M.M Tohidul Islam-Refat

M.M Tohidul Islam-Refat আমার রব আমার সব❤️আমার রাসূল আমার আদর্শ

21/01/2026

জামায়াতে ইসলামী: শরীয়াহ “অসম্ভব” প্রচারের রাজনীতি ও ইসলামের নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা।

শরীয়াহ আইন বাস্তবায়নের জন্য প্রথম ও অপরিহার্য শর্ত হলো জনগণের স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন। আর এই সমর্থন আপনা-আপনি আসে না মানুষকে শরীয়াহ শাসনের ন্যায়, বাস্তবতা ও কল্যাণের ব্যাপারে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে হয়।
কিন্তু বিপরীতভাবে যদি কোনো কথিত ইসলামিক দল জনগণের মধ্যে এই ধারণা ছড়ায় যে “বাংলাদেশে শরীয়াহ শাসন সম্ভব নয়”, তাহলে সেটি মানুষের মনোবল ভাঙার শামিল। এমন দল কখনোই জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন আদায় করতে পারবে না, এবং বাস্তবে ক্ষমতায় গিয়েও শরীয়াহ বাস্তবায়নের ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে না।

এর পাশাপাশি একটি মৌলিক সত্য হলো যে দল নিজেই তার নেতাকর্মীদের পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবনে শরীয়াহ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ, সে দল রাষ্ট্রে শরীয়াহ প্রতিষ্ঠার দাবি করার নৈতিক অধিকার হারায়।
নিজেদের ঘরে, আচরণে ও সিদ্ধান্তে শরীয়াহ অনুপস্থিত রেখে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে শরীয়াহর কথা বলা নিছক ভণ্ডামি।
অতএব, যদি কোনো কথিত ইসলামিক দল
নিজেরা পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবনে শরীয়াহ প্রতিষ্ঠা না করে, এবং একই সঙ্গে প্রচার করে যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শরীয়াহ প্রতিষ্ঠা অসম্ভব,
তাহলে তা স্পষ্টভাবে ধর্মীয় মূল্যবোধকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে জনগণের ইসলামিক চেতনার সঙ্গে প্রতারণা করা।
এ ধরনের রাজনীতি ইসলাম প্রতিষ্ঠার রাজনীতি নয়; বরং ইসলামের নামে ক্ষমতা দখলের কৌশলমাত্র।

তাওহীদ রিফাত
২১/১/২৬

20/01/2026

ইসলামের নামে শয়তানি রাজনীতি: জামায়াতের আসল রূপ এখন উন্মোচিত

একটা নির্মম সত্য বলি
গত দেড় বছর আপনি শান্তিতে রাজনীতি করতে পেরেছেন একটাই কারণে: তখন আপনি জামায়াতের সাথে ছিলেন। তাই তারা তখন গালি দেয়নি, প্রোপাগান্ডা চালায়নি, চরিত্রহনন করেনি।
কিন্তু এখন আপনি জামায়াতের সাথে নেই।
আর জামায়াতের রাজনীতিতে একটাই নীতি এলায়েন্সে থাকলে ফেরেশতা, বের হলেই শয়তান।
এখন শুরু হয়েছে তাদের আসল নোংরা রাজনীতি।
চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলনের নামে এমনসব জঘন্য, কুৎসিত ও কল্পনাতীত মিথ্যাচার তারা ছড়াচ্ছে যা ইবলিশ শয়তান ও করতে লজ্জা পায়। শয়তানও কাউকে নিয়ে এসব বানাতে দশবার ভাববে। কিন্তু জামায়াতের কাছে এগুলো শুধু বৈধই না, বরং ইবাদতসম রাজনীতি।
এখন আপনার নামে যা খুশি তাই বলা বৈধ।
পৃথিবীর সব মিথ্যা একত্র করে ছড়ানো বৈধ।
চরিত্রহত্যা, অপবাদ, সোশ্যাল ব্যাশিং সবই হালাল।
কারণ আপনি এখন “তাদের লোক” নন।
ইতোমধ্যে শুরু করেছে আলহামদুলিল্লাহ।
সকাল-সন্ধ্যা প্রোপাগান্ডার কারখানা ফুল স্পিডে চলছে। এমনসব মিথ্যা তারা এখন ছড়াচ্ছে, যা শুনলে শয়তানও বলবে “এটা তো বেশি হয়ে গেছে!”

সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো
এইসব কুকর্ম তারা করে ইসলামের নামে।
দলের নামের সাথে ইসলাম জুড়ে দিয়ে।
ধর্মকে ঢাল বানিয়ে মিথ্যা, কুৎসা আর চরিত্রহনন চালায়।যে দল ইসলামের নামে মিথ্যাচারকে রাজনীতি মনে করে,
যে দল ইসলামের নামে মানুষের সম্মান ধ্বংস করাকে জায়েজ মনে করে
তারা ইসলামের প্রচারক না, ইসলামের সবচেয়ে বড় ক্ষতিকর শত্রু।ইসলামের ক্ষতি করার জন্য যদি এমন দল থাকে,তাহলে ইসলামের বিরুদ্ধে আর আলাদা করে শয়তানের দরকার কী?

তাওহীদ রিফাত
২০/১/২৬

19/01/2026

ইকামতে দীন থেকে পিছু হটা: জামাআতের দাওয়াত, দ্বিচারিতা ও ঐতিহাসিক আত্মস্বীকৃতি

জামাআত প্রকাশ্যে তার তথাকথিত ‘ইকামতে দীন’-এর মিশন থেকে সরে এসেছে। এখন নৈতিকভাবে বাধ্যতামূলক হলো তাদের দাওয়াত থেকেও সরে আসা। অন্যথায় এটি আর দাওয়াত থাকবে না; তা পরিণত হবে শঠতা, প্রতারণা ও ধর্মব্যবসায়।
প্রায় এক শতাব্দী ধরে খেলাফতহারা উম্মাহকে ‘ইকামতে দীন’-এর নামে যে দাওয়াত দিয়ে জামাআত নিজেদের দল ভারী করেছে, ড. শফীক সাহেবের নেতৃত্বাধীন জামাআত আজ সেই মূল দাবিকেই অস্বীকার করছে। তারা সংখ্যালঘু হিন্দু খ্রিস্টানদের আশ্বাস দিচ্ছে ক্ষমতায় গেলে শরীয়া বাস্তবায়ন করা হবে না। এমনকি সেই আশ্বাসের ধারাবাহিকতায় কোথাও কোথাও কট্টর হিন্দু প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতেও তারা দ্বিধা করেনি।

কেন এই পিছু হটা?
নিশ্চয়ই তারা বলবে রাষ্ট্রে শরীয়া বাস্তবায়নের পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি।কিন্তু যদি এটাই একমাত্র ও চূড়ান্ত বাস্তবতা হয়, তাহলে প্রশ্ন জাগে
‘এতক্ষণ অরিন্দম কহিলা বিষাদে?’
এই সত্য তো আমাদের আকাবির বুযুর্গগণ বহু আগেই বলে এসেছেন। দাওয়াত-তাবলীগের মেহনতকারীরাও শুরু থেকেই বলে আসছেন ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ পর্যায়ে গভীর দীনী ঘাটতি রেখে হঠাৎ করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলাম কায়েম করা কখনোই সম্ভব নয়।নির্মাণ শুরু করতে হয় ভিত্তি থেকে, চূড়ায় ওঠা আসে পরে এটাই নবীগণের মানহাজ।এই মানহাজ ধরেই আমাদের বুযুর্গগণ কাজ করে গেছেন। হযরত ইলয়াস (রহ.) এই উপলব্ধি থেকেই তৃণমূল পর্যায়ে তাবলীগের কাজ শুরু করেছিলেন, আর উলামায়ে রাব্বানী তাঁকে সমর্থন দিয়েছেন। যে সত্য আমাদের আকাবির বহু আগেই বুঝেছিলেন, জামাআত হয়তো শত বছর পর এসে তা উপলব্ধি করেছে।
“কলন্দর জো গোয়াদ দীদাহ গোয়াদ।”

এখন অনিবার্য প্রশ্ন হলো
এতদিন জামাআত আমাদেরকে যে গালিগালাজ করেছে, ট্যাগ দিয়ে জর্জরিত করেছে, ‘ইকামতে দীন করছে না’ বলে অভিযুক্ত করেছেতার দায় কি তারা নেবে?তাবলীগ জামাআত ও দাওয়াত-ইসলাহে নিয়োজিত পীর-বুযুর্গদের কাছে কি তারা ক্ষমা চাইবে?নৈতিকতার খাতিরে, সত্যের খাতিরে ক্ষমা চাওয়া তাদের অবশ্যকর্তব্য।

‘ইকামতে দীন’ আন্দোলনের ভ্রান্ত ভিত্তি
বাস্তবতা হলো ইকামতে দীন’-এর নামে যে নতুন আন্দোলন মাওলানা মওদূদী ও সাইয়েদ কুতুব (রহ.) প্রবর্তন করেছেন, তা শুনতে ও ভাবতে যতই মোহনীয় হোক না কেন, এটি মূলত এক অলীক ও অসার দাওয়াত।এর সঙ্গে নববী মানহাজের মৌলিক কোনো সম্পর্ক নেই।।এই অসারতা উপলব্ধি করেই জমহুর আলিমগণ শুরু থেকেই এই ধারার সঙ্গে একাত্ম হতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। মাওলানা মনজুর নোমানী, সাইয়েদ আবুল হাসান আলি নদভী (রহ.) সহ জামাআতের প্রতিষ্ঠাকালীন বহু গুরুত্বপূর্ণ সদস্য একসময় জামাআত ত্যাগ করেছেন এবং নববী মানহাজ অনুযায়ী ভিন্ন ধারায় কাজ করে গেছেন

তাওহীদ রিফাত
১৮/১/২৬

19/01/2026

আমীরে জামায়াতের আসনে ইসলামী আন্দোলন শুরু থেকেই কোনো প্রার্থী দেয়নি। অন্যদিকে, জামায়াতও শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের আমীরের আসন থেকে প্রার্থী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত যদি শুরুতেই নেওয়া হতো, তাহলে অনেক জটিলতা, টানাপোড়েন ও অপ্রয়োজনীয় নাটক এড়ানো যেত।
কিন্তু বরিশাল-৫ আসন নিয়ে জামায়াত যা করেছে, তা কোনোভাবেই ভোলার মতো নয়। সেখানে তারা কম লেবু চেপে নেয়নি বরং চিপে চিপে পুরো বিষয়টিকে তিক্ত করে তুলেছিল। রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সৌজন্য কিংবা পারস্পরিক সম্মানের ন্যূনতম বালাই সেখানে দেখা যায়নি।
শায়েখে চরমোনাইয়ের মুখ বন্ধ রাখা, কিংবা তার অবস্থানকে চাপে রাখার জন্য জামায়াত এই সামান্য ‘ত্যাগ’ করতেই পারে এটা তাদের জন্য বড় কোনো সেক্রিফাইস নয়। বরং এটি ছিল বাস্তবতার চাপে পড়ে নেওয়া একটি বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত, কোনো মহান উদারতার নিদর্শন নয়।

তাওহীদ রিফাত
১৮/১/২৫

19/01/2026

‘ওয়ান বাক্স’ হাইজ্যাক: জামায়াতের সুচতুর রাজনীতি

এক বাক্স’ নির্বাচনী সমঝোতা শেষ পর্যন্ত জামায়াত হাইজ্যাক করেছে এটা এখন আর অনুমান নয়, বরং প্রকাশ্য বাস্তবতা।
জামায়াত চূড়ান্ত আসন বণ্টনে মামুনুল হকের দলকে ২০টি, মজলিসের এক শাখাকে ১০টি, এনসিপিকে ৩০টি এবং অলি আহমেদের দলকে ৭টি আসন দিয়েছে। প্রশ্ন হলো এনসিপির সারাদেশে ভোট কত শতাংশ?
মামুনুল হকের দলের প্রকৃত ভোটভিত্তি কত?
অলি আহমেদের দলের নামই বা কতজন জানে, আর মার্কা চেনে কজন?
এই দলগুলোর তুলনায় ই আন্দোলনের সাংগঠনিক শক্তি, মাঠের কর্মী ও ভোটব্যাংক বহুগুণ বেশি এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। ইনসাফের ভিত্তিতে আসন বণ্টন হলে, এসব দলের সম্মিলিত আসনের সমান কিংবা তার চেয়েও বেশি আসন পাওয়ার কথা ছিল ই আন্দোলনের।
এনসিপি যদি ৩০টি আসন পায়, মামুনুল হক একাই যদি ২০টি পায় তাহলে ই আন্দোলনের ভাগে কি মাত্র ৪০–৪৫টি আসনই ন্যায্য? তাও আবার সেগুলো এককভাবে নয়। প্রস্তাবিত আসনের অনেকগুলো ‘উন্মুক্ত’ রাখা হয়েছে যেখানে হাতপাখা ও দাঁড়িপাল্লা উভয় মার্কাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এর ফলে ইসলামী আন্দোলনের কার্যকর একক আসন নেমে আসবে ৩০-এর নিচে।
এই পরিকল্পনার একটাই উদ্দেশ্য
👉 এনসিপিকে কৃত্রিমভাবে দ্বিতীয় প্রধান শক্তি বানানো
👉 ই আন্দোলনকে তৃতীয় সারিতে ঠেলে দেয়া
আরও গুরুতর বিষয় হলো যে কটি আসন ই আন্দোলনকে দেয়ার কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর একটিতেও তাদের শক্তিশালী বা সম্ভাবনাময় প্রার্থী নেই। বিপরীতে, যেসব আসনে ইসলামী আন্দোলনের জয়ের বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলো জামায়াত নিজের দখলে রেখেছে।
বাস্তবে জামায়াত বগলে ‘ইট’ নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের ডাকে ‘এক বাক্স’ সমঝোতায় নাম লিখিয়েছিল। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই তারা ৪৭টি আসন উন্মুক্ত রেখে তথাকথিত চূড়ান্ত আসন বণ্টন ঘোষণা করেছে যাতে পরে সমঝোতা ভাঙলে দায়টা ই আন্দোলনের ঘাড়ে চাপানো যায়।
ই আন্দোলন ৪০–৫০টি আসন মেনে নিতেও প্রস্তুত ছিল শর্ত ছিল, আলোচনা হবে, সম্ভাবনাময় আসনগুলো ছাড়া হবে। কিন্তু জামায়াত তা করেনি। বরং তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছে, ইসলামী আন্দোলনের প্রতিটি শক্তিশালী আসনে প্রার্থী দিয়েছে, আর বাজারে ছড়িয়েছে একগাদা ভিত্তিহীন অপবাদ যেমন,
– ইসলামী আন্দোলন নাকি ১৫০ আসন দাবি করেছে
– নির্বাচিত হলে পীর সাহেবকে প্রধানমন্ত্রী করতে হবে
– গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় লিখিতভাবে দিতে হবে
এই অভিযোগগুলোর একটিরও কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ আজ পর্যন্ত কেউ দেখাতে পারেনি।
অন্যদিকে, ই আন্দোলনের অভিযোগ ছিল স্পষ্ট ও প্রমাণযোগ্য
জামায়াত কারো সঙ্গে আলোচনা না করেই তিনটি দলকে সমঝোতায় যুক্ত করেছে। দিনের পর দিন আসন বণ্টনের বৈঠক ঝুলিয়ে রেখেছে। মিটিংয়ের সময় দিয়ে বিনা নোটিসে বাতিল করেছে। ইসলামী আন্দোলনকে অন্ধকারে রেখে এককভাবে সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই অভিযোগগুলোর একটিও জামায়াত অস্বীকার করতে পারেনি। বরং সবগুলোই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
বাস্তবতা হলো
জামায়াত ‘এক বাক্স’ উদ্যোগে ঢুকেছিল মূলত এই উদ্যোগটাই কব্জা করতে। আজ সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য ‘এক বাক্স’-এর উদ্যোক্তা সৈয়দ রেজাউল করিমকে আড়াল করে তারা নতুন নাম চালু করেছে ‘নির্বাচনী ঐক্য’।
এখন পরিস্থিতি এমন ইসলামী আন্দোলন যদি এককভাবে নির্বাচনে যায়, জামায়াত কৌশলে দুই শতাধিক আসনে প্রার্থী দেবে, এমনকি যেসব ৪৭টি আসন তারা উন্মুক্ত রেখেছে সেগুলোতেও।
কিন্তু জামায়াতের এই মতলব আঁচ করেই ইসলামী আন্দোলন আগেভাগে ২৮৬টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। অর্থাৎ তারা এককভাবে মাঠে নামলে জামায়াতের পরাজয় প্রায় নিশ্চিত। কারণ ধর্মপ্রাণ ভোট মূলত হাতপাখা ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে ভাগ হবে। আমার হিসাব অনুযায়ী, অন্তত ১১৫টি আসনে হাতপাখার কারণে জামায়াত ধানের শীষের বিপরীতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারবে না।
জামায়াত যদি এই দুষ্টু ও আত্মঘাতী রাজনীতি না করতো, তাহলে দেশে শাসনক্ষমতায় বাস্তব পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু তারা তা হতে দেয়নি। নিজেদের নাক কেটে তারা গোটা ইসলামপন্থী রাজনীতির উত্থানই ভেঙে দিয়েছে।

তাওহীদ রিফাত
১৬/১/২৬

19/01/2026

জামায়াতের আমির সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিকের সাক্ষাৎ হয়েছে এ বছরের শুরুতে! রয়টার্সে এ কথাই বলেছেন তিনি! তিনি লাস্ট অসুস্থ ছিলেন আগষ্টে! যদি মনে করি অসুস্থতার সময়ের ঘটনা তাও আজ থেকে ৪ মাস আগের ঘটনা! তো তিনি ভারতের নিষেধ থাকায় এটা প্রচার করেননি! রয়টার্স সামহাউ এইটা খুঁচিয়ে বের করেছে! বা তাদের কাছে আগাম তথ্য ছিল!

কিন্তু পিনাকিদা তার শফিক ভাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন কারণ তার শফিক ভাই সব ওপেন করে দিয়েছে! জানতে চাই এই ওপেনটা ১ বছর পরে করলেন কেন? নেগোসিয়েশন কি কাঙ্ক্ষিত হয়নি? নাকি ধরা পড়ে গেছিলেন? এমনিতেই এবছরের শুরুতে জামাতি বক্তাদের মুখে শুনেছি ভারত আমেরিকাও নাকি চায় জামায়াত ক্ষমতায় আসুক! বক্তারা তো মিথ্যা বলে না! তো বিদেশি শক্তির ইশারা বা নেগোসিয়েশন ক্ষমতায় আসাটা কি একমাত্র দেশপ্রেমিক দল হিসেবে এটা উচিত হবে?

পিনাকি দাদাসহ জামায়াতের যে ভাইয়েরা ন্যারেটিভ দাঁড় করাইতেসেন যে আমির সাহেব সাহসী তাই ভারতকে তুদেনি, সব প্রকাশ করে দিয়েছেন, তাদের বলছি আপনারা এই ন্যারেটিভটাতে ধরা খাইয়া যাইতেসেন! আগের বারের মতো ন্যারেটিভ দাঁড় করান যে এই রিপোর্ট বিএনপি তারেক রহমানের রাজনীতি খাইয়া দিল! তারা আলোচনার বাইরে চলে গেছে! এগুলো বলেন!

কূটনৈতিক অধিকাংশ আলোচনাই অফ ক্যামেরায় হয়! অন ক্যামেরায় হয় ঘোষণা! দেশবিরোধী কোন চক্রান্তে জড়িত না হলে এই অফ ক্যামেরার আলোচনা দোষের না! কিন্তু আপনি নিজে অফ ক্যামেরায় আলোচনা করবেন, আবার তাদের কথা অনুযায়ী গোপন রাখবেন, একবছর পর আইসা ধরা খাইয়া প্রচার করে বলবেন আপনি মস্ত বড় সাহসী, দেশপ্রেমিক, বিশাল হনু! এগুলোতো ভাই দ্বিচারিতা! বা মোনাফেকি। আরো বড় কথা হচ্ছে, সেইম কাজ অন্য দল করলে আপনি বলবেন দালাল দেশ বিক্রি করে দিল ইত্যাদি! পারেনও বটে আপনারা!

পিনাকিদা বললেন, তারেক রহমান কেন দেশে আসছেন না উনি বুঝছেন না। আবার যখন তিনি দেশে আসার ঘোষণা দিলেন তখন আনন্দ বাজারের রেফারেন্স দিয়ে পিনাকিদাদা বুঝালেন তারেক রহমানের সাথে ভারতের ডিল হয়ে গেছে! সেই থেকে কপচানো শুরু করলেন বিএনপি ভারত সমর্থিত দল আর জামায়াত জিয়ার আদর্শের অরিজিনাল দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদি দল! আচ্ছা পিনাকিদা কি আনন্দবাজারকে ওহী জ্ঞান করেন? উনার দাবি বিএনপি তো এর বিরোধিতা করেনি! তার মানে তো ঠিকই আছে! এইটা না হলেই ওইটা ওইটা না হলেই এইটা এসব করে আসলে দিনশেষে উনারা কী চান সেটা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে!

গতকাল দেখলাম ডাকসু নেতারাসহ জাশির এক্টিভিস্টরা বলতেসেন জয় শংকরের শোকবার্তা গ্রহণ করা বিএনপির জন্য উচিত হয়নি। এইটা নাকি রাষ্ট্রীয় ভাবে পরিত্যাগ করা দরকার ছিল! তো আমির সাহেবকে কি একবছর বৈঠকের খবর গোপন রাখার দায়ে তারা পরিত্যাগ করবেন? নাকি নিজেদের বেলায় কুরু কুরু অন্যের বেলায় মাকরুহ!

যাস্ট চিন্তা করেন, রয়টার্সের প্রতিবেদনে শফিক সাহেবের জায়গায় নাম আছে মির্জা সাহেব বা সালাহউদ্দিন সাহেবের! কী ঘটত আজ দেশে! তুফানে তো থাকা দায় হয়ে যেত! পিনাকিদাদা ইলিয়াস ভাই তো ৩০ মিনিটের এক্সক্লুসিভ বানাইতেন! আমার দেশের লিড নিউজ হতো! ডাকসু থেকে মিছিল বের হতো! শাহবাগ অবরোধ হত! মানুশ জ্যামে পড়তেন! আল্লাহ বাঁচাইসেনরে ভাই!

শেষকথা!
যা অপরিহার্য বিষয় তা আপনার জন্যও অপরিহার্য অন্যদের জন্যও। আপনি জানেন এইটার ভিতর আপনাকেও যেতে হবে তাহলে কেন আপনি অন্যদের নিয়ে ন্যারেটিভ ন্যারেটিভ খেলেন! এইসব দ্বিচারিতা থেকে আল্লাহর ওয়াস্তে বিরত থাকেন। দেশকে আর অস্থির কইরেন না।

07/01/2026
29/12/2025

০৮ দলের আসন সমঝোতা নিয়ে যে অকারণ ধোঁয়াশা ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, তার পেছনে কিছু তথাকথিত “মুরুব্বি” বুদ্ধিজীবীর মাহমুদুর রহমান মান্নাদের ভূমিকা প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। বিশেষ করে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক বলয়ের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট অবস্থান থেকে আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক যেভাবে একের পর এক বক্তব্য ছুড়ে দিচ্ছেন, তা আর সাংবাদিকতা নয়।
এটা সরাসরি রাজনৈতিক প্রপাগান্ডা।

বাইরে বাইরে নিজেকে নিরীহ ও দেশপ্রেমিক হিসেবে উপস্থাপন করলেও বাস্তবে তিনি চরমভাবে হিসাবি ও কৌশলী। জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে তার অবস্থান কখনোই স্পষ্ট নয়; বরং যেখানে ঐক্য গড়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখা দেয়, সেখানেই তার কলম বিভাজনের আগুনে ঘি ঢালে।

কে কাকে কত আসন দিল, কে কার সঙ্গে কোথায় দৌড়াল এসব যাচাইহীন গল্প বানিয়ে রাজনৈতিক মাঠ উত্তপ্ত করাই যেন তার নিয়মিত কাজ। দায়িত্বশীল বিশ্লেষণের বদলে গুজব ও অনুমানের উপর ভর করে জনমতকে প্রভাবিত করার এই প্রবণতা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
দেশপ্রেমের মুখোশ পরে বিভাজনের রাজনীতি চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইতিহাস একদিন ঠিকই মনে রাখবে কারা ঐক্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছিল, আর কারা ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থে বিভ্রান্তির জাল বুনেছিল।

তাওহীদ রিফাত
২৯/১২/২৫

27/12/2025

"এন,সি,পি কর্তৃক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে মাইনাস করার নোংরা রাজনীতি"

জনমত ও সাংগঠনিক শক্তিমত্তার বিচারে এনসিপির অবস্থান বাস্তবতা বিবর্জিত। উভয় খেলাফত (খেলাফত মজলিসের বাংলাদেশ ও খেলাফত মজলিস ) এর পর তাদের অবস্থান হওয়ার কথা এবং আট দল হিসেবে সর্বোচ্চ পঞ্চম স্থানে। সেই হিসাবে এনসিপির চেয়ে উভয় খেলাফত মজলিসের আসন সংখ্যাই বেশি প্রাপ্য। অথচ এনসিপি নির্লজ্জভাবে জামায়াতের সঙ্গে দরকষাকষি করে দাবি করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের থেকেও তাদের বেশি আসন দিতে হবে এবং জামায়াতের ঠিক পরেই তাদের অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে!

এই দাবি বাস্তবতা নয়, বরং রাজনৈতিক অহংকার ও আত্মপ্রবঞ্চনার প্রকাশ।
এনসিপি গঠনের পর যাদের কাছ থেকে তারা সবচেয়ে বেশি আন্তরিকতা ও সমর্থন পেয়েছিল, সেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকেই তারা পরিকল্পিতভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছে। নিজেদের তথাকথিত “তৃতীয় শক্তি” হিসেবে দাঁড় করাতে গিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে রাজনীতির ময়দান থেকে আউট করার নোংরা খেলায় লিপ্ত হয়েছে এনসিপি।

এক সময় চারটি দলকে “বড় দল” হিসেবে ড. ইউনুস ডেকেছিলেন, যেখানে ইসলামী আন্দোলনও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু এই বাস্তবতা এনসিপির সহ্য হয়নি। তারা সরাসরি আপত্তি তোলে এবং ফলাফল হিসেবে ইসলামী আন্দোলনকে বাদ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ইসলামী আন্দোলনকে ইচ্ছাকৃতভাবে ছোট দলগুলোর কাতারে বসানো হয় এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এনসিপির চাপিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক কৌশল।

ড. ইউনুসের বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতার কারণে দীর্ঘদিন এনসিপিকে কৃত্রিমভাবে “তৃতীয় শক্তি” বানানোর চেষ্টা চলেছে। কিন্তু বাস্তব রাজনীতিতে তারা সেই পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এখন ড. ইউনুস সরে গেলে এনসিপি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে ,এটাই বাস্তবতা। সেই ভয় থেকেই তারা আজ জামায়াতের আঁচল ধরে টিকে থাকার মরিয়া চেষ্টা করছে। এর আগে বিএনপির দরজায় গিয়েও তারা ব্যর্থ হয়েছে, কারণ বিএনপি ৮–১০ আসনের বেশি দিতে রাজি হয়নি। তাই আজ তারা দিক পরিবর্তন করেছে।
আরো লজ্জাজনক হলো আট দলের যুগপৎ আন্দোলন শুরু হওয়ার সময় এনসিপি প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা এই আন্দোলনের সাথেই থাকবে। কিন্তু রাতের অন্ধকারে বৈঠক করে, সকালে গিয়ে বিএনপির প্রলোভনে সেই প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে। তারা যুগপৎ আন্দোলনের অংশ ছিল না। ছিল সুবিধাবাদী দোদুল্যমান এক শক্তি।

এমন অবস্থায় যদি জামায়াত এনসিপিকে সঙ্গে নিয়ে নতুন কোনো রাজনৈতিক ছক আঁকার স্বপ্ন দেখে, তাহলে মনে রাখতে হবে এই ছকের পরিণতি জামায়াতের জন্যও জিল্লতি ছাড়া কিছু নয়। ইতিহাস সাক্ষী, সুবিধাবাদীদের কাঁধে ভর করে কেউ টেকসই রাজনীতি গড়তে পারেনি।

তাওহীদ রিফাত
২৬/১২/২৫

25/12/2025

★আমার দেশ পত্রিকা এখন কাদের??★

প্রশ্নটা এখন আর সন্দেহের নয়, বরং ক্রমেই দৃঢ় হচ্ছে।
এই সংবাদে পীর সাহেব চরমোনাই হাফিজা: ও ইবনে শায়খুল হাদীসের নাম যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা কি কাকতালীয় নাকি সচেতনভাবে ৭১ টিভির সুর নকল করার চেষ্টা?

বাস্তবতা হলো, সাম্প্রতিক আট দলের সমঝোতা কোনো নির্দিষ্ট দলের অধীনে গঠিত জোট নয়। অথচ আমার দেশ যেভাবে খবরটি সাজিয়েছে, তাতে স্পষ্টভাবে বোঝানো হচ্ছে একটি দলই নাকি কেন্দ্রবিন্দু, আর বাকি দলগুলো যেন তার ছায়াতলে আশ্রয় নিচ্ছে।
এটা কি সাংবাদিকতা, নাকি রাজনৈতিক বয়ান নির্মাণ?
এটা কি তথ্য পরিবেশন, নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ফ্রেমিং?
যখন সংবাদে বাস্তবতার চেয়ে ব্যাখ্যা বড় হয়ে ওঠে, তখন পক্ষপাতের গন্ধ পাওয়া অস্বাভাবিক নয়। প্রশ্ন হলো এই পক্ষপাতের রহস্য কোথায়? সম্পাদকীয় নীতিতে, নাকি অদৃশ্য কোনো চাপের কাছে?
নিরপেক্ষ সংবাদ কি আজ বিলাসিতা হয়ে গেছে?

তাওহীদ রিফাত
২৫/১২/২৫

Address

Kazipur-Sirajgong
Bogura

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M.M Tohidul Islam-Refat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share