Kuakata Mermaid Cafe

Kuakata Mermaid Cafe Multi Cuisine Restaurant

15/06/2025

বাবা দিবসের শুভেচ্ছা ।।

সর্বশেষ কবে বাবাকে বলেছেন , "বাবা তোমায় ভালোবাসি"

30/04/2025

মহান মে দিবসে জয় হোক মেহনতি মানুষের..

30/04/2025

যেসব খাবার বাসি হলে পুষ্টিগুণ বাড়ে

চিকিৎসকরা সাধারণত তাজা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন, কারণ রান্না করা খাবার ফ্রিজে রেখে বা বারবার গরম করলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায় এবং স্বাদও কমে যায়। তবে কিছু খাবার আছে যেগুলো বাসি হলেও পুষ্টিগুণ ধরে রাখে এবং শরীরের জন্য উপকারী প্রমাণিত হয়। নিচে এমন কিছু বাসি খাবারের কথা উল্লেখ করা হলো:

১. বাসি রুটি
পরদিন সকালে চায়ের সঙ্গে বাসি রুটি খাওয়া অনেকেই পছন্দ করেন। এই রুটি গরম করে খাওয়া হলে তা হজমের জন্য ভালো। কারণ বাসি রুটিতে *গাজন প্রক্রিয়া* (Fermentation) শুরু হয়, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে ও সামগ্রিক হজমশক্তি বাড়ায়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এটি একটি ভালো বিকল্প।

২. পান্তা ভাত (বাসি পানিভাত)
রাতের রান্না করা ভাত সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখলে তা পরদিন সকালে পান্তা ভাত হিসেবে খাওয়া হয়। এতে আয়রন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকে। এটি পেটের জন্য উপকারী এবং হজমে সহায়ক।

৩. বাসি ক্ষীর
খাবারের শেষে মিষ্টি হিসেবে ক্ষীর খাওয়ার একটি প্রচলন আছে। আগের রাতের ঠান্ডা বাসি ক্ষীরও শরীরের জন্য উপকারী। ফ্রিজে সংরক্ষিত এই ক্ষীর পরদিন খেলে তা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং স্বাদেও অনন্য।

৪. বাসি দই
এক বা দুইদিন পুরনো দইয়ে গাজন প্রক্রিয়া দ্রুত হয়, ফলে ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়। এই দই অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে, হজমশক্তি বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এমনকি যারা সাধারণ দুধ বা দই হজম করতে পারেন না, তাদের জন্য বাসি দই একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। বাসি হওয়ার পর এতে ভিটামিনের পরিমাণও বেড়ে যায়।

৫. কলা:
বেশি পাকা কলায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে।

৬. আচার:
দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা আচারে গাঁজন প্রক্রিয়া (Fermentation) হয়, যা এতে প্রো-বায়োটিক ও ভিটামিনের পরিমাণ বাড়ায় এবং হজমের জন্য উপকারী করে তোলে।

সতর্কতা:
সব বাসি খাবার স্বাস্থ্যকর নয়। খাবার যদি নষ্ট হয়ে যায় বা দুর্গন্ধ ছড়ায়, তবে তা এড়িয়ে চলাই ভালো। এছাড়া সংরক্ষণ পদ্ধতি সঠিক না হলে বাসি খাবারে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

Kuakata Mermaid Cafe এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই নববর্ষের শুভেচ্ছা,** নতুন বছর শুরু হোক "কুয়াকাটা মারমেড ক্যাফ" এর সাথে......
14/04/2025

Kuakata Mermaid Cafe এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই নববর্ষের শুভেচ্ছা,
** নতুন বছর শুরু হোক "কুয়াকাটা মারমেড ক্যাফ" এর সাথে... শুভ নববর্ষ

23/02/2025

প্রয়োজনীয় টিপস্

১: সিমের বীচির খোসা সহজেই ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য ডিপ ফ্রীজের ১ দিন রেখে দিন
১দিন পর ফ্রীজ থেকে নামিয়ে আলত হাতে ধরলেই খোসা খোলে আসবে

২:ডিম সিদ্ধ করার সময় সামান্য লবন ছিটিয়ে দিবেন
এতে সহজেই ডিমের খোসা ছাড়ানো যাবে

৩: নুডলস /পাস্তা সিদ্ধ করার সময় পানিতে সামান্য তেল দিলে নুডলস /পাস্তা ঝরঝরে হয়

৪:চায়ের কাপের দাগ তুলতে লবন দিয়ে ঘষে নিন দাগ চলে যাবে

৫:ঘরে টক দই না থাকলে গুড়া দুধের সাথে পানি ও লেবুর রস মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিলে দেখা যাবে দুধ ফেটে যাবে
এটা রান্নায় ব্যবহার করা যাবে

৬:আলুর সাথে পেয়াজ রাখলে আলু পঁচে যায়

৭:আলুর সাথে রসুন রেখে দিলে আলু বেশিদিন ভালোথাকে

৮:মাছ কাটার পর হাতে লেবু ঘষে নিলে হাতে মাছের আশটে গন্ধ আসেনা

৯: মশার কয়েলের পরিবর্তে ঘরে ধুপকাটি /আগরবাতি জ্বালিয়ে রাখলে বাড়ীতে মশামাছি উপদ্রব কমে যাবে

১০:ফ্রীজে দীর্ঘদিন মাছ রাখলে মাছ খেতে ভালোলাগেনা তবে এই মাছের সাথে কয়েকটি লেবু পাতা দিয়ে রান্না করলে মাছ খেতে সুস্বাদু হয়

বি:দ্র: তবে লেবু পাতা মাছ চুলা থেকে নামানোর ১মিনিট আগে দিতে হবে
লেবু পাতা দিয়ে বেশিক্ষণ রান্না করলে তিতা হয়ে যাবে।
Kuakata Mermaid Cafe এর সাথেই থাকুন

কুয়াকাটা...
21/02/2025

কুয়াকাটা...

06/01/2025

সেন্টমার্টিনের রিপ কারেন্ট ও বিপদজনক বিচ, যা সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা থাকা উচিত।
বাংলাদেশের একমাত্র নীল পানির দ্বীপ বা সৈকতের জন্য সেন্টমার্টিন জনপ্রিয়। প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটকের পদচারণায় মূখরিত হয় যার পুরো প্রান্তর। অনেক জল্পনা কল্পনার শেষে, এই বছর আবারো শুরু হয়েছে সেন্টমার্টিনের সাথে সকল রুটের জাহাজ চলাচল। কেউ হয়তো প্রথমবার, কেউ হয়তো অসংখ্যবারের মতন আবারো ছুটবেন সেন্টমার্টিনের পথে। কিন্তু কিছু কথা সেন্টমার্টিন নিয়ে অন্তত প্রতি সিজেনের শুরুতে না বললেই হয়তো নয়। সেন্টমার্টিন ভ্রমণ যাতে কারো কাছে বিষাদের বিষয় বস্তুতে পরিনত না হয় তাই সেন্টমার্টিন যাবার পূর্বেই জেনে নেয়া দরকার।

মনে আছে, কিছুদিন আগে ভাইরাল হওয়া নেটওয়ার্ক এর বাইরে - নাটকের কথা। কিংবা বহু বছর আগে সেন্টমার্টিনে আহ‌্ছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের দুঃখজনক মৃত্যুর কথা। আজ বলবো কিছু কথা সেই বিষয়েই।

যদি সেন্টমার্টিন এর ম্যাপ দেখেন আর যে প্রান্তে সর্বাধিক মৃত্যু ঘটে তা দেখেন তবে দেখবেন, সেন্টমার্টিনের মাথা বা কোনার দিকের এই ঘটনা বেশি ঘটে। বিস্তারিত ২ নাম্বার ছবিতে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের একটা ছবি যেইটায় একটা কোনার মত অংশ বেরিয়ে আছে।

বাংলাদেশের সাথে পৃথিবীর অন্য সৈকতের মানুষ মারা যাওয়ার একটা পার্থক্য হলো, ভাটার সময় কোন দেশে আপনাকে নামতেই দিবেনা। কিন্তু, বাংলাদেশে অনেক মানুষ, ভাটার সময় পানিতে নেমে ভেসে যায়, এই অজ্ঞানতার কারনে অনেক জীবন বিনষ্ট হচ্ছে। এই জন্যে কক্সবাজার বা কুয়াকাটায় যাওয়ার আগে গুগল করে। জোয়ার ভাটার সময় জেনে যেতে পারেন।

ভাটার সময় মানুষের ভেসে যাওয়া বাদেও আর একটা বিপদজনক ইস্যু আছে। যেটা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা অনেক কম।

একে বলা হয়, রিপ কারেন্ট। সোজা বাংলায় আমরা সুবিধার জন্যে এর নাম দিতে পারি উলটো স্রোত।

সমুদ্র সৈকতে ৮০% মৃত্যু এই রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের জন্যে হয়। এমনকি অস্ট্রেলিয়াতেও প্রতি বছর গড়ে ২২ জন মারা যায় রিপ কারেন্টের কারণে।

আমাদের দেশেও সমুদ্র সৈকতে যেই সব মৃত্যু হয়, তার বেশীর ভাগ এই রিপ কারেন্টের জন্যেই হওয়ার কথা। এবং সেন্টমার্টিনের মাথার দিকে যে সরু অংশ তাও রিপ কারেন্টের একটা বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে।

🚩রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতঃ
এইটা এক ধরনের ঢেউ যা সমুদ্রের তটে ধাক্কা খেয়ে, উলটো দিকে প্রবাহিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে, এই ধাক্কা খেয়ে ফিরে যাওয়া ঢেউ বাতাসের কারনে বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে চিকন একটা পথ ধরে, সমুদ্রে ফিরে যেতে পারে। এবং এর ফলে সেই সরু পথে যদি কেউ থাকে তবে ঢেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে গভীর সমুদ্রে নিয়ে ফেলতে পারে। এই সরু পথের ঢেউটাকেই বলা হয়, রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত।

আমি রিপ কারেন্টের কিছু ছবি দিচ্ছি ছবি ৩, ৪,৫

এইটা যে কোন স্থানে হতে পারে। যে কোন সমুদ্রে হতে পারে, কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারনে নিয়মিত রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত নিয়মিত হতে পারে।

🚩কিভাবে রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত চিনবেন ?
রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের একটা ভয়ঙ্কর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এইটা দেখতে মনে হয় খুব শান্ত। এবং উপর থেকে একে গাঢ় নীল দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের সময়ে দেখবেন কিছু না কিছু ভেসে সাগরের দিকে যাচ্ছে বা আশে পাশের ঢেউ এর মধ্যে ঢেউ এর মাথা দেখা যাচ্ছে না। ছবিগুলো খেয়াল করেন, রিপ কারেন্ট যখন প্রবাহিত হয় তখন সে ফেরার পথে ঢেউয়ের মাথা ভেঙ্গে দেয়।

ফলে সেই স্থানটা বেশী শান্ত দেখায়।

🚩উলটো স্রোতে কিভাবে বাঁচতে হবে ?
যারা সাঁতার জানেন তারা রিপ কারেন্টে পড়লে, উলটো দিকে তীরের দিকে না গিয়ে সৈকতের সমান্তরাল ভাবে উলটো স্রোত থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। কারণ, সাগরের স্রোত যখন টান দিবে তখন শক্তি দিয়ে স্রোতের বিপরীতে ফেরা যাবেনা।

🚩কয় ধরনের রিপ কারেন্ট আছে ?
তিন ধরনের রিপ কারেন্ট আছে। একটা ফিক্সড আর একটা হঠাৎ আর একটা টপোগ্রাফিক যার মধ্যে অন্যতম একটা হচ্ছে হেডল্যান্ড এর কারনে রিপ কারেন্ট। ফিক্সডটা হয় কিছু কিছু এলাকায় যেমন যেইখানে ব্রিজ আছে, যেইখানে কোন গভীর গর্ত আছে। হঠাৎ যেইটা হয়, সেইটা যে কোন জায়গায় বাতাসের কারনে হতে পারে।

🎯সেন্ট মার্টিনের এই অংশটা একটা হেডল্যান্ড বৈশিষ্ট্যের এলাকায় যেইখানে রিপ কারেন্ট ঘন ঘন হবে প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে। [ছবি ৫]

কারণ বাতাসের কারণে দুই দিকের পানি ধাক্কা দিয়ে এর মাথায় বা তার দুই পাশেই একটা রিপ কারেন্ট তৈরি করতে পারে। এইটা একটা মৃত্যুফাঁদ। এইখানে প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে অনেক বড় বড় চ্যানেল তৈরি হয়েছে যেইগুলো দিয়ে ঘন ঘন উলটো স্রোত বা রিপ কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার চান্স বেশী। যা শান্ত পানি দেখে নামা পর্যটকদের ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তাই অবশ্য জেটি ঘাটে নেমেই উত্তরের বিচে ছবিতে চিহ্নিত স্থানে ভুল করেও নামতে যাবেন না। যদিও সেন্টমার্টিন এর পানিতে নামার জন্য সব থেকে আকর্ষণীয় বিচ উত্তর বিচ। কিন্তু উত্তর-পূর্বের এই অংশেই আছে ভয়ংকর রিপ কারেন্ট। সেন্ট মার্টিনের এলাকাবাসি জানে এই এলাকায় সাঁতার কাটতে নাই। তাই সামনে কাউকে দেখলে এরা মানা করে। কিন্তু সেইটা সবার জানার সুযোগ হয় না। এই ভাবেই সামান্য অসাবধানতার কারণে অনেক পর্যটক মারা যায়।

সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে হেডল্যান্ড ধরনের টপোগ্রাফিক রিপ কারেন্ট কিন্ত নিয়মিত একটা বৈশিষ্ট্য। এই স্থানে যদি একটা মৃত্যুও ঘটে আমরা তাকে দুর্ঘটনায় বলতে পারিনা। এইগুলো হয় আত্নহত্যা নয়তো হত্যার পর্যায় পড়ে। কারন আমাদের সকলের উচিত এসকল স্থান সম্পর্কে জানা ও অন্যকে জানানো। যাতে না জানার জন্য আর কোন মৃত্যু না হয়।

বলে রাখা ভালো রিপ কারেন্ট পৃথিবীর সব সৈকতে হয় এবং এই জন্যে সতর্কতা নিতে হয়। রিপ কারেন্টের ভয়ে সমুদ্রযাত্রা বন্ধ করার দরকার নাই। কিন্তু সতর্কতা গুলো নিতে হবে।

দেশবাসী ট্যুরে যান, ট্রেকিং এ যান। যেখানে মন চায় যান, যেভাবে মন চায় যান। কিন্তু প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কিছুই করবেন না প্লিজ।

--সংগৃহীত

24/11/2024

অপরাজিতা ফুলের চায়ে মিলবে এই ৬ উপকার

(অপরাজিতা ফুল)

ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে শুরু হয় কারও দিন। কারও আবার দিনে কয়েক কাপ চা না হলে চলেই না। স্বাস্থ্যসচেতন অনেকেই আজকাল সাধারণ চায়ের বদলে গ্রিন টিসহ নানা ভেষজ চা পান করেন। তাঁরা অপরাজিতা ফুলে তৈরি চা বেছে নিতে পারেন।

আয়ুর্বেদশাস্ত্রে বহু বছর ধরে অপরাজিতা ফুল সুস্থতা ও সৌন্দর্য ধরে রাখার দাওয়াই হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই ফুল দেখতে যেমন সুন্দর, ঠিক তেমনি ভেষজ গুণও অনেক। আর গাছেরও খুব বেশি যত্নের প্রয়োজন হয় না। তাই বাড়ির ছাদে অথবা বারান্দার টবে এই গাছ লাগিয়ে ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি খেতে পারেন এর চা।

হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়

অপরাজিতা ফুলের চায়ে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তনালিকে শিথিল করতে সাহায্য করে। যা রক্তচাপ কমিয়ে হৃৎপিণ্ডের ওপর চাপ কমায়। ফলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে।

ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ কমায়

অপরাজিতা ফুলের চায়ে রয়েছে অ্যান্থোসায়ানিন, প্রোঅ্যান্থোসায়ানিডিন এবং কোয়ারসেটিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা অকাল বার্ধক্যের কারণ হিসেবে পরিচিত ফ্রি-র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এ ছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট–সমৃদ্ধ পানি শরীরে থাকা বিষাক্ত উপাদানগুলো সরিয়ে ডিটক্স করতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়

খাবার খাওয়ার আগে অপরাজিতা ফুলের এক কাপ চা পান করলে গ্রহণ করা খাবার থেকে গ্লুকোজ শোষণে এটি বাধা দেয় ও কমিয়ে দেয় রক্তের শর্করার মাত্রা। যা ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য উপকারী।

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়

অপরাজিতা ফুল নুট্রপিক হিসেবে প্রমাণিত। নুট্রপিক এমন একটি পদার্থ যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। এই ফুলের চা পানে সতেজ হয় মস্তিষ্ক, বাড়ে এর কার্যকারিতা।

অপরাজিতা ফুলের চায়ে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তনালিকে শিথিল করতে সাহায্য করেছবি: সংগৃহীত
মানসিক চাপ কমায়

অপরাজিতা ফুলের চায়ে থাকা এল-থেনাইন, পেপটাইড ও অ্যাডাপটোজেন নামের যৌগ মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। অ্যাডাপটোজেনের কারণে সহজেই চাপের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয় শরীর-মন।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

অপরাজিতা ফুলের চায়ে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষগুলোর ক্ষতি কমায়। কোষের ক্ষতি যত কম হয়, সব ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি তত কমে।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

24/11/2024

পেয়ারা পাতা চিবিয়ে খেলে যে উপকার পাওয়া যায়

পেয়ারা মিষ্টি এবং অতি-সুস্বাদু একটি ফল। এটি আয়রন, ভিটামিন সি এবং এ সমৃদ্ধ বলে পরিচিত। শীত মৌসুমে এই ফল খুবই উপকারী কারণ এটি ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা পূরণ করে। কেবল এই ফল নয়, এর পাতাও খুব কার্যকর এবং অগণিত উপকার দেয়। ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমানো থেকে শুরু করে ওজন কমাতে সাহায্য করে, এমনকী রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও পেয়ারার পাতা খুবই উপকারী বলে জানা যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, পেয়ারা পাতা চিবিয়ে খাওয়ার ‍উপকারিতা-

হজমে সাহায্য করে

আপনার যদি হজম এবং অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে তবে পেয়ারা পাতা আপনাকে এই অবস্থার উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে। পেয়ারা পাতা পরিপাকতন্ত্রের ক্ষতিকর জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া এবং খাদ্যজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি কমায়। শুধু তাই নয়, পেয়ারা পাতার চা পেটে আটকে থাকা গ্যাস দূর করতে ডিটক্সের মতো কাজ করে।

ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে

পেয়ারা পাতা তার অনন্য বৈশিষ্ট্যের কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে বিবেচিত হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পেয়ারা পাতা খাওয়া উচিত, যা ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করে রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ওজন হ্রাস

পেয়ারা পাতা রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে উপকারী, এটি অতিরিক্ত খাওয়ার তাগিদ কমাতে সাহায্য করে। এক কাপ পেয়ারা পাতার চা আপনার ওজন কমানোর প্রচেষ্টাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে, এটি ফিটনেস অর্জনে একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক সহযোগি।

পেয়ারা পাতা একটি প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার হিসেবে কাজ করে, যা লিভারকে শরীর থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ বের করে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় সহায়তা দেয়। পেয়ারার পাতা কোয়ারসেটিন এবং ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা লিভারের কোষগুলোকে ক্ষতি করতে পারে এমন ফ্রি র‌্যাডিকেলের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। শুধু তাই নয়, এটি চর্বি ভাঙতে এবং শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণের জন্য অত্যাবশ্যক।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

পেয়ারা পাতা বা পেয়ারা পাতার চা একটি প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী। এটি ব্রঙ্কাইটিস, দাঁতের ব্যথা, অ্যালার্জি, ক্ষত, গলা ব্যথা এবং দুর্বল দৃষ্টির চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে। এছাড়াও, এটি আমাদের সিস্টেমের ক্ষতিকারক কোষ এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই এবং নির্মূল করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে গুরুতর অসুস্থতার বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে।

হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

পেয়ারা পাতা তার সমৃদ্ধ পুষ্টির প্রোফাইল এবং বায়োঅ্যাকটিভ যৌগের কারণে হার্টের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে পারে যা কার্ডিওভাসকুলার ফাংশনকে সহায়তা করে। এটিতে ফ্ল্যাভোনয়েডও রয়েছে, এই উপাদান লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন (এলডিএল) কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের একটি প্রধান ঝুঁকির কারন।

22/09/2024

০১.

ছেলেটির বয়স যখন ৫ বছর, বাবা মা'রা গেলেন।

১৬ বছর বয়সে স্কুল যাওয়া বন্ধ করে দিলো সে, এবং রোজগারের চাপে পড়াশোনা চালালো কারেসপন্ডেন্সে (ঘরে বসে)।

১৭ বছর বয়সের মধ্যেই প্রায় ৪টির বেশি চাকরি হারাতে হলো তাকে, ঠিক সময়মতো কাজে যেতে না-পারায় এবং যোগ্যতার অভাবে।

বিয়ে করলো সে মাত্র ১৮ বছর বয়সেই।

১৮-২২, এই ৪ বছর সে ড্রাইভারের চাকরি করলো, এবং সেটাও হারালো।

সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে গেলো, প্রত্যাখ্যাত হলো।

আইন পড়লো কারেসপন্ডেন্সেই, স্কুলে গিয়ে পড়ার সময় ও পয়সার তখন অভাব, নানাদিকে কাজ খুঁজছে সে ছুটেছুটে!

ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সেলসম্যানের চাকরি একটা পেলো, হলো ব্যর্থ।

বয়স তখন ২৫, ছেড়ে গেলো স্ত্রী; সাথে নিয়ে গেলো একমাত্র সন্তান কন্যাটিকে।

অবশেষে কফি-শপে টেবিল পরিষ্কারের কাজ নিলো সে।

এরপরের বছরগুলোয়, সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে গিয়েছিলো সাবেক স্ত্রীর কাছে, বেশ কয়েকবার; ফলাফলে পেয়েছিলো অপমান, তাচ্ছিল্য; পুরোই পর্যুদস্ত যুবক, পেলো না আর কলিজার টুকরাকে ফিরে।

এই আঘাতই ছেলেটিকে জেদি করে দিলো চিরতরে! ১৯৩০ সালে দেখা গেলো─ ইস্টার্ন কেন্টাকির হাইওয়ে টুয়েন্টি ফাইভ-এ দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে নিজের রান্না করা গরম খাবার বিক্রি করছেন তিনি। বছর কয়েক পরে ওখানেই তিনি খুলে ফেললেন একটি রেস্তোরাঁ। এবং ১৯৩৭ সালে, এর সাথে যুক্ত করলেন একটি মোটেল!

৬৫ বছর বয়সে এসে, যেদিন তিনি ১০৫ মার্কিন ডলারের প্রথম সরকারি সিকিয়োরিটি চেকটি (অবসর ভাতা) পাচ্ছেন, সেদিন তিনি বিহ্বল! "আমি যদি ৬৫ বছরের বুড়ো না-হতাম, এবং যদি প্রত্যেক মাসে ১০৫ ডলারের সোশ্যাল সিকিউরিটি চেকটি না-আসতো, জানি না, কী করতাম আমি! ওই অবস্থাটির নাম হতাশা নয়, একে আমি বলবো─ দ্বিধা, 'কী করবো আমি' এই সিদ্ধান্তহীনতা।" বহু বছর পরে বলেছিলেন তিনি, তাঁর আত্মজীবনীতে।

০২.
আজীবন ব্যর্থ এই মানুষটি, সেই ১০৫ ডলারের চেকটির দিকে তাকিয়ে ছিলেন ভয়ানক একটি ভাবনা নিয়ে! 'এই দয়ার পয়সার উপরেই বেঁচে থাকবো বাকিটা জীবন? নাকি, এ-দিয়েই আরম্ভ করবো দুনিয়ায় সফলতম হয়ে ওঠার যাত্রা, এই বুড়ো বয়সেই?

হ্যাঁ, সাধারণ লোকটি বেছে নিলেন ভ'য়ঙ্কর ঝুঁকিটাই।

বন্ধু হারম্যান, যার একটি রেস্তোরাঁ আছে সল্ট লেক সিটিতে, এবং যে-রেস্তোরাঁয় তিন বছর আগেই দারুণ সুস্বাদু ফ্রায়েড চিকেনের একটি রেসিপি রান্নার প্রক্রিয়া শিখিয়ে এসেছেন তিনি, সেই বন্ধুর কথা মনে পড়লো তাঁর। তখনই, হঠাৎ তাঁর মনে হলো─ 'আরে! এতোকিছু করলাম জীবনে, এতো কিছু রেঁধে বেচলাম, কিন্তু একটি কাজ তো করা হয়নি এখনো: দাদির কাছ থেকে শেখা ফ্রায়েড চিকেনের রেসিপিটা, যেটা হারম্যানকে তার রেস্তোরাঁয় বেচার জন্য শিখিয়ে এসেছি, সেটা তো নিজে কখনো বেচলাম না!'

হুড়মুড়িয়ে উঠে দাঁড়ালেন বুড়ো, সরকারের দেওয়া টাকাগুলো পকেটে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন পার্শ্ববর্তী দুই প্রখ্যাত বাণিজ্যিক রাজ্য ওহাইয়ো ও ইন্ডিয়ানার উদ্দেশ্যে। ওখানকার রেস্তোরাঁর চিকেন-ব্যবসা দেখবেন তিনি। তারপর ফিরে এসে নিজেই আরম্ভ করবেন। কিনে রাখলেন ফ্রাইংপ্যান, আর যাবতীয় সমস্ত অনুষঙ্গ। তিনি আসবেন ফিরে।

হ্যাঁ তিনি ফিরে এসেছিলেন, দুই ব্যস্ত বাণিজ্যিক রাজ্যের রেস্তোরাঁ-ব্যবসার বিকিকিনি দেখেশুনে, অভিজ্ঞতা নিয়ে, সেবছরই। এসেই, চলে গেলেন সল্ট লেক সিটিতে, বন্ধু হারম্যানের রেস্তোরাঁয়। দেখলেন─ ওখানে তাঁর শেখানো রেসিপিটা এখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে, স্বাদে! কিন্তু, রেসিপিটা যে তাঁর─ এর কোনো স্বীকৃতি দেয়নি বন্ধু কোথাও! অতএব, সেই ফ্রায়েড চিকেন রেসিপিটা রান্না ও বিক্রির জন্য বন্ধুর সাথে চুক্তি করলেন তিনি, এবং চুক্তি হলো আশেপাশের আরও ৮টি বিখ্যাত রেস্তোরাঁর সাথে, তাঁর রেসিপিটা তাঁরই দেওয়া ব্রান্ড নামে বিক্রি করার অনুমতিতে। এই সেই চিকেন রেসিপি, শৈশবে দাদির রেঁধে খাওয়ানো যে-রেসিপির স্বাদ আজ জিভে লেগে আছে পৃথিবীর সমস্ত খাদ্য-রসিকের, এবং আমাদেরও!

দাদির শেখানো রেসিপির সাথে আধুনিক আরও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া মিশিয়ে তৈরি করা তাঁর নিজস্ব এই খাবারটির স্বাদ ভোলা হবে না, যে খেয়েছে অন্তত একবার─ "finger lickin' good!"...

ফিরে এলেন ভদ্রলোক, কেন্টাকিতে। আরম্ভ করলেন তাঁর দেওয়া নামেরই ব্রান্ডটি, পৃথিবীর খাবারের ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া একটি খাবারের ব্রান্ড─ কেন্টাকি ফ্রায়েড চিকেন, KFC!

০৩.
৯০ বছর বয়সে, সেই পরিশ্রমী ভদ্রলোক─ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকির কর্নেল হারল্যান্ড ডেভিড স্যান্ডার্স (০৯.১১.১৮৯০-১৬.১২.১৯­৮০), কেএফসি (কেন্টাকি ফ্রায়েড চিকেন) ফাস্ট-ফুড চেইন শপের প্রতিষ্ঠাতা─ যখন ত্যাগ করছেন এই পৃথিবী, তখন তিনি অর্থের পরিমাপে─ মিলিয়োনিয়ার, মানুষের ভালোবাসার পরিমাপে─ অমর, খাদ্য-রসিকদের কাছে─ কিংবদন্তী।

তথ্যসূত্র─ আত্মজীবনী 'দি অটোবায়োগ্রাফি অভ দি অরিজিনাল সেলিব্রিটি শেফ, হাইওয়ে ২৫' (কেএফসি করপোরেশন, ২০১২)
'কর্নেল হারল্যান্ড স্যান্ডার্স: কেএফসি ক্রিয়েটর' (শেইলা গ্রিফিন ল্যানাস, ২০১৪)
'কর্নেল স্যান্ডার্স এন্ড দি আমেরিকান ড্রিম' (জশ ওজারস্কি, বই, ২০১২)
নিউ ইয়র্ক টাইমস
দ্য নিউ ইয়র্কার
এএপি ফ্যাক্টচেক (২০২১)

স্নোপ্স।

পোস্ট সংগৃহীত

25/08/2024

নিজ পারিবারিক চাহিদায় স্বয়ংসম্পূর্ন আনতে যেভাবে পরিকল্পনা করা যেতে পারেঃ

*খাদ্য চাহিদাঃ

১) ০২টা গাভী।
২) সবজি আঙিনা চাষ।
৩) ০২বিঘা জমি ধান চাষ।
৪) একটা পুকুর মাছসহ।
৫)

*বস্ত্র চাহিদা(উৎপাদন)ঃ

১)সেলাই ম্যাশিন(ম্যানোয়াল)।

*আদর্শ বাসস্থানঃ

১)বাড়ি সীমানা বেড়া/প্রাচীর দিয়ে ঘিরে দেয়া।
২)বাড়িতে উঠান রাখা।
৩)বাড়ির আঙ্গিনায় হালকা পাঁচ মিশালী সবজি চাষের ব্যবস্থা করা।
৪)বাড়িতে টিউবয়েল স্থাপন/কুপ/হাউজ স্থাপন।
৫)সৌর বিদ্যুৎ শক্তি ও বায়োগ্যাস ব্যবহার করা যেতে পারে।

*চিকিৎসাঃ

১)ফাস্ট এইড বক্স।
২)ঔষধি গাছ রোপন ও প্রয়োগ।
৩)নানা ঔষধি বই ও ম্যাটারিয়াল সংরক্ষন।
৪)কমন কিছু অসুস্থতা, যেমনঃ জ্বর, সর্দিকাশি,হাত,পা,বুক,মাথা ও শরীর ব্যথা,কাটাছেড়া,চর্ম,চুলকানি এবং ঘাঁ ও ফোঁড়া ও গোটা ইত্যাদি বিষয়ের প্রাকৃতিক শুশ্রূষাময় প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি জেনে রাখা।

*শিক্ষাঃ

১)পারিবারিক লাইব্রেরী।
২)পারিবারিক হালাকা পয়েন্ট (যেখানে পারিবারিক ভাবে ধর্ম চর্চা করতে পারেন।
৩) মন্দির নির্মান।(সামাজিক ভাবে, কয়েকটি পরিবার মিলে)।

Natural is always beautiful ❤️🤩💓

Address

Barishal
800

Telephone

+8801789308252

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kuakata Mermaid Cafe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kuakata Mermaid Cafe:

Share

Category