RunOut

RunOut RunOut is an integrated marketing channel with separate wings for different operations, thus offerin

RunOut Marketing Solution is led by a group of young and energetic marketing personnel under supervision of highly experienced marketing people.We employ proven Marketing & communication tools and apply a unique multi disclipinary approach to arrive at our own marketing strategy for your products.We provide end-end Marketing communication services. We work to create demand of your brand in the Market ,minds of consumers and response of consumers toward your brands and products.

17/10/2016

25 year old, make enough mistakes ''Jack Ma''

22/09/2016
অনলাইন ফোরামে নিজের চাহিদা লিখে পাত্র চাই বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন পূজা চৌহান নামে পঁচিশ বছর বয়সের এক যুবতী। যুবতীর পোস্টটি পড...
16/08/2016

অনলাইন ফোরামে নিজের চাহিদা লিখে পাত্র চাই বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন পূজা চৌহান নামে পঁচিশ বছর বয়সের এক যুবতী। যুবতীর পোস্টটি পড়ে উত্তর দিলেন স্বয়ং ধনকুবের মুকেশ আম্বানি। ছোট্ট ওই পোস্টেই মুকেশ বুঝিয়ে দিলেন, কেন তিনি ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি।

মুকেশ আম্বানি ও জনৈক পূজা চৌহানের সেই পোস্ট নিয়ে এখন জোর চর্চা অনলাইন দুনিয়ায়। কী রয়েছে পোস্টটিতে?

পূজা চৌহান লিখছেন,

আমি এই বছর ২৫ বছরে পা দেব। খুবই সুন্দরী। স্টাইলিশ, রুচিশীল। আমি এমন একজন স্বামী চাই, যাঁর বার্ষিক বেতন হবে ১০০ কোটি বা তার বেশি। আপনি হয়তো বলবেন, আমি একটু বেশিই উচ্চাকাঙ্ক্ষী। কিন্তু বর্তমানে বার্ষিক ২ কোটি টাকা বেতনে একেবারেই মধ্যবিত্তের মতো জীবনযাপন করতে হয়। সেদিক থেকে আমার চাহিদা একেবারেই বেশি নয়। এই ফোরামে এমন কেউ আছেন, যাঁর বার্ষিক বেতন ১০০ কোটি টাকা? তাঁরা কি সবাই বিবাহিত?

কেন আপনাকে আমি বিয়ে করব? এখনও পর্যন্ত আমি যতগুলো ডেটে গিয়েছি, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেতনের পুরুষটির বেতন ছিল বার্ষিক ৫০ কোটি টাকা। অতএব আমি ৫০ কোটি টাকার পর থেকেই ভাবছি। তার কারণ কেউ যদি নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে অভিজাত এলাকায় বসবাস করেন, তাহলে বার্ষিক ৫০ কোটি টাকা বেতন একেবারেই যথেষ্ট নয়। আমি কিছু প্রশ্ন করছি।

কেন সব ধনী ব্যক্তিদের স্ত্রীরা দেখতে মোটামুটি মানের হয়? আমার কিছু বান্ধবী আছে, তারা দেখতে খুব একটা ভালো নয়, কিন্তু তাদের বিয়ে হয়েছে ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে। ধনী ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে আমার প্রশ্ন, আপনি কী দেখে সিদ্ধান্ত নেন, যে এই মহিলা আমার স্ত্রী হবেন, আর ইনি গার্লফ্রেন্ড?

ওই ফোরামটিতে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্ণধার মুকেশ আম্বানি রয়েছেন। তিনি পোস্টটি দেখে উত্তর দেন। বুদ্ধিদীপ্ত সেই উত্তরটি হল---

প্রিয় পূজা,

আমি আপনার পোস্টটি খুব মন দিয়ে পড়েছি। এবং দেখলাম, আরও বহু মেয়ের আপনার মতোই প্রশ্ন রয়েছে। দয়া করে একজন পেশাদার লগ্নিকারী হিসেবে আপনার প্রশ্নগুলিকে একটু বিশ্লেষণ করতে দিন।

আমার বার্ষিক আয় ১০০ কোটি টাকার বেশি। আপনার চাহিদা মতোই। কিন্তু একজন ব্যবসায়ী হিসেবে, আপনাকে বিয়ে করা খুবই খারাপ সিদ্ধান্ত হবে। খুব সহজ উত্তর। দেখুন, আপনি চাইছেন, সৌন্দর্য ও টাকার বিনিময়। অর্থাৎ আপনাকে বিয়ে করলে একজন সুন্দরী স্ত্রী পাওয়া যাবে। তার বদলে আপনি হবেন ধনী। কিন্তু সমস্যা হল, আপনার এই যৌবন ও সৌন্দর্য একসময় শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু আমার টাকা শেষ হবে না। বস্তুত, প্রতি বছর আমার আয় বাড়বে। কিন্তু প্রতি বছরই আপনি আরও সুন্দরী হয়ে উঠবেন না।

অতএব অর্থশাস্ত্রের নিরিখে, আমি একজন অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাসেট। আর আপনি ডেপ্রিসিয়েশন অ্যাসেট। অর্থাৎ আপনার যৌবন ও রূপই যদি আপনার সম্পত্তি হয়ে থাকে, তাহলে ১০ বছর পর আপনার সম্পত্তি অনেকটাই কমে যাচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিটে একটি প্রবাদ আছে, প্রত্যেক ট্রেডিংয়ের একটি পজিশন থাকে। আপনার সঙ্গে ডেটিং-ও একটা ট্রেডিং পজিশন। যদি ট্রেড ভ্যালু কমে যায়, তাহলে তা আমরা বিক্রি করে দিই। খামোখা দীর্ঘমেয়াদী ফেলে রেখে লাভ নেই। একই ভাবে আপনাকে বিয়ে করলেও তাই হবে। শুনতে খুব খারাপ লাগলেও সত্যি, যে কোনও সম্পত্তি, যার ডেপ্রিসিয়েশন ভ্যালু বেশি, তা বিক্রি করে দেওয়া বা লিজ দেওয়াই লাভজনক।

যে ব্যক্তির বার্ষিক আয় ১০০ কোটি টাকা, সে নিশ্চয়ই বোকা নয়। ব্যবসায়ী দৃষ্টিভঙ্গিতে আপনার সঙ্গে ডেট করাই যায়, কিন্তু বিয়ে করা যায় না।

অতএব কোনও ধনীকে বিয়ে করার স্বপ্ন আপনার না দেখাই বুদ্ধিমানের। বরং নিজে ১০০ কোটি আয় করার চেষ্টা করুন। কোনও ধনীকে বোকা বানানোর চেয়ে ভালো হবে। আশা করি এই উত্তরটি আপনাকে ভাবতে সাহায্য করবে।

সংগৃহীত

09/08/2016

I told my son, “You will marry the girl I choose.”
He said, “NO!”
I told him, “She is Bill Gates’ daughter.”
He said, “OK.”
I called Bill Gates and said, “I want your daughter to marry my son.”
Bill Gates said, “NO.”
I told Bill Gates, My son is the CEO of World Bank.”
Bill Gates said, “OK.”
I called the President of World Bank and asked him to make my son the CEO.
He said, “NO.” I told him, “My son is Bill Gates’ son-in-law.”

He said, “OK.”

This is exactly how politics works . .

04/08/2016
মধ্য গগনে সূর্য্য তাপ ছড়াচ্ছে। অর্ক এয়ারপোর্ট স্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছে। চিরদিনের মত ঢাকাকে বিদায় জানানোর জন্...
30/07/2016

মধ্য গগনে সূর্য্য তাপ ছড়াচ্ছে। অর্ক এয়ারপোর্ট স্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছে। চিরদিনের মত ঢাকাকে বিদায় জানানোর জন্য শেষ বারের মত ট্রেন ধরবে অর্ক। ঢাকার উপর অর্কর অনেক রাগ।
বছর দুয়েক আগে খুলনা থেকে একরকম অভিমান করেই ঢাকা এসেছিল অর্ক। খুলনাতে ছোটখাটো ২/১ টা চাকরীর অফার আসছিল বটে, কিন্তু অর্কর ইচ্ছা ব্যাংকে ঢুকবে। আর্থিক সমস্যা থাকায় বাবা মাও খুব চাপ দিচ্ছিল। কিন্তু অর্কও নাছোড়বান্দা। যতটুকু সময় পেলে মোটামুটি প্রস্তুতি নেয়া যায়, সেই সময়টুকু বাবা মা দিতে চাচ্ছিলনা। শেষমেষ একদিন বাবার সাথে কথা কাটাকাটি হওয়ায় রাগ করে বাড়ি ছেড়েছিল অর্ক। শৈশবের খেলার মাঠ, আড্ডা, আর অনুযা.. সব ছেড়ে এক কাপড়ে এমনই এক দুপুরে ঢাকার ট্রেন ধরেছিল। পণ করেছিল ব্যাংকে চাকরী পেয়েই তবে বাড়ি ফিরবে । অনুযা কেঁদেছিল অনেক।
এই ২ বছর অনুযাকে দেখেনি অর্ক। ইদানিং কথাও হয়না তেমন। ২ বছরে মেয়েটা বদলে গেছে অনেক। ইদানিং শুনছে ওর বিয়ের কথা চলছে। অর্ক বেকার বলেই হয়তো..
গত ২ বছরে অর্ক পাগলের মত খেটেছে। বাসা থেকে টাকা না নিয়ে টিউশনী করে নিজের খরচ চালিয়েছে। রাত দিন ২৪ ঘন্টা এক করে পড়েছে। ১ বছর পড়াশোনার পর অর্ক ব্যাংকে পরপর ভাইভার ডাক পেতে লাগলো। সবগুলোই ছিল হাসিমুখের ভাইভা.. কিন্তু একটা ব্যাংকেও চাকরী হলোনা।
আজ অর্কর ৩০তম জন্মদিন। চাকরীর বয়স শেষ, আশা আর স্বপ্নগুলো লোকাল বাসে উঠে কোথায় যেন চলে গেছে। বাবা মার অভিমান অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। তারাও অপেক্ষা করছিল ছেলের চাকরী পেয়ে বাড়ি ফেরার আসায়। সেই অর্ক আজ বাড়ি ফিরছে .. নি:স্ব নয়নে, রিক্ত হাতে। মা আসার কথা শুনে খুশিতে কেঁদে বলেছে, তুই শুধু ফিরে আয় বাবা!! কিন্তু অর্কের মনে হেরে যাওয়ার কান্না। আর অনুযা.. অর্কর বাড়ি ফেরার কথা যার মনে কোন দাগ কাটেনি, তার কথা ভেবে আর লাভ কি!
দূর থেকে ভেসে আসা ট্রেনের হুইসেল শুনতেই অর্কর সম্বিত ফিরল। কখন যেন চোখ দুটো ঝাপসা হয়ে গিয়েছিল। গাঢ় একটা দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসলো বুক চিরে। চোখ মুছতে মুছতে ভাবল, স্বপ্ন শেষ.. এখন খুলনায় ফিরে ছোটখাট একটা চাকরীর সন্ধান করবে আর অনুযা.. থাক। সবকিছুই না হয় না পাওয়ার খাতায় লেখা থাক।
ব্যাগ নিয়ে উঠে দাঁড়ানোর সময় ও খেয়াল করল মোবাইলে ভাইব্রেশন হচ্ছে। বের করে দেখলো একটা মেসেজ এসেছে। ওপেন করে দেখলো তাতে লেখা "Congratulations Mr. Aurko Hasan. You have been finally selected for the position of "Assistant Director" of Bangladesh Bank. Please collect your appointment letter from HRD on 5th April. Thank you."
অর্ক তো পুরো থ হয়ে গেছে। কয়েকবার মেসেজটা পড়লো কিন্তু কিছু মাথায় ঢুকছেনা ওর। বাংলাদেশ ব্যাংকে অনেকদিন আগে ভাইভা দিয়েছিল বটে অর্ক, কিন্তু কোন ব্যাংকই যখন ডাকেনি, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভাইভার কথা তাই আর মনেই রাখেনি ও। কিন্ত এই মেসেজটা!! আচ্ছা কোন বন্ধু ফাজলামী করছে নাতো? একটা কথা মনে পড়তেই অর্ক তড়িঘড়ি করে মেইল ইনবক্স চেক করল। (আজকালকার অনলাইন নিউজ পোর্টাল গুলো হলে এখানে বলতো, একি দেখলেন অর্ক!!) একই মেসেজ মেইল ইনবক্সে জ্বলজ্বল করছে।
অর্ক ধপাস করে বেন্চে বসে পড়লো। দুচোখ দিয়ে মুষলধারে বরিশরণ হতে লাগলো। শরীর ঝাঁকি দিচ্ছে অনবরত। আকাশের দিকে তাকালো অর্ক; তপ্ত রোদ আর নেই। সেখানে শরতের শান্ত শাদা মেঘের ছড়াছড়ি। অর্কের চোখেমুখে এবার হাসির বন্যা। বিধাতা যেন এই মাত্র স্বর্গের চাবি অর্কের হাতে দিয়ে বলেছে,"নে, যা করবি কর!" কী করবে এখন অর্ক? এক লাফে উঠে দাঁড়িয়ে বজ্র মুষ্ঠি করে আকাশের বুকে ঘুসি মারল ও। বিজয়ের উদযাপন বুঝি এমনই হয়।
এরই মধ্যে ট্রেন কখন যেন কাঁকিনাড়া দিয়ে চলতে শুরু করেছে। অর্ক বুঝতে পেরেই ছুট লাগালো। গতি বাড়ছে ট্রেনের। কিন্তু অর্কর গতি অদম্য। ট্রেন হার মানতে চলেছে।
অর্ক আজ বাড়ি ফিরছে.. বাবা মার বুকে.. অনুযার কাছে.. দ্বিগ্বিজয়ীর বেশে।
ঢাকার উপর এখন আর অর্কের কোন রাগ নেই।

একজন ভালো কর্মী যেভাবে করপোরেট সিস্টেমের যাতাকলে পড়ে চাকরি হারায়পশ্চিমাদের অনুসরণ করতে আমাদের জুড়ি নেই। তাদের সিস্টেমে অ...
25/07/2016

একজন ভালো কর্মী যেভাবে করপোরেট সিস্টেমের যাতাকলে পড়ে চাকরি হারায়

পশ্চিমাদের অনুসরণ করতে আমাদের জুড়ি নেই। তাদের সিস্টেমে অফিস চালাতে গিয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায়শই ভালো কর্মীরা অবমূল্যায়িত হয়। কীভাবে তাদের জীবনে করপোরেট সিস্টেম একটি অভিশাপ হয়ে নেমে আসে চলুন দেখে নেওয়া যাক। তবে এখানে মানুষের বদলে বিভিন্ন প্রাণীকে রূপক হিসেবে দেখানো হয়েছে।

প্রতিদিন শত ঝামেলা সত্ত্বেও ঠিক দশটায় আমাদের গল্পের পিঁপড়াটি অফিসে ঢুকত এবং তারপর সহকর্মীদের সঙ্গে গল্পগুজবে একটুও সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।
ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।
কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।
তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।
কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। …সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র ঠিকঠাক রাখবে।
সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।
কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।
আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়। নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।
সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।
সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।
কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।
পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।
ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।
পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।
কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।
পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।
পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো। বলুন তো, কে সর্বপ্রথম চাকরি হারাল?
ওই হতভাগ্য পিঁপড়া। কারণ, পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, ‘এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে, যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করছে।’

24/07/2016



Address

Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RunOut posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share