Pricila.New York

Pricila.New York Always open.insa allah

সবগুলো বিমানে বছরে একবার বিমান বাহিনীর প্রধান এক ঘন্টা উড়া বাধ্যতামুলক করতে হবে ......
26/07/2025

সবগুলো বিমানে বছরে একবার বিমান বাহিনীর প্রধান এক ঘন্টা উড়া বাধ্যতামুলক করতে হবে ......

সন্তান হারানোর কষ্ট সহ্য করতে না পেরে চির বিদায় নিলেন মা। আজ মিরসাদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।হয়ত...
24/07/2025

সন্তান হারানোর কষ্ট সহ্য করতে না পেরে চির বিদায় নিলেন মা। আজ মিরসাদের কবরের

পাশে দাঁড়িয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।
হয়তো আপনি-আমি আজও ভাবছি, “আহা, দুঃখজনক ঘটনা…” বলে স্ক্রল করে চলে যাব।
কিন্তু একজন মা তার সন্তানকে হারিয়ে কি করে বাঁচে?

মিরসাদ – মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন উজ্জ্বল ছাত্র।
যার মা-বাবা স্বপ্ন দেখেছিলেন—"আমার ছেলেটা বড় হয়ে পরিবারটার হাল ধরবে, ভালো মানুষ হবে…"
সেই স্বপ্নের ছেলেটিই আজ কবরে।
একটি বিমানের ধ্বংসাবশেষ তার ক্লাসরুমে বিধ্বস্ত হয়ে যখন তার ছোট শরীরটাকে ক্ষত-বিক্ষত করে দেয়, তখন সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত যেন মৃত্যুর চেয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে।

মায়ের চোখের সামনে শেষ নিঃশ্বাস নেয় মিরসাদ।
সেই চোখ, যেগুলো প্রতিদিন অপেক্ষা করত মিরসাদের স্কুল শেষে বাসায় ফেরার।

💔 আর পারেননি মিরসাদের মা।
নিজের নাড়িছেঁড়া ধনের মৃত্যু দেখে স্ট্রোক করেন। হাসপাতালের বিছানায় নিথর হয়ে যান।
আজ তিনি নেই।

এই কি আমরা চেয়েছিলাম? এই কি উন্নয়ন? এই কি নিরাপত্তা?

এই মৃত্যু কার দায়িত্বে?
➡️ কার অনুমতিতে একটি স্কুল বিল্ডিংয়ের পাশেই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ বিমান পরিচালনা?
➡️ কে দেবে এই পরিবারের উত্তর?

আমরা সবাই আজ মিরসাদের মা-বাবা।
আজ যদি আমরা চুপ থাকি, কাল আমাদের সন্তানের নামেও হয়তো এমন পোস্ট লিখতে হবে।

🙏 আসুন প্রশ্ন করি, প্রতিবাদ করি। দোষীদের বিচার চাই। যেন আর কোনো মা তার সন্তানকে কফিনে না দেখে।

🕯️ মিরসাদ ও তার মায়ের আত্মার শান্তি কামনা করছি।
📢 শেয়ার করুন, ছড়িয়ে দিন — যেন এই অবিচারের ধুলো চাপা না পড়ে যায়।

Note:Picture is Generated By Ai




#আমার_সন্তান_নিরাপদ_তো?

হে প্রভু , আ*হত ছোট ছোট ভাই বোনদের জন্য আপনার রহমত প্রার্থনা করছি | নিশ্চই আপনি দয়ালু ও পরম করুনাময়
21/07/2025

হে প্রভু , আ*হত ছোট ছোট ভাই বোনদের জন্য আপনার রহমত প্রার্থনা করছি | নিশ্চই আপনি দয়ালু ও পরম করুনাময়

আমি কখনোই জামাত-শিবিরের সমর্থক ছিলাম না। ভবিষ্যতেও হবো না। কিন্তু আমাদের সামাজিক কর্মকাণ্ডে এমন কিছু মানুষ যুক্ত ছিলেন, ...
20/07/2025

আমি কখনোই জামাত-শিবিরের সমর্থক ছিলাম না। ভবিষ্যতেও হবো না। কিন্তু আমাদের সামাজিক কর্মকাণ্ডে এমন কিছু মানুষ যুক্ত ছিলেন, যারা একসময় শিবির করতেন। তাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই আমি এক নতুন বাস্তবতা উপলব্ধি করেছি—এই সংগঠনের ভিতরকার শৃঙ্খলা, পরিকল্পনা আর ধৈর্যের এমন নিপুণ প্রদর্শনী আমি আর কোনো রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক শক্তির মধ্যে দেখিনি।

সম্প্রতি একটি মহাসমাবেশ আয়োজিত হলো জামাতের পক্ষ থেকে। আপনি যদি একটুখানি মনোযোগ দিয়ে দেখেন, তাহলে সহজেই বুঝবেন—এই দাঁড়ি-টুপি পরা মানুষগুলো কতটা সুসংগঠিত, পরিকল্পিত এবং পরিশ্রমী।

আমি এর আগে কখনো শুনিনি যে কেউ রেলগাড়ি ভাড়া নিয়ে সভায় অংশ নেয়! এই যে অসংখ্য জনতা এলেন, তাদের খাবার, পানি, চিকিৎসা, স্টেজ, সাউন্ড, আমন্ত্রণ, নিরাপত্তা—সব কিছুই ছিল নিখুঁত। প্রতিটি কাজের দায়িত্বে ছিলেন একজন ‘ব্রিগেড কমান্ডার’-এর মতো দক্ষ সংগঠক।

সভার মাঝখানে জামাতের আমির অসুস্থ হয়ে পড়লেন। মঞ্চে হুলুস্থুল কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি। কেউ চিৎকার করেনি, দৌড়ায়নি, কেউ ‘বাঁচাও’ বলে নায়কের মতো তর্জন-গর্জন করেনি। সভা চলেছে ঠিক আগের গতিতে। কারণ তারা জানে—ব্যক্তি নয়, সংগঠনই মুখ্য।

এই প্রশিক্ষণই একজন সৈনিককে দেয় প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ঠান্ডা মাথায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার শক্তি। এটা কোনো মামুলি ব্যাপার নয়। এই মাটি থেকে বহু রাজনৈতিক দল উঠে এসেছে, আবার হারিয়েও গেছে। কিন্তু জামাত-শিবির? তারা হারেনি, বরং সময়ের অপেক্ষায় আছে—নিজেদের মতো করে, নিঃশব্দে প্রস্তুত হচ্ছে।

তারা এখন সরাসরি ক্ষমতা নিতে চায় না। বরং দেশের প্রতিটি ক্ষেত্র—শিক্ষা, প্রশাসন, আইন, অর্থনীতি, ব্যবসা, সেনা, পুলিশ—সবখানে তাদের লোকজন তারা গড়ে তুলছে। তারা জানে, আজকের শিক্ষার্থীই আগামী দিনের ডিসি, ওসি, সচিব কিংবা জেনারেল।

তাদের এই “পলিটিক্যাল ইনফিলট্রেশন” বুঝতে পারলেও, প্রতিহত করার মতো মানসিক, নৈতিক কিংবা সাংগঠনিক শক্তি বর্তমান মূলধারার রাজনৈতিক শক্তিগুলোর নেই। বরং তারাই আজ জামাতকে কাজে লাগাচ্ছে, ক্ষমতার হিসেব মেলাতে।

আসলে শেখ হাসিনা একদা যাদের নির্মূল করতে চেয়েছিলেন, তাদের নির্মূল না করে বরং আরেকটু শৃঙ্খলিত ও বলিষ্ঠ করে দিয়ে গেছেন। এখন যারা “জামাত বিরোধী” স্লোগান দিয়ে পথে নামেন, তারা হয়তো জানেন না—আজ তারা যাদের সামনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করছেন, আগামী দিনে সেই শক্তিই তাদের অস্তিত্ব সংকটে ফেলতে পারে।

এর একমাত্র সমাধান হলো সততা, শিক্ষা ও কর্মনিষ্ঠতা। শুধু “জামাতমুক্ত বাংলাদেশ” বললে কিছু হবে না, যদি না আমরা তাদের থেকেও ভালো পরিকল্পনাকারী, দক্ষ সংগঠক, আর স্বচ্ছ চরিত্রের মানুষ হয়ে উঠি।

কারণ আজ না হোক, দশ বা বিশ বছর পর—এই “শৃঙ্খলিত প্রস্তুতি” আমাদের উপরই ঝাঁপিয়ে পড়বে। তখন তারা আমাদের কর্মকেই আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে।

আমরা ভাবি তারা অতীত। কিন্তু তারা ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত। প্রশ্ন হলো, আমরা কি প্রস্তুত? প্রশ্নটা আমার প্রিয় দল বি এন পি র কাছে ।কিভাবে মোকাবেলা করবেন এই জামাত শিবিরকে ?
#বাংলাদেশ

প্রথমে ওরা একজন মানুষকে মে*রে ফেলল।😭তারপর একজন এল, বড় একটি পাথর মাথার উপর তুলে তার বুকে মা*রল😭একবার নয়, একাধিকবার😭তারপর ...
12/07/2025

প্রথমে ওরা একজন মানুষকে মে*রে ফেলল।😭
তারপর একজন এল, বড় একটি পাথর মাথার উপর তুলে তার বুকে মা*রল😭
একবার নয়, একাধিকবার😭
তারপর আরেকজন এসে আরও বড় একটি পাথর দিয়ে আ*ঘাত করল মাথায়।
এরা রাজনীতি করে।
বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন উনারা ...
আগে নেতা ছিলেন ,
এখন ‘বহিষ্কৃত’।
এদের আবার বড় ভাইরাও আছেন—দেশের রাজনীতির চালিকাশক্তি, দেশের মাথা।
কাহিনী শেষ ! 😭

কি খবর বাংলাদেশ?
কি দেখলেন আপনারা?

এখানে কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামাত, কে হিন্দু, কে মুসলমান, কে খ্রিস্টান—এটা মুখ্য নয়।
কারণ সভ্যতা ও ন্যায়ের প্রশ্নে পরিচয় নয়, মানবিকতা মুখ্য।

বিশ্বে যেখানে মানুষ কুকুর-বিড়াল পর্যন্ত যত্ন করে পোষে,
সেখানে আমরা কীভাবে, এমন স্বাধীন একটি দেশে, এমন সভ্য একটা সমাজে,
একজন মানুষকে এভাবে পাথর ছুঁড়ে হ*ত্যা করি?
এটাই কি স্বাধীনতা?
এটাই কি সভ্যতা?
বিশ্ব দেখল—আমরা কারা।

একদিন আমরা দেখেছিলাম বিশ্বজিতের সাথে কি হয়েছিল।
আজ আবার দেখছি, অন্য নামে, অন্য প্রেক্ষাপটে।
কিন্তু মূল কাহিনি একটাই—
একজন অসহায় মানুষ, নি*র্মম হামলা,
আর অসহায় রাষ্ট্র।

বিএনপির নেতৃবৃন্দ,
জনাব তারেক রহমান,
আপনারা কি বুঝতে পারছেন—এই পরিস্থিতি কেবল আপনাদের জন্য নয়, গোটা জাতির জন্য ভয়া*বহ এক বিপর্যয়?
এই মুহূর্তে বিএনপি যেন এমন একটি দল—যার না আছে দিকনির্দেশনা, না আছে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা।
শুধু নেতা আছে,
কিন্তু কথা শোনার কেউ নেই।
শ্রদ্ধা নেই, ভালোবাসা নেই, ধৈর্য নেই।
আছে কেবল চেয়ারে বসার লড়াই।

মানুষ এই ভয়াবহ রাজনীতি থেকে মুক্তি চায়।
এই চাওয়াকে সম্মান জানান।
যারা রাজনীতির নামে চাঁদা*বাজি, সন্ত্রা*স বা সহিংসতা চালায়—
তাদেরকে দল থেকে প্রকাশ্যে বহিষ্কার করুন।
নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দিন নেতৃত্বে আসার।

এই রাজনীতি আপনাদের উপকার করবে না,
বরং ধ্বংস ডেকে আনবে।
এখনই সময়—সিরিয়াস হোন।

বাংলাদেশের মানুষ দেখতে চায়,
আপনারা সত্যিই দেশের ব্যাপারে যত্নশীল কি না।

একটা কথা মনে রাখবেন—
জনগণের ধৈর্য সীমাহীন নয়।
আজ যারা ভুলের রাজনীতি করছে, কাল তারা তারই ফল ভোগ করবে।
ক্ষমতার হাতবদল যখন হবে, তখন আর গদি রক্ষা করার মতো ‘হেলিকপ্টার’ বা ‘বন্ধুদেশ’ পাশে থাকবে না।
কি তৈরি তো? আপনাদের পাশে কিন্তু ওয়াকার বা মুদি নেই !
#বাংলাদেশ #বাংলাদেশের

বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের বিনীতভাবে বলছি, এই লিখাটি দয়া করে পড়বেন।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এ পর্যন্ত কতজন রাষ্ট্রপতি, প্...
25/05/2025

বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের বিনীতভাবে বলছি, এই লিখাটি দয়া করে পড়বেন।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এ পর্যন্ত কতজন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী হয়েছেন—বলতে পারেন? কয়জনের নাম মানুষ মনে রেখেছে? কয়জনের নাম ইতিহাসে আছে?

আমি সবচেয়ে বেশি যে নামগুলো শুনেছি—শেখ মুজিব, মেজর জিয়া, এরশাদ, বেগম খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা। তাছাড়া মাওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা, শহীদ সোহরাওয়ার্দী। এরশাদ ও শেখ হাসিনার বিষয়ে আপনারা ভাল জানেন জানেন।

এছাড়া কোনো মন্ত্রী, এমপি এমন কাজ করে গেছেন যে তাদের জাতি মনে রেখেছে বা মনে রাখবে? কিছু নেতা প্রায় অর্ধ-মৃত, কিন্তু কোনো চিন্তা নেই—যা মন চায় তাই বলে যাচ্ছেন। আপনারা হয়তো এমপি হবেন, মন্ত্রী হবেন—কিন্তু তারপর কী হবে? আপনাদের অনেক বন্ধুরা এই দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে, আপনি নিজেও হয়তো মনে রাখেননি তাদের।

তো, আপনাদের কী হবে?

বিগত দিনের কথা মনে করুন। সালমান এফ রহমান, আনিসুল হক, ওবায়দুল কাদের—কোথায় আজ তারা? কোথায় তাদের স্ত্রী-সন্তান, পরিবার?
এখন ওনাদের আত্মীয়-স্বজন ওনাদের পরিচয় দেন না, খবরও নেন না, কথা বলেন না।

যে এমপি-মন্ত্রীরা এখন ভারতে আছেন, তাঁদের কেউ যদি মারা যায়, কোথায় কবর দেবেন—বলুন? তাঁদের পরিবার তো তাঁদের লাশ দেশে নিয়ে আসবেন না। এজন্যই কি রাজনীতি? এর নাম কি রাজনীতি? কী লাভ এসব মন্ত্রী-এমপি হয়ে? যদি ক্ষমতা না থাকলে চোরের মতো পালাতে হয়, দেশ ছাড়তে হয়—তাহলে এমন মন্ত্রী-এমপি হওয়ার চেয়ে তো সিকিউরিটি গার্ড হওয়াই ভালো।

আজ চিন্তা করুন—যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক, রিকশাচালকের কোনো সমস্যা নেই, দিনমজুরের কোনো সমস্যা নেই। নিজের বাড়িতে রাতে শান্তিতে ঘুমায়, স্ত্রী-সন্তানের সাথে থাকে।

আজ বেনজির কোথায়? ডি.বি. হারুন কোথায়? ডিআইজি হাবিব কোথায়?

নির্বাচন-নির্বাচন নিশ্চয়ই চাইবেন।

ড. ইউনূসের মাথায় আছে—আপনারা বড় দল, আপনারা নির্যাতিত। এ জন্যই প্রথমে আপনাদের সবাইকে জেল থেকে মুক্ত করে দিয়েছেন।
ড. ইউনূস জুনের পর থাকবেন না, এটা নিশ্চিত।

তাঁকে সংস্কারে সহায়তা করুন—আপনাদের ভালো হবে।
না হয় এমন চিপায় পড়বেন, তখন চিৎকার করেও লাভ হবে না।

মানুষকে পিচ্চাব দিয়ে ভাসিয়ে দেবেন, দুদু স্যার থুতু দিয়ে ডেকে দেবেন—এগুলো শিক্ষিত মানুষের ভাষা না, চোর-ডাকাত আর স*ন্ত্রাসীর ভাষা।

মুরগির রান খাওয়ার পরও যদি আচরণ ভালো না হয়, তাহলে মুরগিতেই সমস্যা ছিল।

ছোটরা যদি ভুল করে—ওরা অবুঝ।
আপনিও যদি মুরব্বি হয়ে একই ভাষায় কথা বলেন—আপনার তো চিকিৎসা জরুরি।

এসব না করে নিজেদের ওজন বুঝুন। আপনাদের স্থান এত নীচে নয় , অনেক উপরে ছিল ।

আপনারা দেশের সবচেয়ে বড় দল। আপনাদের ইগনোর করা অসম্ভব।
ড. ইউনূসকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।
শেখ হাসিনা উনাকে পদ্মায় চুবাতে বলে নিজেই নাই হয়ে গেছেন।

যতই অহংকার করবেন, হিং*স্র হবেন—পতন তত দ্রুত হবে।
জনগণের ঘৃণা বাড়ছে আপনাদের প্রতি ।
জনগণের ঘৃণা বাড়লেও আপনারাই ক্ষমতায় যাবেন।

তবে আপনাদের মধ্যে যদি লোভ, হিংসা, অহংকার, অশ্রদ্ধা একই প্রক্রিয়ায় চলতে থাকে—তাহলে ক্ষমতার আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
সঠিক সময়ে হেলিকপ্টারও থাকবে না, সেনানিবাসেও আর জায়গা দেওয়া হবে না।

সবাইকে এই লিখাটি শেয়ার করার বিনীত অনুরোধ রইল।

#বাংলাদেশ াংলা

বিশেষ সতর্কতা জরুরী :প্রিয় দেশবাসী ও ছাত্র ভাইয়েরা , মনে আছে বি ডি আর বি!দ্রো!হের কথা | যদিও এটা পরিকল্পিত কিন্তু গোয়েন্...
30/08/2024

বিশেষ সতর্কতা জরুরী :
প্রিয় দেশবাসী ও ছাত্র ভাইয়েরা , মনে আছে বি ডি আর বি!দ্রো!হের কথা | যদিও এটা পরিকল্পিত কিন্তু গোয়েন্দারা ছিল ব্যার্থ | বঙ্গবন্ধু , জিয়া হ!ত্যা , কোনকিছু অগ্রীম বলতে পারেনি কোন সংস্থা | এমনকি হাসিনাও জানত না , এভাবে পালাতে হবে | কোন কিছু জানিয়ে করা হবে না | কেও আপনাদের বলবে না , কাল আমরা আসব , সাবধানে থেক |
ছাত্র ছাত্রী ভাই ও বোনেরা | যদি মনে করেন জিতে গেছেন , আপনাদের কিছু হবে না , তবে ভুল করবেন | দেশে অনেককিছু হচ্ছে | সবাই সতর্ক থাকুন | যারা হলে থাকেন , রাতে সবাই একসাথে ঘুমাবেন না | খালি হাতে থাকবেন না | উচ্চ শব্দ করা যায় এমন কিছু রাখবেন সবাই | যেন দ্রুত সবাইকে সতর্ক করা যায় | রাতে দুই ভাগে ঘুমাবেন | অর্ধেক পাহাড়া দেবেন , অর্ধেক ঘুমাবেন | উপদেষ্টাদের বিশেষ করে ডঃ ইউনুস ও আসিফ নজরুল এর অতিরিক্ত নিরাপত্তা জরুরী | বিষয়টা ভেবে দেখবেন | শত্রুরা কেন্টরমেন্টে থাকলে দেশ নিরাপদ থাকে কিভাবে | সতর্ক না থাকলে মহা বিপদ আসতে পারে | কোনভাবে আমার কথাগুলো হাল্কাভাবে নেবেন না | সবার একতা ও অতিরিক্ত সতর্কতা জরুরী | আপনাদের আছে শুন্য একটা দেশ | ওদের আছে হাজার কোটি টাকা | আপনাদের আশে পাশে ঘুরছে আপনাদের soট্রো রা | যাদের চিনতে ভুল করছেন | এখনই সতর্ক হউন | নিজেরা নিজেদের আর্মী মনে করুন | ইউনিভার্সিটি গুলোকে কেন্টরমেন্টে মনে করে পাহাড়া বসান | সদা প্রস্তুত থাকুন | না হয় সাদা কাপড়, গোলাপ জল আর আগরবাতী কিনে রাখুন | Be Serious please

চেয়ে দেখউঠেছে নতুন সূর্যপথে পথে রাজপথে চেয়ে দেখরংয়ের খেলা
07/08/2024

চেয়ে দেখ
উঠেছে নতুন সূর্য
পথে পথে রাজপথে চেয়ে দেখ
রংয়ের খেলা

সা*প*থেকে সতর্ক থাকুন , সাবধানে থাকুন |সব সাপ মানুষকে ভয় পায় |অনলাইনে সার্চ দিয়ে যাচাই করতে পারেন | সাধারণত এই সা প নিজে...
23/06/2024

সা*প*থেকে সতর্ক থাকুন , সাবধানে থাকুন |
সব সাপ মানুষকে ভয় পায় |
অনলাইনে সার্চ দিয়ে যাচাই করতে পারেন | সাধারণত এই সা প নিজেদের নিরা পত্তার অভাব অনুভব করলে বা মানুষ নিকটে চলে আসলে কা ম ড় দেয় |
প্রতি বছর আমাদের দেশে হাজারেরও বেশি মানুষ সাপের দংশনে মারা যায়। দেশে যেসব সাপ রয়েছে, তার মধ্যে সাত থেকে আট প্রজাতির অত্যন্ত বিষধর সাপের কামড়ে মানুষ বেশি মারা যায়। বাংলাদেশ টক্সিকোলজি সোসাইটির হিসেব অনুযায়ী যেসব প্রজাতির বিষধর সাপের কামড়ে মানুষ বেশি মারা যায় চলুন জেনে নিই-
নায়া নায়া�
এটি কোবরা বা গোখরা প্রজাতির সাপ, এর বৈজ্ঞানিক নাম নায়া নায়া। এটি স্থলভূমির সাপ, এটি ফণা তোলে এবং এর ফণায় চশমার মত দুইটি বলয় থাকে। রাজশাহী অঞ্চলের দিকে প্রধানত এ সাপের বসবাস।
নায়া কাউচিয়া�
এটিও গোখরা প্রজাতির সাপ, স্থানীয়ভাবে একে জাতি সাপ বা জাত সাপও বলে থাকে। এই সাপটিকে জউরা নামেও ডাকা হয়। এ সাপ ফণা তোলে। এটি মূলত দেশের পূর্ব অংশ অর্থাৎ সিলেট, নোয়াখালী এলাকায় বেশি থাকে। দেশে যত সর্প দংশনের ঘটনা ঘটে, এর কামড়ে ঘটে সর্বোচ্চ।
কিং কোবরা বা শঙ্খচূড়�
একে রাজ গোখরাও বলা হয়। ভয়াবহ বিষধর এই শঙ্খচূড় অন্য গোখরার তুলনায় আকৃতিতে বেশ লম্বা। এর ফণায় অন্য গোখরার মতো চশমার মত বলয় থাকে না। শঙ্খচূড় বাংলাদেশ, ভুটান, বার্মা, কম্বোডিয়া, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড এসব দেশে বেশি দেখা যায়।
শঙ্খিনী�
এই সাপকে শঙ্খিনী এবং শাঁকিনী সাপ নামেও ডাকা হয়। পৃথিবীতে ক্রেইট বা শঙ্খিনী জাতের সাপের মোট ৮টি প্রজাতি রয়েছে, এর মধ্যে ৫টি প্রজাতি বাংলাদেশে পাওয়া যায়। এই ক্রেইট জাতের সাপকে স্থানীয়ভাবে কেউটেও বলা হয়। এ সাপ বাড়ির আশপাশে বা লাকড়ির মধ্যে শুকনো জায়গায় থাকে।
কালো নাইজার�
এটিও শঙ্খিনী জাতের সাপ এবং বাংলাদেশে প্রচুর সংখ্যায় রয়েছে এই সাপ। এটি চট্টগ্রাম ও সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চল, নোয়াখালী এবং সুন্দরবন অঞ্চলে দেখা যায় বেশি।
চন্দ্রবোড়া বা রাসেলস ভাইপার�
চন্দ্রবোড়ার আরেক নাম উলুবোড়া। বাংলাদেশে যেসব সাপ দেখা যায়, তার মধ্যে এটি সবচেয়ে বিষাক্ত। এই সাপটি প্রায় একশ’ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু গত ১০/১২ বছর আগে থেকে আবার এই সাপে দংশনের ঘটনা ঘটার প্রমাণ দেখা যায়।
সবুজ বোড়া�
সবুজ বোড়া বা গ্রিন ভাইপার সাপকে স্থানীয়ভাবে গাল টাউয়া সাপও বলে। এর মাথার অংশ মোটা বলে এই নামকরণ। এই জাতের মোট ছয়টি প্রজাতি বাংলাদেশে দেখা যায়। এই সাপ সুন্দরবন এবং পাহাড়ি এলাকার জঙ্গলে থাকে বলে এটি মানুষের মুখে মাথায় এবং গায়ে দংশন করে।
সূত্রঃ গুগল

দেশের টাকা পাচার করে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কিনেছেন এমন ২৫২ জন আমলা, পুলিশসহ সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি তালিকা পাওয়া ...
05/10/2023

দেশের টাকা পাচার করে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কিনেছেন এমন ২৫২ জন আমলা, পুলিশসহ সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। সরকারের শীর্ষ মহলে পাঠানো হয়েছে সেই তালিকা। এই তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই ২৫২ জনের মধ্যে অন্তত ৩০-৩৫ জন পুলিশের ওসি (ইন্সপেক্টর) রয়েছেন। এদের কারও আবার একাধিক বাড়িও আছে। যুক্তরাষ্ট্রে কারা বাড়ি কিনেছেন? এই বিষয় নিয়ে কয়েকমাস ধরে তদন্ত করছিল একটি গোয়েন্দা সংস্থা। সেই রিপোর্টটি এখন সামনে এসেছে। এদের সবাই দেশ থেকে টাকা পাচার করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়েছেন। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। সরকারের সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা ছাড়াও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাও আছেন এই তালিকায়। যারা সরকারের আস্থাভাজন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন। শুধু এই সরকারের আমলে নয়, বিগত সরকারগুলোর সময়ও আমলা, পুলিশ কর্মকর্তাসহ সরকারী কর্মকর্তারা বিদেশে টাকা পাচার করেছেন। তখনও কয়েকশ’ সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিদেশে সম্পদ থাকার তালিকা প্রকাশ হয়েছিল। এমন অনেকেই এখন বিদেশে নিজেদের সেই সব বাড়িতে অবস্থান করে দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছেন। বর্তমান সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করেছে। ফলে জনগণের ভোট নিয়ে তাদের চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এসব অসৎ কর্মকর্তাদের কারণে দেশে বিদেশে প্রধানমন্ত্রীকেই নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে। গত জানুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদে বিদেশে বাড়ি-গাড়ি আছে এমন আমলাদের তালিকা সংসদে প্রকাশের দাবি করেছিলেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারি। তখন তিনি বলেছিলেন, গণমাধ্যমে এসেছে আমলাদের বিদেশে প্রচুর সম্পদ আছে। আমলাদের মধ্যে কাদের বিদেশে বাড়ি-গাড়ি আছে তাদের তালিকা সংসদে প্রকাশ করা উচিৎ। সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক |
(ইত্তেফাকের এ খবর আংশিক সত্য | প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে কয়েক গুন বেশী হবে | কানাডা , দুবাই , মালয়েশিয়া , সিঙ্গাপুর , ইংল্যান্ড , ইউরোপ সহ অনেক কিছুর তথ্য এখনও বাকি )

11/09/2023

আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে জোর করে ছবি তুলবে ! বরং বাইডেন শক্ত করে হাত ধরে রেখেছিল | সেলফি তুলা , হাত ধরা একটা ভদ্রতার অংশ মাত্র |

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pricila.New York posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category