Æmår pêãg

Æmår pêãg কিছু বাস্তব কথা দিয়ে সাজানো গল্প

25/10/2024


একজন মা তার ছেলেকে জন্ম দেন নাড়ী থেকে,
একজন স্ত্রী সেই ছেলেকেই জন্ম দেন হৃদয় থেকে।

একজন মা তার অদেখা ছেলেকে অনুভব করেন পেটে হাত রেখে দশ মাস,
একজন স্ত্রী সেই অচেনা ছেলেকেই অনুভব করেন বুকে হাত রেখে সারাটাজীবন।

একজন মা জন্ম দেন একজন শিশু পুত্রকে,
একজন স্ত্রী জন্ম দেন একজন পরিণত পুরুষকে।

একজন মা তার সন্তানকে হাত ধরে হাঁটতে শেখান,
একজন স্ত্রী সেই সন্তানের হাত ধরেই জীবনের সমস্ত পথটা হাটেন।

একজন মা তার সন্তানকে কথা বলতে শেখান,
একজন স্ত্রী প্রিয় বন্ধু হয়ে সারাজীবন তার কথা বলার সঙ্গী হয়ে ওঠেন।

সন্তানের দায়িত্ব কাঁধে আসতেই মা তার সমস্ত পৃথিবী ভুলে যান,
আবার স্ত্রী সেই সন্তানের দায়িত্ব নেবেন বলেই তার সমস্ত পৃথিবীটা ছেড়ে একদিন চলে আসেন।

সন্তান না খেতে পারলে পাতের সেই উচ্ছিষ্ট খাবার মা এবং স্ত্রী উভয়েই খান, আবার সন্তান এবং স্বামীর মঙ্গল কামনায় উপবাস মা এবং স্ত্রী দুজনেই করে থাকেন।

সন্তানকে বড় করেও সন্তানের থেকে প্রতিটা মাকেই আঘাত পেতে হয়।
আবার স্বামীকে বিয়ে করেও প্রত্যেকটি স্ত্রীকে এক না একদিন নির্যাতিত হতেই হয়।

মায়ের কাছে সন্তানের জীবনে দায়িত্ব নেওয়ার শুরু প্রায় কুড়ি বছর।
স্ত্রীর কাছে স্বামীর জীবনের দায়িত্ব নেভানোর শেষ বাকি ষাটটি বছর(কখনো কখনো সেটি আশি বছরেও যেতে পারে যদি আয়ু একশো বছর হয়)।

সন্তানের শৈশবে তার মল মুত্র মা-ই পরিস্কার করেন।
সন্তান যখন বৃদ্ধ হন তখন তার এই একই দায়িত্ব স্ত্রীর কাঁধেই বর্তায়।

মায়ের কোল হল সেই কোল যেখানে সন্তানের জন্ম হয় অর্থাৎ প্রথম বিছানা।
স্ত্রীর কোল হল সেই কোল যেখানে আমাদের মৃত্যু হয় অর্থাৎ শেষ বিছানা।

কিন্তু সমাজ এবং পরিস্থিতি আজ এমনই যে ছেলেটির বিয়ের পর মায়ের সাথে স্ত্রীর তুলনা করে প্রতিটা মুহূর্তে মাকেই শীর্ষস্থানে রাখেন, যেখানে দুজনের ভূমিকাই সমান সেখানে সামাজিক নজরে কেন মা আর স্ত্রীর মাঝে তুলনামূলক দ্বন্দ্বে বারবার পাঁচিল উঠবে বলতে পারেন। শুধু সমাজই নয় বড় বড় কবি সাহিত্যিকরাও এটাই বলে গেছেন যে "মা-ই বড়, স্ত্রী নয়।" তাহলে ভাবুন একবার, যে মেয়েটি নিজের পৃথিবী ছেড়ে অপরিচিত এক পৃথিবীতে পা রাখছে সে কি কখনো সেই পৃথিবীকে মন থেকে আপন করে নিতে পারবে?

মেয়েরা কখনো আমাদের মা, কখনো কন্যা কখনো বোন, কখনো স্ত্রী কখনো বা বন্ধু। মেয়েদের চরিত্রের বিশেষ দিকগুলিকে বিশেষভাবে নামাঙ্কিত আমরাই করেছি, কিন্তু লক্ষ করে দেখবেন প্রতিটা মেয়েরই একটাই নাম- সেটি হল 'ম
Ani

15/02/2022

Happy birthday 🎂🍫🎉 baby

29/11/2021


তুমি গল্পের কোন চরিত্র নও যে কয়েক পৃষ্ঠা লিখেই সমাপ্ত টেনে দিবো।
তুমি কবিতার কোন ছন্দ নও যে কয়েক লাইনে বন্দী করে মলাটে আবদ্ধ করে রেখে দিবো।
তোমায় নিয়ে কি লিখবো? গল্প কবিতা লেখা যায়, জীবনকে লেখার সাধ্য আমার নেই/ জীবনকে লেখার চেষ্টা করাটাও আমার পছন্দ নয়।
আমি জীবনকে ভালোবাসতে ভালোবাসি...❤
টাঙ্গাইলের পথে কারো ভালোবাসা

24/11/2021



অরুণ আর রক্তিমার বিয়ে হয়ে গেলো ... গরীব ঘরের মেয়েটাকে এক কাপড়েই নিয়ে যেতে চেয়েছিল ইঞ্জিনিয়ার স্বামী কিন্তু আত্মসন্মানের খাতিরে তাতে রাজি হননি রক্তিমার বাবা ... যৎসামান্য আয়োজন করে মেয়েকে বিদায় দিতে চেয়েছেন তিনি ...

কিন্তু বিয়ের দিন পাত্রপক্ষের দুঃসম্পর্কের এক জেঠিমার মুখে , মাংসের নুনটা খুব বেঁধেছে ... তাই সে খেয়ে যাওয়ার আগে হাসাহাসির ছলে রক্তিমাকে কথা শুনিয়ে গেলো , " বাড়ির সবকিছুই যখন যৎসামান্য তখন মাংসের নুনটা এতো এলাহি করার কি দরকার ছিল বাপু ! আমাদের বললে রাঁধুনি পাঠিয়ে দিতাম , তাও লোকগুলো দু গাল খেতে পারতো ! "

কিন্তু বুদ্ধিমতী মেয়েটি তার বাবার ছলছলে চোখের দিকে চেয়ে হাসিমুখে উত্তর দিলো , " জেঠিমা , বাবার বহুবছর হকারি করে সঞ্চয় করা অর্থ ঢেলে দিয়ে ঘাম ঝরানো টাকায় আজকের বিয়ের সমস্তটা আয়োজন করেছে । নুন ওতে পরিমান মতোই দেওয়া ছিল কিন্তু তার পিছনে অনেকটা চোখের জল আর সারাজীবনের ঘাম লেগে ছিল যে । তাই স্বাদটা একটু বেশিই নোনতা লেগেছে হয়তো " ....

সত্যিই তার উত্তর শুনে তার বাবা হাউমাউ করে কেঁদে ফেললো ... জেঠিমাও মেয়েটির মুখের দিকে একভাবে চেয়ে রইলো , উত্তর দিতে পারলো না ... আর অরুণের বাবা হাসিমুখে ছেলেকে পিঠ চাপড়ে বললো , " সত্যিই ভাগ্য করে বউ পেয়েছিস বেটা " ...

এরকম ভাবেই দিনের পর দিন বহু বাবা তার সর্বস্বটুকু দিয়ে অন্যের বাড়িতে সুখী থাকতে পাঠায় তার মেয়েকে ... তাই মাংসের ঝোলটা যদি নোনতাও হয় কখনো , তবে একটা দিন নয় মুখ বুজে খেয়েই নেবেন ... ওদের ভুলত্রুটি খুঁজে দুটো কটুকথা শুনিয়ে নিজেদের ছোটো করবেন না ...অনি
#অন্যের লেখা

07/11/2021

#একটা_মাছের_পেটি
#শিলাদিত্য_গুহ_রায়

সদ্য বিবাহিতা নববধূ... পরিবারের সকলের সঙ্গে রবিবার দুপুরে খেতে বসেছি। বাড়ির ছেলেদের পাতে মাছের পেটিগুলি পড়লেও আমার পাতে লেজের আগের কাঁটাওয়ালা টুকরোটাই এলো। বাড়িতেও বাবা, দাদাদের দেওয়ার পর মা কে দেখেছি ..ওমনটাই খেতে, কিন্তু আমাকে মা মাছের পেটিটাই দিত। মা কে জিজ্ঞেস করলে বলতো - " তুই যখন বউ হবি, তুইও তাই করবি।" এটাই হয়ত সত্যি, আমার শাশুড়ি মা আমাকে সেই অভ্যেসটাই হয়ত করাচ্ছেন।

এমন সময় হঠাৎ দেখলাম আমার স্বামী তার মাছের পেটিটা শাশুড়ি মায়ের পাতে দিয়ে, তার মায়ের মাছটা নিজের পাতে তুলে নিল।দেখলাম শাশুড়ি মায়ের মাছটা আমারটার থেকেও ছোট্ট,যাতে কিচ্ছু নেই বললেই চলে। সত্যি সব মায়েরাই হয়ত এমনটাই হয়! ঐ পিসটা না দেখলে আমি তো তাকে চিরাচরিত শাশুড়ি মা হিসাবেই ভুল ভাবছিলাম। শাশুড়ি মা ইতস্তত করে বললেন - তুই সবসময়ই এই বদমাইশি টা করিস বড় খোকা...

আমার স্বামী হাসিমুখে বলল - "ছোট্ট থেকেই তো দেখছি আমাদের খাওয়ার পাতে ভালোটা দিয়ে নিজে অবশিষ্টটা নাও। আজ আমি আমার মা কে ভালোটা দেওয়ার চেষ্টা করছি...তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে আমার সন্তানও তার মাকে ভালোটাই দেওয়ার চেষ্টা করবে। হাজার হোক তোমরা তো একই পথের যাত্রী, তাই না।"

কথাটা যেন আমায় নাড়িয়ে দিল। শাশুড়ি মা চিকচিকে চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন - " আজ তাহলে তুমিই খাও মা...আসলে আমি যখন বিয়ে হয়ে এসেছিলাম... এমন করে তো কেউ বলেনি... তাহলে হয়ত আমার শাশুড়ি মাও নিজের ভুলটা বুঝতে পারতেন।"

আমার চোখটাও তখন ঝাপসা...দেখলাম সবাই খাওয়া থামিয়ে আমাদের দিকে চেয়ে আছে।শ্বশুরমশাইও ইতস্তত বোধ করছেন ,হয়তো আত্মগ্লানিতে। একটু আগেই যাকে মনে মনে খারাপ ভাবছিলাম... এখন বুঝতে পারছি তার ভাবনাটা কোথায় আটকে ছিল।
আমি হাসিমুখে বললাম - " মা, আজ আপনাকে খেতেই হবে, আর তাতেই আমার সবচেয়ে বেশী ভালো লাগবে... আর আমার মাছটা তো আপনার ছেলের পিসটার থেকেও বড়, আপনার খারাপ লাগার কিচ্ছু নেই।" পাশে বসে আমার পতিদেবতাটি আমার দিকে তাকিয়ে তখন মিটিমিটি হাসছে... নিজেরটার চেয়ে অন্তত খানিকটা বড় মাছের পিসটা তার বউ খাচ্ছে... আর সদা অবহেলিত মাকে নিজের মাছের পেটিটা আজ খেতে দেখে বোধহয় ....একটু বেশিই আনন্দ হচ্ছে আজ তার। সত্যিই তো! সে যদি আজ মাছটা তার মা কে না দিয়ে আমার পাতে দিয়ে দিতো...তাহলে যতটা না তার আমার প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ পেত...তার চেয়েও আমার শাশুড়ি মা অপমানিত হয়ে তার বৌমার সঙ্গে চিরন্তন দ্বৈরথের সৃষ্টি হতো। কিন্তু আজ যা হলো... তাতে একজন ছেলে আর একজন স্বামী হিসেবে সে আমাদের দুজনের কাছেই পুরো নম্বর পেয়ে গেলো।

আজ আমার ভীষণ মনে পড়ছে আমার মায়ের কথাগুলো - " যে ছেলে সত্যি সত্যি নিজের মাকে ভালোবেসে.. সন্মান করে... সে তার স্ত্রীকেও মন থেকেই সেই ভালোবাসা আর সন্মানটা দেওয়ার চেষ্টা করে...।"

31/10/2021


- শত বাধা বিপত্তির পরেও ছেড়ে যাবে না !!💗🌻 জীবনে এমন একটা মানুষ খুব প্রয়োজন ......!! 🖤😌🌸
অনি

 কেমন আছো?          - এইতো আছি। কোথায় থাকো?          - কাছাকাছি। বদলে গেছো?           - সবাই বলে। তারপর সব ?          - ...
28/10/2021


কেমন আছো? - এইতো আছি।
কোথায় থাকো? - কাছাকাছি।
বদলে গেছো? - সবাই বলে।
তারপর সব ? - যাচ্ছে চলে।
বিয়ে - সাদী? - লাভ কি শুনে।
কতদিন হলো? - রাখিনি গুনে।
ছেলে হয়েছে? - একটি মেয়ে।
কোথায় এখন? - ঘুমালো খেয়ে।
নাম কি ওর? - 'সোনা মা' ডাকি।
এই নামটা তো..... - এখন রাখি।
ব্যাস্ত খুবই? - একটু খানি।
বছর পাঁচেক........ - আমি জানি।
এড়িয়ে যাচ্ছো? - এমনটা নয়।
মনে পড়ে না? - পাইনা সময়।
সেদিন যদি........ - থাক সেসব।
ভুলেই গেছো? - যথা সম্ভব।
থাকতো যদি....... - থাকবে কি আর ?
ভুলিনি আমি - যায় আসে কার?
রাখবো এখন? - কিছু কি বাকি?
ভালো থেকো!! - ভালোই থাকি।
এত অভিমান ? - রাখিনি মোটেই।
এখন কাদোঁ?? - অল্প চোটেই?
হ্যাঁ, কাঁদো কি?? -না, কাঁদি না।
বেণি করো চুল...?? - আর বাধি না।
বৃষ্টিতে ছাদে?? - যাই না এখন।
প্রিয় গানগুলো ? - শুনি কিছুক্ষন।
কখন শুনো?? - মন খারাপে।
মন খারাপ হয়?? - ভয়ে তে কাঁপে।
কিসের ভয়ে?? - থাক আপাতত।
কিছুটা আছো?? - আগের মতো?
আবার যদি.... - চাই না আমি।
আপন কে খুব? - অন্তর্যামী।
চাইলে কি দোষ? - হবে বিপরীত।
আমি কেউ না??? - শুধুই অতীত.....

🙂👍
✒ কপি
#অনি

18/10/2021


যে মেয়েটা তোমায় ভালোবেসে নিজের বয়সটা বাড়িয়েছে!
তোমার বোঝা উচিত ছিলো, সে তোমারই অপেক্ষা করে গেছে।

যে মেয়েটা তোমার থেকে গিফট নিতে দ্বিধায় পরে যেতো।
তোমার বোঝা উচিত ছিলো, সে সংসার করার আগেই তার হিসেব করতে শিখে গেছে।

যে মেয়েটা যোগ্য পাত্রের মুখের উপর না বলতে শিখে গেছে।
তোমার বোঝা উচিত ছিলো, সে তোমারই হাতে হাত রাখার স্বপ্নে বিভোর হয়ে ছিলো।

যে মেয়েটা রোমান্টিক কাপলদের গল্প শোনাতো তোমাকে।
তোমার বোঝা উচিৎ ছিলো সে তোমাকে তেমন করেই চাইতো।

যে মেয়েটা তার সকল সিদ্ধান্তে তোমার কথার ভরসা পেতো।
তোমার বোঝা উচিত ছিলো, সে তোমাকে বিশ্বস্ত ভাবে।

যে মেয়েটা তোমার সব অপরাধ জানা স্বত্ত্বেও থেকে যেতে চেয়েছিলো তোমার জীবনে!
তোমার বোঝা উচিত ছিলো, সে তোমাকে শুধরানোর সুযোগ দিতে চেয়েছিলো।

যে মেয়েটা তোমার জীবনের অংশ হতে তোমার কাছে ছোট হয়ে বারবার কেঁদেছে!
তোমার বোঝা উচিত ছিলো, তার শূন্যতা তুমি ছাড়া কেউ পূরণ করতে পারবে না।

তুমি মিথ্যে বলছো, এটা জেনেও যে মেয়েটা তোমায় বুঝতে দেয়নি!
তোমার বোঝা উচিত ছিলো, সে তোমায় লজ্জায় ফেলতে চায়নি।

যে মেয়েটা তুমি যোগাযোগ বন্ধ করবার পরও, বেহায়ার মতো যোগাযোগের চেষ্টা করে গেছে।
তোমার বোঝা উচিত ছিলো সে তোমাকে হারাতে চায়নি।

যে মেয়েটা তোমার অবহেলাকে ব্যস্ততা ভেবে শাসন করবার প্রয়োজনই মনে করেনি।
বোঝা উচিত ছিলো তোমার, সে তোমাকে পরাধীনতায় বাঁধতে চায়নি।

যে মেয়েটা তোমার ছেড়ে যাবার বেলায় জোর করেনি, শুধু তোমার অভিযোগে কান্না করে গেছিলো!
তোমার বোঝা উচিত ছিলো, কতটা ভালোবাসলে এতটা কান্না করে মানুষ?

অথচ তুমি কিচ্ছু বুঝতে চাইলেনা!
না তার বয়স,অপেক্ষা, কান্না, শূন্যতা, সময়, সুযোগ কিচ্ছু না!
তুমি কেবল অবহেলায় তাকে ঠকিয়েই গেলে।

ভুল ব্যাখা করে blame দিয়ে গেলে।
আর মেয়েটা কি না সব মাথা পেতে নিলো!

আজ তুমি যেখানেই আছো!
একবার ভাবো তো, সেই মেয়েটার দোষ কোথায় ছিলো?
কেনো তাকে ছেড়ে গেলে!
যদি এসব প্রশ্নের উত্তর মেলাতে তোমার আজও বিভ্রান্তিতে পরতে হয়, তবে মনে রেখো তোমার ভালো থাকা আর কোনদিন হবে না।

আর যদি তাকে অবসরে, ব্যস্ততায়, প্রয়োজনে কোথাও মনেই না পরে তোমার, তবে ভালো থাকার অভিনয় করে যাও।
কারণ তুমি প্রেমিক হিসেবে স্বামী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করোনি, কিন্তু অভিনেতা হিসেবে প্রতারক হওয়ার অনেক যোগ্যতা আছে তোমার।
লেখাটি ভালো লাগলে নিজের প্রিয়জন আর বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন,...
ভালো থাকুন, ভালোবাসায় থাকুন।
Thank You Visit Again ...

#অনি

17/10/2021


বিষাদ ছুঁয়ে নজর কাড়ে,কাজল কালো চোখ
শান্ত বিকেল বাড়ি ফেরে,উড়িয়ে সব ব্যাস্ত দিনের শোক।
আলগা খোঁপায় শুকনো গোলাপ,বুকের মাঝে পাহাড় যত,
নাকছাবিতে নকশা কাটা,অববাহিকাও ধূসর ক্ষত।।🤍💙
# অনি

11/10/2021


গল্পটা তোমার আমার.... ❤
গল্পের শেষ শুধুই আমি.... 🖤
#অনি

Address

Howrah
UDAYNARAYANPUR

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Æmår pêãg posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category