Puja Ray

Puja Ray I HATE YOU

09/05/2024

Good morning
Every one

08/05/2024

সুন্দরী স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও স্বামী
পরকীয়ায় আসক্ত হয় কেন?

Hi kayse ho
28/04/2024

Hi kayse ho

আমাকে রং মাখাতে আসলে মজবুত পিচকিরি নিয়ে আসবেন....
25/03/2024

আমাকে রং মাখাতে আসলে মজবুত পিচকিরি নিয়ে আসবেন....



কাজিনের বিয়ের দাওয়াত খেতে এসে শুনলাম বর পালিয়ে গিয়েছে। মেজো কাকা বাবাকে ধরেছে,তার সম্মান যেভাবে হোক রক্ষা করতে হবে।ফলস্ব...
23/03/2024

কাজিনের বিয়ের দাওয়াত খেতে এসে শুনলাম বর পালিয়ে গিয়েছে। মেজো কাকা বাবাকে ধরেছে,তার সম্মান যেভাবে হোক রক্ষা করতে হবে।

ফলস্বরূপ বোলির পাঠা হতে হলো আমাকে। বাবা-মা আমার ইচ্ছা-অনিচ্ছা না জেনেই মেজো কাকার সম্মান বাঁচাতে আমার সাথে বিয়ে ঠিক করে ফেললো তাদের মেয়ের।

খবরটা শোনার পর আমারও ইচ্ছা করছিলো বরের মত পালিয়ে যেতে,কিন্তু সে পথও বন্ধ করে দিয়েছে আবার বুদ্ধিজীবী বাবা।
এমনভাবে বগলদাবা করে ধরে রেখেছে,যেন আমি চোখের দৃষ্টি হারানো পথভোলা এক পথিক।

শেষমেশ কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে ছোট থেকে যাকে কোলেপিঠে করে বড় করলাম,তার সাথে বিয়েতে বসতে হলো। কি লজ্জা কি লজ্জা!

লজ্জায় ইচ্ছা করছে ইঁদুর মরা বি*ষ খেয়ে দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করি। কি লাভ এই স্বার্থপর দুনিয়াতে বেঁচে থেকে।
কত ইচ্ছা ছিলো ধুমধাম করে বিয়ে করার,ফটোগ্রাফারের সামনে বর সেজে স্টাইল মেরে ফটো তুলে ফেসবুকে আপলোড করার।
কিন্তু অন্যেজনের ফেলে যাওয়া বউকে বিয়ে করছি এইটা বন্ধুমহলে জানাজানি হলে ফটো আপলোড তু দূরকাবাত,আইডিটাই ডিএক্টিভ করা লাগবে।

বাবাকে অনেক করে বুঝানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু বাবা আমার এক কথার মানুষ। সে তার ভাইকে একবার যখন কথা দিয়েছে তখন সে কথা দুনিয়া উল্টে গেলেও নড়চড় হবেনা।

যে মেয়েটা সারাদিন ভাইয়া ভাইয়া করে মুখ দিয়ে ফ্যানা তুলে ফেলতো,সে এখন আমাকে বর বলে ডাকবে! আর আমিই বা তাকে... না আর ভাবতে পারছিনা।

বন্ধুরা এসে সবাই ধরেছে, -'মামা তুমি জিতছো। সুমি তো আর কম সুন্দরী না। তোর মত বলদের কপালে ওমন একখান মেয়ে জুটেছে তোর সাত কপালের ভাগ্য। যা রুমে যা,নতুন বউ ঘরে রেখে বাহিরে মশা মেরে কি লাভ?'

কথাগুলো বলে একপ্রকার জোর করেই ভিতরে ঢুকিয়ে বাহির হতে লক করে রেখে চলে গেলো।
এই প্রথম নিজের রুমে ঢুকতে গিয়ে সংকোচবোধ হচ্ছে।

ভিতরে ঢুকে বিছানার কাছে যেতেই সুমি ঘোমটা তুলে বললো, -'ভাইয়া কেমন আছো?'

ভ্যাবাচেকা খেয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম।স্বামী কম বড় ভাই ফিলিংসটা বেশি হচ্ছে। ইচ্ছা করছে মাথায় হাত দিয়ে আশির্বাদ করে দেই। বড় ভাই হিসাবে এতটুকু তো করতেই পারি।

নিজেকে শান্ত করে বললাম, -'আচ্ছা দেখো,এখন তো আমরা স্বামী-স্ত্রী তাই না? বিয়েটা যেহেতু হয়েই গিয়েছে, আমাকে এখন থেকে আর ভাইয়া ডাকবে না। কেমন?'

-'আচ্ছা ঠিক আছে ভাইয়া।'

-'আবার?'

পরদিন সকালে নাস্তার টেবিলে সবাই বসে নাস্তা করছি এমন সময় সুমি পরোটা দিতে গিয়ে বলে বসলো, -'ভাইয়া তোমাকে আরেকটা পরোটা দেই?'

আমার তো লজ্জায় মাথা কাটা যাওয়ার মত অবস্থা। এদিকে মাথা তুলে দেখলাম, বাবা-মা দুজনেই মুখ টিপে হাসছে অন্যদিকে তাকিয়ে।
ভিষণ রকমের রাগ উঠলো। এইভাবে আমার জীবনটা তেজপাতা বানিয়ে দিয়ে আবার হাসছে।
এতদিন কি তাহলে মা সত্যি বলতো,আসলেই কি আমাকে হাসপাতাল থেকে কুড়িয়ে এনেছিলো?'

অনেক বুঝিয়েও সুমির মুখ থেকে ভাইয়া ডাকটা বন্ধ করতে পারিনি। ও যখন বেশিরকম এক্সাইটেড হয়ে যায় তখনই আমাকে মাঝেমধ্যে ভাইয়া ডেকে ফেলে।

বিয়ের কয়েকমাস পর ভাবলাম বউকে নিয়ে একটু কেনাকাটা করে আসি।
বিয়ের পর তো নিজ হাতে কোনকিছুই কিনে দিইনি।

বিকেলে সুমিকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম কেনাকাটার উদ্দেশ্যে।
বেরুবার সময় পইপই করে বলে দিয়েছি যাতে লোকজনের সামনে কোনভাবেই আমাকে ভাইয়া না বলে।

কয়েকটা দোকান ঘুরলাম,সবকিছু ঠিকঠাক।
একবারো ভাইয়া ডাকেনি। তা দেখে আমিও খানিকটা আস্বস্ত হয়েছি।
হয়তো মেয়েটা এবার একটু হলেও বুঝেছে আমার মনের বেদনাটা।

কিন্তু না,বিপত্তি তার ঘটানোই লাগবে।
শপিং শেষ করে চলে আসছি,হঠাৎ করে পিছন থেকে উত্তেজিত কণ্ঠে ডেকে উঠলো, -' ভাইয়া,ওই টি শার্ট টাতে কিন্তু তোমাকে দারুন লাগবে।'

আমি পিছু ফিরে তাকাতেই সুমি জিহ্বায় কামড় মেরে বুঝাতে চায়লো তার ভুল হয়ে গিয়েছে।
হাজার হলেও বউ তো,আর পুরুষের জন্মই তো হয়েছে ক্ষমা করার জন্য।
দিলাম ক্ষমা করে। চুপচাপ গিয়ে টি শার্ট টা কিনে নিলাম।
দোকান থেকে বেরুতে যাবো,ঠিক তখনি পাশ থেকে একজন মাঝবয়সী ভদ্রমহিলা ডেকে বললো, -' ওটা তোমার বোন? খুব মিষ্টি তো দেখতে। বিয়ে হয়েছে?'

আমি রাগ চেপে রেখে বললাম, -'না আন্টি। তবে সুযোগ্য পাত্র পেলে দিয়ে দিবো। আর কতদিন বাবার ঘরে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াবো।'

ভদ্রমহিলা মৃদু হেসে বললেন, -'আমার ছেলে সামনে মাসেই কানাডা থেকে ফিরবে। তোমার বোনটাকে আমার খুব পছন্দ হয়েছে। তোমার বাবার নাম্বারটা দাও,আমি বাসায় গিয়ে নয়নের বাবাকে বলে তোমাদের বাসায় যাবো।'

-'আপনার নাম্বারটা দিন আন্টি। আমি বাসায় গিয়ে বাবা-মাকে বলবো। তারা যদি রাজি থাকেন,তাহলে আমিই ফোন করে বলবো আপনাদের।'

ভদ্রমহিলা সাদা মনে তার নাম্বারটা দিয়ে গেলো।
একটু পরে সুমি এসে জানতে চায়লে বললাম, -'ভদ্রমহিলা তার ছেলের জন্য তোমাকে পছন্দ করেছেন। আমি ফোন দিলেই মহিলা তার স্বামীকে নিয়ে দেখতে আসবে তোমাকে।'

সুমি দাঁত কড়মড় করে বললো, -'কি বলছো এসব? নিজের বউকে আবার বিয়ে দিবা! কথাগুলো বলতে একটুকুও বাধলো না তোমার মুখে?'

-'বাধবে কেন? মানুষ সমাজে যেভাবে মুখটা হা করে ভাইয়া বলে চেচিয়ে উঠো,তাতে তো যে কেউই ধরে নিবে,তুমি আর আমি ভাই-বোন।'

সেদিনের পর থেকে আর কখনো সুমি আমাকে মানুষের সামনে ভাইয়া বলে ডাকেনি।
আর আমাকেও বিপত্তিতে পড়তে হয়নি।

বিয়ের একবছর পর...

দোকানে খদ্দের সামলাচ্ছি,এমন সময় দেখলাম সুমি ফোন দিয়েছে।
আমি রিসিভ করে লাউডস্পিকার দিয়ে বললাম, -'হ্যাঁ বলো।'

ওপাশ হতে খুশি মাখা কণ্ঠে চেচিয়ে বলে উঠলো, -' ভাইয়া আমি মা হতে চলেছি।'

কথাটা শুনে দোকানে থাকা কাস্টমার রা সবাই একজোটে বোলে উঠলো, -'কংগ্রাচুলেশনস আশিক ভাই। আপনি মামা হতে চলেছেন।'

কলটা কেটে দিয়ে খানিকক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে নিজের মনেই বললাম, -'তুমি আর এজন্মে শুধরাবে না। নিজের বিয়ে করা বউ এমনভাবে মা হওয়ার সংবাদটা দিলো, নিজের এখন বাবা কম মামা হওয়ার ফিলিংসটা বেশি হচ্ছে।'

সমাপ্ত.

গল্প :অবহেলা #পর্ব ( ৮) শেষ   ন***ষ্ট করেই ছারবো আমি তোকে। আমাকে  ভালোবাসবি না এটাই তোর সাস্তি বুজেছিস। নীলা : না রনি এম...
25/02/2024

গল্প :অবহেলা

#পর্ব ( ৮) শেষ

ন***ষ্ট করেই ছারবো আমি তোকে। আমাকে ভালোবাসবি না এটাই তোর সাস্তি বুজেছিস।

নীলা : না রনি এমন করিশ না আমি তোর বোনের মতো।

রনি : না আমি তোর ভাই না বুজেছিস। আমি তোরে আজ খারাপ কিছু করবোই।

নীলা : বাছাও বাছাও আমাকে কেউ Pzz বাছাও.?

রনি : কেউ আসবে না তোকে বাছাইতে।

আমার হাত থেকে আজ কোন রক্ষাই নেই তোর।

এই বলেই রনি ঝাপিয়ে পরে নীলার উপরে।

কিন্তু এই দিকে নীলা কান্না কাটি করতেছে।

বাইরে থেকে সবাই কান্না কাটির আওয়াজ শুনতে পাচ্ছে। কিন্তু কেউ ভিতরে আসতে পারতেছে পারতেছে না। কারন দরজাটি ভিতর থেকে নক করা।

এটা দেখে হাসিব একটি লাঠি নিয়ে এসে। দরজাটাই ভেঙ্গে ফেলে।

আর ভিতরে ডুকে দেখে। নীলার পরনের সব পোশাক ছিরে ফেলেছে রনি। এই সব দেখে হাসিব।

হাসিব : তোর এতো বড় সাহস তুই আমার বউকে নষ্ট করার চেষ্টা করিশ এতো বড় সাহস তোর।

বলেই হাসিব রনিকে মারতে থাকে। প‍্রায় মারা যাওয়ার অবস্থা করে ফেলে।

রনি : তুই তো একটা কা পুরুষ । বউয়ের মর্যদা দিতে পারিশ না মায়ের কথা শুনে বউকে অপমান করিশ। তুই আবার কিসের স্বামী হ‍্যা।

হাসিব : সেটা তোকে বলতে হবে নাকি হ‍্যা। আমার বউকে আমি কি করবো না করবো।

এই দিকে আবার নীলার অবস্থা খুবেই খারাপ। কারন আপনারা তো জানেন নীলার পেটে বাচ্চা আছে।

নীল : আমাকে বাছাও হাসিব আমি মনে হয় আর বাচবো না।

হাসিব রনিকে ছেরে দিয়ে এসে দেখে নীলার শরির থেকে প্রচুর রক্ত খনন হচ্ছে।

হাসিব : কি হয়েছে নীলা এমন কেমন করে হলো।

নীলা : রনি আমার পেটে লাত্থি মেরেছিলো এই কারনে আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে।

হাসিব : চিন্তা করিও না সব ঠিক হবে। ড়

এ বলে হাসিব নীলাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

হাসিব : ডাক্তার ডাক্তার প্লিজ আমার বউকে কে বাছান।

ডাক্তার : কি হয়েছে এনার একটু বলবেন।

এর পর সব কিছু হাসিব খুলে বলে ডাক্তার কে।

ডাক্তার : আচ্ছা আপনি বাইরে থাকেন আমরা দেখি কি করতে পারি। নার্চ একে অপারেশন রুমে নিয়ে চলো।

হাসিব : Plzzz ডাক্তার দেখেন একটু।

ডাক্তার : ঠিক আছে চিন্তা করবেন না। আল্লাহ্ কে ডাকেন।

এই বলেই ডাক্তার অপারেশন রুমে চলে আয়।

আর এই দিকে হাসিব বাসায় সবাইকে ডাক দেয়। আর সব কিছু খুলে বলেন।

হাসিবের কথা মতো সবাই চলে আসে।

প্রায় 2 ঘন্টা পর ডাক্তার বের হলো?

হাসিব : ডাক্তার আমার বউয়ের কি অবস্থা এখন।

ডাক্তার : আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো । আপনি পুত্র সান্তান এর বাবা হয়েছেন।

তবে আর একটু দেরি হলে কাওকেই বাছাইতে পারতাম না।

হাসিব : সত্যি বলতেছেন তো আপনি ।

ডাক্তার : হ‍্যা সত্যি ।

হাসিব : আচ্ছা আমি কি ভিতরে যাইতে পারি।

ডাক্তার : অবশ্যই ।

এর পরে হাসিব রুমে গিয়েই।

হাসিব : নীলা আমাকে plzzz মাপ করে দাও। আমি অনেক ভুল করেছি অনেক।

নীলা : নিশ্চুপ?????

হাসিব : সত্যি আমি বাবা হয়েছি।

নীলা : না এটা তোমার বাচ্চা না।

হাসিব : কি বলতেছো এই সব আমার বাচ্চা এটা।

নীলা : না তোমার না।

এর মধ্যেই হাসিবের মা এসে বলতেছে। আমার দাদু ভাইটা কোই দেখি।

বাবা পুরাই তো বাবার মতো হয়েছে।

তখনি নীলা বলে উঠে।

নীলা : এটা আপনার নাতি না বুজছেন।

না আমার নাতি এটা।

নীলা : না আপনার না।

আমি বুজছি তুমি রেগে আছো তাই না বউ মা। আমাকে মাপ করে দাও তোমার হাত ধরে বলি।

আমরা অনেক বড় ভুল করে ফেলেছি। যা ক্ষমা করার মতো না। বউমা আমি আমার ভুলটি বুঝতে পেরেছি।

নীলা : আচ্ছা মা আমি কি সব কিছু চুরি করেছিলাম।

না মা আমি সব কিছু রে দিয়েছিলাম তোমার রুমে। মাপ করে দাও আমাকে ।

নীলা : আপনি আপনার ভুল বুজতে পেরেছেন এতেই আমি খুশি।

হাসিব : ধন্যবাদ নীলা।

নীলা : ধন্যবাদ কেনো হ‍্যা।

হাসিব : কারন মাপ করে দিয়েছো।

নীলা : না না আমি তোমাকে মাপ করিনাই বুজছো।

হাসিব : কেনো। মাপ করোনাই জান।

নীলা : কারন তুমি বলছো। তুমি নাকি আমার সাথে থাকোনাই তাহলে বাচ্চা আসলো কেমনে।

হাসিব : হুম পরে আমি বুঝতে পেরেছি। সত্যি আমি থেকেছি প্লিজ মাপ করে দাও।

নীলা : ঠিক আছে মাপ করে দিলাম আর যদি কখনো এমন করো।

হাসিব : আর এমন হবে না।

এর পর 2 /3 দিন হাসপাতালে থাকার পর নীলাকে নিয়ে বাসায় আসে হাসিব ও তার বাবা মা।

হাসিব : এই নীলা আজ আমাদের বাসর হবে।

নীলা : কি আজ তা কিসের বাসর শুনি।

হাসিব : বিয়ের পর তো এক সাথে সেই ভাবে থাকিনাই।

নীলা : ওহ তাই নাকি।

হাসিব : হুম তাই জান।

এর যখন রাত হয় হাসিব রুমে এসেই দেখে যে নীলা বউ সেজে বসে আছে আর বাচ্চাটি দোলনাই ঘুমাইতে ছে।

নীলা : বাচ্চার বাবা তবে আসলো রুমে।

হাসিব : হুম গো আসলাম। না এসে কী আর পারি।

এই বলেই হাসিব নীলার পরনের শারিটা খুলে ফেলে আর নীলার খুব কাছে গিয়ে দুজনের ঠোট এক করে দেয়।

আর যখনি আর একটু বেশি কিছু করতে যাবে তখনি বাচ্ছাটি কান্না করে দেয় আর।

হাসিব নীলার রোমান্টিক ভাবনা থেকে বাইরে আসতে হয়।

হাসিব : ওই জান আজ বাবুটাকে মায়ের কাছে দিলে কেমন হয়।

নীলা : ওই কি বলো এই সব একটু অপেক্ষা করো আমি ঘুম পারাই দেই।

নীলা বাচ্চা কে ঘুম পারিয়ে দিয়ে আবারো হাসিবের সাথে মিশে যায়।

এই ভাবেই শুখেই কাটতে থাকে পরবর্তীতে হাসিব নীলার জীবন সমাপ্তি

সমাপ্তি সমাপ্তি সমাপ্তি

গল্প  :অবহেলাপর্ব ( 7 )    রোমান্টিক লেখক kiss দিলো ছেলেটা নীলার কপালে। কিন্তু  নীলা কিছুই বললো না? নীলা : চলো জান আমারা...
25/02/2024

গল্প :অবহেলা

পর্ব ( 7 ) রোমান্টিক লেখক

kiss দিলো ছেলেটা নীলার কপালে। কিন্তু নীলা কিছুই বললো না?

নীলা : চলো জান আমারা কোথাও পার্কে যাই একটু।

ঠিক আছে চলো। তুমি যা যা করতে চাইবা তাই তাই হবে।

নীলা : তবে আজ রাতে ও কিন্তু আমি তোমার সাথে থাকবো।

no pblm..... তুমি আমার সাথেই থাকবে। রাতে কতো romance করবো দুজনে।

কথাটি বলা মাত্রই হাসিব।

হাসিব : কি বললি তুই আর একবার বলতো এই কথাটি।

নীলা : ঠাসসস ঠাসসসস। এই ছোট লোকের বাচ্চা আমার Boyfriend কে মারার অধিকার কে দিয়েছে তোকে হ‍্যা।

সবাই হা করে তাকিয়ে আছে কেউ কিছু বলার সাহস পাইতেছে না।

হাসিব : আমি তোমার স্বামী এই কথাটি কী ভুলে গেছো।

নীলা : কিইইইই বললি তুই। তুই আমার স্বামী ইডিয়েট কোথাকার।

হাসিব : কেনো ভুল বলেছি কিছু।

নীলা : আর একবার যদি এই কথা বের করিশ তোর চাকরি থাকবে না মনে রাখবি।

হাসিব : :...............................?????

নীলা : চলো জান তুমি আমরা এখন যাই।

বলেই নীলা ছেলেটির হাত ধরে চল যাচ্ছে। আর এই সব কিছু দেখে হাসিব যেনো সজ‍্য করতেই পারতেছে না।

আচ্ছা হাসিব সাহেব সত্যি কি আপনি ম‍্যামের স্বামী ।(কলিগ )

হাসিব : কেনো কি মনে হয় তোমার ।

আমার তো দেখে মনে হয় ম‍্যাম আপনাকে চিনেই না। কারন আপনাকে যে ভাবে থাপ্পড় দিলো।

হাসিব : তাতে কি হয়েছে।

এই কথা শুনে সবাই হাতেছে। লজ্জায় হাসিবের মুখটা লাল হয়ে গেলো।

হাসিব আর কিছু না বলে বাইর চলে যায়। এই ভাবে দিন গুলা যাচ্ছিলো।

নীলা নিজেকে updated করতেছে হাসিবের জন্যে কিন্তু হাসিব কিছুই বুজতেছে না।

এই দিকে আবার হাসিব একটু একটু করে নীলার প্রেমে পরা শুরে করেছে।

কিন্তু কিছু বলতেই পারতেছে না। কেমনেই বা বলবে নীলা তো এখন অন্য ছেলের সাথে প্রেম করে।

আজ অফিস থেকে সবাই পিকনিক যাবে তাই সবাই সুন্দর করে সেজে গুজে আসছে।

নীলা ও সেজেছে।

নীলা যখনি অফিসে সামনে আসে। গাড়ি থেকে নামে সবাই হা করে তাকিয়ে আছে।

এত সুন্দর মেয়ে। বাবা পরির মতো লাগতেছে।

হাসিব ও তাকাই আছে। চোখ ফেরাতেই পারতেছে না। মনে হচ্ছে এক পরির রাজ‍্য থেকে একটি পরি নেমে আসলো।

এই সব হাসিব ভাবতেছে এমন সময় ছেলেটি এসে নীলাকে একটি গোলাপ নিয়ে প্রপোজ করে।

এই সব দেখে তো হাসিব পুরাই জলতেছে। কিন্তু খুব কষ্ট হচ্ছে হাসিবের।

Do you love me Nila ( গোলাপ দিয়ে প্রপোজ করে )

নীলা : yes ❤?

I love you nila....সত‍্যি আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।

নীলা : i love you 2 রনি আমি ও তোমাকে অনেক ভালোবাসি।

(যে ছেলেটির সাথে নীলা প্রেম করে ওর নাম রনি )

এর পর রনি একটি ডাইমন্ট এর রিং বের করে।

রনি : এই নীলা তোমার হাতটি দাও তো একটু।

নীলা : হুমম এই নাও।

এর পর রনি রিংটি নীলাকে পরিয়ে দেয়। আর নীলা রনিকে জরিয়ে ধরে।

এদের এই সব কাহিনি দেখে হাত তালি দিতেছে। সবাই।

এই সব কিছু দেখে যেনো হাসিব কান্না করে দিবে এমন অবস্থা ।

কি হাসিব সাহেব আপনার নাকি ওনি বউ হয় তবে। রনি এই সব করতেছো কেনো।

হাসিব : চুপ করেন বেশি কথা বলবেন না।

সত্যি বলতে ওদের কিন্তু সত্যি সুন্দর লাগতেছে।

হাসিব :????????? কোন উত্তর নেই 💔

এর পর নীলা আর রনি গাড়িতে করে বসে পরে সবাই এক এক করে বসে পরে।

কিন্তু হাসিব আবার ভাগ্য ক্রমে নীলার আর রনির ।

সাইডের সিটেই বসে।

নীলা হাসিব কে জালানোর জন্যে আরো কাছে যায় রনির।

নীলা : এই রনি তুমি আমাকে লুডুস খাওয়াই দাও না। আমি রান্না করে এনেছি তোমার জন্যে ।

রনি : হুম জান ঠিক আছে দাও।

এই বলে রনি খাওয়াই দেয় নীলাকে।

এটা দেখে আর হাসিব সজ‍্য করতে না পেরে। উঠে পিছনের সিটে গিয়ে বসে।

এই ভাবে আরো প্রায় 20দিন যায় হঠাৎ একদিন হাসিবের বাবা বাসায় আসে দেখা করতে নীলার সাথে।

নীলা কেমন আছো মা তুমি ।

নীলা : আলহামদুলিল্লাহ্ বাবা ভালো আছি আপনি ।

হ‍্যা মা আমি ও ভালো আছি কি হলো হাসিবের এখন মা।

নীলা : সভ কিছু ঠিকেই চলতেছে বাবা।

মনে হয় আমাকে পছন্দ করতেছে হাসিব।

হুম চালিয়ে যাও। দেখবে এক সময় ও আবার চলে আসবে।

নীলা : ঠিক আছে বাবা সমস্যা নাই।

আচ্ছা মা আমি আসি তবে।

এই বলেই হাসিবের বাবা চলে যায়।

প্রায় 3 দিন অসুস্থ থাকার কারনে নীলা অফিসে যাইতে পারে নী।

আজ অফিসে যাবে একটু সুন্দর করে সেজেছে। হাসিবের পছন্দের সারি নীল শারিটা কালো টিপ টা দিয়ে অফিসে যাই গিয়েই।

হাসিব : তুমি 3 দিন আসোনাই কেনো।

নীলা : সেটা আপনাকে বলবো নাকি আমি হ‍্যা।

হাসিব : একটি কথা বলি আমি নীলা plzzz না করো না।

নীলা : ঠিক আছে বলেন কি বলবেন।

হাসিব : আচ্ছা সব কিছু কি আবার ঠিক করা যায়না।

নীলা : কি ঠিক করবেন হ‍্যা আপনি । আমি আপনাকে এখনো ডিভোর্স দিবো কিছু দিন পরে।

হাসিব : plzzz plzzz plzzz এমনটা করিও না। আমি তোমাকে সত্যি ভালোবাসি।

নীলা : আপনার কথা শেষ হলে আপনি এখন আসতে পারেন।

আর কিছু না বলেই হাসিব কান্না করতে করতে বাহির যায় আর তখনি রনি চলে আসে।

রনি : নীলা একটি কথা বলতে চাই আমি তোকে।

নীলা : হ‍্যা বলরে কি বলবি। তবে একটি কথা রে তুই সত্যি অনেক সুন্দর অভিনয় করতে পারিস।

রনি : ও তাই নাকি রে।

নীল : হুমম। বল কীবলতে চাস এখন।

রনি : আমি না মিথ্যা........... অভিনয় করতে করতে সত্যি তোকে ভালোবেসে ফলেছি রে।

নীলা : কি বলিশ এই সব তুই হ‍্যা।

রনি : সত্যি বলতেছি রে আমি তোকে ছারা বাছবো না।

নীলা : না এটা কখনো সম্ভব না।

রনি : আমি এতো কিছু জানি না। আমার তোকে চাই। আমি ঘুমাইতে গেলে। কাজে গেলে তোকেই শুধুমাত্র ভাবি।

নীলা : এমন করিশ কেনো তুই। বলছি না এই সব ভাবনা বাদ দে।

রনি : তার মানে তুই আমাকে ভালোবাসবি না।

নীলা : না কখনোই না।

কথাটি শুনের অফিসের রুমের দরজা টা লাগিয়ে দিয় এসেই ____________????

পরের পর্বের জন্যে অপেক্ষা করুন

✔ আল্লাহ্ সর্ব শক্তিমান ✔

গল্প :অবহেলা #পর্ব : ( 6 )   রোমান্টিক লেখক ছোট লোকের মেয়ে এই গুলা তবে কী??   কথাটি বলেই হাসিবের মা নীলার একটি ব‍্যাগ থে...
25/02/2024

গল্প :অবহেলা

#পর্ব : ( 6 ) রোমান্টিক লেখক

ছোট লোকের মেয়ে এই গুলা তবে কী?? কথাটি বলেই হাসিবের মা নীলার একটি ব‍্যাগ থেকে গহনা গুলা বের করে।

হাসিব : নীলা তুই শেষ পযর্ন্ত আমার মায়ের গহনা ও চুরি করলি।

নীলা : না আমি এই সবের কিছুই জানি না। হাসিব বিশ্বাস কর তুমি।

হাসিব : নিজের চোখেই তো দেখতে পেলাম।

নীলা : আমাকে ফাসানোর জন্যে এমন করতেছে তোমার মা।

হাসিব: ঠাসস?? আবার আমার মায়ের নামে মিথ্যা অপবাদ দিস।

নীলা : আমি রাখি নাই এই গুলা সত্যি বলতেছি।

হাসিব এর পরেও কি তুই তোর বউ কে এই বাড়িতে রাখবি।

হাসিব : না মা আর রাখা যাবে না একে এই বাসায়।

নীলা : কি বলতেছো এই সব হাসিব তুমি । আমি কোথাও যাবো না।

হাসিব : তুই যাবি না তোর বাবা যাবে।

আমার গহনা চুরি করে কতো বড় খারাপ মেয়ে। কবে জানি আমার ছেলেটাকে ও মেরে ফেলবে ঠিক নাই।

তুই আজকেই বের হয়ে যাবি বাসা থেকে।

নীলা : আপনার দুটি পায়ে পরি মা আমাকে বের করে দিবেন না। আমি হাসিব কে খুব ভালোবাসি।

কতো টুকু ভালোবাসিস তা আমার জানা আছে। অন্য দারায় গর্ভধারণ করে আমার ছেলের নামে চালাস।

নীলা : ছি ছি ছি ছি মা কি বলেন আপনি এই সব।

হ‍্যা ঠিকেই বলেছি।

নীলা : এটা হাসিবের বাচ্চা । আর হাসিবেই এই বাচ্চার বাবা আশা করি বুজছেন।

দেখেছিস হাসিব আমার মুখে মুখে উত্তর দেয় তবুও কিছু বলিনা আমি ।

হাসিব : দেখতেছি মা কি করা যায়।

তর বউ যদি এই বাড়িতে থাকে তবে আমি থাকবো না বাবা এই বাসায় মনে রাখিস?

হাসিব : তুমি কোথায় যাবা আমি একেই বাসা থেকে বের করে দিবো।

এই বলে হাসিব নীলার যতো কাপর চোপড় ছিলো সব সহো নীলাকে বাসা থেকে বের করে দেয়।

নীলা : হাসিব আমি তোমার দুটো পায়ে পরি আমাকে বর করে দিও না।

হাসিব : এই সর আমার পা ছেরে দে।

নীলা : তোমাকে না দেখে আমি থাকতে পারবো না হাসিব।

কথা গুলা শুনার পরেও হাসিব নীলাকে বের করে দেয় বাড়ি থেকে।

।।এই দিকে আপনারা সবাই ভাবতেছেন নীলার শশুর কিছু বলতেছে না কেনো ওয়েট সবাই কে বুজিয়ে দিতেছি।।

নীলা কোন উপায় খুজে না পেয়ে বাবার বাড়ি যাচ্ছে প্রায় অর্ধেক রাস্তায় এসেছে তখন দেখে যে হাসিবের বাবা সামনে এসে দারালো।

নীলা : বাবা আপনি এখানে।

হ‍্যা আমি তোকে নিতে এসেছি।

নীলা : না বাবা আর যাওয়া হবেনা। হাসিব ওর মায়ের কথা শুনে আমাকে বের করে দিয়েছে।

সব কিছু জানি আমি মা। তকে ওদের কে দেখাইতে হবে তুও কোন কিছুতে কম না ।

নীলা : কিন্তু করে বাবা। আমি কি করবো।

চল আমার সাথে মা। বলেই নীলার শশুর একটি বাড়িতে নিয়ে যায় নীলাকে।

নীলা : বাবা এটা বাড়ি কার।

এই বাড়ি টা আমার মা। আমি কিছু টাকা জমাইতাম ভেবছিলাম হাসিব কে সারপ্রাইজ দেবো কিন্তু ওদের ব‍্যবহার আর আচারন দেখে বলিনাই।

নীলা : কিন্তু আমাকে এখানে নীয়ে আসল যে বাবা।

আজ থেকে তুমি এখানে থাকবে বুজছো। তুমি তৈরি করবে।

নীলা : কি কেমনে বাবা আমি এই সব কিছু করবো।

আজ থেকে................... এই সব কিছু মেনে চলবে। আর হ‍্যা কাল থেকে অফিসে জয়েন্ট করবে। আমি কথা বলেছি। আমার বন্ধুর সাথে ওই খানে হাসিব ও জব করে। তবে হ‍্যা ওকে ইগনোর করবে।

নীলা : ঠিক আছে বাবা আমি আপনার কথা মতো চলবো।

ঠিক আছে মা তবে তুমি এখানে থাকো আমি গেলাম।

নীলা : আচ্ছা বাবা।

নীলা এখন নিজেকে চেন্স করতে চায় কিন্তু পেটে বেবি থাকার কারনে তেমন একটা পারে না।

পরের দিন নীলা সারি পরে কপালে টিপ দিয়ে একটু সেজে গুজে অফিসে যায়। কিন্তু যখনি ভিতরে ডুকবে তখনি হাসিব এসে হাজির।

হাসিব : ওই ছোট লোকের বাচ্চা তুই এখানে কি করিশ।

নীলা : আপনি এখানে কি করেন হ‍্যা।

হাসিব : এই অফিসে আমি চাকরি করি। তুই এখানে কেনো এসেছিস বল।

নীলা : আমার ও চাকরি হয়েছে এখানে তাই এসেছি।

হাসিব : এই ফাজলামি করবি না এখনি বের হও।

এমন সময় একজন এসে বলে।

আপনাকে সাগতম ম‍্যাডাম। আপনার ক‍্যাবিন না ওই দিকে।

হাসিব : এই মেয়েটি ম‍্যাডাম মানে কি বলতেছো এই সব।

হ‍্যা হাসিব সাহেব ইনি আপনার ও সিনিয়র । কেনো আপনি এনাকে চিনেন।

হাসিব: হ‍্যা এ তো আমার ব.......।

নীলা : এই চুপ করেন আমি আপনাকে চিনি না আর আমার সামনে থেকে সরেন।

হাসিব আর কিছু বলে চুপ হয়ে থাকে।

এর পরে নীলা ক‍্যাবিনে চলে যায়।

কিচুক্ষ পর।

নীলা : মি: হাসিব আমার রুমে আসেন ত।

এই বল কি বলবি কেনো ডেকেছিস

নীলা : ঠাসসসস ঠাসসস বসের সাথে কি ভাবে কথা বলতে হয় শিখিস নাই।

হাসিব : এই কি বললি।

নীলা : ঠাসসসস আবার তুই তুই করে বলিশ।

হাসিব চুপ হয়ে আছে কি বলবে ভেবে পাচ্ছে না। তাতেই আবার সবাই তাকিয়ে আছে।

নীলা : এই নেন ফাইল গুলা 2 ঘন্টা ভিতরে সব কম্পিলিট চাই আমার।

হাসিব : ঠিক আছে।

নীলা : ওকে আসতে পারেন এখন আপনি।

হাসিব ভাবতেছে এত গুলা কাজ 2 দিনে ও শেষ হবে না কিন্তু আমি 2 ঘন্টায় কেমনে শেষ করবো।

এই গুলা ভাবতেছে আর কাজ করতেছে। হঠাৎ একজন কলিগ এসে বলে।

কি খবর হাসিব সাহেব আপনাকে নতুন ম‍্যাডাম এসেই মারতে ধরলো ব‍্যপার কি।

হাসিব : তেমন কিছু না।

হুম কাজ করেন তবে আমি যাই।

কাজ করতে করতে কখন যে 2 ঘন্টা হলো বুঝতেই পারেনি হাসিব তখনি আবার ডাক পরলো।

নীলা : এইযে মিস্টার 2 ঘন্টা শেষ হয়েছে কাজ গুলা দেন।

হাসিব : সব কাজ তো হয়নি সময় লাগবে।

নীলা : বসে বসে কি ঘস কাটেন টাকা আপনার বাবা দেয় নাকি। আপনাদের মতো লোক কে যে কেনো কাজ দেয় বুজি না।

হাসিব : আসলে,,,,,,

নীলা : চুপ করেন কোন কথা শুনতে চাইনা আমি।

বলেই নীলা একটি ছেলের ____

পরবর্তী পর্বের জন্যে আপেক্ষা করুন।

✔ আল্লাহ্ সর্ব শক্তিমান ✔

গল্প : অবহেলা #পর্ব ( 5 )   রোমান্টিক লেখক শাশুড়ি  আমাকে  থাপ্পড়  মেরেছে আর বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে মা। কথাটি শুনা মাত্...
25/02/2024

গল্প : অবহেলা

#পর্ব ( 5 ) রোমান্টিক লেখক

শাশুড়ি আমাকে থাপ্পড় মেরেছে আর বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে মা।

কথাটি শুনা মাত্র নীলার মাথা অনেক গরম হয়ে যায়।

কারন আমাকে যতো কষ্ট দেয় দিক কিন্তু আমার বাবা কে এতো অপোমান করলো। বলেই নীলা তার বাবাকে। বাড়িতে নিয়ে যায়।

নীলা : আপনি আমার বাবা কে থাপ্পড় মারলেন কেনো।

শাশুড়ি : মারছি তো কি হয়েছে।

নীলা : আপনি কেনো বিনা কারনে আমার বাবা কে অপোমান করলেন।

শাশুড়ি : বাবা মেয়েকে দেখি সব কিছুই বলে দিয়েছে।

নীলা : হ‍্যা বলেছে তো কি হয়েছে।

শাশুড়ি : তোর বাবা কেমনে সাহস পায়। এই বাসায় আসতে। আর আবার এসে সোপায় বসে ময়লা করে।

নীলা : কেনো আপনি কি সব কিছু পরিষ্কার করেন নাকি হ‍্যা। না আমি সব কিছু পরিষ্কার করি।

শাশুড়ি : তো কি করবি এখন আমাকে শুনি।

নীল : কি করবো জানেন? বলেই নীলা ঠাসস ঠাসস করে থাপ্পড় লাগাই দেয়।

শাশুড়ি : এতো বড় সাহোস তোর তুই আমাকে থাপ্পড় দিস। দারাও আগে হাসিব বাসায় আসুক তার পরে বুজবি।

নীলা : ঠিক আছে আসুক।

মারে এ ঝগরা করিশ না। আমি চলে যাই তুই থাক।

নীলা : না বাবা কোথাও যাবা না।

নারে মা। আমার জন্যে আমার মেয়ের সংসারে সমস্যা হোক আমি চাই না। বলেই চলে যায়।

নীলা কিচু না বলে শুধুমাত্র কাদতে থাকে। মন খারাপ করে বসে থাকে।

হাসিব রাতে আসতে।

বাবা তোর বউ আমাকে আজ থাপ্পড় মেরেছে বিনা কারনে। আমাকে মেরে ফেলার ও হুমকি দিয়েছে।

হাসিব : কি বলো এই সব মা তুমি ।

হ‍্যা বাবা আমাকে আজ মেরেই ফেলতো।

হাসিব আর কোন কথা না বলেই নীলার কাছে গিয়েই।

হাসিব : তোর এতো বড় সাহস কেমনে হয় হ‍্যা। তুই আমার মাকে মারিস।

নীলা : আগে আমার কথাটি শুনো।

হাসিব : কোন কথাই না শুনে ঠাসসস ঠাসস ঠাসস। (করে গালে থাপ্পড় মারে) তোর আজ থেকে ভাত বন্ধ ।

নীলা : প্লিজ আমার কথাটি শুনো।

হাসিব : তোর কোন কথাই আমি শুনবো না।

বলেই হাসিব বাইরে চলে যায়।

আল্লাহ্ এতো কষ্ট দেয়ার চেয়ে আমাকে তুমি মেরেই ফেলো। আমি আর বাছতে চাইনা।

আজ প্রায় 2 দিন হলো নীলাকে কিছ খাইতে দেয়না।

খিদার জালায় নীলা প্রায় মারা যাওয়া অবস্থা। কারন নীলার পেটে ও বাচ্চা এসেছে।

আপনার সবাই জানেন।

হাসিব নেশা করে বসায় ফিরে নীলার সাথে।

শারীরিক সম্পর্কের কারনে আজ নীলার বাচ্চা পেটে এসেছে।

সবাই যেনো নীলাকে চোখের বিশ মনে করতেছে।
না খেয়ে থাকার কারনে নীলা ঙ্গান হারিয়ে পরে যায়।

এটা দেখে নীলার মা প্রায় ভয় পেয়েই যায়। তাই ডাক্তার কে ডেকে আনে।

ডাক্তার ভালো করে দেখার পরে বলে।

ডাক্তার : আপনাদের জন্যে একটি সুখবর আছে।

সুখবর কথাটি শুনামত্র সবাই চমকে যায়। কি এমন শুখবর হতে পারে।

হাসিব : সুখবর মানে।

ডাক্তার : আপনি বাবা। হতে চলতেছেন।

কথাটি শুনামত্র সবার যেনো পায়ের নিছে থেকে মাঠি সরে যায়।

হাসিব : কি বলতেছেন এই সব আপনি ।

ডাক্তার : হ‍্যা ঠিকেই বলতেছি বুজেছেন। আর আপনার বউ এর এমন অবস্থা কেনো একটু দেখে শুনে রাখবেন।

ভালো মন্দ খাওয়াবেন তবেই আপনার বাচ্চা ভালো থাকবে।

হাসিবের মা কিছু বলতে যাবে হাসিব কিছু বলতে দেয় না। এর পরে যখন ডাক্তার চলে যায়।

হাসিব তুই কি এই নীলার সাথে রাত কাটাইছিস।

হাসিব : না মা আমি তো থাকিনাই ওর সাথে কখনো।

তাহলে বাচ্চা আসলো কথাই থেকে হ‍্যা বল।

হাসিব : আমি জানি না মা। আমি ওর সাথে থাকিনাই ও থাকে নিছে আমি থাকি উপরে।

তার মানে ও অন্য মানুষের সাথে রাত কাটাইছে আর বাচ্চা তর নামে চালাতে চাইতেছে।

দেখছিস হাসিব কতো বড় খারাপ এই মেয়ে।

তখনি নীলা বলে উঠে।

নীলা : হাসিব এটা তোমার বাচ্চা বিশ্বাস করো।

হাসিব : তুই বললি আর আমি বিশ্বাস করলাম হ‍্যা।

নীলা : অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে।

হাসিব : পর পুরুষের সাথে রাত কাটাইছিস আর বলিশ আমার বাচ্চা ।

নীলা : কেনো তোমার মনে নাই। 5 মাস আগে তুমি যে নেশা করে রাত 12 টাই বাসায় আসলে আসেই আমাকে পাগরা কুকুরের মতো ব‍্যবহার করলে।

হাসিব : এই কি বলিশ এই সব হ‍্যা।

নীলা : কেনো সব কিছুই ভুলে গেলে তুমি । যখন বাধা দিলাম বললে তুই আমার বউ আমি যখন খুশি তখন তোকে ব‍্যবহার করবো। আর আজেই সব ভুলে গেলে।

হাসিব : এই মেয়ে সব মিথ্যা বলতেছে মা আমি ওকে কিছুই করিনাই। বিশ্বাস করো আমাকে ।

হ‍্যা বাবা আমি তকে বিশ্বাস করি।

( কিন্তু হাসিবের মা ও যানে যে হাসিব এমন করতে পারে কিন্তু কাউকে বুঝতে দেয়না। কিন্তু ফন্দি আটে কেমনে নীলাকে বাইর করা যায় বাসা থেকে )

নীলা : তুমি চাইলে চেষ্টা করাইতে পারো এটা কার বাচ্চা তোমার নাকি অন্য কারোর।

হাসিব : আমি কেন চেষ্টা করাবো হ‍্যা?

নীলা : তাহলে বলতেছো এটা তোমার বাচ্চা না।

হাসিব এতো কথা বাদ বাবা কিছু খাসনাই সকাল থেকে খাবি চল।

হাসিব ; ঠিক আছে মা চলো।

নীলা বুঝতে পারতেছে না হাসিবের মা কিছু বলতেছে না কেনো।

সবাই চলে যাবার পর হাসিবের বাবা চলে আসে নীলার কাছে।

মা তুই কেনো এখানে আছিস এখনো বলতো।

নীলা : কোথায় যাবো বাবা।

দেখতেছিস তো কতো খারাপ এরা। এদের জন্যে আমার জীবনটাই প্রায় শেষ মা।

নীলা : বাবা বিশ্বাস করো এটা হাসিবের বাচ্চা ।

হুম আমি বিশ্বাস করি রে মা।

নীলা : আমি এখন কি করবো বাবা বলো তো তুমি ।

কি আর বলবো রে মা দেখ কি হয় এখন।

এই ভাবেই দিন গুলা কাটতে লাগলো। হাসিব যেনো বিশ্বাস করে না নীলার পেটে হাসিবের বাচ্চা ।

আরো প‍্রায় 2 মাস পর।একদিন হাসিবের মা চিল্লাচিল্লি করতেছে আর কান্না করতেছে হাসিব যেয়েই।

হাসিব : কি হয়েছে ম তোমার কি হয়েছে।

বাবা রে আমার সোনার মালা চুরি কিছুই পাইতেছি না কোথাও।

হাসিব : কে নিলো তবে এই গুলা বাসায় তো কেউ আসে না।

হুম কেউ তো আসেনা। আচ্ছা নীলা এই গুলা নেয়নি তো।

নীলা : আমি কেনো আপনার জিনস নিবো হ‍্যা। আমি চোর নাকি।

তবে কে নিবে হ‍্যা। হাসিব তুই নীলাকে চেক কর।

হাসিব : ঠিক আছে মা সমস্যা নাই বলে চেক করে কিন্তু কিছুই পায়না।

না মা এর কাছে নাই। তাহলে ওর ঘরে দেখ।

সব খানে হাসিব খুজে কিন্তু পায়না তখনি হাসিবের মা

নীলার রুমে গিয়ে দেখেযে ______

পরবর্তী পর্বের জন্যে অপেক্ষা করুন ধন্যবাদ ।

গল্প :  অবহেলাপর্ব ( 4 )     রোমান্টিক লেখক বুকের উপর হাত দিয়ে আমার  জামাটা খুলে ফেলেই? পাগলের মতো নিজের চাহিদা পুরন করত...
25/02/2024

গল্প : অবহেলা

পর্ব ( 4 ) রোমান্টিক লেখক

বুকের উপর হাত দিয়ে আমার জামাটা খুলে ফেলেই?

পাগলের মতো নিজের চাহিদা পুরন করতেছে? একটু আশ্চর্য হলাম। কিন্তু হাসিব ত বিয়ের পর ।

আজ পযর্ন্ত আমাকে টাচ করে দেখেনি।

আমি ওর বিয়ে করা বউ তাই কোন বাধাই দিলাম না।

কারন আমার প্রতি হাসিবের অধিকার আছে।

তবুও একটু বলে দেখি হাসিব কি বলে।

নীলা : এই হাসিব কি করতেছো এই সব।

হাসিব : কি করতেছি দেখতে পাচ্ছিস না তুই।

নীলা : কিন্তু তুমি তো আমাকে ডিভোর্স দিবা বলছো আবার এই সব করতেছো।

হাসিব : আমি তোর কে হ‍্যা।

নীলা : আমার স্বামী তুমি ।

হাসিব : তাহলে আমি তোর সাথে এই সব করবো না তো কার সাথে করবো হ‍্যা।

হাসিবের কথাই যুক্তি আছে তাই আর কোন প্রকার বাধাই দীলো না নীলা।

হাসিব পুরাই গাগল হয়ে গেছে নীলাকে কাছে পেয়ে। পুরা পাগলা কুত্তার মতো করে আমাকে use করতেছে।

নীলা : এই হাসিব ছারো আমি কষ্ট পাইতো বুজার চেষ্টা করো।

হাসিব : ঠাসসস ঠাসসস ঠাসস.... কেনো আমি এই সব করতেছি তাই কষ্ট হচ্ছে হ‍্যা।

নীলা চুপ হয়ে আছে।

কিচুক্ষন পর হাসিব নীলাকে ছেরে দিলো।
নীলা ভাবতেছে যাই হোক এখন মনে হয় হাসিব আমাকে মেনে নীবে।

কিন্তু না হাসিব কোন প্রকার চেন্স হচ্ছে না।

এই ভাবেই দিন গুলা যাচ্ছিলো একদিন নীলা বাসাটা মুছতেছে হঠাৎ করেই?

নীলা নীলা মা কেমন আছিস তুই।

কথাটি শুনামাত্র নীলার বুকটা কেপে উঠে আর পিছেনে ফিরে দেখে নীলার বাবা।

নীলা : বাবা বাবা কেমন আছো তুমি ।

বাবা : হ‍্যা মা ভালো আছি কিন্তু তুই এমন হয়ে গেছিস কেনো।

নীলা : আমি ভালো আছি আর অনেক শুখে আছি বাবা।

বাবা : মিথ্যা বলবি না মা। ছোট থেকে আমি তোকে মানুষ করেছি আমি সব কিছুই বুজি।

নীলা : বাবা তুমি একানে বসো আমি স‍্যালাইন গুলে আনতেছি।

বাবা : ঠিক আছে মা। তোর শাশুরি শশুর কোই।

নীলা : ওরা উপরে আছে।

বাবা : ওহ আচ্ছা ।

নীলা : তুমি বসো তো এখানে এখন।

এই বলেই নীলা চলে যায় বাবার জন্যে স‍্যালাইনের পানি আনতে।

এরেই মধ্য হাসিবের মা নিছে এসেই।

এই এই এই কে আপনি আর এখানে বসার সাহস কোথাই পাইলেন হ‍‍্যা।

আর এখানে কি করতেছেন।

আরে বেয়াইন আমি নীলার বাবা। নীলাকে দেখতে আইছি। কেমন আছেন বেয়াইন।

ওই ছোট লোকের বাচ্চা বেয়াইন মানে কি হ‍্যা।

সোপা থেকে উঠে কথা বল সোপা নষ্ট হবে।

কথাটি শুনা মাত্রই নীলার বাবা উঠে যায়।

আর তোকে এখানে দারোয়ান কেমনে ডুকতে দিলো হ‍্যা।

আমি আমার মেয়েটাকে দেখতে আইছি বেয়ান।

ঠাসসস ঠাসস ঠাসসস তোকে বলছি না আমাকে বেয়ান না বলতে। বের হয়ে যা এখনি বাসা থেকে।

আমি কি আর একবার আমার মেয়েটিএ দেখতে পারি।

না পারিশ না বের হয়ে যা এখনি। এই দারোয়ান এই লোক টাএ বের করে দে।

ঠিক আছে ম‍্যাডাম । বলেই দারোয়ান বের করে দেয়।

নীলার বাবার যেনো চোখে অশা ঝরতেছে।

নীলা : বাবা এই নাও স‍্যালাই একটু খেয়ে নাও।

বলেই যখোন সোপার দিকে তাকায় দেখে যে নেই বাবা।

বাবা বাবা তুমি কোই গেলা। মা আমার যে বাবা আইছে কোথাই গেলো।

আমি জানি নাকি রে হ‍্যা।

নীলা কথাটি শুনা মাত্র বাইরে গিয়ে দেখে নীলার বাবা কাদতেছে।

নীলা : বাবা তুমি রাস্তায় বসে কাদতেছো কেনো।

বাবা : এমনি মা কাদতেছি।

নীলা : ওখান থেকে চলে আসলে কেনো বাবা তুমি ।

ভালো লাগতেছিলো না তাই আইছি মা।

নীলা : না আমি বুজছি আমার শাশুরি তোমাকে কিছু বলেছে।

না মা কিছু বলেনাই। আচ্ছা মা একটি কথা বলি।

তুই কি এখানে সত্যি শুখে আছিস।

নীলা : কান্না জরিত শুরে বলে। হ‍্যা বাবা আমি ভালো আছি অনেক ভালো আছি। আচ্ছা বাবা তোমার গালে এটা কিসের দাগ হ‍্যা।

কোই কোই বলেই লুকানোর চেষ্টা করতেছে।

নীলা : মিথ্যা বলবে না আমার মাথায় হাত রেখে বলো কি হয়েছে।

তার পর সব কিছু নীলার বাবা খুলে বলে।

নীলা কথাটি শুনা মাত্রই বাসায় এসে ই শাশুড়ি কে __

পরবর্তী পর্বের জন্যে অপেক্ষা করুন

গল্প : অবহেলাপর্ব ( 3 )   রোমান্টিক লেখক থাপ্পর  দেয়ার পরেই গরম চা নীলার মুখের দিকে ছুরে মারে? হাসিব : তোরে বলছি না আমার...
25/02/2024

গল্প : অবহেলা

পর্ব ( 3 ) রোমান্টিক লেখক

থাপ্পর দেয়ার পরেই গরম চা নীলার মুখের দিকে ছুরে মারে?

হাসিব : তোরে বলছি না আমার কাছে আসবি না। এতো দরদ দেখাবি না আমাকে ।

গরম চা মুখে আসার কারনে নীলা মুখটা অনেকটা সাতে সাথেই ফোসকা পরে যায়।

নীলা : আমি কি এমন ভুল করলাম। তুমি তার জন্যে এমন সাস্তি দিলা।

হাসিব : আবার মুখে মুখে কথা বলিশ। বের হয়ে যা আমার রুম থেকে।

নীলা কোন কথা না বাড়িয়ে ওয়াশরুমে চলে যায়।

গিয়ে আয়নাই মুখটা দেখে সত্যি সত্যি অনেক গুলো ফোসকা পরে গেছে। কিন্তু কি আর করার।

হাসিব এই হাসিব কোই গেলো রে ছোট লোকের বাচ্চা টা। বাসায় কতো কাজ পরে আছে। ( হাসিবের মা।

নীলা : মা আমি ওয়াশরুমে আছি যাচ্ছি বাইরে।

এই তুই আমাকে মা বলে ডাকবি না।

নীলা : হুম বলেন কি করতে হবে এখন।

আমার কাপর গুলা ধুয়ে দে সব। আর পুরা বাসাটা পানি দিয়ে পরিষ্কার করবি।

নীলা : ঠিক আছে মা।

ঠাসসস আবার মা বলিশ। আমি তোর কিসের মা রে হ‍্যা।

যেই হাসিব আমাকে এতো ভালোবাসতো। আজ আমাকে ওর মা কতো অপোমান করতেছে কিন্তু একটি প্রতিবাদ ও করলো না।

নীল : ঠিক আছে আমার ভুল হয়েছে মাপ করবেন।

বলেই নীলা চলে যায়।

আচ্ছা তুই এই মেয়ের সাথে কিছু করেছিস নাকি রে।

হাসিব : না মা না আমি কিছু করিনাই।

হ‍্যা কিছু করবি না। সময় হোক ওরে ডিভোর্স দিস বুজছিস।

হাসিব : হ‍্যা মা বুজছি আমি ।

নীলা কাজ করতেছে এমন সময় নীলের বাবা আসে।

আরে মা তুমি কেনো এই সব কাজ করতেছো । বাসায় কাজের বুয়া তো আছে।

নীলা : মা বললো তো এই কাজ গুলা করতে।

তোমাকে এই সব কাজ করতে হবে না। এখানে এসে বসো তো তুমি নতুন বউ।

নীলা : না বাব মা বকবেন।

তোমাকে উঠতে বলছি না।

নীলা আর কোন কথাই না বলে উঠে বসে।

আচ্ছা এখানে বসো মা আমি পানি নিয়ে আসতেছি।

নীলা : না বাবা লাগবে না আমি ঠিক আছি। আর আপনি মুরব্বি আপনি কেনো কষ্ট করবেন।

বসো তো এখানে।

বলেই হাসিবের বাবা চলে যায়।

এর মাঝেই আবার নীলার মা আসে।

কিরে তোকে বলছি না আমি কাজ করতে আর তুই এখানে বসে আছিস।

নীলা : ' বাবা আমাকে বসতে বরলো।

ও কি জানে না কাজের বুয়া আসবে না আর।

তখনি হাসিবের বাবা এসে বলে??

তাই বলে কি নতুন বউ এই সব কাজ করবে হ‍্যা।

হ‍্যা করবে কারন ও বাসার বউ ( হাসিব )

ও যে ছেলেটা কাল বললো কোনদিন বউ হিসেবে মানবে না সেই আজ বলতেছে বউ।

তুমি এতো কথা কেনো বলো। তোমার ছেলের থেকে এই মেয়েটি আপন হলো হ‍্যা।

নীলা : আবার আপনি ঝগরা করবেন না আমি সব কাজ করতে পারবো সমস্যা নাই।

তুই যে কেনো আসলি রে মা এই বাড়িতে বিয়ে হয়ে।

কাপর চোপর দুয়ে তার পর পুরা বাড়ি পরিষ্কার করে নীলা রুমে বসে আছে। এমন সময় হাসিবের বোন এসে বলে।

এই তোকে রান্না ঘরে ডাকতেছে যা রান্না করতে।

নীলা : ঠিক আছে যাচ্ছি তুমি যাও।

তারা তারি আয়।

ওহ আপনাদের বলা হয়নি হাসিবের বোন ও আছে। নাম রুপা।

নীলা : কী কী রান্না করবো।

এই নে ধর এই গুলা সুন্দর করে রান্না করবি বুজছিস।

নীল : হ‍্যা বুজছি।

অনেক সুন্দর করে নীলা রান্না করে টেবিলে রাখে। সবাই যখন খাইতে আসলো নীলা ও বসতে যাবি তখনি রুপা বলে উঠে।

রুপা : আমি এই ছোট লোকটাও আমাদের সাথে খাবে।

হ‍্যা কেনো।

রুপা : না ও খাইলে আমি খাবো না। ওকে আমার ঘৃনা লাগে।

হাসিব : এই তুই যা আমাদের খাওয়া শেষ হলে। এসে খেয়ে যাস।

নীলা : ঠিক আছে সমস্যা নাই।
বলেই নীলা চলে যায় রুমে। গিয়ে দেখে কে যেনো হাসিব কে বার বার ফোন দিতেছে।

ফোনটি ধরবে কী না সেটাই ভাবতেছে। না ফোনটি ধরা ঠিক হবে না।

প্রায় আরো 3/4 বার ফোন দেয়ার পর নীলা ফোনটি ধরে।

নীলা : আসসালামু ওয়ালাইকুম।

ওয়ালাইকুম সালাম। কে বলতেছেন আপনি হাসিব কোই।

নীলা : হাসিব খাইতেছে।

ওহ আচ্ছা হাসিব আসলে বলবেন যে তোমার gf ফোন দিছলো।

নীলা : ঠিক আছে।

তাহলে কি আরো মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে হাসিবের।

একটু পর যখন হাসিব আসে।

হাসিব : কীরে আমার দিকে এমন ভাবে তাকিয়ে আছিস যে।

নীলা : তোমার gf তোমাকে ফোন দিছিলো দেখা করতে বলেছে।

হাসিব : এ তোকে কে ফোন ধরতে বলেছে হ‍্যা।

নীলা : অনেক কয়েকবার ফোন দেয়ার পর তুমি দেখতেছি খাচ্ছো। তাই আমি ধরছি।

হাসিব : আর জীবনেও ও ভুল করে আমার ফোন ধরবি না।

নীলা : ঠিক আছে। একটি কথা বলি।

হাসিব : হ‍্যা বল কি বলবি।

নীলা : তুমি কি সত্যি সম্পর্ক করো অন্য মেয়ের সাথে।

হাসিব : হ‍্যা কেনো তোর কোন সমস্যা ।

নীলা : না আমার কোন সমস্যা নাই।

হাসিব : তবে এতো কথা বলতেছিস।

নীলা আর কোন কথা না বলে খাইতে যায় গিয়ে দেখে সব খাবার খাইছে তারা একটু ও বাকি নেই।

কি আর করার। খাবার না থাকলে।

এই ভাবেই দিন গুলা যাইতে থাকে। অনেক কষ্টে।

সবাই অপোমান করে অবহেলা করে। মার ধর করে।

সব থেকে যে কথাটি আজ পযর্ন্ত হাসিব আমাকে টাচ ও করেনাই। আমাকে ডিভোর্স দিবে বলে।

তবুও নীলা বাবার বাসায় যায়না কষ্টের পরেও কারন নীলার বাবা ও গরিব অনেক।

এর মধ্যেই এক দিন নীলা নিছে বিছানা করে শুয়ে আছে।

নীলা উপলব্দি করলো কে যানি নীলার বুকে হাত রেখে নীলাকে।

পরবর্তী পর্বের জন্যে অপেক্ষা করুন

Address

Karimganj
788722

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Puja Ray posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category