Food bulk

Food bulk If you need any kind of communication, please contact the following number.

�01718928863

সুন্দরবনের মৌয়ালরা উল্টো মুখোশ কেন পরিধান করেন ?সুন্দরবনের মৌয়ালরা (মৌচাষি বা মধু সংগ্রহকারী লোকজন) “উল্টো মুখোশ” বা “পে...
08/10/2025

সুন্দরবনের মৌয়ালরা উল্টো মুখোশ কেন পরিধান করেন ?
সুন্দরবনের মৌয়ালরা (মৌচাষি বা মধু সংগ্রহকারী লোকজন) “উল্টো মুখোশ” বা “পেছনমুখী মুখোশ” পরে থাকেন বাঘের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য।

এটার পেছনে বেশ যুক্তিসংগত কারণ আছে
বাঘের আচরণ ও ভয় প্রদর্শনের কৌশল;
সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার সাধারণত পেছন দিক থেকে আক্রমণ করে।
বাঘের শিকার কৌশল হলো— নিঃশব্দে অনুসরণ করে পিছন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়া।
গবেষণা অনুযায়ী, যদি কেউ বাঘটিকে চোখে চোখে রাখে, তখন বাঘ আক্রমণে দ্বিধা করে।
উল্টো মুখোশের উদ্দেশ্য;
মৌয়ালরা মাথার পেছনে একটি মুখোশ উল্টো করে পরে।এতে বাঘ মনে করে, মানুষ সবসময় তাকে সামনে থেকে দেখছে।ফলে বাঘ সাধারণত আক্রমণ না করে দূরে থাকে।
বাস্তব প্রভাব;
এই পদ্ধতি পুরোপুরি নিরাপদ নয়, তবে এটি বাঘের আক্রমণ প্রায় ৩০–৪০% কমিয়েছে (বনবিভাগের তথ্য অনুযায়ী)।
বর্তমানে বনবিভাগ ও স্থানীয় এনজিওগুলো মৌয়ালদের প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম (যেমন মুখোশ, জাল, হেলমেট) দিয়ে থাকে।

11/08/2025

সুন্দরবন থেকে যত মধু সংগ্রহ করা হয় তার মধ্যে খলিসা ফুলের মধুকে অন্যতম সেরা মধু বলা হয়ে থাকে।

কেননা এতে ৮৫-৯০% পর্যন্ত খলিশা ফুলের নেক্টার বিদ্যমান। যা এপ্রিলের প্রথম দুই সপ্তাহের মধ্যেই সংগ্রহ করা হয়। আর এই মধুকেই খাস ফুড লিকুইড গোল্ড হানি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

সুন্দরবন—বাঘের ভয়, জীবনের ঝুঁকি ও প্রকৃতির নিষ্ঠুর সৌন্দর্য সবকিছুই আছে যেখানে। সুন্দরবনের অরণ্য থেকে সংগ্রহ করা বুনো মৌমাছিদের ফুলের মধুতে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণাগুণ, অমলিন স্বাদ, আর প্রকৃত বিশুদ্ধতা।


অর্ডার করতে অথবা যে কোন প্রয়োজনে কল করুন:
01718928863

23/05/2025

It’s Honeybee Swarm Season! 🐝

See a swarm of honeybees hanging from a tree branch, fence post, or anywhere else? Don’t panic—they’re just looking for a new home!

Swarming bees are typically very gentle and not aggressive.

29/04/2025

#ঘি | Ghee
ঘি এর ব্যাপারের আমাদের একটা অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে শেয়ার না করে পারছি না। ঘি বানানোর শুরু থেকে শেষ পর্জন্ত সব কিছু খাঁটি এবং ভেজাল মুক্ত হলেই যে ঘি এর টেস্ট,কালার এবং ঘ্রাণ অনেক ভালো হবে এমন কিন্তু না।
ঘি শতভাগ খাঁটি হওয়ার পরেও ঘি এর টেস্ট এবং ঘ্রাণ কিছু জিনিসের উপর নির্ভর করে; দুধ এর কোয়ালিটি, দুধের সর জ্বাল দেওয়ার পরিমান, দক্ষতার সাথে জ্বাল দেওয়ার কৌশল। এই সব কিছু ঠিক থাকলে সেখান থেকে দুধের সরের যে “ঘি” পাওয়া যায় তার স্বাদ, কালার এবং ঘ্রাণ হয় অসাধারন লেভেলের।
একবার খাবারের সাথে খেয়ে হাত ধুয়ে ফেললেও ঘি এর ঘ্রাণ হাতে লেগে থাকে।।।

10/12/2024

#নারকেল_মিলিং

 #ক্যাস্টর_অয়েল/ভেন্নার তেল     #ক‌্যাস্টর_‌ওয়েলপাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করা হয়।যদি কখনো কারো প্রয়োজন হয়  তাহলে আমা...
21/02/2024

#ক্যাস্টর_অয়েল/ভেন্নার তেল







#ক‌্যাস্টর_‌ওয়েল

পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করা হয়।

যদি কখনো কারো প্রয়োজন হয় তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন।
মোবাইল :☎01718928863
☎01670273755

Virgin Coconut Oil (নারিকেল তেল) এমন একটি তেল যা রান্নার কাজ এবং চুলের পরিচর্যা – উভয় কাজেই ব্যবহৃত হয়। ভার্জিন কোকোনাট ...
22/12/2023

Virgin Coconut Oil (নারিকেল তেল) এমন একটি তেল যা রান্নার কাজ এবং চুলের পরিচর্যা – উভয় কাজেই ব্যবহৃত হয়। ভার্জিন কোকোনাট অয়েল বলতে মূলত অপরিশোধিত নারিকেল তেলকে বুঝায়। অপরিশোধিত হওয়ায় এই তেলের গুণাগুণ থাকে অটুট।

#আমাদের Coconut Oil (নারিকেল তেল) কেনো সেরা?
১। বিখ্যাত খুলনার নারিকেল থেকে তেল প্রস্তুত করা হয়।
২। নারিকেল সংগ্রহ থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করা হয়।
৩। নারিকেল সংগ্রহের পর তা ভেঙে এর শ্বাশ ফালি করা হয়। এরপর এই ফালি করা নারিকেল রোদে শুকিয়ে এর আর্দ্রতা যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা হয়।
৪। আর্দ্রতা কমিয়ে আনা শুকনো নারিকেল মিলে ভাঙিয়ে তেল বের করা হয়।
৫। মিল থেকে ভাঙিয়ে আনা তেল ডাবল ফিল্টারিং ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে এরপর বোতলজাত করা হয়।
৬। শতভাগ বিশুদ্ধ নারিকেল তেল।
৭। রান্না এবং চুলের পরিচর্যার জন্য উপযুক্ত।

#যেভাবে সংরক্ষণ করবেন Coconut Oil বা নারিকেল তেল :

কিছুদিন পর পর এই তেল রোদে দেওয়া উচিৎ। এতে করে তেলের গুণগত মান ভালো থাকে। প্যাকেজিং এর তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে এটি ব্যবহার করা উত্তম। তবে দীর্ঘদিন একভাবে রেখে দিলে নিচে কালচে প্রলেপ পড়তে দেখা যায়।

ফোনের মাধ্যমে অর্ডার করতে অথবা যেকোন প্রয়োজনে কল করুন :
01718928863 01670273755




#তেল
#নারকেল_তেল
#অর্গানিক_তেল
#অর্গানিক_নারকেল_তেল

 #কোয়ালিটি_শতভাগ
30/11/2023

#কোয়ালিটি_শতভাগ

🕵‍♂নারিকেল তেল ➡️নারিকেল তেলের ব্যবহারের কথা উঠলেই শুধু মনে হয় চুল ছাড়া এই তেলের ব্যবহার আর নেই। তবে দিন দিন  গবেষণায় উঠ...
19/11/2023

🕵‍♂নারিকেল তেল

➡️নারিকেল তেলের ব্যবহারের কথা উঠলেই শুধু মনে হয় চুল ছাড়া এই তেলের ব্যবহার আর নেই। তবে দিন দিন গবেষণায় উঠে আসছে নারিকেল তেলের বিবিধ ব্যবহার। যা শরীর, ত্বক, সব জায়গাতেই বেশ উপকার দেয়। অনেক সমস্যার সমাধান মেলে এই নারিকেল তেলের ব্যবহারে।

আমাদের এই তেল সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি করা হয়। তাই এর গুণাগুণ সব থেকে বেশি।বাছাই করা সেরা মানের নারিকেল দিয়ে প্রস্তুত করা হয় বিশুদ্ধ এই নারিকেল তেল। এই তেল ত্বককে করে তোলে সজীব। আর চুলের যত্নের ক্ষেত্রে এর জুড়ি মেলা ভার।

অতিরিক্ত রোদের তাপে অনেক সময় মুখের চামড়া নষ্ট হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রেও নারিকেল তেল তা ঠিক করতে সক্ষম। আবার অনেক সময় মুখে অবাঞ্ছিত কিছু দাগ দেখা যায় সেগুলো দূর করতে পারে নারিকেল তেল। ত্বকে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল, এবং অ্যান্টিভাইরালের প্রভাব বিস্তার করা থেকে নারিকেল তেল ত্বককে সুরক্ষিত রাখে।

08/09/2023

➡️সুন্দরবনের খলিশা ফুলের মধু,ঘ্রাণেই অর্ধভোজন😋

‘মৌমাছি, মৌমাছি, কোথা যাও নাচি নাচি দাঁড়াও না একবার ভাই, ঐ ফুল ফুটে বনে, যাই মধু আহরণে, দাঁড়াবার সময়তো নাই…’।
কংক্রিটের এই শহরে মৌমাছির দেখা মেলা ভার হলেও গ্রামীণ জীবনে এখনও নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের বিখ্যাত ছড়া ‘কাজের লোক’-এর মতো মৌমাছিরা ফুলে-ফুলে ঘুরে-ঘুরে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করে ।

নগরীর ব্যস্ত আর জানজটে জরাজীর্ণ জীবনে মৌমাছি মধু না খুঁজলেও খাঁটি মধু কম-বেশি আমরা সবাই খুঁজে ফিরি। বাজারে বিভিন্ন ধরণের মধু পাওয়া গেলও সুন্দরবনের মধুর আবেদনই সবসময় বেশি।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে বলা হয় মধুর স্বর্গরাজ্য। মানের দিক থেকে সুন্দরবনে তিন প্রকারের মধু সংগ্রহ করা হয়, যারমধ্যে খলিশা ফুলের পদ্ম মধু, গরান ও গর্জন ফুলের বালিহার মধু এবং মৌসুমের একেবারেই শেষে আসে কেওড়া ও গেওয়া ফুলের মধু।

সাধারণত সুন্দরবনে যেসব গাছে ফুল ফুটে তারমধ্যে খলিশা, গড়ান, কেওড়া, বাইন গাছ উল্লেখযোগ্য । এছাড়াও আছে তরার কিরপি, ঢালচাকা, পশুর, ধুন্দল, গুঁড়ে, কাঁকড়া, কালোলতা, হরগোজা, গোল, জানা, বনলেবু, কেয়া, বাঁকঝাঁকা, হরিণআড়ু,লাটমে, সুন্দরী, ধানি, বাউলে লতা, কেওড়া, বাইন, গেওয়াসহ বহুরঙ ও ঢঙের ফুল। তবে সবচেয়ে দামী ফুল ধরা হয় খলিশা ফুলকে । কেননা খলিশা ফুল থেকে উৎপন্ন মধুর স্বাদ ও দাম অন্যান্য ফুল থেকে উৎপাদিত মধু থেকে বেশি।


খলিশা ফুলের মধুকে বলা হয় সুন্দরবনের আশীর্বাদ। সুন্দরবন ছাড়া সারাদেশে অন্য কোথাও খলিশা ফুলের মধু আহরণ করা যায় না। সাদা রঙের ফুল খলিসা ফুটতে শুরু করে বাংলা মাস ফাল্গুন থেকে। খলিশা ফুলের গাছকে বলা হয় ‘হানিপ্লান্ট’। খলিশা গাছ সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জে বেশি পাওয়া যায়।

সুন্দরবনে চৈত্র মাসে প্রথম যে মধুটা উৎপন্ন হয় তা হল খলিশা গাছের ফুলের হালকা লাল পদ্মা মধু । সাধারণত সুন্দরবনের ফুল ফোটা শুরু হয় লতা জাতীয় এক প্রকার গাছের ফুল দিয়ে। এরপর খলিশা ফুলে ছেয়ে যায় সুন্দরবন। মৌমাছি খলিসা ফুলের নির্জাস সংগ্রহ করে । ঠিক ওই সময়ে যে মধু মৌয়ালরা সংগ্রহ করে সেটাকেই খলিশার মধু বা পদ্ম মধু বলা হয়।

প্রাকৃতিক নিয়মে সুন্দরবন মূলত পাঁচ ধরণের মধু পাওয়া যায়। এর মধ্যে খলিশা ফুল স্বল্প সময় স্থায়ী হয়ে । মার্চ-এপ্রিলে মাসে খলিশা গাছের সাদা ফুলে ভরে ওঠে সুন্দরবন । এসময় খলিশায় ছেয়ে থাকে বনের চারদিক, অন্য কোন ফুল ফুটেনা এসময় । মৌমাছিরা সেই খলিশা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে গাছে গাছে চাক বাঁধে। সেই ফুলের নির্জাস জমে যে মধু হয় সেটাই খলিশা ফুলের মধু। খলিসা ফুলের মধু সংগ্রহ করা খলিশা ফুল ফুটার সময়, চাকের মধু, প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করার মাধ্যমে। দিনের হিসাব কাজে লাগিয়ে দক্ষ মৌয়ালরা এক চাক থেকে মধু সংগ্রহ করেন।

খলিসা মধুর স্বাদের বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মনিরুজ্জামান খন্দকার বলেন , প্রত্যেক গাছের মধ্যেই বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য থাকে। একারণে মধুর স্বাদের ভিন্নতা থাকে। খলিসা গাছের জেনেটিক বৈশিষ্ট্যও অন্য গাছ থেকে আলাদা। একারণে খলিসা গাছের ফুলের মধু সুস্বাদু এবং যেটা কি না ”পদ্ম মধু” নামে পরিচিত,স্বাদে ঘ্রানে অতুলনীয়।

সুন্দরবনের মধু ঝাঁকুনি খেলে ফেনা সৃষ্টি হয় এবং মধুর উপরিভাগে সাদা গাদ জমে


খলিশা ফুলের মধুর গুণাগুণ ও উপকারিতা অন্য মধুর মতই শুধু পার্থক্য এর অতুলনীয় স্বাদ। এছাড়াও পেটের অসুখের জন্যে অত্যন্ত ভালো কাজ করে । । বিশেষ করে বাচ্চাদের পেটের অসুখের জন্যে। খুব তরল এবং অত্যন্ত সুস্বাদু আর দারুণ ঘ্রাণযুক্ত খলিশা ফুলের মধু।

যোগাযোগ>>01718928863
#সুন্দরবন
#সুন্দরবনের_মধু
#মধু



➡️সুন্দরবনের খলিশা ফুলের মধু,ঘ্রাণেই অর্ধভোজন😋‘মৌমাছি, মৌমাছি, কোথা যাও নাচি নাচি দাঁড়াও না একবার ভাই, ঐ ফুল ফুটে বনে, য...
15/07/2023

➡️সুন্দরবনের খলিশা ফুলের মধু,ঘ্রাণেই অর্ধভোজন😋

‘মৌমাছি, মৌমাছি, কোথা যাও নাচি নাচি দাঁড়াও না একবার ভাই, ঐ ফুল ফুটে বনে, যাই মধু আহরণে, দাঁড়াবার সময়তো নাই…’।
কংক্রিটের এই শহরে মৌমাছির দেখা মেলা ভার হলেও গ্রামীণ জীবনে এখনও নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের বিখ্যাত ছড়া ‘কাজের লোক’-এর মতো মৌমাছিরা ফুলে-ফুলে ঘুরে-ঘুরে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করে ।

নগরীর ব্যস্ত আর জানজটে জরাজীর্ণ জীবনে মৌমাছি মধু না খুঁজলেও খাঁটি মধু কম-বেশি আমরা সবাই খুঁজে ফিরি। বাজারে বিভিন্ন ধরণের মধু পাওয়া গেলও সুন্দরবনের মধুর আবেদনই সবসময় বেশি।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে বলা হয় মধুর স্বর্গরাজ্য। মানের দিক থেকে সুন্দরবনে তিন প্রকারের মধু সংগ্রহ করা হয়, যারমধ্যে খলিশা ফুলের পদ্ম মধু, গরান ও গর্জন ফুলের বালিহার মধু এবং মৌসুমের একেবারেই শেষে আসে কেওড়া ও গেওয়া ফুলের মধু।

সাধারণত সুন্দরবনে যেসব গাছে ফুল ফুটে তারমধ্যে খলিশা, গড়ান, কেওড়া, বাইন গাছ উল্লেখযোগ্য । এছাড়াও আছে তরার কিরপি, ঢালচাকা, পশুর, ধুন্দল, গুঁড়ে, কাঁকড়া, কালোলতা, হরগোজা, গোল, জানা, বনলেবু, কেয়া, বাঁকঝাঁকা, হরিণআড়ু,লাটমে, সুন্দরী, ধানি, বাউলে লতা, কেওড়া, বাইন, গেওয়াসহ বহুরঙ ও ঢঙের ফুল। তবে সবচেয়ে দামী ফুল ধরা হয় খলিশা ফুলকে । কেননা খলিশা ফুল থেকে উৎপন্ন মধুর স্বাদ ও দাম অন্যান্য ফুল থেকে উৎপাদিত মধু থেকে বেশি।


খলিশা ফুলের মধুকে বলা হয় সুন্দরবনের আশীর্বাদ। সুন্দরবন ছাড়া সারাদেশে অন্য কোথাও খলিশা ফুলের মধু আহরণ করা যায় না। সাদা রঙের ফুল খলিসা ফুটতে শুরু করে বাংলা মাস ফাল্গুন থেকে। খলিশা ফুলের গাছকে বলা হয় ‘হানিপ্লান্ট’। খলিশা গাছ সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জে বেশি পাওয়া যায়।

সুন্দরবনে চৈত্র মাসে প্রথম যে মধুটা উৎপন্ন হয় তা হল খলিশা গাছের ফুলের হালকা লাল পদ্মা মধু । সাধারণত সুন্দরবনের ফুল ফোটা শুরু হয় লতা জাতীয় এক প্রকার গাছের ফুল দিয়ে। এরপর খলিশা ফুলে ছেয়ে যায় সুন্দরবন। মৌমাছি খলিসা ফুলের নির্জাস সংগ্রহ করে । ঠিক ওই সময়ে যে মধু মৌয়ালরা সংগ্রহ করে সেটাকেই খলিশার মধু বা পদ্ম মধু বলা হয়।

প্রাকৃতিক নিয়মে সুন্দরবন মূলত পাঁচ ধরণের মধু পাওয়া যায়। এর মধ্যে খলিশা ফুল স্বল্প সময় স্থায়ী হয়ে । মার্চ-এপ্রিলে মাসে খলিশা গাছের সাদা ফুলে ভরে ওঠে সুন্দরবন । এসময় খলিশায় ছেয়ে থাকে বনের চারদিক, অন্য কোন ফুল ফুটেনা এসময় । মৌমাছিরা সেই খলিশা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে গাছে গাছে চাক বাঁধে। সেই ফুলের নির্জাস জমে যে মধু হয় সেটাই খলিশা ফুলের মধু। খলিসা ফুলের মধু সংগ্রহ করা খলিশা ফুল ফুটার সময়, চাকের মধু, প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করার মাধ্যমে। দিনের হিসাব কাজে লাগিয়ে দক্ষ মৌয়ালরা এক চাক থেকে মধু সংগ্রহ করেন।

খলিসা মধুর স্বাদের বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মনিরুজ্জামান খন্দকার বলেন , প্রত্যেক গাছের মধ্যেই বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য থাকে। একারণে মধুর স্বাদের ভিন্নতা থাকে। খলিসা গাছের জেনেটিক বৈশিষ্ট্যও অন্য গাছ থেকে আলাদা। একারণে খলিসা গাছের ফুলের মধু সুস্বাদু এবং যেটা কি না ”পদ্ম মধু” নামে পরিচিত,স্বাদে ঘ্রানে অতুলনীয়।

সুন্দরবনের মধু ঝাঁকুনি খেলে ফেনা সৃষ্টি হয় এবং মধুর উপরিভাগে সাদা গাদ জমে


খলিশা ফুলের মধুর গুণাগুণ ও উপকারিতা অন্য মধুর মতই শুধু পার্থক্য এর অতুলনীয় স্বাদ। এছাড়াও পেটের অসুখের জন্যে অত্যন্ত ভালো কাজ করে । । বিশেষ করে বাচ্চাদের পেটের অসুখের জন্যে। খুব তরল এবং অত্যন্ত সুস্বাদু আর দারুণ ঘ্রাণযুক্ত খলিশা ফুলের মধু।

Address

Khulna
9100

Telephone

+8801718928863

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Food bulk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Food bulk:

Share