Tanj’s Daily Life

Tanj’s Daily Life Trying to enjoy my life every single time… i love to take video clips and pictures.
(219)

Salman Mohammad Muqtadir গতকাল যে কথাগুলো বললো, সত্যি বলতে! এতটা সাহস নিয়ে অনেক এমপি-মন্ত্রীরাও এ কথাগুলো বলেন না।অটোরিক...
23/08/2026

Salman Mohammad Muqtadir গতকাল যে কথাগুলো বললো, সত্যি বলতে! এতটা সাহস নিয়ে অনেক এমপি-মন্ত্রীরাও এ কথাগুলো বলেন না।

অটোরিকশা ইস্যুতে তিনি খুব পরিষ্কারভাবেই বলেছেন, তিনি কোনো অটোরিকশাচালক, কিংবা সাধারণ চাকরিজীবীর বিরুদ্ধে দাঁড়াননি। তার লড়াই সেই গুটিকয়েক মানুষের বিরুদ্ধে, যাদের হাতে এই সেক্টর নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আছে, অথচ সমস্যার সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন—

“আমরা তো চাইলেই রাস্তায় উঠে যেতে পারি না। কেউ না কেউ তো আছে যারা কন্ট্রোল করে, যারা এপ্রুভাল দেয়, পারমিশন দেয়, রেগুলেশন মেইনটেইন করে। একটা অথরিটি তো আছে!”

সবচেয়ে বড় কথা হলো, লক্ষ লক্ষ মানুষের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে কেন নিজেদের স্বাভাবিক চলাচলের অধিকার নিয়ে লড়াই করতে হবে?

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা৷ অথচ এই শহরের যানজট, দূষণ আর অব্যবস্থাপনার কারণে বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় বছরের পর বছর আমাদের অবস্থান লজ্জাজনক জায়গায়। তারপরও আমরা যেন সবকিছুকে স্বাভাবিক ভেবে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে কথা বলে যাই!

সালমানের কথার সবচেয়ে শক্তিশালী অংশ ছিল৷ "সমস্যার সমাধান আসলে অসম্ভব না, দরকার সৎ সাহস"

তিনি বলেছেন, এখন ২০২৬ সাল। বিজ্ঞান এতদূর এগিয়ে গেছে, প্রযুক্তি পুরো পৃথিবী বদলে দিচ্ছে আর আমরা এখনো একটা শহরের কমিউটিং সিস্টেম ঠিক করতে পারছি না?

সমাধান বের করা কঠিন না। স্কুল-কলেজের একজন ১৮ বছরের তরুণকেও জিজ্ঞেস করলে সে হয়তো ৫ মিনিটেই কিছু বাস্তবসম্মত সমাধানের কথা বলে দিতে পারবে।

সমস্যা সলিউশনের অভাব না। সমস্যা হলো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সৎ সাহসের অভাব।
স্টেপ নেন, জনগণ আপনাদের সাথেই থাকবে। কারণ এই জনগণ শুধু সমাধান চায়—আর কিছু না।

সালমান যা যা বললো! আপনিও কি তার কথার সাথে একমত?

পৃথিবীর সবচেয়ে বোকা মানুষদের একজন ছিল ইকরা। সে হয়তো ভেবেছিল, সে দুনিয়াতে না তার স্বামী আলভি তার শোকে পাগল হয়ে যাবে। তার ...
22/08/2026

পৃথিবীর সবচেয়ে বোকা মানুষদের একজন ছিল ইকরা। সে হয়তো ভেবেছিল, সে দুনিয়াতে না তার স্বামী আলভি তার শোকে পাগল হয়ে যাবে। তার ছোট্ট ছেলেটা মা ছাড়া কিছুই করতে পারবে না।

কিন্তু ইকরা জানতো না! অন্য কারো জন্যে জীবন দেয়া মানুষরা সবসময় বোকাই হয়৷ এই পৃথিবীতে মাঝেমাঝে একটু বেশি স্বার্থপর হতে হয়৷ যেখানে কেউ আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও মনে রাখতে হবে অন্য কারো জন্যে আমার জীবন তুচ্ছ করার মানে নেই৷

ইকরার স্বামী আলভি কয়েকদিন আগেই জেল থেকে বের হয়েছে৷ তার ছেলে দেখলাম বাবার জন্যে খুব খুশি৷ সব খুশির মাঝে শুধু মা ইকরা নেই৷

তাই জীবনে কাউকে এতটা গুরুত্ব দিও না, যার জন্য একদিন নিজের জীবনটাই তুচ্ছ মনে হয়। কেউ ছেড়ে চলে গেলেও মনে রেখো, তোমার জীবন শুধু একজন মানুষের জন্য নয়।

এ যেনো বেহুলা লক্ষিন্দর!! ছেলেটার বয়স মাত্র ২২ বছর।প্রায় দুই মাস আগে ১৮ বছরের সাইরা খাতুনের সঙ্গে তাঁর কাবিন হয়েছিলো।কয়ে...
22/08/2026

এ যেনো বেহুলা লক্ষিন্দর!! ছেলেটার বয়স মাত্র ২২ বছর।
প্রায় দুই মাস আগে ১৮ বছরের সাইরা খাতুনের সঙ্গে তাঁর কাবিন হয়েছিলো।

কয়েক ঘণ্টা আগেই নতুন বউকে ঘরে এনেছিলো আনাস।
পরদিন বউভাত হওয়ার কথা। অতিথিদের বসার জায়গা তৈরি হচ্ছিলো, প্যান্ডেল বানানোর কাজ চলছিলো। উঠানে সাউন্ড সিস্টেমে গানও বাজছিলো। বিয়ের আনন্দে ব্যস্ত ছিলো পুরো পরিবার।
বউভাতের জন্য রাতে গরুও জ*বাই করা হয়েছিলো।

রাত ১১টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়। রাত ১২টার পর বিদ্যুৎ ফিরে এলে আনাস উঠানে একটি স্ট্যান্ডফ্যানের পাশে বসেন। কিন্তু ফ্যানের বাতাস ঠিকমতো তাঁর কাছে পৌঁছাচ্ছিল না। তিনি ফ্যানটি একটু সরাতে হাত দেন।
আর ঠিক তখনই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।
ফ্যানের মাধ্যমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন আনাস। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃ* ত্যু হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃ*ত ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে যে ছেলেটি নতুন বউকে নিয়ে ঘরে ফিরেছিল,শুক্রবার দুপুরে যার বউভাত হওয়ার কথা ছিল,
কয়েক ঘণ্টা পর সেই ছেলেটির জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি নিতে হলো পরিবারকে.....🙂

আনাসের বাবা ইউসুফ আলীর কান্না করতে করতে বলেন,
“বাড়িতে সবাই আনন্দ করছিলো... বাসর ঘরেও যেইতে পারিনি। হঠাৎ কী হয়ে গেলো।”

সত্যিই, বাসর ঘরে যাওয়ার আগেই শেষ হয়ে গেল আনাসের সংসার।
একটা বিয়ের বাড়ি কত দ্রুত শোকের বাড়ি হয়ে যেতে পারে আনাসের মৃ* ত্যু তারই নির্মম উদাহরণ। জীবন যে এতটা অনিশ্চিত, সেটা এমন একটি ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়।

আল্লাহ আনাসকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাত নসিব করুন।
সদ্য স্বামীহারা সাইরা ও দুই পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি দিন।

আর একটি অনুরোধ বাড়ির পুরোনো বা ত্রুটিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ফ্যান, তার, সুইচ কিংবা যেকোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারের আগে অবশ্যই পরীক্ষা করে নিন। এক মুহূর্তের অসতর্কতা কখনো কখনো একটি পুরো পরিবারের জীবন বদলে দিতে পারে।💔

Hello!!
21/08/2026

Hello!!

21/08/2026

আজ শুক্রবার, বেশি বেশি দুরূদ পাঠ করুন।

দিপু মনি বলতেছে, "পুলিশ ভাই, আমাকে তো এখন-ই নিয়ে যাবেন, আমি ২ মিনিট ফ্যামিলির সাথে কথা বলি? উনার এই করুণ স্বরে কথা বলা দ...
20/08/2026

দিপু মনি বলতেছে, "পুলিশ ভাই, আমাকে তো এখন-ই নিয়ে যাবেন, আমি ২ মিনিট ফ্যামিলির সাথে কথা বলি?

উনার এই করুণ স্বরে কথা বলা দেথে আজকাল খুব মনে হয়৷ আচ্ছা মানুষ রাজনীতি কেন করে? আর হাতে ক্ষমতা এলেই কেন এমন কিছু করে বসে, যার ফল একদিন নিজের কাছেই ভয়ংকর হয়ে ফিরে আসে?

নিউজফিডে একের পর এক ভিডিও আসছে৷
ড. দীপু মনি তাঁর প্রয়াত স্বামীকে শেষ বিদায় জানাচ্ছেন। স্বামী মা%রা গেলেন, অথচ সেই শেষ সময়ে পাশে থাকার সুযোগটুকুও তাঁর ছিল না। পরে মাত্র ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে কফিনের কাছে গিয়ে শেষবারের মতো বিদায় জানালেন।

অলরেডি ১২ ঘণ্টা শেষ। দেখলাম, থমথমে মুখে প্রিজন ভ্যানে বসে আবার কারাগারে ফিরে যাচ্ছেন। দৃশ্যটা ভাবলেই কেমন একটা অস্বস্তি লাগে, তাই না?

তবে একটা জিনিস চোখে পড়ল! তাঁর হাতে অন্তত হাতকড়া ছিল না। স্বাধীনভাবে হেঁটে প্রিয় মানুষটাকে শেষ বিদায় জানানোর সুযোগটুকু পেয়েছেন।

অথচ অতীতে এমন ঘটনাও দেখেছি, যেখানে কেউ এক হাতে মায়ের খাটিয়া ধরে আছে, আর অন্য হাতে পুলিশের হাতকড়া!

ইতিহাস ঘাঁটলে হয়তো এর চেয়েও নিষ্ঠুর ঘটনা পাওয়া যাবে। হয়তো কারও কাছের মানুষ মারা গেলেও প্যারোলে মুক্তি মেলেনি। কাউকে হয়তো প্রিয়জনের দাফনটুকুও ঠিকমতো করতে দেওয়া হয়নি।

আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, আর যারা ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসবেন সবার জন্যই হয়তো এসব দৃশ্য একটা বড় শিক্ষা।

কারণ ক্ষমতা চিরদিন কারও হাতে থাকে না।
আজ আপনি ওপরে, কাল অন্য কেউ।
আজ আপনি সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন, কাল সেই সিদ্ধান্তের ভার আপনাকেও বহন করতে হতে পারে।

ক্ষমতার সবচেয়ে বড় শিক্ষা হওয়া উচিত—ক্ষমতায় থাকলেও মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখতে শেখা।

কারণ চেয়ারটা একদিন অন্য কারও হবে৷ ক্ষমতাটাও চলে যাবে। টাকাও থাকবে না।

শেষে পড়ে থাকবে শুধু একটা প্রশ্ন—

আপনি ক্ষমতা পেয়ে কতটা বড় হয়েছিলেন, আর মানবিকতা হারিয়ে কতটা ছোট হয়ে গিয়েছিলেন?

#কালেক্টেড #দীপুমনি

"মহিলারা ছেলে সন্তান জন্ম দিতে পারলে বাসও চালাইতে পারবে", bro just dropped one of the hardest lines ever. 🔥❤️in an inter...
20/08/2026

"মহিলারা ছেলে সন্তান জন্ম দিতে পারলে বাসও চালাইতে পারবে", bro just dropped one of the hardest lines ever. 🔥❤️

in an interview by the Independent TV, many drivers and helpers were asked if women could drive in the streets of dhaka, and the responses they got were just wholesome.

many drivers claimed they're pretty good as freshers. and these drivers, they have been driving in these streets for more than a decade, being praised by them is pretty rare.

love to see everyone appreciate such initiative like this.

Breakfast 🤤🤤🤤
20/08/2026

Breakfast 🤤🤤🤤

Good morning
20/08/2026

Good morning

ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় মাত্র ১৪ দিনের নিজ সন্তানকে ড্রা-মে-র পানিতে চু-বি-য়ে হ%ত্যা করলেন মা 😰এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে নোয়া...
19/08/2026

ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় মাত্র ১৪ দিনের নিজ সন্তানকে ড্রা-মে-র পানিতে চু-বি-য়ে হ%ত্যা করলেন মা 😰

এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে৷ এ ঘটনায় মা ফাতেমা বেগমকে আ-ট-ক করেছে পুলিশ। মেয়েটারও বয়স কম দেখলাম মাত্র ১৯ বছর৷

পরিবারের সদস্যরা জানান, সন্ধ্যার পর নবজাতক নিখোঁজ হলে ফাতেমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রথমে তিনি দাবি করেন, অজ্ঞাত কেউ শিশুটিকে নিয়ে গেছে। একপর্যায়ে শিশুটিকে জিনে নিয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে ঘরের কোণে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে নবজাতককে উদ্ধার করেন।

পুলিশের দাবি, ফাতেমা জানিয়েছেন, সন্তান অতিরিক্ত কান্নাকাটি করায় তার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এ কাজটা করেন৷

তবে আমার একটা কথা আছে এটা নিয়ে৷ জানিনা কে কিভাবে নিবেন৷ মেয়েটা আসলেই দোষী এটা অস্বীকার করার অপশন নাই কিন্তু একজন মা কেন এমন করবে সেটাই মূল কথা৷

বাচ্চা হওয়ার পর অনেক মেয়েদের শরীরে হরমোনের আকস্মিক পরিবর্তন হয়৷ তাদের অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং নতুন দায়িত্বের চাপের কারণে সাধারণত প্রথম কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বা এক বছরের মধ্যে তাদের এই সমস্যা দেখা দিতে পারে৷

যেটাকে বলে "পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন" এটা কিন্তু এক ধরণের গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা৷ এবং এটাকে অবহেলা করার সুযোগ নাই৷ নিম্মবিত্ত থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত পরিবারের অনেকে নারীদের এ সমস্যাটা বোঝে না৷

এ সমস্যা হলে, মেয়েরা অতিরিক্ত কান্নাকাটি বা কোনো কারণ ছাড়াই মন খারাপ করে৷ সন্তানের প্রতি টান বা আবেগ অনুভব করে না৷ নিজের বা সন্তানের ক্ষতি করার চিন্তা আসে৷ এমনকি পরিবার ও বন্ধুবান্ধব থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখে৷

দেখেন এটা জাস্ট আমার ব্যক্তিগত কথা৷ মেয়েটার মনে কি ছিলো আল্লাহ জানেন! তবে আমার মনে হচ্ছে তার এ সমস্যাটাই ছিলো৷

আপনি কি মনে করেন মেয়েটা কেন এমন করতে পারে? বা আমি যা বললাম আপনিও কি সেরকম ভাবলেন?

Address

Mohakhali
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tanj’s Daily Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share