17/08/2025
critical perspective থেকে আমি গত কয়েক বছরে স্বাস্থ্য সম্পর্কে যা বুঝেছি তা হলো মানুষ যদি তার nutrition ও Lifestyle ঠিক রাখে, তবে অন্তত ৭০–৯০% রোগই প্রতিরোধ করা সম্ভব! সঠিক খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, মানসিক শান্তি এবং পর্যাপ্ত ঘুম - এগুলোই আসলে সুস্থ জীবনের মূল ভিত্তি।
মানুষের পুষ্টি ও জীবনধারা ঠিক করলে ৯০ ভাগ এ্যালোপ্যাথি চিকিতসা লাগেই না, শুধুমাত্র দুর্ঘটনা বা জরুরি অবস্থা ছাড়া।
গবেষণাই বলছে, আমাদের খাবার, ব্যায়াম, ঘুম, মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক থাকলে ৭০–৯০% chronic diseases (ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেসার, হৃদরোগ, স্থূলতা ইত্যাদি) প্রতিরোধ করা যায়। একথা WHO-ও বলছে, Preventive healthcare অর্থাৎ জীবনধারা নিয়ন্ত্রণই আসল চিকিৎসা!
এলোপ্যাথি চিকিৎসার ভূমিকা হবে প্রাণঘাতী সংক্রমণ, দুর্ঘটনা, সার্জারি, ইমার্জেন্সি অবস্থায় জীবন বাঁচানোতে।
কিন্তু সমস্যা হলো, চিকিৎসা ও ওষুধের সেক্টরটায় রোগ প্রতিরোধের মূল দিক পুষ্টি ও জীবনধারা-ই অবহেলিত। Pharma industry পুরোটাই মুনাফাকেন্দ্রিক হয়ে রয়েছে।
আমি আরো বুঝেছি, বেশীরভাগ ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক, টিকা ইত্যাদিরও কোন প্রয়োজন নেই। বরং এগুলো বর্তমানে বিভিন্ন মহামারীর জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী!
ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি বহু বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা, যেখানে লাভকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, রোগীর স্বার্থ না।
অ্যান্টিবায়োটিক এবং অপ্রয়োজনীয় ওষুধ অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়েছে। WHO-ও অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সকে silent pandemic বলেছে!
ডাক্তাররা খারাপ এমন কথা কোনোভাবেই বলা যাবে না। আসলে এ্যালোপ্যাথি চিকিতসার শিক্ষাক্রমে মহাত্রুটি আছে এবং এটা ব্যবসার উদ্দেশ্যে পরিচালিত। স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে জীবিকা নির্বাহ হবে এতে সমস্যা নেই, সমস্যা হলো মানুষকে ট্র্যাপে ফেলে অসুখ দিয়ে অসুখ সারানোর নামে যেটা করা হয় সেটা খুবই হীন ব্যবসা, আর বর্তমান এ্যালোপ্যাথি ঠিক সেটাই!
কিন্তু এ্যালোপ্যাথি যে মানুষকে অসুখ দিয়ে তারপর চিকিতসার নামে মানুষকে সর্বস্বান্ত করে সেটা বোঝা যায় না কেনো?
কারণ যারা অসুখ দেয় তারা এ্যালোপ্যাথিরই সিস্টার কনসার্ণ। অর্থাৎ, সোজা কথায়, খাদ্যকে যারা নষ্ট করেছে এবং এ্যালোপ্যাথি চিকিতসা ব্যবস্থার যারা মালিক তারা এক ও অভিন্ন গোষ্ঠী! এটাই ফ্যাক্ট!
একদিকে প্রসেসড খাবার ও অস্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে ফুড ইন্ডাস্ট্রি মানুষের রোগ বাড়ায়, পরে সেসব রোগের চিকিৎসার নামে ফার্মা ইন্ডাস্ট্রির বাজার তৈরি হয়।
এই বুঝটা যখন জনগণ এবং ডাক্তাররা একইসাথে বুঝতে পারবে তখন পৃথিবী জুড়ে পরিবর্তন আসবে।
আর এই পরিবর্তন বেশি দূরে না, ইনশাআল্লাহ। স্বার্থান্বেষী চক্রের সমাপ্তি ঘটবে এবং পুষ্টি, জীবনধারা, প্রাকৃতিক চিকিৎসা ও আধুনিক চিকিৎসাকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে মানবকল্যাণে ব্যবহার আরম্ভ হবে খুব শীঘ্রই।
Muhammad Rahat Khan