16/10/2020
আসসালামু আলাইকুম।
Mukta's kitchen এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই পাশে থাকার জন্য। আশা করি ভবিষ্যতেও পাশে থাকবেন।
🌺চাইনিজ খাবার নিয়ে কিছু কথা🌺
ঢাকার অলিতে গলিতে চাইনিজ রেস্তরাঁ জানান দেয় চীনা খাবারের প্রতি বাঙালির ভালোবাসা। নিয়মিত এই খাবার খেলেও সুদূর চীনে আসলে খাবারটি কীভাবে তৈরি হয়, কেমন স্বাদ বা কীভাবে খাওয়া হয়, তা বেশিরভাগেরই অজানা।
🌹🌹আজ থাকছে চাইনিজ খাবার সম্পর্কে এমনই কিছু অজানা তথ্য।
-চীনে একটি আইটেমই নানা ভাবে তৈরি করা হয়। এক চিকেনকেই কমপক্ষে ১০ ভাবে রান্না করে চাইনিজরা। যেমন- স্টিমড, ফ্রায়েড, স্টার ফ্রায়েড, পিকলড ইন ব্রাইন, ডিপ ফ্রায়েড, রোস্টেড, সঁতে ইত্যাদি। এছাড়া মসলার রকমফের তো আছেই।
-চাইনিজ খাবারের মধ্যে আমিষের পরিমাণটাই বেশি বলে ধারণা অনেকের। কিন্তু বিষয়টা একেবারেই ভুল। পশ্চিমাদের তুলনায় সবজি খেতে অনেক বেশি অভ্যস্ত চীনারা। চীনে তিতা শশাসহ রকমারি শাকের ফলন প্রচুর। এর সবই রান্নায় ব্যবহার করা হয়।
-চাইনিজ মেন্যু আমাদের দেশে স্যুপ দিয়ে শুরু হলেও চীনাদের কাছে কিন্তু তা মোটেই অ্যাপিটাইজার নয়। স্যুপ তারা পেট ভরেই খান।
-বাঙালিরা বোনলেস চাইনিজ খাবারের পাগল হলেও চীনাদের কাছে হাড়ের কদর অনেক। সেখানে হাড়সমেত মাংস এমন ভাবে রান্না করা হয়, যাতে হাড় নরম হয় ও তা চিবিয়ে খাওয়া যায়।
-চাইনিজরা সব খাবারই ছোট ছোট করে তৈরি করেন। যেটিকে তারা বাইট সাইজ বলেন।
যাতে সহজেই চপস্টিক দিয়ে খাওয়া যায়। ছুরি বা কাঁটা আমাদের কাছে খাবার খাওয়ার সরঞ্জাম হলেও চীনাদের কাছে ওগুলো অস্ত্র।
-চীনারা চাল ও ময়দার পার্থক্য নিয়ে খুব সচেতন। উত্তর চীনে শীত বেশি। তাই ওই অঞ্চলের মানুষরা ডাম্পলিং, নুডলস সবই তৈরি করেন ময়দা দিয়ে। অন্য দিকে দক্ষিণ চীনে শীত কম। সেই অঞ্চলের মানুষরা মূলত চাল দিয়ে তৈরি করেন তাদের মিল।
-সারা বিশ্বের চাইনিজ রেস্তরাঁয় খাবারের পর ফরচুন কুকি দেওয়া হয়। শুধু চীনে দেওয়া হয় না। কারণ চাইনিজরা ফরচুন কুকি কী তা জানেনই না।
-চাইনিজ খাবারের প্রচুর ফ্লেভার রয়েছে। চাইনিজ মেডিসিন অনুযায়ী, যে কোন খাবারে মিষ্টি, টক, নোনতা, তেতো ও ঝাল- এই পাঁচ স্বাদের সমতা থাকা প্রয়োজন। সিজুয়ান চাইনিজে যেমন ঝালের মাত্রা বেশি, তেমনই আবার ক্যান্টোনিজ খাবারে ঝাল, মসলার মাত্রা একেবারেই কম।
অনার অফ -Mukta's kitchen
অডার করতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।