SAS Dairy & Agro Park

SAS Dairy & Agro Park SAS SWEETS & FOODS

08/04/2019
08/04/2019
Opening Soon SAS Sweets and Foods
23/12/2018

Opening Soon SAS Sweets and Foods

21/12/2018

SAS SWEETS & FOODS

গাভীর খামার করতে হলে আগে জানুন কিভাবে হাইব্রিড জাতের ভুট্টা চাষ করে আপনি ঘাসের সংস্থান করবেন। "মনে রাখবেন, নো ঘাস নো গরু...
19/12/2018

গাভীর খামার করতে হলে আগে জানুন কিভাবে হাইব্রিড জাতের ভুট্টা চাষ করে আপনি ঘাসের সংস্থান করবেন। "মনে রাখবেন, নো ঘাস নো গরু"এই কথাটি বলছি আমি ডাক্তার নুরুল!
সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে এক বিঘা জমিতে (৩৩ শতক) এক হারভেস্টিং এ ১৩ থেকে ১৪ টন হাইব্রিড ভুট্টা ফলন করা যে সম্ভব; এই ভুট্টা গাছগুলি তার প্রমান। এই ভুট্টার জাতের নাম হাইব্রিড গোল্ড 984. এক বছরে ১ বিঘা জমিতে কমপক্ষে ৪ বার এই ভুট্টা ফলানো যায়। প্রতিবার ১ বিঘা জমিতে ২ কেজি ভুট্টা বীজের প্রয়োজন হয়। বীজের সংখ্যা ৪৫০০ থেকে ৫০০০টির মত। যথাযথভাবে পরিচর্যা করলে একটি গাছ ২.৭৫ কেজি ৩.০ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়। অনেকের কাছেই এটি যেমন অকল্পনীয়, তেমনি আবার অনেকের কাছেই অন্যান্য স্বাভাবিক চাষের মতই সহজ। তবে কোন কিছুই আপনা-আপনি হয়ে যাবে না! সাথে লাগবে প্রযুক্তি, আর লাগবে আপনার অভিজ্ঞতা এবং আপনার দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। আমরা পেরেছি! আপনি পারবেন না?!? এই কাজে অসম্ভব বলে কোন কিছু নাই।
মনে রাখবেন হাইব্রিড জাতের এই ভুট্টা চাষ করে ভুট্টা গাছের ফলন ৩৩ শতকের এক বিঘায় এক ফলনে ১৩-১৪ টন পেতে হলে অবশ্যই ৬০ হর্সপাওয়ারের কলের লাঙলের(ট্রাক্টরের) সাথে "হেরো ডিস্ক" লাগিয়ে আপনার জমিকে চাষ করতে হবে ১৫ ইঞ্চি গভীর করে এবং মাটির PH রাখতে হবে ৬.৫ থেকে ৬.৮ এর মধ্যে। অম্ল বা এসিডিক মাটিতে ভুট্টা কখনো ভালো চলবে না। জৈব এবং গোবর সারের‌ও বিকল্প নেই! আপনি যদি দিতে পারেন এক বিঘা জমিতে কমপক্ষে ২ টন পচানো গোবর সার ও সাথে লাগবে দুটি মাত্র সেচ, তাহলে আপনাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হবে না।
এক বিঘা জমি চাষ করতে প্রতিবারে আপনার খরচ হবে কমপক্ষে (জমির বাৎসরিক লিজ বা ভাড়া ব্যতীত)১২/১৩ হাজার টাকা।
এটাই সম্ভব।
স্মরণ রাখবেনআপনি আপনার হাত-পা বেঁধে যেমন সাঁতার কাটতে পারবেন না! তেমনি আপনার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ঘাস চাষের ব্যবস্থা না থাকলে আপনিও গরুর খামার করে এগোতে পারবেন না। কারণ গবাদি পশুরা তৃণভোজী।
আল্লাহ পাক গবাদি পশুকে ঘাস খাওয়ার জন্যই সৃষ্টি করেছেন, ভাত খাওয়ার জন্য নয়। আর ভাত খাওয়ার মতো ব্যবস্থাও তাদের শারীরিক গঠন প্রক্রিয়ার মধ্যে আল্লাহপাক রাখেন নাই।
তারপরও আপনি চাইলে আপনার গরুকে ভাত কেন যা মন চায় তাই খাওয়াবেন। কিন্তু আপনি টিকে থাকতে পারবেন কিনা সেটা ভবিতব্যই বলতে পারবে।

ডাঃ মোঃ নূরুল আমীন

 #খামার কে লাভজনক করতে বায়োসিকিউরিটি জরুরী  #‌বায়োসিকিউরিটি চর্চা?  #বায়োসিকিউরিটির উদেশ্য কি? #বায়োসিকিউরিটি চর্চাঃ১. #...
19/12/2018

#খামার কে লাভজনক করতে বায়োসিকিউরিটি জরুরী

#‌বায়োসিকিউরিটি চর্চা?
#বায়োসিকিউরিটির উদেশ্য কি?

#বায়োসিকিউরিটি চর্চাঃ

১. #খামারে যে কেউ যে কোন যেন প্রবেশ না করতে পারে তা নিয়ন্ত্রণ করুন।

২. #খামারে নতুন গরু নিয়ে আসলে সরাসরি পালের সাথে মিশাবেন না আলাদা রাখুন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেরে নিন।

৩. #খামারের যাতে বাহিরের হাঁস, মুরগী, ছাগল ইত্যাদি না ঢুকতে পারে সেই দিকে নজর দিবেন।

৪. #খামারে কোন খাদ্য বা সরঞ্জামাদি নিয়ে আসলে জীবাণুমুক্ত করে ভিতরে নিবেন।

৫. #খামারের জন্য আলাদা আলাদা জুতা ব্যবহার করুন।

৬. #খামারের জন্য নিদির্ষ্ট পোশাকের ব্যবস্থা রাখা দরকার।

৭. #খামার থেকে বাহির হবার পর সাবান দিয়ে হাত পা ধুয়ে পরিস্কার করে নিন।

+++ #বায়োসিকিউরিটির উদেশ্যঃ

১. #রোগের বিস্তার কম হয় ও ঝুঁকি কমায়।

২. #খামারের গরু গুলো রোগমুক্ত থাকে।

৩. #খামার কে জীবানুর হাত থেকে রক্ষা করে।

৪. #জীবাণুমুক্ত মাংশ ও দুধ উৎপাদন সহায়তা করে।

৫. #খামার লাভজনক হয়।

#আমি আমার বাস্তব অভিক্ততাগুলো শেয়ার করলাল।

#বায়োসিকিউরিটি খামারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় সকল খামারীদের মানা উচিত।

#সংগৃহীত_পোস্ট

18/12/2018

🔘ফার্মিং এ আসতে চাওয়া নতুনদের জন্য বিশেষ পরামর্শঃ⤵

০১। প্রথমেই যুব উন্নয়ন হতে প্রশিক্ষণ নিন (প্রশিক্ষণের সুযোগ না থাকলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মচারী নিয়োগ করুন)
০২। আপনি যেটির ফার্মিং করতে চান, তা নিয়ে অনলাইন ও অফলাইনে অধিকতর স্টাডি করুন।
০৩। ফার্মিং শিখতে ও অভিজ্ঞতা নিতে যত বেশী সম্ভব ফার্ম ভিজিট করুন।
০৪। সিনিয়রদের সবসময় সম্মান দেওয়ার মনোভাব তৈরি করুণ এবং যে কোন একজনকে মেন্টর হিসাবে নিন যার পরামর্শ সবসময় প্রাধান্য দিবেন।
০৫। একটি দির্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা করুণ, রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন দেখবেননা।
০৬। কারো সফলতা দেখে বা হুজুগে পরে কারো কথায় কোন ফার্ম করবেননা।
০৭। যে খামারই করেননা কেন প্রথমে অল্প দিয়ে শুরু করবেন। ফার্মিং আগে শিখে তারপর আস্তে আস্তে ফার্ম বড় করবেন।
০৮। ফার্মিং এ সফলতা পেতে হলে অধ্যবসায়ের বিকল্প কিছু নেই, ধৈর্য্য......ধৈর্য্য.......এবং ধৈর্য্য।
০৯। মনে রাখবেন অভিজ্ঞতা এমন জিনিস যা টাকা দিয়ে কেনা যায়না।

আপনি যদি প্রফেশনাল ফার্মার হতে চান, তাহলে পরামর্শগুলো আপনার জন্যই। আর যদি সৌখিনতা হয়, তাহলে যেভাবে খুশি করতে পারেন। কারন শখের কোন দাম হয়না।

গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়ানোর উপায়মানুষের খুব কাছাকাছি থেকে নানাভাবে উপকৃত করে এমন প্রাণীর মধ্যে গরু অন্যতম।  মহান আল্লাহর এক...
17/12/2018

গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়ানোর উপায়

মানুষের খুব কাছাকাছি থেকে নানাভাবে উপকৃত করে এমন প্রাণীর মধ্যে গরু অন্যতম। মহান আল্লাহর একটি সৃষ্টি যা মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। এর গোশত ও দুধ মানবদেহের সব প্রয়োজন পূরণ করে। দুধ হলো আদর্শ খাদ্য। যা খাদ্যের প্রায় সব উপাদান বহন করে। সুস্থ সবল গাভী হতে পরিমিত দুধ পাওয়া যায়। আমাদের দেশের গাভীগুলোর দুধ উৎপাদন ক্ষমতা অন্যান্য দেশের তুলনায় কম। এর পেছনে কিছু পরিবেশগত কারণ ও জাতগত কারণ রয়েছে। একেক জাতের গাভীর দুধ উৎপাদন ক্ষমতা একেক রকম।
আমাদেশে দেশে জাত ছাড়াও বিষয় আছে যা দুধ উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক। আগে জেনে নেয়া যাক, যে বিষয়গুলোর ওপর দুধ উৎপাদন নির্ভরশীল-

১. গাভীর আকার : গাভীর আকার এর ওপর উৎপাদন অনেকটা নির্ভর করে। সাধারণত বড় আকারের গাভী হতে বেশি দুধ পাওয়া যায়।
২. বাছুর প্রসবের সময় : বাছুর প্রসবের সময়ের ওপর দুধ উৎপাদন নির্ভর করে। শরৎকালে গাভীর বাচ্চা প্রসবে বসন্ত ঋতুতে প্রসব অপেক্ষা প্রায় ১০% অধিক দুধ উৎপাদিত হয়, এর কিছু আবহাওয়াগত কারণ রয়েছে।
৩. পুষ্টি : গাভীর পুষ্টির উপর অনেকাংশে দুধ উৎপাদন নির্ভর করে। দুধ নিঃসরণকারী কোষে দুধ সৃষ্টি করতে পারে যদি পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় আর গাভীর পুষ্টির উৎস দুইটি তার নিজের দেহ এবং যে খাদ্য সে খায়।
৪. বয়স : গাভীর বয়সের সাথে সম্পর্কিত দুধ উৎপাদন ক্ষমতা সাধারণত গাভী তার ৩ থেকে ৬ (বাছুর সংখ্যা) দুধকাল সর্বোচ্চ পরিমাণ দুধ দেয়।
৫. স্বাস্থ্য : গাভীর স্বাস্থ্য ভালো থাকলে দুধ উৎপাদন অনেকটা ভালো থাকে।
৬. আদর্শ ব্যবস্থাপনা : দুধ দোহনের উপযুক্ত ব্যবস্থাপনা ও বাসগৃহ এবং সামগ্রীর পরিচালনায় দুধ উৎপাদন প্রভাব রয়েছে।

ফ্যাট ৩৫-৪৫%
প্রোটিন ৩.৫ - ৫%]
ল্যাকটোস ৪-৫%
অ্যাস (মিনারেল) ৭০ - ৮০%।
টোটাল সলিড ১৩-১৪%
পানি ৮৭ .৫%
কোসিন ২.৬%
অ্যালবুমিন গ্লোবুলিন ০.৫%

যে বিষয়গুলোর দিকে দৃষ্টি রাখলে উৎপাদন বাড়বে-
১. ড্রাই পিরিয়ড বৃদ্ধি : ড্রাই পিরিয়ড বলতে সেই সময়কে বোঝায় যখন গাভীর বাছুর বড় হওয়ার পর থেকে পুনরায় গর্ভবর্তী হওয়ার আগ পর্যন্ত সময়কে। এ সময় সাধারণত ৫০-৬০ দিন হলে ভালো হয়। এ সময়ে গাভীর তার দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারবে এবং পরবর্তী বাছুরের জন্য নিজের দেহকে সুষ্ঠুভাবে তৈরি করতে পারবে। আজ এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ড্রাই পিরিয়ড বৃদ্ধি পেলে দুধ উৎপাদন বাড়ে।

২. সুষম খাদ্যের সরবরাহ : গর্ভবতী গাভীর জন্য প্রয়োজন সুষম খাদ্য সরবরাহ। এ সময় প্রচুর পরিমাণ পুষ্টি প্রয়োজন। যা গাভীর নিজের জন্য ও বাছুরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গাভীর পুষ্টির উপর নির্ভর করে গাভীর দুধ উৎপাদন ক্ষমতা ও বাচ্চার দেহ গঠন। তাই গর্ভবতী গাভীকে বিশেষভাবে সুষম খাদ্য সরবরাহ করতে হবে।

৩. পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ : দেহের পরিপাক তন্ত্র সঠিকভাবে পরিচালিত হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সুষম পানি প্রয়োজন। পানি দেহের পরিমিত পানি দেহের মেটাবলিজম সঠিক রাখে।

৪. বাছুর প্রসব কালের গাভীর পরিচর্যা নিশ্চিত করা : গাভীর বাছুর প্রসবকালে নিতে হবে বাড়তি পরিচর্যা। এ সময় গাভীকে নরম বিছানার (খড় বিছিয়ে) ব্যবস্থা করতে হবে। সাধারণত বকনা গরুর ক্ষেত্রে প্রথম বাছুর প্রসবকালে সমস্যা একটু বেশি হয়। তাই বাছুর হওয়ার সাথে সাথে গাভীকে কিছু কুসুম গরম পানি ও তার সাথে ভিটামিন সি সদৃশ্য কিছু খাওয়াতে হবে। এতে করে গাভীর শরীর ঠিক থাকে।

৫. এই সময় মিল্ক ফিভার (দুস্থ জ্বর) যাতে না হয় সেজন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম খাবারের সাথে দিতে হবে। বাছুর প্রসবের প্রায় ১ সপ্তাহ আগে ভিটামিন ডি খাওয়ালে গাভীর জন্য সহায়ক হয়।

৬ গাভীকে নিয়মিত পরিষ্কার রাখা : বাছুর প্রসবের পর গাভীকে সঠিকভাবে গোসল করাতে/ পরিষ্কার করতে হবে। শীতের দিন হলে হালকা গরম পানি দিয়ে হলেও তা পরিষ্কার করতে হবে। যা দেহের বহিঃপরজীবী দূর করতে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। আর তাপমাত্রার সাথে দুধ উৎপাদন এর একটা সম্পর্ক রয়েছে।

৭. বাছুর প্রসবের পর এমনিতেই দেহের দুর্বলতা ভাব প্রকাশ পায়। এই সুযোগ নিয়ে জীবাণু সহজে বংশ বিস্তার ও রোগ ছড়াতে পারে। আর জীবাণু পরজীবীর জন্য উপযুক্ত পরিবেশ হলো অপরিচ্ছন্নতা। সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।

গরমকালে প্রতিদিন না হলেও সপ্তাহে অন্তত ২ বার গোসল করানো ভালো। শীতকালে তেমন সম্ভব না হলে ব্রাশ দিয়ে শরীরের লোম পরিষ্কার করতে হবে। এতে করে লোমের অর্থাৎ সারা শরীরে রক্ত প্রবাহ ঠিক থাকে। যা দুধ উৎপাদনে সহায়ক।

৮. গাভীর বাসস্থান পরিচ্ছন্ন রাখা : যে স্থানে গাভীকে রাখা হয় তার উপর গাভীর স্বাস্থ্য ও দুধ অনেকটা নির্ভর করে। ভালো ভ্যান্টিলেশন শুকনো ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত পরিবেশে গাভীকে রাখতে হবে। এতে করে লোমের অর্থাৎ সারা শরীরে রক্ত প্রবাহ ঠিক থাকে। যা দুধ উৎপাদন সহায়ক।

৯. বাচ্চা প্রসবের আগে ও পরে কিছু দিন বাসস্থানকে আগে আরাম দায়ক করতে শুকনো খড় ব্যবহার করা উত্তম।
কোন রকম ময়লা আবর্জনা সেখানে রাখা উচিত নয়। এতে করে পরবর্তীতে কৃমি বৃদ্ধি পেতে পারে। সপ্তাহে অন্তত ২ বার ব্লিচিং পাউডার দ্বারা গাভীর স্থানের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে। এতে করে জীবাণুর প্রাদুর্ভাব অনেকাংশে কমানো যায়।

১০. পর্যাপ্ত কাঁচা ঘাসের সরবরাহ করা : গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়াতে কাঁচা ঘাসের কোনো বিকল্প নেই। সুষম খাদ্যের পাশাপাশি কাঁচা ঘাস দুধ উৎপাদন বাড়ায়। ঘাসের বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতিতে দুধ উৎপাদন বাড়ায়।

১১. নির্দিষ্ট সময়ে দোহন করা : প্রতিদিন একই সময়ে দুধ দোহন করলে এর উৎপাদন ভালো থাকে। গাভীর দেহের হরমোন তখন ভালো কাজ করতে পারে। নির্দিষ্ট সময়ে একই ব্যক্তি দ্বারা দুধ দোহন করলে দুধ উৎপাদনের মান ভালো থাকে বলে প্রমাণিত হয়েছে। অন্য ব্যক্তি বা পদ্ধতির পরিবর্তন হলে গাভী অনেকটা বিরক্ত হয়। ফলে দুধ উৎপাদন কমে যায়।

১২. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দোহন শেষ করা : দুধ নিঃসরনের সাথে জড়িত হরমোন অক্সিটোসিন মাত্র ৮ মিনিট কাজ করে । এজন্য ওই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ দুধ পেতে দোহন শেষ করতে হবে।

১৩. দুধ দোহনের সংখ্যা : দুধ উৎপাদনের পরিমাণের ওপর দুধ দোহন সংখ্যা নির্ভর করে। সাধারণত সকাল ও বিকালে দুধ দোহন করা হয়। এতে দুধ উৎপাদন পরিমাণ বাড়ে।

১৪. ব্যায়াম করানো : দীর্ঘদিন পেটে বাছুর/ গর্ভবর্তী থাকায় প্রায় অনেকটা অলস হয়ে থাকে গাভীগুলো। তাই বাছুর হওয়ার পর থেকে গাভীকে একটু ব্যায়াম (হাঁটানো) এর ব্যবস্থা করতে হবে। এতে করে

তথ্য সংগ্রহীত।

গরু মোটাতাজাকরণের সবচেয়ে প্রধান কাজ হলো কম দামে ভালো গরু কেনা। গরু বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হ...
17/12/2018

গরু মোটাতাজাকরণের সবচেয়ে প্রধান কাজ হলো কম দামে ভালো গরু কেনা। গরু বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে :

১. সাধারণত: দেড় থেকে দু’বছর বয়সের এঁড়ে বাছুর অথবা প্রজননের অনুপযুক্ত ষাঁড়, বকনা বা গাভী, নির্বাচন করতে হবে।

২. বিশুদ্ধ জাতের গরু অপেক্ষা শংকর জাতের গরুর শারীরিক বৃদ্ধি তাড়াতাড়ি হয় বলে শংকর জাতের গরু নির্বাচন করা ভালো।

৩. গরুর শিং দেখে সহজে বয়স চেনা যায়। এক বছর বয়স হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর গরুর শিং-এ একটি গোল দাগ বা রিং পড়ে। গরুর বয়স যে কয় বছর হয় শিং-এ সে কয়টি গোল দাগ পড়ে। এছাড়া গরুর দাঁত দেখেও বয়স আন্দাজ করা যায়। সাধারণত দুই বছর বয়সে দুটি স্থায়ী দাঁত উঠে। এরপর প্রতি নয় মাস পর একজোড়া করে স্থায়ী দাঁত উঠে।

৪. রোগা-পাতলা, গায়ের চামড়া ঢিলা, গলকম্বল বড় ও ঝুলানো এমন গরু নির্বাচন করতে হবে।

৫. মাথা ও পা খাটো, মোটা এবং সুগঠিত গিরা এমন গরু নির্বাচন করতে হবে।

৬. বাড়ন্ত আকার, পিঠ সোজা, গোলাকৃতি গলা, চওড়া ও ভরাট বুক, প্রশস্ত পাঁজড়, দৃড় উজ্জ্বল ও ভেজা চোখ বিশিষ্ট পাতলা অথচ সুস্থ রোগহীন গরু বাছাই করতে হবে।

৭. কালো ও গাঢ় লাল রঙের গরু বাছাই করতে হবে। এতে বাজারে ভালো দাম পাওয়া যাবে|

Nurul Amin স্যার এর পোস্ট ঃঃ একটি জরুরী বার্তা:খামারের গবাদিপশু দ্রুত বর্ধনশীল সবুজ জার্মান কিম্বা নেপিয়ার ঘাস খেয়ে না...
13/10/2018

Nurul Amin স্যার এর পোস্ট ঃঃ
একটি জরুরী বার্তা:
খামারের গবাদিপশু দ্রুত বর্ধনশীল সবুজ জার্মান কিম্বা নেপিয়ার ঘাস খেয়ে নাইট্রেট বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়, কেন ঘাসের মধ্যে নাইট্রেট বিষ তৈরি হয়,নাইট্রেট বিক্রিয়া থেকে কিভাবে গবাদি পশুকে রক্ষা করা যায়, ঘাস খেয়ে গবাদিপশুর হঠাৎ হঠাৎ অজ্ঞাত কারণে মৃত্যুবরন করে,

সাবধানতা:ক্ষেত থেকে ঘাস কেটে আনার পর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে একটি মাঁচার উপরে রেখে দু'ঘণ্টা রোদে শুকালে নাইট্রেট বিষ নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে।

দ্বিতীয়তঃ ঘাসের খেতে সরাসরি গোয়াল ঘরের গরুর গোবর নালার মাধ্যমে ডাইরেক্ট ঘাসের সাথে মিশ্রিত না করে গোবরকে আলাদা কোন জায়গায় জমা করে ভালোভাবে কম্পোজড করে তারপর খেতে প্রয়োগ করলে উত্তম হবে।

ইউরিয়া সার প্রয়োগের পর সেই ঘাস পশুকে খাওয়ানোর পূর্বে বেশি সতর্ক হতে হবে। কারণ ইউরিয়া দ্রুত ঘাসের শিকড় দ্বারা শোষিত হয়ে নাইট্রেট আকারে ঘাসে জমা হয়। ইউরিয়া দিলে একদিকে ঘাস যেমন দ্রুত বেড়ে ওঠে তেমনি প্রচুর পরিমাণ নাইট্রেটও জমা হয়।
সদ্য জমি থেকে কেটে আনা কাঁচা ঘাস খাওয়ানোর পূর্বে অবশ্যই পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে থেকে দুই তিন ঘন্টা রোদে শুকিয়ে তারপর পশুকে খাওয়াতে হবে। তাহলে বিষক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

"তথাকথিত খাদ্য নামক পানিতে ভাসা কচুড়িপানা নয় আসুন সবাই মিলে গবাদিপশুকে সঠিক পুষ্টি যুক্ত সবুজ ঘাস খাওয়াই।"
ঘাস ছাড়া গবাদি পশু পালন করা এবং মই দিয়ে চাঁদে উঠা একই কথা!
কোন অজুহাতেই খামারের গবাদিপশুকে সবুজ ঘাসের বিকল্প হিসাবে কচুড়িপানা খাওয়ানো যাবে না!

প্রকারান্তে ইহা দ্বারা জেনে,শুনে ঠান্ডা মাথায় নিজ হাতে নিজেই নিজের খামারকে ধ্বংস করার শামিল।

সকলকে ধন্যবাদ

ডাঃ নূরুল আমীন

Address

Master Bari Bus Stop, Purabari Master Bari, Gazipur./01611842222
Dhaka
1230

Telephone

+8801911842221

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SAS Dairy & Agro Park posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share