26/06/2016
American কফির ১০টি উপকারিতা...........
১. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় : কফি সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শুধু যে একটা পানীয়, তা কিন্তু নয়। এটা যেমন কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, তেমনি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।
২. স্ট্রোকের আশঙ্কা কমায় : কফিপান স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে নারীদের বেলায়। নানা কারণে যেসব মহিলার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল, তাঁদের বেলায় এটি বেশি প্রযোজ্য।
৩. টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় : যাঁরা অতিরিক্ত কফি পান করেন (দিনে ছয় বা তার বেশি কাপ), তাঁদের টাইপ টু ডায়াবেটিস হওয়ার শঙ্কা কম থাকে।
৪. ঠেকায় মস্তিষ্ক বিকৃতি ও পারকিনসন্স : কফিপান ব্রেনের জন্যও ইতিবাচক। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। যাঁরা অতিরিক্ত কফি পান করেন, অন্যদের তুলনায় তাঁদের মস্তিষ্ক বিকৃতির আশঙ্কা ৬৫ শতাংশ কম থাকে। তেমনি ঝুঁকি কমায় পারকিনসন্সেরও।
৫. গলস্টোনের উপকারিতা : পরিমিত কফিপান মহিলাদের গলস্টোনের ঝুঁকি কমায়। পুরুষদের জন্য যে উপকারী নয়, তাও কিন্তু নয়। পুরুষদের গলব্লাডারেরও ঝুঁকি কমায় কফি।
৬. বাড়ায় হজমশক্তি : কখনো কি লক্ষ করেছেন, সকালে বাথরুমে যাওয়ার আগে এক বা দুই কাপ কফি পান করার পর পেটে কোনো সমস্যা হয়েছে? আসলে কফি হজমেও সহায়ক।
৭. কমায় ক্যান্সারের ঝুঁকি : নিয়মিত কফিপান ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৫ শতাংশ কমিয়ে দেয়। লিভার ক্যান্সারেরও ঝুঁকি কমায় কফি।
৮. চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে : কফিপানে প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। এ কারণে অনেকেই কফি এড়িয়ে চলেন। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু ভেবে দেখা উচিত। কেননা চর্বি কমানোর জন্য যখন ব্যায়াম করা, তখন কফিপান উপকারী। কফি চর্বি কমাতে সহায়তা করে।
৯. উপকারী দাঁতের জন্য : সবারই জানা কফিপানে দাঁতের রং বিবর্ণ হওয়ার শঙ্কা থাকাটা। তবে এর ইতিবাচক দিকও রয়েছে, যা দাঁতকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করে।
১০. মাথা ব্যথা প্রতিরোধক : মাইগ্রেনের সমস্যায়ও দারুণ কার্যকর কফিপান।
তাহলে আর দেরি কেন? দিনে পান করুন অন্তত দুই কাপ কফি।