17/04/2026
আমি কাইন্ডলি যারা যারা এই পোস্টটা দেখবেন আপনাদের পরিচিত যারা কুলিনারি সেক্টরে আছেন,কুলিনারি প্রতিষ্ঠান গুলোকে ট্যাগ করবেন।
কারণ এইরকম প্রতারক প্রতিষ্ঠান গুলোর জন্য বাকি প্রতিষ্ঠান গুলোকেও মানুষ বিশ্বাস করবে না এর পর থেকে।
যাদেরকে মেনশন করা হচ্ছে কাইন্ডলি আপনারা বিরক্ত হবেন না কারণ এই সেক্টরের সবার রেস্পসিবিলিটি এই প্রতারক চক্রদের শাস্তি দেওয়া।
আর কেউ যেন এভাবে কারো ফাঁদে না পড়ে।
#প্রতারণা
অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান RN Tourism and Hospitality Management Institute
অভিযুক্ত ব্যাক্তিগণ
Murshida Khanam( ঢাকা ব্রাঞ্চের হেড প্লাস পার্টনার)
জনাব তোহা(মুর্শিদা খানমের হাসবেন্ড+ পার্টনার)
শেফ আলামিন শুভ(চট্রগ্রাম ব্যাঞ্চের ট্রেইনার+ ম্যানেজমেন্ট হেড)
রিদিতা চৌধুরী(চট্রগ্রাম ব্যাঞ্চের পার্টনার+ পরবর্তী ম্যানেজমেন্ট হেড)
আরও চট্রগ্রাম ব্যাঞ্চের পার্টনার
Abhi Sarkar(অভি সরকার)
প্রেমা দে
গত ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে আমি RN Tourism And Hospitality Management এর চট্রগ্রাম ব্রাঞ্চে ৬মাসের কুলিনারি ডিপলোমা কোর্সে(City and Guilts)ভর্তি হই।(লোকেশন: খুলশি ২নং রোড
কোর্স ও এক্সাম ফি সহ ৯০০০০ টাকা।
যার পুরো পেমেন্ট আমার করা হয়ে গেছে।
অথচ তারা আমাদের কোর্স সম্পূর্ণ করে নি,পরিক্ষায় বসায় নি।এবং আমার টাকাও তারা ফেরত দিচ্ছে না।
তাদের ক্লাস শুরু হয় ১০ ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে।
২ ব্যাচে তাদের টোটাল স্টুডেন্ট ছিলো ১২/১৪ জনের মতো।যার বেশির ভাগ স্টুডেন্টই ৩ মাসের কোর্সের।প্রথম ২ মাস তারা মোটামুটি ক্লাস নিলেও ৩য় মাস থেকে অফিস পরিবর্তনের নামে তারা ক্লাস নেওয়া অফ করে।
মুর্শিদা খানম ঢাকা থেকে এসে সব নিজের কন্ট্রোলে নেই কারণ তাদের ম্যানেজমেন্ট এ নিজেদের মধ্যেই টাকা পয়দা জনিত ঝামেলা বাধে(যা আমরা স্টুডেন্টরা অনেক পরে জানতে পারি)।তারা শেফ আলামিন শুভ কে সরিয়ে তাদেরই চট্রগ্রামের পার্টনার রিদিতা চৌধুরীকে ম্যানেজমেন্ট এ বসায়।
৩মাসের স্টুডেন্ট গুলোকে কোনোরকম বুঝ দিয়ে পরিক্ষায় বসিয়ে দিয়ে বিদায় করে।একটা স্টুডেন্টকেও তারা ইন্টার্নশিপ দিতে পারে নি।
বাকি আমরা যারা ৬মাসের স্টুডেন্ট ২/৩ জন ছিলাম তারা আঁটকে যাই।এর মধ্যে তারা নতুন ব্যাচ ভর্তি করে।
বারিস্তার কোর্স স্টার্ট করে।
নতুন কুলিনারি ব্যাচের সাথে আমাদের কে আমার পুরান ক্লাস করানো শুরু করে।
তাও গড়িমসি অবস্থা।১ সপ্তাহে তারা একটা নিতো। ক্লাস নিতে যে সব ট্রেইনার রাখসে তারা মোবাইল দেখে দেখে কোনোরকম পড়া বুঝানোর ট্রাই করতো,নিজেরাও ভালো করে জানে না।
এরমধ্যে এরা যখন নতুন স্টুডেন্ট পাচ্ছে না আমাদের ক্লাস ও নেওয়া অফ করে দেই।
আজকে এই প্রবলেম কালকে এই প্রবলেম।তাদের নতুন অফিসের ও ভাড়া জমে যায়।এবং অফিস চেঞ্জ করে জিইসি চলে যায়।
এর মধ্যে মুর্শিদা খানম ও তার হাসবেন্ড তোহা বিদেশে নিয়ে যাবে বলে মানুষ থেকে ১০/১৫ লাখ টাকা নিয়ে আর চট্রগ্রামে আসে নি।
এবং লাস্ট ২৭.১.২০২৬ এ জিইসির অফিস ছাড়ার আগে জনাব তোহাকে এবং রিদিতাকে পাওনাদাররা আটকে রাখে।
সেদিন আমরা ৩জন স্টুডেন্ট ভিতর থেকে খবর পেয়ে সেখানে যায়।এবং অনেক চিল্লাচিল্লি শুনি।
তারা আমাদেরকে ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখ পর্যন্ত সময় নিয়ে ঢাকায় চলে যায়(এর পুরো রেকর্ড আমার কাছে আছে) এবং ঢাকার পেইজ থেকে ঘোষণা দেই চট্রগ্রামের স্টুডেন্টদের ব্যাপারে তারা কোনো দ্বায়িত্ব নিবে না।আমরা যেনো চট্রগ্রামের ম্যানেজমেন্টের মানুষকে ধরি।
এর প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের পেইজ থেকে ব্লক করে দেয়।
কোনো ফোন মেসেজের রিপ্লাই তারা করছে না।
তাহলে আমারা কি টাকা মানুষ দেখে দিয়েছি নাকি প্রতিষ্ঠানের নাম দেখে দিয়েছি???
আপনারা এইসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন।শেয়ার করুন।