Azim Online bd.com

Azim Online bd.com Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Azim Online bd.com, Restaurant, Dhaka, Dhaka.

মৃত্যু আসার পূর্বেই পরিবারকে যে সমস্ত বিষয়ে ওসিয়ত করা উচিত:🔘১) সবাইকে আমার মৃত্যুর খবর বলবেন না (মেয়েদের ক্ষেত্রে).......
28/09/2022

মৃত্যু আসার পূর্বেই পরিবারকে যে সমস্ত বিষয়ে ওসিয়ত করা উচিত:

🔘১) সবাইকে আমার মৃত্যুর খবর বলবেন না (মেয়েদের ক্ষেত্রে)....
🔘২) আমার মৃত্যুর সংবাদ শুনলে পড়ুন "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"
🔘৩) আমার মৃত্যুকে অকাল মৃত্যু বলবেন না, কারণ আমি আমার নির্ধারিত রিযিক ভোগ করে ফেলেছি।
🔘৪) আমাকে নিয়ে বিলাপ-মাতম করবেন না কারণ এটা সুন্নাহ বিরোধী কাজ,
🔘৫) আমার মৃত্যুতে চল্লিশা, কুল-খানি, মিলাদ করবেন না ..
🔘৬) যারা আমার মৃত্যুর খবর শুনবেন বা যারা আমার মৃত্যুর সময় থাকবেন তারা অবশ্যই আমার জানাজায় অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করবেন।
🔘৭) আমার লাশ মাহরাম ছাড়া অন্য কাউকে দেখাবেন না
🔘৮) আমার লাশকে সুন্দরভাবে গোসল করার ব্যবস্থা করে দিবেন,
🔘৯) লাশ দাফনে ইসলামিক রীতিনীতি অবলম্বন করবেন.... সমাজের নয়। যথাসম্ভব দ্রুত দাফন করবেন আমাকে।
🔘১০) আমাকে কবরস্থ করার পর কিছুক্ষণ সেখানেই থাকুন আর পড়ুন আল্লাহুম্মা সাব্বিতহু আল্লাহুম্মা সাব্বিতহু।
🔘১১) আমার কবরের আজাব লাঘবের জন্য ও মুনকার নাকিরের প্রশ্নের উত্তর যেন দিতে পারি সেই দোয়া করবেন আল্লাহুম্মা সাব্বিত হু আলাল ইমান।
🔘১৩) আমার হয়ে দান-সাদাকা করবেন
🔘১৪) আমার সাদাকায়ে জারিয়া চালু থাকলে সেটার খবর নিয়েন,, সে গুলোকে সমুন্নত করার চেষ্টা করবেন।
🔘১৫) আমার পরিবারের খবর নিবেন
🔘১৬) আমার মৃত্যু থেকে এই শিক্ষা নিয়ে ফিরে যাবেন... আপনার সময়ও অতি নিকটে..!!!
🔘১৭/ আমার পাওনা আমার পরিবার কে ফিরিয়ে দিবেন, না পারলে সাদকাহ জারিয়া করবেন আমার জন্য, তাও না পারলে আজিবন আমার জন্য দুয়া করবেন আমি ক্ষমা করে দিব ইন শা আল্লাহ ।
🔘১৮/ কারো নিকট আমার কোনো ছবি থাকলে তা পুড়িয়ে ফেলবেন, ডিলিট করে দিবেন।
🔘১৯/ আপনি আমার কাছে পেয়ে থাকলে আমার জীবিত অবস্থায়ই চেয়ে নিবেন আমার কাছে, আর যদি মরে যাই পরিবারের কাছে চাবেন। তারা না দিলে ক্ষমা করে দিবেন আল্লাহর জন্য আল্লাহ ও আপনাকে ক্ষমা করবেন ।
اللهم إني أسألك حسن الخاتمة مع كلمة التوحيد موتا شهيدا
وأدخلني الجنة الفردوس الاعلي بلا حساب ولاعذاب يا رب العالمين.
🕋আল্লাহ তোমার কাছে কালিমা নসিব করে উত্তম শহিদি মরন চাই। কোন প্রকার আযাব হিসাব ছাড়া জান্নাতুল ফেরদৌসের প্রবেশ করতে দিও হে পৃথিবীর মালিক।

🤲আমিন🤲 [সংগৃহিত]

বয়স থাকতেই হাসবেন্ড ওয়াইফ,  কোয়ালিটি টাইম এনজয় করা উচিৎ, ভালো কোথাও বছরে একবার ঘুরতে যাওয়া,মাসে অথবা সপ্তাহে রেস্টুরেন্ট...
27/05/2022

বয়স থাকতেই হাসবেন্ড ওয়াইফ, কোয়ালিটি টাইম এনজয় করা উচিৎ, ভালো কোথাও বছরে একবার ঘুরতে যাওয়া,মাসে অথবা সপ্তাহে রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়া
অনেক সময় টাকা পয়সা অপচয় মনে হতে পারে,জীবনে বেঁচে থাকলে রিজিকের ব্যাবস্থা হবেই..

কিন্তু একটা সময় আসে বৃদ্ধ বয়সে আপনার টাকাই থাকবে হয়তো কিন্তু আপনি চাইলেই কিছু খেতে পারবেন না,শারিরীক অসুস্থতায়, ঘুরতে মন চাইলেও তখন পারবেন না,দামী জামা কাপড় চাইলেও পড়তে মন চাইবে না৷ ।

সন্তানের লেখা পড়া অথবা বিভিন্ন রেসপন্সিবিলিটি আসবে, তার মধ্যেও সময় বের করা যায়... সব, সম্পদ, টাকা সন্তানের জন্য সঞ্চয় করবেন কিন্তু অল্প কিছু নিজেদের জন্য বরাদ্দ রাখা উচিৎ...

দিন শেষে আপনার বাচ্চার ও আলাদা লাইফ হবে,সে তার লাইফ এনজয় করবে,তখন খারাপ লাগবে.....
তখন মেয়ে মেয়ের জামাই, ছেলে ছেলের বউ ঘুরতে গেলে, রেস্টুরেন্টে গেলে, আফসোস হবে না, তাদের এনজয়মেন্ট তখন ভালো লাগবে... তারাও সম্মান করবে..

টেনশন , টাকা পয়সার টানাটানি , ব্যাবসায় প্রবলেম , হাজার হাজার মানসিক কস্ট।কিন্তু এইগুলো যেনো সম্পর্কে প্রভাব না ফেলে।

জীবনের এই ছোট ছোট এনজয়মেন্ট এর জন্য আপনার মন মানসিকতা উদার হবে, সবাই কে নিয়ে ভালো থাকতে পারবেন,
একটা সময় লাইফ পার্টনার থাকবে না পাশে কিন্তু আপনাদের অসংখ্য স্মৃতি বাঁচতে শিখাবে বাকি জীবন.…

28/02/2022

অহেতুক কারনে অন্যের পিছে খোচাখোচি করলে পরিণতি এমনি হয়।

09/02/2022

Just Enjoy 😄😄

31/01/2022

ব্যাঙের ৩ নম্বর বাচ্চা 😄😄😄😄

সফট স্কিলস অন্য উচ্চতায় নিজেকে এগিয়ে যেতে হলে আপনার এই ৭ টা সফট স্কিল থাকতে হবে ১। কমিউনিকেশন স্কিলসআপনি যেখানেই কথা বলে...
17/01/2022

সফট স্কিলস

অন্য উচ্চতায় নিজেকে এগিয়ে যেতে হলে আপনার এই ৭ টা সফট স্কিল থাকতে হবে

১। কমিউনিকেশন স্কিলস

আপনি যেখানেই কথা বলেন না কেন, আপনি কী বলতে চাইছেন সেটা স্পষ্ট করে বলা, কোন টোন-এ বলছেন, কথা বলার সময় আপনার বডি ল্যাংগোয়েজ কেমন হচ্ছে, সময়টা ঠিক আছে কিনা – এসব অনেক কিছুই খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই যখন কোনও কিছু নিয়ে কথা বলছেন, সে বিষয়ে আপনার কী বক্তব্য, তা নিজের কাছে যেন পরিষ্কার থাকে। অনেকে খুব তাড়াতাড়ি কথা বলেন। আবার কারও কারও কণ্ঠস্বর এমনই যে কথা বোঝাই যায় না। ভার্বাল কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে কিন্তু তোমাকে খুব স্পষ্ট ভাবে কথা বলতে হবে, যাতে অন্যরা বুঝতে পারেন। যা আমরা “কথা বলার জড়তা কাটানো” এর ৩০ দিনের সেশানে শিখাচ্ছি।

২। লিখার দক্ষতা

যা ভাবছেন, তা স্পষ্ট করে ভাষায় প্রকাশ করাটাও একটা দক্ষতা। তাই, যে কোনও ক্ষেত্রে যা লিখতে হবে, সে প্রজেক্ট রিপোর্টই হোক, বিজনেস প্রোফাইল বা ক্লাস নোট্স, সব কিছুতেই যেন একটা পরিচ্ছন্নতা থাকে। বিশেষত, চাকরিতে বা বিজনেসে যদি সহকর্মীর জন্য কোনও মেমো বা বস-এর জন্যে কোনও রিপোর্ট তৈরি করতে হয়, তা হলে বুঝতে হবে, কী লিখতে হবে, কতটা লিখতে হবে। কম কথায় সোজাসাপটা ভাষায় কোনও কিছু গুছিয়ে লেখার অভ্যাস করো। একই সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে লেখায় গ্রামার, পাংচুয়েশন ও বানান যেন ঠিক থাকে।

৩। শোনার দক্ষতা

এটাও একটা বিরাট দক্ষতা। যে কোনও কাজের জায়গাতেই যে অন্যের কথা মন দিয়ে শোনে, অর্থাৎ যে ‘গুড লিসনার’, তার বা তাদের গুরুত্ব অন্য রকম। তাদেরকে কিন্তু প্রোডাকটিভ ওয়ার্কার হিসেবে দেখা হয়। কারণ আপনি যদি চট করে কোনও কথা শুনে বুঝে যান আপনার কাছ থেকে কী চাওয়া হচ্ছে, তা হলে আপনারই কাজের সুবিধে। এতে বস-এর নেকনজরে পড়বে, সহকর্মীদের সঙ্গেও সুসম্পর্ক তৈরি হবে।

ব্যক্তিগত জীবনেও এই অভ্যেস তৈরি করতে পারলে, জীবনে নানান সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং অন্যান্য মানুষকে বোঝার অনেক সুবিধে হয়। তবে সবাই যে গুড লিসনার হয় তা নয়। আবার অনেক সময় যাঁদের মনে করা হয় গুড লিসনার, তাঁরাও এমন আচরণ করেন, দেখে মনে হবে তিনি কোনও মনোযোগই দিচ্ছেন না। যাঁরা মনোযোগ দিয়ে কথা শোনেন তাঁরা দেখবেন কয়েকটা জিনিস করেন। যেমন, চোখে চোখ রেখে কথা বলা। অন্য ব্যক্তি যখন কথা বলেন, তখন তাঁর কথার মধ্যে কথা না বলা। অযথা উসখুস না করা। কথার মাঝে মাথা নাড়া। বক্তার দিকে সামান্য ঝুঁকে বসা। বক্তার কথা শেষ হয়ে গেলে তবেই প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা।

৪। অর্গানাইজেশনাল স্কিল্‌স

কিছু মানুষ থাকেন, যাঁরা খুব গুছিয়ে কাজ করতে পারেন। এ ধরনের স্কিল যাঁদের থাকে, তাঁরা দেখবে কোনও হুড়োহুড়ি না করেই যে কোনও কাজ করে ফেলতে পারেন। একাধিক অ্যাসাইনমেন্ট খুব স্বচ্ছন্দে করে ফেলতে পারেন এবং তাদের কাজে ভুলও থাকে নামমাত্র। আমরা অনেকেই গুছিয়ে কাজ করতে পারি না। কিন্তু কয়েকটা জিনিস করলেই এই অভ্যাস তৈরি করে ফেলা যায়।

প্রথম কাজই হল কাজের একটা তালিকা তৈরি করা। এ বার কোন কাজটা বেশি গুরুত্বের আর কোন কাজটা কম গুরুত্বের, সেটা ভাগ করে নেয়া। যেমন যেমন কাজ শেষ করছেন, টিক মারতে থাকেন। স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ট্যাবলেট বা হাতে লেখার নোটবুক— যেটাতে আপনার সুবিধে, এই তালিকা বানিয়ে রাখেন। প্রত্যেকটা কাজের জন্য একটা ডেডলাইন করে রাখেন ক্যালেন্ডারে। দরকারে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখেন। একটা রুটিন ফলো করেন।

৫। থিংকিং স্কিলস

অন্যে যা ভাবছে, সেটাকেই সহজে গ্রহণ করবেন না। নিজের ভাবনা-চিন্তা-কল্পনার ওপর জোর দিবেন। এখন চাকরির বা ব্যবসার ক্ষেত্রে যা প্রতিযোগিতা, তাতে নিজের কাজে যে যত সৃষ্টিশীল হতে পারবে, সে তত এগিয়ে যাবে। সমস্যা হলে দেখবে অধিকাংশ মানুষ সেটা নিয়েই মেতে যায়। কিন্তু যে সমস্যা সমাধান করে, সে-ই লিডার হয়। ফলে ঠান্ডা মাথায়, যুক্তি দিয়ে পরিস্থিতির বিচার করে, সমাধানের পথ খোঁজাটা বুদ্ধিমানের কাজ।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একটা বড় দক্ষতা। একটা পরিস্থিতি কী চাইছে, সেটা বুঝে নিয়ে এবং সেই পরিস্থিতির কী কী সমাধান হতে পারে, সেটা ভেবে আপনার যা ঠিক মনে হবে, সেই অনুযায়ী একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অনেকেই নানা রকম পথ বাতলাতে পারে, কিন্তু কোনও একটা পথ চিহ্নিত করতে বললে, দ্বিধায় পড়ে যায়। সেটা কাটিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারাটা খুব বড় গুণ।

৬। প্রফেশনালিজম

কাজের ক্ষেত্রে এই ওপরের শব্দটার গুরুত্ব যথেষ্ট। এর কারণে কাজের জায়গায় আপনার অনেক কিছু বদলে যেতে পারে। এর জন্য কয়েকটা জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। এই সূত্রে কয়েকটা উদাহরণ দেওয়াই যায়। কাজের জায়গায় কিংবা মিটিং-এ দেরিতে পৌঁছনো একেবারেই নয়। এতে ধারণা হয়, আপনি কাজকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

একই নিয়ম খাটে লাঞ্চে যাওয়ার সময়েও। খেতে গিয়ে আড্ডায় অনেক ক্ষণ কাটিয়ে দিলে, এমনটা না করাই ভাল। বাড়িতে বা অন্য কোথাও ঝামেলার কারণে যদি মুড খারাপ হয়ে যায়, সেটা কাজের জায়গায় এনো না। জামাকাপড়ের দিকে নজর দিতে হবে। ফর্মাল বা ক্যাজুয়াল, সেটা যেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে। সাধারণত উইকডেজ-এ ফর্মাল পরবেন। আর, উইকেন্ডে ক্যাজুয়াল। অনেকের অভ্যাস থাকে সহকর্মীদের সঙ্গে পরচর্চা করার। অফিসে এ সব না করাই ভাল।

কোনও ভুল করলে সেটা নিজের ঘাড়ে নিন। অজুহাত দিয়ে অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। ভুল থেকে শিক্ষা নিন। হতেই পারে কোনও একটা বিষয়ে আপনার এক রকম মত, তআপনার সহকর্মী বা বস-এর আর এক রকম। যদি তিনি তোমার মতামত গ্রহণ না করে নিজের মতটাই খাটাতে চান, অযথা রেগে যাবেন না বা চিৎকার-চেঁচামেচি করবেন না। তাঁকে বোঝাবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন, আপনি কোন দিক থেকে বিষয়টা দেখেছ। তার পরেও তিনি যদি রাজি না হন, বিষয়টা নিয়ে আর না এগনোই ভাল।

৭। পিপল স্কিলস

কাজের ক্ষেত্রে বা ব্যক্তিগত জীবনে কেমন ভাবে লোকের সঙ্গে মিশছেন, সেটাই অন্যের কাছে আপনার সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি করে দেয়। আপনার ব্যবহার, অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, এই সব কিছুই কিন্তু এক জন সফল মানুষ হতে খুব প্রয়োজন।

অধিকাংশ মানুষেরই লক্ষ্য থাকে, যেখানে কাজ করছে, সেখানে এক সময় সে নেতৃত্ব দেওয়ার স্তরে পৌঁছবে। এই লিডারশিপ স্কিল তৈরি করতে হলে কিছু বিষয় মাথায় রাখা দরকার। যেমন, দলের মধ্যে একটা মত প্রতিষ্ঠা করতে হলে সবাইকে রাজি করানো একটা বড় ব্যাপার। তার জন্য নিজের চিন্তা এবং অনুভূতিকে ঠিকমত প্রকাশ করতে জানতে হয়। সবাইকে উৎসাহ দিয়ে বুঝিয়ে রাজি করানো এবং নিজের দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে অন্যের আস্থা অর্জন করাটাও একটা জরুরি শিক্ষা। টিমওয়ার্ক মানে কিন্তু একটা টিমকে দিয়ে কতটা কাজ করানো গেল তা নয়, একটা টিম নিজেরা দায়িত্ব নিয়ে কতটা কাজ করল, সেটাই আসল।

এই সফট স্কিল গুলো জানা থাকলে আপনাকে অন্যদের থেকে একটু বেশী এগিয়ে রাখবে।

কতটুক বাচবেন!- ৬০ বছর? বড়জোর ৭০ নাহয় ৭৫ বছর! খুব লাকি হলে ৮০+!এক বছরে ৩৬৫ দিন হয়! প্রতিদিনে ৮৬৪০০ সেকেন্ড! এতো অল্প আয়ুত...
14/01/2022

কতটুক বাচবেন!
- ৬০ বছর? বড়জোর ৭০ নাহয় ৭৫ বছর! খুব লাকি হলে ৮০+!
এক বছরে ৩৬৫ দিন হয়! প্রতিদিনে ৮৬৪০০ সেকেন্ড!

এতো অল্প আয়ুতে মন খারাপ, কষ্ট, পচা ব্যাপারস্যাপার গুলোতে সময় নষ্টের সুযোগ কই!?

ফ্যামিলিকে সময় দিন, ভালো বই পড়ুন, টুক করে বেড়িয়ে আসুন চমৎকার কোন জায়গায়! রাত জেগে আকাশ দেখুন! ভোরের সূর্যোদয় দেখুন!
সন্ধ্যায় পাখিরা কিভাবে ঘরে ফেরে সেটা দেখুন!
নদীর ঢেউ অনুভব করুন!

ভরা পূর্ণিমাতে এবং ভরা অমাবস্যায় তীব্র জোয়ারে ফুসে ওঠা সাগরকে দেখুন!
প্রতিদিন সময় করে আধাঘন্টা কোন শিশুবাবুর সাথে থাকুন! নিষ্পাপ আনন্দের ঔচ্ছল্য দেখুন!
স্রষ্টাকে স্মরণ করুন!

পৃথিবী কতো সুন্দর সেটা ফীল করুন!
নি:শ্বাস কতোটা সুন্দর সেটা অনুভব করুন!

চমৎকার একটা কথা আছে জানেনতো?
- Don't count the days, make the days count!! ^_^

হ্যাপ্পি লাইফিং.. ❤️

22/12/2021

ভিডিও টি ভালো লাগবে ইনশাআল্লাহ

11/12/2021
26/11/2021

WoW

24/11/2021

অসাধারন একটি ভিডিও

22/10/2021

সূরা কুরাইশ: একটি রত্নবিশেষ!
আপনি কোথাও যাওয়ার জন‍্য বের হয়েছেন, বা যানবাহনের জন‍্য অপেক্ষা করছেন, সঠিক সময়ে ও নিরাপদে গন্তব‍্যে পৌঁছানোর ব‍্যাপারে টেনশন হচ্ছে; এরকম পরিস্থিতিতে ৩ বার সূরা কুরাইশ পাঠ করুন। ইন শা আল্লাহ ৫ মিনিটের ভেতর যানবাহন পেয়ে যাবেন এবং নিরপদে গন্তব‍্যস্থানে পৌঁছে যাবেন! এটা বহুল পরীক্ষিত। ব‍্যক্তিগতভাবে ইদানীংকালে আমি একাধিকবার পরীক্ষা করেছি এবং যানবাহনের জন‍্য দূর্ভাবনাময় পরিস্থিতিতে সূরা কুরাইশ পাঠ করার মিনিট পাঁচেকের মধ‍্যেই যানবাহন উপস্থিত হয়েছে, এমনকি গন্তব‍্যস্থানে পৌঁছাতে দেরি হওয়ার পরও কাজে কোনোরূপ ব‍্যাঘাত ঘটেনি। আলহামদুলিল্লাহ!
আবুল হাসান কাযবিনী (রহ.) বলেন: যে ব‍্যক্তি শত্রু অথবা বিপদের আশঙ্কা করে তার জন‍্যে সূরা কুরাইশের তেলাওয়াত নিরাপত্তার রক্ষাকবচ। একথা উদ্ধৃত করে ইমাম জযরী (রহ.) বলেন—এটা পরীক্ষিত আমল। কাজী ছানাউল্লাহ পানীপথী (র.) তাফসীরে মাযহারীতে উল্লেখ করেন: আমাকে আমার মুর্শিদ (মির্যা মাযহার জান্ জানান) বিপদাপদের সময় এই সূরা তেলাওয়াত করতে বলেছেন। তিনি বলেছেন: সব ধরণের বালামুসিবত দূর করার জন‍্যে এটা পরীক্ষিত ও অব‍্যর্থ। কাজী ছানাউল্লাহ (রহ.) আরো বলেন: আমি বার বার এটা পরীক্ষা করেছি।

Address

Dhaka
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Azim Online bd.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category