আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুক।
বুঝতে পেরেছেন আপনারা?

28/07/2025
১১ বছর ধরে কেবল একটি সন্তানের জন্য পৃথিবীর কোথায় যাননি হাসান! শুধু একটি সন্তানের জন্য স্ত্রী রাবেয়াকে নিয়ে দুনিয়ার সবচেয়...
22/07/2025

১১ বছর ধরে কেবল একটি সন্তানের জন্য পৃথিবীর কোথায় যাননি হাসান! শুধু একটি সন্তানের জন্য স্ত্রী রাবেয়াকে নিয়ে দুনিয়ার সবচেয়ে উন্নত হাসপাতালগুলোতে দৌড়েছেন। শত চেষ্টার পর অবশেষে টেস্টটিউবের মাধ্যমে রাবেয়ার গর্ভে আসে সন্তান। সেই আনন্দে আত্মহারা হাসান।

সন্তানের সুস্থ ডেলিভারির জন্যে স্ত্রীকে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়ে দেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, পৃথিবীর সব খ্যাতিমান ডাক্তারদের তত্বাবধানে রাখেন রাবেয়াকে। শুধুমাত্র একটি সন্তানের জন্য কতো চেষ্টা তাদের! কতো রকমের চেষ্টা!

হঠাৎ একদিন রাবেয়ার গর্ভের শিশুর হার্টবিট বেড়ে যায় এবং জরুরি সিজারের প্রয়োজন হয়। রাত ১১টার দিকে আকষ্মিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় রাবেয়ার, প্রায় অজ্ঞান হয়ে যান। ডাক্তাররা সিজারের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেন, কারণ শিশুর হার্টবিট অনিয়মিত হয়ে পড়েছে।

হাসান কাতারে কর্মরত, টেলিফোনে জানতে পারেন অবস্থার গুরুতরতা—সে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন, রাবেয়ার জীবনের নিরাপত্তায় গভীর উদ্বেগ কাজ করে। এমন সময় হাসান শুনছেন, অজ্ঞানপ্রায় গর্ভবতী রাবেয়া চিৎকার করে বলছেন, “প্লিজ, বাঁচাও আমার বাচ্চাটিকে…”।

অবশেষে ১১ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটে তাদের। হাসান-রাবেয়া দেখতে পান এক নবজাত কন্যার মুখ। নাম রাখেন— রোজাবেল।

কিন্তু ভাগ্যের লিখন ক'জনই বা পাল্টাতে পারে? পৃথিবীর সকল হাসপাতাল জয় করে জন্ম নেওয়া রোজাবেল হার মানল মাইলস্টোন কলেজের কাছে। তখন সে মেহরিন ম্যামের ক্লাস করছিল মনোযোগ দিয়ে। হঠাৎ বিকট শব্দে থমকে গেলো পৃথিবী। বিমান এসে আছড়ে পড়লো স্কুলের উপর।

না, রোজাবেল নেই। হাসান-রাবেয়ার একমাত্র সন্তান পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন হাসান—কোলের ভিতর রোজাবেলের পোড়া দেহ।

'জন্মজয়' অবলম্বনে

রেদোয়ান আহমেদ

ঢাকার মাইলস্টোনে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানের পাইলট  ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির নিহত হয়েছেন। তিনি পাবনা ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্...
21/07/2025

ঢাকার মাইলস্টোনে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির নিহত হয়েছেন। তিনি পাবনা ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।😓

আল্লাহ এই ছোটছোট বাচ্চাদের রক্ষা করুন।
21/07/2025

আল্লাহ এই ছোটছোট বাচ্চাদের রক্ষা করুন।

শিশুকে কোন চ্যানেল দেখতে দিচ্ছেন,🤷‍♀️❌ ৭টি ক্ষতিকর ইউটিউব চ্যানেল (শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ)চ্যানেল নাম ক্ষতিকর দিক উদাহর...
22/06/2025

শিশুকে কোন চ্যানেল দেখতে দিচ্ছেন,🤷‍♀️
❌ ৭টি ক্ষতিকর ইউটিউব চ্যানেল (শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ)

চ্যানেল নাম ক্ষতিকর দিক উদাহরণ

১. ChuChu TV ❌
অতিরিক্ত রঙ, শব্দ ও দ্রুতগতির ফুটেজ 👉
শিশুদের অস্থির করে তোলে, মনোযোগের সমস্যা তৈরি করে শিশু ঘুমানোর সময় বারবার এই কার্টুন দেখতে চায়, মনোযোগ কমে।

২. Cocomelon❌
অত্যধিক repetitive ও overstimulating; 👉
শব্দ ও সংগীতের মাধ্যমে “screen addiction” হয়ে যয়, বাচ্চা রেগে যায় যদি Cocomelon বন্ধ করা হয়।

৩. Diana and Roma ❌
বাস্তব জীবনের বিলাসীতা, খেলনা, ঘোরাফেরা দেখিয়ে শিশুদের ভোগবাদী মানসিকতা শেখায়👉
শিশু খেলনার জন্য জেদ করে কারণ "Diana" সেটাই করছে

৪. Vlad and Niki❌
নাটকীয়, চিৎকার ও অস্বাভাবিক আচরণ শেখায় 👉
যা শিশুরা অনুকরণ করে শিশু ঘর ভাঙচুর করে বলে “Vlad does it!”

৫. Little Baby Bum ❌
গান ও কার্টুনের মধ্যে বাস্তবতা ও কল্পনার বিভাজন দুর্বল করে, শিশুর চিন্তাশক্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে👉
শিশু সবসময় গানেই চিন্তা করে, বাস্তব কথা শুনতে চায় না

৬. Morphle❌
হিংসাত্মক ও অপ্রাসঙ্গিক রূপান্তর ও আচরণ শিশুদের মধ্যে হিংসা ও অলীক চিন্তা তৈরি করে👉
Morphle হয়ে মানুষকে ‘হারিয়ে দেওয়া’ মজার মনে করে

৭. Elsa and Spiderman Parody Videos ❌
সেক্সুয়াল সাবটেক্সট, হিংসাত্মক কনটেন্ট – এগুলো শিশুর চোখে ঝাঁকুনির মতো👉
Elsa-Spiderman ভিডিওতে অশালীন পোশাক ও সংলাপ থাকে

✅ ৭টি শিক্ষনীয় ও মেধা বিকাশমূলক ইউটিউব চ্যানেল (নিরাপদ ও উপকারী)

চ্যানেল নাম -ভালো দিক -উদাহরণ

১. Peep and the Big Wide World- বৈজ্ঞানিক চিন্তা ও অনুসন্ধান শেখায় 👉
শিশু পিপের মতো প্রশ্ন করে: “পানি কেন শুকায়?”

২. Blippi -রঙিন হলেও বাস্তব অভিজ্ঞতা শেখায় (যেমন: মিউজিয়াম, গাড়ি, কাজ) 👉
“Construction Vehicle” দেখিয়ে শেখায় কাজের প্রতি আগ্রহ

৩. Sesame Street -নৈতিক শিক্ষা, গঠনমূলক ভাষা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ শেখায় 👉
“Elmo says: Sharing is caring” শিশু মনে রাখে

৪. Ms. Rachel (Songs for Littles) -
স্পিচ থেরাপি ও ভাষা শেখাতে সহায়ক, খোলামেলা ও আসল মানব মুখ ব্যবহার করে 👉
দেরিতে কথা বলা শিশুরা Ms. Rachel দেখে শব্দ শেখে

৫. Super Simple Songs -
স্লো, ক্লিয়ার এবং নির্দিষ্ট বয়স উপযোগী গান – শিশুর শব্দভাণ্ডার বাড়ে👉
“If You’re Happy and You Know It” গান শেখায় শরীরচর্চা ও শব্দ

৬. National Geographic Kids প্রাণীজগত, প্রকৃতি, পৃথিবী সম্পর্কে শেখায় “How bees make honey” দেখে শিশুর জিজ্ঞাসা বেড়ে যায়
৭. SciShow Kids বিজ্ঞানভিত্তিক সহজ ব্যাখ্যা ও পর্যবেক্ষণ শেখায় “Why do leaves change color?” দেখে শিশু জানতে চায় প্রকৃতি নিয়ে

🔍 সচেতনতা ও পরামর্শ:

YouTube Kids অ্যাপে Parent Control ব্যবহার করুন

প্রতি ভিডিওর বিষয়বস্তু আগে দেখে দিন

সময় সীমা দিন — দিনে সর্বোচ্চ ২০ মিনিট (২-৫ বছর বয়সে) প্রতিদিনেম ৬০ মিনিট।

শিশুর পাশে বসে ভিডিও দেখুন ও আলাপ করুন
এই পোস্টের প্রতিটা চ্যানেলের কার্টুন আমি ৫-৮মিনিট করে দেখে দেখে এই চ্যানেলগুলো সিলেক্ট করেছি। তাই বলছি, কি দেখতে দিচ্ছেন তা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life's Palette posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share