Ash Shefa Food

Ash Shefa Food We provide all kinds of pure natural food to customers

অথেনটিক মাখন কিভাবে চিনবেন এবং কেন খাবেন?একবার ভেবে দেখুন তো, কতটা ক্ষতি করছেন নিজের ও সন্তানের? "হোমমেড বাটার" লেখা সস্...
31/07/2023

অথেনটিক মাখন কিভাবে চিনবেন এবং কেন খাবেন?

একবার ভেবে দেখুন তো, কতটা ক্ষতি করছেন নিজের ও সন্তানের? "হোমমেড বাটার" লেখা সস্তা জিনিসের চটকদার বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে আপনার বাচ্চাকে কি আসল মাখন খাওয়াচ্ছেন?

যারা ঘোল খেয়েছেন আসল মাখন তাদের চিনতে কষ্ট হয় না ৷ ঘোলের ওপর ভাসতে থাকা অংশই মাখন, তাই ঘোলের স্বাদের মত হয় আর দুধের সরের গন্ধ থাকে ৷

দুধের তৈরী মাখন ও আমদানি করা ক্রিম দেখতে প্রায় একইরকম হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষ তা চিনতে পারেন না, ফলে আমদানিকৃত ক্রিমকে মাখন ভেবে ভুল করেন যা প্রিজারভেটিভ, রঙ এবং ফ্লেভারের সংমিশ্রন ছাড়া আর কিছুই নয় ৷ এটি নিয়মিত খেলে হার্টের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে ৷ এটি দুধের তৈরী মাখনের চেয়ে সস্তা হওয়ায় আসল মাখন কেনা থেকে বিরত থাকেন অধিকাংশ মানুষ এটা ভেবে যে, আমরা অন্যদের চেয়ে দাম বেশি রাখছি ৷

দুধের তৈরি মাখনের বৈশিষ্ট্য:

☞ দুধের তৈরি মাখন চুলায় জাল দিলে তা কিছুক্ষণ পর ঘি হয়ে যাবে ৷

☞ দুধের তৈরি মাখন খেতে সামান্য টক মনে হবে ৷ তার মানে এই না যে তেতুল বা লেবুর মত টক ৷ দুধ থেকে তৈরী ঘোলে যেমন সামান্য টক ভাব থাকে, তেমন ৷

☞ দুধের তৈরি মাখন খাওয়ার সময় সরের মতো সাদ বা ঘ্রাণ পাওয়া যাবে ৷

☞ এতে বাড়তি কোনো এসেন্স বা ফ্লেভার থাকবে না ৷

☞ এই মাখন ফ্রিজের বাইরে ২ দিনের বেশি থাকলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে ৷ শীতের দিনে ৩/৪ দিন বা ৫ দিনও ফ্রিজের বাইরে রাখা যায় ৷

☞ অথেনটিক মাখনে বাড়তি কোনো তৈলাক্ত ভাব বা তেলের ফোঁটা থাকবে না, যেটা মার্জারিনে থাকে ৷ বরং এতে জলীয় আভা থাকবে ৷

প্রকৃতপক্ষে দুধের তৈরী অথেনটিক মাখন যখন আপনি খাবেন, তখন এর স্বাদ ও ঘ্রাণই আপনাকে বলে দিবে যে এটি অথেনটিক ৷

মাখন কেন খাবেন? চলুন জেনে নিই, আর বেরিয়ে আসি প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা থেকে

☞ মাখনে থাকা Activetor-X নামক উপাদান শরীরকে খনিজ উপাদান শোষনে সাহায্য করে।

☞ মাখনে আয়োডিন, সেলেনিয়াম, লেসেথিন এবং লরিক এসিডের মত খনিজ দ্রব্য বিদ্যমান, যা অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহনে বিরত রাখে।

☞ এতে আছে ভিটামিন-এ, ডি এবং ভিটামিন-ই, যা ক্যালসিয়াম শোষনে শরীরকে সাহায্য করে।

☞ মাখন শিশুদের মস্তিষ্ক বিকাশে ও স্নায়ুতন্ত্রের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

☞ মাখনে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ সমৃদ্ধ। এতে বিদ্যমান এরাকিডোনিক্স এসিড মস্তিষ্কের কার্যক্রম, ত্বকের সুরক্ষা এবং প্রোস্টাগ্লান্ডিনে ভারসাম্য রক্ষা করে।

☞ মাখনে রয়েছে ভিটামিন-কে২, যা প্রোস্টেট ক্যান্সার, হাড়ভাঙা, করোনারি হার্ট ডিজিসের ঝুঁকি হ্রাস করে ও চর্বি দ্রবণে সহায়তা করে।

☞ মাখনের লিনোলিক এসিড এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট বিপাকীয় কাজে সাহায্য করে এবং ফ্রি র‍্যাডিকেল দূর করে।

☞ এতে রয়েছে আরথ্রাইটিস প্রতিরোধকারী “উলজেন” ফ্যাক্টর, যা মাখন ছাড়া শুধু দুধ বা ক্রিমে পাওয়া যায়।

☞ মাখনে বিদ্যমান উচ্চ মাত্রার বিটা-ক্যারোটিন চোখে সুরক্ষা দান করে। ছানি, মেকুলার ডিজেনারেশনের গতি কমায়।

মাঙ্গো প্রোটিন শেক বানানোর পদ্ধতিঃ আম এখন প্রায় শেষের দিকে। আম খেতে কে না ভালবাসে। প্রতি সিজনের ফল আমাদের কম বেশি খাওয়া ...
12/07/2023

মাঙ্গো প্রোটিন শেক বানানোর পদ্ধতিঃ
আম এখন প্রায় শেষের দিকে। আম খেতে কে না ভালবাসে। প্রতি সিজনের ফল আমাদের কম বেশি খাওয়া উচিত, এতে আমাদের শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেম শক্তিশালী হয়। আপনারা চাইলেই বাড়িতে খুব সহজে স্বাস্থ্যকর মাঙ্গো প্রোটিন শেক বানিয়ে ফেলতে পারেন এবং কোনও রকম কেমিক্যাল ছাড়াই বানানো যাবে এই শেক। মাঙ্গো প্রোটিন শেক খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিগুনে ভরপুর।

আমাদের ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার যে সব উপাদান দিয়ে তৈরি হয় তা নিম্নে দেওয়া হলোঃ
কাজুবাদাম, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, আখরোট, ছোলা, ওটস, সয়াবীজ, তরমুজের বীজ, কুমড়ার বীজ, চিয়া বীজ, এলাচ, গুড়ো দুধ এবং চকো পাউডার।

মাঙ্গো প্রোটিন শেক বানাতে প্রয়োজন-
👉 এক গ্লাস তরল দুধ
👉 ২-৩ স্কুপ পরিমান আমাদের ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার
👉 এক কাপ পরিমান পাকা মিষ্টি আমের স্লাইচ

উপরের তিনটি উপাদান একত্রে ব্লেন্ডারে ভালো ভাবে মিক্স করে তৈরি করুন মজাদার মাঙ্গো প্রোটিন শেক যা পুষ্টিগুনে ভরপুর। এক গ্লাস মজাদার মাঙ্গো প্রোটিন শেক আপনার সারাদিনের ক্লান্তি নিমেষই দূর করে দিবে। পরিবারের ছোট (৩ বছর +)/বড় সবাই এই মজাদার মাঙ্গো প্রোটিন শেক খেতে পারেন যা সকলের পুষ্টির চাহিদা পুরন করতে অপরিসীম ভুমিকা রাখবে।

ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডারের পুষ্টি গুনাগুনঃ প্রতি ১০০ গ্রাম উপাদানে প্রোটিনের পরিমান থাকে-
12/07/2023

ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডারের পুষ্টি গুনাগুনঃ
প্রতি ১০০ গ্রাম উপাদানে প্রোটিনের পরিমান থাকে-

ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিগুনে ভরপুর। শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তিভাব দূর করতে এটি তাৎক্ষণিক কাজ করে...
12/07/2023

ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিগুনে ভরপুর। শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তিভাব দূর করতে এটি তাৎক্ষণিক কাজ করে দেহ ও মনে এনে দেয় প্রশান্তি। প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার নিয়মিত খাওয়া উচিত যা আপনার জীবনকে স্বাস্থ্যকর রাখতে ভুমিকা রাখবে।

কলা প্রোটিন শেক বানানোর পদ্ধতিঃআজকাল মানুষ ফিট থাকার জন্য কত কিছুই না করেন। পুষ্টিকর খাবার খায়, বাজার থেকে কেনা বিভিন্ন ...
12/07/2023

কলা প্রোটিন শেক বানানোর পদ্ধতিঃ
আজকাল মানুষ ফিট থাকার জন্য কত কিছুই না করেন। পুষ্টিকর খাবার খায়, বাজার থেকে কেনা বিভিন্ন প্রোটিন শেক খায় তবে চাইলেই বাড়িতে বানানো যাবে স্বাস্থ্যকর প্রোটিন শেক। এবং কোনও রকম কেমিক্যাল ছাড়াই বানানো যাবে এই শেক।

আমাদের ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার যে সব উপাদান দিয়ে তৈরি হয় তা নিম্নে দেওয়া হলোঃ
কাজুবাদাম, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, আখরোট, ছোলা, ওটস, সয়াবীজ, তরমুজের বীজ, কুমড়ার বীজ, চিয়া বীজ, এলাচ, গুড়ো দুধ এবং চকো পাউডার।

কলা প্রোটিন শেক বানাতে প্রয়োজন-
১টি পাকা কলা
এক গ্লাস তরল দুধ
২-৩ স্কুপ পরিমান আমাদের ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার

এক বা দুই চামচ মধু (যে যতটুকু মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন ততটুকু দিন)
উপরের উপাদানগুলো একত্রে ব্লেন্ডারে ভালো ভাবে মিক্স করে তৈরি করুন মজাদার কলা প্রোটিন শেক যা পুষ্টিগুনে ভরপুর। এক গ্লাস মজাদার কলা প্রোটিন শেক আপনার সারাদিনের ক্লান্তি নিমেষই দূর করে দিবে। পরিবারের ছোট (৩ বছর +)/বড় সবাই এই মজাদার কলা প্রোটিন শেক খেতে পারেন যা সকলের পুষ্টির চাহিদা পুরন করতে অপরিসীম ভুমিকা রাখবে।

ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডারঃন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার অনেক মজাদার ও পুষ্টিগুনে ভরপুর। এতে থাকা ভিটামিন (যেমন থায়ামিন, রিবোফ...
05/07/2023

ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডারঃ
ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার অনেক মজাদার ও পুষ্টিগুনে ভরপুর। এতে থাকা ভিটামিন (যেমন থায়ামিন, রিবোফ্লোবিন, নিয়াসিন, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-৬ ও ফোলেট), বিভিন্ন খনিজ পদার্থ (যেমন ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, সালফার) প্রোটিন, আবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড, ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা-৩, ওমেগা-৬ এবং এন্টিঅক্সিডেন্টের মতো বিভিন্ন উপাদান যা আপনার পরিবারের সকলের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক। শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তিভাব দূর করতে এটি তাৎক্ষণিক কাজ করে দেহ ও মনে এনে দেয় প্রশান্তি।

উপাদানঃ
কাজুবাদাম, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, আখরোট, ছোলা, ওটস, সয়াবীজ, তরমুজের বীজ, কুমড়ার বীজ, চিয়া বীজ, এলাচ, স্বাদ বৃদ্ধিতে হাই-কোয়ালিটি গুড়ো দুধ এবং ফুড গ্রেডেড কোকো পাউডার।

আমাদের তৈরি করা হোমমেড ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডারটি ১০০% অর্গানিক এবং এতে কোন ধরনের প্রিজারভেটিভ, কেমিক্যাল বা ক্ষতিকারক রং ব্যবহার করা হয়নি।

পুষ্টি গুনাগুনঃ প্রতি ১০০ গ্রাম উপাদানে প্রোটিনের পরিমান থাকে-
কাজুবাদামে-২৫.২ গ্রাম, কাঠবাদামে-২১.১৫ গ্রাম, চিনাবাদামে-২৫.৭ গ্রাম, পেস্তাবাদামে-২১.১, আখরোটে-১৬ গ্রাম, ছোলায়-১৯.৩ গ্রাম, ওটস এ-১৩.৭ গ্রাম, সয়াবীজে-৩৯.৫৮ গ্রাম, তরমুজের বীজে-২৮.৫ গ্রাম, কুমড়ার বীজে -২৪.৫ গ্রাম, চিয়া বীজে -১২ গ্রাম, এলাচে-১১ গ্রাম, গুড়ো দুধে-৩.৫ গ্রাম এবং কোকো পাউডারে-৭.৭ গ্রাম,

ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডারের উপকারিতাঃ
>শারীরিক শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে
>ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
>রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে ভুমিকা রাখে
>সঠিক ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভুমিকা পালন করে
>মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে বয়স্কদের ভুলে যাওয়া রোগ প্রতিরোধ করে
>শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দেয়
>হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
>পুষ্টির ঘাটতি দূর করতে সহায়তা করে
>দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে খুবই কার্যকরী
>ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে
>মাংসপেশী, হাড় ও দাঁত গঠনে সহায়তা করে
>স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খুবই উপকারী
>মুখের ব্রণ দূর করে ও ত্বককে মসৃণ রাখে
>চুল পড়া বন্ধ, চুলের গোড়া শক্ত ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
>রক্তস্বল্পতা দূর করে
>ক্যা’ন্সার নামক মরণব্যাধি প্রতিরোধ করে

তাই প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি আমাদের এই পুষ্টিকর ন্যাচারাল প্রোটিন পাউডার আপনার খাবার তালিকায় রাখতে পারেন। অর্ডার করতে চাইলে, আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার এবং ঠিকানা দিন। আপনার সুস্থতা আমাদের কাম্য।
Make your life healthy to eat natural food.
Stay with--
Ash Shefa Food
Contact: 01706363013

Eid Al-Adha Mubarak to All.
28/06/2023

Eid Al-Adha Mubarak to All.

এলাচের অজানা আশ্চর্য গুণঃএলাচকে বলা হয় মসলার রানী। এলাচ সুগন্ধিযুক্ত একটি মসলা। খাবারে অতিরিক্ত স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্য...
13/06/2023

এলাচের অজানা আশ্চর্য গুণঃ
এলাচকে বলা হয় মসলার রানী। এলাচ সুগন্ধিযুক্ত একটি মসলা। খাবারে অতিরিক্ত স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় এই এলাচ। ভারতীয় বা এশিয়ার রান্নায় যে গরম মশলা ব্যবহার করা হয়, তার একটা প্রধান ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো এলাচ। এমনকি চা তৈরিতেও এলাচ ব্যবহার শুরু হয়েছে।
যে কোনো রান্না, এমনকি পায়েস বা মিষ্টিতেও এলাচ দিলে তার স্বাদই বদলে যায়। কিন্তু আপনি কি জানেন এলাচ কেবল রান্নায় স্বাদ ও গন্ধই যোগ করে না, এলাচের আরও অনেক আশ্চর্য গুণই আছে যা আমাদের অজানা।
এলাচে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য পরিপোষক ভিটামিন ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট মজুত রয়েছে। নিয়াসিন, রাইবোফ্ল্যাভিন, থিয়ামিন, ভিটামিন এ, সি ছাড়াও সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, লোহা, তামা, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেশিয়াম প্রভৃতি আছে এলাচে।

প্রতিদিন একটা বা দুটা করে এলাচ খেলে অনেক সমস্যা ও রোগের হাত থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এবার জেনে নেওয়া যাক এলাচ কি কি রোগের ক্ষেত্রে উপকারে আসে :
১) হজমশক্তি ও ক্ষুধা বাড়ায়ঃ
খাবার পর এলাচ খেলে তা গ্যাসের সম্ভাবনাকে কমায় ও হজমশক্তি বাড়ায়। পেটে প্রদাহ, বমি বমি ভাব দূর করতেও এলাচের জুড়ি নেই। এছাড়া এলাচ আমাদের মিউকাস মেমব্রেনকে আরাম দেয়। ফলে অ্যাসিডিটি ও পেট খারাপের প্রবণতা হ্রাস পায়। একটি এলাচ থেঁতো করে এক কাপ হালকা গরম পানিতে গুলিয়ে প্রতিদিন খাবেন। এর ফলে পেটের যাবতীয় সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন। এছাড়া ক্ষুধা বাড়াতেও এলাচের জুড়ি নেই।

২) মুখের দুর্গন্ধ দূর করেঃ
এলাচ যে মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে এটা আমরা সবাই প্রায় জানি। এলাচের মধ্যে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণাবলী থাকায় তা মুখের মধ্যেকার ব্যাকটেরিয়াকে দূর করে ও দুর্গন্ধ নাশ করে। খাবার ঠিকমতো হজম না হওয়ার ফলে মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। এলাচ হজমের গোলমাল তো কমায়ই, এছাড়া কাঁচা এলাচ খেলে বা এলাচ দিয়ে চা তৈরি করে খেলে এই সমস্যা দূর হবে।

৩) শরীরকে ডি-টক্সিফাই করেঃ
এলাচে থাকা ভিটামিন এ, বি, সি, নিয়াসিন, রাইবোফ্ল্যাভিন রক্তকে পরিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে। শরীরের যাবতীয় বর্জ্য পদার্থ, যেমন বাড়তি ক্যালশিয়াম, ইউরিয়া ও অন্যান্য টক্সিনকে কিডনির মাধ্যমে বের করে দিয়ে শরীরকে পরিষ্কার করে ডি-টক্সিফাই করতেও এলাচ সাহায্য করে। যার ফলে চোখে মুখে বয়সের ছাপ পড়ে না।

৪) হার্টবিট নিয়ন্ত্রণ করেঃ
আমাদের রক্তের, কোষের ও শরীরের ফ্লুইডে উপস্থিত একটি অন্যতম জরুরি উপাদান হল পটাশিয়াম। এলাচে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে যা আমাদের হার্টবিটকে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তচাপকেও স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া রক্তবাহে রক্ত চলাচলও ঠিক রাখে এই এলাচ।

৫) রক্ত স্বল্পতা দূর করেঃ
মেয়েদের একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা হল অ্যানিমিয়া বা রক্ত স্বল্পতা। নানা কারণে মেয়েরা কম বয়স থেকেই রক্ত স্বল্পতায় ভোগেন। এলাচে প্রচুর পরিমাণে লোহা মাইক্রো-নিউট্রিয়েন্ট হিসেবে মজুত থাকে, যা এক্ষেত্রে উপকারী। যাদের এই সমস্যা আছে তারা নিয়মিত এলাচ খেলে উপকার পাবেন।

৬) সর্দি-কাশি নিরাময়েঃ
সর্দি-কাশি হলে আপনি এলাচ বা এলাচ দেওয়া চা খেতে পারেন। দেখবেন উপকার পাচ্ছেন। এছাড়া নিয়মিত এলাচ খেলে তা সর্দি-কাশির ধাতকে কমায় ও মাথা ধরা কমাতেও সাহায্য করে।

৭) ত্বকের যত্নেঃ
এলাচ যেহেতু শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে, তাই আমাদের ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখতেও এলাচ কাজ করে। এলাচ চিবিয়ে খেলেও তা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় উপকার দেয়। এছাড়া এলাচে থাকা এসেনশিয়াল অয়েল বিভিন্ন কসমেটিক্স সামগ্রীতে ব্যবহার করা হয়। ঠোঁটকে মসৃণ ও নরম রাখতেও এলাচের এসেনশিয়াল অয়েল কাজে লাগে।
এলাচের এই বিপুল উপকারিতার জন্য আয়ুর্বেদিক বিভিন্ন ওষুধের অন্যতম উপাদান হিসেবে এলাচ ব্যবহার করা হয়। আর দেরি নয়, সুস্থ থাকতে নিয়ম করে এলাচ খাওয়ার অভ্যেস গড়ুন।

যে ৫ টি কারণে চিনাবাদাম খাবেনঃআমরা অনেকেই চিনাবাদাম খাই। অনেকেই চিনাবাদাম খেয়ে থাকেন এই বাদামের ভালো স্বাদের জন্য। কিন্ত...
13/06/2023

যে ৫ টি কারণে চিনাবাদাম খাবেনঃ
আমরা অনেকেই চিনাবাদাম খাই। অনেকেই চিনাবাদাম খেয়ে থাকেন এই বাদামের ভালো স্বাদের জন্য। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না এই চিনাবাদাম আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা উপযোগী। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, চিনাবাদাম দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ, ক্যানসার প্রতিরোধ, ও স্নায়ুর নানা সমস্যা থেকে আমাদের দূরে রাখতে খুবই সহায়ক। The Federal University of Lavras-এর বিজ্ঞানীরা এই গবেষণা করেছেন।

এ ছাড়া এতে বিভিন্ন ভিটামিন জাতীয় পদার্থ যেমন থায়ামিন, রিবোফ্লোবিন, নিয়াসিন, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-৬ ও ফোলেট রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। পাশাপাশি এতে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ক্যালসিয়াম, লোহা, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও দস্তা রয়েছে।

প্রতিদিন চিনাবাদাম খাওয়ার ফলে আমরা কী কী উপকার পেতে পারি?
১। কোলেস্টেরল কমায়: কোলেস্টরেলের সমস্যা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। চিনাবাদামে মনো আনস্যাচুরেটেড এবং পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট নামের দুই ধরনের চর্বি বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ রয়েছে, যা কোলেস্টেরল কমায়। হৃদ্রোগসহ নানা শারীরিক সমস্যার মূলে রয়েছে এই বাড়তি কোলেস্টেরল। চিনাবাদাম দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী। বাদামের ভালো ফ্যাট কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমিয়ে ফেলে কোনো ধরনের ওজন বাড়ানো ছাড়াই।

২। রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে: চিনাবাদাম রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সকালের নাশতায় চিনাবাদাম বা চিনাবাদামের মাখন খেলে প্রায় পুরো দিনই রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৩। ওজন কমায়: ওজন কমানোর জন্য কিছুটা ভালো চর্বির প্রয়োজন রয়েছে। আর চিনাবাদামে রয়েছে ভালো ফ্যাটি অ্যাসিড। এ ছাড়া ডায়াবেটিসের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন অল্প হলেও চিনাবাদাম খাওয়া উচিত ।

৪। স্মৃতিশক্তি বাড়ায়: বয়স হতে না হতেই স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া শুরু করে অনেকেরই। এর কারণ হচ্ছে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়। মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজন হয় সঠিক খাদ্যের। চিনাবাদামকে বলা হয় মস্তিষ্কের খাবার।

৫। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়: খুব হুটহাট নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ার সমস্যাকে মূলত রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ার মূল লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। চিনাবাদাম এই রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকেই উন্নত করতে কাজ করে। চিনাবাদামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত করে।

নিয়মিত চিনাবাদাম খেলে ক্যানসার ও হৃদ্রোগে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমে। নেদারল্যান্ডসের মাসট্রিখট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এই দাবি করেছেন। চিনাবাদাম ও নানা জাতের গাছবাদামে এমন পুষ্টি উপাদান আছে, যা অনেক রোগ থেকেই আমাদের বাঁচাতে পারে। যে নারী-পুরুষেরা প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ১০ গ্রাম চিনাবাদাম বা কোনো বাদাম খান তাঁদের ক্যানসার ও হৃদ্রোগসহ নানা রকম মরণব্যাধি থেকে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বাকিদের তুলনায় কম

নিয়মিত ওটস খেলে মিলবে আশ্চর্য উপকারিতাঃপুষ্টিবিদেরা ওটসকে প্রথম শ্রেণির সকালের নাশতার মর্যাদা দিয়েছেন। এটাই নাকি বিশ্বের...
13/06/2023

নিয়মিত ওটস খেলে মিলবে আশ্চর্য উপকারিতাঃ
পুষ্টিবিদেরা ওটসকে প্রথম শ্রেণির সকালের নাশতার মর্যাদা দিয়েছেন। এটাই নাকি বিশ্বের সবচেয়ে পুষ্টিকর শস্য। ওটস দিয়ে বানানো যায় স্বাস্থ্যসম্মত কেক, বিস্কুট, রুটি, স্মুদি, স্যুপ, ফ্রাইড রাইস, খিচুড়িসহ অনেক কিছু।
নিয়মিত ওটমিল খেলে কী হয়, চলুন জেনে নেওয়া যাক।
১) দীর্ঘক্ষণ খিদে লাগবে না
ওটস ফাইবারের খুব ভালো উৎস। এই কার্বোহাইড্রেট হজম করতে সময় লাগে। ফলে লম্বা সময় ধরে খিদে পায় না। তাই আপনার যদি ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকে, ওটমিল আপনার জন্য সেরা। এক কাপ রান্না করা ওটমিলে চার গ্রাম ফাইবার থাকে। এটা দৈনিক চাহিদার শতকরা ১৬ ভাগ।

২) টয়লেটে সময়টা ভালো কাটবে
ওটমিল বেটা-গ্লুকোন নামের ফাইবারসমৃদ্ধ, তাই সকালের নাশতা আপনার টয়লেটের অভিজ্ঞতাকে অনেকখানি সহজ করবে। আর ওটমিলের সঙ্গে আপনি যদি আপেল, কলা, খেজুর, ব্ল্যাকবেরি বা মিশ্র বাদাম খান, তাহলে তো কথাই নেই।

৩) হার্টের অসুখের ঝুঁকি কমবে
ওটমিল খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এমনকি উচ্চ রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণ করে। এসব কার্যক্রম হৃৎপিণ্ড স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। সব ধরনের কার্ডিওভাস্কুলার অসুখের ঝুঁকি কমায়।

৪) মন ভালো রাখে
ওটস মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। সেরোটোনিন ঘুম ও রাগ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি দুশ্চিন্তা দূর করে মন ভালো রাখতেও বেশ সহায়ক।

৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে
২০২১ সালে জার্নাল অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটা নিবন্ধে বলা হয়েছে, ‘ওটসের ফাইবার পাকস্থলীকে দীর্ঘক্ষণ সন্তুষ্ট রাখবে। আবার সারা দিন শর্করাজাতীয় খাবার গ্রহণ করার প্রবণতাও কমাবে। ক্যালরি কম গ্রহণ করলে ওজন কমানোও সহজ হবে। এ ছাড়া বেটা-গ্লুকোনের প্রভাবে পাকস্থলীতে পেপটাইড ওয়াইওয়াই নামের একটি হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন আপনাকে মানসিকভাবে তৃপ্ত রাখে আর খাবার গ্রহণের প্রবণতা কমায়। হাইপারগ্লাসেমিয়া (রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যাওয়া) নিয়ন্ত্রণেও বেটা-গ্লুকোন ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।’

৬) উপকারী ব্যাকটেরিয়ার পুষ্টিদাতা
ওটমিল প্রিবায়েটিক খাবার। এর মানে হলো, এটা আপনার অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে পুষ্টি দেয়। এর ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে। মনমেজাজ ফুরফুরে থাকে, আর হজমও ভালো হয়।

৭) স্তন ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকর
ওটসের বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট স্তন ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারী প্রতিদিন এক বাটি ওটস খান, তাঁদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি ৪১ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পায়। পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদান্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ওটস। এসব অঙ্গ সুস্থ থাকলে কোলন ক্যানসার হওয়ার কোনো আশঙ্কাই থাকে না।

আঁশ ও প্রোটিনের উৎস ছোলা: ছোলা খেতে খুব সুস্বাদু, পাশাপাশি এটি ভিটামিন, খনিজ ও আঁশের খুব ভালো উৎস।কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্...
13/06/2023

আঁশ ও প্রোটিনের উৎস ছোলা:
ছোলা খেতে খুব সুস্বাদু, পাশাপাশি এটি ভিটামিন, খনিজ ও আঁশের খুব ভালো উৎস।
কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপোযোগী ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে।

এছাড়াও ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক উপকার। উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
ছোলার কিছু চমকপ্রদ গুণাগুণ হল-

১) ডাল হিসেবে : ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।

২) হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে : অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আঁশ, পটাসিয়াম, ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন বি-৬ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। এর ডাল আঁশসমৃদ্ধ যা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৪০৬৯ মিলিগ্রাম ছোলা খায়, হৃদরোগ থেকে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৯% কমে যায়।

৩) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে : আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে, যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে।

৪) রক্ত চলাচল : অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় ।

৫) ক্যান্সার রোধে : কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক এসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে এ্যজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়। আর তাই নিয়মিত ছোলা খান এবং সুস্থ থাকুন।

৬) কোলেস্টেরল : ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ।

৭) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়। খাবারের আঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই পায়খানার পরিমাণ বাড়ে এবং পায়খানা নরম থাকে।

৮) ডায়াবেটিসে উপকারী : ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়া আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই শরীরের উপকারে আসে।

৯) রক্তের চর্বি কমায় : ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।

১০) অস্থির ভাব দূর করে : ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।

১১) রোগ প্রতিরোধ করে : কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

১২) জ্বালাপোড়া দূর করে : সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়।

১৩) মেরুদণ্ডের ব্যথা দূর করে : এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।

তরমুজের বীজ খাওয়ার বিস্ময়কর উপকারিতা!গরমে তরমুজ খাওয়া যেমন উপকারী তেমন এর দানাও পুষ্টিকর। খাওয়ার সময় তরমুজের দানা ফেলে ন...
13/06/2023

তরমুজের বীজ খাওয়ার বিস্ময়কর উপকারিতা!
গরমে তরমুজ খাওয়া যেমন উপকারী তেমন এর দানাও পুষ্টিকর। খাওয়ার সময় তরমুজের দানা ফেলে না দিয়ে বরং জমিয়ে রাখুন। কারণ এই দানাতেও রয়েছে নানান উপকারিতা। ‘হেল্থশটস ডটকমে’ প্রকাশিত প্রতিবেদনে নয়াদিল্লির প্রাইমাস সুপার স্পেশালিটি হসপিটালের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুষ্টিবিদ অঙ্কিতা ঘোশাল এ বিষয়ে বলেন, তরমুজের বীজ অনেকেই ফেলে দেন। তবে এটা নানান পুষ্টি উপাদানে ভরপুর।
১) প্রোটিনের উৎসঃ
তরমুজের বীজে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন থাকে। সারাদিন আপনার যে পরিমাণ প্রোটিনের প্রয়োজন হয়, তার ৬০ শতাংশ পাওয়া যায় এক কাপ তরমুজের দানায়। এ ছাড়া শরীরের প্রয়োজনীয় নানা ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিডও আছে এ বীজে। তার মধ্যে একটি হলো আর্গিনাইন, যা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনারি হার্ট ডিজিজের চিকিৎসায় এটি বেশ উপকারী। এ ছাড়া গ্লুটামিক অ্যাসিড, লাইসিন, ট্রিপ্টোফানের মতো প্রোটিনও থাকে তরমুজের বীজে।
২) ভিটামিন বি’র উৎসঃ
তরমুজের বীজে আরও পাওয়া ভিটামিন বি। আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির রিপোর্ট থেকে জানা যায়, খাবারকে অ্যানার্জিতে পরিণত করতে সাহায্য করে ভিটামিন বি। নিয়াসিনের মতো জরুরি ভিটামিন বি মেলে তরমুজের বীজে। যার কাজ হলো স্নায়ুতন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্রকে রক্ষণাবেক্ষণ করা। এমনকি ত্বক ঠিক রাখতেও নিয়াসিন জরুরি। এতে আরও আছে থিয়ামিন, রাইবোফ্লাবিন, ভিটামিন বি৬।
৩) মিনারেলস থাকেঃ
তরমুজের বীজে থাকে ম্যাগনেসিয়ামও। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ম্যাগনেসিয়াম ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া কার্বোহাইড্রেট হজমেও ভূমিকা রাখে।
ব্ল্যাড সুগারের সমস্যা এড়াতে তরমুজের বীজ খেতে পারেন নিয়মিত। এ ছাড়া এ বীজে ফসফরাস, আয়রন, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার, ম্যাঙ্গানিজ ও জিংক আছে।
৪) ভালো ফ্যাটের উৎসঃ
এককাপ শুকনো তরমুজের বীজে থাকে ৫১ গ্রাম ফ্যাট। যার মধ্যে ১১ শতাংশই হলো স্যাচুরেটেড ফ্যাট। বাকিটা পলিস্যাচুরেটেড, মনোস্যাচুরেটেড ও ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড।আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, মনো ও পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড আবার উচ্চরক্তচাপও নিয়ন্ত্রণ করে।
৫) হার্ট সুস্থ রাখেঃ
তরমুজের বীজে মনোস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা রক্তপ্রবাহে এলডিএল কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। যাদের উচ্চরক্তচাপের সমস্যা আছে, তাদের জন্য তরমুজের বীজ অনেক উপকারী।
৬) ক্ষত সারায়ঃ
তরমুজের বীজে অনেক বেশি অ্যামিনো অ্যাসিড এল-আরজিনাইন থাকে। গবেষকদের দাবি, এল-আরজিনাইন দেহে নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা বাড়ায়।
কীভাবে খাবেন তরমুজের বীজ?
তরমুজের বীজ ভেজে খেতে পারেন। স্বাদ বাড়াতে এর সঙ্গে সামান্য গোলমরিচের গুঁড়া, লবণ ও জলপাই তেল দিয়েও ভেজে খেতে পারেন। এ ছাড়া ভাজা বীজগুলো সালাদ, টকদই কিংবা ওটসের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন। এমনকি বীজগুলো ভেজে গুঁড়া করে পানিতে গুলিয়েও খেতে পারেন।

Address

লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়া ঔষধি গ্রাম, আমিরগঞ্জ মোড়, নাটোর
Natore

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ash Shefa Food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share