07/10/2026
আমার একটি মন্তব্য—জুলুম, আলেমদের হত্যা এবং তার পরিণতি নিয়ে।
বাংলাদেশে বিগত প্রায় ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনামলে যে অত্যাচার-নির্যাতন, জুলুম, গুম, খুন ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে—সেগুলো বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতি থেকে মুছে যাওয়ার নয়।
বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববরেণ্য ইসলামি আলেম ও নেতৃবৃন্দের মধ্যে প্রায় ১২–১৪ জনকে রাজনৈতিক প্রহসনের মাধ্যমে ফাঁসির মঞ্চে হত্যা করা হয়েছিল—এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অত্যন্ত বেদনাদায়ক একটি অধ্যায়।
একদিকে আলেম-ওলামা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে দমন করা হয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ জনগণকেও দীর্ঘদিন ভয়, নির্যাতন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের মধ্যে রাখা হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত জনগণ তার জবাব দিয়েছে। জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেই শাসনের পতন ঘটে এবং শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন। তার সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা ও নেতাকর্মীও বিভিন্নভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা ও বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়। ইতোমধ্যে কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর সাজা ও মৃত্যুদণ্ডের রায়ও এসেছে।
আমার দৃষ্টিতে এখানে একটি গভীর বিষয় লক্ষ করার মতো।
শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। ভারতের বর্তমান সরকারও তার প্রতি রাজনৈতিক আশ্রয় ও সমর্থন দেখিয়েছে। অথচ ভারতেও বিভিন্ন সময়ে মুসলিম ও ইসলামি জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে।
এখন দিল্লির রাজপথে যে রাজনৈতিক আন্দোলন ও অস্থিরতা আমরা দেখতে পাচ্ছি, সেটিকে আমি একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিণতির অংশ হিসেবেও দেখছি।
আমার মন্তব্য হলো—শাসক যখন জুলুম করে, আলেমদের হত্যা করে, সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করে এবং ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী মনে করে, তখন তার পরিণতি কখনো কখনো অত্যন্ত ভয়াবহ হয়ে ফিরে আসে।
এটা হয়তো সৃষ্টিকর্তার এক রহস্যময় বিচারব্যবস্থারই অংশ—মানুষ সবসময় যার হিসাব বুঝতে পারে না।
বাংলাদেশের আলেমদের হত্যা, সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতন এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার যে ইতিহাস তৈরি করা হয়েছিল, তার পরিণতি যে এতদূর গড়াবে—এটা হয়তো তখনকার ক্ষমতাবানরা কল্পনাও করেনি।
আমার আশঙ্কা ও মন্তব্য আরও একটি জায়গায়—
যদি ভারতের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং দিল্লির বর্তমান ক্ষমতার কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে বাংলাদেশের ফ্যাসিস্ট রাজনীতির যে বহিরাগত আশ্রয় ও শক্তির উৎস রয়েছে, সেটিও দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
সেক্ষেত্রে শেখ হাস