27/05/2026
আদ দ্বীন হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে ১৫টির মতো শিশু ছিলো। সুস্থ সবল সদ্য জন্ম নেওয়া ১-২দিনের শিশু। এদেরকে অনেককেই আজ বা কাল রিলিজ করার কথা ছিলো।
অভিভাবকদের ভাষ্যমতে, রাত ১২টার পর থেকেই প্রতিটি শিশুই প্রচণ্ড কান্না করতে থাকে। থামছিলোই না। পাশাপাশি শিশুদের মায়েরাও অসুস্থ হয়ে পড়ে। পুরো ওয়ার্ড জুড়ে কান্নাকাটি শুরু হয়ে যায়। একেরপর এক শিশু বমি করা শুরু করে। এসময় ওয়ার্ডে নাকি নার্সদেরকে পাওয়া যায়নি। তাঁরা ওয়ার্ডের বাইরে নিশ্চিন্তে মোবাইল টিপছিলো।
যেহেতু এই হাসপাতালে রাতের বেলা রোগীর পুরুষ স্বজনদেরকে কেবিনে এলাউ করে না। তাই দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা এই নারীগুলো ঠিক কী করবে বুঝতে পারছিলো না।
এভাবেই ছটফট করতে থাকা শিশুগুলো ওয়ার্ডেই ছিলো। নার্সরা নিজ গরজে শিশুদেরকে আইসিউতে নেয়নি। বাচ্চাগুলো শরীর ছেড়ে দেয়। পুরুষ স্বজনেরা চলে এলে নিজ নিজ বাচ্চাদেরকে নিয়ে আইসিউতে ছুটে গেলে এবং ভোরের দিকে একের পর এক শিশু মারা যায়।
এখন পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৫জন শিশুর মৃত্যু কনফার্ম করেছেন। কিন্তু রোগীর স্বজনদের মতে ১২টি শিশু মারা গিয়েছে। তারা অনুমান করছে রুমে গ্যাস লিকেজ বা বায়ূ দূষিত কিছু একটা ঘটেছে। সেটা তদন্ত করলেই জানা যাবে।
২০২১ সালে মগবাজার আদ দ্বীনে আমার মেয়ে জন্ম নিয়েছিলো। সেদিন একটি পোস্ট করে বলেছিলাম, আমার শত্রুও যেন মগবাজার আদ দ্বীন হাসপাতালে বাচ্চা ডেলিভারির জন্য না যায়।
৯৯.৯৯% মহিলা স্ট্যাফ দ্বারা পরিচালিত এই অসভ্য হাসপাতালের স্যাটা ভেঙ্গে যদি সভ্য না করেন। আইনের আওতায় না আনেন, জেলের ভাত না খাওয়ান। তাহলে এমন ঘটনা সামনেও ঘটবে।