20/06/2026
খুলনায় এক কি’শো’রী গৃহকর্মীকে অ’মানবিক নি/র্যা/ত/নে/র অভিযোগে পুলিশ দম্পতি সঞ্জয় মিত্র ও পপি মিত্রকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষো/ভে/র সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্ত পপি মিত্র গৃহকর্মীকে গ//র//ম কড়াই দিয়ে ছ্যা//কা দিচ্ছে শ’রী’রে’র বিভিন্ন জায়গাতে আ/ঘা/ত করে এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে বিভিন্ন ধরনের শা’রী’রি’ক ও মানসিক নি/র্যা/ত/নের শি’কা’র হতে হয়েছে। যখন ভিডিওটা দেখা হয়েছিল তখন গা শি/উ/রে উঠেছিল 🥹🥹
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সাংবাদিকরা তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তারা ক্যামেরার সামনে আসতে চাননি এবং বিভিন্নভাবে প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে গ্রে’প্তা’রে’র পর আদালতে নেওয়ার সময়ও পপি মিত্রের আচরণ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকের মতে, যিনি আগে সাংবাদিকদের সামনে স্বাভাবিকভাবে কথা বলছিলেন, আদালতে তোলার সময় তিনি অ’সুস্থতার ভা/ন করেন। এবং কাপড় দিয়ে তার মু’খ ঢে/কে রাখেন, তাকে কয়েকজন প্রশাসনিক কর্মী ধরে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, একটি অসহায় কি’শো’রী গৃহকর্মীকে এমন নি/র্ম/ম নি/র্যা/ত/নে/র অভিযোগ উঠেছে। একজন মানুষ কীভাবে আরেকজন মানুষের ওপর গ’র’ম কড়াই দিয়ে ছ্যা/কা দিতে পারে, তা ভাবলেও শিউরে উঠতে হয়। আর যখন এমন অ’ভি’যোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠে, তখন মানুষের মনে ন্যায়বিচার ও মানবিকতা নিয়ে আরও বড় প্রশ্ন তৈরি হয়।
আমরা চাই, এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শা/স্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো অসহায় শি//শু বা গৃহকর্মী এমন নি/র্যা/ত/নে/র শি*কার না হয়। বাংলাদেশের গরিব ও অসহায় মানুষও যেন সমানভাবে ন্যায়বিচার পায়—এটাই সবার প্রত্যাশা। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সমাজে এমন অমানবিকতার বিরুদ্ধে শক্ত বার্তা দেওয়া সম্ভব।
#খুলনা #গৃহকর্মী #পুলিশ