Fruit Tree

Fruit Tree We promise the quality of our Drinks and Prices u expect.

Fruit Tree is the place where you will find the contentment with a cup of freshly blended Nutritious Juice or a Cool Smoothie made with Frozen Fruits with no additional ice.

মাল্টা জুস=250ML-60TK/350ML-80TK.মাল্টাতে আছে, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং চর্বিমুক্ত ক্যালরি। শুধু ত...
15/07/2024

মাল্টা জুস=250ML-60TK/350ML-80TK.

মাল্টাতে আছে, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং চর্বিমুক্ত ক্যালরি। শুধু তাই নয়, এটির স্বাস্থ্যগুণও কম নয়! আসুন জেনে নিই মাল্টার কিছু ঔষুধি গুণ- * শীতকালীন ঠোঁট ফাটা, পায়ের তালু ও হাতের তালু ফাটা রোগ রোধ করে মাল্টা।

*সর্দি, নাক বন্ধ থাকা, টনসিলের সমস্যা, গলাব্যথা, জ্বর জ্বর ভাব, হাঁচি-কাশি, মাথাব্যথা, ঠান্ডাজনিত দুর্বলতা-এজাতীয় সমস্যাগুলো দূর করে মাল্টা ।
* মাল্টা পাকস্থলীকে সুস্থ রাখে। নিয়মিত কমলা খাওয়ার অভ্যাস পাকস্থলীর আলসার ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে সুরক্ষা দেবে। পাকস্থলীকে স্স্থু রাখে।
* মাল্টা ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল যা এন্টি অক্সিডেন্ট সমুহের উৎস। এটি ত্বকে সজীবতা বজায় রাখে এবং ত্বকের বলি রেখা প্রতিরোধ করে লাবণ্য ধরে রাখে। মাল্টা ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি প্রদাহ জনিত রোগ সারিয়ে তোলে।
* মাল্টা দাঁত, চুল, ত্বক, নখের পুষ্টি জোগায়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত মাল্টা খায় তাদের দাঁতের রোগ অনেক কম হয়। জিহবায় ঘা, ঠোঁটের ঘা, জ্বরের সময় জ্বর ঠোসাসহ ত্বক, জিহবার অনেক রোগ ভালো করে। নিয়মিত মাল্টা খেলে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
* মাল্টার ভিটামিন সি উপাদান আমাদের শরীরে ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এটি আমাদের শরীরের কোলন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের অন্যতম প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
* প্রতিদিন একটি করে কমলা খাওয়ার অভ্যাস আপনার দৃষ্টিশক্তিকে ভাল রাখে। কারণ, কমলায় রয়েছে ভিটামিন এ,সি ও পটাসিয়াম। এ ভিটামিনগুলো আপনার দৃষ্টিশক্তির জন্য বেশ উপকারী।
* এক গøাস মাল্টার জুসকে ভিটামিন সি এর সবচেয়ে কার্যকর উৎস বলে মনে করা হয়। মাল্টাকে ভিটামিন সি ট্যাবলেট সিহেবেও গ্রহণ করা যায়। এছাড়াও চোখে ঘা, দেহে যে কোনো ঘা, কাটা, সেলাইজনিত ত্বককে দ্রæত ভালো হতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ভিটামিন-সি। আর মাল্টায় আপনি পাচ্ছেন পর্যাপ্ত ভিটামিন-সি। তাই এসব রোগ সারাতে মাল্টার জুড়ি নেই। জেনে রাখা ভালো, যাদের রক্তে চর্বির পরিমাণ বেশি তাদের রক্তের চর্বির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে মাল্টা। প্রবীণ, গর্ভবতী নারী, মাতৃদুগ্ধদানকারী মহিলাদের নিয়মিত মাল্টা খাওয়া উচিত, কারণ এতে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। ত্বকের সৌন্দর্য চর্চায়ও আপনি নিয়মিত মাল্টা খেতে পারেন। মাল্টা মহান আল্লাহ তায়ালার এক অপূর্ব দান। এর উপকারিতার শেষ নেই। তাই সুস্থ, নীরোগ থাকতে যদি চান, নিত্যদিন একটি করে মাল্টা খান

তরমুজের জুস=250ML-50TK/350ML-70TK.উপকারিতা ১: তরমুজ ত্বকের উপকার করেযদি আপনার ত্বকে freckle বা মেচেতা থাকে, তবে তা থেকে ...
14/07/2024

তরমুজের জুস=250ML-50TK/350ML-70TK.

উপকারিতা ১: তরমুজ ত্বকের উপকার করে

যদি আপনার ত্বকে freckle বা মেচেতা থাকে, তবে তা থেকে রেহাই পেতে প্রতিদিন তরমুজ খান। এই বিশেষজ্ঞদের কথা এমন, তরমুজের সমৃদ্ধ ভিটামিন 'এ' দেহের ত্বকের জন্য উপকারী। নিয়মিত তরমুজ খেলে আপনার ত্বকের হারিয়ে যাওয়া লাবণ্য ফিরে আসবে—এমন সম্ভাবনা প্রবল।

উপকারিতা ২: তরমুজ হার্টকে সুস্থ রাখে

জরিপের ফল অনুসারে, তরমুজের একটি বিশেষ উপাদান হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। তা ছাড়া, তরমুজের ভিটামিন-সি, ক্যারোটিন (carotene) ও পটাসিয়াম শরীরের কলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে আপনার হার্ট বড় ধরনের বিপদ থেকে সবসময় সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, যারা হার্টের সমস্যায় ভুগছেন, তারা স্রেফ তরমুজ খেয়ে সুস্থ হবার আশায় দিন কাটাবেন। না, মোটেই তা নয়। বুকে ব্যথা হলে বা হার্টের সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিত্কসের শরণাপন্ন হোন।

উপকারিতা ৩: তরমুজ কিডনি বা বৃক্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়

আপনাদের কেউ কি কখনও কিডনির পাথর রোগে আক্রান্ত হয়েছেন? কিডনিতে পাথর হলে এবং তা নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। অনেকে এ ব্যথা সহ্য করতে পারেন না। যারা, এ থেকে সাবধান থাকতে চান, তাদের উচিত নিয়মিত তরমুজ খাওয়া। না, নিয়মিত তরমুজ খেলে আপনার কিডনি পাথরমুক্ত থাকবে, এমন নয়। তবে, এতে আপনার কিডনির ওপর চাপ কমবে। আর কিডনি যখন তার কাজ ঠিকমতো করবে, তখন সেখানে পাথর হবার আশঙ্কাও কমবে। নিয়মিত তরমুজ খেলে আপনার প্রস্রাবের ধারা স্বাভাবিক থাকবে। এতে কিডনি পাথর রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমবে।

উপকারিতা ৪: তরমুজ দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তরমুজ থাকলে আপনার দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকবে। কারণ, তরমুজে প্রচুর ভিটামিট 'এ' থাকে। আর ভিটামিন 'এ' থাকা না-থাকার ওপর নির্ভর করে দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক থাকা বা না-থাকা। ভিটামিন 'এ'-কে চোখের পুষ্টি-বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

উপকারিতা ৫: তরমুজ হাড় সুস্থ রাখে

মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে হাড়ে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। এ সময় শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা বাড়ে। এ বাড়তি চাহিদা পূরণ না-হলে হাত বা পায়ে ব্যথা হবে; হাঁটাহাঁটিতে সমস্যা হবে। অথচ বয়স বাড়লে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করা সার্বিকভাবে শরীর সুস্থ রাখার জন্য জরুরি। যদি আপনি নিয়মিত তরমুজ খান, তবে এর ক্যারোটিন ও ক্যালসিয়াম আপনার হাড় মজবুত রাখবে। এর সুফল পাবেন বয়সকালে।

উপকারিতা ৬: তরমুজ রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখে

আপনার রক্তচাপ ঠিক আছে কি? অনেকেই খাদ্যগ্রহণে সতর্কতা অবলম্বন ও শরীরচর্চার মাধ্যমে রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেন। চিকিত্সকরা বলছেন, খাদ্যতালিকায় নিয়মিত তরমুজ রাখুন। কারণ, তরমুজে প্রচুর পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।

উপকারিতা ৭: পেশীর ব্যথা থেকে বাঁচতে তরমুজ খান

অনেকেই দেখা যায় শরীরচর্চার পর পেশীর ব্যথায় ভোগেন। এ থেকে বাঁচতে আপনাকে তরমুজ সাহায্য করতে পারে। শরীরচর্চার অন্তত এক ঘন্টা আগে এক কাপ তরমুজের জুস পান করুন। দেখবেন, শরীররচর্চার পর পেশীতে ব্যথার অনুভূতি তুলনামূলকভাবে কম হচ্ছে। তবে মনে রাখবেন, তরমুজের জুসে সুগারের পরিমাণ একটু বেশি। তাই জুস না-খেয়ে সরাসরি তরমুজ খাওয়া ভালো।

উপকারিতা ৮: তরমুজ অ্যাজমা প্রতিরোধে সহায়ক

সাধারণ মানুষ নিয়মিত তরমুজ খেয়ে অ্যাজমা বা হাঁপানি প্রতিরোধ করতে পারেন। তরমুজে প্রচুর ভিটামিন-সি থাকে। যারা ইতোমধ্যে অ্যাজমায় আক্রান্ত হয়েছেন, তারাও তরমুজ খেয়ে উপকার পেতে পারেন। আরেকটি বিষয়, তরমুজ ফুসফুস সুস্থ রাখতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

উপকারিতা ৯: তরমুজ প্রোস্টেটের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক

যে-কোনো ক্যান্সার প্রতিরোধে তরমুজ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে—এমনটা ঠিক নয়। তবে, তরমুজে ক্যান্সার-প্রতিরোধক উপাদান আছে। বিশেষ করে, এটি প্রোস্টেটের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

এখন আমরা তরমুজ খাওয়ার সঠিক তরিকা সম্পর্কে বলবো।

১. গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড গরমে অনেকেই ঠাণ্ডা তরমুজ খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু মনে রাখবেন, ঠাণ্ডা তরমুজ খেতে ভালো হলেও, আপনাকে সমস্যায় ফেলতে পারে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা তরমুজ আপনার পাকস্থলির ক্ষতি করতে পারে।

২. জ্বর, দাঁতের এলার্জি, মুখের ঘা, কিডনি ও পেটের সমস্যায় ভুগছেন—এমন মানুষ; গর্ভবতী নারী; এবং ডায়াবিটিসের রোগীদের তরমুজ খাওয়ার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। আর নারীদের উচিত মাসিকের সময় তরমুজ এড়িয়ে চলা

কমলার  জুস=250ML-60TK/350ML-80TK.কমলার স্বাস্থ্য উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে –দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করতে:চোখের দৃষ্টি শক...
12/07/2024

কমলার জুস=250ML-60TK/350ML-80TK.

কমলার স্বাস্থ্য উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে –
দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করতে:

চোখের দৃষ্টি শক্তি ঠিক রাখতে দরকার প্রয়োজনীয় ভিটামিন এ। আমরা সবাই জানি ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। কমলায় বেশ ভালো পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে।

ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করতে:

কমলায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিনের পাশাপাশি রয়েছে আলফা ও বেটা ক্যারোটিনের মতো ফ্ল্যাভনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কমলায় উচ্চমাত্রার পুষ্টিগুণ হচ্ছে ফ্ল্যাভনয়েড যা ফুসফুস এবং ক্যাভিটি ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর। তাই ক্যান্সার থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন ১ টি কমলা খাওয়া উচিত।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে:

কমলা আপনার প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করে। একই সঙ্গে এ ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান। এ পুষ্টি উপাদানসমূহ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ছোটবড় নানা ব্যাধি ও সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়।

ত্বকের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতে:

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকও দ্রুত বুড়িয়ে যেতে শুরু করে। ভিটামিন সি ছাড়াও কমলায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমূহ ত্বককে সতেজ ও সজীব রাখতে সাহায্য করে। বার্ধক্যেও ত্বককে অনেকটাই মসৃণ রাখে, সহজে বলিরেখা পড়ে না। কারণ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিস সি ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে বহু বছর।

হার্ট সুস্থ রাখে:

কমলায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান যা হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে। পটাশিয়াম এবং ক্যালশিয়ামের মতো খনিজ উপাদানগুলো শরীরে সোডিয়ামের প্রভাব নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। কমলার চর্বিহীণ আঁশ, সোডিয়াম মুক্ত এবং কোলেস্টেরল মুক্ত উপাদানগুলো হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে।

শর্করা নিয়ন্ত্রণ:

কমলার খোসায় চিনির পরিমাণ নেই বললেই চলে, তাই এটা রক্তে শর্করার মাত্রায় প্রভাব ফেলে। ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক সিন্ড্রম রোগীদের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রেণ রাখতে হয়। তাই কমলার পুষ্টিগুণ ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারী।

ওষুধ শোষণ:

শরীরে ওষুধ গ্রহণে সাহায্য করে কমলা। এই ফলের রস ওষুধের বায়োকেমিক্যাল ও সাইকলজিকাল প্রভাব শরীরে গ্রহণের মাধ্যমে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে:

কমলা ‘ক্যালরি ফ্রি’ ফল হিসেবে পরিচিত, আর এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। তাই কমলার পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে সাহায্য করে। মানুষের জন্য অত্যাবশ্যক পুষ্টি যেমন থিয়ামাইন, নিয়াসিন, ভিটামিন বি সিক্স, ম্যাগনেশিয়াম এবং কপার রয়েছে কমলায়।

18/04/2022

তরমুজের জুস=250ML-40TK/350ML-55TK.

উপকারিতা ১: তরমুজ ত্বকের উপকার করে

যদি আপনার ত্বকে freckle বা মেচেতা থাকে, তবে তা থেকে রেহাই পেতে প্রতিদিন তরমুজ খান। এই বিশেষজ্ঞদের কথা এমন, তরমুজের সমৃদ্ধ ভিটামিন 'এ' দেহের ত্বকের জন্য উপকারী। নিয়মিত তরমুজ খেলে আপনার ত্বকের হারিয়ে যাওয়া লাবণ্য ফিরে আসবে—এমন সম্ভাবনা প্রবল।

উপকারিতা ২: তরমুজ হার্টকে সুস্থ রাখে

জরিপের ফল অনুসারে, তরমুজের একটি বিশেষ উপাদান হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। তা ছাড়া, তরমুজের ভিটামিন-সি, ক্যারোটিন (carotene) ও পটাসিয়াম শরীরের কলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে আপনার হার্ট বড় ধরনের বিপদ থেকে সবসময় সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, যারা হার্টের সমস্যায় ভুগছেন, তারা স্রেফ তরমুজ খেয়ে সুস্থ হবার আশায় দিন কাটাবেন। না, মোটেই তা নয়। বুকে ব্যথা হলে বা হার্টের সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিত্কসের শরণাপন্ন হোন।

উপকারিতা ৩: তরমুজ কিডনি বা বৃক্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়

আপনাদের কেউ কি কখনও কিডনির পাথর রোগে আক্রান্ত হয়েছেন? কিডনিতে পাথর হলে এবং তা নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। অনেকে এ ব্যথা সহ্য করতে পারেন না। যারা, এ থেকে সাবধান থাকতে চান, তাদের উচিত নিয়মিত তরমুজ খাওয়া। না, নিয়মিত তরমুজ খেলে আপনার কিডনি পাথরমুক্ত থাকবে, এমন নয়। তবে, এতে আপনার কিডনির ওপর চাপ কমবে। আর কিডনি যখন তার কাজ ঠিকমতো করবে, তখন সেখানে পাথর হবার আশঙ্কাও কমবে। নিয়মিত তরমুজ খেলে আপনার প্রস্রাবের ধারা স্বাভাবিক থাকবে। এতে কিডনি পাথর রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমবে।

উপকারিতা ৪: তরমুজ দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তরমুজ থাকলে আপনার দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকবে। কারণ, তরমুজে প্রচুর ভিটামিট 'এ' থাকে। আর ভিটামিন 'এ' থাকা না-থাকার ওপর নির্ভর করে দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক থাকা বা না-থাকা। ভিটামিন 'এ'-কে চোখের পুষ্টি-বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

উপকারিতা ৫: তরমুজ হাড় সুস্থ রাখে

মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে হাড়ে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। এ সময় শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা বাড়ে। এ বাড়তি চাহিদা পূরণ না-হলে হাত বা পায়ে ব্যথা হবে; হাঁটাহাঁটিতে সমস্যা হবে। অথচ বয়স বাড়লে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করা সার্বিকভাবে শরীর সুস্থ রাখার জন্য জরুরি। যদি আপনি নিয়মিত তরমুজ খান, তবে এর ক্যারোটিন ও ক্যালসিয়াম আপনার হাড় মজবুত রাখবে। এর সুফল পাবেন বয়সকালে।

উপকারিতা ৬: তরমুজ রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখে

আপনার রক্তচাপ ঠিক আছে কি? অনেকেই খাদ্যগ্রহণে সতর্কতা অবলম্বন ও শরীরচর্চার মাধ্যমে রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেন। চিকিত্সকরা বলছেন, খাদ্যতালিকায় নিয়মিত তরমুজ রাখুন। কারণ, তরমুজে প্রচুর পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।

উপকারিতা ৭: পেশীর ব্যথা থেকে বাঁচতে তরমুজ খান

অনেকেই দেখা যায় শরীরচর্চার পর পেশীর ব্যথায় ভোগেন। এ থেকে বাঁচতে আপনাকে তরমুজ সাহায্য করতে পারে। শরীরচর্চার অন্তত এক ঘন্টা আগে এক কাপ তরমুজের জুস পান করুন। দেখবেন, শরীররচর্চার পর পেশীতে ব্যথার অনুভূতি তুলনামূলকভাবে কম হচ্ছে। তবে মনে রাখবেন, তরমুজের জুসে সুগারের পরিমাণ একটু বেশি। তাই জুস না-খেয়ে সরাসরি তরমুজ খাওয়া ভালো।

উপকারিতা ৮: তরমুজ অ্যাজমা প্রতিরোধে সহায়ক

সাধারণ মানুষ নিয়মিত তরমুজ খেয়ে অ্যাজমা বা হাঁপানি প্রতিরোধ করতে পারেন। তরমুজে প্রচুর ভিটামিন-সি থাকে। যারা ইতোমধ্যে অ্যাজমায় আক্রান্ত হয়েছেন, তারাও তরমুজ খেয়ে উপকার পেতে পারেন। আরেকটি বিষয়, তরমুজ ফুসফুস সুস্থ রাখতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

উপকারিতা ৯: তরমুজ প্রোস্টেটের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক

যে-কোনো ক্যান্সার প্রতিরোধে তরমুজ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে—এমনটা ঠিক নয়। তবে, তরমুজে ক্যান্সার-প্রতিরোধক উপাদান আছে। বিশেষ করে, এটি প্রোস্টেটের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

এখন আমরা তরমুজ খাওয়ার সঠিক তরিকা সম্পর্কে বলবো।

১. গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড গরমে অনেকেই ঠাণ্ডা তরমুজ খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু মনে রাখবেন, ঠাণ্ডা তরমুজ খেতে ভালো হলেও, আপনাকে সমস্যায় ফেলতে পারে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা তরমুজ আপনার পাকস্থলির ক্ষতি করতে পারে।

২. জ্বর, দাঁতের এলার্জি, মুখের ঘা, কিডনি ও পেটের সমস্যায় ভুগছেন—এমন মানুষ; গর্ভবতী নারী; এবং ডায়াবিটিসের রোগীদের তরমুজ খাওয়ার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। আর নারীদের উচিত মাসিকের সময় তরমুজ এড়িয়ে চলা

14/09/2021

মাল্টা জুস=250ML-50TK/350ML-70TK. মাল্টাতে আছে, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং চর্বিমুক্ত ক্যালরি। শুধু তাই নয়, এটির স্বাস্থ্যগুণও কম নয়! আসুন জেনে নিই মাল্টার কিছু ঔষুধি গুণ- * শীতকালীন ঠোঁট ফাটা, পায়ের তালু ও হাতের তালু ফাটা রোগ রোধ করে মাল্টা।

*সর্দি, নাক বন্ধ থাকা, টনসিলের সমস্যা, গলাব্যথা, জ্বর জ্বর ভাব, হাঁচি-কাশি, মাথাব্যথা, ঠান্ডাজনিত দুর্বলতা-এজাতীয় সমস্যাগুলো দূর করে মাল্টা ।
* মাল্টা পাকস্থলীকে সুস্থ রাখে। নিয়মিত কমলা খাওয়ার অভ্যাস পাকস্থলীর আলসার ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে সুরক্ষা দেবে। পাকস্থলীকে স্স্থু রাখে।
* মাল্টা ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল যা এন্টি অক্সিডেন্ট সমুহের উৎস। এটি ত্বকে সজীবতা বজায় রাখে এবং ত্বকের বলি রেখা প্রতিরোধ করে লাবণ্য ধরে রাখে। মাল্টা ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি প্রদাহ জনিত রোগ সারিয়ে তোলে।
* মাল্টা দাঁত, চুল, ত্বক, নখের পুষ্টি জোগায়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত মাল্টা খায় তাদের দাঁতের রোগ অনেক কম হয়। জিহবায় ঘা, ঠোঁটের ঘা, জ্বরের সময় জ্বর ঠোসাসহ ত্বক, জিহবার অনেক রোগ ভালো করে। নিয়মিত মাল্টা খেলে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
* মাল্টার ভিটামিন সি উপাদান আমাদের শরীরে ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এটি আমাদের শরীরের কোলন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের অন্যতম প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
* প্রতিদিন একটি করে কমলা খাওয়ার অভ্যাস আপনার দৃষ্টিশক্তিকে ভাল রাখে। কারণ, কমলায় রয়েছে ভিটামিন এ,সি ও পটাসিয়াম। এ ভিটামিনগুলো আপনার দৃষ্টিশক্তির জন্য বেশ উপকারী।
* এক গøাস মাল্টার জুসকে ভিটামিন সি এর সবচেয়ে কার্যকর উৎস বলে মনে করা হয়। মাল্টাকে ভিটামিন সি ট্যাবলেট সিহেবেও গ্রহণ করা যায়। এছাড়াও চোখে ঘা, দেহে যে কোনো ঘা, কাটা, সেলাইজনিত ত্বককে দ্রæত ভালো হতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ভিটামিন-সি। আর মাল্টায় আপনি পাচ্ছেন পর্যাপ্ত ভিটামিন-সি। তাই এসব রোগ সারাতে মাল্টার জুড়ি নেই। জেনে রাখা ভালো, যাদের রক্তে চর্বির পরিমাণ বেশি তাদের রক্তের চর্বির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে মাল্টা। প্রবীণ, গর্ভবতী নারী, মাতৃদুগ্ধদানকারী মহিলাদের নিয়মিত মাল্টা খাওয়া উচিত, কারণ এতে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। ত্বকের সৌন্দর্য চর্চায়ও আপনি নিয়মিত মাল্টা খেতে পারেন। মাল্টা মহান আল্লাহ তায়ালার এক অপূর্ব দান। এর উপকারিতার শেষ নেই। তাই সুস্থ, নীরোগ থাকতে যদি চান, নিত্যদিন একটি করে মাল্টা খান

14/09/2021

কমলার জুস=250ML-50TK/350ML-70TK. কমলার স্বাস্থ্য উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে –

দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করতে:

চোখের দৃষ্টি শক্তি ঠিক রাখতে দরকার প্রয়োজনীয় ভিটামিন এ। আমরা সবাই জানি ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। কমলায় বেশ ভালো পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে।

ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করতে:

কমলায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিনের পাশাপাশি রয়েছে আলফা ও বেটা ক্যারোটিনের মতো ফ্ল্যাভনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কমলায় উচ্চমাত্রার পুষ্টিগুণ হচ্ছে ফ্ল্যাভনয়েড যা ফুসফুস এবং ক্যাভিটি ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর। তাই ক্যান্সার থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন ১ টি কমলা খাওয়া উচিত।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে:

কমলা আপনার প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করে। একই সঙ্গে এ ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান। এ পুষ্টি উপাদানসমূহ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ছোটবড় নানা ব্যাধি ও সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়।

ত্বকের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতে:

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকও দ্রুত বুড়িয়ে যেতে শুরু করে। ভিটামিন সি ছাড়াও কমলায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমূহ ত্বককে সতেজ ও সজীব রাখতে সাহায্য করে। বার্ধক্যেও ত্বককে অনেকটাই মসৃণ রাখে, সহজে বলিরেখা পড়ে না। কারণ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিস সি ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে বহু বছর।

হার্ট সুস্থ রাখে:

কমলায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান যা হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে। পটাশিয়াম এবং ক্যালশিয়ামের মতো খনিজ উপাদানগুলো শরীরে সোডিয়ামের প্রভাব নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। কমলার চর্বিহীণ আঁশ, সোডিয়াম মুক্ত এবং কোলেস্টেরল মুক্ত উপাদানগুলো হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে।

শর্করা নিয়ন্ত্রণ:

কমলার খোসায় চিনির পরিমাণ নেই বললেই চলে, তাই এটা রক্তে শর্করার মাত্রায় প্রভাব ফেলে। ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক সিন্ড্রম রোগীদের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রেণ রাখতে হয়। তাই কমলার পুষ্টিগুণ ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারী।

ওষুধ শোষণ:

শরীরে ওষুধ গ্রহণে সাহায্য করে কমলা। এই ফলের রস ওষুধের বায়োকেমিক্যাল ও সাইকলজিকাল প্রভাব শরীরে গ্রহণের মাধ্যমে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে:

কমলা ‘ক্যালরি ফ্রি’ ফল হিসেবে পরিচিত, আর এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। তাই কমলার পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে সাহায্য করে। মানুষের জন্য অত্যাবশ্যক পুষ্টি যেমন থিয়ামাইন, নিয়াসিন, ভিটামিন বি সিক্স, ম্যাগনেশিয়াম এবং কপার রয়েছে কমলায়।

14/09/2021

গাজরে জুস=250ML-40TK/350ML-55TK.
গাজরকে বলা হয়ে থাকে ‘শক্তিশালী’ খাদ্য উপাদান। গাজরে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’। জেনে নিন গাজর খাওয়ার ৭টি উপকারিতা…১. গাজর খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। কেননা এতে আছে বেটা ক্যারোটিন।

২. গাজর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত গাজর খেলে ব্রেস্ট, কোলন, ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

৩. ত্বক সুন্দর রাখতে চাইলে গাজর খেতে পারেন। এটা ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন ‘এ’ ও এন্টিওক্সিডেন্ট আপনার ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করবে।৪. গাজর অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। এটি ইনফেকশন হওয়া থেকে রক্ষা করে। কোথাও কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে সেখানে কুচি করা গাজর বা সিদ্ধ করা গাজরের পেস্ট লাগিয়ে দিন। এতে ইনফেকশন হবার আশঙ্কা কমে যাবে।

৫. গাজরের ক্যারোটিনয়েডগুলো হৃৎপিণ্ডের নানা অসুখের ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

৬. গাজর দাঁত ও মুখ গহ্বর পরিষ্কার রাখে। গাজরের মিনারেলগুলো দাঁত মজবুত থাকতে সাহায্য করে অনেকাংশেই।

৭. হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে ৬টির বেশি গাজর খেয়েছেন বা খাচ্ছেন তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি যারা এর থেকে পরিমাণে কম বা একটি গাজর খাচ্ছেন তাদের তুলনায় অনেক কম হয়েছে। তাই স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে হলে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই গাজর রাখতে হবে।

14/09/2021

Address

Tulip Garden, Mo#78 West Marul Badda, Brac University Second Gate (Gate-2) Dhaka-1212
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801758310837

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fruit Tree posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Fruit Tree:

Share