Traditional 60four

Traditional 60four It is a platform where there is a combination of all kinds of traditional Bengali food and traditional products.

আসসালামু আলাইকুম। পবিত্র  ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে traditional 60 four দিচ্চে। বাংলাদেশের  ৬৪ জেলার বিখ্যাত সব জিনিস। যেমন🎊খা...
26/06/2021

আসসালামু আলাইকুম।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে traditional 60 four দিচ্চে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলার বিখ্যাত সব জিনিস। যেমন
🎊খাগড়াছড়ির বিখ্যাত হলুদ।
🌶️ বগুড়া বিখ্যাত মরিচ।
🧄 নাটরের বিখ্যাত রসুন।
এ ছাড়া আদা,জিরা, রাজ বাড়ীর শরিষার তেল।মোঘল ই কাবাব মস্লা।ঢাকা ই টিকা মস্লা। ও শাহী বোরহানী মস্লা।এ ছাড়া ও আমাদের কাছে পাচ্চেন বাংলাদেশের ৬৪জেলার বিখ্যাত সকল প্রকার জিনিস এবং খাবার।

বর্তমান যুগে আমরা প্রায়শঃ ফরমালিনের কথা শুনি। এটা নিয়ে অনেক আতংকিত। কেউ জেনে আতংকিত, কেউ না জেনে আতংকিত। আজকে এ ফরমালিন ...
05/06/2021

বর্তমান যুগে আমরা প্রায়শঃ ফরমালিনের কথা শুনি। এটা নিয়ে অনেক আতংকিত। কেউ জেনে আতংকিত, কেউ না জেনে আতংকিত। আজকে এ ফরমালিন বিষয়ে বিস্তারিত সবাইকে জানাবো। যারা অল্প জানেন কিংবা যারা কিছুই জানেননা, তাদের সবার জন্য পোস্টটি অনেক কাজে লাগবে আশা করি।

ফরমালিন কি?
ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH2O) পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। জলে সহজেই দ্রবনীয়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়। ফর্মালিন সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, পেপার, রং, কনস্ট্রাকশন ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। দুটোই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

► ফরমালিনের ক্ষতিকর দিক:

▀ ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনাকে আক্রান্ত করে রেটিনার কোষ ধ্বংস করে। ফলে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
▀ তাৎক্ষণিকভাবে ফরমালিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, কারবাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে পেটের পীড়া, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে।
▀ ধীরে ধীরে এসব রাসায়নিক পদার্থ লিভার, কিডনি, হার্ট, ব্রেন সব কিছুুকে ধ্বংস করে দেয়। লিভার ও কিডনি অকেজো হয়ে যায়। হার্টকে দুর্বল করে দেয়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়।
▀ ফরমালিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করার ফলে পাকস্থলী, ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যান্সার হতে পারে। অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হওয়ার ফলে রক্তশূন্যতাসহ অন্যান্য রক্তের রোগ, এমনকি ব্লাড ক্যান্সারও হতে পারে। এতে মৃত্যু অনিবার্য।
▀ মানবদেহে ফরমালিন ফরমালডিহাইড ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তের এসিডিটি বাড়ায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করে।
▀ ফরমালিন ও অন্যান্য কেমিক্যাল সামগ্রী সব বয়সী মানুষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে। ফরমালিনযুক্ত দুধ, মাছ, ফলমূল এবং বিষাক্ত খাবার খেয়ে দিন দিন শিশুদের শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে। কিডনি, লিভার ও বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট, বিকলাঙ্গতা, এমনকি মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে শিশু-কিশোররা। শিশুদের বুদ্ধিমত্তা দিন দিন কমছে।
▀ গর্ভবতী মেয়েদের ক্ষেত্রেও মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। সন্তান প্রসবের সময় জটিলতা, বাচ্চার জন্মগত দোষত্রুটি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে, প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হতে পারে।
▀ এ ধরনের খাদ্য খেয়ে অনেকে আগের তুলনায় এখন কিডনি, লিভারের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগের সমস্যায় ভুগছেন। দেখা যাচ্ছে, কয়েক দিন পরপর একই রোগী ডায়রিয়ায় ভুগছেন, পেটের পীড়া ভালো হচ্ছে না, চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

আজকাল সব কিছুতেই ভেজাল আর ফল/ সবজি মানেই হচ্ছে রাসায়নিক। তাহলে এখন উপায়? কি করে চিনবেন রাসায়নিক মুক্ত আম? কেনার সময় ক্রেতা যদি একটু সচেতন থাকেন, তাহলেই কিন্তু চিনে নেয়া সম্ভব রাসায়নিক মুক্ত আম। আসুন জেনে নেই।
১)প্রথমেই লক্ষ্য করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। কেননা ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসবে না।
২)আম গাছে থাকা অবস্থায়, বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।
৩)কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আম গুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।
৪)গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।
৫) হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যারা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।
৬) আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনও গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।
৭) আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনও সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক/ মিষ্টি কোনও স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেয়া।
৮) আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি গন্ধ হবেই না।

আমরা রাজশাহী নিজস্ব বাগানের সুস্বাদু আমসরাসরি রাজশাহীর আম বাগান থেকে ফরমালিন বা কেমিক্যাল মুক্ত আম সরাবরাহ করি। আমের মান নিয়ে গ্রাহক অসন্তুষ্টি হলে আমরা ১০০% আম রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা দিচ্ছি। চাইলে সরাসরি আমাদের বাগানে এসে আম সংগ্রহ করতে পারেন। আমের বৈশিষ্ট্যঃ. ১। ফরমালিন ও কেমিক্যাল মুক্ত ...

আলহামদুলিল্লাহ  ৩য় বারের রিপিট কাস্টমার। ল্যাব এইড মিরপুর শাখার  মোজাম্মেল ভাই।আমাদের প্রডাক্ট এর উপর আস্থা রাখার  জন্য ...
14/04/2021

আলহামদুলিল্লাহ ৩য় বারের রিপিট কাস্টমার। ল্যাব এইড মিরপুর শাখার মোজাম্মেল ভাই।
আমাদের প্রডাক্ট এর উপর আস্থা রাখার জন্য মোজাম্মেল ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। 💞💞💞

পবিত্র রমজান উপলক্ষে আমাদের কাছে পাচ্চেন ইফতার ও সাহরী আইটেম।★ ঢাকাই কাচ্চি।★হায়দ্রাবাদি চিকেন। ★ হান্ডি চকেন।★আলু চিকেন...
12/04/2021

পবিত্র রমজান উপলক্ষে আমাদের কাছে পাচ্চেন ইফতার ও সাহরী আইটেম।

★ ঢাকাই কাচ্চি।
★হায়দ্রাবাদি চিকেন।
★ হান্ডি চকেন।
★আলু চিকেন।

সরবরাহ ক্রিত
পরিমান
*৩ জন।
*৫ জন।
*৭ জন।
*১২জন।

চারশ বছরেও রাজা ‘কাচ্চি’বিরিয়ানির নাম ‘কাচ্চি’। শুনেই জিহ্বায় জল এসে যায়। আর সেই কাচ্চি যদি হয় পুরান ঢাকার, তাহলে তো কথা...
11/04/2021

চারশ বছরেও রাজা ‘কাচ্চি’

বিরিয়ানির নাম ‘কাচ্চি’। শুনেই জিহ্বায় জল এসে যায়। আর সেই কাচ্চি যদি হয় পুরান ঢাকার, তাহলে তো কথাই নেই। সকাল থেকে রাত, ভোর থেকে ফের রাত- কাচ্চির চাহিদা সব সময়ের। শুধু দোকান খুলে রাখা দরকার। প্রায় চারশ’ বছর থেকে বাংলায় রাজত্ব চলছে মুঘল খাদ্যভাণ্ডারের সুস্বাদু এই খাবারটি। ৪০০ বছরেও কমেনি কদর। তবে আগে যা ছিল ঘরোয়া, তা এখন ব্যবসায়িক বিশাল বাজার ধরে রেখেছে পুরান ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। তবে শ্রেষ্ঠত্বের দাবি রাখে পুরান ঢাকার কাচ্চি বিরিয়ানি। শুধু বাংলাদেশ নয় গোটা ভারতবর্ষ তথা ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাহরাইন, ব্রুনেই, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইরাক, কুর্দিস্তান, কুয়েত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও শ্রীলংকাসহ অনেক দেশেই এই কাচ্চি পাওয়া যায়।
ইতিহাস ঘেঁটে এবং লোকমুখে জানা যায়, বিরিয়ানি শব্দের উৎপত্তি ফারসি ‘বিরিয়ান’ থেকে। ফারসিতে বিরিয়ান শব্দের অর্থ রান্নার আগে ভেজে নেওয়া। বিরিয়ানি রান্নার আগে সুগন্ধি চাল ঘি দিয়ে ভেজে নেওয়া থেকেই এই নামকরণ হয়েছে।

জনশ্রুতি আছে, একদা রানী মমতাজ মোঘল সৈন্যদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে সৈন্যদের ব্যারাকে গেলেন। সেখানে রানী দেখতে পেলেন সৈনিকদের স্বাস্থ্যের অবস্থা ভালো না। তাই মিলেটারি মেসের বাবুর্চিকে নির্দেশ দিলেন চাল ও গোশত সমৃদ্ধ এমন একটা পুষ্টিকর খাবার তৈরি করতে, যেটা সৈনিকদের খারাপ স্বাস্থ্যের উন্নতি করে দিতে পারে। রানী মমতাজ মহলের আদেশে বাবুর্চি যে খাবারটি তৈরি করলেন সেটাই আজকের দিনের বিরিয়ানি নামে পরিচিত। যা পুরান ঢাকায় রন্ধনশিল্পে বিশাল অবস্থান দিব্যি দখল করে আছে। তবে আগে যা ছিল ঘরোয়া, এখন তা হয়ে উঠেছে ব্যবসায়িক পরিসরে।

পুরান ঢাকার নাজিরাবাজারের হাজী বিরিয়ানি বিশেষভাবে নামকরা। হাজীর বিরিয়ানি ১৯৩৯ সালে হাজী গোলাম হোসেন সাহেবের হাত ধরে যাত্রা শুরু করে। এটি এখনো সবার প্রথম পছন্দ। এছাড়াও নাজিরাবাজারের নবাব বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি, চানখাঁর পুলের হাজী নান্নার বিরিয়ানি, ফখরুদ্দিনের বিরিয়ানি, নারিন্দার ঝুনুর বিরিয়ানিসহ আরও অসংখ্য বিরিয়ানি ঘর গড়ে উঠেছে নতুন ও পুরান ঢাকার অলিতে-গলিতে। এসব দোকানে এদের মধ্যে ঢাকাই বিরিয়ানি, সিন্ধি, হায়দারাবাদী, বোম্বাই ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

পুরান ঢাকায় সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলো কাচ্চি বিরিয়ানি। কাচ্চি শব্দটা এসেছে উর্দু কাচ্চা শব্দটি থেকে যার বাংলা প্রতিশব্দ কাঁচা। কাচ্চি বিরিয়ানিতে সুগন্ধি চালের সঙ্গে গোশত সরাসরি রান্না করা হয় সে কারণেই এর নাম কাচ্চি বিরিয়ানি। এটি হিন্দি এবং উর্দুতেও একই নামে পরিচিত। সেদ্ধ ছাড়া খাসির গোশত টক দই দিয়ে মাখিয়ে তার ওপর আলু আর চাল মিক্সড করে রান্না করা হয় কাচ্চি বিরিয়ানি।

পবিত্র মাহে রমজানের  বিশেষ আয়োজন।
08/04/2021

পবিত্র মাহে রমজানের বিশেষ
আয়োজন।

সুপারফুড চিয়া গরমে দেবে স্বস্তি, শরীর রাখবে ঠান্ডা, জানুন কী ভাবে।শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্যের পক্ষেও এটি অত্য...
08/04/2021

সুপারফুড চিয়া গরমে দেবে স্বস্তি, শরীর রাখবে ঠান্ডা, জানুন কী ভাবে।

শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্যের পক্ষেও এটি অত্যন্ত উপযোগী। নিজের ইনস্টাগ্রামে চিয়া বীজের উপকারিতা ব্যাখ্যা করেছেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর নিউট্রিশানিস্ট মুনমুন গানীরেওয়াল।

এপ্রিলের শুরুতেই গরমে হাঁসফাঁস করছি আমরা। এখন আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়ার ইচ্ছাও প্রবল। ঠান্ডাগরমে আবার দেখা দেয় সর্দি, কাশি-সহ নানান সমস্যা। হাল্কা ও ঠান্ডা খাবার খাওয়ার মন চায় সকলের।
সুপারফুড চিয়া গরমে দেবে স্বস্তি, শরীর রাখবে ঠান্ডা, জানুন কী ভাবে
ওজন কমাতে সাহায্য করে চিয়া বীজ।
ওজন কমাতে সাহায্য করে চিয়া বীজ।
সুপারফুড চিয়া গরমে দেবে স্বস্তি, শরীর রাখবে ঠান্ডা, জানুন কী ভাবে
শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্যের পক্ষেও এটি অত্যন্ত উপযোগী। নিজের ইনস্টাগ্রামে চিয়া বীজের উপকারিতা ব্যাখ্যা করেছেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর নিউট্রিশানিস্ট মুনমুন গানীরেওয়াল।
এপ্রিলের শুরুতেই গরমে হাঁসফাঁস করছি আমরা। এখন আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়ার ইচ্ছাও প্রবল। ঠান্ডাগরমে আবার দেখা দেয় সর্দি, কাশি-সহ নানান সমস্যা। হাল্কা ও ঠান্ডা খাবার খাওয়ার মন চায় সকলের।

এই সময় চিয়া সিডস বা সবজা উপকারে লাগতে পারে। একে আবার গ্রীষ্মকালের সুপারফুডও বলতে পারেন। শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্যের পক্ষেও এটি অত্যন্ত উপযোগী। নিজের ইনস্টাগ্রামে চিয়া বীজের উপকারিতা ব্যাখ্যা করেছেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর নিউট্রিশানিস্ট মুনমুন গানেরীওয়াল।

চিয়া বীজের উপকারিতা

শরীর ঠান্ডা রাখে।
শরীরের টক্সিন্সকেও অপসারিত করে।
ব্লটিং ও মাথাব্যথা থেকে মুক্তি দেয়।
ওজন কমাতে সাহায্য করে চিয়া বীজ।
বার বার ক্ষিদে পাওয়ার প্রবণতাকে কম করে।
গরমকালে শরীর ঠান্ডা রাখতে চিয়া বীজের জুড়ি মেলা ভার। নিয়মিত খেলে ব্লটিং, মাথা ব্যথা ও শরীর থেকে টক্সিন অপসারিত করতে চিয়া বীজ সাহায্য করে। অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকেও এটি মুক্তি দিতে পারে।

অন্যদিকে এই বীজ ওজন কমাতেও সাহায্য করতে পারে। আল্ফা লিপোইক অ্যাসিডের উৎকৃষ্ট উৎস চিয়া। এটি ফ্যাট বার্নিং ও ওয়েট লসের সঙ্গে জড়িত।

এতে আবার অধিক পরিমাণে ফাইবার থাকে। যার ফলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে এবং বার বার ক্ষিদেও পায় না।
যে ভাবে নিজের খাদ্যতালিকায় চিয়া বীজ অন্তর্ভূক্ত করতে পারেন-

খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে জলে ভিজিয়ে রেখে দেওয়া উচিত এটি। তার পর দই, মিল্কশেক, শরবতের সঙ্গে মিশিয়ে পান করতে পারেন।
এক গ্লাস জলে ভেজানো চিয়া বীজে অল্প নুন, চিনি মিশিয়ে এটি পারন করতে পারেন।

শিখঞ্জি শরবৎ-

সামগ্রী

বরফের টুকড়ো
চিনি
নুন
লেবুর রস
জীরা পাওডার
বিট নুন
ভেজানো চিয়া বীজ
জল
এক গ্লাস জলে এ সমস্ত সামগ্রী মিশিয়ে নিন। একে এ ভাবে পান করতে পারেন। অথবা সামান্য দই মিশিয়েও পান করা যায়।

উপকারিতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকলেও অনেকে এই বীজের সঠিক ব্যবহার জানেন না। তাই যথাযথ উপকারিতা লাভ করাও সম্ভব হয় না। সঠিক পদ্ধতি এই বীজ গ্রহণ করলে এটি সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

পবিত্র মাহে রমজান  উপলক্ষে আমাদের সেবা সমূহ।
02/04/2021

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আমাদের সেবা সমূহ।

আহলান সাহলান মাহে রমজান।আর কিছু দিন  পরে আসছে পবিত্র  মাহে রমজান। আর রমজানএ চাই বিশুদ্ধ  এবং হালাল খাবার ও পানীয়তাই  tra...
26/03/2021

আহলান সাহলান মাহে রমজান।আর কিছু দিন পরে আসছে পবিত্র মাহে রমজান। আর রমজানএ চাই বিশুদ্ধ এবং হালাল খাবার ও পানীয়
তাই
traditional 60four দিচ্ছে বিশুদ্ধ ও হালাল খাবারের নিশ্চয়তা।

সরিষার তেল আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই যেন মিশে আছে। একসময় গ্রামবাংলার একমাত্র ভোজ্যতেল ছিল সরিষার তেল। এর ওষুধি গুণাগুণের জন...
30/12/2020

সরিষার তেল আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই যেন মিশে আছে। একসময় গ্রামবাংলার একমাত্র ভোজ্যতেল ছিল সরিষার তেল। এর ওষুধি গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই তেল। সরিষার তেল যেমন প্রয়োজনীয় তেমন উপকারীও। ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ থেকে সরিষার ব্যবহার হয়ে আসছে। সরিষার তেল উদ্দীপক হিসেবে পরিচিত। অন্ত্রে পাচকরস উৎপাদনে সাহায্য করায় হজমপ্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এ ছাড়া একই প্রক্রিয়ায় ক্ষুধা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সর্বজনীনভাবে সরিষার তেলের ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে। তবে এই তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে যাঁরা অবগত আছেন, তাঁরা নিয়মিতই ব্যবহার করে চলেছেন সরিষার তেল।
সরিষা বীজ থেকে তৈরি হয় সরিষার তেল। এটি গাঢ় হলুদ বর্ণের এবং বাদামের মত সামান্য কটু স্বাদ ও শক্তিশালী সুবাস যুক্ত তেল। ঐতিহ্যগতভাবে এই তেল আমাদের পূর্বপুরুষেরা ব্যবহার করে আসছেন। ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলা হয়। এর ঔষধি গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে এই তেল। ত্বক, চুল ও স্বাস্থ্যের জন্য সরিষার তেলের অসাধারণ উপকারিতার কথা জেনে নিই চলুন।

পশ্চিমা বিশ্ব তথা ইউরোপ-আমেরিকায় এর গ্রহণযোগ্যতা সেভাবে না থাকলেও বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশের কোনো রান্না এই তেলটি ছাড়া ভাবাই যেতনা একটা সময়ে। কারণ সরিষার তেলের যেমন সুবাস, তেমনি এর শারীরিক উপকারিতার বিষয়টিকেও উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত তেলটি ব্যবহার করে রান্না করা খাবার খেলে শরীরের একাধিক উপকার হয়। বাড়ে আয়ুও!

কিন্তু বেশ কিছু বছর আগে একদল গবেষক এমন প্রচার চালানো শুরু করেছিলেন যে সরিষার তেল খাওয়ার যোগ্য নয়। কারণ এত তেলটি খেলে নাকি শরীরের ভেতরে টক্সিক বা বিষাক্ত উপাদানের মাত্রা বেড়ে যেতে শুরু করে। কিন্তু এই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তবু গত এক দশকে এই তেলটিকে নিয়ে গুজবের পাহাড় তৈরি হয়েছে। কোন কথাটা ঠিক, আর কেনটা বেঠিক, তা না জেনেই সরিষার তেলের ব্যবহার চোখে পড়ার মতো কমে গেছে। এছাড়া সয়াবিন তেলে বাজার সয়লাব হয়ে যাওয়াতেও আমরা যেন সরিষার তেলের কথা ভুলেই যেতে বসেছি। আজকাল অনেকেই এমনও মনে করেন যে এই তেলটি খেলে নাকি হার্টের ক্ষতি হয়।

কিন্তু বাস্তবে এমন কিছুই হয় না। কারণ চিকিৎসা বিজ্ঞানকে যদি মেনে নেন, তাহলে একথা বলতেই হয় যে শরীর এবং ত্বকের উপাকারে নানাভাবে কাজে লাগে এই তেলটি। তাই সরিষার তেল খেলে শরীরের কোনও ক্ষয় ঘটবে, এমনটা মেনে নেওয়ার কোনও ভিত্তি নেই বললেই চলে। বরং যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে প্রতিদিনের ডায়েটে এই তেলটিকে অন্তর্ভুক্ত করেলে মেলে নানা উপকার। যেমন ধরুন...

১. হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়
সরিষার তেল খাওয়া শুরু করলে হার্টের কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, বরং কোনও ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে তলানিতে এসে ঠেকে। প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে সরিষার তেলে উপস্থিত মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরে থাকা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

২. ক্যান্সার রোগের প্রকোপ কমায়
সরিষার তেলে উপস্থিত গ্লকোসুনোলেট এবং মিরোসিনেস নামে দুটি উপাদান শরীরে ক্যান্সার সেলের বৃদ্ধি আটকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই প্রতিদিন এই তেলটি খেলে এমন ধরনের মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যে অনেকাংশেই হ্রাস পাবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

৩. শ্বাস কষ্ট দূর হয়
একাধিক গবেষণায় একথা প্রামাণিত হয়েছে যে শ্বাসকষ্ট সম্পর্কিত যে কোনো ধরনের সমস্যা কমাতে সরিষার তেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই যারা এমন ধরনের রোগকষ্টে ভুগছেন, তাদের নিয়মিত সরিষার তেল খাওয়া উচিত।

৪. আর্থ্রাইটিস রোগের কষ্ট কমায়
সেলেনিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম, এই দুটি খনিজ সরিষার তেলে খুব বেশি পরিমাণ থাকে, যা আর্থ্রাইটিসের প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি এই রোগের প্রকোপ হ্রাসেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন ধরনের হাড়ের রোগে ভুগছেন, তাদের প্রতিদিন সরিষার তেলে রান্না করা খাবার খাওয়া উচিত।

৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে
সরিষার তেলে উপস্থিত বেশ কিছু পুষ্টিকর উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে আমাদের একাধিক রোগের খপ্পর থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬. মাইগ্রেনের কষ্ট কমাতে
মাইগ্রেনের কষ্ট কমাতে ম্যাগনেসিয়াম দারুন কাজে আসে। আর যেমনটা ইতিমধ্যেই আপনারা জেনে গেছেন যে সরিষার তেলে এই খনিজটি বিপুল পরিমাণে থাকে। তাই এমন তেলে রান্না করা খাবার খেলে মাইগ্রেনের কষ্ট একেবারে কমে যায়। প্রসঙ্গত, সরিষার তেলে ভাজা মাছ খেলে শরীরে ওমাগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেক ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৭. ডায়াটারি ফাইবার
হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি নানাবিধ পেটের রোগ থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয় সরিষার তেল। আসলে এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, যা পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে দারুন কাজে আসে। তাই পেটের রোগ থেকে যদি দূরে থাকতে চান তো কখনও সরিষার তেলের সঙ্গে বন্ধুত্ব ভাঙবেন না।

৮. সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে
সরিষার তেলে থাকা অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এজেন্ট দেহের ভেতরে জীবাণুদের প্রবেশ করতে দেয় না। আর যদি কোনো ক্ষতিকর এজেন্ট প্রবেশ করেও যায়, তাকে মেরে ফেলে। ফলে কোনও ধরনের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, কোলন এবং ইন্টেস্টাইনে যাতে কোনোভাবে ইনফেকশন না হয়, সরিষার তেল সেদিকেও খেয়াল রাখে।

৯. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে
সরিষার তেলে রয়েছে কপার, আয়রণ, ম্যাগনেসিয়াম এবং সেলেনিয়াম। এই খনিজগুলি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১০. সরিষার তেলের অন্য উপকারিতা
পেশীর যে কোনো ধরনের যন্ত্রণা কমানোর পাশাপাশি ঠাণ্ডা লাগা, পিঠে ব্যথা, এমনকি জ্বরের প্রকোপ কমাতেও সরিষার তেলের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে।
প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি তাই শাধ গন্ধ আর মান থাকে অটুট।

মানিকগঞ্জের হাজারি গুড় মন কেড়ে নিয়েছিল রানি এলিজাবেথেরও!ভারতবর্ষে তখন সম্রাট আকবরের স্বর্ণযুগ। ওদিকে ইউরোপজুড়ে রানি প্রথ...
23/12/2020

মানিকগঞ্জের হাজারি গুড় মন কেড়ে নিয়েছিল রানি এলিজাবেথেরও!

ভারতবর্ষে তখন সম্রাট আকবরের স্বর্ণযুগ। ওদিকে ইউরোপজুড়ে রানি প্রথম এলিজাবেথের বিকাশপর্ব। মনোহর আবহাওয়া ও নান্দনিক প্রকৃতির জন্য মুঘল সাম্রাজ্যের ‘জান্নাতাবাদ’ খ্যাত এই বঙ্গভূমির সুনাম তখন আটলান্টিকের ওপারেও বিস্তৃত। অন্তত চারশ’ বছর আগের কথা। তখন এ অঞ্চলের পাটালি গুড়ের স্বাদে মন মজেছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধিপতি রানি এলিজাবেথের। শত বছরের জনশ্রুতি মতে, মানিকগঞ্জ অঞ্চলের গুড়ের ঘ্রাণ ও স্বাদে মুগ্ধ হয়েছিলেন রানি। গুণমুগ্ধতা প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি নিজেই ছড়িয়ে দিয়েছিলেন এ গুড়ের নাম।

হাজারি গুড়ের চাহিদা এতোই বেশি যে, এ গুড় তৈরি করার কয়েক মাস আগেই অর্ডার থাকে। দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ গাড়ি নিয়ে আসেন গুড় নিতে। তবে আগের মতো এখন আর গুড় তৈরি করা যায় না। তার কারণ খেজুর গাছের সংখ্যা আগের তুলনায় কমে গেছে। পাশাপাশি রস জ্বাল করার বিশেষ জ্বালানির অভাবও একটা কারণ।

এই হাজারি গুড়ের সুনাম দেশ থেকে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। মুরুব্বিদের কাছে শুনেছি, ইংল্যান্ডের রানি এলিজাবেথকে এই গুড় উপহার দেওয়া হয়েছিল। তিনি এই গুড় খেয়ে অভিভূত হয়েছিলেন।’

মানিকগঞ্জে গুড়ের বাজারে খেজুর গুড়ের বিশাল পসরা বসলেও হাজারি গুড় সেখানে অনন্য। তাই এর দাম প্রচলিত পাটালির তুলনায় পাঁচ থেকে দশগুণ। কম করে হলেও দেড়শ’ বছরের বেশি সময় ধরে দেশজুড়ে সমানভাবে এর সুনাম রয়েছে। এমনকি সরকারিভাবে এই গুড়ের সুনামকে স্বীকৃতি দিতে ‘ঝিটকার হাজারি গুড়’ নাম দিয়েই এ জেলার ব্রান্ডিং করা হয়েছে।

আসছে শীতের আগমন তাই পিঠা পূলি পায়েসের আয়জন,শীতে গুড়ের পিঠার অতুলনীয়  স্্বাধ মন কাড়ে সবার,খেজুরের রস, গুড় ও পাটালি যশোর জ...
21/12/2020

আসছে শীতের আগমন তাই পিঠা পূলি পায়েসের আয়জন,শীতে গুড়ের পিঠার অতুলনীয় স্্বাধ মন কাড়ে সবার,

খেজুরের রস, গুড় ও পাটালি যশোর জেলার ব্র্যান্ড।
এ কারণে ভেজালমুক্ত গুড় ও পাটালি উৎপাদনে যশোর জেলা প্রশাসন এই তরুণদের সহায়তা দিচ্ছে। তরুণদের এ উদ্যোগের ফলে শীতের মৌসুমে সারা দেশের মানুষ যশোরের ঐতিহ্যবাহী গুড় ও পাটালির নির্ভেজাল স্বাদ নিতে পারবে।

শীত পড়তে না পড়তেই বাঙালি উৎসুক হয়ে থাকে নলেন গুড়ের জন্য। আর পায়েসে যদি নলেন গুড় দেওয়া হয় তাহলে তো তার স্বাদই আরও বদলে যায়।

শীতকালে গুড়ের স্বাদ বাঙালির কাছে মধুর সমান। আমাদের দেশে তালের রস, আখের রস ও খেজুরের রস থেকে গুড় তৈরি হয়। বছরের শেষে গুড় দিয়ে তৈরি পিঠে, পুলি, পায়েস, মিষ্টি নিয়ে মজে থাকে বাঙালি। এখন আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রস্তুতেও নলেন গুড় ব্যবহার করা হচ্ছে। গবেষকরা বলছেন গুড়ের উপকারিতা অনেকখানি।

১. আপনি যদি প্রতিদিন খাওয়ার পর একটু গুড় খান তাহলে হজম তাড়াতাড়ি হবে। গুড় আমাদের হজমে সাহায্য করা এনজাইমের শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়।

২. শরীরে আয়রনের অভাব ঘটলে হিমগ্লোবিনের ঘাটতি হয় ফলে নানারকম সমস্যার সৃষ্টি হয়। গুড়ে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে গুড় খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি কমতে পারে।

৩. প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম বা ‌পিএমএস সমস্যায় কমবেশি প্রায় সমস্ত মহিলারা ভোগেন। প্রতিদিন নিয়ম করে অল্প পরিমাণ গুড় খেলে শরীরে হরমোনের সমতা বজায় থাকে। এছাড়া গুড় আমাদের শরীরে হ্যাপি হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায় ও হরমোনের সমতা বজায় রাখে।

৪. আমাদের শরীরে কার্বোহাইডেড জাতীয় খাবার অথাৎ চিনি এনার্জি প্রদান করে। কিন্তু এই এনার্জি অনেক সময় আমাদের শরীরে রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে কিডনি, চোখ ও রক্তের চাপ বাড়িয়ে দেয়। গুড় খেলে এই সমস্যাটি কম হতে পারে। কারণ গুড় রক্তের সঙ্গে মিশতে কিছুটা সময় লাগে। ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ হঠাৎ করে বেশি কমে বা বেড়ে যেতে পারেনা। ফলে আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলির ক্ষতি কম হয়।

৫. গুড় আমাদের শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। ফলে সর্দি, কাশি, ভাইরাল ফিবারের হাত থেকে রক্ষা করে ও শরীর গরম রাখে।

Address

Dhaka

Telephone

+8801997711117

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Traditional 60four posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Traditional 60four:

Share