07/02/2026
মোল্লা পিটানো, স্টুডেন্ট পিটানো—যেটাই হোক, পুলিশ লাঠি তুললেই যাদের আসমান কাঁপে,
তারা দয়া করে আয়নায় তাকিয়ে একবার তৃপ্তির হাসি হাসুন।
দেখে নিন, যে সুযোগ পেলে প্রোটেস্টররাও পুলিশকে ছেড়ে দেয় না।
মোল্লা হোক, ছাত্র হোক, শ্রমিক হোক, বা “আমরা শান্তিপূর্ণ” ট্যাগ লাগানো যেকোনো গ্রুপ—
পুলিশ একা পেলে, তাদেরও নৈতিকতা তখন ছুটিতে যায়।
গতকাল ঝুমা ম্যাডম মিডল ফিঙ্গার দেখিয়ে পুলিশকে জিজ্ঞেস করছিলেন
“আমরা কি পুলিশ ** নাকি?” 🤮
অভিনন্দন!
এভাবেই ইতিহাসের সবচেয়ে অসভ্য জেনারেশনের ট্রেলার রিলিজ হয়।
এদের ভাষা এখন এমন পর্যায়ে গেছে যে
বাচ্চা-কাচ্চা সামনে নিয়ে নিউজ চালাতে ভয় লাগে।
আগে বাবা-মা বলতো, “খবর দেখো, শেখো।”
এখন বলতে হয়, “খবর বন্ধ কর, ভাষা নষ্ট হয়ে যাবে।”
এখন আসি আসল কথায়।
ভাই, লাঠিচার্জের সিদ্ধান্ত মাঠের পুলিশ নেয় না।
কনস্টেবল বা এএসআই কি সকালে নাশতা খেয়ে ভাবে যে,
“ যাই, আজ একটু ছাত্র পিটায়ে আসি?”
না।
সিদ্ধান্ত আসে প্রশাসন আর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের কাছ থেকে।
পুলিশ শুধু এক্সিকিউট করে।
কারণ এটা ইউনুসের কোনো NGO না, এটা একটা শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনী।
এখানে ‘না’ বলার মানে চাকরি নাই, ভবিষ্যৎ নাই, শান্তি নাই।
কিন্তু সমস্যা হলো—
শেখ হাসিনার পুলিশ খারাপ ছিলো, এই ন্যারেটিভ সবাই মুখস্থ।
এখন শেখ হাসিনা নাই।
তাহলে প্রশ্নটা স্বাভাবিকভাবেই আসে
ইউনুস আব্বা থাকতে ছাত্রদের পিটানোর অনুমতি দিলো ক্যানো?
এই প্রশ্নটা করতে গায়ে লাগে?
নাকি প্রশ্ন করলেই ট্যাগ লাগবে?
ক্ষমতাসীন কাঠামোর সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো,
জনগণের ক্ষোভটা “পুলিশ”-এর দিকে ঠেলে দেওয়া।
পেছনের চেয়ারে বসে যারা আদেশ দেয়, তারা নিরাপদ।
আর সামনে দাঁড়িয়ে যারা লাঠি ধরে, তারা গালি খায়।
পুলিশ ফেরেশতা না।
অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ আছে, দম্ভ আছে, ক্ষমতার অপব্যবহার আছে।
সেখানে জবাবদিহিতা দরকার।
কিন্তু পুরো দায় যদি পুলিশের ঘাড়ে চাপান,
তাহলে আসল মাস্টারমাইন্ডরা আবারও পার পেয়ে যাবে।
আর যারা ভাবছেন
“পুলিশ দেখলেই গালি, থুতু, মধ্যমা দেখানো—এইটাই রেভল্যুশন”
তাদের জন্য দুঃসংবাদ—
এটা বিপ্লব না।
এটা দলকানা সম্প্রদায়ের বিক্ষিপ্ত হাহাকার।
লাঠি কে ধরে সেটা শুধু দেখলেই হবে না।
লাঠি তুলতে কে বলে এবং ক্যানো সেটা দেখার সাহস করতে হবে।
না হলে,
আজ পুলিশ, কাল অন্য কেউ...