06/07/2022
নদীর তীরে দাঁড়ালে সূর্যাস্তের এক মনােমুগ্ধকর সৌন্দর্য অবলােকন করা যায়। বিস্তৃত নদীতীর, সামনে কল্লোলিত নদী, স্বর্গীয় আভায় রঞ্জিত আকাশ— এই শােভা, এই অপরূপ রূপের মাধুরী দেখে দু চোখের তৃষ্ণা যেন মেটে না। বিশ্বস্রষ্টা যেন নিজেকে আড়ালে রেখে মােহময় সৌন্দর্যের মধ্যে মানুষকে ডুবিয়ে রেখেছেন। রহস্যময় এক মায়ার জগৎ সৃষ্টি করে খেলছেন আড়ালে বসে। সূর্যাস্তের সময় নির্জন নদীতীরে দাঁড়ালে এমন অধ্যাত্ম-ভাবনা ভেসে আসে মনে। নদীতীরে সূর্যাস্ত দেখে মনে পড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার কিছু চরণ :
‘সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা
আঁধারে মলিন হল, যেন খাপে ঢাকা
বাঁকা তলােয়ার।
দিবসের অবসান আর রাত্রির আগমনের এই মাহেন্দ্রক্ষণটিতে পৃথিবী যেন মিলন-বিরহের খেলায় মেতে ওঠে। আকাশ আর মাটি যেন মুখােমুখি মৌনমুখর। সে অপার্থিব মৌনতা ছড়িয়ে পড়ে বিস্তীর্ণ চরাচরে নদীবক্ষে, পর্বতে, অরণ্যে। ছায়াঢাকা গ্রামের নিবিড় প্রেক্ষাপটে সূর্যাস্তের দৃশ্য ঘােমটা-টানা লাজুক বধূর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। নদীতীরে সূর্যাস্ত দেখতে গেলে বহুমাত্রিক সৌন্দর্য চোখে পড়ে। সামনে বিশাল জলরাশি, ওপরে রক্তিম উদার আকাশ, গােধূলি লগ্নে উন্মুক্ত নদীতীরে দাঁড়ালে এক অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভােগ করা যায়।
🍔🍕🥪🍗🍜
প্রিয়জনের সাথে নদীর তির এর সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য আমরা করিছি সুন্দর ব্যবস্থা এক কাপ কফির চুমুক এর সাথে প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখার মজাই আলাদা আর সাথে আছে ফাস্ট ফুড চাইনিজ।
আপনার অপেক্ষায় আছি আমরা সুন্দর সেবা দেওয়ার জন্য।