সুস্থ জীবনের জন্য নির্ভেজাল এবং স্বাস্থ্যকর খাবার প্রয়োজন। কিন্তু দুঃখজনক সত্য হল আমাদের চারপাশে ভেজাল ও অসাস্থ্যকর খাবার এবং খাদ্য-উপকরণ দিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ব্যবসা করছে। আমরা অনেকটা বাধ্য হয়ে সেই সব অসাস্থ্যকর খাবার খেয়ে নানাধরণের অসুখের শিকার হচ্ছি।
“খাদ্য দ্রব্যে ভেজাল মিশ্রন একটি মানবিক অপরাধ”
খাবার জিনিস নিয়ে আজকাল মানুষের মধ্যে এক ধরণের ভয় তৈরী হয়েছে। তাই আমরা ক্রমশ প্রাকৃতিক খাবার যে
মনঃ ফল, সবজি, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য ইত্যাদি থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি।
‘গ্রীনমিল’ এইসব ভেজালের ভিড়ে নির্ভেজাল ও স্বাস্থ্যকর কিছু অর্গানিক খাদ্যপণ্য সরবরাহের অঙ্গীকারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ‘গ্রীনমিল’ সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ জনবল নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেশ কয়েকটি কৃষি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। যার মুখ্য উদ্দেশ্য হল অর্গানিক এবং ভেজালমুক্ত খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন।
‘গ্রীনমিল’এর কয়েকটি বর্তমান প্রকল্পঃ
•সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে নিজস্ব ক্ষেতে সরিষা চাষ করে তা থেকে খাঁটি সরিষার-তেল উৎপাদন;
•চাষকৃত সরিষা ফুল এবং বরই, আম ও অন্যান্য ফুলের মধু আহরন;
•দুধের জন্য প্রসিদ্ধ শাহজাদপুরের বাঘাবাড়ি থেকে নিজেদের তত্ত্বাবধানে উৎপাদিত খাঁটি ঘি অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য;
•ফলের জন্য বিখ্যাত রাজশাহীতে নিজস্ব আমবাগান, পেয়ারা, মাল্টা, লেবু ও লিচুবাগান থেকে সম্পূর্ণ ক্যামিকেলমুক্ত ফল সংগ্রহ;
•নিজস্ব তত্ত্বাবধানে উৎপাদিত আমন ধান দিয়ে খোলায় ভাজা মুড়ি, মোয়া ইত্যাদি;
•নিজেদের উৎপাদিত ফল দিয়ে ঘরে তৈরী মুখরোচক বিভিন্ন ধরণের আচার;
•নিজেদের জমিতে চাষকৃত বিভিন্ন সবজি;
•‘গ্রীনমিল’ স্বাস্থ্যকর পরিচ্ছন্ন পরিবেশে অভিজ্ঞ বাবুর্চি দ্বারা রান্না করা খাবারের বক্সলাঞ্চ অফিসে, বাসায় ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নির্ধারিত সময়ে সরবরাহ করেছে;
•এছাড়াও আমরা আরও বিভিন্ন ধরণের খাদ্য সরবরাহ করছি যেমনঃ আচার, কুমড়াবড়ি, চিড়া, চালের গুড়া, মটকা (টানা), গুড়, মসলা ইত্যাদি।
গ্রীনমিল জনপ্রিয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান এবং নার্সারি ‘রিকলগ্রীন’এর একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। শীঘ্রই আমরা ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে মিনি রেস্টুরেন্ট পরিচালনা শুরু করব।