Tasnuva Afra

Tasnuva Afra Female

22/08/2024

প্রিয় মাতৃভূমির কেউ ভালো নেই

প্রিয় মাতৃভূমি ভালো নেই 😭
22/08/2024

প্রিয় মাতৃভূমি ভালো নেই 😭

ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম বলেন ১।  কাল থেকে অস্ত্র হামলা-ভাংচুরের অভিযোগে সকল রাজনৈতিক নেতারা ( বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও বি...
22/08/2024

ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম বলেন
১। কাল থেকে অস্ত্র হামলা-ভাংচুরের অভিযোগে সকল রাজনৈতিক নেতারা ( বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি) গ্রেফতার হওয়া শুরু করবে।

২। আগামী এক বছরের মধ্যে ড. ইউনুসের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে, এক কথায় আগামী একবছর দেশে ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে।

৩। পশ্চিমা দেশগুলো প্রচুর পরিমান আর্থিক সহায়তা (লোন) দেওয়া শুরু করবে।

৪। পশ্চিমা মিডিয়ায় ড. ইউনুসকে নিয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে।

৫। চিন-ভারত-রাশিয়ার সাথে চরম সম্পর্কের অবনতি ঘটবে।

৬। গণঅধিকার পরিষদ ( নুরুর) দলকে শক্তিশালী করা হবে, কোটা আন্দোলনের ছাত্র -ছাত্রীরা দলের নেতৃত্ব আসবে।

৭। যতক্ষণ না পর্যন্ত নুরুর দল ( গণঅধিকার পরিষদ) ৩০০ আসনে নির্বাচন করার মতো অবস্থানে না যায়, ততোক্ষণ পর্যন্ত নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

৮। জনগনের আস্থা অর্জন করতে পারলে ড. ইউনুস গণঅধিকার পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠন করবে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে ।

৯. ইসলামিক দলগুলো কিছুটা কোনঠাসা হবে।

১০। নারীরা ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ স্বাধীনতা লাভ করবে।

১১। দেশে চরম অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিবে।

১২। বাংলাদেশে মার্কিন ঘাটির চেষ্টা করা হবে, এবং চিন-ভারতের বাধার মুখে পরবে, এমনকি ভারত কিংবা মায়ানমারের সাথে যুদ্ধের সম্ভাবনাকে হালকাভাবে দেখা ঠিক হবে না।

১৩। সাধারণ ছাত্র-জনতা এই আন্দোলনের আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারনা পেতে শুরু করবে।

১৪। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ ও সু-সংগঠিত হয়ে যাবে। ।
১৫। আওয়ামী লীগ -বিএনপি সহ সকল রাজনৈতিক দলগুলো গণতন্ত্রের জন্য একসাথে আন্দোলন শুরু করবে।

১৬। আমেরিকান পুতুল সরকারের পতন হবে এবং দেশে অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

১৭। পূনরায় আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করবে।

লেখক,প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিষ্টার আমীরুল ইসলাম।

18/08/2024

মনের কষ্ট যেন বৃষ্টি হয়ে ঝরছে

কোটা আন্দোলনকে ঘিরে দেশে যতো মানুষ মারা গিয়েছে এবং যতো আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার সবকিছুর জন্য দায়ী ছয় সমন্বয়ক। তারা পূর...
16/08/2024

কোটা আন্দোলনকে ঘিরে দেশে যতো মানুষ মারা গিয়েছে এবং যতো আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার সবকিছুর জন্য দায়ী ছয় সমন্বয়ক। তারা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে কোটা আন্দোলনের অজুহাতে সরকার পতন করতে চেয়েছে। তাদের আন্দোলনকে উত্তপ্ত করতে এবং দেশ বিদেশের জনতাকে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলতে লাশের প্রয়োজন ছিলো। অন্যদিকে সরকারের প্রয়োজন ছিলো আন্দোলন থামিয়ে দেশ ও জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা। তাই সরকার প্রথমে ঢিলেমি করলেও অবস্থা বেগতিক দেখে আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নেয়। সরকারকে দাবি মেনে নিতে দেখে সমন্বয়করা সন্তুষ্টি প্রকাশ না করে উল্টো আরো দাবি বাড়াতে থাকে। আন্দোলন থেকে যেনো কিছুতেই সাধারণ মানুষের সমর্থন কমে না যায় এবং তাদের হাত থেকে যেনো আন্দোলন হাতছাড়া না হয়ে যায় সেজন্য "আমার ভাই মরলো কেনো আর আমার ভাইদের জেল থেকে মুক্ত করতে হবে" বলে নতুন করে আন্দোলনের বেগ বাড়িয়ে দেয়। সমন্বয়করা জানতো পুলিশ যাদের ধরেছে সরকার তাদের এমনি এমনি ছাড়বেনা। কারণ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সব স্থাপনা যারা ভেঙেছে তারা কারা এবং তারা আসলেই ছাত্র কিনা প্রসাশন অন্তত এইটুকু তো যাচাই করবেই। কিন্তু সেসব যাচাই বাছাই করতে গেলে "কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেউটে বেড়িয়ে যাওয়ার" মতো অবস্থা তৈরী হবে। তখন সমন্বয়করা সাধারণ ছাত্রদের আবেগকে পুঁজি করে "আমার ভাই মরলো কেনো জবাব চাই" বলে আওয়াজ তুললো। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার অবশ্যই কঠোর হবে এটা সমন্বয়করা জানতো। তখন তারা সাধারণ ছাত্রদের পুলিশের বন্দুকের সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। কারণ যতো লাশ পড়বে সরকার ততো কোণঠাসা হবে। যার হাতে বন্দুক থাকবে সে তো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি করবেই। কিন্তু যাদের হাতে বন্দুক নেই তারা তো কৌশল অবলম্বন করবে এবং নিজেদের দাবি আদায় করতে সুযোগ খুঁজবে। কিন্তু ছাত্ররা সেটা করেনি। সরকার তাদেরকে সেই সুযোগ দিলেও তারা সেটা প্রত্যাখ্যান করে। কারণ তাদের মূল উদ্দেশ্য দাবি পূরণ বা বাকি ছাত্রদের জীবনের নিরাপত্তা নয়। তাদের আসল চাওয়া হলো ছাত্রদের লাশ এবং তার উপর ভিত্তি করে সরকার পতন।

Address

Tungipara, Gopalgonj
Dhaka
8120

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tasnuva Afra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share