Mafrushat World

  • Home
  • Mafrushat World
Website Contact the business

Mafrushat World 1.3M FOLLOWERS . 75K FOLLOWING 24K POSTS 24K POSTS

07/10/2026

আমার একটি মন্তব্য—জুলুম, আলেমদের হত্যা এবং তার পরিণতি নিয়ে।

বাংলাদেশে বিগত প্রায় ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনামলে যে অত্যাচার-নির্যাতন, জুলুম, গুম, খুন ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে—সেগুলো বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতি থেকে মুছে যাওয়ার নয়।

বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববরেণ্য ইসলামি আলেম ও নেতৃবৃন্দের মধ্যে প্রায় ১২–১৪ জনকে রাজনৈতিক প্রহসনের মাধ্যমে ফাঁসির মঞ্চে হত্যা করা হয়েছিল—এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অত্যন্ত বেদনাদায়ক একটি অধ্যায়।

একদিকে আলেম-ওলামা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে দমন করা হয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ জনগণকেও দীর্ঘদিন ভয়, নির্যাতন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের মধ্যে রাখা হয়েছিল।

শেষ পর্যন্ত জনগণ তার জবাব দিয়েছে। জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেই শাসনের পতন ঘটে এবং শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন। তার সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা ও নেতাকর্মীও বিভিন্নভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা ও বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়। ইতোমধ্যে কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর সাজা ও মৃত্যুদণ্ডের রায়ও এসেছে।

আমার দৃষ্টিতে এখানে একটি গভীর বিষয় লক্ষ করার মতো।

শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। ভারতের বর্তমান সরকারও তার প্রতি রাজনৈতিক আশ্রয় ও সমর্থন দেখিয়েছে। অথচ ভারতেও বিভিন্ন সময়ে মুসলিম ও ইসলামি জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে।

এখন দিল্লির রাজপথে যে রাজনৈতিক আন্দোলন ও অস্থিরতা আমরা দেখতে পাচ্ছি, সেটিকে আমি একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিণতির অংশ হিসেবেও দেখছি।

আমার মন্তব্য হলো—শাসক যখন জুলুম করে, আলেমদের হত্যা করে, সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করে এবং ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী মনে করে, তখন তার পরিণতি কখনো কখনো অত্যন্ত ভয়াবহ হয়ে ফিরে আসে।

এটা হয়তো সৃষ্টিকর্তার এক রহস্যময় বিচারব্যবস্থারই অংশ—মানুষ সবসময় যার হিসাব বুঝতে পারে না।

বাংলাদেশের আলেমদের হত্যা, সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতন এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার যে ইতিহাস তৈরি করা হয়েছিল, তার পরিণতি যে এতদূর গড়াবে—এটা হয়তো তখনকার ক্ষমতাবানরা কল্পনাও করেনি।

আমার আশঙ্কা ও মন্তব্য আরও একটি জায়গায়—

যদি ভারতের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং দিল্লির বর্তমান ক্ষমতার কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে বাংলাদেশের ফ্যাসিস্ট রাজনীতির যে বহিরাগত আশ্রয় ও শক্তির উৎস রয়েছে, সেটিও দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

সেক্ষেত্রে শেখ হাস

07/10/2026

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ—সমাধান কোথায়?

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত এখন একটি বড় সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। খেলাপি ঋণ এত বেড়েছে যে শুধু ব্যাংকের লাভ-ক্ষতি নয়, পুরো অর্থনীতির ওপর এর প্রভাব পড়ছে।

প্রশ্ন হলো—এই টাকা আদায় করার জন্য বাংলাদেশ কী করতে পারে?

আমার মনে হয়, শুধু আদালতে মামলা করে বছরের পর বছর অপেক্ষা করলে সমস্যার সমাধান হবে না।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খেলাপি ঋণ মোকাবিলায় কয়েকটি কার্যকর পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

প্রথমত—ঋণখেলাপিদের তিন ভাগে ভাগ করতে হবে।

এক শ্রেণির ব্যবসায়ী আছেন, যাদের ব্যবসা এখনো সক্ষম। সাময়িক সংকটে পড়ে তারা ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না। তাদের জন্য বাস্তবসম্মত restructuring বা পুনর্গঠনের সুযোগ থাকতে পারে।

দ্বিতীয় শ্রেণির ক্ষেত্রে ব্যবসা আছে, কিন্তু ঋণগ্রহীতা ইচ্ছাকৃতভাবে টাকা দিচ্ছেন না। তাদের ক্ষেত্রে কঠোর recovery এবং সম্পদ/জামানত enforcement প্রয়োজন।

তৃতীয় শ্রেণির ক্ষেত্রে ব্যবসা কার্যত মৃত এবং টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনাও কম। সেখানে বছরের পর বছর ঋণকে কাগজে জীবিত না রেখে দ্রুত resolution বা নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা উচিত।

দ্বিতীয়ত—বিশেষায়িত Debt Recovery Unit দরকার।

প্রতিটি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তাদের দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার বড় খেলাপি ঋণ আদায় করানো যথেষ্ট নয়। বড় ঋণের জন্য বিশেষজ্ঞ recovery team, forensic accountant, আইনজীবী এবং asset valuation specialist নিয়ে আলাদা ইউনিট করা যেতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান roadmap-এও বড় খেলাপি ঋণের জন্য specialised recovery unit, শক্তিশালী legal department এবং Artha Rin Adalat-এর মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছে।

তৃতীয়ত—আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার ব্যবস্থা বাড়াতে হবে।

সব ঋণকে মামলা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। যোগ্য mediator-এর মাধ্যমে ব্যাংক ও ঋণগ্রহীতার মধ্যে settlement করা যেতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬ সালে loan recovery-র জন্য Alternative Dispute Resolution বা ADR mediator ব্যবস্থার guideline-ও দিয়েছে।

চতুর্থত—খারাপ ঋণ ব্যাংকের balance sheet-এ বছরের পর বছর আটকে রাখা যাবে না।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে distressed asset বা খারাপ ঋণ আলাদা করে পরিচালনার জন্য Asset Management Company বা এ ধরনের বিশেষ কাঠামো ব্যবহার করা হয়েছে।

স্পেনের অভিজ্ঞতায় এমন একটি asset management company ব্যবহার করে ব্

03/10/2026

আমার জীবনটা আসলে সহজ পথে পাওয়া ভাগ্যের গল্প নয়।
এটা সংগ্রামের, অভিজ্ঞতার, আর নিজের কর্মের মাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরি করার গল্প।

আমার জীবন এতটা সহজ নয়।
যেখানে প্রতিনিয়ত আমাকে সংগ্রাম করে চলতে হয়।
তবুও থামি না, হার মানি না।
কারণ আমি জানি—
প্রতিটি বাধা আমাকে আরও শক্ত করে,
প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমাকে আরও জ্ঞানী করে,
আর প্রতিটি সংগ্রাম আমাকে আরও কাছে নিয়ে যায় আমার লক্ষ্যের।

ভাগ্য হয়তো সহজ পথ দেখায় না,
কিন্তু আমার কর্ম, আমার চেষ্টা, আমার অধ্যবসায়—
একদিন ঠিকই আমার জন্য সেই পথ তৈরি করবে।

এটাই আমার জীবন।
এটাই আমার পরিচয়।
✊🌿

#সংগ্রাম #অভিজ্ঞতা #নিজের_কর্ম #জীবন #অধ্যবসায়

---

চার বছর আগের স্মৃতি—আমি আর আমার প্রাণের ভাস্তি ❤️চার বছর পেরিয়ে গেলেও কিছু মুহূর্ত ছবির মতোই থেকে যায়।সেই সময়ের এই ছব...
03/10/2026

চার বছর আগের স্মৃতি—আমি আর আমার প্রাণের ভাস্তি ❤️
চার বছর পেরিয়ে গেলেও কিছু মুহূর্ত ছবির মতোই থেকে যায়।
সেই সময়ের এই ছবিটা দেখলেই মনে পড়ে যায় আমার ছোট্ট প্রাণের ভাস্তির সেই মায়াভরা হাসি। 🥰
সময় বদলে যায়, মানুষ বড় হয়, কিন্তু কিছু সম্পর্কের মায়া কখনো পুরোনো হয় না।
আমি আর আমার প্রাণের ভাস্তি—এই ছবির স্মৃতিটা তাই আমার কাছে সবসময়ই বিশেষ। ❤️

30/09/2026

ক) কষা (Astringent):
মুখে বা টিস্যুতে টান, সংকোচন ও শুষ্কতার অনুভূতি সৃষ্টি করে। টিস্যুর প্রোটিনের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে পৃষ্ঠকে কিছুটা শক্ত ও সংকুচিত অনুভব করাতে পারে।
উদাহরণ: কাঁচা কলা, ডালিমের খোসা।
খ) আঠালো/পিচ্ছিল (Mucilaginous):
পানি শোষণ করে পিচ্ছিল, নরম ও আবরণ তৈরি করার মতো অনুভূতি সৃষ্টি করে। উদ্ভিদের mucilage জাতীয় পদার্থ এর অন্যতম কারণ।
উদাহরণ: ইসবগুলের ভুসি, ঢেঁড়স, তিসি।

কিট-৭ @
29/09/2026

কিট-৭ @

27/09/2026

Sulphur 30 & Natrum mur 6X/12X—এটি কোন ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে বা কোন clinical condition-এ therapeutic management হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, অভিজ্ঞ চিকিৎসকগণ কমেন্টে জানাতে পারেন। বিশেষ করে রোগের লক্ষণসমষ্টি, রোগীর constitution এবং clinical indication বিবেচনায় এর ব্যবহার সম্পর্কে মতামত জানতে আগ্রহী।

26/09/2026

🇮🇳 ভারতীয় রোগীদের জন্য বিশেষ তথ্য

দীর্ঘদিনের উত্থানজনিত সমস্যা, যৌন তৃপ্তি কমে যাওয়া অথবা ইজাকুলেশনের সময় প্রত্যাশিত তৃপ্তি অনুভূত না হওয়া—এ ধরনের সমস্যায় যারা দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন, তাদের জন্য আমার নিজস্ব গবেষণা ও ফর্মুলেশনে প্রস্তুত ভেষজ কিট নিয়ে কাজ করছি।

🌿 কিটগুলো আমার নিজস্ব গবেষণা ও দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে তৈরি।
🌿 ভেষজ উপাদাননির্ভর ফর্মুলেশন।
🌿 কোনো হরমোন যোগ করা হয়নি।
🌿 কৃত্রিম যৌন-উদ্দীপক বা স্টেরয়েড ব্যবহার না করার নীতিতে তৈরি।

আমি ডাঃ জুলকার নাঈন (DHMS)—হোমিওপ্যাথি ও ভেষজ চিকিৎসায় কাজ করছি এবং ভেষজ ফর্মুলেশন নিয়ে গবেষণা করছি।

যাদের এ ধরনের দীর্ঘদিনের সমস্যা রয়েছে, তারা ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ নিতে পারেন।

📱 WhatsApp: 01960-944387

🇮🇳 ভারতের রোগীদের জন্য কুরিয়ারযোগে পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ: প্রত্যেক রোগীর সমস্যা ও কারণ এক নয়। তাই ব্যবহারের আগে ব্যক্তিগত পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে প্রচলিত চিকিৎসাব্যবস্থায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা জরুরি।

26/09/2026

🇮🇳 ভারতীয় রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বাংলাদেশে আমার চিকিৎসাধীন যেসব ভারতীয় রোগী আছেন, তারা প্রয়োজন অনুযায়ী আমার ভেষজ কিট নিতে পারবেন।

📦 ভারতে কুরিয়ারযোগে পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
আপনার প্রয়োজনীয় কিট ও প্রেরণসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে WhatsApp-এ যোগাযোগ করতে পারেন।

📱 WhatsApp: 01960-944387

প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীর সঙ্গে পরামর্শ করে কিট নির্বাচন ও পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

ডাঃ জুলকার নাঈন (DHMS)
হোমিওপ্যাথি ও ভেষজ চিকিৎসা
কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ

Address

Kushtia

DHAKA

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mafrushat World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mafrushat World:

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed restaurant?

Share