Mafrushat World

  • Home
  • Mafrushat World

Mafrushat World 1.3M FOLLOWERS . 75K FOLLOWING 24K POSTS 24K POSTS

06/07/2026

চিকিৎসার ভিত্তি হওয়া উচিত সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা—বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন নয়।

— ডাঃ জুলকার নাঈন

03/07/2026

একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ

অনেকের ধারণা, একই মায়াজমের সব ওষুধের তাপমাত্রাগত বৈশিষ্ট্য (thermal state) এক রকম হবে। কিন্তু বাস্তবে তা নয়।

উদাহরণস্বরূপ, Psorinum একটি অত্যন্ত শীতকাতর (chilly) ওষুধ। অন্যদিকে Sulphur, যা সোরিক মায়াজমের অন্যতম প্রধান ওষুধ হিসেবে বিবেচিত, সাধারণত গরমকাতর (hot) রোগীর জন্য পরিচিত।

অর্থাৎ, একই মায়াজমের অন্তর্ভুক্ত হলেও সব ওষুধের thermal reaction এক হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। তাই শুধু মায়াজম নয়, রোগীর সম্পূর্ণ লক্ষণসমষ্টি (totality of symptoms) বিচার করেই ওষুধ নির্বাচন করা উচিত।

29/06/2026

Bryonia alba (3)
Calcarea carbonica (3)
Carbo vegetabilis (3)
Kali carbonicum (3)
Medorrhinum (3)
Sabadilla (3)
Secale cornutum (3)
Sepia (3)
Sulphur (4)

কোনগুলো অল্পতেই রোগী ভালো থাকে?

26/06/2026

যখন আপনার Libido (যৌন আকাঙ্ক্ষা) কমে যায় এবং Ej*******on time-এ সন্তুষ্টি বা আনন্দ অনুভব করেন না, তখন যদি অন্য কোনো চিকিৎসায় এটি স্থায়ীভাবে ফিরে না পান, তাহলে আমাদের কিট-১ গ্রহণ করে দেখুন। ইনশাআল্লাহ, আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করছি।

ইনশাআল্লাহ, আমাদের "কিট" দ্বারা অতি শিগগিরই জরায়ু বেরিয়ে আসা (Uterine Prolapse) সমস্যার কার্যকর সমাধান উপস্থাপন করতে স...
23/06/2026

ইনশাআল্লাহ, আমাদের "কিট" দ্বারা অতি শিগগিরই জরায়ু বেরিয়ে আসা (Uterine Prolapse) সমস্যার কার্যকর সমাধান উপস্থাপন করতে সক্ষম হবো।
ইতোমধ্যে আমাদের আরও ২টি কিট ব্যবহারের পর কিছু রোগীর ক্ষেত্রে আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় জরায়ুর ফাইব্রয়েডের উল্লেখযোগ্য উন্নতি বা অপসারণ লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া যেসব রোগী জরায়ুর ফাইব্রয়েড, সিস্ট এবং ব্যথাজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন, তাদের মধ্যেও কয়েকজন ভালো ফলাফল পেয়েছেন।
বর্তমানে আমরা আরও তথ্য, পর্যবেক্ষণ ও ফলাফল সংগ্রহ করছি, যাতে বিষয়টি অধিকতর বৈজ্ঞানিকভাবে মূল্যায়ন করা যায়।
সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।
— জুলকার নাইন
গবেষক, হোমিওপ্যাথি ও ভেষজ চিকিৎসা

21/06/2026

মানুষ কেন বুঝতে চায় না?
বছরের পর বছর একই চক্র চলতেই থাকে।
১–২ মাস পরপর অ্যান্টিবায়োটিক,
প্রতিদিন অ্যান্টি-অ্যালার্জিক,
বছরের পর বছর গ্যাসের ২০ বা ৪০ মি.গ্রা. ক্যাপসুল।
ওষুধ খেলে কিছুদিন আরাম, আবার সমস্যা শুরু। তখন আবার নতুন ওষুধ, নতুন প্রেসক্রিপশন। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি—রোগের মূল কারণ দূর হয়েছে, নাকি শুধু লক্ষণগুলো সাময়িকভাবে চাপা দেওয়া হয়েছে?
স্বাস্থ্য শুধু ওষুধের উপর নির্ভর করে না। খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন, ঘুম, মানসিক চাপ, পরিবেশ এবং রোগের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করাও জরুরি।
যদি ১০–১৫ বছর ধরে একই সমস্যা নিয়ে বারবার ওষুধ খেতে হয়, তাহলে প্রশ্ন করা প্রয়োজন— কেন রোগটি বারবার ফিরে আসছে? মূল কারণ কি চিহ্নিত হয়েছে? শুধু উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে, নাকি স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে?
সচেতন হোন। অপ্রয়োজনীয় ও দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ ব্যবহার সম্পর্কে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন। রোগকে বুঝুন, কারণকে খুঁজুন, সুস্থতার পথকে গুরুত্ব দিন।
লক্ষণ দমন আর প্রকৃত আরোগ্য—এক জিনিস নয়।

19/06/2026

জামায়াত যে আসনগুলোতে ভূমিধস বিজয় অর্জন করেছে, সেসব আসন ভবিষ্যতে দলটির হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে। উদাহরণ চাইলে বহু উদাহরণ পেশ করা যাবে।
একজন জনপ্রতিনিধির জনবান্ধব হওয়া উচিত। এখন প্রশ্ন হলো—সাধারণ মানুষ কি অনুভব করছে যে তাদের এলাকায় জামায়াতের একজন এমপি আছেন? মানুষ কি তাঁর মাধ্যমে কোনো উপকার পাচ্ছে? এলাকার আপদ-বিপদে তাঁকে কি পাওয়া যাচ্ছে?
জামায়াতের এমপিরা হয়তো দুর্নীতি করবেন না, মোটামুটি উন্নয়নমূলক কাজও করবেন। কিন্তু মানুষকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে তাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সংকট, দ্বন্দ্ব ও সমস্যার সমাধান হচ্ছে কি না—সেটি। শুধু কল্যাণমূলক (ওয়েলফেয়ার) কার্যক্রম দিয়ে মানুষের সমর্থন ধরে রাখা সম্ভব নয়; রাজনীতিতেও কার্যকর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব প্রয়োজন।
একজন নাগরিকের জীবনে প্রতিনিয়ত যে প্রয়োজনগুলো দেখা দেয়, তার অধিকাংশ ক্ষেত্রই বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে, যদিও আসনটি জামায়াতের। ফলে মানুষ আরও হতাশ হচ্ছে। ভোট দিয়েছে জামায়াতকে, কিন্তু সমস্যার সমাধানের জন্য ঘুরতে হচ্ছে বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে।
এই ক্ষেত্রে জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভূমিকা অনেক ক্ষেত্রেই দুর্বল।
কোনো ব্যক্তি জুলুমের শিকার হয়ে বা রাজনৈতিক সংকটে পড়ে কোনো জামায়াত নেতার কাছে গেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সমাধান পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে কল্যাণমূলক কোনো বিষয়ে সহযোগিতা পাওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—মানুষ অনেক সময় ঘুষ দিয়েও হোক, নিজের সমস্যার সমাধান চায়। শুধু ধৈর্যের উপদেশ দিলে হবে না।
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ইউনিয়ন পর্যায়ের একজন দায়িত্বশীল নেতাও একজন কনস্টেবলকে অতিরিক্ত ভীত-সন্ত্রস্ত ভঙ্গিতে সম্বোধন করছেন। যদিও সবাই এমন নন, তবে এ ধরনের প্রবণতা কম নয়। এটিই বাস্তব পরিস্থিতি।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বা বিএনপির ক্ষেত্রে একজন এমপি থাকলেও জেলায় আরও অনেক প্রভাবশালী নেতা থাকেন, যারা কার্যত এমপির মতোই প্রভাব বিস্তার করেন। তাদের অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারাও উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা ধারণ করেন। তাদের সাংগঠনিক বিস্তার পুরো জেলায় দৃশ্যমান।
এছাড়া তাদের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের আত্মবিশ্বাস, উপস্থিতি ও নেতৃত্বের যে প্রকাশ দেখা যায়, তা অনেক সময় জামায়াতের জেলা পর্যায়ের নেতাদের মধ্যেও অনুপস্থিত। এমনকি জেলার অনেক দায়িত্বশীল নেতাকে সাধারণ মানুষ ঠিকমতো চিনেও না।
মূল সমস্যা এখানেই। জামায়াতের নেতাকর্মীরা মানুষের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পারায় শত শত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা গিয়ে একমাত্র এমপির ওপরই পড়ে। অথচ এ দেশের মানুষ মনে করে সবকিছুর দায়িত্ব একজন এমপির। এর ফলে বড় ধরনের সংকট তৈরি হচ্ছে।
আমি জামায়াতের নেতাদের বলছি না যে আপনারাও অন্যদের মতো চাঁদাবাজি করবেন, টাকা খেয়ে বা ভাগ দিয়ে প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করবেন।
বরং আপনাদের দায়িত্ব ছিল চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পুলিশ, অফিস-আদালতে ঘুষ বাণিজ্য দমনের সক্ষমতা অর্জন করা। সেই সক্ষমতা তৈরি করুন।
খোঁজ নিয়ে দেখুন, অনেক জায়গায় জামায়াতের আসনগুলোতেও পুলিশ আগের চেয়ে বেশি সাহসের সঙ্গে ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। এর পেছনে ক্ষমতাসীন বা প্রভাবশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সমর্থন থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।
আপনারা দখল করবেন না—সেটি ভালো কথা। কিন্তু অন্তত দখলমুক্ত রাখার সক্ষমতা দেখান। এটাই আপনাদের রাজনৈতিক রূপরেখা হওয়া উচিত। নতুবা এই সংকটের সমাধান হবে না।
দলের সমালোচনা করা মানেই দলের বিরোধিতা করা নয়। বাস্তবতাকে স্বীকার করুন, বাস্তবতায় আসুন। তাহলেই সমস্যাগুলো চিহ্নিত হবে এবং সমাধানের পথ তৈরি হবে।

17/06/2026

অসহনীয় গরমে মানুষ যখন হাঁসফাঁস করছে, তখন বিদ্যুৎহীনতার যন্ত্রণা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। দিনের পর দিন লোডশেডিং আর দুর্ভোগের বোঝা জনগণের কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে দায় এড়ানো যায় না।
জনগণ বিল দেয়, কর দেয়, কিন্তু বিনিময়ে যদি ন্যূনতম সেবাটুকুও না পায়, তাহলে ক্ষোভ জমা হওয়াই স্বাভাবিক। ক্ষমতার আসল মালিক জনগণ, আর জনগণের ধৈর্যেরও একটি সীমা আছে।
এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে জনগণ তাদের ন্যায্য অধিকার ও মৌলিক সেবা নিশ্চিত করার দাবিতে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। জনগণের কষ্টকে অবহেলা করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না।

15/06/2026

বর্তমানে রোগ আরোগ্য এতটা সহজ নয়। সঠিক ডায়াগনোসিস চিকিৎসার পথ দেখায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আসল বিষয় হলো—নির্বাচিত চিকিৎসা রোগীকে কতটুকু আরোগ্যের দিকে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
গ্রামীণ কিট চিকিৎসা পদ্ধতি বর্তমানে সবথেকে নির্ভরযোগ্য একটি চিকিৎসা পদ্ধতি।

13/06/2026

আজ একটি লুঙ্গি কিনতে গিয়ে এক কারিগরের সঙ্গে কথা হলো। তিনি বললেন, সুতার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের উৎপাদন খরচ বেড়েছে এবং ব্যবসা আগের মতো চলছে না। কাঁচামালের দামের চাপ ও বাজারের অনিশ্চয়তায় ক্ষুদ্র কারিগর ও তাঁতশিল্পীরা বেশ সমস্যার মধ্যে আছেন।
আলাপের এক পর্যায়ে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “ইউনূস সরকারের সময় কেমন ছিল?” তিনি বললেন, তখন নাকি পরিস্থিতি কিছুটা ভালোই ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা বেশি চাপ অনুভব করছেন বলে জানান।
মূল বিষয় হলো—সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক আলোচনার চেয়ে বেশি চিন্তা করে তাদের জীবিকা, নিত্যপণ্যের দাম এবং ব্যবসার টিকে থাকা নিয়ে। যে ব্যবস্থাই হোক না কেন, জনগণের স্বস্তি ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
#জনগণের_কথা #কারিগর_জীবন #নিত্যপণ্য #অর্থনীতি

Address

Kushtia

DHAKA

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mafrushat World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mafrushat World:

  • Want your business to be the top-listed Restaurant?

Share