Akilas kitchen

Akilas kitchen Akilas kitchen (আকিলাস কিচেন)
একদম ঘরোয়া পরিবেশে রান্না করা হয় আমরা কোনো কৃত্রিম মসলা ব্যবহার করিনা।
***বাসায় বসে নিরাপদে উপভোগ করুন**

✨আকিলাস কিচেনে আপনাকে স্বাগতম ❤️💐

কাকড়া ঝাল ফ্রাই ||রসুনের আচার ||জলপাই আচার||চিংড়ি বালাচাও|| আলুবোখারা আচার||
ঘরোয়া পরিবেশে রান্না করা হয় আমরা কোনো কৃত্রিম মসলা ব্যবহার করিনা.✅

অর্ডার করতে এখনই যোগাযোগ করুন :

☎️: 01812175869
☎️: 01976337401

🥭🥭 চট্টগ্রামে খাঁটি ঘরোয়া আমের আচার খুঁজছেন? Akilas kitchen   নিয়ে এসেছে টক-ঝাল-মিষ্টি পারফেক্ট কম্বিনেশনের আমের আচার 😍এ...
23/06/2026

🥭🥭 চট্টগ্রামে খাঁটি ঘরোয়া আমের আচার খুঁজছেন?
Akilas kitchen নিয়ে এসেছে টক-ঝাল-মিষ্টি পারফেক্ট কম্বিনেশনের আমের আচার 😍
একবার খেলেই বুঝবেন — আসল স্বাদ কাকে বলে!
✔️ ১০০% হোমমেড
✔️ কোনো কেমিক্যাল বা কৃত্রিম মসলা নেই
✔️ প্রতিদিন ফ্রেশভাবে তৈরি
🍛 গরম ভাত, খিচুড়ি বা ভর্তার সাথে একদম জমে যাবে!
🚚 সমগ্র বাংলাদেশ ক্যাশ অন ডেলিভারি
⚡ সীমিত স্টক — আগে অর্ডার করলে আগে পাবেন
📩 এখনই ইনবক্স করুন “Achar” লিখে

11/06/2026

বিল দিতে কিপ্টামি করবেন না😁

নবিজি মুহাম্মদ (সা.)-এর শাসন আমলে এবং ইসলামের প্রাথমিক যুগে এমন বেশ কয়েকজন সাহাবি ছিলেন, যাদের স্ত্রীরা ব্যবসায়িক, অর্থন...
08/06/2026

নবিজি মুহাম্মদ (সা.)-এর শাসন আমলে এবং ইসলামের প্রাথমিক যুগে এমন বেশ কয়েকজন সাহাবি ছিলেন, যাদের স্ত্রীরা ব্যবসায়িক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং দ্বীনি কাজে সক্রিয়ভাবে সাহায্য ও সহযোগিতা করতেন। ইসলামে নারীদের হালাল উপার্জন, সমাজসেবা এবং পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে সাপোর্ট করার চমৎকার সব উদাহরণ সেই সময়েই তৈরি হয়েছিল।

এমনই কয়েকজন উল্লেখযোগ্য সাহাবি ও তাঁদের স্ত্রীদের বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

১. হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এবং তাঁর স্ত্রী জয়নাব (রা.)
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) ছিলেন একজন বিখ্যাত ও অত্যন্ত জ্ঞানী সাহাবি, তবে তিনি আর্থিকভাবে কিছুটা অসচ্ছল ছিলেন। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী হজরত জয়নাব (রা.) হস্তশিল্প ও কুটির শিল্পে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। তিনি নিজের হাতে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতেন এবং সেই উপার্জিত অর্থ দিয়ে সংসার চালাতেন ও স্বামীকে সাহায্য করতেন।

একবার জয়নাব (রা.) নবিজি (সা.)-এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, তিনি যদি তাঁর উপার্জিত অর্থ তাঁর দরিদ্র স্বামী এবং তাঁর তত্ত্বাবধানে থাকা এতিমদের পেছনে খরচ করেন, তবে তিনি সদকার সওয়াব পাবেন কি না। নবিজি (সা.) উত্তরে বলেছিলেন, এতে তিনি দ্বিগুণ সওয়াব পাবেন—একটি আত্মীয়তার সম্পর্কের জন্য, অন্যটি সদকার জন্য।

২. হজরত যুবায়ের ইবনুল আওয়াম (রা.) এবং তাঁর স্ত্রী আসমা (রা.)
হজরত আবু বকর (রা.)-এর কন্যা এবং হজরত যুবায়ের (রা.)-এর স্ত্রী হজরত আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) ছিলেন কঠোর পরিশ্রমী এক নারী। বিয়ের পর প্রাথমিক জীবনে হজরত যুবায়ের (রা.)-এর আর্থিক অবস্থা সাধারণ ছিল।

হজরত আসমা (রা.) নিজেই ঘরের সমস্ত কাজ করতেন, উটের দেখাশোনা করতেন, ঘোড়াকে ঘাস-পানি দিতেন। এমনকি নবিজি (সা.) যুবায়ের (রা.)-কে যে জমি দিয়েছিলেন, সেখান থেকে আসমা (রা.) নিজেই মাথায় করে খেজুরের আঁটির বোঝা বহন করে নিয়ে আসতেন। তাঁর এই অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহযোগিতা যুবায়ের (রা.)-এর সংসার ও সম্পদ গোছাতে বড় ভূমিকা রেখেছিল।

৩. হজরত আবু তালহা (রা.) এবং তাঁর স্ত্রী উম্মে সুলাইম (রা.)
হজরত উম্মে সুলাইম (রা.) ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণ, ধৈর্যশীল এবং কর্মঠ একজন নারী। তিনি তাঁর স্বামী আবু তালহা (রা.)-কে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে, বিশেষ করে কঠিন সময়ে মানসিক ও সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে দারুণভাবে সাহায্য করতেন। যুদ্ধের ময়দানেও তিনি আহতদের সেবা ও পানি পান করানোর কাজে অংশ নিতেন।

৪. হজরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে নারীদের অবদান
নবিজি (সা.)-এর আমলে মদিনার বাজারে বেশ কয়েকজন নারী সাহাবি স্বাধীনভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন এবং পরিবারকে সাহায্য করতেন। যেমন—হজরত কায়লা আনমারিয়্যা (রা.)। তিনি ব্যবসা করতেন এবং নবিজি (সা.)-এর কাছে এসে ব্যবসা-বাণিজ্যের দরদাম ও কেনাবেচার নিয়মকানুন শিখে নিতেন, যা তাঁর পরিবারকে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করেছিল।

মূল শিক্ষা: রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে সাহাবিদের স্ত্রীরা শুধু ঘরের কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তাঁরা প্রয়োজন অনুযায়ী ঘরের বাইরে কৃষিকাজ, পশুপালন, হস্তশিল্প এবং ব্যবসার মাধ্যমে উপার্জনে অংশ নিয়ে স্বামীকে এবং পুরো পরিবারকে সাহায্য করতেন, যা নবিজি (সা.) নিজেই অনুমোদন ও উৎসাহ দিয়েছিলেন

এখন বিকাল ৪.৪৭. পোষ্ট লেখার ইচ্ছে হল। একটু আগে বন্ধু হামিদের সাথে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কথা হলো। যাইহোক মেইন কথায় আসি আ...
08/06/2026

এখন বিকাল ৪.৪৭. পোষ্ট লেখার ইচ্ছে হল। একটু আগে বন্ধু হামিদের সাথে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কথা হলো। যাইহোক মেইন কথায় আসি আজকে একটা দুঃসাহস করে ফেললাম।আসেন বলি। আপনার কাছে এইখানে মনে হচ্ছে দুই বস্তা আম। আমার কাছে এইটাই জীবন জীবিকা। আমরা এই কাচা আম প্রসেসং করে আচার বানিয়ে থাকি। আচার মূলত বানায় আমার সহধর্মিনী। এই আচার অনলাইন এবং অফলাইনে বিক্রি করে থাকি। আজকে রিয়াজুদ্দিন বাজার থেকে ১০০ কেজি আম কিনে বাইকের পিছনে করে বাসাই নিয়ে আসাতে চেয়েছিলাম। অনেক কষ্ট করে দুই বস্তা আম বাইকের পছনে বেন্ধে নিলাম। এর পর আস্তে আস্তে করে জামালখান ক্যাথলিক চার্জ গিরজার সামনে আসলাম। আস্তে আস্তে আমার অবস্থা খারাপ হতে থাকে। এই দিকে দুপুরে খাওয়াদাওয়া ও করা হয়নি। আমের বস্তার চাপে বাইক এক দিকে পরে যাচ্ছিল। না পারতে একটা রিকশা ঠিক করলাম। এর পর রিকশা দিয়ে আম বাসাই নিয়ে আসলাম। এখন ভাত খেতে বসলাম। বিকাল ৫.০০ টা বাজে। বউ ভাত রান্না করতেছে। আজকে দুপুরে নাকি হালকা ভাত পুড়ে গেছে। তাই এখন আমার জন্য অল্প রান্না করে দিচ্ছে। ভাত চুলাই আমি বসে বসে টাইপ করছি। ভাত সামনে আসছে আজকের আইটেম পাংগাস মাছ,লেবুর কাজি, কাকরুল ভুনা

08/06/2026

আমার পাখি আচার খেয়ে ফেলে #আকিলাসকিচেন

যে মানুষটার হাতে বানানো আচার ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম এর বাহিরে ছাড়া ও দেশের বাইরে পৌঁছে গেছে এবং লাখো  মানুষ খে...
07/06/2026

যে মানুষটার হাতে বানানো আচার ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম এর বাহিরে ছাড়া ও দেশের বাইরে পৌঁছে গেছে এবং লাখো মানুষ খেয়েছেন। তার ব্যাপারে আপনাদের ও জানা উচিত। তাহার পুরো নাম আতকিয়া আকিলা ইসলাম চৌধুরি। ডাক নাম আকিলা। আমার সাথে পরিচয় ২০২০ সালের শেষের দিকে। এরপর ২০২১ সালে অগাস্ট ১৬ তারিখ আমাদের শুভ পরিণয়।তার সব সময় স্বপ্ন ছিল একটা কিচেন করার,মজার মজার খাবার আপনাদের খাওয়ানো। ছোটখাটো একটা রেস্টুরেন্ট(বাংলা খাবার) /ভাতঘর করার। তার বাংলা খাবারের টেস্ট অনেক ভালো। যারা খেয়েছেন তারা বলতে পারবেন। সেই সুবাদে এই পেইজের নাম (আকিলাস কিচেন)। বিয়ের এক বছর পর আমাদের দুনিয়া আলোকিত করে আসে আমাদের প্রথম সন্তান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আজান (২০২২ অক্টোবর ১)। এর পর ২০২৪ সালে আমাদের কোল আলোকিত করে আসে আমাদের রাজকন্যা আয়েশা জান্নাত আনাবিয়ে (২০২৪জুলাই ১৩)। তাহার সব সময় স্বপ্ন ছিল আমি যাতে তার ছোখের আড়াল না হয়। আর আমি যাতে একটা ছোটখাটো ব্যবসা করি(হালাল যেকোনো ব্যবসা)। আমি যখন চাকরি করতাম তখন তার একটা common প্রশ্ন বাসাই কইটা বাজে আসবা? যদি ও এই স্বপ্ন গত ৬ মাস ধরে পূরণ হচ্ছে। যেহেতু এখন কোন চাকরি করিনা। আমাদের মেইন ফোকাস হচ্ছে আচার। ডেইলি আচার রেডি করা। এবং বিরিয়ানির দোকানে ডেইলিবারী করা। এর পর অনলাইনে কোন অর্ডার থাকলে সেইগুলা ঠিকঠাক মত ডেলিভারি করা। আপাতত চাকরি থেকে দূরে আছি। দোয়া করবেন যাতে আর কখনো চাকরি করতে না হয়। আমার আসলে এই বয়সে এসে চাকরি করার ইচ্ছে টাই মরে গেছে। গত ৬ মাস একটা রুটিনে অভ্যস্ত হয়ে গেছি (বেশি রিলেক্স) ।বাকলিয়া এক্সেস রোড একটা দোকান দিয়েছিলাম সেইটাতে তেমন সময় দিতে পারছিনা। আপাতত বন্ধ। এই আচারের ব্যবসার মধ্যে দুই জনেরি অনেক পরিশ্রম হয়। আচার বানানো থেকে বেশি কষ্ট আচারের প্যাকেট করা।প্রথমত সস কাপ স্টিকার লাগাতে হয়,এর পর আচার ঢুকিয়ে পিনাপ করতে হয়। তবুও সে আমার থেকে একটু বেশি পরিশ্রম করে দিন শেষে দুইটা বাচ্চা আমাদের। দোয়া করবেন আমাদের ব্যবসার জন্য,আমাদের জন্য। যাতে একদিন বড় প্রতিষ্ঠান হয়। কিছুদিন আগে একজন নিকট আত্মীয়ের সাথে দেখা হয়েছে। সম্পর্কে আমার দাদি লাগে।উনি আমাকে জানালেন আমার এই অগোছালো লেখা উনার ভালো লাগে।উনি আমার লেখা পড়ে ফেসবুকে। কিন্তু আফসোস উনার নাম না জানার কারনে উনার লেখা গুলা আমি পড়তে পারিনা। উনি ও নাকি ফেসবুকে লেখালেখি করে। একটা সময় মনে হতো ফেমাস হওয়া মানে অনেক কিছু। এখন আর ফেমাস/টেমাস হতে ইচ্ছে করেনা। সব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে ইচ্ছে করে। আগে মনে হতো আমাকে সবাই চিনলে ভালো লাগত। এখন মনে হয় কেউ না চিনায় ভালো। বেশি মানুষ চিনলে ঝামেলা বেশি। কারো আচার লাগলে জানাইয়েন। আমের আচার, রসুনের আছে স্টক আছে।

03/06/2026

এই ভিডিও টা কোন খাবারের ভিডিও না। আপনারা আপনাদের আদরের সন্তানদের এই ভাবে শেখান । কোন কিছু প্রয়োজন হলে যাতে মোনাজাতে আল্লাহর কাছে চাই। সেইটা যে কোন জিনিস হোকনা কেন। #আকিলাসকিচেন

19/05/2026

“একটু আচার না খাইলে শান্তি লাগে না… 😭🥭”

গতকাল বাসাই আসার পর আম্মু বলতেছে আমার কাপর-চোপর এর অবস্থা ভাল না, ময়লা হয়েছে অনেক। সারাদিন কাজ করি দোকানে। মেইন রোডের পা...
18/05/2026

গতকাল বাসাই আসার পর আম্মু বলতেছে আমার কাপর-চোপর এর অবস্থা ভাল না, ময়লা হয়েছে অনেক। সারাদিন কাজ করি দোকানে। মেইন রোডের পাশে দোকান। ভাল কাপড় পড়ে গেল ও দিন শেষে ময়লা নিয়ে বাসাই ফিরতে হয়। আমি মনে মনে বলি হালাল ইনকামে যদি কাপড় ময়লা ও হয় খারাপ কি? হারাম ইনকাম তো করছিনা। হারাম ইনকামে কাপড় সুন্দর রেখে ফায়দা কি? দিন শেষে সবার শেষ ঠিকানা সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে

এক রাতের মধ্যে অনেক কিছু হয়ে যায় আসেন আপনাদের ঘটনা  বলি,ঘটনা ১:- ১২ তারিখ দোকান শেষ করে বাসাই এসে অনেক ক্লান্ত।ব্যবসা ভা...
12/05/2026

এক রাতের মধ্যে অনেক কিছু হয়ে যায় আসেন আপনাদের ঘটনা বলি,

ঘটনা ১:- ১২ তারিখ দোকান শেষ করে বাসাই এসে অনেক ক্লান্ত।ব্যবসা ভাল যাচ্ছেনা তাই অনেক মন খারাপ। নানির সাথে কিছুক্ষণ গল্প করে ভাত খেয়ে শুয়ে পরি। ঘুম ও চলে এসেছে। হটাৎ কল আসল আচার শেষ আচার লাগবে। ঘুম থেকে উঠে দৌর। বাসার নিচে নেমে একটা gps camera চালু করে একটা ছবি নিলাম ১২.১১ তখন। টান দিলাম গাড়ি মইজ্জারটেক পৌঁছাতে ১৭ মিনিট সময় লাগে।

ঘটনা ২:- আচার ডেইলিবারী করে বাইক টান দিলাম।খেয়াল করলাম বাইকে একটা শব্দ হচ্ছে। এর পর খেয়াল করলাম পিছনের চাকায় হাওয়া নাই। চাকা লিক হয়ে গেছে। এর পর আস্তে আস্তে ব্রিজ পার করলাম। ১২ টার পর পুরা শহরে প্রাই সব দোকান বন্ধ। চাকা হাওয়া দেওয়ার দোকান খুজতে থাকি। এর পর রাজাখালি আসার পর একটা দোকান খোলা পায়। চাকার সমস্যা সমাধান করি। এই হচ্ছে ব্যবসা। আল্লাহ আপনাকে কখন, কি ভাবে,কার উছিলায় দিবে আপনি কল্পনা ও করতে পারবেন না ।
#শুভরাত্রি #আকিলাসকিচেন

Address

Chittagong
4000

Telephone

+8801846337401

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Akilas kitchen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Akilas kitchen:

Share