আসসালামু আলাইকুম। আমার নাম মো: আলমগীর
আমি কওমী মাদ্রাসায় এরাবিকে মাস্টার্স তথা মাওলানা কমপ্লিট করেছি।
আমার অনেক দিনের সপ্ন ছিলো মাদ্রাসায় ইলমে দ্বীন শিক্ষা করে মানুষের সেবা করবো।আলহামদুলিল্লাহ এখন মানুষকে দ্বীনের শিক্ষা দিয়ে সেবা করে যাচ্ছি।
আমাদের নবী সা: ও সকল নবী আলাহিস সালাম মানুষ কে দ্বীন শিক্ষা দিতেন। ও পাশাপাশি পরিবারের ব্যয় বহন করার জন্য হালাল ব্যবসা করেতেন।ব্যবসা করা নবীদের সুন্নত।
আমার
ছোটবেলা থেকেই সপ্ন ছিলো কৃষি খামার নিয়ে কাজ করবো, যাতে মানুষ কে পিউর ও নির্ভেজাল খাদ্য দিতে পারি।তাই কৃষি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।
আমরা জানি প্রোটিন আমাদের শরীরের জন্য কত দরকারি।
আমাদের শরীর নিজ থেকে প্রোটিন তৈরি করতে পারে না, তাই বিভিন্ন খাদ্য থেকে প্রোটিন সংগ্রহ করতে হয়।
প্রোটিন ছাড়া কোনো প্রাণীর অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায় না। তাই প্রোটিনকে সকল প্রাণের প্রধান উপাদান হিসেবেও গণ্য করা হয়। আমাদের শরীরের প্রধান প্রধান কাজগুলো করার জন্য প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।
আমাদের ত্বক, চুল, আঙুল, হাড়, রক্ত ইত্যাদির জন্য প্রোটিনের প্রয়োজন। মূলত দেহের নানা অংশকে একত্রে ধরে রাখে প্রোটিন। আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখার জন্যও প্রোটিন প্রয়োজন।
এছাড়া দেহের নানা অংশে পুষ্টি পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রোটিন দরকার। সুস্থ চুল ও নখের জন্যও প্রোটিন খুবই প্রয়োজন।
শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধি সাধন ও দেহ গঠন করে।
আমাদের দেহের কোষগুলো প্রতিনিয়তই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এই ক্ষয়প্রাপ্ত স্থানে নতুন কোষ গঠন করে ক্ষয়পূরণ করতে এবং কোনো ক্ষতস্থান সারাতে প্রোটিনের ভূমিকা রয়েছে।
দেহে চর্বি ও শর্করার অভাব দেখা দিলে প্রোটিন তাপশক্তি উৎপাদনের কাজ করে।
রোগ সৃষ্টিকারী রোগজীবাণুকে প্রতিরোধ করার জন্য দেহে অ্যান্টিবডি তৈরী করা আমিষের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
মস্তিস্কের গঠন বা মানসিক বিকাশে আমিষ অপরিহার্য্য।
দেহে আমিষের অভাব থাকলে বর্ধনশীল শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যে আমিষের ঘাটতি থাকলে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়। দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা, মেধা ও বুদ্ধি কমে যায়। তাই আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।
আর প্রোটিন এর প্রধান উৎস চিকেন তথা হাস মুরগী ও হালাল প্রাণীর মাংস।
★কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে, প্রোটিনের মত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস টাও নির্ভেজাল পায় না।কারণ এই হাস মুরগী গুলো কে আবদ্ধ অবস্থায় পালন করা হয়।এবং কেমিক্যাল যুক্ত ও পঁচা জিনিস থেকে তৈরি ফিড খাওয়ানো হয়, ও নানা ধরনের এন্টিবায়োটিক ভেকসিন করা হয় যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।যা আমি ও আপনি প্রতিদিনই খেয়ে নিজের ক্ষতি করে যাচ্ছি। তাই নিয়ে আসছে দেশি চিকেন তথা দেশি মুরগী ও দেশী হাস।আর এই দেশি মুরগী ও হাসগুলো কে কোন প্রকার ফিড খাওয়ানো হয় না ও কোন প্রকার এন্টিবায়োটিক ভেকসিন ব্যবহার করা হয় না।
এই দেশি মুরগ মুরগী গুলো কৃষকের উঠনে মাঠে দৌড়াদৌড়ি করে প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে বেড়ে উঠেছে। সুতরাং এই দেশি চিকেন গুলো আমাদের জন্য উপকারী।
"আমার" আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে,জীবনে অনেক মুরগী খেয়েছেন, এইবার একবার সুন্নাহএগ্রো এর দেশি মুরগী খেয়ে দেখেন একটা।
যদি ভালো না লাগে মুল্য ফেরত দিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ।
তবে আমার অনুরোধ একটা খেয়ে দেখেন।
★যে কোন প্রয়োজনে আমার এই নাম্বারে যোগাযোগ করেন -01742015047