HR Food

HR Food We will get authentic and fewer prices than any shop in the market. Because we deliver products dire

সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ গরম চা না খেলে যেন সেই দিনটাই যেন ভালো হতে চায় না। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে চা খাওয়ার অভ্যাস নেই...
06/11/2020

সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ গরম চা না খেলে যেন সেই দিনটাই যেন ভালো হতে চায় না। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে চা খাওয়ার অভ্যাস নেই এমন মানুষ কমই আছে।
ভেষজ চা খাওয়ার রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুন যা আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। ওজন কমাতে গ্রিন টির গুণের কথাও কারও অজানা নয়। এটি আমাদের শরীরের সর্দি কাশির মতো যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
"Ekam ayurvedic flu tea" একটি ভেষজ চা যা ১০ রকম ভেষজের পারফেক্ট মিশ্রনে তৈরি করা হয়েছে,তাই আলাদা করে কোন মশলা যোগ করার ঝামেলা থাকে না।
উপকারীতাঃ
এতে ব্যবহার করা হয়েছে ব্লাকটি,আদা,দারুচিনি,যষ্টিমধু্,তুলসি পাতা ও অন্যান্য ভেষজের মিশ্রন,
যা যেকোন ভাইরাল ফ্লু,কাশি-গলাব্যাথা ঠিক করতে সাহায্য করে।
এছাড়া খাদ্যনালী ও পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, টেস্টোটেরনের সঠিক মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখার পাশাপাশি ওজন কমাতে ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এটি।

গমের আটার উপকারিতাঃ- # ভাতের পর বাঙালির সবচেয়ে পছন্দের খাবারটি হচ্ছে রুটি। শর্করা জাতীয় এই খাদ্য হিসেবে রুটি অনেক পুষ্...
16/09/2020

গমের আটার উপকারিতাঃ-
# ভাতের পর বাঙালির সবচেয়ে পছন্দের খাবারটি হচ্ছে রুটি। শর্করা জাতীয় এই খাদ্য হিসেবে রুটি অনেক পুষ্টিতে ভরপুর। তবে অবশ্যই সেটা নির্ভর করছে আপনি সাদা আটার রুটি নাকি লাল অাটার রুটি খাচ্ছেন।

# মূলত আটা পাওয়া যায় গম থেকে। গমের খোসা সহ পিষে লাল আটা তৈরি করা হয় যাকে বলা যায় আন- রিফাইন আটা। আর গমের উপরিভাগের খোসা ছাড়িয় সাদা আটা তৈরি করা হয়। যাকে বলা যায় রিফাইন করা আটা।

# বর্তমান সময়ে রিফাইন করা সাদা আটার তৈরি রুটি সহ অন্যান্য খাদ্য পছন্দ করি। সাদা ধবধবে রুটি চাই নাস্তার টেবিলে। বাদমি দেখতে লাল আটার তৈরি রুটি যেন বেমানান। ব্যাপারটা কি শুধুমাএ রঙের নাকি আমাদের অসচেতনতায় দায়ি এর জন্য?

প্রশ্নটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে চলুন লাল আটার পুষ্টিগুণ এবং সাদা আটার পুষ্টিগুণের পার্থক্যটা দেখে নেয়া যাক।

লাল আটার পুষ্টিগুণ এবং সাদা আটার পুষ্টিগুণঃ-

গমের শস্যের তিনটি লেয়ার রয়েছে। সবচেয়ে উপরে থাকা লেয়ারটির নাম হচ্ছে বান। এতে রয়েছে মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। লাল আটায় যা সম্পূর্ণভাবে পাওয়া যায়। সাদা আটায় যার কোন কিছুই পাওয়া সম্ভব নয়। দ্বিতীয় লেয়ারটি নাম হচ্ছে এনডাসপার্ম যা শস্যের মধ্য অংশটিকে বলা হয়। খোসা ছাড়ানোর পর সাধারণত এই অংশ দেখা যায়। সবচেয়ে ভিতরের লেয়ারটির নাম হচ্ছে জার্ম বা অঙ্কুর। এই অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ভিটামিনস্ , প্রোটিন ও মিনারেল রয়েছে।

রিফাইন করা আটায় শুধুমাত্র এনডাসপার্ম পাওয়া যায়। আর এতে উল্লেখ্যযোগ্য কোন ভিটামিন পাওয়া যায় না। লাল আটায় উপরোক্ত তিনটি উপাদান পাওয়া যায় সাথে তার পুষ্টিগুণ।

১০০ গ্রাম লাল আটার রুটিতে রয়েছে ৮০% ক্যালরি, ০.৫ গ্রাম ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট ১৫ গ্রাম, ফাইবার ৩ গ্রাম, সুগার ০ গ্রাম,প্রোটিন ৪ গ্রাম।

সাদা আটার ক্ষেত্রে ক্যালরি ৭০%, ফ্যাট ৭৫ গ্রাম, ১২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ২ গ্রাম, সুগার ১.৫ গ্রাম, প্রোটিন ৩ গ্রাম। লাল আটার রুটি সর্বাপেক্ষা অধিক পুষ্টি সন্বলিত সাদা আটার রুটি থেকে।

লাল আটায় আরোও রয়েছে ম্যাগানিজ ৬৯গ্রাম, ফসফরাস ১৫ গ্রাম, থায়ামিন ১৪ গ্রাম, ম্যাগনেশিয়াম ১২ গ্রাম, কপার ৯ গ্রাম এবং জিংক ও কপার ৭ গ্রাম। সাদা আটা রিফাইন প্রক্রিয়া দিয়ে যাওয়ার কারণে প্রায় অধেক গুনাবলি নষ্ট হয়ে যায়।

এতো গেল পুষ্টিগুণ এর কথা। আবার উপকারিতার দিক থেকেও লাল আটা সবচেয়ে বেশি গ্রহনযোগ্য সাদা আটার থেকে।

লাল আটা উপকারিতাঃ--

১। লাল আটায় নিয়মিত খাওয়ার ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।২১০৬ সালের রিভিউ এ্যানালাইজড এক গবেষণায় জানা যায় নিয়মিত লাল আটার রুটি খাওয়ার ফলে ২২% পর্যন্ত হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।

২। অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবনতা থেকেও মুক্তি দিবে লাল আটার রুটি। কারণ অতি সমৃদ্ধ খাদ্য আশঁ বা ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে।

৩। লাল আটার রুটি বিশেষভাবে উপকারি ডায়বেটিকদের জন্য।কারণ সাদা আটায় থাকা বাড়তি সুগার ডায়বেটিকদের জন্য ক্ষতির কারণ। লাল আটায় যা নেই বলেই চলে।

৪। যারা ওজন কমানোর দিকে মন দিয়েছেন তাদের জন্যও লাল আটার রুটি। ডায়েটশিয়ানরা ডায়েট চার্টে লাল আটার রুটিকে রাখতে পরামর্শ দেন।

৫। লাল আটায় থাকা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স আপনার শরীরকে দিবে ভরপুর এনার্জী সাথে মেটাবলিজম সিস্টেম কেউ উন্নত করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর হয়।

৬। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় লাল আটা। লাল আটায় থাকা লিগনান নামক উপাদানটি ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে।

৭। লাল আটার রুটি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে ফলে ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস ঝুঁকি কমে যায়। তাছড়া কোলেস্টেরলের মাএা নিয়ন্ত্রণ করে এই আটার রুটি।

সুতরাং বলায় যায় লাল আটার রুটি আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ সহায়ক।

ঠিকানাঃ১০/৩০৭ রূপনগর টিনসেড, মিরপুর ঢাকা-১২১৬
মোবাইল- ০১৭৫১৮৮৭৮৭৬,০১৯৪৪৫২৮৮৮৫
ই-মেইলঃ [email protected]

আপনাদের আজ ‘মসলার রানি’খ্যাত হলুদের গুণের কথা শোনাব। হলুদের রং সোনালি। মনমোহিনী একটা ঘ্রাণও আছে তার। হাজার বছর ধরে সারা ...
12/09/2020

আপনাদের আজ ‘মসলার রানি’খ্যাত হলুদের গুণের কথা শোনাব। হলুদের রং সোনালি। মনমোহিনী একটা ঘ্রাণও আছে তার। হাজার বছর ধরে সারা পৃথিবীর মানুষ রান্নার কাজে হলুদ ব্যবহার করে আসছে।

প্রথমে হলুদের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে কিছু তথ্য বলে রাখি। আমেরিকার কৃষি বিভাগের জাতীয় পুষ্টিগুণ তথ্যপঞ্জি মতে, ১ টেবিল চামচ হলুদগুঁড়ায় পাওয়া যায় ২৯ ক্যালরি, শূন্য দশমিক ৯১ গ্রাম প্রোটিন, শূন্য দশমিক ৩১ গ্রাম চর্বি, ৬ দশমিক ৩১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২ দশমিক ১ গ্রাম আঁশ ও শূন্য দশমিক ৩ গ্রাম গ্লুকোজ। এ ছাড়া পাওয়া যায় দৈনিক চাহিদার ২৬ শতাংশ ম্যাংগানিজ, ১৬ শতাংশ আয়রন, ৫ শতাংশ পটাশিয়াম, ৩ শতাংশ ভিটামিন সি এবং সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, ক্যালসিয়াম, কপার ও জিংক। এত সব পুষ্টি উপাদানের উপকারিতা বিচারে হলুদকে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার অন্যতম উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

হলুদে পুষ্টিগুণ তো আছেই, সেই সঙ্গে আছে বিভিন্ন রোগপ্রতিরোধকারী ক্ষমতা।

কাঁচা হলুদ রূপচর্চায় ব্যবহার করা যায়। ছবি: প্রথম আলোকাঁচা হলুদ রূপচর্চায় ব্যবহার করা যায়। ছবি: প্রথম আলো
ক্যানসার প্রতিরোধে হলুদ
হলুদে কারকিউমিনের উপস্থিতির কারণে হলুদ প্রোস্টেট ক্যানসার, প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার, মাল্টিপ্লাই মায়োলেমা জাতীয় ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক বলে ধারণা করা হয়। হলুদের কারকিউমিন ক্যানসার কোষগুলোর বৃদ্ধি প্রতিহত করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করে দেয়। এ ছাড়া রেডিয়েশনের কারণে সৃষ্ট টিউমারের বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ উপায়ে প্রতিহত করতে পারে হলুদ।

আর্থ্রাইটিস থেকে মুক্তিলাভ
অস্টিও আর্থ্রাইটিস ও রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের প্রকোপ কমাতে হলুদের ব্যথা নিবারক বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে। হলুদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণের কারণে ক্ষতিকর ফ্রি রেডিকেলগুলো ধ্বংস হয় বলে আমাদের দেহের কোষগুলো সুস্থ থাকে। যাঁরা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে ভুগছেন, তাঁরা যদি নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় হলুদ খাওয়া শুরু করেন, একপর্যায়ে তাঁদের এই জয়েন্ট পেন অনেকটাই কমে যাবে।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
হলুদের লাইপোপলিস্যাকারাইড দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এর অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল এজেন্ট প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। এরূপ শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠান্ডা, সর্দি, কাশি হওয়ার প্রবণতাকে রোধ করে।

সুস্থ ও কর্মক্ষম যকৃতের জন্য চাই হলুদ
হলুদ মানবদেহে কিছু গুরুত্বপূর্ণ এনজাইমের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। এই এনজাইমগুলো শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে যকৃতে আসা বিষাক্ত পদার্থগুলোকে ভেঙে দেয় এবং রক্তের মাধ্যমে প্রবাহিত করে শরীর থেকে বের হতে সাহায্য করে। এভাবে হলুদ রক্তপ্রবাহকে সতেজ ও উন্নত করে, যা যকৃতের সুস্থতার জন্য সহায়ক।

খাদ্য পরিপাক ও অতিরিক্ত ওজন কমাতে সহায়ক
নিয়মিত ক্ষয়রোধ ও প্রদাহ রোধ করে খাদ্যনালির সুস্থতা নিশ্চিত করে হলুদ। আইবিএসের (Irritable bowel syndrome) আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় হলুদের ভূমিকা অনন্য। গ্যাসের কারণে পেট ফুলে যাওয়াকে প্রতিহত করে হলুদ।

হলুদ পিত্তরসের নিঃসরণ বাড়িয়ে দিয়ে খাদ্যে অবস্থিত চর্বিকে ভাঙতে সহায়তা করে। যাঁরা ওজন কমাতে ইচ্ছুক, তাঁরা প্রতিবার খাবার সময় ১ চা-চামচ পরিমাণ হলুদগুঁড়া খাবারের সঙ্গে খেলে উপকার পেতে পারেন।

হলুদের অ্যান্টিসেপ্টিক গুণাবলি
প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে হলুদ যেকোনো সংক্রমণকে প্রতিহত করে। শরীরের কোনো কাটা বা পোড়া ক্ষত স্থানে হলুদ লাগিয়ে দিলে দ্রুত ক্ষত পূরণ হয়ে যায়।

বার্ধক্যে আলঝেইমার ডিজিজ প্রতিরোধে হলুদ
ধারণা করা হয়, মস্তিষ্কের প্রদাহের কারণে বৃদ্ধ বয়সে অনেকের আলঝেইমার রোগ হয়। এ রোগে বোধশক্তি কমে যায়। হলুদের প্রদাহবিরোধী গুণের কারণে মস্তিষ্কে সৃষ্ট প্লাক ভেঙে গিয়ে অক্সিজেন সরবরাহ উন্নত হয়। তাই এই রোগ দেরিতে দেখা দেয় বা অনেকাংশে প্রতিহত হয়।

সবকিছুই একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় গ্রহণ করতে হয়। না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে। হলুদের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নেই। তাই মাত্রাতিরিক্ত হলুদ গ্রহণের কুফলও জেনে রাখুন।
১. হলুদ পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড নিঃসরণকে বাড়িয়ে দেয়, ফলে কারও কারও ক্ষেত্রে উপকার হলেও কারও ক্ষেত্রে বিপরীত প্রতিক্রিয়াও দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
২. বিশুদ্ধকরণ গুণের কারণে হলুদ রক্তকে তরল রেখে রক্তনালির মধ্য দিয়ে রক্তের প্রবাহকে সহজ করে। যাঁদের রক্তচাপ কম, তাঁদের আলাদা করে বেশি মাত্রায় হলুদ না খাওয়াই ভালো। যাঁরা নিয়মিতভাবে রক্ত তরলকারী ওষুধ সেবন করে আসছেন, তাঁদেরও আলাদা করে ওষুধ আকারে হলুদ খাওয়া ঠিক হবে না।
বিভিন্নভাবে হলুদ খাওয়া ও ব্যবহার করা যায়।
১. গুঁড়া হলুদ রান্নায় ব্যবহার করে,
২. ক্যাপসুল আকারে,
৩. কাঁচা হলুদ টুকরা করে কেটে আখের গুড় দিয়ে মেখে খাওয়া যায়,
৪. রূপচর্চায় বাটা হলুদ ব্যবহার করা যায়।

হলুদের সর্বোচ্চ উপকার পাওয়ার জন্য আপনি নিয়মিত ‘হলুদ চা’ পান করতে পারেন।

যেভাবে হলুদ চা তৈরি করবেন

উপকরণ
১ কাপ পানি, আধা চা-চামচ হলুদগুঁড়া, ১ চা-চামচ মধু (স্বাদের জন্য)।

প্রস্তুত প্রণালি

১ কাপ হালকা গরম পানিতে পরিমাণমতো হলুদগুঁড়া ও মধু ভালোমতো মিশিয়ে নিলেই হয়ে যাবে হলুদ চা। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই চা পান করার অভ্যাস করলে অনেক ভালো ফল পাওয়া যাব

ঠিকানাঃ১০/৩০৭ রূপনগর টিনসেড, মিরপুর ঢাকা-১২১৬
মোবাইল- ০১৭৫১৮৮৭৮৭৬,০১৯৪৪৫২৮৮৮৫
ই-মেইলঃ [email protected]

মরিচ অতি পরিচিত মসলা। মরিচের আদি নিবাস মেক্সিকো হলেও বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এর চাষ হয়ে থাকে। মরিচ শত শত বছর আ...
06/09/2020

মরিচ অতি পরিচিত মসলা। মরিচের আদি নিবাস মেক্সিকো হলেও বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এর চাষ হয়ে থাকে। মরিচ শত শত বছর আগে থেকে রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এখন মানুষ বাটা মরিচের পরিবর্তে বাজারে পাওয়া যায় এমন প্যাকেট জাত গুঁড়া মরিচ রান্নার কাজে ব্যবহার করছে। এই মশলার উপকরণটি আমাদের দক্ষিন এশিয়ার সংস্কৃতি, ধারা, অনুষ্ঠান-পর্বের সাথে আত্মিক ভাবে জড়িত। আমরা বগুড়া থেকে উৎকৃষ্ট মানের লাল মরিচ সরাসরি সংগ্রহ করে নিয়ে আসি। তারপর সেগুলোকে বাছাই করে মেশিনে চূর্ণ করি। এই কারণে আমরা আপনাদের এই মরিচ গুঁড়ার স্বকীয়তা, গুণগত মান, মূল্য এবং সব ধরণের বিষমুক্ততার ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারি।

Chilli Powder (মরিচ গুঁড়া)
পুষ্টিগুণ

পানি ৮-১০ গ্রাম
আমিষ ১৩-১৬ গ্রাম
শ্বেতসার ৩৩ গ্রাম
আঁশ ২৫-৩০ গ্রাম
স্নেহ ৬-১১ গ্রাম
ক্যারোটিন ২০০-২০০০০ এ ইউ
থয়ামিন ০.৬ মিলিগ্রাম
রাইবোফ্লেভিন ০.৫ মিলিগ্রাম
নায়াসিন ১২.০ মিলিগ্রাম
ভিটামিন-সি নগণ্য মিলিগ্রাম

শুকনো মরিচ ছাড়া রান্নায় যেন ঠিক স্বাদ আসে না। তবে অনেকেই ভাবেন, বেশি শুকনো মরিচ খেলে নাকি পাকস্থলীতে ক্যান্সার হয়। কিন্তু এটা পুরোটাই ভুল ধারণা। বরং সুস্বাস্থ্যের জন্য শুকনো মরিচের হাজারো গুণাগুণ রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, শুকনো মরিচের উপকারিতার কথা-

১) যৌন উদ্দীপনা বাড়ায়- শুকনো মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন যৌন উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে। যা এন্ডোরফিনের ক্ষরণ বাড়িয়ে, যৌন চাহিদা বাড়ায়।

২) ইমিউনিটি বাড়ায়- শুকনো মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-A ও C থাকে। প্রতিদিন যদি কেউ শুকনো মরিচ খায়, তবে তার নাসিকাপথ পরিষ্কার থাকবে। অন্ত্র, মূত্রনালী ও ফুসফুসে কোনো সংক্রমণ হবে না।

৩) ব্যথার উপশম- আর্থারাইটিস বা বাতের ব্যথায় শুকনো মরিচ দারুণ কাজে দেয়। শুকনো মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন যেকোনো ধরনের মাসল্ পেইন, জয়েন্ট পেইন, অস্টিওআর্থারাইটিসের যন্ত্রণা কমায়।

৪) চোখ ভালো রাখে- শুকনো মরিচে থাকে ভিটামিন-A, যা চোখের জন্য খুব উপকারী। রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। রেটিনার কোষের ক্ষয় আটকায়।

৫) রক্তচাপ কমায়- শুকনো মরিচ কোলেস্টেরল কমায়। প্লেটলেট বা অনুচক্রিকাকে জমাট বাঁধতে দেয় না। রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায়। ধমনীকে প্রসারিত করে। হাইপারটেনশন কমায়। যার ফলে কমে রক্তচাপ। কমে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি।

ঠিকানাঃ ১০/৩০৭, রূপনগর টিনসেড, মিরপুর ঢাকা-১২১৬।
মোবাইলঃ ০১৯৪৪৫২৮৮৮৫,০১৭৫১৮৮৭৮৭৬
ই-মেইলঃ [email protected]

যদি সুস্থ্য থাকতে চান তাহলে আর সদা চিনি নয়, তার পরিবর্তে লাল চিনি খান :সাদা চিনি মানব শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। সাদা...
05/09/2020

যদি সুস্থ্য থাকতে চান তাহলে আর সদা চিনি নয়, তার পরিবর্তে লাল চিনি খান :
সাদা চিনি মানব শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। সাদা চিনি নিয়মিত গ্রহন করলে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়।
তাই সাদা চিনিকে বলা হয় হোয়াইট পয়জন।

উন্নত বিশ্বে সাদা চিনির বদলে লাল চিনি বা Brown Sugar এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশে এই ব্যাপারে সচেতনতা এখনও তেমন একটা বৃদ্ধি পায়নি। বাংলাদেশে লাল চিনি হিসাবে যা পাওয়া যায় তা হচ্ছে সাদা চিনির সাথে চিটাগুড়ের মিশ্রণ। এর দামও অনেক বেশি।
সাদা চিনি তামাক, এলকোহলের মত আসক্তি সৃষ্টি করে। সাদা চিনি যত খাওয়া হয় তত এটি ব্রেইনকে উদিপ্ত করে আরও বেশি খাবার জন্য । সাদা চিনি খওয়ার ফলে গ্রেলিন, লেপটিন, ডোপামিন, ইত্যাদি হরমোনের স্বাভাবিক ছন্দ প্রবাহ কিছুটা বাধা প্রাপ্ত হয় যা ব্রেইনে ক্ষুধার অনুভুতি বাড়িয়ে দেয় ফলে আমরা অতিরিক্ত পরিমানে খাবারে অভ্যস্ত হয়ে পরি যা স্থুলতার সৃষ্টি করে ।
আর আমরা সবাই জানি শারীরিক স্থুলতা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার ইত্যাদি রোগের কারন।



এক চা চামচ সাদা চিনিতে ১৬ কিলোক্যালরি ও লাল চিনিতে ১৭ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি পাওয়া যায়। লাল চিনির মোলাসেসে স্বাস্থ্যের জন্য দরকারি কিছু খনিজ উপাদান, যেমন ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও ফলিক এসিড রয়েছে।

লাল চিনির উপকারিতা গুলো উল্লেখ করা হল :
চিনি কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাবার, যা আমাদের দেহে শক্তির জোগান দেয়। আমরা প্রধানত উদ্ভিজ্জ উৎস যেমন_আখ, মিষ্টি বিট থেকে চিনি পাই। এ ছাড়া প্রাকৃতিক কিছু খাবার যেমন দুধ, ফল, মধুও চিনির উৎস। সাধারণত চিনি সাদা এবং লাল বা বাদামি_এ দুই রঙের হয়। সুন্দর পরিষ্কার রঙের জন্য সাদা চিনি জনপ্রিয় হলেও পুষ্টিগুণের দিক থেকে লাল চিনি উৎকৃষ্ট।
লাল চিনি মোলাসেস নামক এক প্রকার আঠাল উপাদানের জন্য চিনি লাল বা বাদামি রং ধারণ করে। এ মোলাসেস আখ থেকে চিনি উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে উৎপন্ন হয়। অপরিশোধিত ও আংশিক পরিশোধিত চিনিতে প্রায় ৩.৫ শতাংশ মোলাসেস থাকে। তাই একে প্রাকৃতিক চিনিও বলা হয়ে থাকে। সাদা চিনি লাল চিনিকে বেশি পরিশোধিত করে সাদা চিনিতে রূপান্তর করা হয়। যে চিনির রং যত বেশি সাদা, তত বেশি পরিশোধিত, তত কৃত্রিম এবং তত কম পুষ্টিসম্পন্ন।
সাদা ও লাল চিনির পুষ্টিতত্ত্ব স্বাদ ও গন্ধের দিক থেকে লাল চিনি সাদা চিনি অপেক্ষা উন্নত। লাল চিনি দিয়ে তৈরি খাবার সুস্বাদু ও পুষ্টিকর।

লাল চিনির গুণের কথা-
* লাল চিনির মোলাসেস অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
* এতে বিদ্যমান ফলিক এসিড দেহে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
* এ চিনি দেহে রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।
* লাল চিনির খাদ্য উপাদান অন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে এবং ক্ষুধামান্দ্য দূর করে।
* এ চিনির উপাদান হজমে সহায়তা করে।
* আয়রনসমৃদ্ধ হওয়ায় প্রসব-পরবর্তী সময়ে মায়েদের জন্য উপকারী।
* লাল চিনি ত্বক চর্চায় ব্যবহার হয়।
*সর্দিজ্বর হলে লাল চিনি এক কাপ গরম পানির সঙ্গে আদা কুচি ও লাল চিনি মিশিয়ে খেলে
সর্দিজ্বর দ্রুত ভালো হয়।
*ত্বক পরিচর্যায় লাল চিনি লাল চিনি ও দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে ফেসিয়াল মাস্ক হিসেবে
ব্যবহার করা যায়।
*প্রতিদিন একবার করে এ মাস্ক ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর হয় এবং
ত্বক উজ্জ্বল হয়।
কতটুকু খাবেন?
একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও মহিলাকে তার সারা দিনের গৃহীত খাদ্যশক্তির ৬-১০ শতাংশ চিনি থেকে গ্রহণ করা উচিত। তবে পুষ্টিবিদের পরামর্শ ছাড়া বেশি চিনি গ্রহণ করা উচিত নয়।

ঠিকানা:১০/৩০৭, রূপনগর টিনসড, মিরপুর
ঢাকা-১২১৬ ।
মোবাইল:০১৯৪৪৫২৮৮৮৫, ০১৭৫১৮৮৭৮৭৬
ই-মেইল: [email protected]

আমরা সরাসরি সিলেট  থেকে চা-পাতা সংগ্রহ করি।আমাদের কাছে পাবেন ২ ধরনের চা পাতা। ১.Regular- চা পাতা২.Export Quality চায়ের ...
30/08/2020

আমরা সরাসরি সিলেট থেকে চা-পাতা সংগ্রহ করি।
আমাদের কাছে পাবেন ২ ধরনের চা পাতা।
১.Regular- চা পাতা
২.Export Quality

চায়ের ৮ টি অসাধারণ উপকারিতা!

১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়
রোজ টি-তে রয়েছে ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২) ক্যাফেইন-এর পরিমাণ কম থাকে
কফির তুলনায় চায়ে ক্যাফেইন-এর পরিমাণ কম থাকার কারণে চা পান করলে কফির তুলনায় কম ক্ষতি হয়। তাই তো কফিকে টাটা বাই-বাই বলে আজ থেকেই সকাল বিকাল শুরু করুন চা পান।

৩) হার্টকে ভালো রাখে
লিকার চায়ে এমন কিছু এনজাইম থাকে, যা হার্টে রক্ত সরবরাহ বাড়িয়ে দিয়ে হৃদপিন্ডকে সুস্থ রাখে। তাই তো চিকিৎসকেরা দিনে কম করে দুবার লিকার চা খাওয়ার পরামর্শ দেন।

৪) ক্যানসার প্রতিরোধ করে
একাদিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে গ্রিন টি-তে এমন কিছু উপাদান থাকে যা শরীরে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি আটকে দেয়।

৫) মাইগ্রেন-এর কষ্ট কমায়
এক্ষেত্রে ল্যাভেন্ডার চা খুব কাজে দেয়। আসলে এই চায়ে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ, যা মস্কিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দিয়ে মাইগ্রেন-এর যন্ত্রণাকে কমিয়ে ফেলে।

৬) নার্ভ-কে শান্ত করে
চায়ে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেনের সরবরাহ বৃদ্ধি করে। ফলে নার্ভ শান্ত হয়। সেই সঙ্গে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তিও দূর হয়।

৭) যন্ত্রণা কমায়
শরীরে কোথাও চোট লেগেছে? বেশ যন্ত্রণাও হচ্ছে? চিন্তা নেই এক কাপ মধু চা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন সব কষ্ট কেমন নিমেষে কমে যাবে। আসলে মধু চা প্রদাহ হ্রাস করে। সেই সঙ্গে ক্ষতস্থানের ফোলা ভাব কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮) ইউ ভি রেডিয়েশন-এর হাত থেকে বাঁচায়
প্রতিদিন চা পান করলে ইউ ভি রেডিয়েশন-এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কোষেরা রক্ষা পায়। ফলে স্কিন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

ঠিকানাঃ১০/৩০৭ রূপনগর টিনসেড, মিরপুর ঢাকা-১২১৬
মোবাইল- ০১৭৫১৮৮৭৮৭৬,০১৯৪৪৫২৮৮৮৫
ই-মেইলঃ [email protected]

খাঁটি ঘি🥫🥫🥫আজকাল খাদ্যপণ্যের বিশুদ্ধতা নিয়ে আমরা সবাই সংকিত থাকি। যেকোনোভাবেই ভেজালমুক্ত খাবার আমাদের সকলেরই কাম্য।তাই আ...
30/08/2020

খাঁটি ঘি🥫🥫🥫
আজকাল খাদ্যপণ্যের বিশুদ্ধতা নিয়ে আমরা সবাই সংকিত থাকি। যেকোনোভাবেই ভেজালমুক্ত খাবার আমাদের সকলেরই কাম্য।
তাই আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা আপনার হাতে এই খাঁটি ঘি তুলে দেবার....

ঠিকানাঃ১০/৩০৭ রূপনগর টিনসেড, মিরপুর ঢাকা-১২১৬
মোবাইল- ০১৭৫১৮৮৭৮৭৬,০১৯৪৪৫২৮৮৮৫
ই-মেইলঃ [email protected]

মধুর যাদু...! # প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা,কফ,কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়। # হাজারো গুণে ভরা মধুতে গুক...
30/08/2020

মধুর যাদু...!

# প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা,কফ,কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়।

# হাজারো গুণে ভরা মধুতে গুকোজ ও ফ্রুকটোজ আছে যা শরীরে শক্তি যোগায়। এর অন্যান্য উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

# মন ভালো করতে প্রতিদিন হালকা গরম পানির সাথে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খান। সঙ্গে একটু দারুচিনির গুঁড়াও ছিটিয়ে নিতে পারেন।

# প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে ওজন কমে যায় কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়াও এভাবে প্রতিদিন খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে,শরীরের বিষাক্ত উপাদান গুলো বের হয়ে যায় এবং শরীরের মেদ গলে বের হয়ে যায়।

# মধুর সাথে দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

# মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কমে এবং যারা ইতিমধ্যেই একবার হার্ট অ্যাটাক করেছেন তাদের দ্বিতীয়বার অ্যাটাকের ঝুকি কমে যায়।

# হজমের সমস্যা থাকলে প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খান।

# যারা সারাক্ষন দূর্বলতায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেয়ে নিন এবং সারা দিন সবল থাকুন।

# সকালে ত্বকে মধু লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে মধুর বেশ কিছু উপাদান ত্বক শুষে নেয়। ফলে ত্বক মসৃণ ও সুন্দর হয়।

# ত্বকে নিয়মিত মধু ব্যবহার করলে ত্বকের দাগও চলে যায়।

ঠিকানাঃ ১০/৩০৭ রূপনগর টিনসেড, মিরপুর ঢাকা-১২১৬
মোবাইল- ০১৭৫১৮৮৭৮৭৬,০১৯৪৪৫২৮৮৮৫
ই-মেইলঃ [email protected]

Address

H-307(1st Floor), R-10, Rupnagar Tinshid, Mirpur
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 08:00 - 20:00
Tuesday 08:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 20:00
Thursday 08:00 - 20:00
Friday 08:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 20:00

Telephone

+8801751887876

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HR Food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to HR Food:

Share