25/01/2024
সমকামিতা বিষয়ে আমার কিছু বন্ধুদের পজিটিভিটি আমাকে রীতিমত অবাক করে দিয়েছে!
তুমি যদি সৃষ্টিকর্তায় সামান্য বিশ্বাস রাখো তাহলে এই আর্টিকেলটা তোমার জন্য আর ছবি তুমি যদি বিশ্বাস না রাখো তাহলে দয়া করে এখানে কোন কমেন্ট কিংবা কোন রিয়েকশন এর কোন প্রয়োজন নেই দয়া করে স্কিপ করে যাও!
তোমার ধারণা যিনি শারীরিকভাবে পুরুষ হলেও মানসিকভাবে নারী সে কিভাবে আরেকজন নারীর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করবে?
সে যে মনে মনে নারী তুমি এটা কিভাবে জানলা? ওই ব্যক্তি তোমাকে বলেছে! তারমানে তুমি ওই ব্যক্তির কথা কে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছ দেন তোমার রব?
যে মানবদেহ বিলিয়নের উপরে ছোট ছোট কোষ, টিস্যু, অঙ্গ,কঙ্কাল, পেশী, স্নায়ু, কার্ডিওভাসকুলার, লিম্ফ্যাটিক, শ্বাসযন্ত্র, পাচক, অন্তঃস্রাবী, মূত্রনালী এবং প্রজনন নিয়ে তৈরি যার পূর্ণ নিয়ন্ত্রক আমাদের প্রাণ এবং সেই শরীর সহ পূর্ণ প্রাণের নিয়ন্ত্রক আমাদের রব কি কোথাও বলেছেন যে একজন পুরুষের ভেতরেও একজন নারীর বসবাস থাকতে পারে?
যেখানে পবিত্র কোরআনে মহান রব আমাদেরকে বলছেন
এবং আমি লূতকে প্রেরণ করেছি। যখন সে স্বীয় সম্প্রদায়কে বললঃ তোমরা কি এমন অশ্লীল কাজ করছ, যা তোমাদের পূর্বে সারা বিশ্বের কেউ করেনি ? তোমরা তো কামবশতঃ পুরুষদের কাছে গমন কর নারীদেরকে ছেড়ে। বরং তোমরা সীমা অতিক্রম করেছ। (আরাফ ৭:৮১-৮২)
‘সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরাই কি পুরূষদের সাথে কুকর্ম কর? এবং তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের জন্য সঙ্গিনী হিসেবে যাদের সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে বর্জন কর? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।’ (সূরা শুয়ারা ২৬:১৬৫-১৬৬) ‘স্মরণ কর লূতের কথা, তিনি তাঁর কওমকে বলেছিলেন, তোমরা কেন অশ্লীল কাজ করছ? অথচ এর পরিণতির কথা তোমরা অবগত আছ! তোমরা কি কামতৃপ্তির জন্য নারীদেরকে ছেড়ে পুরুষে উপগত হবে? তোমরা তো এক বর্বর সম্প্রদায়। উত্তরে তাঁর কওম শুধু এ কথাটিই বললো, লূত পরিবারকে তোমাদের জনপদ থেকে বের করে দাও। এরা তো এমন লোক যারা শুধু পাকপবিত্র সাজতে চায়। অতঃপর তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে উদ্ধার করলাম তাঁর স্ত্রী ছাড়া। কেননা, তার জন্যে ধ্বংসপ্রাপ্তদের ভাগ্যই নির্ধারিত করেছিলাম। (কুরআন ২৭:৫৪-৫৭) ‘আমার প্রেরিত ফেরেশতাগণ সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের কাছে আগমন করল, তখন তারা বলল, আমরা লুতের জনপদের অধিবাসীদেরকে ধ্বংস করব। নিশ্চয় এর অধিবাসীরা অপরাধী।’ (২৯:৩১) যে সমকামিতার অপরাধে একটি জাতিকে ধ্বংসের ভয়াল পরিণতি বরণ করতে হয়েছে সেই ঘৃণ্য কাজটিকেই ‘আধুনিকতা’ এবং তাদের ন্যায্য অধিকার বলবে তোমরা?
শুধু ইসলাম ধর্মগ্রন্থ কুরআনই নয়, পবিত্র বাইবেলেও সমকামিতা ভয়ংকর পাপ (আদি পুস্তক ১৯:১-১৩; লেবীয় ১৮:২২; রোমীয় ১:২৬-২৭; ১ করিন্থীয় ৬:৯) রোমীয় ১:২৬-২৭ পদ সুনির্দিষ্টভাবে শিক্ষা দেয় যে, ঈশ্বরের অবাধ্য হওয়া এবং তাঁকে অস্বীকার করার ফলস্বরূপ সমকামিতার শাস্তি দেওয়া হয়েছে। লোকেরা যখন অবিশ্বাসের কারণে পাপ করতেই থাকে, তখন ঈশ্বর “লজ্জাপূর্ণ কামনার হাতে” তাদের ছেড়ে দেন যেন তারা আরও জঘন্য পাপে ডুবে যায় এবং ঈশ্বরের কাছ থেকে দূরে থাকার ফলে নিস্ফল ও নৈরাশ্যের জীবন অনুভব করতে পারে। ১ করিন্থীয় ৬:৯ পদে বলা হয়েছে যে, যারা সমকামিতায় “দোষী”, তারা ঈশ্বরের রাজ্যের অধিকার পাবে না। ঈশ্বর সমকামিতার মনোভাব দিয়ে মানুষ সৃষ্টি করেন নাই। পবিত্র বাইবেল বলেছে, লোকেরা পাপের কারণে সমকামী হয় (রোমীয় ১:২৪-২৭) এবং এটা তাদের নিজেদের পাপপূর্ণ ইচ্ছার পরিণতি।
আমরা যদি এটার স্বীকৃতি আর বৈধতা দেই তার মানে আমরা মহান রবের নির্দেশকে অমান্য করলাম! আমরা রবের উপরে ওই মানুষগুলোকে প্রাধান্য দিলাম যারা বলছে আমরা মন থেকে নারী অথচ তারা তা নন! আমরা যতটুকু জানি রবের উপরে যদি আমরা অন্য কোন কিছুকে প্রাধান্য দেই তার অর্থ দাঁড়ায় আমরা শিরকি কাজে নিমজ্জিত হলাম! তোমরা যদি অবিশ্বাসী হয়ে থাকো তাহলে সে করলেও যা না করলেও তা এতে কিছুই আসে যায় না! আর যদি বিশ্বাসী হয়ে থাকো তাহলে বিশ্বাস রাখো এটা শুধুই মানুষিক বিকৃতি!
এদের শুধুই মানুষিক চিকিৎসা দরকার! সতর্ক করা দরকার এবং ফিরে আসার জন্য অনুরোধ করা দরকার!
ইন্টারনেট ঘাটলে তুমি এমনও ভুড়ি ভুড়ি এক্সামপল বাবা যারা সময় এমন কিছু তো নিমজ্জিত ছিল পরবর্তী জীবনে তারা স্বাভাবিক জীবন ফিরে এসেছে!
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সুস্থ জীবন যাপন করার তৌফিক দান করেন।