30/04/2026
টাইমলাইনের অবস্থাটা একটু বলি!
১. ছয়জন বন্ধু মিলে গল্পে গল্পে ডিসিশান নিল জেলে থাকার এক্সপেরিয়েন্স নিবে একসাথে। এখন একসাথে যেন যাইতে পারে এরজন্য বড় কোন কাজ করা লাগবে। কথা নাই বার্তা নাই স্কুল থেকে বাসায় যাওয়ার পথে আট বছরের বাচ্চা ছেলেটাকে উঠায় নিয়ে জবাই করে ফেললো। এখন হাসতে হাসতে জেলে যাচ্ছে।
২. কুয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছেলে কম্পিউটার ল্যাবে নিজের গুগল একাউন্ট লগিন না করে চলে গেছে। তার আরেক ক্লাসমেট সেখান থেকে চব্বিশ জিবির একটা ড্রাইভ লিঙ্ক পায় যেখানে বার থেকে ষাটের ঘরের নানান মহিলাদের অসংখ্য নগ্ন ছবি যার মাঝে তার ছাত্রী থেকে শুরু করে বাড়ির কাজের মেয়েটাও ছাড় পায় নাই। কিছু জোরপূবর্ক কিছু অজান্তে কিছু ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, এটা তার নেশা তবে এমন কাজ করার পর প্রতিবার সে বিশ রাকাত নফল নামাজ পরে আল্লাহর করে মাফ চাইতো। পুরা ফোল্ডার জনগনের হাতে, ভিকটিমদের ছবিও হাতে হাতে ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে।
৩. টাঙ্গাইলে মির্জাপুরের এক নয় মাসের গর্ভবতী মহিলাকে ধর্ষণ করে মাটি চাপা দিয়ে দেয়। চারদিন পর লাশের পচন ধরলে পেটের বাচ্চা বাইরে বেড়িয়ে আসে। মানুষ গণড়ারে সেই আধা নগ্ন শরীরের ভিডিও করে সোশাল মিডিয়ায় আপলোড করে। কমেন্ট বক্সে একজন লোক বলতেছে, ভাই পায়ের কাপড়টা অন্তত নামায় ভিডিওটা করতেন!
৪. "রেইপ একাডেমী" নামে এক ডার্ক সাইটের খোঁজ পাওয়া গেছে যেখানে কিভাবে রেইপ করে আপনি ধরা না পরে পার পেয়ে যাবেন। এক্সপেরিমেন্টের জন্য নিজের বউকে ড্রাগ দিয়ে চারশ পুরুষের মাধ্যমে ধর্ষণ করিয়ে ডেমো দেওয়া হয়েছে। শুধু এটাই না চাইল্ড রেইপে এটা কিভাবে আরো এফেক্টিভ সেটাও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সেখানে লাইক পরেছে কমপক্ষে চার লাখ বাংলাদেশি পুরুষের!
আমি বরাবরই বাচ্চাদের স্কুল কোচিং এ দিয়ে মায়েদের ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকার বিপক্ষে ছিলাম। কিন্তু যে সময়ের মাঝে দিয়ে যাচ্ছি বাচ্চাকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানানো তো দূরে থাক , মরে গেলে লাশটাকে সহি সালামতে পাবো কি না সেটাই জানি না। মায়েরা বাচ্চা গুলাকে চোখ হারা করবেন না। পারলে একদম বুকের ভিতরে ঢুকায় রাখেন। এত যত্নের সন্তান দুনিয়া থেকে নাই হয়ে গেল শুধু বিকৃত কিছু মানুষকে জেলের এক্সপেরিয়েন্স দিতে 🙂