Shukriya

Shukriya Shukriya, Food & Dress
Head Office: Chardubail, Sadarpur, Faridpur.

24/01/2021

জীবনকে যত হালকা ভাবে নিতে পারবেন আর আবেগকে যত নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, জীবন ততই সুন্দর ও সহজ হতে থাকবে। 🙂

05/12/2020

ফাস্টফুডের মধ্যে আপনের প্রিয় কোনগুলা?
কমেন্টে জানান!

02/12/2020

সদরপুর বাসী কোথায়!!! সুখবর !!! সুখবর!!
আমাদের নতুন যাত্রা আশা করি আপনেদের সাপোর্ট পাবো ।ফাস্টফুড এখন পাবেন ঘরে বসেই ।দোকানে বাসি খাবার খেয়ে পেট খারাপ না করে টাটকা পেলে কে ছাড়ে আবার তা ঘরে বসেই! আমরা এই সেবা দিচ্ছি শুধু সদরপুর থানার মধ্য আপাতত 😘
#শুকরিয়া

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন“আজওয়া খেজুর এসেছে স্বয়ং জান্নাত থেকে”।(তিরমিজী ২০৬৮)।এই খেজুর রাসূলুল্লাহ (সা:) এর সবচেয়ে পছন্দ...
04/11/2020

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন
“আজওয়া খেজুর এসেছে স্বয়ং জান্নাত থেকে”।
(তিরমিজী ২০৬৮)।
এই খেজুর রাসূলুল্লাহ (সা:) এর সবচেয়ে পছন্দের ছিল। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ও অসাধারণ স্বাদের কারণে একে ‘কিং অফ ডেটস’ আখ্যা দেয়া হয়। এই খেজুর তুলনামূলকভাবে নরম ও শুষ্ক হয়।
>>> খেজুর কেন খাবেন?
> খেজুরে আছে অনেক গুণ। প্রাকৃতিক আঁশের আধিক্য থাকায় এর উপকারিতা ও গুরুত্ব অনেক। গবেষকদের মতে শুকনা খাবারের মধ্যে খেজুরেই সবচেয়ে বেশি পলিফেনল থাকে। বিপজ্জনক অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে পলিফেনল। খেজুরের চেয়ে ভালো পটাশিয়াম উৎস আর হয় না। এটা সোডিয়ামেরও ভালো উৎস। কিডনি ও স্ট্রোক জটিলতা এড়াতে এর ব্যাপক প্রয়োজন রয়েছে। এ কারণে চিকিৎসকরা প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। খেজুরের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিমাণে তেল, ক্যালসিয়াম, সালফার, আইরন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম বিদ্যমান যা সুস্বাস্থের জন্য অতি দরকারি।
>> আজওয়া খেজুরের আরো অনেক উপকারিতা আছে। যেমন –
> স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে
> হৃদরোগীদের জন্য বেশ উপকারী
> রক্ত উৎপাদনকারী
> হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক
> রুচি বাড়ায়
> ত্বক ভালো রাখে
> দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে
> রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
> পক্ষাঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী
> ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে
> কোলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়
> নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা অনেক
> পাতলা পায়খানা বন্ধ করে
> পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমার জন্য উপকারী
> উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাটসম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠান্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী
> মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে
> যাদের হার্টের সমস্যা আছে তাদের জন্য খেজুর খুবই উপকারী
> খেজুর লৌহসমৃদ্ধ ফল তাই রক্তশূন্যতা দূরীকরণে ভূমিকা রাখে।
চাইলে আপনিও সংগ্রহ করতে পারেন।

11/12/2019

ওগো

ওগো, তুমি কি বৃষ্টি? নাকি বৃষ্টির মতো?
রোদ্দুর, নাকি রোদ্দুরের ছায়া?
তোমার চলার পথ কি মসৃন নাকি এবড়ো থেবড়ো?
খুব জানতে ইচ্ছে করে।
তুমি কি বাতাস নাকি বহমান নদী?
তোমারও কি তৃষ্ণা লাগে?
ছুটে যেতে ইচ্ছে করে অথই সমুদ্দুর?
আকাশ পানে তুমিও তাকাও?
বিহগের সুরে তুমিও বুঝি সুর মিলাও?

ওগো, তুমি কি স্রোতস্বিনী নাকি নির্লিপ্ত?
তুমিও কি কাজল আঁকো চোখে?
তোমারও কি ইচ্ছে করে প্রেমে পড়তে?
প্রেমিকের চোখে তাকিয়ে-
তোমারও কি স্বপ্ন জাগে?
প্রতীক্ষা করতে তোমারও বুঝি খুব ভালো লাগে?
কপালে নীল টিপ আর নীল শাড়ি পড়ে-
তুমিও বুঝি দরজায় দাড়াও?
কখন কড়া নড়ে!

যখন সামনে এসে দাড়ায় প্রিয়,
লজ্জায় তোমার চোখও কি অবনত হয়?
তোমার ঠোঁটেও কি লাজুক হাসি খেলে?
তোমার হৃদয়ও কি ধুপ ধুপ করে?
খুব জানতে ইচ্ছে করে।

বইয়ের ভাজে গোলাপের পাপড়ি
তুমিও কি রাখো?
তোমার কি ইচ্ছে করে কেউ একজন
বাদামের খোসা ছাড়িয়ে দিক।
ক্লান্ত হয়ে ফিরে আসার সময়
কেউ একটা কৃষ্ণচূড়া বা কদম নিয়ে আসুক!

জানি তোমারও ইচ্ছে করে-
কেউ হৃদয় দিয়ে তোমায় ভালোবাসুক।
হলেই না হয় কৃষ্ণ কালো।
তোমারও যে ইচ্ছে জাগে।

05/05/2019

কবি ও কথা সাহিত্যিক জাহিদ হাসান জনির লেখাঃ
'যৌন-নির্যাতন' যখন নারীর অস্ত্র’

সম্প্রতি মাদারীপুর সদর উপজেলার দুই সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন এক নারী শিক্ষক। দিনেদুপুরে লোকারণ্য অফিস কক্ষে দুই জন অফিসার একজন নারী শিক্ষকের শ্লীলতাহানি করবেন এটা কি কোনো ভদ্রলোক বিশ্বাস করতে পারেন নাকি বিশ্বাস করা সম্ভব? আসুন অভিযুক্ত এক শিক্ষা অফিসারের জবানিতে বিষয়টি উপলব্ধি করার চেষ্টা করি - - -

"আমি মোঃ তোফায়েল হোসেন, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, মাদারীপুর সদর। সারা দেশে আমাকে নিয়ে যে খবরটি ছড়িয়ে পড়েছে পত্রপত্রিকায় ও টেলিভিশনে, সেই খবরের সূত্রপাত থেকে কিছু বিষয় পরিষ্কার করা জরুরী হয়ে পড়েছে। এত সাড়া জাগানো আলোচনা বিশেষত নেতিবাচক আলোচনা আমার পক্ষে সহ্য করা অসম্ভব। আমি খুবই ক্ষুদ্র একজন মানুষ। মাঝে মাঝে কিছু কবিতা টবিতা লিখি এবং বই পড়ি। আমার বাবা প্রাইমারি শিক্ষক ছিলেন বলে শিক্ষকদের প্রতি সব সময় বিশেষ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা কাজ করে আমার ভেতর। সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কিছু শত্রু-মিত্র এমনিতেই তৈরী হয়। কে কখন কিভাবে শত্রু হয়ে আমাকে আঘাত করার জন্য ওৎ পেতে আছে সেটি আগে থেকে জানা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। বোধ করি কোনো মানুষের পক্ষেই জানা সম্ভব না। মেয়েলি বিষয় বলেই হয়তো খবরটি এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ঐ শিক্ষিকা আমাকে ইভটিজিং এর মামলা দেয়ার হুমকি দেয়ার পরও আমি ভাবতে পারি নি যে সে এত দ্রুত মামলা করে ফেলবে। আমি আসলে ভাবিও নি, মানুষ এত নিচে নামতে পারে। রাত্রে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কতিপয় লোক আমার বাসায় গিয়ে হইচই করার পর খবর নিয়ে জানতে পারি, মহিলা আমার নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছে। আমি ভীষণ মুষড়ে পড়ি, যখন শুনি, সে নাকি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দিয়েছে। আমাকে যারা ব্যক্তিগতভাবে চেনে, তারা এই খবরকে সহজেই মিথ্যা বলে চিহ্নিত করতে পেরেছে। কিন্তু যারা চেনে না, তাদের কাছে সত্য-মিথ্যা প্রমাণ সাপেক্ষ বিষয়। যাহোক, এতটা চাপ নেবার মত মানসিক অবস্থা আমার নেই। ঐ মহিলা সম্পর্কে মাদারীপুরের প্রত্যেকটি মানুষ খুব ভালো করে জানে। তার চালচলন, অসংলগ্ন কথাবার্তার সাথে সবাই পরিচিত। ব্যক্তিগতভাবে জানতে চাইলে যে কেউ আপনাকে ঐ মহিলা সম্পর্কে সামগ্রিক ধারনাটি দিয়ে দেবে। আমি কারো চরিত্র হণনের চেষ্টা মোটেও করবো না। ঘটনার সূত্রপাত কোত্থেকে হলো, তাই বলছি।

গত 30/04/19 তারিখ মাদারীপুর সদর উপজেলার কুলপদ্বী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব রুমা আক্তার আনুমানিক বেলা তিন ঘটিকার সময় উপজেলা শিক্ষা অফিসে যায়। আমি আমার কক্ষে সহকর্মী সাকিল আহমেদের সাথে বসে ছিলাম। আমি তথ্য সংক্রান্ত কাজে কম্পিউটার রুমের দিকে যাই এবং ফিরে আসি। ফিরে আসার সময় উচ্চমান সহকারীর কক্ষের সামনে একটু দাড়াই। ঐ শিক্ষিকা যে উচ্চমান সহকারীর কক্ষে অবস্থান করছে, আমি জানতামও না। আমার মোবাইল ফোনটি পকেটে না রেখে হাতে ধরা ছিলাম। সে হয়তো ভেবেছে, বিনানুমতিতে বিদ্যালয় ছেড়ে অফিসে আসার প্রমাণ রাখতে আমি উচ্চমান সহকারীর কক্ষের ছবি তুলেছি। আমার কক্ষে গিয়ে বসার পরই ঐ শিক্ষিকা আমার সামনে এসে আঙুল উচিয়ে বলতে থাকে, তোফায়েল স্যার আপনি আমার ছবি তুললেন কেন? আমি অসময়ে অফিসে আসছি তার প্রমাণ রাখবেন? আমি আপনার নামে ইভটিজিং এর মামলা দিমু, নারী নির্যাতনের মামলা করবো। এরপর থেকে তার ভাষা আরো অশালীন হতে থাকে। এরপর সে কয়েকজন লোক ডেকে আনে অফিসে। তারা এসে তার সাথে তাল মিলাতে থাকে। আমি যে বলছি, আমি ছবি তুলি নাই, আপনার ছবি আমি কেন তুলতে যাবো? সেদিকে আর মনোযোগ নেই তাদের। মহিলার সাথে কয়েকজন শিক্ষক যোগ দেয়াতে পুরো ব্যাপারটা একটা হাঙ্গামার রুপ ধারন করে। মহিলা আমাকে এরপর যে ভাষায় কথা শুনাতে থাকে তা হুবহু তুলে দিচ্ছি। তুই শোকজ করবি, না? শোকজ হাতে নিয়ে ঘুরতে থাক, তোর অফিসারগিরি ছুটাইয়া দিবো, কুলপদ্বীর মানুষ তুই চিনোস না। এক সেকেন্ডও এলাকায় থাকতে পারবি না। তুই যেখানে থাকবি সেখান থেকেই এনে মারবো।
কথাগুলো শুনে আমার কাছে পুরোই পাগলের প্রলাপ মনে হচ্ছিলো। হয়তো কোনো পাগলের পাল্লায় পড়েছি। কিন্তু আমার কাছে যতোই পাগল মনে হোক, আজ এত ঘটনার পর এটাকে আর পাগলের ব্যাপার ভাবা সম্ভব না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় একটা মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকায় ঘটনার দিকে মনোযোগ দিতে পারছিলেন না। সেই মিটিংয়ে গিয়েও ঐ মহিলা উচ্চবাচ্য করে আসে। মিটিং শেষ হলে বিকেল পাঁচটার দিকে ইউএনও মহোদয় সবাইকে নিয়ে বসে ব্যাপারটার মিমাংসা করে দিতে চান। কিন্তু ঐ মহিলা অস্বীকৃতি জানায় এবং উঠে চলে যায় তার দলবল নিয়ে। মিটমাটে বসলে সে হেরে যাবে বলেই। আমি পরবর্তীতে থানায় জিডি করবো ভেবে খোঁজ নিতে গিয়ে জানলাম, আমার নামে নাকি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা হয়েছে। আমি নাকি ধর্ষণের চেষ্টা করতে পারি! থানা থেকে কপি সংগ্রহ করে জানলাম, এজাহার দাখিল হয়েছে এবং একজন কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্তে বিষয়টি নিশ্চিতভাবেই মিথ্যা প্রমাণ হবে। মহিলা হয়তো সেজন্য আতংকিত হয়ে পড়ছে। আমি প্রতিশোধ পরায়ণ মানুষ নই। আমি ব্যক্তিগতভাবে ঐ মহিলাকে ক্ষমাই করে দেবো শেষমেষ। কিন্তু সারাদেশে আমার মান-সম্মানকে যেভাবে বিপদগ্রস্ত করা হলো, সেটা হয়তো কোনো দিনই ফেরত পাবো না। এটি নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে কেউ কেউ।

সব শেষ কথা হলো, আমি একজন মানুষ, আমার পরিবার আছে, আমার বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন রয়েছে, তারাও ঘটনাটিতে বিব্রত। ঘটনার আকস্মিকতায় আমার বুদ্ধিবিভ্রম হবার জোগাড়। ব্যাপারটি খোলাসা করে যে একটা পোস্ট করা দরকার, আমার শুভানুধ্যায়ীরা মূল ঘটনাটি যে জানতে চেষ্টা করছেন, সেটা আমার মাথাতেই আসে নি। তাই বাধ্য হয়েই এ পোস্ট করা।"

নারীত্ব, সতীত্বকে আমরা সম্মান করি, কিন্তু নারীত্বের মহিমাকে যারা অন্যের সর্বনাশ করতে কাজে লাগায় আমি মনে করি তাদের বিরুদ্ধেও সোচ্চার হওয়া দরকার। আসুন আমরা আরও বেশি মানবিক ও সভ্য হওয়ার চেষ্টা করি।

31/01/2019

এসএসসি পরীক্ষা কে সামনে রেখে সুশীল, সুহৃদ ও বুদ্ধিজীবীদের কাছে ফেসবুকে কণিকা কাবেরীর খোলা চিঠি।

শ্রদ্ধেয়,
সুশীল, সুহৃদ, বুদ্ধিজীবী।
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভালো আছেন। আর ভালো থাকাটাই কাম্য। অনেকদিন ধরে লিখবো লিখবো ভাবছি কিন্তু সাহস যোগাতে পারছি না। তাছাড়া লেখার ভাষাও ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। বর্তমান বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আমাকে খুব ভাবায়। চোখ বন্ধ করলে আমি এক অন্ধকারে নিমজ্জিত বাংলাদেশ দেখতে পাই। এই ভাবনা আমাকে ঘুমাতে দেয়না। আর এই ভাবনাই আমাকে সাহস যুগিয়েছে আর এই লেখাটা প্রকাশ করতে আমাকে উদ্ভুদ্ধ করেছে। আমি কবি, সাংবাদিক বা সাহিত্যিক নই তাই কতটা গুছিয়ে লেখাটা লিখতে পারবো বা আদো পারবো কি না জানিনা। আমার মনের অভিব্যক্তি আপনাদের বুঝাতে পারবো কি না বা আমার লেখাটা সুশীল সমাজের কাছে পৌঁছাবে কিনা তাও এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা, লিখে যাচ্ছি।
আমার লেখাটা বর্তমান শিক্ষা পদ্ধতি আর পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে।
আমরা বাবার কাছে শুয়ে শুয়ে যে বয়সে সততার গল্প শুনতাম যে, এক গরীব চাষী, রিকশা চালক, পুলিশ বা একজন শিক্ষক কিভাবে সততার পুরষ্কার পেত। সেই গল্প শুনে শুনে গর্বে বুকটা কেমন ভরে উঠত। এ গল্প খুব বেশি দিনের নয়। এক থেকে দেড় দশক আগের। অথচ এরই মাঝে কি পরিবর্তন! সেই একই বয়সে আমরা আমাদের বাচ্চাদের কাঁধে ঝুলিয়ে দিয়েছি ১০ কেজি বা তারও বেশি ওজন। শুধু ওজন ঝুঁলিয়ে ই আমরা ক্ষ্যান্ত নই এই বয়সেই একজন কোমলমতি শিক্ষার্থী শিখে কিভাবে পরীক্ষার আগের রাতে ফাঁস হয়ে যাওয়া প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করে ভুরিভুরি A+ নিয়ে আসা যায়। তাই আমাদের দেশে ভুরিভুরি A+ পাওয়া শিক্ষার্থী আছে কিন্তু তারা কি আদো A+ পাওয়ার যোগ্যতা রাখে কিনা সে খেয়াল আমরা কেউ রাখিনা। যে বয়সে আমরা শিখতাম কিভাবে নিজের মেধা বা বুদ্ধি খাটিয়ে একটা রচনা লেখা যায় বা একটা প্রশ্নের উত্তর তৈরি করা যায়, সে বয়সে আজকালকার ছেলেরা গাদা গাদা গাইড বই মুখস্থ করতে শিখে। আজকাল বাবা মায়েরা ভুলেই গেছে যে মুখস্থ করার অভ্যাস প্রতিভাকে ধ্বংস করে। বরং তারা মুখস্থ করতে নিষেধ না করে আরো বেশি মুখস্থ করতে উ উৎসাহিত করে। কারণ A+ তো আনতেই হবে। A+ না পেলে যে জীবন অন্ধকার। নেপোলিয়ন বলেছিলেন, আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও আমি একটা শিক্ষিত জাতি উপহার দিবো। কিন্তু বর্তমানে সেই শিক্ষিত আর আধুনিক মায়েরাই কবে কোথায় কিভাবে প্রশ্ন ফাঁস হবে, কোন শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়লে হুবহু প্রশ্নটাকেই সাজেশন আকারে পাওয়া যাবে সেইসব খুঁজে বেড়ায়। আমার নিজের চোখে দেখা ছোটো(প্রাইমারীর) বাচ্চাটা তার মাকে প্রশ্ন করে মা গতকাল রাতে স্যার যা বলে দিয়েছে হুবহু তাই প্রশ্নে এসেছে। মা, স্যারেরা কি সব জানে?? আমার বাবা একজন শিক্ষক তাই কোন শিক্ষককে আঘাত করলে সেই আঘাত আমারই বুকে এসে লাগে। তাই সকল শিক্ষকের কাছে অনুরোধ এমনও হীন কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। আর কোন মাকে তো আঘাত করার প্রশ্নই আসেনা। মা নামের বেতনহীন, বোনাসহীন, পেনশনহীন, ছুটিবিহীন মহান পেশায় যিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। যে পেশা সর্বোচ্চ পেশার মর্যাদা রাখার অধিকার করে কিন্তু কোন আন্দোলন করে না।
শতভাগ পাশ নিশ্চিত করতে গিয়ে আমরা কি শিক্ষিত মূর্খের জন্ম দিচ্ছি!? এই প্রশ্ন আমাকে প্রতিনিয়ত ভাবায়। জাফর ইকবাল স্যার কিছুদিন আগে আপনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে একটা লেখা পোষ্ট করেছিলেন সেই লেখাটা পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। খুব ভালো লেগেছিলো। আপনার এই ধরনের লেখা অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করবে বলে আশা করি।
যখন দশম শ্রেনিতে পড়া কোন শিক্ষার্থী কে জিজ্ঞেস করি হুমায়ুন আহমেদ স্যার বা জাফর ইকবাল স্যারের কি কি বই পড়েছো? আর উত্তর পাই একটাও না, তখন বিষন্নতায় বুকটা ভারী হয়ে যায়। আমি তো অতি ক্ষুদ্র আর সামান্য একজন মানুষ। আমিতো কিছু করতে পারবো না। তাই আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু একটা করুন।
আর সরকারের কাছেও আমার আকুল মিনতি আপনি শিক্ষা আর শিক্ষা পদ্ধতির গুণগত মান নিশ্চিত করুন। জাতিকে আলোর পথে নিয়ে যান।নেপোলিয়নের চাওয়ামতে আমরা তো আপনার ( মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) মতো শিক্ষিত আর মমতাময়ী মা পেয়েছি। তাহলে আমারা কেনো পারবো না মুজিবের সোনার বাংলা গড়তে? আমরা আপনার হাত ধরে নতুন এক বাংলাদেশে প্রবেশ করতে চাই। একটাও শিক্ষিত বেকার যেনো ঘুরে না বেড়ায় আর একটা প্রতিষ্ঠানও যেনো যোগ্য প্রার্থীর অভাববোধ না করে। আমাদের দেশে এতো শিক্ষিত লোক থাকতেও প্রতিষ্ঠানগুলো যোগ্য প্রার্থীর অভাবে পদশুন্য কেন থাকে?? এ কেমন শিক্ষায় শিক্ষিত আমরা??

সবশেষে আমার ত্রুটিপূর্ণ লেখার জন্য সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে শেষ করছি। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। সকলের জন্য শুভ কামনা।

কণিকা কাবেরী
নভেম্বর, ২০১৭।

ফরিদপুরের জানা অজানা অনেক কিছু।★ ফরিদপুর জেলা প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৮১৫ সালে।★ ফরিদপুর জেলার পুরাতন নাম ছিল ফতেহাবাদ।★ ফরিদ...
17/11/2018

ফরিদপুরের জানা অজানা অনেক কিছু।

★ ফরিদপুর জেলা প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৮১৫ সালে।
★ ফরিদপুর জেলার পুরাতন নাম ছিল ফতেহাবাদ।
★ ফরিদপুর জেলার নামকরণ করা হয় বিখ্যাত সূফী সাধক শেখ ফরিদের নামানুসারে।
★ ফরিদপুর জেলার মোট আয়তন ২০৫২.৮৬ বর্গকিলোমিটার।
★ ফরিদপুর জেলায় মোট জনসংখ্যা ১৯,৮৮,৬৯৭ জন(আদমশুমারি২০১১)
★ ফরিদপুর জেলায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে লোক বাস করে ৯৩২ জন।
★ ফরিদপুর জেলায় উপজেলা ৯ টি যথা- সদর, সদরপুর,মধুখালি, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন।
★ ফরিদপুর জেলায় পৌরসভা ৬ টি,ইউনিয়ন ৮১ টি ও গ্রাম ১৮৯৯ টি।
★ ফরিদপুর জেলার স্বাক্ষরতার হার ৪৯.০ % ও স্বাক্ষরতা আন্দোলনের নাম "আলোর পথে"
★ ফরিদপুর জেলার উল্লেখযোগ্যা নদনদী- পদ্না, মধুমতি, আড়িয়াল খা, কুমার।
★ ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ।
★ ফরিদপুর জেলার প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ আবু জাফর।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করে বিশিষ্ট চলচিত্র পরিচালক তারেক মাসুদ।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালী চলচ্চিত্রকার মৃণাল সেন।
★ আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে নির্মিত ঐতিহাসিক সাতৈর মসজিদ ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
★ ফরিদপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ ও ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন পল্লী কবি জসীমউদ্দীন।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলার মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত নওয়াব আবদুল লতিফ।
★ বাংলাদেশের একমাত্র নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
#শতবর্ষী সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ ফরিদপুর এর ঐতিহ্যের প্রতীক।এক নজরে ফরিদপুরঃ

★ ফরিদপুর জেলা প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৮১৫ সালে।
★ ফরিদপুর জেলার পুরাতন নাম ছিল ফতেহাবাদ।
★ ফরিদপুর জেলার নামকরণ করা হয় বিখ্যাত সূফী সাধক শেখ ফরিদের নামানুসারে।
★ ফরিদপুর জেলার মোট আয়তন ২০৫২.৮৬ বর্গকিলোমিটার।
★ ফরিদপুর জেলায় মোট জনসংখ্যা ১৯,৮৮,৬৯৭ জন(আদমশুমারি২০১১)
★ ফরিদপুর জেলায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে লোক বাস করে ৯৩২ জন।
★ ফরিদপুর জেলায় উপজেলা ৯ টি যথা- সদর, সদরপুর,মধুখালি, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন।
★ ফরিদপুর জেলায় পৌরসভা ৬ টি,ইউনিয়ন ৮১ টি ও গ্রাম ১৮৯৯ টি।
★ ফরিদপুর জেলার স্বাক্ষরতার হার ৪৯.০ % ও স্বাক্ষরতা আন্দোলনের নাম "আলোর পথে"
★ ফরিদপুর জেলার উল্লেখযোগ্যা নদনদী- পদ্না, মধুমতি, আড়িয়াল খা, কুমার।
★ ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ।
★ ফরিদপুর জেলার প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ আবু জাফর।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করে বিশিষ্ট চলচিত্র পরিচালক তারেক মাসুদ।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালী চলচ্চিত্রকার মৃণাল সেন।
★ আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে নির্মিত ঐতিহাসিক সাতৈর মসজিদ ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
★ ফরিদপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ ও ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন পল্লী কবি জসীমউদ্দীন।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলার মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত নওয়াব আবদুল লতিফ।
★ বাংলাদেশের একমাত্র নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
#শতবর্ষী সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ ফরিদপুর এর ঐতিহ্যের প্রতীক।

শামসুর রাহমান দৃষ্টি ও সৃষ্টিসৈয়দ জাহিদ হাসান  #শামসুর রাহমান (১৯২৯-২০০৬)বন্দি শিবির থেকে যিনি প্রথম গান গেয়েছিলেন দ্বিত...
29/10/2018

শামসুর রাহমান দৃষ্টি ও সৃষ্টি
সৈয়দ জাহিদ হাসান

#শামসুর রাহমান (১৯২৯-২০০৬)

বন্দি শিবির থেকে যিনি প্রথম গান গেয়েছিলেন দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, বিধ্বস্ত নীলিমায় বসে যিনি দেখেছেন উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ, তিনি কবি শামসুর রাহমান (১৯২৯-২০০৬)। কবি শামসুর রাহমান ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এই ভূ-ভাগের সর্বাধিক জনপ্রিয় ও পাঠকনন্দিত শব্দশিল্পী। তিনি জন্ম নিয়েছিলেন বিদ্রোহী তিরিশের দশকের ঊষালগ্নে, বেড়ে উঠেছেন পঞ্চাশের দশকের বন্ধ্যা মরুভূমিতে, আত্মপ্রকাশ করেছেন ষাটের দশকের রক্তিম অরুণালোকে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় শামসুর রাহমান ছিলেন পরাধীন দেশের বিপন্ন কবিসত্তা। তাই তিনি অন্তরে লালন করেছেন স্বাধীনতার রঙিন আকাঙ্ক্ষা। স্বনির্ভর দেশ এবং নিপীড়িত মানুষের স্বপক্ষে শামসুর রাহমানের লড়াই ছিল চিরকালের। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই লড়াই তিনি জারি রেখেছিলেন, যদিও দেশ তখন তথাকথিত শত্রুমুক্ত ছিল।

এ সময়ের বাংলাদেশে শামসুর রাহমান অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখবার মতো বিরাট বড় কবিপ্রতিভা। সংক্ষিপ্ত পরিধিতে শামসুর রাহমানকে মূল্যায়ন করা অত্যন্ত কঠিন একটি ব্যাপার। ‘একজন কবির সঠিক মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর সমগ্র কবিতা পড়া দরকার; খন্ডিত পাঠ তেমন কাজে আসে না।’ এ কথা কবি শামসুর রাহমান যেমন বিশ্বাস করতেন সাহিত্যের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক হিসেবে আমিও তেমনিভাবে বিশ্বাস করি।

কবিশ্রেষ্ঠ শামসুর রাহমান ছিলেন শক্তিধর, ভাগ্যবান কবি। কবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেই তিনি চমকে দিয়েছেন সমসাময়িক কবিকুল ও পাঠকবর্গকে। আবির্ভাব মুহূর্তেই তিনি জানান দিয়েছেন তাঁর হাতে নির্মাণ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের শিল্পসফল আধুনিক কবিতা এবং তিনিই নেতৃত্ব দিবেন আগামী বাংলাদেশের কবিতাপ্রদেশ। বাস্তবে ঘটেছেও তাই। একাই তিনি খা খা মরুভূমিতে পড়ে থাকা বাংলা কবিতাকে টেনে নিয়ে গেছেন উর্বর, শ্যামল-প্রান্তরে। তার সহযোদ্ধা কবিরা অনেকে শুরুতেই সঙ্গ ছাড়া হয়ে গেছেন তার। আঙুলে গোনা যে ক’জন কবি অনেকখানি পথ এগিয়ে গেছেন তাঁর সাথে; একসময় তারাও হয়ে যান অদৃশ্য। কবিতার বিশাল প্রান্তরে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি একা। প্রতিদ্বন্দ্বি নেই, প্রতিপক্ষ নেই, সামনে সেই অতিক্রম করার মতো বিপুল প্রতিভা। বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার সাম্রাজ্যে শামসুর রাহমান হয়ে ওঠেন একাকী সম্রাট। নীরব উপকূলে তিনি এক আলোকোজ্জ্বল লাইট হাউজ।

শামসুর রাহমান তখন পোগোজ স্কুলের ক্লাস সিক্সের ছাত্র। এ সময় তার ছোট বোন নেহার-এর মৃত্যু হলে তিনি এক টুকরো গদ্য লেখেন নেহারকে নিয়ে। সেই গদ্য রচনা তার মায়ের চোখের জল এনে দেয়। মায়ের চোখে জল দেখে বালক রাহমান সেই লেখাটি কুচি কুচি করে ছিঁড়ে হাওয়ায় উড়িয়ে দেন। এরপরে ‘এক টুকরো কয়লার কাহিনী’ লেখেন ক্লাস নাইনের ছাত্রাবস্থায়। এই গদ্য লেখাটিও প্রশংসিত হয় বাংলার শিক্ষক বিনয় বাবু কর্তৃক। শামসুর রাহমানের কবি জীবনের সূত্রপাত মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্পণের পর। তাঁর প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক ‘সোনার বাংলা’ পত্রিকায় বন্ধু হামিদুর রহমানের পীড়াপীড়িতে। ‘সোনার বাংলা’ পত্রিকায় কবিতা প্রকাশিত হলে কবির পিতা মুখলেসুর রহমান চৌধুরী কবিমাতা আমেনা বেগমকে প্রতিক্রিয়ায় বলেন- ‘এসব আমি ঢের দেখেছি। পারবে সে হুমায়ুন কবিরের মতো কবি হতে?’ পিতার কথা শুনে শামসুর রাহমানও বলেন- ‘যদি আমি কোনোদিন কবি হই, তাহলে আমি হুমায়ুন কবিরের চেয়ে বড় কবি হবো।’ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ শামসুর রাহমান ত্রৈমাসিক পত্রিকা ‘চতুরঙ্গ’ (১৯৩৯)-এর প্রকাশক ও সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের (১৯০৬-১৯৬৯) চেয়ে বড় কবিই শুধু হননি, তিনিই বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠতম কবি। ছেষট্টিটি কবিতাগ্রন্থ, চারটি উপন্যাস, আটটি ছড়ার বই, ছয়টি অনুবাদ ও একটি প্রকৃষ্ট প্রবন্ধগ্রন্থ আছে শামসুর রাহমানের সৃষ্টির ঝুলিতে। শুধু সংখ্যাগত দিক দিয়েই নয়, শিল্পমূল্যের বিচারেও তাঁর সৃজনকর্ম অনন্য ও অদ্বিতীয়।

কবি শামসুর রাহমান কবি জীবনের প্রথম পঁচিশ বছর নিরলস পরিশ্রম করে এগারোটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। এই এগারোটি কাব্যগ্রন্থ রচনাকালে তাঁকে পরিভ্রমণ করতে হয়েছে প্রকৃতির উষর-উর্বর, নন্দিত-নিন্দিত নানা অলিগলি। এ জন্য তাঁর যাত্রাপথ বহু বাঁকে বেঁকে গেছে, বহুদিকে বিভক্ত হয়ে গেছে তার গন্তব্যবিন্দু, কাব্যরাশি হয়ে উঠেছে বর্ণিল রসের আধার। শামসুর রাহমান তাঁর ‘শামসুর রাহমানের শ্রেষ্ঠকবিতা’ গ্রন্থের প্রথম সংস্করণের ভূমিকায় স্বীকার করেছেন এই সহজ স্বীকারোক্তি। তিনি লিখেছেনÑ ‘প্রায় পঁচিশ বছর ধরে বাগ্দেবীর পেছনে পেছনে ছুটে চলেছি, কখনো তিনি আমাকে নিয়ে যান স্নিগ্ধ উপত্যকায়, প্রাচীন উদ্যানে, ঝরনাতলায়, সূর্যোদয়ে ঝলমলে টিলায়, কখনো বা তাকে অনুসরণ করতে গিয়ে পৌঁছে যাই চোরাবালিতে। প্রায়শই ব্যর্থতার কুশে পা ক্ষত-বিক্ষত হয়, মাঝে মাঝে অবসাদ আমাকে লক্ষ্য করে, যেমন কোনো শবভুক পাখি চক্রাকারে ওড়ে মৃতকল্প পথচারীর ওপর। কিন্তু আমি কখনো হাল ছাড়ি নি; কোনো একদিন প্রকৃত সিদ্ধির সন্ধান মিলবে, এই আশায় এখনো যাত্রা অব্যাহত রেখেছি।’

শামসুর রাহমান যখন কবিতার মধ্যে প্রকৃতির কথাকার হয়ে পাঠকের সামনে উপস্থিত হন তখন তাঁর মুখে থাকে অন্য ভাষা, গায়ে থাকে অন্য গন্ধ, চোখে থাকে অন্য দৃষ্টি। আবার যখন তিনি মানুষের কথা বলেন, তখন তিনি হারিয়ে যান বাস্তব ও পরাবাস্তবের জাদুর কার্পেটে। মানুষের আবেগ-অনুভূতি অবিকল প্রকাশ করতে পারেন শামসুর রাহমান। অনেক কবি আছেন যাদের কবিতায় আবেগ থাকলে শিল্প থাকে না, আবার শিল্প থাকলে আবেগ হয় অন্তর্হিত। কবি শামসুর রাহমান এই দূষণীয় ত্রুটি থেকে দু’একটি ব্যতিক্রম বাদে সর্বাংশে মুক্ত। এর কারণ সম্ভবত মানুষ সম্পর্কে তার গভীর অভিজ্ঞতা। মাহুতটুলির বাসায় থাকতে তিনি যেসব বিচিত্র মানুষের সান্নিধ্যে এসেছিলেন তাদের কাছ থেকে কবি অর্জন করেছিলেন নানারঙের অভিজ্ঞতা। এই প্রসঙ্গে শামসুর রাহমান নিজেই বলেছেন, ‘আমি তো জীবনের স্তরে স্তরে প্রবেশ করতে চাই, কুড়িয়ে আনতে চাই পাতালের কালি, তার সকল রহস্যময়তা। যে মানুষ টানেলের বাসিন্দা, যে মানুষ দুঃখিত, একাকী, সে যেমন আমার সহচর, তেমনি আমি হাঁটি সে সব মানুষের ভিড়ে, যারা ভবিষ্যতের দিকে মুখ রেখে তৈরি করে মিছিল।’ জন্ম থেকেই প্রগতিশীল এই মুক্তমনা কবি। গতির সাথে কুজকাওয়াজ করতে করতে এগিয়ে যেতে আগ্রহী ছিলেন তিনি। যা কিছু সুন্দর, সৌম্য, স্বাস্থ্যকর সেসব কিছুর জন্য তার ছিল দুর্নিবার পিপাসা। শামসুর রাহমান স্বাধীনতার কবি, মুক্তির কবি, বাঁধন ছিড়ে বাঁধনহীন হওয়ার কবি। স্বাধীনতা তাঁর কাছে নানা রূপে, নানা আত্মীয়তার পরিচয় নিয়ে সখ্য গড়ে তুলেছে। তিনি মনে করতেন পরাধীনতা পূর্ণিমার চাঁদকে ফাঁসিতে লটকে দেয়, পরাধীনতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পদ্ম কিংবা গোলাপের উন্মীলন আর চপল পরিব্রাজক দোয়েলের শিষ। তাই স্বাধীনতাকে গর্জে ওঠার জন্য বার বার তিনি দোহাই দিয়েছেন- বীর যুবা নূর হোসেনের শাহাদাতের, নেলসন ম্যান্ডেলার দীর্ঘ কারাবাসের, বার্ধক্য আক্রান্ত সুদিনের প্রতীক্ষারত কিশোরীর। কিন্তু তাতেও যখন প্রিয় স্বাধীনতা চোখ তুলে তাকায়নি, তখন তিনি স্বাধীনতাকে সম্বোধন করেছেন ‘প্রিয়তমা’ বলে। কবি আবেগ জড়ানো কণ্ঠে বলেন-

‘তোমাকে ডেকেছিলাম, প্রিয়তমা, যখন সূর্যের সূর্যোদয়ের দিকে

মুখ রেখে যাত্রা ছিলো আমাদের, বুর্জোয়া মোহের

পিছুটান আনেনি তোমার কানে জনগণ-মন জাগানিয়া গান।

জাঁহাবাজ ঈগলের নখরের ভীষণ আক্রোশে

এখনো বন্দিনী তুমি, হাঁটতে পারো না রংধনুর

গালিচা মোড়া পথে।

তুমি বিনে কী দুরূহ এই পথ চলা।’

‘স্বাধীনতা’ বলতে কবি খন্ডিত অর্থে স্বাধীনতা নয়, রাষ্ট্রিক, বৈশ্বিক, ব্যক্তিক ও মানসিক স্বাধীনতার কথাও বলেছেন। কবি শামসুর রাহমানের অন্তর জুড়ে ছিল স্বাধীনতার সার্বক্ষণিক আকাক্সক্ষা। তাঁর ভাষায়-

‘কী করে তোমাকে ভুলি? সৌন্দর্যের মতো আছো ব্যেপে

হৃদয়ে আমার।’

শিশুর সারল্য, যুবকের থরোথরো আবেগ, বৃদ্ধের অনুপম অভিজ্ঞতার অন্য নাম শামসুর রাহমান। তিনি যখন শিশু মনস্তত্ব নিয়ে নাড়াচাড়া করেছেন তখন তিনি নিজেই শিশু হয়ে উঠেছেন। যখন তিনি যুবকের কথা বলেছেন তখন তিনি নিজেই হয়ে গেছেন টালমাটাল যুবক। এ কারণেই তিনি যেমন প্রিয় শিশুদের, তেমনি প্রিয় স্বপ্নবাজ যুবকের, তেমনি দোলাচলদীর্ণ বৃদ্ধের।

শামসুর রাহমানের মনন গভীরে একটি বিদ্রোহী মানুষ বসবাস করতো। যার গতি ছিলো দুর্বার কিন্তু কণ্ঠ ছিলো অনুচ্চ। উচ্চ কণ্ঠে তখনি তাঁর দ্রোহী সত্তা জেগে উঠতো যখন ঘটতো সামষ্টিক আকাক্সক্ষার মৃত্যু এবং সেই মৃত্যু পরিণত হতো জাতীয় ঐক্যে। যারা নরপশুদের রুখে দিতে মানবতা-চিহ্নিত প্রগতির পতাকা নিয়ে বের হয় রাজপথে তাদের জন্য শামসুর রাহমানের আবেগ যেন উদ্বেল হয়ে উঠতো। সেই উদ্বেল আবেগের এমন কয়েকটি উচ্চকণ্ঠ কিন্তু বেদনাসিক্ত কবিতার নাম ‘পুরাণের পাখি’ (শহীদ রাজুকে নিয়ে লেখা), ‘আসাদের সার্ট’ (শহীদ আসাদকে নিয়ে লেখা), ‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’ (শহীদ নূর হোসেনকে নিয়ে লেখা), ‘বরকতের ফটোগ্রাফ’ (শহীদ বরকতকে নিয়ে লেখা)। এসব কবিতায় শামসুর রাহমান সুখকর নিরালা আশ্রয় ছেড়ে যেন বেরিয়ে এসেছেন রাজপথের জঙ্গি মিছিলে এবং ওই সব বীর শহীদদের উদ্দেশ্যে তিনি সাহসী কণ্ঠে উচ্চারণ করেছেন

‘ওরা তোমাকে যতই পুড়িয়ে ভস্ম করুক হিংসার আগুনে,

তুমি বারবার আগুন থেকে বরিয়ে আসবে পুরাণের পাখি।’

সমসাময়িক প্রেক্ষাপটের অতুলনীয় রূপকার শামসুর রাহমান। সময়ের স্পন্দনকে তিনি এতটাই অনুভব করতে পারতেন যে দ্বন্দ্বমুখর প্রতিটি মুহূর্ত তার সাথে কথা বলতো নিজের ভাষায়।

শামসুর রাহমান তাঁর ‘মানুষ’ কবিতায় যদিও বলেছেন,

‘সামান্য মানুষ আমি, এর চেয়ে বড় পরিচয়

নেই কোনো এই অধমের।’

কিন্তু শামসুর রাহমানের একটি বড় পরিচয় ছিল। তিনি ছিলেন একজন সৌন্দর্যমুগ্ধ, অকৃত্রিম প্রেমিক। প্রেমের জন্য যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত ছিলেন তিনি। এমনকি আত্মঘাতী হতেও দ্বিধা ছিল না তার। ‘চলে যাওয়া যার রীতি’ কবিতায় আছে,

‘পারবে কি কেউ আমার মতন

পোড়াতে নিজের ঘর?

পারবে ছিন্ন করতে নিজেরই

মুন্ডু এবং ধড়।’

তবে মুন্ডু ও ধড় ছিন্ন করার সাহস রাখেন যে কবি তাঁর বেপরোয়া হওয়াই স্বাভাবিক কিন্তু শামসুর রাহমান আত্মসমাহিত, একনিষ্ঠ। তাঁর আত্মপক্ষ সমর্থন এরকম-

‘বিশ্বাস কর, তোমাকেই ভাবি

ভাবছি অহর্নিশ।

অমৃত চেয়েছি তৃষ্ণা মেটাতে

উগরে দিয়েছ বিষ।’

প্রেমে যে অটল থাকতে পারে তাকে তো শুদ্ধ প্রেমিক বলতেই হয়। শুদ্ধ প্রেমিক যদি কেবল আত্মবিসর্জনই দেয় কিন্তু প্রেমাস্পদকে না পায় তাহলে তা প্রেমের জন্য নিতান্তই গ্লানিকর। তাই বুকের ভেতর বয়লার ধারণ করেও শেষমেশ কবির ভাগ্যে জোটে পাথর ফেটে বেরিয়ে আসা স্বচ্ছ জলধারা। আর সেই রিনিঝিনি জলধারা কবিকে দেয় অসীম আনন্দ। কবি তখন বলে ওঠেন,

‘বুকের ভেতর কারখানার বয়লার

ঘোরাঘুরি ক্রমাগত পর্দা সরিয়ে

হঠাৎ তুমি নুড়ি ঠেলে বেরিয়ে আসা ঝর্না।

আমার আঙ্গুলে।’

ভাবকে ভাষা দিতে গিয়ে তিনি যেভাবে আবেগকে শাসন করেছেন, শব্দপ্রকৌশলে যতœবান হয়েছেন, কাব্যতত্ত্বের সূত্রাবলি নিপুণভাবে প্রয়োগ করেছেন তা তুলনারহিত। শামসুর রাহমানের কবিভাষা, তার নির্মিত চিত্রকল্প, উপমা স্বাতন্ত্র্যম-িত। যদিও অসংখ্য কবির কাছে ঋণ রয়েছে শামসুর রাহমানের, সে কথা তিনি স্বীকারও করেছেন তার অসংখ্য লেখায়Ñ তবু ঋণ নিয়ে তিনি দেউলিয়া হননি, হয়েছেন অপরিমেয় প্রাচুর্যের অধিকারী। এক অর্থে শামসুর রাহমান দ্রোহে দর্পিত, প্রেমে মথিত এবং আবেগে এলোমেলো। আবার অন্য অর্থে তিনি ধ্যানমগ্ন ঋষির মতো নিশ্চল পাথর। শামসুর রাহমান স্বাধীনতাকামী, শামসুর রাহমান প্রেমিক, শামসুর রাহমান সাম্প্রদায়িক শক্তি ও মৌলবাদবিরোধী। যখনই তিনি যে বিষয়কে অবলম্বন করেছেন সেই বিষয়ই তার হাতে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। তাঁর কাছে যা চাই, তাই পাই। এ জন্য তিনি আমাদের এত আপন, এত প্রিয়।

কোনো কোনো কবি নিজের প্রতিভা নিজেই অপচয় করেন। হয়ে ওঠেন নানা রকম মুদ্রাদোষে দুষ্ট। বেশিদিন আর তাকে ভালো লাগে না পাঠকের। শামসুর রাহমান এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। তিনি আত্মপ্রদক্ষিণরত নন। বারবার তিনি নতুন নতুন বিষয় আর ভাব নিয়ে আবির্ভূত হয়েছেন পাঠকের সামনে। এজন্য তিনি চিরপরিচিত হয়েও চিরনতুন। স্বকালকে যিনি শক্তি ও সামর্থ্য দিয়ে ধারণ করতে পারেন তিনিই সত্যিকারের কবি। নাগরিক কবি শামসুর রাহমান তা পেরেছিলেন। এ জন্যই তিনি আমাদের প্রধান কবি, বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার শ্রেষ্ঠকবিও তিনি-ই।

ইচ্ছে আর মনোবল থাকলে যে অসম্ভব কে সম্ভব করা কোন ব‍্যাপার নয় তা আবার প্রমাণ করলেন শুভ( শুভঙ্কর শুভ)। ফরিদপুর জেলার আলফাড...
21/09/2018

ইচ্ছে আর মনোবল থাকলে যে অসম্ভব কে সম্ভব করা কোন ব‍্যাপার নয় তা আবার প্রমাণ করলেন শুভ( শুভঙ্কর শুভ)। ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাড়ি হলেও স্বপ্ন তার সমস্ত দেশকে নিয়ে।
দেশের প্রতি ভালোবাসার তাগিদ থেকেই সমস্ত দেশে ঘুরে বেড়ানোর কথা মাথায় আসে। কিন্তু সীমাবদ্ধতা আর বাস্তবতার দরুন সবকিছু মিলিয়ে সময় একটা বিশাল ব‍্যপার হয়ে দাঁড়ায়।

তখন তার মাথায় আসে সমস্ত দেশেকে আবদ্ধ করে রাখার স্বপ্ন এক হাতের স্পর্শে। এর‌ই ধারাবাহিকতায় তখন সে তৈরি করে বাংলাদেশের মানচিত্র। আর ফেসবুকের মাধ্যমে প্রতিটি জেলায় বন্ধুদের সাহায্য চান নিজ নিজ জেলার মাটি সংগ্রহ করে তাকে সাহায্য করতে।
অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে একসময়ে ৬৪ জেলার মাটি দিয়ে তৈরি করা হয় বাংলাদেশের মানচিত্র।
কারো কাছে পাগল , কারো কাছে ছেলেমানুষি অনেক ধরনেরই কথা শুনতে শুনতে অবশেষে আজ স্বপ্ন পূরণের সারথী, অদ্ভুত অনুভুতি।
সমস্ত দেশের প্রতিটি জেলার মাটির রয়েছে আলাদা আলাদা গুন ও বৈশিষ্ট্য আর আপনি চাইলে মূহুর্তের মধ্যে হাতের স্পর্শে অনুভব করার এক প্রয়াস।

15/09/2018

প্রকৃতি ও তুমি

বৃষ্টি কখনো কখনো আশীর্বাদ স্বরূপ
কখনো কখনো অভিশাপ
কখনো কখনো বাতাস‌ও তাই
আর কখনো কখনো তুমি ও।

তোমার আবির্ভাবে মাঝে মাঝে
পৃথিবী শান্ত।
আর কখনো উত্তাল সমুদ্র-সফেন
তোমার গতি মাঝে মাঝে
সব কিছুকে করে চঞ্চল।
আর কখনো করে তোলে স্থবির
কখনো তোমার হাঁসি রঙিন করে
করে তোলে এ ধরা ।

কখনো বৃষ্টির মতো তোমার প্রবাহমানতা
নদী, সাগর, জলাশয় গুলোকে
করে তোলে প্রাণবন্ত-গতিময়।
কখনো তোমার রুদ্রমূর্তি
পৃথিবীকে লন্ডভন্ড করে
উড়িয়ে নিয়ে মিলিয়ে দেয় দিগন্ত রেখায়।
কখনো তুমি আসো ঝড়ের গতিতে
কখনো মৃদু ছন্দে মাতাল হাওয়ায়।

কখনো আমাকে ভালোবাসো তুমি
জড়িয়ে রাখো নিবিড় মমতায়,
কখনো আবার দূরে দূরে দাও ঠেলে।
কখনো অনেক অপূর্ণতায়
পূর্ণতা দিয়ে যাও।
আর কখনোবা পূর্ণতাকে
অপূর্ণতায় সাজাও।
মাঝে মাঝেই তুমি কেমন
অচেনা হয়ে যাও।
তোমার উদাসীনতায় ব‍্যাথা জাগে
হৃদয় পুড়ে খরায়।

তুমি যেনো কেমন কেমন!
কেমন যেন তোমার রুপ।
তুমি স্বপ্ন, ভালোবাসা
দুঃখ, কষ্ট-যাতনা
তুমি অগ্নি, তুমি বারুদ
ঐ আগুনে পুরেইতো সুখ।
(শুকতারা)

জাতীয় শোক দিবসের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী।
15/08/2018

জাতীয় শোক দিবসের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী।

Address

Dhaka
7108

Telephone

01635160547

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shukriya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share